গ্ৰন্থাগার
3.24K subscribers
2.49K photos
664 videos
871 files
963 links
#News #Politics #International_News #Braking #books
জ্ঞান অর্জনে আর নয় বাধা। অর্থ আর হবে না জ্ঞান অর্জনে বাঁধা। তোমাদের জ্ঞানের দরজা খুলে রাখো। আমরা পৌঁছে যাবো তোমার দরজায়।
যুক্ত হতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলেঃ
https://youtube.com/@analysisbyabidhasan
Download Telegram
গ্ৰন্থাগার
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি নিবেদিত বাংলা কবিতা সমূহ 🔻 কবিতাগুলো পড়তে নিচের লেখার উপর ক্লিক করুন 🔻 মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি নিবেদিত বাংলা কবিতা সমূহ
৯। নিশান বরদার— সিকান্দার আবু জাফর
তোমার একান্ত স্বপ্ন সাধনার মূল্যে পাওয়া
আজাদীর পরম সম্মান।
এ দিনের ক্ষয় নেই তাই
এ দিনের অধিবাসী আমরা সবাই,
জাতির মহান পিতা : তোমার স্মরণে আজ
সালাম জানাই।


১০। কায়েদে আজমের প্রতি — আব্দুল কাদির
​হে কায়দে আজম, তব দূরদর্শী চোখে
ফুটলো নতুন দিন মুসলিম এই লোকে।
শৃঙ্খল ভেঙে ফেলি আনলে মুক্তির বায়ু,
জাতির হৃদয়ে তুমি পাবে চির-আয়ু।
পরাধীনতার দিন অবসান হলো আজ,
মাথায় পরিলে তুমি ত্যাগেরই শিরস্তাজ।
দূর করি দিলে সব তিমির ও সংশয়,
সংগ্রাম চেতনায় আনিলে মহাজয়।
তোমারে প্রণাম জানায় কোটি কোটি জনতা,
আকাশে বাতাসে আজ তব বিজয়ের বার্তা...


১১। কায়েদে আজমের স্মরণে — শাহাদাৎ হোসেন
​ঝরিল কি তবে আঁধার রাতে আশার পুঞ্জি-তারা?
শোকের সাগরে ডুবিল আজিকে পাকিস্তান-ধারা!
যে পুরুষ আনিল আযাদী-সূর্য তিমির-রজনী ফাড়ি,
সে আজ চলিল চির-অজানায় পারায়ে মৃত্যুর বাড়ি।
কান্দে কোটি প্রাণ, কান্দে আকাশ, কান্দে ধরণী মাতা,
স্বর্ণাক্ষরে লেখা রবে তব ত্যাগ ও অমর গাথা।
যে পথ দেখালে বীর কায়েদে, সে পথেই যাব চলি,
শত শৃঙ্খল ভাঙিয়া মোরা নব জীবনের কথা বলি।
মোদের হৃদয়ে জ্বেলে গেলে তুমি দেশপ্রেমেরই শিখা,
ইতিহাস মাঝে চিরদিন রবে তোমার নামটি লিখা


১২। কায়েদে আজম — বেনজীর আহমদ
​তোমারে চিনেছে নিখিল পাকিস্তান, চিনেছে বঙ্গভূমি,
আঁধার রাতের মুক্তিসূর্য হইয়া দেখা দিলে তুমি।
শত শোষণের শৃ্ঙ্খল কাটি দিলে আজাদী-পয়গাম,
হে কায়েদে আজম, তোমারে জানাই অগণন সালাম।
তোমার মন্ত্রে জাগিল জাতি, ভাঙিল মনের ভয়,
সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের মাঝে আনিলে মহাজয়।
একতা, ঈমান, শৃঙ্খলা দিয়া গড়িলে রাষ্ট্র নতুন,
তব ত্যাগের কথা মনে রাখিবে কোটি মুজাহিদ-মন।
নীল আকাশেতে উড়িছে পতাকা সবুজ-সফেদ রঙে,
চিরদিন তব স্মৃতি রবে জাগি এই নদী-ঘেরা বঙ্গে...


১৩। কায়েদে আজমকে— ফজল শাহাবুদ্দীন
মাঝে মাঝে দেখিয়াছি প্রভাতের আলােক রঙীন।
তবু সেই ঝড় এলাে-মেলাে সেই রাত্রির হাওয়ায়।
তুমি এলে হে নাবিক, প্রভাতের পানপাত্র হাতে
আঁধার মুখর হলাে জীবনের প্রদীপ্ত শপথে
রাত্রির বন্দর থেকে মৌসুমীর হাসিন উষায়।


১৪। ইতিহাস— আবু হেনা মােস্তফা কামাল
তােমাকে জেনেছি আকাশের চেয়ে বড়
সাগরের চেয়ে অনেক মহত্তর কেননা
ক্লান্ত চোখের পাতায় নতুন আলাের ঝড় তুমি এনে দিলে। নতুন জোয়ার ছুঁয়ে গেল বন্দর।


১৫। কায়েদে আজম — কাজী মঈনউদ্দীন
​হে মহাপুরুষ, জাগালে আজকে শত কোটি ঘুমন্ত প্রাণ,
তোমারি ডাকেতে মুক্ত হইল পরাধীন আসাম-আজাদ স্থান।
দ্বিজাতি তত্ত্বের মশাল জ্বালিয়া দেখাইলে সত্যের পথ,
থামিল না কভু বাধার মুখেতে তোমার বিজয়-রথ।
পরাধীনতার শৃঙ্খল কাটি জন্ম নিলে পাকিস্তান,
ইতিহাসে তুমি রবে চিরদিন অমর মহীয়ান।
মোদের চেতনা, মোদের শক্তি, তুমি যে জাতির কান্ডারী,
তব পদচিহ্ন ধরি চলিব মোরা সংকট-নদী পারি।
তোমারি স্মরণে অবনত শির জানায় সালাম তোমায়,
চিরপ্রদীপ্ত নাম তব রবে যুগান্তরের সীমায়


১৬। স্রষ্টার প্রতি (কায়েদে আজমকে)— মযহারুল ইসলাম
সহসা আলোর পরশ লাগলে
প্রাণে প্রাণে এক চেতনা জাগে আঁধার দুয়ার খুলে গেল সম্মুখে
কে তুমি হে নব-পথ-সন্ধানী আলােকদ্রষ্টা?


১৭। স্মৃতির মিনার— সাজ্জাদ হোসাইন
​আকস্মিক নেমে এলো শোকের নিবিড় আঁধার,
নিভে গেল মহাতারা পাকিস্তান-আকাশের মাঝার।
হে কাণ্ডারী, তুমি আজ বিদায় নিলে যে চিরতরে,
কান্নার রোল ওঠে কোটি মুসলিমের ঘরে ঘরে।
যে পথ দেখালে তুমি মুক্তির আলোকময় যাত্রায়,
সে স্মৃতি অমর হয়ে রবে মোদের প্রতিটি মাত্রায়।
তোমার সুদৃঢ় নীতি, একতা ও বিশ্বাসের বল,
মোদের প্রেরণা হয়ে রবে চিরদিন সমুজ্জ্বল।
কোটি প্রাণের অশ্রুতে গড়ে ওঠে স্মৃতির মিনার,
তোমার চরণে জানাই শ্রদ্ধা ও সালাম বারবার...


১৮। আজাদীর দিনে — তালিম হোসেন
​শৃঙ্খল ভাঙার এই শুভ দিনে স্মরি হে তোমারে নেতা,
যাহার সাহসে ঘুচিয়া গেল গো যুগান্তরের ব্যথা।
তুমি দেখালে যে মুক্তির পথ নিবিড় আঁধার মাঝে,
তোমার মন্ত্রে জাগিল জাতি নতুন জীবন-কাজে।
পনেরই আগস্টের আলোতে আজ তোমারি নাম ফুটে,
পাকিস্তানের এই নতুন প্রভাতে শৃঙ্খল গেল টুটে।
তুমি শিখালে যে একতার পাঠ, ঈমান ও শৃঙ্খলা,
ভেঙে ফেলিলে পরাধীনতার শত প্রাচীর ও শলা।
তোমার সুদৃঢ় নেতৃত্বের বলে মুক্ত মুসলিম জাতি,
আঁধার রজনী শেষে এলো আজ নতুন আলোর ভাতি


১৯। মহাতপস্বী জিন্নাহ — আবুল হোসেন
​হে মহাতপস্বী নেতা, রাজনীতির জটিল প্রাঙ্গণে
দাঁড়ালে একাকী তুমি অবিচল সংকল্পের মনে।
ঝঞ্জা ও বাধার মুখে ক্ষুরধার যুক্তি ও আশায়,
গড়িয়া তুলিলে দেশ কোটি জনতার ভালোবাসায়।
কোনো প্রলোভন কভু পারেনি নোয়াতে তব শির,
ইতিহাসের বুকে তুমি নির্ভীক অনন্য এক বীর।
অধিকার আদায়ের কণ্টকময় দীর্ঘ এই পথে,
আনিলে বিজয়-রথ জয়ী হয়ে সত্যের মতে।
তব ত্যাগে পাইলাম মুক্ত ও স্বাধীন এই ধরা,
শুভ পদার্পণে তব নতুন আশার আলোয় ভরা
৭৭ টি ওয়াক আউট করা দেশ গুলো।

বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
গ্ৰন্থাগার
৭৭ টি ওয়াক আউট করা দেশ গুলো। বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
৭৭ টি ওয়াক আউট করা দেশ গুলো।

🇧🇩 বাংলাদেশ, 🇮🇷 ইরান, 🇵🇰 পাকিস্তান, 🇦🇫 আফগানিস্তান, 🇮🇩 ইন্দোনেশিয়া, 🇲🇾 মালয়েশিয়া, 🇧🇳 ব্রুনেই, 🇲🇻 মালদ্বীপ, 🇹🇲 তুর্কমেনিস্তান, 🇺🇿 উজবেকিস্তান, 🇰🇬 কিরগিজস্তান, 🇲🇲 মিয়ানমার, 🇰🇵 উত্তর কোরিয়া।

ইউরোপের
স্পেন,​আয়ারল্যান্ড, ​নরওয়ে, ​স্লোভেনিয়া, ​মন্টেনিগ্রো, ​ ফ্রান্স

ল্যাটিন আমেরিকান দেশসমূহের মধ্যে ​কলম্বিয়া, ​ব্রাজিল,​চিলি, ​বলিভিয়া, ​কিউবা, ​ভেনেজুয়েলা ​হন্ডুরাস।

আরো আছে

🇾🇪 ইয়েমেন, 🇪🇬 মিশর, 🇵🇸 ফিলিস্তিন, 🇸🇩 সুদান, 🇹🇳 তিউনিসিয়া, 🇹🇷 তুরস্ক, 🇴🇲 ওমান, 🇶🇦 কাতার, 🇸🇦 সৌদি আরব, 🇰🇲 কমোরোস, 🇸🇴 সোমালিয়া, 🇩🇿 আলজেরিয়া, 🇱🇾 লিবিয়া, 🇲🇷 মৌরিতানিয়া, 🇯🇴 জর্ডান, 🇱🇧 লেবানন, 🇸🇾 সিরিয়া, 🇮🇶 ইরাক।

🇿🇦 দক্ষিণ আফ্রিকা, 🇸🇳 সেনেগাল, 🇩🇯 জিবুতি, 🇦🇴 অ্যাঙ্গোলা, 🇨🇬 কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, 🇨🇩 ডিআর কঙ্গো, 🇱🇷 লাইবেরিয়া, 🇪🇷 ইরিত্রিয়া, 🇹🇩 চাদ, 🇨🇫 মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, 🇲🇬 মাদাগাস্কার, 🇳🇪 নাইজার, 🇧🇼 বতসোয়ানা, 🇺🇬 উগান্ডা, 🇱🇸 লেসোথো, 🇸🇿 এসওয়াতিনি, 🇬🇶 নিরক্ষীয় গিনি, 🇲🇿 মোজাম্বিক, 🇳🇦 নামিবিয়া, 🇰🇪 কেনিয়া।

এই দেশ গুলো ছাড়া বাকীরা থেকেছে। কেউ কেউ করতালি দিয়ে উৎসাহ প্রদান করেছে নেতানিয়াহু কে। উল্লেখ্য যে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশ হিসেবে যারা থেকেছে তাদের মধ্যে আছে

🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাত
🇧🇭 বাহরাইন
🇲🇦 মরক্কো
🇰🇿 কাজাখস্তান
🇦🇿 আজারবাইজান
🇹🇯 তাজিকিস্তান

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের প্রতিনিধিরা হলে বসেই নেতানিয়াহুর ভাষণ শুনেছেন—এটি ইসরাইলি প্রতিবেদনে সরাসরি বলা হয়েছে। দুই দেশই ২০২০ সালের Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে।

আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যে নেতানিয়াহুর বিরূদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। সেটিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সকলের সামনে উপস্থিত থেকেই ভাষণ দিতে পেরেছে নেতানিয়াহু। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক আইন আদালত বলে কিছুই নেই। এগুলো সব দুর্বলকে অন্ধ রাখার আই ওয়াশ।
👍3
‼️ ইরানি হামলার শঙ্কায় যুক্তরাজ্য ছাড়ল সকল মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান

♦️ যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা সকল বি-১ ল্যান্সার বোমারু বিমান ফিরিয়ে তড়িঘড়ি করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাজ্যে অবস্থিত এই ঘাঁটিতে মোট ১২টি কৌশলগত বোমারু বিমান মোতায়েন ছিল।

♦️ নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বিমানঘাঁটিতে ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে নতুন গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর 'অস্বাভাবিক দ্রুতগতিতে' এসব বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়।

♦️ এই প্রত্যাহারের আগে বিমানঘাঁটিটির বাইরে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী হামলার ছকের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছিল যুক্তরাজ্যের পুলিশ। তবে পরে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

♦️ উল্লেখ্য, প্রত্যাহার করা এই বোমারু বিমানগুলো এর আগে ইরানের ওপর পরিচালিত মার্কিন হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস / সিবিসি নিউজ
#MiddleEast
‼️ রিয়াদে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের বৈঠক, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেবে তুরস্ক

♦️ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে সোমবার রিয়াদ সফরে যাচ্ছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সাথে এই বৈঠকে আরো উপস্থিত থাকবেন তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার ও সেনাপ্রধান সেলজুক বায়রাক্তারওলু।

♦️ আনাদলুর রিপোর্ট বলছে, সাম্প্রতিক হুথি হামলার বিপরীতে সৌদি আরবের প্রতি তুরস্কের পূর্ণ সংহতি পুনর্ব্যক্ত করবেন ফিদান। পাশাপাশি জোটটির কাঠামো আরও সুসংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হবে।

♦️ তাছাড়া আঞ্চলিক সংকট নিরসনে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সম্মিলিত কূটনৈতিক সমাধানের ওপর হয়তো জোর দেবেন তিনি।

কেননা তুরস্কের মতে, আঞ্চলিক সমস্যাগুলোর জন্য বাইরের হস্তক্ষেপের বদলে নিজস্ব সমাধান বের করা অত্যন্ত জরুরি।

♦️ এছাড়াও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথগুলোতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টির জন্য ইসরায়েলের চলমান কর্মকান্ডের দিকেও তিনি মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি #MiddleEast
‼️ মার্কিন হুমকির মুখে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়াচ্ছে ইরান

♦️ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাত থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের পুরো ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের পাল্লা, গতি ও নির্ভুলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।

♦️ সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানান, কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যবহৃত মিসাইল এবং শত্রু জাহাজের বিরুদ্ধে ছোড়া ক্রুজ মিসাইলগুলো কার্যকরভাবে কাজ করেছে।

তবে মার্কিন বাহিনী বর্তমানে ইরানি উপকূল থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করায় তেহরান এখন নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের গতি ও পাল্লা আরও বাড়াতে চাইছে।

♦️ সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান ইতোমধ্যেই তাদের হামলা নীতিতে পরিবর্তন আনছে। এর আওতায় দ্রুততর প্রতিশোধ গ্রহণ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের পরিধি বৃদ্ধি এবং ইরানি ভূখণ্ড থেকে দূরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র: স্পুটনিক #MiddleEast
‼️ নির্বাচনি প্রচারণায় সামরিক সম্পদ ব্যবহার করায় শাস্তি হলো নেতানিয়াহুর

♦️ ব্যক্তিগত নির্বাচনী প্রচারে রাষ্ট্রীয় সামরিক ও সরকারি সম্পদ ব্যবহার করে ক্যাম্পেইন শুরু করেছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

সবার জন্য প্রযোজ্য এসব সম্পদ ব্যক্তিগত প্রচারণায় ব্যবহারের দায়ে তাকে সংশ্লিষ্ট প্রচারমূলক ভিডিওগুলো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি নির্বাচন কমিটি।

♦️ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ৬টি আবেদনের মধ্যে ৫টি বহাল রেখেছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ ডলার আইনি খরচ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

♦️ এর মধ্যে একটি ভিডিওতে নেতানিয়াহুকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক ফাঁড়ি পরিদর্শন করতে দেখা গিয়েছিল, যা বিচারকের মতে সুস্পষ্ট নির্বাচনী প্রপাগান্ডা হিসেবে গণ্য হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি #MiddleEast
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক মন্তব্য করে জামায়াতকে ‘গোমরাহ’ বা পথভ্রষ্ট আখ্যা দেন।
তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিশিষ্ট বক্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুফতি আমির হামজা।


বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
❤1
গ্ৰন্থাগার
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক মন্তব্য করে জামায়াতকে ‘গোমরাহ’ বা পথভ্রষ্ট আখ্যা দেন। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিশিষ্ট বক্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুফতি আমির হামজা। বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক…
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক সম্প্রতি কওমি আলেমদের জামায়াতে যোগদান ও দলটির আদর্শ প্রসঙ্গে কঠোর মন্তব্য করে জামায়াতকে ‘গোমরাহ’ বা পথভ্রষ্ট আখ্যা দেন। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিশিষ্ট বক্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুফতি আমির হামজা।

রংপুরের তারাগঞ্জে অনুষ্ঠিত এক তাফসির মাহফিলে এবং পরবর্তীতে তাঁর বক্তব্যে তিনি খতিব আব্দুল মালেকের বক্তব্যকে একপেশে, বাস্তবতা-বিবর্জিত ও উম্মাহর ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর বলে আখ্যা দেন। নিচে তাঁর বক্তব্যের মূল বিশ্লেষণ ও যুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো:

রাজনীতি ও দ্বীন কায়েমের ময়দানে অনুপস্থিতি বনাম ফতোয়াবাজি
মুফতি আমির হামজা সরাসরি খতিবকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি জীবনে কোনোদিন রাজপথে দ্বীন কায়েমের রাজনীতি বা আন্দোলন করেছেন? যে কাজের বাস্তব ময়দানে আপনি কোনোদিন নামেননি, সেই বিষয়ে ঘরে বসে মনগড়া ফতোয়া দেন কোন সাহসে? যারা মাঠে নেমে জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তাদের ভুলত্রুটি থাকলে আলেম হিসেবে পদ্ধতিগতভাবে শোধরানোর পথ দেখান, ঢালাওভাবে গোমরাহ বলা কোনো প্রজ্ঞাবান আলেমের কাজ নয়।”

কুরআনের ‘আকিমুদ্দীন’ (দ্বীন প্রতিষ্ঠা)-এর ভুল ব্যাখ্যা খণ্ডন
খতিব আব্দুল মালেকের “দ্বীন কায়েমের বর্তমান আন্দোলন কুরআন-হাদিসের কোথাও নেই” মন্তব্যের জবাবে আমির হামজা বলেন, “কুরআনের নির্দেশ হলো ‘আকিমুদ্দীন’—অর্থাৎ দ্বীন কায়েম করো। রাসুল (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরাম রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দ্বীন বিজয় ও প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। বাংলাদেশ ৫৫ বছর চলছে, এখানে দ্বীন এখনো বিজয়ী হয়নি। আপনারা যদি মনে করেন জামায়াত দ্বীন কায়েম বোঝে না, তবে রাসুলুল্লাহর দেখানো সেই সঠিক পদ্ধতি আপনারা জাতির সামনে উপস্থাপন করুন! আপনারা নিজেরাও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রূপরেখা দেবেন না, নিজেরাও মাঠে নামবেন না, অথচ যারা কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধেই ফতোয়াবাজি করবেন—এ দ্বিমুখী নীতি গ্রহণযোগ্য নয়।”

বিশ্বমানের আলেমদের ‘গোমরাহ’ বানানোর ধৃষ্টতা
জামায়াতকে গোমরাহ আখ্যা দেওয়ার বিপরীতে আমির হামজা দলটির শীর্ষ আলেমদের অবদান স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন:
* আল্লামা সাইয়্যেদ কামাল উদ্দিন জাফরী: আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত এক অনন্য ইসলামিক স্কলার।
* আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী: যাঁর কুরআনের তাফসির শুনে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ পথহারা মানুষ ইসলামের আলো পেয়েছে।
* মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আল্লামা আব্দুস সোবহানসহ বহু যুগশ্রেষ্ঠ আলেম এই কাফেলায় জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।
আমির হামজা প্রশ্ন তোলেন, “জাতীয় মসজিদের খতিবের দৃষ্টিতে কি এই আন্তর্জাতিক মানের আলেমরাও গোমরাহ ছিলেন? তাঁদের সমস্ত জ্ঞান ও অবদান কি বায়তুল মোকাররমের খতিবের পায়ের ধুলারও সমান নয়? এমন মনগড়া অহমিকা কোনো আলেমের শোভা পায় না।”

খতিবুল উম্মাহর আসন বনাম দলীয় কাদা ছোড়াছুড়ি
জাতীয় মসজিদের খতিব গোটা জাতির অভিভাবক (গার্জিয়ান)। তাঁর আসন থেকে কওমি, আলিয়া, হেফাজত, চরমোনাই কিংবা জামায়াত—সব ইসলামী শক্তিকে সমান স্নেহে দেখার কথা। আমির হামজা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জাতীয় মসজিদের মিম্বারে বসে হক কথা বলার সাহস না থাকলে পদত্যাগ করে নিজের মাদ্রাসা-খানকায় ফিরে যান। অতীতেও ফ্যাসিবাদের আমলে একশ্রেণির তথাকথিত আলেম স্বার্থ ও টাকার কাছে বিক্রি হয়ে জামায়াতবিরোধী ফতোয়া দিয়েছিল। আজ যখন ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার মোক্ষম সময়, তখন আপনি একটি বিশেষ পক্ষ নিয়ে অন্য পক্ষের ওপর কাদা ছুড়ছেন।”

রাজনৈতিক দ্বিমুখী নীতির পর্দাফাঁস
মুফতি আমির হামজা কওমি অঙ্গনের দ্বিচারিতার ইতিহাস টেনে বলেন, “কওমি ধারার বহু শীর্ষ আকাবির ইতিপূর্বে বিএনপির সাথে জোট করে নির্বাচন করেছেন, আবার অনেকে আওয়ামী লীগের সাথে মিলেমিশে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। তখন কি তাঁদের বিরুদ্ধে গোমরাহির ফতোয়া দেওয়া হয়েছিল? শুধু ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সুশাসনের লক্ষ্যে কেউ জামায়াতে শামিল হলেই কেন আপনাদের ফতোয়ার মেশিন চালু হয়ে যায়?”

মুফতি আমির হামজার সাফ বার্তা—জাতীয় মসজিদের খতিবের কাজ জাতিকে বিভক্ত করা নয়, বরং সব ইসলামী দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে এক টেবিলে বসিয়ে জাতীয় ঐক্যের পথ উন্মোচন করা। কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে দ্বীন প্রতিষ্ঠার মূল কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ না হলে এ দেশের মাটিতে ইসলামী শক্তি কখনোই মজবুত ভিত্তি পাবে না।
👍6🔥4😁3
ইলেকশনে দুর্নীতির শিকার হয়ে হেরে যাওয়ার পর কাঁপা কাঁপা গলায় নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী।

বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
গ্ৰন্থাগার
ইলেকশনে দুর্নীতির শিকার হয়ে হেরে যাওয়ার পর কাঁপা কাঁপা গলায় নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী। বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
ইলেকশনে দুর্নীতির শিকার হয়ে হেরে যাওয়ার পর কাঁপা কাঁপা গলায় নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছিল।

নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী বলছিল,
হে মালিক, তুমি আমাদের রক্ষাকারী, তুমি আমাদের রিজিকদাতা। যারা এই বাংলাদেশের জনগণ, ১৭ বছর অপেক্ষা করেছিল, আমাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, আমাদের ভাইদের হত্যা করেছে, আসল মালিক, তোমার বিচারে আমরা বিচার রেখে গেলাম।


তুমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বাংলার মাটিতে জনগণের সামনে করবে।

আমরা আজকে তোমার মসজিদের সামনে বিচার রেখে গেলাম। বাংলাদেশের মানুষ হতাশ হবেন না, লা তাহযান, ইন্নাল্লাহা মা‘আনা, আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।

নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী যে দোয়াটা করছিল, সেই দোয়াটা সত্যিই কবুল হয়েছে।

আপনি একটু খেয়াল করে দেখেন, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী মির্জা আব্বাসের হাঁটুর বয়সী একটা ছেলে। মির্জা আব্বাস তাকে ঠকিয়েছে।

তার ওপর নির্বাচনের দিন নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর ওপর হামলাও করা হয়েছিল। এমনকি সরাসরি তার শরীরে আঘাত করা হয়েছিল।

সেই অবস্থায় তিনি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছিলেন।

নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী হয়তো তখন বুঝতে পারেনি, এভাবে দোয়া করাটা ঠিক হয়নি।

মির্জা আব্বাসকে নিয়ে যে দোয়াটা করেছিল, দোয়াটা সত্যিই কবুল হয়ে গেছে। মানুষের অভিশাপ সত্যিই কত ভয়ংকর!

দেখেন, ছয়-সাত মাস হয়ে গেল, তারপরও মির্জা আব্বাস এখনো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। দেশ-বিদেশের কত বড় বড় ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করানো হলো, তারপরও গতকাল দেখলাম, তিনি অন্যের সাহায্য নিয়ে কষ্ট করে হাঁটছেন।

আল্লাহই জানেন, মির্জা আব্বাস মরার আগ পর্যন্ত আর কোনো দিন সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারবেন কি না।

- সাদিক রহমান।