17.8K subscribers
1.88K photos
350 videos
73 files
1.34K links
আল্লাহ আপনার দুনিয়ার কষ্ট দূর করে দিক, আখিরাত সহজ করে দিক, আমীন।

প্রয়োজনে: @HopeDM

আমাদের সব চ্যানেলঃ https://t.me/Hope24hours/1215

এনোনিমাস মেসেজ পাঠাতে: https://chithi.me/Hope24hours
উত্তর:
https://t.me/a_teardrop
Download Telegram
সুন্নাহ বাক্য সিরিজঃ শিখে নিন কখন কোথায় কি বলতে হবেঃ ২

Cr: Taqdim
38👍3
জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে, তবে তা রাত ২ টার পর থেকে এমনটাই ঘোষণা ছিলো। আর পেট্রোলপাম্প মালিকরা তাই গতকাল রাতে আগে ভাগেই পাম্প বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ মজুদ করা তেল নতুবা দ্বিগুণ দামে কিভাবে বিক্রি হবে?

কি সুন্দর না? আমার এই দেশ? কপালে কি এভাবে এভাবে অত্যাচারী শাসক আছে৷ আমরাই সম্ভবত একমাত্র দেশ যারা সুযোগ পেলে কাফনের কাপড়েও লাভের আশায় খুশি হবে। এটা পড়ুনঃ

https://t.me/SocietyUncensored/49
😢42👍2
ক্ষমা করা একটা মহৎ গুণ। তবে সকল ক্ষেত্রে ক্ষমা করা উচিৎ নয়। এ প্রসঙ্গে শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন [রাহ.] সুন্দর কিছু কথা বলেছেন। তিনি বলেন-
.
‌"এটা জেনে রাখা উচিৎ যে, যে আপনার ক্ষতি করে তাকে ক্ষমা করে দেয়া সবসময় প্রসংশনীয় নয়। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকে ইসলাহ বা সংশোধনের সাথে সম্পর্কযুক্ত করে দিয়েছে। তিনি বলেন-
(فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّه)
.
'তবে যে ক্ষমা করে ও সংশোধন করে আল্লাহর কাছে তার পুরস্কার রয়েছে'[১]
.
কাজেই যদি মাফ ও ক্ষমা করার মাধ্যমে সংশোধন না হয় তাহলে ক্ষমা করবেন না এবং মাফ করবেন না।
.
এর একটা উদাহরণ হচ্ছে, যদি এমন কেউ আপনার ক্ষতি করে যে মন্দ ও অন্যায়কর্মের জন্য প্রসিদ্ধ, আর যদি আপনি তাকে ক্ষমা করে দেন তাহলে এটা কেবল তার অপকর্মকে বাড়িয়েই দেবে, তাহলে এই অবস্থায় তাকে ক্ষমা না করাই উত্তম; বরং সংশোধনের উদ্দেশ্যে তার কাছ থেকে স্বীয় হক আদায় করে নিন"[২]
.
.
[১) সূরা শুরা: ৪০
২) শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন (রাহ.), শারহু রিয়াদ্বিস সালিহীন: ১/১৮০; দারুল ওয়াতন, রিয়াদ, ১৪২৬ হি.]
30👍6😢3
Credit: Alor Poth - আলোর পথ
10
🍀আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ! আমি এ সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি প্রতিদিন সওম পালন কর এবং সারা রাত সালাত আদায় করে থাকো। আমি বললাম, ঠিক (শুনেছেন) হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃ এরূপ করবে না (বরং মাঝে মাঝে) সওম পালন করো আবার ছেড়েও দাও। (রাতে) সালাত আদায় কর আবার ঘুমাও। কেননা তোমার উপর তোমার শরীরের হাক্ব রয়েছে, তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমার মেহমানের হাক্ব আছে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৯৭৫

🍀‘অবশ্যই সেদিন (শেষ বিচারে) তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।’ (সূরা আত-তাকাসুর-৮)


🌸আমরা অনেকেই আছি ঠিক মতো খাওয়াদাওয়া করি না,ঘুমাই না, মাঝে মাঝে ইসলামের দোহাই দিয়ে এগুলোকে জায়েজ করার চেষ্টা করি। না খেয়ে, না ঘুমিয়ে ইবাদত করার চেষ্টা করি। অথচ আল্লাহর দেয়া প্রতিটা নিয়ামতের যত্ন নিতে হবে,এগুলোর জন্য প্রশ্ন করা হবে।

🌸বয়স কম থাকাকালীন সময়ে আমাদের শরীরের উপর অসম্ভব রকম অত্যাচার করি। স্বাভাবিক ভাবে কম বয়স থাকার কারণে শরীরের কোনো সাইড ইফেক্ট দেখতে পাই না। কিন্তু বয়স যত বাড়বে শরীর প্রচন্ড দ্রুত নষ্ট হবে। খেয়াল করেই দেখুন না,আগের মানুষরা কত বয়স পর্যন্ত কত শক্ত সামর্থ্য ছিলো? আর আমরা ২৫/৩০ এ বুড়িয়ে যাচ্ছি।

🌸সার্মথ্য অনুযায়ী ঘুমোবো, খাব, সম্পর্কের যত্ন নিব। আল্লাহর দেয়া নিয়ামত গুলোর যত্ন নিব, হল আদায় করবো, আল্লাহ আমাদের জন্য সহজ করুক, আমীন।
54👍4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
18
আমরা যত দ্বীনদার হচ্ছি,
আমাদের মধ্যে চাকচিক্য ততই বাড়ছে!
অন্যদিকে নববী যুগে যারা যত দ্বীনদার হতো,
তাদের মধ্য থেকে চাকচিক্য ততই হারিয়ে যেত। জীবনে অনাড়ম্বতা চলে আসতো!
-সংগৃহীত

ILMAN Nafiya
😢10512👍6😱1
অনেক গুনাহ করা মানুষগুলা যদি তওবা করে ফিরতে পারে, তবে তাদের ঈমান অন্য সবার থেকে কয়েকগুণ বেশি মজবুত হয় ...
হিংসা যদি করতেই হয় কাউকে তবে এমনই কাউকে করুন। যিনি তওবা করে গুনাহ ছেড়ে আবির সাবিল হতে পেরেছেন।

#Zain
75😢11👍1
দুনিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত শেষ হবে না, যতক্ষণ না মানুষের ওপর এমন সময় আসবে, যখন হত্যাকারী জানবে না, সে কেন হত্যা করছে এবং নিহত ব্যক্তিও জানবে না, তাকে কেন হত্যা করা হচ্ছে। প্রশ্ন করা হলো, তা কীভাবে সম্ভব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হারজ বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড। (অর্থাৎ ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার কারণেই এমনটি হবে।) আর হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামে যাবে।
সহিহ মুসলিমঃ ২৯০৮
😢4217👍5
🍀সুরা মু'মিনুন এর প্রথম ১০আয়াত বাংলা তরজমা সহ পড়ে দেখবেন সবাই:

সেখানে একজন মু'মিন এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করতে গিয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে--
❝যাহারা অসার ক্রিয়াকলাপ হইতে বিরত থাকে,

وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَۙ

🍀সূরা নম্বরঃ ২৩, আয়াত নম্বরঃ ৩
এখানে অসার ক্রিয়াকলাপ বলতে কি বোঝানো হয়েছে?

এখানে শব্দ মূলেلغو শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর মানে এমন প্রত্যেকটি কথা ও কাজ যা অপ্রয়োজনীয়, অর্থহীন ও যাতে কোন ফল লাভও হয় না। যেসব কথায় বা কাজে কোন লাভ হয় না, যেগুলোর পরিণাম কল্যাণকর নয়, যেগুলোর আসলে কোন প্রয়োজন নেই, যেগুলোর উদ্দেশ্যও ভালো নয়-সেগুলোর সবই ‌‌‘বাজে’ কাজের অন্তর্ভুক্ত।

🍀তাই এ ধরনের এ কাজে সময় ব্যায় করবো না ইন শা আল্লাহ (ক্রেডিট: উম্মে খাওলা)
58👍1
ক্রেডিট: Deeni Content

আশুরা নিয়ে পড়ুন: https://t.me/Hope24hoursbook/176
35😢14