False science
45 subscribers
24 photos
9 videos
Download Telegram
জিও ইঞ্জিনিয়ারিং এর দ্বারা শয়তানের দলেরা পুরো পৃথিবীকে দূষিত করে তুলছে। নিজেরাই কার্বন দিয়ে পৃথিবীকে ভরিয়ে ফেলছে। আবার জিরো কার্বনের নামে নতুন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
যে জাতিসংঘের নখে হাজার হাজার মুসলিম শিশুর র*ক্ত লেগে আছে, তারাই আবার মুসলিম শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন! আমাদের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে কোনো স্বার্থ ছাড়া?? ফ্রি'তে এসব টিক-ফিকা-ভিটামিন পোলিও এমনেই প্রোভাইড করছে???

প্রশ্নটা লজিক , সঠিক উত্তরটা দিয়ে যাবেন ! আর না হয় , আপনি ওদের এসব অনুদান গ্রহণ করুন। আপনারা দুই নৌকায় পা দিয়ে চলতে চান* ফিলিস্তিনের শিশুদের নিয়ে মায়া কান্না করেন অথচ যারা এসব নিরীহ শিশু হ*ত্যা করার জন্য ফান্ড সাপ্লাই দেয় ! ওদের কাছ থেকেই অনুদান আশা করেন/ হুমড়ি খেয়ে বিনা বাক্যে সাদরে গ্রহণ করেন ! এরাই তো মোনাফেক !
False science
Photo
ভারতের তামিলনাড়ুর বরমূর্তিস্বর মন্দিরে প্রায় ৬,০০০ বছর আগে খোদাই করা হয়েছে মানুষের জন্মের গভীর গোপন প্রক্রিয়া  নিষেক ( fertilization ), কোষ বিভাজন, গর্ভে শিশুর বিকাশ। এই সূক্ষ্ম জৈবিক প্রক্রিয়া আজও আধুনিক মাইক্রোস্কোপ বা আল্ট্রাসাউন্ড ছাড়া দেখা যায় না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেই প্রাচীন যুগে কোনো বৈজ্ঞানিক যন্ত্র ছাড়াই  তারা কীভাবে এত কিছু জানলো?

এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে গুপ্তবিদ্যা ও আধ্যাত্মিক প্রযুক্তির মধ্যে। প্রাচীন যুগের ঋষি-মুনিরা ধ্যান, তন্ত্র, শয়তানি জাদুবিদ্যা শক্তির মাধ্যমে এমন জ্ঞানে প্রবেশ করতে পারতেন, যা এখনকার মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য। তারা জানতেন মনের মধ্য দিয়ে কীভাবে জগৎ সৃষ্টি হয়। জীবনের সূচনা কোথা থেকে আসে।
কোষ ও শক্তির অদৃশ্য স্তরগুলো কীভাবে কাজ করে। স্পন্দন (vibration) , নাদ (cosmic sound) আর শব্দমন্ত্র এর মাধ্যমে শরীর ও চেতনা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এগুলো  প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা চরম বিজ্ঞান, যাকে আজ আমরা বলি Occult Science বা Esoteric Knowledge।

আজকে এই জ্ঞান পুরোপুরি লুকিয়ে ফেলা হয়েছে। কারণ..যে এই জ্ঞান জানে, সে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আর যারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে তারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই কারণেই আজ বিশ্বের উপর যারা সত্যিকারের নিয়ন্ত্রণ রাখে গোপন শক্তিশালী গোষ্ঠী (Secret Societies) যেমন:ইলুমিনাতি,ফ্রিম্যাসন রোজিক্রুশিয়ান,আর কিছু কর্পোরেট চক্র। তারা এই প্রাচীন জ্ঞানই নিজেদের মধ্যে রক্ষা করে আসছে , তবে জনসাধারণ থেকে গোপন রেখে।


আজকের বিজ্ঞান জিন, কোষ, নিউরোন, স্পেস-টাইম নিয়ে গবেষণা করছে। কিন্তু এর গভীরে গেলে দেখা যায়, তারা আসলে সেই প্রাচীন জ্ঞানকেই অন্যভাবে প্রকাশ করছে  আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে!
কেন⁉️

কারণ আজকের মানুষ কিছু বিশ্বাস করে না, যতক্ষণ না সেটা হাই টেক মেশিন, স্ক্যান, মাইক্রোস্কোপ, বা কোয়ান্টাম মডেল দিয়ে প্রমাণ করা যায়। এইভাবে মানুষকে একপাশে প্রযুক্তি নির্ভর বানানো হচ্ছে আর অন্যপাশে তার চেতনা থেকে দূরে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

এদের আসল উদ্দেশ্য হলো প্রাচীন জ্ঞানকে নতুন নামে নিজের করে নেওয়া। মানুষের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা ভুলিয়ে রাখা। সবকিছু বাইরের যন্ত্রের উপর নির্ভর করিয়ে দেওয়া। আর এইভাবে পুরো মানবজাতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

যতদিন মানুষ বুঝতে না পারবে যে আসল বিজ্ঞান ছিল তার ভেতরে, চেতনায়, হৃদয়ে  ততদিন সে বাইরের যন্ত্র, সরকার আর উন্নত প্রযুক্তির কাছে বন্দী থাকবে।


এই পৃথিবীতে আধুনিক বিজ্ঞান আসেনি বরং প্রাচীন বিজ্ঞানকেই নতুন মোড়কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

আজ যারা দুনিয়া চালাচ্ছে, তারা এই জ্ঞান জানে, ব্যবহার করে, লুকিয়ে রাখে। এবং যতক্ষণ আমরা বুঝতে না পারছি এই জ্ঞান আমাদের থেকেও লুকানো হচ্ছে। আর  এই চেতনা আমাদের ও জাগ্রত হচ্ছে না।
তারা আমাদের প্রযুক্তির মোহে বেঁধে রেখেছে।
False science
Photo
এটা এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা

Global Alliance for Vaccines and Immunization (GAVI) নামে জাতিসংঘ দারা দুনিয়া ব্যাপি বিভিন্ন ভ্যাকসিন ও টিকা দান কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

যার ঠিকাদার হচ্ছে Bill & Melinda Gates Foundation , যার কর্নধার বিল গেট্স নিজ মুখে জনসম্মুখে বহুবার বলে আসছে ভ্যাকসিনেসন জনসংখা নিয়ন্ত্রনে কার্যকর ভুমিকা রাখছে।
জাতিসংঘ বিভিন) দেশ থেকে শান্তি রক্ষার নামে ভারাটিয়া বাহিনী ভারা করে ভ্যাক্সিনেশনের নামে সম্পুর্ন আফ্রিকার মানুষদেরকে প্রাই ধংশের দারপ্রান্তে পৌছে দিয়েছে ..

আরো অবাক করা বিষয় সেই নিস্পাপ আফ্রিকানরা এখনো জাতিসংঘকেই তাদের ত্রানকর্তা হিসেবেই বিশ্বাস করে 😎 এবং অনেক আগেই ভারত, পাকিস্থান, চায়না এই ডি-পোপুলেশন এজেন্ডা শুরু হয়েছে আর ধনি দেশ গুলোতে তো বাচ্চাকে ভ্যাক্সিনেট না করা মানে আঈনত বড় ধরনের আপরাধের সামিল...

এ সবই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে জাতিসংঘের দ্বারা AGENDA-21
AGENDA-30কে সামনে রেখে যার চুড়ান্ত রুপ - NWO

আমাকে বিশ্বাস করার কোনো প্রয়জন নাই .. নিজে যাচাই করুন ...
False science
Photo
জ্যোতির্বিদরা... নতুন মহাজাগতিক ধর্মের পুরোহিত

প্রত্যেক যুগে কিছু পুরোহিত থাকে। অতীতে তারা মন্দিরে থাকত, তারা তারাদের গতি দেখে ভাগ্য গণনা করত এবং মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করত। আজকের দিনে কেবল রূপটা বদলে গেছে, কিন্তু ভূমিকা একই আছে। আধুনিক যুগে এদের নাম দেওয়া হয়েছে "জ্যোতির্বিজ্ঞানী" এ যুগের পুরোহিত, যাদের পরনে এখন স্যুট এবং হাতে ডিজিটাল টেলিস্কোপ।

তারা তোমাকে বলে ছায়াপথের কথা, যেগুলো কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরে। বলে ব্ল্যাকহোলের কথা, যেগুলো আলো পর্যন্ত গ্রাস করে নেয়। বলে বিশাল এক মহাবিস্ফোরণের কথা, যেখান থেকে সবকিছু নাকি শুরু হয়েছে। আর তুমি? তোমার তো এমনকি চাঁদকেও স্পষ্ট দেখার জন্য একটা টেলিস্কোপ পর্যন্ত নেই।

তুমি মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা কিছু জানো, তা একমাত্র একটি স্পেস এজেন্সির কাছ থেকেই এসেছে। সেইসব তথ্য আসে সন্দেহজনক ছবির মাধ্যমে, যেগুলো তৈরি ও সম্পাদনা করা হয় ডেটা সেন্টারে। তারা বলে: “এটাই সত্য।” কিন্তু তুমি নিজে যাচাই করতে পারো না। তারা তোমার কাছ থেকে কেবল একটি জিনিস চায়: “বিশ্বাস”।

প্রকৃত বিজ্ঞান এমন যা পরীক্ষা করে দেখা যায়, পুনরাবৃত্তি করা যায়। কিন্তু আজকের জ্যোতির্বিজ্ঞান কল্পনা নির্ভর—গণনা, মডেলিং আর সিমুলেশন নির্ভর যা কেবল তাদের স্ক্রিনেই দেখা যায়। না আছে বাস্তব পরীক্ষা, না আছে দৃশ্যমান প্রমাণ শুধু কিছু তত্ত্ব, যা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় পাশ করবে।

তারা বলে পৃথিবী ঘুরছে, পানি বাঁকাচ্ছে, আর বাতাস এক ঘূর্ণায়মান বলের সঙ্গে লেগে আছে অত্যন্ত গতিতে সবই নাকি "মাধ্যাকর্ষণ"র কারণে। কিন্তু এই মাধ্যাকর্ষণ কেউ চোখে দেখেনি, কেউ নিজের হাতে পরীক্ষা করে দেখেনি—তাদের সমীকরণ ছাড়া।

প্রশ্ন হলো: আমরা কেন স্বাধীনভাবে মহাকাশে যেতে পারি না? কেন সব তথ্য আসে কিছু নির্দিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে? কেন নাসার সব ছবি কার্টুনের মতো লাগে, বাস্তবের মতো নয়?

কারণ, বিষয়টা শুধু বিজ্ঞান নয় এটা একটি “সার্বজনীন গল্প”। একটি রূপকথা, যেটা অনেক যত্নে রচিত, যাতে মানুষকে তার সত্যিকারের অবস্থান থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় তার কেন্দ্রীয়তা থেকে, তার সৃষ্টির উদ্দেশ্য থেকে। যেন সে ভাবে সে নেহাতই একটি পথহারা কণা, এক উদ্দেশ্যহীন বিশৃঙ্খল মহাবিশ্বে।

কিন্তু সহজ সত্য তোমার হৃদয়ে বলছে: “তুমি সৃষ্টির কেন্দ্রস্থলে আছো। তুমি একটি স্থির পৃথিবীতে আছো, যার একটি দৃঢ় ছাদ আছে, এবং যার সীমারেখা সংরক্ষিত। তোমার ওপরে যা কিছু আছে, তা কেবল শোভা ও সৌন্দর্য।”

কিন্তু এই পুরোহিতরা চায় না তুমি তা দেখো। কারণ তারা জানে, যে ব্যক্তি তার প্রকৃত অবস্থান বুঝে যায়, সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটা করতে শুরু করে: “কে আমাকে এখানে রেখেছে? এবং কেন?”
আমরা কি সত্যিকারের উন্নয়নের পথে, নাকি সফট দাসত্বের নতুন এক ছকে বন্দি হয়ে যাচ্ছি?
সূর্যপূজার মডেল পরিত্যাগ করুন।
‘আমি তাকে ও তার কওমকে দেখতে পেলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সিজদা করছে। আর শয়তান তাদের কার্যাবলীকে তাদের জন্য সৌন্দর্যমন্ডিত করে দিয়েছে এবং তাদেরকে সৎপথ থেকে নিবৃত করেছে, ফলে তারা হিদায়াত পায় না’। [27:24]
লিভার সুস্থ রাখার সহজ উপায়

লিভার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়, হজমে সাহায্য করে এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। কিন্তু আমরা প্রায়ই এর যত্ন নিতে ভুলে যাই।

লিভার খারাপের কয়েকটি লক্ষণ:
▪️ সবসময় ক্লান্ত লাগে
▪️ ক্ষুধা কমে যায়
▪️ চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যায় (জন্ডিস)
▪️ প্রস্রাব গাঢ় রঙের হয়

লিভার ভালো রাখতে যেসব ভেষজ উপকারী:
🍋 লেবু – লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে
🌼 ড্যান্ডেলিয়ন গাছ – চর্বি হজম ও পিত্ত উৎপাদনে সাহায্য করে
🌿 মিল্ক থিসল – লিভার কোষ রক্ষা করে
🌸 জেনশিয়ান – হজমশক্তি বাড়ায়
🫚 আদা – প্রদাহ কমায় ও লিভার ঠিক রাখে।

লিভার ভালো রাখতে যা করবো:
✔️ নিয়মিত সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার খাবো
✔️ প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করবো
✔️ ঘুম ঠিকমতো নেবো
✔️ চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করবো

লিভার ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকবে।
ছোট ছোট অভ্যাস বদল আনতে পারে বড় উপকার।
False science
Photo
বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি বিল গেটস প্রায়ই মানবকল্যাণমূলক কাজের জন্য পরিচিত। তিনি বলেছেন, তাঁর ২০০ বিলিয়ন ডলারের অধিকাংশ সম্পদ আফ্রিকার মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবেন। কিন্তু এসব কাজের আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর ষড়যন্ত্র, গোপন নিয়ন্ত্রণ ও শোষণ!


২০১৪ সালে কেনিয়ায় এক টিকা কর্মসূচি চালু করা হয়। এটি ছিল টিটেনাস রোগ প্রতিরোধের টিকা। কিন্তু পরে জানা যায়, এই টিকায় এমন একটি হরমোন ছিল যা মেয়েদের গোপনে বন্ধ্যা করে দেয় মানে তারা আর মা হতে পারে না।
এই অভিযোগটি তোলেন আমেরিকার আইনজীবী ও পরিবেশ কর্মী RFK জুনিয়র। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এই কাজটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করেছিল বিল গেটসের প্রভাব ও সহায়তায়।

আফ্রিকার কয়েকটি দেশে যেমন বুরকিনা ফাসো, জিবুতি ও উগান্ডায় এমন ল্যাব তৈরি করা হয়েছে যেগুলোতে মশার জেনেটিক পরিবর্তন ( DNA পরিবর্তন ) করা হয়েছে। বলা হয়, এসব মশা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, এসব জায়গায় ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু আরও বেড়ে গেছে। এ ছাড়া নাইজেরিয়ার একজন বিজ্ঞানী সরকারকে বলেছিলেন, বিল গেটসের সঙ্গে জড়িত সব ল্যাব তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে। কারণ ধারণা করা হয়, এসব ল্যাব থেকেই ‘মাঙ্কিপক্স’ রোগ ছড়াতে পারে।

বিল গেটসের ফাউন্ডেশন কেনিয়া সরকারকে একটি ডিজিটাল আইডি প্রকল্পে সহায়তা করেছে। এটির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেমে রাখা হবে। এই ডিজিটাল পরিচয়পত্র ছাড়া মানুষ ব্যাংক, মোবাইল, স্বাস্থ্যসেবা বা শিক্ষা ব্যবস্থার সেবা পাবে না। এতে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা কমে যায় এবং সরকার বা বড় কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণ বাড়ে।


২০০৬ সালে বিল গেটস AGRA নামে একটি প্রকল্প চালু করেন। উদ্দেশ্য ছিল আফ্রিকার কৃষকদের আয় বাড়ানো ও ফসল উৎপাদন দ্বিগুণ করা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, এই প্রকল্পে কৃষকরা কর্পোরেট কোম্পানির কাছ থেকে দামী বীজ ও রাসায়নিক সার কিনে ঋণে পড়ে যাচ্ছেন। আর যেসব দেশ এই প্রকল্পে অংশ নিয়েছে, সেখানে ক্ষুধা সমস্যা আরও বেড়েছে।


বিল গেটসের যেসব কর্মকাণ্ডকে সাহায্য বলা হয়, তা অনেক সময় প্রশ্নের মুখে পড়ে। টিকা, ডিজিটাল পরিচয়, মশা বা কৃষি সব জায়গায়ই সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা কমে যাচ্ছে, আর বড় কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে।

আফ্রিকার মানুষ এখনও বুঝতে পারছেনা সত্যিই কী এগুলো সহায়তা ছিল !
আসলে এগুলোর ভেতরে লুকানো আছে আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণের এক নতুন রূপ?
তারা রোগী তৈরি করে, তুমি খরচ করো, তারা লাভে হাসে তুমি বাঁচো কিনা সেটা তাদের মাথাব্যথা নয়!!
মানুষের ভবিষ্যৎ দুই পথে ভাগ হয়।
একটা পথ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়, আরেকটা পথ জীবনের নতুন শুরু। আমরা যে পথটা বেছে নেব তা আমাদের ভবিষ্যৎ ঠিক করবে।

প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে চললে জীবন থাকবে, আর কৃত্রিম পথে গেলে জীবন হারিয়ে যাবে, বন্ধ্যাত্বের কারণে জনসংখ্যা ও কমে যাবে।
সঠিক পথ বেছে নিলে আশা জীবিত থাকবে ইনশাআল্লাহ ।
এখন আর আমাদের ঘরে ঢুকে জোর করে মাইন্ড কন্ট্রোল যন্ত্র বসাতে হয় না…
আমরাই স্বেচ্ছায় টাকা খরচ করে সেগুলো ঘরে আনছি!
আর প্রযুক্তির নামে কীভাবে ধাপে ধাপে মন আর স্বাধীনতা বিক্রি করে দিচ্ছি…
যেদিন ডলার বলে পৃথিবী থেকে কিছু থাকবে না সেদিন মানুষ সুখে শান্তিতে থাকতে পারবে!!
একশো আশি বছরের প্রচেষ্টায় পৃথিবীর মানুষের কাছে
ঔষধ, নানা ধরনের টিকাদান ক্যাম্পেইন মাধ্যমে ঔষধ কোম্পানী গুলো তাদের গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করেছে।

তারপর ঐ ঔষধ কোম্পানী গুলোই আবার ঐ ঔষধ আর ঐ টিকাদানের মাধ্যমে মানব জাতির নিধন শুরু করেছে মাত্র⁉️