আলী হোসেন শিশির
সদস্য,
কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটি,
আওয়ামী লীগ।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি।
সারা রাত রুদ্ধশ্বাস অপারেশনের পর অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তাকে পুলিশ কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে।
তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুপারিশ স্বয়ং এসএসএফের ডিজি এবং একটা ক্যান্টনমেন্ট কলেজের প্রিন্সিপাল। ডিজির ফ্ল্যাটেই সে এতদিন ধরে থাকতো। দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে তাকে সেফ এক্সিট দিতে চাচ্ছিলো স্থানীয় বিএনপি। ছাত্রদের প্রবল বাঁধার মুখে সম্ভব হয়নি।
ফেসবুক পোস্ট : হামজা মাহবুব
#DiverseEye #News #BNP
সদস্য,
কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটি,
আওয়ামী লীগ।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি।
সারা রাত রুদ্ধশ্বাস অপারেশনের পর অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তাকে পুলিশ কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে।
তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুপারিশ স্বয়ং এসএসএফের ডিজি এবং একটা ক্যান্টনমেন্ট কলেজের প্রিন্সিপাল। ডিজির ফ্ল্যাটেই সে এতদিন ধরে থাকতো। দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে তাকে সেফ এক্সিট দিতে চাচ্ছিলো স্থানীয় বিএনপি। ছাত্রদের প্রবল বাঁধার মুখে সম্ভব হয়নি।
ফেসবুক পোস্ট : হামজা মাহবুব
#DiverseEye #News #BNP
👍4
ঢাবি’র নারী শিক্ষক, নারী কর্মকর্তা ও নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নিকাব ও হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তের সিদ্ধান্ত
ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বিবেচনায় রেখে নারী শিক্ষক/নারী কর্মকর্তা/নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নিকাব ও হিজাব পরিহিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ ০৬ মার্চ ২০২৫ বৃহস্পতিবার উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডিনস্ কমিটির এক সভায় এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনে নারী সহকারী প্রক্টরের সহযোগিতা নেয়া হবে। পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে।
(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
#DiverseEye #news #DU
ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বিবেচনায় রেখে নারী শিক্ষক/নারী কর্মকর্তা/নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নিকাব ও হিজাব পরিহিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ ০৬ মার্চ ২০২৫ বৃহস্পতিবার উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডিনস্ কমিটির এক সভায় এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনে নারী সহকারী প্রক্টরের সহযোগিতা নেয়া হবে। পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে।
(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম)
পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
#DiverseEye #news #DU
👍7❤1
উল্লেখ্য, আজ নারী দিবস উপলক্ষে জন্মগত একজন পুরুষকে অদম্য নারী হিসেবে পুরষ্কৃত করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
#DiverseEye #news #Bangladesh
#DiverseEye #news #Bangladesh
😨4😢1
হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে যাবার পর...
"সংবাদ সম্মেলনের আগমুহূর্তে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কার্যালয়ের একটা ছোট সভাকক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমানের সঙ্গে একটা ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হয়। মানবজমিন পত্রিকার সাংবাদিক এহসান মাহমুদ এবং আমাদের পক্ষ থেকে আরিফুল ইসলাম আদীবই মূলত ওই বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। সে বৈঠকে আমি, নাহিদ ভাই, মাহফুজ ভাই ও নাসির ভাই ছিলাম। তারেক রহমানকে আমরা অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের প্রস্তাব দিই এবং বিএনপিকে সেই সরকারে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। আমাদের প্রস্তাব ছিল, জাতীয় সরকারে ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলের এবং ৫০ শতাংশ সুশীল সমাজ ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি থাকবেন।
তারেক রহমান বললেন, তাঁরা এ ধরনের কিছুর অংশ হতে চান না। আমরা আমাদের সংস্কারের ভাবনাগুলো বললাম। তিনি সরাসরি বললেন, ‘এত বেশি দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে তো মনে হয় না। আপনারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে একটা নির্বাচন দিয়ে দিতে পারেন।’
তারেক রহমান প্রস্তাব দিলেন একজন প্রধান উপদেষ্টা রেখে সাতজনের একটা সরকার গঠন করে তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া যেতে পারে। তাঁকে বললাম, আমরা জাতীয় সরকারই গঠন করতে চাই। বিএনপি সরকারে এলে সরকার স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। তারেক রহমান সাতজনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যাপারেই বেশি আগ্রহী ছিলেন। তারেক রহমানকে আমরা জানালাম যে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে।
কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকটা শেষ হয়। আমরা বিএনপির মনোভাব বুঝে গেলাম। তারা জাতীয় সরকারে আসবে না। বিএনপিকে ছাড়া সরকার গঠন করলে বিষয়টা এক-এগারো বা মাইনাস টুর দিকে চলে যেতে পার বলে আশঙ্কা হলো। জাতীয় সরকার গঠনের সম্ভাবনাটা সেখানেই শেষ হয়ে গেল। ৬ আগস্ট মাহফুজ ভাই জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। বিএনপি আসছে না বলে সেখানেও আলাপটা থেমে যায়। এরপর আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় সরকারের বিষয়ে আলোচনা হয়নি।"
রেফারেন্স বই: জুলাই; মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু
লেখক- Asif Mahmud সজিব ভুঁইয়া
উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
পোস্ট: আব্দুল্লাহ
#DiverseEye #history #JulyRevolution #Bangladesh
"সংবাদ সম্মেলনের আগমুহূর্তে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কার্যালয়ের একটা ছোট সভাকক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমানের সঙ্গে একটা ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হয়। মানবজমিন পত্রিকার সাংবাদিক এহসান মাহমুদ এবং আমাদের পক্ষ থেকে আরিফুল ইসলাম আদীবই মূলত ওই বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। সে বৈঠকে আমি, নাহিদ ভাই, মাহফুজ ভাই ও নাসির ভাই ছিলাম। তারেক রহমানকে আমরা অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের প্রস্তাব দিই এবং বিএনপিকে সেই সরকারে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। আমাদের প্রস্তাব ছিল, জাতীয় সরকারে ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলের এবং ৫০ শতাংশ সুশীল সমাজ ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি থাকবেন।
তারেক রহমান বললেন, তাঁরা এ ধরনের কিছুর অংশ হতে চান না। আমরা আমাদের সংস্কারের ভাবনাগুলো বললাম। তিনি সরাসরি বললেন, ‘এত বেশি দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে তো মনে হয় না। আপনারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে একটা নির্বাচন দিয়ে দিতে পারেন।’
তারেক রহমান প্রস্তাব দিলেন একজন প্রধান উপদেষ্টা রেখে সাতজনের একটা সরকার গঠন করে তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া যেতে পারে। তাঁকে বললাম, আমরা জাতীয় সরকারই গঠন করতে চাই। বিএনপি সরকারে এলে সরকার স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। তারেক রহমান সাতজনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যাপারেই বেশি আগ্রহী ছিলেন। তারেক রহমানকে আমরা জানালাম যে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে।
কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকটা শেষ হয়। আমরা বিএনপির মনোভাব বুঝে গেলাম। তারা জাতীয় সরকারে আসবে না। বিএনপিকে ছাড়া সরকার গঠন করলে বিষয়টা এক-এগারো বা মাইনাস টুর দিকে চলে যেতে পার বলে আশঙ্কা হলো। জাতীয় সরকার গঠনের সম্ভাবনাটা সেখানেই শেষ হয়ে গেল। ৬ আগস্ট মাহফুজ ভাই জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। বিএনপি আসছে না বলে সেখানেও আলাপটা থেমে যায়। এরপর আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় সরকারের বিষয়ে আলোচনা হয়নি।"
রেফারেন্স বই: জুলাই; মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু
লেখক- Asif Mahmud সজিব ভুঁইয়া
উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
পোস্ট: আব্দুল্লাহ
#DiverseEye #history #JulyRevolution #Bangladesh
পিয়ার্স মরগানের শো তে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ মারান্দি বলেন,
#DiverseEye #quotes #piersmorgan #marandi
#DiverseEye #quotes #piersmorgan #marandi
❤8