৭০। ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে - কুসংস্কার বিশ্বাস।
৭১। মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে- দৃঢ়তা।
৭২। আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে - ইবলিশ।
৭৩। খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভায় পায় -ধর্মভীতির কারণে।
৭৪। ‘আমেনা’ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য- নিঃসন্তান।
৭৫। ঢেঙ্গা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পাড়ানোর কথা ছিল- মোল্লা শেখের।
৭৬। “তানি যে খোদার মানুষ” উক্তিটি হল - রহিমার।
৭৭। উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিপ্রান্ত বোধ করে- অসুস্থাতায়।
৭৮। আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল- পালকি।
৭৯। আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন- মাজারে।
৮০। মজিদ বার বার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল- রূপের মোহে।
৮১। মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় – ধর্মভীতির কারণে।
৮২। আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল- ডান দিক থেকে।
৮৩। রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল- বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৮৪। আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল- শারীরিক দুর্বলতায়।
৮৫। খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে- সন্দেহে।
৮৬। আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রজোয্য- স্বামীভীরু।
৮৭। যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌছেছে- তালগাছ।
৮৮।মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম- আক্কাস।
৮৯। মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উম্মোচিত হয়েছে- শোষণ।
৯০। ‘পুলক’ শব্দের অর্থ- আনন্দ।
৯১।“বেত্তমিজের মতো কথা কইস না” উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল- আক্কাস।
৯২।মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল - খালেক ব্যাপারী।
৯৩। মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল- মজিদ।
৯৪। সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ ছিল- মজিদ।
৯৫। মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস –পুরনো কবরটি।
৯৬। মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ- নিঃসন্তান হওয়ায়।
৯৭। যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৯৮। রহিমা পোষ্য রাখতে চায়- হাসুনিকে।
৯৯। “মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে” এখানে অন্য কথা বলতে বোঝানো হয়েছে- দ্বিতীয় বিয়ে।
১০০। ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু- গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি
#Collected
৭১। মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে- দৃঢ়তা।
৭২। আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে - ইবলিশ।
৭৩। খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভায় পায় -ধর্মভীতির কারণে।
৭৪। ‘আমেনা’ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য- নিঃসন্তান।
৭৫। ঢেঙ্গা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পাড়ানোর কথা ছিল- মোল্লা শেখের।
৭৬। “তানি যে খোদার মানুষ” উক্তিটি হল - রহিমার।
৭৭। উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিপ্রান্ত বোধ করে- অসুস্থাতায়।
৭৮। আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল- পালকি।
৭৯। আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন- মাজারে।
৮০। মজিদ বার বার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল- রূপের মোহে।
৮১। মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় – ধর্মভীতির কারণে।
৮২। আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল- ডান দিক থেকে।
৮৩। রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল- বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৮৪। আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল- শারীরিক দুর্বলতায়।
৮৫। খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে- সন্দেহে।
৮৬। আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রজোয্য- স্বামীভীরু।
৮৭। যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌছেছে- তালগাছ।
৮৮।মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম- আক্কাস।
৮৯। মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উম্মোচিত হয়েছে- শোষণ।
৯০। ‘পুলক’ শব্দের অর্থ- আনন্দ।
৯১।“বেত্তমিজের মতো কথা কইস না” উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল- আক্কাস।
৯২।মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল - খালেক ব্যাপারী।
৯৩। মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল- মজিদ।
৯৪। সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ ছিল- মজিদ।
৯৫। মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস –পুরনো কবরটি।
৯৬। মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ- নিঃসন্তান হওয়ায়।
৯৭। যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৯৮। রহিমা পোষ্য রাখতে চায়- হাসুনিকে।
৯৯। “মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে” এখানে অন্য কথা বলতে বোঝানো হয়েছে- দ্বিতীয় বিয়ে।
১০০। ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু- গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি
❤93🥰15🔥7💯2👏1
গুরুত্বপূর্ণ লাইনঃ 👇
▪️গল্পের নায়িকা কল্যানীঃ বুদ্ধিমতী, মেধাবী, শিক্ষিত।
▪️এককালে শম্ভুনাথের বংশে – লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।
▪️বিনুদার রুচি ও দক্ষতার উপর অনুপমের ষোল আনা আস্হা রয়েছে।
▪️অনুপম নিজেকে অন্নপূর্নার কোলে গজাননের ছোট ভাই রূপে কল্পনা করেছেন।
▪️শম্ভুনাথ বাবুর ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্হায়ী করার ইচ্ছে নেই।
▪️ভারতের গয়া অঞ্চলের অন্তঃসলিলা নদীর নাম ফল্গু।
▪️গল্পে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী কল্যানী।
▪️বাপের বড়ো আদরের মেয়ে কল্যানী।
▪️মামা প্রতিজ্ঞা করেছেন কারো কাছে ঠকবেন না।
▪️অনুপমের বিয়ে ভেঙে যায় মামার হীন ব্যবহারের কারনে।
▪️মামার নিষেধ অমান্য করে অনুপম কানপুরে এসেছেন কল্যানীর সাথে দেখা করতে।
▪️বিয়ের আসর থেকে বরযাত্রীর প্রস্থানকে অনুপম দক্ষযজ্ঞের সাথে তুলনা করেছেন।
▪️বিয়ের আসরে মামা অনুপমের সামনে অবস্থান করে মূর্তিমতী মাতৃ আজ্ঞা রূপে।
▪️অনুপমের কাছে টিকিট ছিল ফার্স্ট ক্লাসের।
▪️পরীক্ষা করার জন্য স্যাকরা নিয়েছিলল মকরমুখা বালা।
▪️অনুপমের মামা গুড়গুড়ির পরিবর্তে ব্যবহার করতে চান বাঁধাহুকা।
▪️অপরিচিতা গল্পে উল্লেখ আছেঃ শিমুল, বকুল, রজনীগন্ধা ফুল।
▪️শম্ভুনাথের বন্ধু না থাকলে বিবাহ গোড়াতেই নষ্ট হতো।
▪️রেলের কামরার দুটি বেঞ্চ রিজার্ভ করা ইংরেজ জেনারেল সাহেবের জন্য।
▪️কল্যানী যাত্রী ছিল সেকেন্ড ক্লাসের।
▪️অনুপমের যাত্রী ছিল ফার্স্ট ক্লাসের।
▪️অনুপম নিজের চোখে পাত্রী দেখার কথা বলতে পারলেন না সাহস নেই বলে।
▪️কল্যানীর বাবা বিয়ের তিন দিন আগে অনুপমকে আশীর্বাদ করেন।
▪️স্টেশনে কল্যানীকে নিতে এসেছিল – হিন্দুস্তানি চাকর।
▪️কল্যানীর নাম শুনে চমকে উঠল – অনুপম ও তার মা।
▪️শম্ভুনাথ বাবু বংশমর্যাদা রক্ষায় পশ্চিমে বসবাস শুরু করেন।
▪️মামার সঙ্গে মা পাত্রীদের দুরবস্থার কথা ভেবে একযোগে হাসলেন।
▪️মামা অনুপমদের সংসারে গর্বের সামগ্রী আশ্চর্য পাকা লোক বলে।
▪️বরযাত্রীর বাদ্য বাজনাকে অনুপম অবহিত করেছেন বর্বর কোলাহল বলে।
▪️বিবাহ বাড়িতে প্রবেশ করে মামা খুশি হন নি।
▪️অনুপম প্রস্তুত হইয়াছে অন্তঃপুরের শাসন চলার মতো করে।
▪️উপরিপাওনা বাগধারাটি গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে অধিক লজ্জা অর্থে।
▪️অভ্রের ঝাড়গুলো আপনার কর্তব্যের বরাত দিয়েছিল – আকাশের তারার উপর।
#Collected
▪️গল্পের নায়িকা কল্যানীঃ বুদ্ধিমতী, মেধাবী, শিক্ষিত।
▪️এককালে শম্ভুনাথের বংশে – লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।
▪️বিনুদার রুচি ও দক্ষতার উপর অনুপমের ষোল আনা আস্হা রয়েছে।
▪️অনুপম নিজেকে অন্নপূর্নার কোলে গজাননের ছোট ভাই রূপে কল্পনা করেছেন।
▪️শম্ভুনাথ বাবুর ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্হায়ী করার ইচ্ছে নেই।
▪️ভারতের গয়া অঞ্চলের অন্তঃসলিলা নদীর নাম ফল্গু।
▪️গল্পে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী কল্যানী।
▪️বাপের বড়ো আদরের মেয়ে কল্যানী।
▪️মামা প্রতিজ্ঞা করেছেন কারো কাছে ঠকবেন না।
▪️অনুপমের বিয়ে ভেঙে যায় মামার হীন ব্যবহারের কারনে।
▪️মামার নিষেধ অমান্য করে অনুপম কানপুরে এসেছেন কল্যানীর সাথে দেখা করতে।
▪️বিয়ের আসর থেকে বরযাত্রীর প্রস্থানকে অনুপম দক্ষযজ্ঞের সাথে তুলনা করেছেন।
▪️বিয়ের আসরে মামা অনুপমের সামনে অবস্থান করে মূর্তিমতী মাতৃ আজ্ঞা রূপে।
▪️অনুপমের কাছে টিকিট ছিল ফার্স্ট ক্লাসের।
▪️পরীক্ষা করার জন্য স্যাকরা নিয়েছিলল মকরমুখা বালা।
▪️অনুপমের মামা গুড়গুড়ির পরিবর্তে ব্যবহার করতে চান বাঁধাহুকা।
▪️অপরিচিতা গল্পে উল্লেখ আছেঃ শিমুল, বকুল, রজনীগন্ধা ফুল।
▪️শম্ভুনাথের বন্ধু না থাকলে বিবাহ গোড়াতেই নষ্ট হতো।
▪️রেলের কামরার দুটি বেঞ্চ রিজার্ভ করা ইংরেজ জেনারেল সাহেবের জন্য।
▪️কল্যানী যাত্রী ছিল সেকেন্ড ক্লাসের।
▪️অনুপমের যাত্রী ছিল ফার্স্ট ক্লাসের।
▪️অনুপম নিজের চোখে পাত্রী দেখার কথা বলতে পারলেন না সাহস নেই বলে।
▪️কল্যানীর বাবা বিয়ের তিন দিন আগে অনুপমকে আশীর্বাদ করেন।
▪️স্টেশনে কল্যানীকে নিতে এসেছিল – হিন্দুস্তানি চাকর।
▪️কল্যানীর নাম শুনে চমকে উঠল – অনুপম ও তার মা।
▪️শম্ভুনাথ বাবু বংশমর্যাদা রক্ষায় পশ্চিমে বসবাস শুরু করেন।
▪️মামার সঙ্গে মা পাত্রীদের দুরবস্থার কথা ভেবে একযোগে হাসলেন।
▪️মামা অনুপমদের সংসারে গর্বের সামগ্রী আশ্চর্য পাকা লোক বলে।
▪️বরযাত্রীর বাদ্য বাজনাকে অনুপম অবহিত করেছেন বর্বর কোলাহল বলে।
▪️বিবাহ বাড়িতে প্রবেশ করে মামা খুশি হন নি।
▪️অনুপম প্রস্তুত হইয়াছে অন্তঃপুরের শাসন চলার মতো করে।
▪️উপরিপাওনা বাগধারাটি গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে অধিক লজ্জা অর্থে।
▪️অভ্রের ঝাড়গুলো আপনার কর্তব্যের বরাত দিয়েছিল – আকাশের তারার উপর।
#Collected
❤83🔥11👏2😱1
###বাংলা ২য় পত্রের সাজেশনঃঃ
১)বাংলা উচ্চারণের নিয়ম
২)বাংলা বানানের নিয়ম ও শব্দ শুদ্ধিকরণ
৩)বাংলা ভাষার ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি(পদ)
৪)উপসর্গ(৫*)
৫)সমাস(৫*)
৬)বাক্য প্রকরণ(২**)
৭)বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধপ্রয়োগ
৮)পারিভাষিক শব্দ(৩***)
৯)অনুবাদ।
এই টপিকগুলো পড়লেই হবে।এর বাইরে পড়ার কোনো দরকার নাই।(*) দেওয়াগুলো সব থেকে বেশি ফোকাস দিবেন।
#Collected
১)বাংলা উচ্চারণের নিয়ম
২)বাংলা বানানের নিয়ম ও শব্দ শুদ্ধিকরণ
৩)বাংলা ভাষার ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি(পদ)
৪)উপসর্গ(৫*)
৫)সমাস(৫*)
৬)বাক্য প্রকরণ(২**)
৭)বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধপ্রয়োগ
৮)পারিভাষিক শব্দ(৩***)
৯)অনুবাদ।
এই টপিকগুলো পড়লেই হবে।এর বাইরে পড়ার কোনো দরকার নাই।(*) দেওয়াগুলো সব থেকে বেশি ফোকাস দিবেন।
#Collected
❤82🔥5🥰3
জনপ্রিয় কবিদের ছদ্মনাম
🌺 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- ভানুসিংহ।
🌺কাজী নজরুল ইসলাম- ধূমকেতু।
🌺 বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়- বনফুল।
🌺 মাইকেল মধূসুদন দত্ত- এনেটিভ।
🌺 মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ- জহির রায়হান।
🌺 মীর মশাররফ হোসেন-গাজী মিয়া।
🌺 পরমথ চৌধুরী- বীরবল।
🌺 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- অনিলাদেবী।
🌺 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-কমলাকান্ত।
🌺 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়-প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
🌺 সমরেশ বসু- কালকূট।
🌺 শওকত ওসমান- শেখ আজিজুর রহমান।
🌺 কাজেম আল কোরেশী- কায়কোবাদ।
🌺 সনীল গঙ্গোপাধ্যায়- নীললোহিত।
🌺 কালীপ্রসন্ন সিংহ- হুতোম পেঁচা।
🌺 রাজশেখর বসু- পরশুরাম।
🌺 মোহিতলাল মজুমদার- সত্যসুন্দর দাশ।
🌺 অচ্যিন্ত কুমার সেনগুপ্ত- নীহারিকা দেবী।
🌺 পযারীচাঁদ মিত্র- টেকচাঁদ ঠাকুর।
#Collected
🌺 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- ভানুসিংহ।
🌺কাজী নজরুল ইসলাম- ধূমকেতু।
🌺 বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়- বনফুল।
🌺 মাইকেল মধূসুদন দত্ত- এনেটিভ।
🌺 মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ- জহির রায়হান।
🌺 মীর মশাররফ হোসেন-গাজী মিয়া।
🌺 পরমথ চৌধুরী- বীরবল।
🌺 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- অনিলাদেবী।
🌺 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-কমলাকান্ত।
🌺 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়-প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
🌺 সমরেশ বসু- কালকূট।
🌺 শওকত ওসমান- শেখ আজিজুর রহমান।
🌺 কাজেম আল কোরেশী- কায়কোবাদ।
🌺 সনীল গঙ্গোপাধ্যায়- নীললোহিত।
🌺 কালীপ্রসন্ন সিংহ- হুতোম পেঁচা।
🌺 রাজশেখর বসু- পরশুরাম।
🌺 মোহিতলাল মজুমদার- সত্যসুন্দর দাশ।
🌺 অচ্যিন্ত কুমার সেনগুপ্ত- নীহারিকা দেবী।
🌺 পযারীচাঁদ মিত্র- টেকচাঁদ ঠাকুর।
#Collected
🔥51❤39🥰20👏2
🔥 কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল:
কারক থেকে প্রশ্ন থাকবে দেখে নাও একবার
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
◼️ কারক ৬ প্রকার:
১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণকারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অপাদান কারক
৬. অধিকরণ কারক
........................................................
১। কর্তৃকারক: যে কাজ করে সেই কর্তা বা কর্তকারক।
◾যেমন:
👉 আমি ভাত খাই।
👉 বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।
🔥 এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে,, ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তা বা কর্তৃকারক।
👉 কে ভাত খায়?
◾ উত্তর হচ্ছে আমি।
👉 কারা ফুটবল খেলছে?
◾ উত্তর হচ্ছে-বালকেরা।
🔥 তাহলে আমি এবং বালকেরা হচ্ছে কর্তৃকারক।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
২। কর্মকারক: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে সেটাই কর্ম বা কর্মকারক।
◼️ যেমন:
👉 আমি ভাত খাই।
👉 হাবিব সোহলকে মেরেছে।
🔥 এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘ কি’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া সেটিই কর্ম বা কর্মকারক।
👉 আমি কি খাই?
◾ উত্তর হচ্ছে-ভাত।
👉 হাবিব কাকে মেরেছে?
◾ উত্তর হচ্ছে-সোহেলকে।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৩। করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণ বুঝায়।
◼️ যেমন:
👉 নীরা কলম দিয়ে লেখে।
👉 সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।
🔥 এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কীসের দ্বারা’ বা ‘কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই করণ কারক।
👉 নীরা কীসের দ্বারা লেখে?
◾ উত্তর হচ্ছে-কলম ।
👉 কী উপায়ে বা কোন উপায়ে কীর্তিমান হওয়া যায়?
◾ উত্তর হচ্ছে-সাধনায়।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৪। সম্প্রদান কারক: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। স্বত্ব ত্যাগ না করলে কর্মকারক।
◼️ যেমন:
👉 ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।
👉 গুরুজনে কর নতি।
🔥 মনে রাখার উপায় হচ্ছেঃ
কর্মকারকের মত "কাকে" দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
তবে এখানে স্বার্থ থাকবেনা।
◼️ যেমনঃ
👉 মানুষ ভিক্ষারীকে দান করে কোন স্বার্থ ছাড়াই যাকে বলে নি:শর্ত ভাবে।
👉 আবার গুরুজনকে মানুষ সম্মান করে। কোন স্বার্থ ছাড়াই।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৫। অপাদান কারক: হতে, থেকে বুঝালে অপাদান কারক হবে।
◼️ যেমনঃ
👉 গাছ থেকে পাতা পড়ে।
👉 পাপে বিরত হও।
🔥এখাছে কোথা থেকে পাতা পড়ে?
◾ উত্তর হচ্ছে-গাছ ।
👉 কি হতে বিরত হও?
◾ উত্তর হচ্ছে – পাপ ।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৬। অধিকরণ কারক: ক্রিয়ার সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
◼️ যেমনঃ
👉 আমরা রোজ স্কুলে যাই।
👉 প্রভাতে সূর্য ওঠে।
#Collected
কারক থেকে প্রশ্ন থাকবে দেখে নাও একবার
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
◼️ কারক ৬ প্রকার:
১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণকারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অপাদান কারক
৬. অধিকরণ কারক
........................................................
১। কর্তৃকারক: যে কাজ করে সেই কর্তা বা কর্তকারক।
◾যেমন:
👉 আমি ভাত খাই।
👉 বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।
🔥 এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে,, ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তা বা কর্তৃকারক।
👉 কে ভাত খায়?
◾ উত্তর হচ্ছে আমি।
👉 কারা ফুটবল খেলছে?
◾ উত্তর হচ্ছে-বালকেরা।
🔥 তাহলে আমি এবং বালকেরা হচ্ছে কর্তৃকারক।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
২। কর্মকারক: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে সেটাই কর্ম বা কর্মকারক।
◼️ যেমন:
👉 আমি ভাত খাই।
👉 হাবিব সোহলকে মেরেছে।
🔥 এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘ কি’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া সেটিই কর্ম বা কর্মকারক।
👉 আমি কি খাই?
◾ উত্তর হচ্ছে-ভাত।
👉 হাবিব কাকে মেরেছে?
◾ উত্তর হচ্ছে-সোহেলকে।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৩। করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণ বুঝায়।
◼️ যেমন:
👉 নীরা কলম দিয়ে লেখে।
👉 সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।
🔥 এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কীসের দ্বারা’ বা ‘কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই করণ কারক।
👉 নীরা কীসের দ্বারা লেখে?
◾ উত্তর হচ্ছে-কলম ।
👉 কী উপায়ে বা কোন উপায়ে কীর্তিমান হওয়া যায়?
◾ উত্তর হচ্ছে-সাধনায়।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৪। সম্প্রদান কারক: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। স্বত্ব ত্যাগ না করলে কর্মকারক।
◼️ যেমন:
👉 ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।
👉 গুরুজনে কর নতি।
🔥 মনে রাখার উপায় হচ্ছেঃ
কর্মকারকের মত "কাকে" দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
তবে এখানে স্বার্থ থাকবেনা।
◼️ যেমনঃ
👉 মানুষ ভিক্ষারীকে দান করে কোন স্বার্থ ছাড়াই যাকে বলে নি:শর্ত ভাবে।
👉 আবার গুরুজনকে মানুষ সম্মান করে। কোন স্বার্থ ছাড়াই।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৫। অপাদান কারক: হতে, থেকে বুঝালে অপাদান কারক হবে।
◼️ যেমনঃ
👉 গাছ থেকে পাতা পড়ে।
👉 পাপে বিরত হও।
🔥এখাছে কোথা থেকে পাতা পড়ে?
◾ উত্তর হচ্ছে-গাছ ।
👉 কি হতে বিরত হও?
◾ উত্তর হচ্ছে – পাপ ।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
৬। অধিকরণ কারক: ক্রিয়ার সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
◼️ যেমনঃ
👉 আমরা রোজ স্কুলে যাই।
👉 প্রভাতে সূর্য ওঠে।
#Collected
❤156🔥21🤩7🥰3👌1
✔✔গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় যে ভুলগুলো করা যাবেনা❌❌
✅এটা প্রথম কাজ।
পরীক্ষা শুরুর মিনিমাম ১ ঘন্টা আগে তোমাকে পরীক্ষার কেন্দ্রের কাছে অবস্থান করতে হবে।
এটা তোমাকে প্রথম রিলাক্সজেশন দিবে।
এখান থেকে ই খেলা শুরু, নারভাস হওয়া যাবেনা।
তাই রিলাক্সজেশন পেতে অবশ্যই আগে কেন্দ্রে পৌছাবে💪
✅পরীক্ষার হল এমন এক জায়গা,যেখানে নিজের মাইন্ড সেটাপের তাপমাত্রা থাকে ৪০°C😱
এই তাপমাত্রা নিতান্তই মনের তাপমাত্রা।
এটাই তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার অন্যতম কারণ🙄
সহজ কথা,
পরীক্ষার হলে নিজেকে যথেষ্ট ঠান্ডা রাখতে হবে।
এটা করতে পারলে তুমি চান্স পাওয়ার দৌড়ে ১০% এগিয়ে যাবা😲
✅প্রশ্ন হাতে পাওয়ার সাথে সাথে উত্তেজিত বা ভেঙে পরা যাবেন😱😥
একটাই কথা মনে মনে ভাববা চান্স মানেই কিন্তু জীবনের সবকিছু না👍
আবার চান্স না পাইলে ও জীবন শেষ না
👍
তবে এটা মাথায় রাখতে হবে,
তোমার পরীক্ষার হলের ১ ঘন্টা হবে জীবনের সেরা সময়✌
আর সেরা সময় টাকে, সেরা ভাবে ব্যবহার করাই থাকবে তোমাদের মূল লক্ষ্য✌
✅ পরীক্ষা শুরু করার পূর্বে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো
তোমার নিজের রোল,সেট কোড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খুবই সতর্কের সাথে পূরন করা।
এগুলো ভুল করা মানে তোমার রেজাল্ট আসবে না,
তুমি যতই ভালো পরীক্ষা দাও না কেনো।
😥
➡যেই ভুল টা আমি করেছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়,
ফলে আমার রেজাল্ট আসেনি।
এটা সবচেয়ে দুঃখজনক।
তুমি চান্স পাও না পাও সেটা ব্যাপার না,
তবে সবারই আগ্রহ থাকে নিজের ফলাফল টা জানার
তাই পরীক্ষার হলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রোল,সেট কোড এগুলো ভালো করে পূরণ করা🙋
✅এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,
তোমরা অবশ্যই পরীক্ষা শুরু করবা,
যে যেই বিষয়ে সবচেয়ে পারদর্শী💪
কনফিডেন্স লেভেল যেই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো👍
সেটা দিয়ে উত্তর দেওয়া শুরু করা,
কারণ তুমি প্রথম প্রথম ভালো উত্তর করতে পারলে
তোমার মনকে পজিটিভ বানাবে😀
ফলে,পরের প্রশ্নগুলো হার্ড হলেও তোমরা দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবা।
✅এটা তার চেয়ে ও ভয়ংকর গুরুত্বপূর্ণ,,,,
তোমরা অনেকে ই অনেক গুলো প্রশ্ন,
মানে পরপর চারটা - পাঁচটা প্রশ্ন না পারলে একদম ঘাবড়ে যাও।
এটা তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে ৫০% দূরে ঠেলে দিবে
😭
তুমি পারোনা, কোনো সমস্যা নাই।
পরের টা চেষ্টা করো।
ঘাবড়ানো যাবে না।
✅নেগেটিভ 😲
এটা পিছন থেকে টেনে ধরার মতো কাজ করে,
তুৃমি একটু ভালো পারফরম্যান্স করছো,
এমন সময় নেগেটিভ এসে কানে কানে বলবে এতো ভালো করিস কেনো?😁
একটু ভুল কর,,
একটু ভুল কর,,
এটাও চান্স না পাওয়ার মেজর ইম্পরট্যান্ট বিষয়।
তুমি যা পারো তা দাগাও,,
নেগেটিভ খাওয়া যাবে না।
✅কিভাবে শুরু করবে??
প্রথমত তুমি যে বিষয় গুলো ১০০% শিউর ঐগুলো ই দাগাবে কিন্তু। ✔
এভাবে তুমি প্রতিটি বিষয় থেকেই কিন্তু মোট ১০০ টা প্রশ্নের মধ্যে যেগুলো জাস্ট শিউর ঐ গুলো ই দিবা।
তুমি যদি নিয়মিত স্টুডেন্ট হও তাহলে তোমার এইভাবে দাগালে ৪০ টা পারবা শিউর।✔
মানে তোমার কমন পরবে।
তারপর ৫০% শিউর গুলো দাগানো শুরু করবা।🤔
এগুলো দাগানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই অপশন বাদ ❌দেওয়ার ক্রাইটেরিয়া ফলো করবা।
কিছু কিছু অপশন থাকবো যা কখনো উত্তর হবে না,
এটা তুমি ধরতে পারবা।
ঐ অপশন গুলো বাদ দিয়ে তারপর বাকি গুলো নিয়ে চিন্তা করে দিবা।
এভাবে তুমি ২০- ২৫ পারবা।এখান থেকে তোমার মিনিমাম ১৫ টা হবে।💪
বাকিগুলো ভুল যাবে, তাহলে নেগেটিভ আসবে, আসুক সমস্যা নাই।
এই টুকু রিস্ক নিতে হবে,তবে নেগেটিভ তো এখানে বেশি না।
তাই সমস্যা হবে না।এভাবে তোমার ৫২- ৫৩ নম্বর চলে আসবে✌✌✌✌
শেষ পর্যায়ে এসে না পারা প্রতিটা প্রশ্ন দেখবা,
কারণ পরীক্ষার হলে সময়ের সাথে সাথে প্রশ্ন সহজ হয়।
তাই যেগুলো ২০-৩০% পারো এমন ৫-১০ প্রশ্ন থাকবে তুমি ঐ প্রশ্ন গুলোর ক্লু বের করার চেষ্টা করবে।
যদি একটাও শিউর করতে পারো।
এটাই বোনাস, এটাই তোমাকে ভালো সাবজেক্ট ও ভালো বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিবে🔰
তবে আন্দাজে কিন্ত ১০০ টা দাগানো যাবে না😱
তুমি পরীক্ষার হলে গননা করে দেখতে পারো তোমার কয়টা দাগানো হয়েছে।
যখন দেখবা ৬০+ দাগানো হইছে👍
তখন কিন্তু তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখবে সময় আছে মাত্র ১০ মিনিট🥺
পাশের বন্ধু র দিকে তাকিয়ে দেখি সে দাগাইছে ৯০+ 😲
তখন তোমার মাথা নষ্ট হয়ে যাবে🤬
বারবার মন চাইবে
আর ১০ টা দাগা👌 আর ১০ টা দাগাই👌
এটাই কিন্তু তোমাকে বাঁশ দিবে😰
সো পাশের বন্ধু কি করলো সেদিকে তাকানো যাবে না❌
যদি তুমি ৭০+ দাগাতে পারো।
তাহলে ভাই আর দাগাই ও না।
সাস্ট তোমার জন্য অপেক্ষা করতেছে।
তবে নেগেটিভ খাওয়া যাবে না ❌
#collected
✅এটা প্রথম কাজ।
পরীক্ষা শুরুর মিনিমাম ১ ঘন্টা আগে তোমাকে পরীক্ষার কেন্দ্রের কাছে অবস্থান করতে হবে।
এটা তোমাকে প্রথম রিলাক্সজেশন দিবে।
এখান থেকে ই খেলা শুরু, নারভাস হওয়া যাবেনা।
তাই রিলাক্সজেশন পেতে অবশ্যই আগে কেন্দ্রে পৌছাবে💪
✅পরীক্ষার হল এমন এক জায়গা,যেখানে নিজের মাইন্ড সেটাপের তাপমাত্রা থাকে ৪০°C😱
এই তাপমাত্রা নিতান্তই মনের তাপমাত্রা।
এটাই তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার অন্যতম কারণ🙄
সহজ কথা,
পরীক্ষার হলে নিজেকে যথেষ্ট ঠান্ডা রাখতে হবে।
এটা করতে পারলে তুমি চান্স পাওয়ার দৌড়ে ১০% এগিয়ে যাবা😲
✅প্রশ্ন হাতে পাওয়ার সাথে সাথে উত্তেজিত বা ভেঙে পরা যাবেন😱😥
একটাই কথা মনে মনে ভাববা চান্স মানেই কিন্তু জীবনের সবকিছু না👍
আবার চান্স না পাইলে ও জীবন শেষ না
👍
তবে এটা মাথায় রাখতে হবে,
তোমার পরীক্ষার হলের ১ ঘন্টা হবে জীবনের সেরা সময়✌
আর সেরা সময় টাকে, সেরা ভাবে ব্যবহার করাই থাকবে তোমাদের মূল লক্ষ্য✌
✅ পরীক্ষা শুরু করার পূর্বে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো
তোমার নিজের রোল,সেট কোড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খুবই সতর্কের সাথে পূরন করা।
এগুলো ভুল করা মানে তোমার রেজাল্ট আসবে না,
তুমি যতই ভালো পরীক্ষা দাও না কেনো।
😥
➡যেই ভুল টা আমি করেছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়,
ফলে আমার রেজাল্ট আসেনি।
এটা সবচেয়ে দুঃখজনক।
তুমি চান্স পাও না পাও সেটা ব্যাপার না,
তবে সবারই আগ্রহ থাকে নিজের ফলাফল টা জানার
তাই পরীক্ষার হলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রোল,সেট কোড এগুলো ভালো করে পূরণ করা🙋
✅এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,
তোমরা অবশ্যই পরীক্ষা শুরু করবা,
যে যেই বিষয়ে সবচেয়ে পারদর্শী💪
কনফিডেন্স লেভেল যেই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো👍
সেটা দিয়ে উত্তর দেওয়া শুরু করা,
কারণ তুমি প্রথম প্রথম ভালো উত্তর করতে পারলে
তোমার মনকে পজিটিভ বানাবে😀
ফলে,পরের প্রশ্নগুলো হার্ড হলেও তোমরা দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবা।
✅এটা তার চেয়ে ও ভয়ংকর গুরুত্বপূর্ণ,,,,
তোমরা অনেকে ই অনেক গুলো প্রশ্ন,
মানে পরপর চারটা - পাঁচটা প্রশ্ন না পারলে একদম ঘাবড়ে যাও।
এটা তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে ৫০% দূরে ঠেলে দিবে
😭
তুমি পারোনা, কোনো সমস্যা নাই।
পরের টা চেষ্টা করো।
ঘাবড়ানো যাবে না।
✅নেগেটিভ 😲
এটা পিছন থেকে টেনে ধরার মতো কাজ করে,
তুৃমি একটু ভালো পারফরম্যান্স করছো,
এমন সময় নেগেটিভ এসে কানে কানে বলবে এতো ভালো করিস কেনো?😁
একটু ভুল কর,,
একটু ভুল কর,,
এটাও চান্স না পাওয়ার মেজর ইম্পরট্যান্ট বিষয়।
তুমি যা পারো তা দাগাও,,
নেগেটিভ খাওয়া যাবে না।
✅কিভাবে শুরু করবে??
প্রথমত তুমি যে বিষয় গুলো ১০০% শিউর ঐগুলো ই দাগাবে কিন্তু। ✔
এভাবে তুমি প্রতিটি বিষয় থেকেই কিন্তু মোট ১০০ টা প্রশ্নের মধ্যে যেগুলো জাস্ট শিউর ঐ গুলো ই দিবা।
তুমি যদি নিয়মিত স্টুডেন্ট হও তাহলে তোমার এইভাবে দাগালে ৪০ টা পারবা শিউর।✔
মানে তোমার কমন পরবে।
তারপর ৫০% শিউর গুলো দাগানো শুরু করবা।🤔
এগুলো দাগানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই অপশন বাদ ❌দেওয়ার ক্রাইটেরিয়া ফলো করবা।
কিছু কিছু অপশন থাকবো যা কখনো উত্তর হবে না,
এটা তুমি ধরতে পারবা।
ঐ অপশন গুলো বাদ দিয়ে তারপর বাকি গুলো নিয়ে চিন্তা করে দিবা।
এভাবে তুমি ২০- ২৫ পারবা।এখান থেকে তোমার মিনিমাম ১৫ টা হবে।💪
বাকিগুলো ভুল যাবে, তাহলে নেগেটিভ আসবে, আসুক সমস্যা নাই।
এই টুকু রিস্ক নিতে হবে,তবে নেগেটিভ তো এখানে বেশি না।
তাই সমস্যা হবে না।এভাবে তোমার ৫২- ৫৩ নম্বর চলে আসবে✌✌✌✌
শেষ পর্যায়ে এসে না পারা প্রতিটা প্রশ্ন দেখবা,
কারণ পরীক্ষার হলে সময়ের সাথে সাথে প্রশ্ন সহজ হয়।
তাই যেগুলো ২০-৩০% পারো এমন ৫-১০ প্রশ্ন থাকবে তুমি ঐ প্রশ্ন গুলোর ক্লু বের করার চেষ্টা করবে।
যদি একটাও শিউর করতে পারো।
এটাই বোনাস, এটাই তোমাকে ভালো সাবজেক্ট ও ভালো বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিবে🔰
তবে আন্দাজে কিন্ত ১০০ টা দাগানো যাবে না😱
তুমি পরীক্ষার হলে গননা করে দেখতে পারো তোমার কয়টা দাগানো হয়েছে।
যখন দেখবা ৬০+ দাগানো হইছে👍
তখন কিন্তু তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখবে সময় আছে মাত্র ১০ মিনিট🥺
পাশের বন্ধু র দিকে তাকিয়ে দেখি সে দাগাইছে ৯০+ 😲
তখন তোমার মাথা নষ্ট হয়ে যাবে🤬
বারবার মন চাইবে
আর ১০ টা দাগা👌 আর ১০ টা দাগাই👌
এটাই কিন্তু তোমাকে বাঁশ দিবে😰
সো পাশের বন্ধু কি করলো সেদিকে তাকানো যাবে না❌
যদি তুমি ৭০+ দাগাতে পারো।
তাহলে ভাই আর দাগাই ও না।
সাস্ট তোমার জন্য অপেক্ষা করতেছে।
তবে নেগেটিভ খাওয়া যাবে না ❌
#collected
❤141🥰16😢1
➡️সংখ্যায় ধ্বনিতত্ত্ব ⬅️
এইগুলা থেকে একটা প্রশ্ন পাবেই ইনশাআল্লাহ।
▪️বাংলা বর্ণমালার সংখ্যা = ১ টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা = ৫০ (১১+৩৯) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় অসংযুক্ত বর্ণের সংখ্যা = ৫০ টি।
▪️বাংলা ভাষায় মোট ধ্বনির সংখ্যা = ৩৭ (৭+৩০) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ = ১১ টি।
▪️মৌলিক স্বরধ্বনি = ৭ টি ( অ,আ,ই,উ,এ,অ্যা,ও)।
▪️মৌলিক স্বরবর্ণ = ৬ টি (অ,আ,ই,উ,এ,ও)।
▪️স্বতন্ত্র স্বরধ্বনি = ১ টি ( অ্যা)।
▪️যৌগিক স্বরধ্বনি / দ্বিস্বর/ যুগ্মস্বর/ সন্ধিস্বর = ২৫ টি।
▪️যৌগিক স্বরবর্ণ / যৌগিক সরজ্ঞাপক = ২ টি (ঐ,ঔ)।
▪️হ্রস্ব স্বর = ৪ টি ( অ,ই,উ,ঋ)।
▪️দীর্ঘ স্বর = ৭ টি ( আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ)।
▪️অর্ধস্বর = ৪ টি ( ই,উ,এ,ও)।
▪️উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি = ১ টি ( আ)।
▪️সংক্ষিপ্ত স্বর / কার = ১০ টি ( 'অ' বাদে)।
▪️নিলীন বর্ণ = ১ টি ( অ)।
▪️সংক্ষিপ্ত ব্যন্জ্ঞন / ফলা = ৬ টি ( ম,ন,য,র,ব,ল)।
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনবর্ণ = ৩৯ টি
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনধ্বনি = ৩০ টি
▪️বর্গীয় বর্ণ = ২৫ টি ( ক-ম)।
▪️বর্গীয় ধ্বনি = ২৩ টি ( ঞ,ণ বাদে ক-ম)।
▪️নাসিক্য বর্ণ/নাসিক্য ব্যন্জ্ঞন/ অনুনাসিক বর্ণ = ৭ টি ( ঙ,ঞ,ণ,ন,ম,ং,ঁ)।
▪️নাসিক্য ধ্বনি/অনুনাসিক ধ্বনি = ৩ টি ( ঙ,ন,ম)।
▪️ঘৃষ্ঠ ধ্বনি / ঘৃষ্ঠ বর্ণ = ৪ টি ( চ,ছ,জ,ঝ)।
▪️স্পর্শ ব্যন্জ্ঞন / স্পর্শ ধ্বনি / স্পর্শ বর্ণ/ স্পৃষ্ট বর্ণ / স্পষ্ট ধ্বনি = ১৬ টি ( ঘৃষ্ট ধ্বনি বাদে প্রতি বর্গের ১ম ৪ টি)।
▪️পার্শিক ধ্বনি = ১ টি ( ল)।
▪️কম্পিত ধ্বনি / কম্পনজাত বর্ণ = ১ টি ( র)।
▪️তরল বর্ণ = ২ টি, ( র, ল)।
▪️তাড়িত ধ্বনি / তাড়নজাত বর্ণ = ২ টি ( ড়,ঢ়)।
▪️উষ্মবর্ণ = ৪ টি ( শ,স,ষ,হ)।
▪️উষ্মধ্বনি = ৩ টি ( শ,স,হ)।
▪️শিস বর্ণ = ৩ টি ( শ,স,ষ)।
▪️শিস ধ্বনি = ২ টি ( শ,স)।
▪️অন্তঃস্থ বর্ণ = ৪ টি ( য,র,ল,ব)।
▪️অন্তঃস্থ ধ্বনি = ৩ টি ( র,ল,ব)।
▪️অযোগবাহ বর্ণ = ২ টি ( ং,ঃ)।
▪️পরাশ্রয়ী বর্ণ = ৩ টি ( ং,ঃ,ঁ)।
▪️বর্ণাতিরিক্ত চিহ্ন = ২ টি ( হসন্ত, রেফ)।
#Collected
এইগুলা থেকে একটা প্রশ্ন পাবেই ইনশাআল্লাহ।
▪️বাংলা বর্ণমালার সংখ্যা = ১ টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা = ৫০ (১১+৩৯) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় অসংযুক্ত বর্ণের সংখ্যা = ৫০ টি।
▪️বাংলা ভাষায় মোট ধ্বনির সংখ্যা = ৩৭ (৭+৩০) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ = ১১ টি।
▪️মৌলিক স্বরধ্বনি = ৭ টি ( অ,আ,ই,উ,এ,অ্যা,ও)।
▪️মৌলিক স্বরবর্ণ = ৬ টি (অ,আ,ই,উ,এ,ও)।
▪️স্বতন্ত্র স্বরধ্বনি = ১ টি ( অ্যা)।
▪️যৌগিক স্বরধ্বনি / দ্বিস্বর/ যুগ্মস্বর/ সন্ধিস্বর = ২৫ টি।
▪️যৌগিক স্বরবর্ণ / যৌগিক সরজ্ঞাপক = ২ টি (ঐ,ঔ)।
▪️হ্রস্ব স্বর = ৪ টি ( অ,ই,উ,ঋ)।
▪️দীর্ঘ স্বর = ৭ টি ( আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ)।
▪️অর্ধস্বর = ৪ টি ( ই,উ,এ,ও)।
▪️উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি = ১ টি ( আ)।
▪️সংক্ষিপ্ত স্বর / কার = ১০ টি ( 'অ' বাদে)।
▪️নিলীন বর্ণ = ১ টি ( অ)।
▪️সংক্ষিপ্ত ব্যন্জ্ঞন / ফলা = ৬ টি ( ম,ন,য,র,ব,ল)।
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনবর্ণ = ৩৯ টি
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনধ্বনি = ৩০ টি
▪️বর্গীয় বর্ণ = ২৫ টি ( ক-ম)।
▪️বর্গীয় ধ্বনি = ২৩ টি ( ঞ,ণ বাদে ক-ম)।
▪️নাসিক্য বর্ণ/নাসিক্য ব্যন্জ্ঞন/ অনুনাসিক বর্ণ = ৭ টি ( ঙ,ঞ,ণ,ন,ম,ং,ঁ)।
▪️নাসিক্য ধ্বনি/অনুনাসিক ধ্বনি = ৩ টি ( ঙ,ন,ম)।
▪️ঘৃষ্ঠ ধ্বনি / ঘৃষ্ঠ বর্ণ = ৪ টি ( চ,ছ,জ,ঝ)।
▪️স্পর্শ ব্যন্জ্ঞন / স্পর্শ ধ্বনি / স্পর্শ বর্ণ/ স্পৃষ্ট বর্ণ / স্পষ্ট ধ্বনি = ১৬ টি ( ঘৃষ্ট ধ্বনি বাদে প্রতি বর্গের ১ম ৪ টি)।
▪️পার্শিক ধ্বনি = ১ টি ( ল)।
▪️কম্পিত ধ্বনি / কম্পনজাত বর্ণ = ১ টি ( র)।
▪️তরল বর্ণ = ২ টি, ( র, ল)।
▪️তাড়িত ধ্বনি / তাড়নজাত বর্ণ = ২ টি ( ড়,ঢ়)।
▪️উষ্মবর্ণ = ৪ টি ( শ,স,ষ,হ)।
▪️উষ্মধ্বনি = ৩ টি ( শ,স,হ)।
▪️শিস বর্ণ = ৩ টি ( শ,স,ষ)।
▪️শিস ধ্বনি = ২ টি ( শ,স)।
▪️অন্তঃস্থ বর্ণ = ৪ টি ( য,র,ল,ব)।
▪️অন্তঃস্থ ধ্বনি = ৩ টি ( র,ল,ব)।
▪️অযোগবাহ বর্ণ = ২ টি ( ং,ঃ)।
▪️পরাশ্রয়ী বর্ণ = ৩ টি ( ং,ঃ,ঁ)।
▪️বর্ণাতিরিক্ত চিহ্ন = ২ টি ( হসন্ত, রেফ)।
#Collected
❤99🔥13🎉2
গতবছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ ইউনিটে বিভাগ পরিবর্তনসহ সর্বশেষ সাবজেক্ট পেয়েছিল ৪২.৭৫ পেয়ে। নবীনদের বরণ করতে অপেক্ষায় রয়েছে অনেকেরই স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় জবি।
আশা করা যায় ৫০ এর আশেপাশে যারা পাবেন তারা নিশ্চিতভাবেই এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিট নিজের করে নিতে পারেন। যেহেতু ম্যাথ রিলেটেড সাবজেক্টের জন্য আলাদাভাবে ম্যাথ দাগানোসহ অন্যান্য কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে তাই যারা গণিত উত্তর দিয়েছেন তাদের কিছুটা কম নাম্বার পাওয়ার পরও চান্স পাওয়ার এবং ভালো সাবজেক্ট পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
শুভকামনা সকল ভর্তি পিপাসু ভাই ও বোনদের জন্য।
মারুফ ফাহমিদ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
#Collected
আশা করা যায় ৫০ এর আশেপাশে যারা পাবেন তারা নিশ্চিতভাবেই এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিট নিজের করে নিতে পারেন। যেহেতু ম্যাথ রিলেটেড সাবজেক্টের জন্য আলাদাভাবে ম্যাথ দাগানোসহ অন্যান্য কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে তাই যারা গণিত উত্তর দিয়েছেন তাদের কিছুটা কম নাম্বার পাওয়ার পরও চান্স পাওয়ার এবং ভালো সাবজেক্ট পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
শুভকামনা সকল ভর্তি পিপাসু ভাই ও বোনদের জন্য।
মারুফ ফাহমিদ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
#Collected
🥰84❤66😢28🔥4😱2
💥5★ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাংলা বানান
1) ইতিপূর্বে = ইতঃপূর্বে
2) সহযোগীতা = সহযোগিতা
3) শিরচ্ছেদ = শিরশ্ছেদ
4) মনোকস্ট = মনঃকষ্ট
5) অপারাহ্ন = অপরাহ্ণ
6) দূরবস্তা =দুরবস্থা
7) ষ্টেশন =স্টেশন
8) মুহুর্ত = মুহূর্ত
9) উপযোগীতা = উপযোগিতা
10) কল্যান = কল্যাণ
11) জীবীকা =জীবিকা
12) স্বরস্বতী = সরস্বতী
13) গীতাঞ্জলী =গীতাঞ্জলি
14) পিপিলিকা =পিপীলিকা
15) ব্যপ্ত = ব্যাপ্ত
16) মুখস্ত = মুখস্থ
17) সংস্কৃতিক =সাংস্কৃতিক
18) অন্তভুক্ত =অন্তর্ভুক্ত
19) ঐক্যতান = ঐকতান
20) উপরোক্ত = উপর্যুক্ত
21) বিদূষি =বিদুষি
22) ভূবন = ভুবন
23) বিভিষিকা = বিভীষিকা
24) আলচ্যমান = আলোচ্যমান
25) পুরান = পুরাণ
26) ঝরণা = ঝরনা
27) প্রনয়িণী = প্রনয়িনী
28) দৈন্যতা = দৈন্য, দীনতা
29) পুরষ্কার = পুরস্কার
30) স্নেহাশীস = স্নেহাশিস্
31) বয়জেষ্ঠ্য = বয়োজ্যেষ্ঠ
32) দূরাদৃস্ট = দুরাদৃষ্ট
33) কর্মজীবি = কর্মজীবী
34) আকাংখা = আকাংঙ্ক্ষা
35) প্রতিযোগীতা = প্রতিযোগিতা
36) সন্যাসী = সন্ন্যাসী
37) বহিস্কার = বহিষ্কার
38) জগত = জগৎ
39) মনীষি = মনীষী
40) শান্তনা = সান্ত্বনা
41) মন্রীত্ব = মন্ত্রীত্ত্ব
42) বুদ্ধিজীবি = বুদ্ধিজীবী
43) ইতিমধ্যে = ইতোমধ্যে
44) ভৌগলিক= ভৌগোলিক
45) মুমুর্ষু = মুমূর্ষু
46) শ্রদ্ধান্ঞ্জলী = শ্রদ্ধাঞ্জলি
47) উত্তারায়ন = উত্তারায়ণ
48) ঋন = ঋণ
49) সমিচিন. = সমীচীন
50) সম্বর্ধনা = সংবর্ধনা
51) দারিদ্রতা = দরিদ্রতা/দারিদ্র্য
52) সুষ্ঠ = সুষ্ঠু
53) পরিস্কার. = পরিষ্কার
54) কৃজ্জটিকা = কৃজ্ঝটিকা
55) নিশিথিনি = নিশীথিনী
56) আদ্যান্তে = আদ্যন্ত
57) ব্রাক্ষ্মন = ব্রাক্ষ্মণ
58) শুশ্রষা = শুশ্রূষা
59) মরিচিকা = মরীচিকা
60) স্বামীগৃহ = স্বামিগৃহ
61) আইনজীবি = আইনজীবী
62) নুন্যতম = ন্যূনতম
63) ব্যতিত = ব্যতীত
64) প্রানীবিদ্যা = প্রানিবিদ্যা
65) উজ্জল. = উজ্জ্বল
66) লজ্জাষ্কর. = লজ্জাকর
67) তোরন. = তোরণ
68) কার্য্যালয় = কার্যালয়
69) নিরব. = নীরব
70) উচ্ছাস. = উচ্ছ্বাস
71) ভ্রাতাগন = ভ্রাতৃগন
72) বাল্মিকী = বাল্মীকি
73) দোষণীয় = দূষণীয়
74) গ্রামীন. = গ্রামীণ
75) পোষ্টমাষ্টার = পোস্টমাস্টার
76) ভাতুস্পুএ = ভ্রাতুষ্পুত্র
77) নিক্কন = নিক্বণ
78) দ্বন্ধ = দ্বন্দ্ব
79) সম্বাদ = সংবাদ
80) সূচিপত্র =সুচিপত্র
#Collected
1) ইতিপূর্বে = ইতঃপূর্বে
2) সহযোগীতা = সহযোগিতা
3) শিরচ্ছেদ = শিরশ্ছেদ
4) মনোকস্ট = মনঃকষ্ট
5) অপারাহ্ন = অপরাহ্ণ
6) দূরবস্তা =দুরবস্থা
7) ষ্টেশন =স্টেশন
8) মুহুর্ত = মুহূর্ত
9) উপযোগীতা = উপযোগিতা
10) কল্যান = কল্যাণ
11) জীবীকা =জীবিকা
12) স্বরস্বতী = সরস্বতী
13) গীতাঞ্জলী =গীতাঞ্জলি
14) পিপিলিকা =পিপীলিকা
15) ব্যপ্ত = ব্যাপ্ত
16) মুখস্ত = মুখস্থ
17) সংস্কৃতিক =সাংস্কৃতিক
18) অন্তভুক্ত =অন্তর্ভুক্ত
19) ঐক্যতান = ঐকতান
20) উপরোক্ত = উপর্যুক্ত
21) বিদূষি =বিদুষি
22) ভূবন = ভুবন
23) বিভিষিকা = বিভীষিকা
24) আলচ্যমান = আলোচ্যমান
25) পুরান = পুরাণ
26) ঝরণা = ঝরনা
27) প্রনয়িণী = প্রনয়িনী
28) দৈন্যতা = দৈন্য, দীনতা
29) পুরষ্কার = পুরস্কার
30) স্নেহাশীস = স্নেহাশিস্
31) বয়জেষ্ঠ্য = বয়োজ্যেষ্ঠ
32) দূরাদৃস্ট = দুরাদৃষ্ট
33) কর্মজীবি = কর্মজীবী
34) আকাংখা = আকাংঙ্ক্ষা
35) প্রতিযোগীতা = প্রতিযোগিতা
36) সন্যাসী = সন্ন্যাসী
37) বহিস্কার = বহিষ্কার
38) জগত = জগৎ
39) মনীষি = মনীষী
40) শান্তনা = সান্ত্বনা
41) মন্রীত্ব = মন্ত্রীত্ত্ব
42) বুদ্ধিজীবি = বুদ্ধিজীবী
43) ইতিমধ্যে = ইতোমধ্যে
44) ভৌগলিক= ভৌগোলিক
45) মুমুর্ষু = মুমূর্ষু
46) শ্রদ্ধান্ঞ্জলী = শ্রদ্ধাঞ্জলি
47) উত্তারায়ন = উত্তারায়ণ
48) ঋন = ঋণ
49) সমিচিন. = সমীচীন
50) সম্বর্ধনা = সংবর্ধনা
51) দারিদ্রতা = দরিদ্রতা/দারিদ্র্য
52) সুষ্ঠ = সুষ্ঠু
53) পরিস্কার. = পরিষ্কার
54) কৃজ্জটিকা = কৃজ্ঝটিকা
55) নিশিথিনি = নিশীথিনী
56) আদ্যান্তে = আদ্যন্ত
57) ব্রাক্ষ্মন = ব্রাক্ষ্মণ
58) শুশ্রষা = শুশ্রূষা
59) মরিচিকা = মরীচিকা
60) স্বামীগৃহ = স্বামিগৃহ
61) আইনজীবি = আইনজীবী
62) নুন্যতম = ন্যূনতম
63) ব্যতিত = ব্যতীত
64) প্রানীবিদ্যা = প্রানিবিদ্যা
65) উজ্জল. = উজ্জ্বল
66) লজ্জাষ্কর. = লজ্জাকর
67) তোরন. = তোরণ
68) কার্য্যালয় = কার্যালয়
69) নিরব. = নীরব
70) উচ্ছাস. = উচ্ছ্বাস
71) ভ্রাতাগন = ভ্রাতৃগন
72) বাল্মিকী = বাল্মীকি
73) দোষণীয় = দূষণীয়
74) গ্রামীন. = গ্রামীণ
75) পোষ্টমাষ্টার = পোস্টমাস্টার
76) ভাতুস্পুএ = ভ্রাতুষ্পুত্র
77) নিক্কন = নিক্বণ
78) দ্বন্ধ = দ্বন্দ্ব
79) সম্বাদ = সংবাদ
80) সূচিপত্র =সুচিপত্র
#Collected
❤130🔥8🥰6👏6🎉1
Forwarded from PDF Zone
Agri Model Test (Network)@t.pdf
66 MB
Network Agriculture Model Test
(অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশনস)
#Collected
➡️Join PDFZone:https://t.me/confusingQuestions6
(অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশনস)
#Collected
➡️Join PDFZone:https://t.me/confusingQuestions6
👏1
🤣39👏32❤9⚡1🔥1