Biology Phobia।Exam Mate
26.9K subscribers
1.48K photos
21 videos
228 files
1.06K links
Download Telegram
#Confusing part:
Epitope vs Paratope

দুইটা শব্দই খুব কনফিউশন করতো আমার এক সময়।তবে একবার বুঝে যাওয়ার পর ব্যাপারটা আরও সহজ হয়ে যেতে থাকে।

শব্দদুটিকে একটু বিশ্লেষণ করিঃ

Epi =উপরে, tope=ফাদ (বরশি দিয়ে মাছ ধরার সময় আমরা যেমন টোপ ফেলি সেরকমই)

Para=খুব কষ্ট যে দিচ্ছে, tope=ফাদ

এইখানে প্রশ্নটা হলোঃ

১.কোনটি প্যারাটোপ /এপিটোপ হিসেবে কাজ করে?
২.এন্টিজেন কি প্যারাটোপ নাকি এপিটোপ?
৩.এন্টিবডি কি প্যারাটোপ নাকি এপিটোপ?

আমি সবসময় প্যারাটোপ কোনটা সেইটা মনে রাখতাম।তবে আমি দুইটাই ব্যাখা করছি।

এপিটোপ=ফাদের উপরে থাকে যেটা।
প্যারাটোপ =যে কষ্ট দিয়েছে তাকে ধরবে।

ফাদ কেনো রাখা হলো? এন্টিজেন থাকলেই এন্টিবডি হওয়া শুরু করবে।

তার মানে কি এন্টিবডি এন্টিজেনকে ধরে ফেলবে?

হ্যা এন্টিজেন জীবাণু কে ধরে নিয়ে আসে।তো আমরা জানি এন্টিবডি Y আকৃতির।আর এটার একটা পরিবর্তশীল অঞ্চল আছে যেইটাকে আমরা বলছি ফাদ।

এখন তার মানে আমরা বুঝে ফেলেছি যে এন্টিবডি ফাদ পেতে বসে আছে,তবে কার জন্য?
যে প্যারা দিচ্ছে তার জন্য।

কে প্যারা দিচ্ছে?
এইখানে এন্টিজেন এসে জীবাণুকে মারার জন্য প্যারা দিচ্ছে।

তার মানে এন্টিবডি =প্যারাটোপ (যেহেতু সে ফাদ পেতে বসে থাকে জীবাণু এর খবর আসলেই সেই প্যারাদায়ক জিনিসকে সে ধরে ফেলে)

আর তাহলে বুঝতে বাকি নেই এন্টিজেন যে এপিটোপ।

কারণ এপি উপরে,টোপ মানে ফাদ।মানে ফাদ এর উপরে থাকে এন্টিজেন।

আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পারা গিয়েছে। 🌼
🔥2518
#Confusing part:
রেনিন Vs রেনিন

আসলে ইন্টার এর বায়োলজি বইয়ে আমরা দুইটা শব্দ দেখতে পাই যার বাংলা বানান এক হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।


Rennin: ক্ষরিত হয় গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির জাইমোজেনিক কোষ থেকে।

Renin :ক্ষরিত হয় কিডনি থেকে আরও বলতে Juxtaglomerular Cell (এইটা Juxta দ্বারা দুই ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত থাকে তা বোঝাচ্ছে)এই দুই ধরণের cell থাকে, এর মধ্যে একটি থাকে Barorecptor যা রক্তচাপ এর সাথে জড়িত আর একটা থাকে Hemo receptor যা রক্তের ঘনত্ব এর সাথে জড়িত।

*মনে রাখবে জাস্ট রেনিন (Renin) ক্ষরিত হয় কিডনি থেকে।

কাজ কোনটার কি??

Rennin: যা আমাদের পরিপাক এ সহায়তা করে।

এদের বলা হয় প্রোটিওলাইটিক। মানে?

প্রোটিও মানে =প্রোটিন
লাইটিক =কোনো কিছুকে ভেংগে ফেলা (এইখানে পরিপাক এর উপযোগী করে তোলে)

*ক্যাসিনোজেন কে ক্যাসিন এ পরিণত করতে Rennin প্রয়োজন হয়।

বলে রাখা দুধের প্রধান প্রোটিন হলো ক্যাসিন।

Reninঃ এটা যেহেতু কিডনি থেকে ক্ষরিত হয়।

এইটার প্রধান কাজ হলো Angiotensinogen হরমোন কে Angiotensin এ রুপান্তর করা।

আর একটু বলি এই Angiotensinogen একটা হরমোন যা নিষ্ক্রিয় অবস্থায় যকৃত থেকে ক্ষরিত হয়।

আর Renin কিন্তু সোডিয়াম এর ঘনত্ব ও পানির মাত্রাও ঠিক রাখে।

আর Renin & Rennin কিন্তু উভয়ই এনজাইম।

🍀Biology phobia
🔥2713😱6
#Confusing Part:
Heart এর কি আলাদা করে উদ্দীপনার প্রয়োজন হয়?

এর জন্য দুটি জিনিস ব্যাখ্যা করবো।

প্রথমতঃ Myogenic Heart

দ্বিতীয়তঃNeurogenic Heart

Myogenic Heart
এই শব্দটাকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা যায়।

Myo=Muscle বা পেশি, Gene=উৎপন্ন

যেখানেই এই দুটি শব্দ পাবো মনে রাখতে হবে Myo দ্বারা পেশি আর Gene দ্বারা উৎপন্ন কে বোঝায়।

তাহলে Myogenic দ্বারা কি বোঝায়?
পেশি দ্বারা উৎপন্ন।

আর Myogenic heart যখন বলবে তার মানে আমাদের হার্ট যখন তার স্ব পেশি দ্বারা মানে কার্ডিয়াক পেশি দ্বারা উদ্দীপনা প্রেরণ করে আমাদের হার্টকে তখন তাকে আমরা Myogenic Heart বলি।

**কার্ডিয়াক পেশি মায়োকার্ডিয়াম স্তর থেকে তৈরি যা সংকোচন ও প্রসারণে ভূমিকা পালন করে।

Myogenic Heart :সুবিধাঃ
১.প্রথমত এরা স্ব পেশি দ্বারা তৈরি হওয়ায় বাহির থেকে কোনো প্রকার উদ্দীপনা লাগে না।

২.দ্বিতীয়ত এই ধরণের হার্ট এর ক্ষেত্রে সমস্যা হলে শরীর থেকে হার্ট সরিয়ে নিলে কিছু সময় এর জন্য বিট হয় যার ফলে অফ পাম্প সার্জারি এর মতো সার্জারি করা যায়। আর এর ফলেই হার্ট এর প্রতিস্থাপন সম্ভব।

কাদের পাওয়া যায়ঃমেরুদন্ডী প্রাণীদের ক্ষেত্রে ধরণের হার্ট দেখা যায়।

Neurogenic heart:

বুঝা যাচ্ছে দুটি শব্দ Neuro=নিউরন বা Nervous System কে Indicate করছে।

মোট কথাঃ যে হার্ট NS (Nervous System) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে বলে Neurogenic হার্ট।

এদের ক্ষেত্রে হার্ট এর বাহির থেকে উদ্দীপনা প্রেরণ করে।

এদের ক্ষেত্রে হার্টটি শরীর থেকে সরিয়ে নিলে আর বিট প্রদান করে না।তাই এদের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপন সম্ভব নয়।

পাওয়া যায়ঃ অমেরুদন্ডী প্রানীদের বা নিম্নস্তরের প্রাণী যেমন মলাস্কা বা অ‍্যানিলিডা এর ক্ষেত্রে।


Happy learning 🍀
Biology phobia🍀
56🔥7😢2😱1
#Confusing Part:

🔴Antigen vs Antibody vs Pathogen

Antigen vs Pathogen বলতে অনেকেই একে অপরের সমার্থক বলে ফেলেন।তবে এদের কার্যবিধি খুব কাছাকাছি মনে হলেও এদের মধ্যেও পার্থক্য বিদ্যমান।

Pathogen:শব্দটার দুই ভাগ।
1.Patho :আমরা Pathetic মানে কি জানি?
মানে খুব শোচনীয় ব্যাপার বা সহজ বাংলায় যে ব্যাপারটা আমাদের কষ্ট দেয়।
আর এই Pathetic এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো Patho

2.Gen মানে উৎপন্ন।

তাহলে বলতে পারি যে জিনিসটা আমাদের শরীরকে কষ্ট উৎপন্ন বা দেয় তাকেই বলি আমরা বলবো Pathogen ।

আচ্ছা আমাদের শরীর এ কখন কষ্ট বা ব্যাথা অনুভূতি হয়?
যখন আমাদের শরীর এ কোনো Foreign Substance বা কোনো প্রকার জীবাণু প্রবেশ করে সেই ব্যাপারটি হলো প্যাথেটিক যা পরবর্তিতে রোগ এর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তাহলে প্যাথোজেন কারা?

প্যাথোজেন কারাঃ ভাইরাস,ব্যাকটেরিয়া,ছত্রাক যে কোনোটিই হতে পারে মানে কোনো প্রকার জীবাণু।

এই প্যাথোজেন প্রবেশ করলে আমাদের কষ্ট বা ব্যাথা অনুভূতি হয়।

Different between Pathogen & Antigen:

এতক্ষণে বুঝে ফুলেছি Pathogen বলতে মূলত জীবাণুকেই বুঝায়।

যখন এই Pathogen কিংবা এই জীবাণু আমাদের দেহে প্রবেশ করে তার সাড়া হিসেবে বা আমাদের শরীরকে সংকেত দিতে যে,
কোনো প্রকার Foreign Substance কিংবা কোনো জীবাণু অনুপ্রবেশ করেছে।

এই ইমিউন রেসপন্স কিংবা জীবাণুকে প্রতিহত করার অংশ হিসেবে Antigen তৈরি হয় আমাদের দেহে।

Antigen কি কি হতে পারে?

জীবাণু যেহেতু অনেক রকম, তাই Antigen প্রোটিন,পলিস্যাকারাইড,লিপিড,পেপটাইড ইত্যাদি হতে পারে।

****মানে প্যাথোজেন এর প্রবেশে শরীর এর ইমিউন সাড়া বা শরীর এর সুরক্ষার অংশ হিসেবে এন্টিজেন তৈরি হয়।

আচ্ছা এন্টিজেন কেন ধ্বংসাত্মক বলে?
কারণ আমাদের শরীর এন্টিবডি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এন্টিজেন জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিহত করার চেষ্টা করে।

Antibody :

এইখানে Anti =প্রতিপক্ষ

প্রতিপক্ষ কারা?জীবাণু

Body =জীবাণুকে প্রতিহত করার জন্য তৈরি দেহের মধ্যে তৈরি শক্তিশালী সুরক্ষা স্তরকে বোঝায়।

আচ্ছা Antibody তৈরি হয় কোথা থেকে?
Antigen এর তৈরি হওয়া দেখেই Antibody তৈরি হতে পারে B lymphocyte থেকে।

Antibody এর প্রকৃতি কি?
এরা শুধুই প্রোটিন।

**সব এনজাইম প্রোটিন। আর আমদের সারা দেহ প্রোটিন বা কোলাজেন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।তাই যেহেতু Antibody দেহ থেকে তৈরি হচ্ছে তাই আমরা Antibody কেও প্রোটিন বলতে পারি।

প্রথমে প্যাথোজেন আসলো মানে জীবাণু।

এরপর জীবাণু এসেছে জানালোঃ এন্টিজেন।

আর জীবাণু এর বিরুদ্ধে দেহকে শক্তিশালী করলো এন্টিবডি।

আর একটা বিষয় এন্টিজেন ও এন্টিবডি আমাদের রক্ষা করে।আর প্যাথোজেন কিন্তু আমাদের রোগ এর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

😌 বায়োলজি বুঝে বুঝে পড়লে বেশ মজার 💜



happy learning 🍀
Biology phobia 🍀
42🔥5🤩4
#Confusing part

Epitope vs Paratope

দুইটা শব্দই খুব কনফিউশন করতো আমার এক সময়।তবে একবার বুঝে যাওয়ার পর ব্যাপারটা আরও সহজ হয়ে যেতে থাকে।

শব্দদুটিকে একটু বিশ্লেষণ করিঃ

Epi =উপরে, tope=ফাদ (বরশি দিয়ে মাছ ধরার সময় আমরা যেমন টোপ ফেলি সেরকমই)

Para=খুব কষ্ট যে দিচ্ছে, tope=ফাদ

এইখানে প্রশ্নটা হলোঃ

১.কোনটি প্যারাটোপ /এপিটোপ হিসেবে কাজ করে?
২.এন্টিজেন কি প্যারাটোপ নাকি এপিটোপ?
৩.এন্টিবডি কি প্যারাটোপ নাকি এপিটোপ?


আমি সবসময় প্যারাটোপ কোনটা সেইটা মনে রাখতাম।তবে আমি দুইটাই ব্যাখা করছি।

এপিটোপ=ফাদের উপরে থাকে যেটা।
প্যারাটোপ =যে কষ্ট দিয়েছে তাকে ধরবে।

ফাদ কেনো রাখা হলো? এন্টিজেন থাকলেই এন্টিবডি হওয়া শুরু করবে।

তার মানে কি এন্টিবডি এন্টিজেনকে ধরে ফেলবে?

হ্যা এন্টিজেন জীবাণু কে ধরে নিয়ে আসে।তো আমরা জানি এন্টিবডি Y আকৃতির।আর এটার একটা পরিবর্তশীল অঞ্চল আছে যেইটাকে আমরা বলছি ফাদ।

এখন তার মানে আমরা বুঝে ফেলেছি যে এন্টিবডি ফাদ পেতে বসে আছে,তবে কার জন্য?
যে প্যারা দিচ্ছে তার জন্য।

কে প্যারা দিচ্ছে?
এইখানে এন্টিজেন এসে জীবাণুকে মারার জন্য প্যারা দিচ্ছে।

তার মানে এন্টিবডি =প্যারাটোপ (যেহেতু সে ফাদ পেতে বসে থাকে জীবাণু এর খবর আসলেই সেই প্যারাদায়ক জিনিসকে সে ধরে ফেলে)

আর তাহলে বুঝতে বাকি নেই এন্টিজেন যে এপিটোপ।

কারণ এপি উপরে,টোপ মানে ফাদ।মানে ফাদ এর উপরে থাকে এন্টিজেন।

আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পারা গিয়েছে। 🌼

Courtesy:Tinni Mirza
[Exam mate]
❤‍🔥82🫡21💘3💯1😇1