This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যেখানেই স্বার্থ সেখানেই পার্থ
.
.
চাকরি জীবনের দুই বছরে পা দিয়েছি, ছোট ভাই বড় ভাইদের সাথে দেখা হলেই প্রশ্ন করে দোস্ত, চাকরি করস, ভালোই খাস… কিন্তু ওদের (মানে আমার অন্যান্য চাকরিজীবী বন্ধুদের) মত মোটা হইস না কেন?
আমি তখন একটু হাসি দেই…বলতে ইচ্ছা করে, দোস্ত, মোটা হওয়া আমার কাছে মৃত্যুর সমান।
সত্যি কথা বলতে কি: অতিরিক্ত ভুঁড়ি দেখলে আমার নিজেরই অস্বস্তি লাগে, উল্টা একটু চিন্তাও হয়!
তাই তিন বছর আগে থেকেই একটা ছোট অভ্যাস ধরছি লেবুর রস + পানি সকালবেলা খালি পেটে একবার, আর রাতে খাওয়ার ২০–২৫ মিনিট আগে একবার, অবশ্যই আগে নিয়মিত খেতাম না এখন কিন্তু না খাইলে ভালো লাগে না!
এটা কোনো ডাক্তারি না, কিন্তু নিয়মিত খেলে শরীরটা হালকা লাগে, ভুঁড়ি বাড়তে চাইলেও পারবে না উল্টো
একটু ভয় পাবে!
তাই বন্ধুরা, মোটা হওয়ার আগে একটু ভাবো, আমার মতো লেবুর পানি ট্রাই করো, নইলে একদিন আয়নায় নিজেরেই চিনতে কষ্ট হইতে পারে! শেষমেশ নিজেকে নিজে এআই ভার্সন মনে করবা।
আমি তখন একটু হাসি দেই…বলতে ইচ্ছা করে, দোস্ত, মোটা হওয়া আমার কাছে মৃত্যুর সমান।
সত্যি কথা বলতে কি: অতিরিক্ত ভুঁড়ি দেখলে আমার নিজেরই অস্বস্তি লাগে, উল্টা একটু চিন্তাও হয়!
তাই তিন বছর আগে থেকেই একটা ছোট অভ্যাস ধরছি লেবুর রস + পানি সকালবেলা খালি পেটে একবার, আর রাতে খাওয়ার ২০–২৫ মিনিট আগে একবার, অবশ্যই আগে নিয়মিত খেতাম না এখন কিন্তু না খাইলে ভালো লাগে না!
এটা কোনো ডাক্তারি না, কিন্তু নিয়মিত খেলে শরীরটা হালকা লাগে, ভুঁড়ি বাড়তে চাইলেও পারবে না উল্টো
একটু ভয় পাবে!
তাই বন্ধুরা, মোটা হওয়ার আগে একটু ভাবো, আমার মতো লেবুর পানি ট্রাই করো, নইলে একদিন আয়নায় নিজেরেই চিনতে কষ্ট হইতে পারে! শেষমেশ নিজেকে নিজে এআই ভার্সন মনে করবা।
😱1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ওমা এতো দেখি বরিশাইল্যা মনু 😁
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
• রুকইয়াহ শারইয়্যাহ •
যারা বদনজর, হাসাদ ও বিভিন্ন ধরনের যাদুতে আক্রান্ত, তারা চাইলে শুনতে পারেন ইনশাআল্লাহ।
শুনার আগে করণীয়ঃ
পেট ভরে পানি পান করবেন। তারপর নিয়ত করবেন (হে আল্লাহ আমার শারীরিক-মানসিক সকল অসুস্থতা থেকে আমাকে সুস্থতা দান করেন। আমাকে বদনজর, হাসাদ ও সকল ধরনের যাদু থেকে শিফা দান করুন)।
তারপর রিলেক্স হয়ে বসে চোখ বন্ধ রেখে মনোযোগ দিয়ে শুনবেন ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ পানি পান করা+ নিয়ত করবেন+ রিলেক্স হয়ে বসা+ পুরো সেশন চোখ বন্ধ রাখা।
যারা ইউটিউব থেকে শুনতে চান―
https://youtu.be/SeoZpmQWkEA?si=08OIOWbKA-c9YrBw
যারা বদনজর, হাসাদ ও বিভিন্ন ধরনের যাদুতে আক্রান্ত, তারা চাইলে শুনতে পারেন ইনশাআল্লাহ।
শুনার আগে করণীয়ঃ
পেট ভরে পানি পান করবেন। তারপর নিয়ত করবেন (হে আল্লাহ আমার শারীরিক-মানসিক সকল অসুস্থতা থেকে আমাকে সুস্থতা দান করেন। আমাকে বদনজর, হাসাদ ও সকল ধরনের যাদু থেকে শিফা দান করুন)।
তারপর রিলেক্স হয়ে বসে চোখ বন্ধ রেখে মনোযোগ দিয়ে শুনবেন ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ পানি পান করা+ নিয়ত করবেন+ রিলেক্স হয়ে বসা+ পুরো সেশন চোখ বন্ধ রাখা।
যারা ইউটিউব থেকে শুনতে চান―
https://youtu.be/SeoZpmQWkEA?si=08OIOWbKA-c9YrBw
😭1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর একের পর এক বিভিন্ন শহরেই তৃণমূল কংগ্রেসের বাড়িঘর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ মুসলিমদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সবকিছু জ্বা'লি'য়ে দিয়েছে বিজেপির নেতাকর্মীরা...
😡7
অতি সুন্দর নাদুস নুদুস স্বাস্থ্যবান গরু গুলো কিনবেন না।
এই অসুস্থ গরুর মাংস খেয়ে আপনিও অসুস্থ হবেন।
কোরবানির গরু নাকি এমনি এমনি হিট স্ট্রোক এ মারা যাচ্ছে?
এটা একটা চরম মিথ্যা কথা বলে, একটা বিশাল প্রতারণা কে আড়াল করা হচ্ছে।
সত্যিটা কি?
সত্যি হল - আমাদের সাধারণ কৃষক ও সাধারণ খামারি ভাইয়েরা চরের মধ্যে গরু মহিষ ছেড়ে দেয়। গরু মহিষ সারাদিন রোদের মধ্যে ঘাস খায়। সন্ধ্যায় বাড়িতে নিয়ে যায়। একটা গরুও প্রচন্ড রোদে হিট স্ট্রোকে মারা যায় না। কিন্তু কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা সিজনাল গরুগুলো মরে যাচ্ছে।
কারণ কি?
কারণ হল, ঔষধ খাওয়ার কারনে ফার্মের মুরগীর মত হয়ে যাচ্ছে। ফলে ঔষধের সাইড ইফেক্ট ও উচ্চরক্তচাপ জনিত কারণে ব্রেইন স্ট্রোক এবং হার্ট এট্যাক হয়ে মারা যাচ্ছে।
কোরবানি তে বিক্রির উদ্দেশ্যে ২ মাস আগে থেকে বিশেষ করে রমজান এর সময় ও এর পরে কেনা হয়। এরপর অতিমাত্রায় স্টেরয়েড রুচির ঔষধ খাইয়ে এদেরকে ২-৩ মাসে মোটা তাজা করা হয়। এদের কিডনি লিভার বিকল হয়ে শরীর পানি জমে যায়। এরা সুস্থভাবে হাটতে পারে না।
এদের কে বাঁচিয়ে রাখতে হাটের মধ্যেই ইনজেকশন পুশ করতে হয়। দেরি হলে মারা যায়, তখন বলে হিট স্ট্রোক এ মারা গেছে। এই বছর কোরবানির হাটে প্রচুর গরু মারা যাচ্ছে। অন্যান্য বছর এত গরু মারা যায় নাই। তাহলে বুঝে দেখুন কি পরিমাণ জুলুম করছে, নিরীহ খামারী নামের এই অমানুষগুলো। আজকের এই নিরীহ খামারী, সভ্যতা ধ্বংসের কারিগর। আর এই কারিগরি প্রযুক্তির মূল হোতা হলেন, শায়খ সিরাজ। চিনেন তাকে?
এই সবকিছুর ক্রেডিট ৯০ দশকের বিটিভি এর মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক এবং বর্তমানে চ্যানেল আইতে কৃষি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শায়েখ সিরাজের।
তিনিই গরু মোটা জাতা করণ নিয়ে ফলাও প্রচার করেন।
এই দায় সম্পূর্ণ তার।
শাইখ সিরাজের নাম উল্লেখ করায়, অনেকেই গালাগালি করছেন। এই ঘুনে ধরা সমাজের বাস্তবতা হল, আমরা সত্য মানতে পারি না। সত্য একটু তিতা হয়। কিছু করার নাই।
ছোট বেলায়, শাইখ সিরাজের উপস্থাপিত মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান দেখে অনেক আনন্দ পেতাম, এখন বুঝি, এটা সাময়িক আনন্দ হলেও দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য একটা জাতিকে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত করছে। তিনি সরাসরি নিজে স্টেরয়েড দিতে বলেন নাই। কিন্তু তিনিই ইউরিয়া সারের মাধ্যমে গরু মোটাতাজা করার প্রচার পথিকৃৎ, তারই ধারাবাহিকতায় আজকে স্টেরয়েড ও ফীড দিয়ে যে ব্রয়লার গরু তৈরী হচ্ছে, তিনি হয়ত কখনো ভাবতেই পারেন নাই যে একদিন এমন অবস্থা তৈরী হবে। তাই তিনি সরাসরি যুক্ত না হলেও, আমি ওনাকে পথিকৃৎ হিসেবে দায়ী করি। ওনার উচিত এখন এটার উপরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা।
+++++++++++
২য় পর্ব সংযোজন --
+++++++++
কনফিউশান দূর করতে বাড়তি যোগ করলাম,
আপনারা অনেক জ্ঞানী লোক, পোস্টের সারমর্ম না বুজেই কমেন্ট করছেন। আপনাদের জন্য, যোগ করা হল,
বাজারে ফার্মেসিতে ওরাডেক্সন নামে একটা বড়ি পাওয়া যায়। এর আরেক প্রচলিত নাম গরুর ট্যাবলেট।
এটা গরুকে খাওয়ানো হয়, এর পাশাপাশি আরো কিছু ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি ফিড খাওয়ানো হয়। এরফলে ২-৪ মাসেই একটা গরু কয়েকগুণ সাইজ বেড়ে যায়।
ঠিক যেভাবে একটা ব্রয়লার মুরগী ১ মাসে ২ কেজি ওজন হয়। অথচ দেশি মুরগী ১ মাসে ১০০ গ্রাম ওজন হয়।
যারা ২০০০ বা এর আগে SSC দিয়েছেন, তাদের কৃষিশিক্ষা বইতে গরু ও ছাগলকে ছোলা, ভুট্টা, ভুসি খৈল ইত্যাদি দিয়ে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত দানাদার খাদ্য দিয়ে মোটাতাজা করার নিয়মকানুন দেয়া আছে। আমাদের খামারিগণ এভাবেই পালন করে এসেছিলেন। এছাড়া যাদের হালের গরু, তারাও এভাবে খাইয়ে সারাদিন রোদের মধ্যে হাল চাষ করায়। এতে গরু বা কৃষক কারো সমস্যা হয় না।
কিন্তু ৯০ দশকে সিরাজ সাহেব ফলাও করে প্রচার করতে থাকেন ইউরিয়া সার দিয়ে খড়ের গাজানো পদ্ধতি, যা এদেশে প্রচলন ছিল না।
এই পদ্ধতিতে যখন মোটা তাজা শুরু হল, তখন এই দুষ্ট খামারিদের মধ্যে আরো দ্রুত অল্প সময়ে অল্প খরচে গরুকে মোটা করার আইডিয়া আসল, শুরু হল, ওরাডেক্সন ইনজেকশন পুশ করা ও ট্যাবলেট খাওয়ানো।
এই ট্যাবলেট কোন মানুষ ১ টা খেলে ১ কেজি চালের ভাত খেতে পারবে। এভাবে কিছুদিন পর সে অনেক মোটা হবে ঠিকই কিন্তু ১-২ বছরের মধ্যে ক্যান্সারের রুগী হয়ে মারা যায়। আমার পরিচিত লোক এভাবে মারা গেছে। এছাড়া আমি যেহেতু একজন চিকিৎসক এই বিষয়ে আমার খুব ভালো জানা আছে। বাজারে ফার্মেসিতে আমলকি পুদিনা নামে কিছু রুচির ঔষধ আছে। এগুলোতে একই স্টেরয়েড দেয়া থাকে।
বিশ্বাস না হলে আপনি খেয়ে দেখতে পারেন।
ঠিক একইভাবে, এই গরুকে এই সব রুচি বর্ধক ইনজেকশন আর বড়ি খাওয়ানোর পর সেও কয়েকগুন খাবার খায়, সারাদিন খায় আর মোটা হতে থাকে।
এই গরুর শরীরের মাংসে এই সকল বিষ সঞ্চিত থাকে।
এই অসুস্থ গরুর মাংস খেয়ে আপনিও অসুস্থ হবেন।
কোরবানির গরু নাকি এমনি এমনি হিট স্ট্রোক এ মারা যাচ্ছে?
এটা একটা চরম মিথ্যা কথা বলে, একটা বিশাল প্রতারণা কে আড়াল করা হচ্ছে।
সত্যিটা কি?
সত্যি হল - আমাদের সাধারণ কৃষক ও সাধারণ খামারি ভাইয়েরা চরের মধ্যে গরু মহিষ ছেড়ে দেয়। গরু মহিষ সারাদিন রোদের মধ্যে ঘাস খায়। সন্ধ্যায় বাড়িতে নিয়ে যায়। একটা গরুও প্রচন্ড রোদে হিট স্ট্রোকে মারা যায় না। কিন্তু কোরবানির জন্য মোটাতাজা করা সিজনাল গরুগুলো মরে যাচ্ছে।
কারণ কি?
কারণ হল, ঔষধ খাওয়ার কারনে ফার্মের মুরগীর মত হয়ে যাচ্ছে। ফলে ঔষধের সাইড ইফেক্ট ও উচ্চরক্তচাপ জনিত কারণে ব্রেইন স্ট্রোক এবং হার্ট এট্যাক হয়ে মারা যাচ্ছে।
কোরবানি তে বিক্রির উদ্দেশ্যে ২ মাস আগে থেকে বিশেষ করে রমজান এর সময় ও এর পরে কেনা হয়। এরপর অতিমাত্রায় স্টেরয়েড রুচির ঔষধ খাইয়ে এদেরকে ২-৩ মাসে মোটা তাজা করা হয়। এদের কিডনি লিভার বিকল হয়ে শরীর পানি জমে যায়। এরা সুস্থভাবে হাটতে পারে না।
এদের কে বাঁচিয়ে রাখতে হাটের মধ্যেই ইনজেকশন পুশ করতে হয়। দেরি হলে মারা যায়, তখন বলে হিট স্ট্রোক এ মারা গেছে। এই বছর কোরবানির হাটে প্রচুর গরু মারা যাচ্ছে। অন্যান্য বছর এত গরু মারা যায় নাই। তাহলে বুঝে দেখুন কি পরিমাণ জুলুম করছে, নিরীহ খামারী নামের এই অমানুষগুলো। আজকের এই নিরীহ খামারী, সভ্যতা ধ্বংসের কারিগর। আর এই কারিগরি প্রযুক্তির মূল হোতা হলেন, শায়খ সিরাজ। চিনেন তাকে?
এই সবকিছুর ক্রেডিট ৯০ দশকের বিটিভি এর মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক এবং বর্তমানে চ্যানেল আইতে কৃষি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শায়েখ সিরাজের।
তিনিই গরু মোটা জাতা করণ নিয়ে ফলাও প্রচার করেন।
এই দায় সম্পূর্ণ তার।
শাইখ সিরাজের নাম উল্লেখ করায়, অনেকেই গালাগালি করছেন। এই ঘুনে ধরা সমাজের বাস্তবতা হল, আমরা সত্য মানতে পারি না। সত্য একটু তিতা হয়। কিছু করার নাই।
ছোট বেলায়, শাইখ সিরাজের উপস্থাপিত মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান দেখে অনেক আনন্দ পেতাম, এখন বুঝি, এটা সাময়িক আনন্দ হলেও দীর্ঘকালীন সময়ের জন্য একটা জাতিকে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত করছে। তিনি সরাসরি নিজে স্টেরয়েড দিতে বলেন নাই। কিন্তু তিনিই ইউরিয়া সারের মাধ্যমে গরু মোটাতাজা করার প্রচার পথিকৃৎ, তারই ধারাবাহিকতায় আজকে স্টেরয়েড ও ফীড দিয়ে যে ব্রয়লার গরু তৈরী হচ্ছে, তিনি হয়ত কখনো ভাবতেই পারেন নাই যে একদিন এমন অবস্থা তৈরী হবে। তাই তিনি সরাসরি যুক্ত না হলেও, আমি ওনাকে পথিকৃৎ হিসেবে দায়ী করি। ওনার উচিত এখন এটার উপরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা।
+++++++++++
২য় পর্ব সংযোজন --
+++++++++
কনফিউশান দূর করতে বাড়তি যোগ করলাম,
আপনারা অনেক জ্ঞানী লোক, পোস্টের সারমর্ম না বুজেই কমেন্ট করছেন। আপনাদের জন্য, যোগ করা হল,
বাজারে ফার্মেসিতে ওরাডেক্সন নামে একটা বড়ি পাওয়া যায়। এর আরেক প্রচলিত নাম গরুর ট্যাবলেট।
এটা গরুকে খাওয়ানো হয়, এর পাশাপাশি আরো কিছু ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি ফিড খাওয়ানো হয়। এরফলে ২-৪ মাসেই একটা গরু কয়েকগুণ সাইজ বেড়ে যায়।
ঠিক যেভাবে একটা ব্রয়লার মুরগী ১ মাসে ২ কেজি ওজন হয়। অথচ দেশি মুরগী ১ মাসে ১০০ গ্রাম ওজন হয়।
যারা ২০০০ বা এর আগে SSC দিয়েছেন, তাদের কৃষিশিক্ষা বইতে গরু ও ছাগলকে ছোলা, ভুট্টা, ভুসি খৈল ইত্যাদি দিয়ে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত দানাদার খাদ্য দিয়ে মোটাতাজা করার নিয়মকানুন দেয়া আছে। আমাদের খামারিগণ এভাবেই পালন করে এসেছিলেন। এছাড়া যাদের হালের গরু, তারাও এভাবে খাইয়ে সারাদিন রোদের মধ্যে হাল চাষ করায়। এতে গরু বা কৃষক কারো সমস্যা হয় না।
কিন্তু ৯০ দশকে সিরাজ সাহেব ফলাও করে প্রচার করতে থাকেন ইউরিয়া সার দিয়ে খড়ের গাজানো পদ্ধতি, যা এদেশে প্রচলন ছিল না।
এই পদ্ধতিতে যখন মোটা তাজা শুরু হল, তখন এই দুষ্ট খামারিদের মধ্যে আরো দ্রুত অল্প সময়ে অল্প খরচে গরুকে মোটা করার আইডিয়া আসল, শুরু হল, ওরাডেক্সন ইনজেকশন পুশ করা ও ট্যাবলেট খাওয়ানো।
এই ট্যাবলেট কোন মানুষ ১ টা খেলে ১ কেজি চালের ভাত খেতে পারবে। এভাবে কিছুদিন পর সে অনেক মোটা হবে ঠিকই কিন্তু ১-২ বছরের মধ্যে ক্যান্সারের রুগী হয়ে মারা যায়। আমার পরিচিত লোক এভাবে মারা গেছে। এছাড়া আমি যেহেতু একজন চিকিৎসক এই বিষয়ে আমার খুব ভালো জানা আছে। বাজারে ফার্মেসিতে আমলকি পুদিনা নামে কিছু রুচির ঔষধ আছে। এগুলোতে একই স্টেরয়েড দেয়া থাকে।
বিশ্বাস না হলে আপনি খেয়ে দেখতে পারেন।
ঠিক একইভাবে, এই গরুকে এই সব রুচি বর্ধক ইনজেকশন আর বড়ি খাওয়ানোর পর সেও কয়েকগুন খাবার খায়, সারাদিন খায় আর মোটা হতে থাকে।
এই গরুর শরীরের মাংসে এই সকল বিষ সঞ্চিত থাকে।
এই মাংস আপনি খেলে এটা আপনার দেহে এই বিষক্রিয়া ঘটবে।
এখানে গরু ব্যবসার সাথে জড়িত অনেকেই আমাকে এসে গালি দিবেন। এটাই স্বাভাবিক। কারণ আমি তাদের জাংগিয়া খুলে দিচ্ছি। আমি অবাক হচ্ছি, চিকিৎসক নামের কেউ কেউ নেগেটিভ কমেন্ট করছেন, এরা কতটা বিবেকহীন হতে পারে ভাবা যায়।
আমাকে গালি দিয়ে লাভ নাই, দিন শেষে এই মাংস খেয়ে আপনি আপনার আত্মীয় স্বজন এখন কমবেশি সবাই কিডনি আর লিভারের রোগী।
কেউ কেউ বলছেন, বড়গরু গরম বেশি।
আমি বলব, আপনার মাথায় গোবর বেশি। মেডিসিন রিয়াকশন সম্পর্কে আপনার ধারনা নাই।
আপনার যুক্তি অনুযায়ী সাইজ ফ্যাক্ট হলে, হাতি তাহলে এসি ঘর ছাড়া মারা যেত।
আমার এলাকায় বেশ কয়েকটি খামার আছে। তাদের দুধে ঔষধের গন্ধ। এই দুধ আপনার বাচ্চা খাচ্ছে। এইসব ঔষধ যুক্ত গরুর দুধ, গরুর মাংস, ব্রয়লার খেয়ে, আপনার বাচ্চা অল্প বয়সে মোটা হয়ে যাচ্ছে, অল্প বয়সে মাসিক শুরু, জরায়ূ টিউমার, অল্প বয়সে দাড়ি গোঁফ হচ্ছে।
চারদিকে ক্যান্সার, লিভার, কিডনি, টিউমার এর রোগীর ছড়াছড়ি।
কখনো ভেবে দেখেছেন, আগে এত অসুস্থতা ছিল না? দেখেন নি। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি যখন এনালাইস করছি, আমি কষ্ট পাচ্ছি। আর আপনারাই এসে গালি দিচ্ছেন, বাংগির পুতেরা।
ব্যবসা কার হচ্ছে? জানেন?
ফার্মেসি কোম্পানির।
তারা প্রথমে গরুর ঔষধ বিক্রি করছে, লোভী খামারীর কাছে। এরপর এই মাংস খেয়ে যখন আপনি অসুস্থ হচ্ছেন, তখন আবার আপনি ঔষধ কিনে খাচ্ছেন।
দুই দিকে ব্যবসা।
এইসব কোটিপতি ঔষধ কোম্পানির কেউ এইসব গরু খায় না। তারা নিজেরা গরু পালন করে অর্গানিক মাংস খায়। এদের পরিবার সব বিদেশে থাকে তাজা অর্গানিক খাবার খায়।
আপনার আর আমার অপরাধ, এই জুলুমের দেশে জন্ম নিয়েছি, চলে যেতে পারছি না।
আমি ২০০০ সালে SSC দিয়েছি। তাই আমার পরে SSC দিয়ে থাকলে, আপনি এই পোস্টে নেগেটিভ কমেন্ট করবেন না। কারণ আপনি বাস্তবতা জানেন না।
পোস্টের সমর্থনে কমেন্ট করবেন। আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।
+++++++++
৩য় সংযোজন
++++++++++
এবার আসেন নাটের গুরুদের নিয়ে একটু জেনে নিই।
আপনি যখন কোন চিকিৎসক এর কাছে যাচ্ছেন, সে।আপনাকে আর্টিফিশিয়াল ভিটামিন ক্যালশিয়াম এর পরামর্শ দিচ্ছে।
কোলস্টেরল বেড়ে গেলে, রোদ পোহান এর কথা না বলে ঔষধ ধরিয়ে দিচ্ছে।
ঠিক একই ভাবে, এই গরুর খামারি যখন ভেটেনারি ঔষধ এর দোকানে যাচ্ছেন বা ভেটেনারি চিকিৎসক দেখাচ্ছেন, তারাই এইসব বিষ খামারির হাতে তুলে দিচ্ছেন।
ভেটেনারি চিকিৎসক পরামর্শ দিচ্ছেন।
বিক্রেতা বিক্রি করছেন।
কোম্পানিগুলো উৎপাদন করছেন।
সবাই যার যার ব্যবসায়ী চিন্তায় ব্যস্ত।
এরা সবাই, কেউ না কেউ আমাদের কোন না কোন আত্মীয় স্বজন।
এইগুলো সাপ্লাই না থাকলে খামারি গরুকে খাওয়াতে পারত না।
মাছ ওয়ালা মাছে ফিড খাওয়ায়। সে মাছ না খেয়ে গরু খায়। গরু ওয়ালা গরুকে ফিড খাওয়ায় সে গরু না খেয়ে মাছ খায়।
আসলে দুইজনেই দুইজনকে বিষ খাওয়াচ্ছে। সবাই আবার পাক্কা নামাযী, মুনাজাতে জান্নাত চায়।
ছবির গরুটির মত।বাংলাদেশের মানুষের আয়ু কমে অকাল মৃত্যু হচ্ছে।
এভাবেই, আমরা একে অপরকে হত্যা করছি। সমগ্র জাতি লিভার কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত।
কারণ, আমাদের বিবেক আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত।
এখানে গরু ব্যবসার সাথে জড়িত অনেকেই আমাকে এসে গালি দিবেন। এটাই স্বাভাবিক। কারণ আমি তাদের জাংগিয়া খুলে দিচ্ছি। আমি অবাক হচ্ছি, চিকিৎসক নামের কেউ কেউ নেগেটিভ কমেন্ট করছেন, এরা কতটা বিবেকহীন হতে পারে ভাবা যায়।
আমাকে গালি দিয়ে লাভ নাই, দিন শেষে এই মাংস খেয়ে আপনি আপনার আত্মীয় স্বজন এখন কমবেশি সবাই কিডনি আর লিভারের রোগী।
কেউ কেউ বলছেন, বড়গরু গরম বেশি।
আমি বলব, আপনার মাথায় গোবর বেশি। মেডিসিন রিয়াকশন সম্পর্কে আপনার ধারনা নাই।
আপনার যুক্তি অনুযায়ী সাইজ ফ্যাক্ট হলে, হাতি তাহলে এসি ঘর ছাড়া মারা যেত।
আমার এলাকায় বেশ কয়েকটি খামার আছে। তাদের দুধে ঔষধের গন্ধ। এই দুধ আপনার বাচ্চা খাচ্ছে। এইসব ঔষধ যুক্ত গরুর দুধ, গরুর মাংস, ব্রয়লার খেয়ে, আপনার বাচ্চা অল্প বয়সে মোটা হয়ে যাচ্ছে, অল্প বয়সে মাসিক শুরু, জরায়ূ টিউমার, অল্প বয়সে দাড়ি গোঁফ হচ্ছে।
চারদিকে ক্যান্সার, লিভার, কিডনি, টিউমার এর রোগীর ছড়াছড়ি।
কখনো ভেবে দেখেছেন, আগে এত অসুস্থতা ছিল না? দেখেন নি। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি যখন এনালাইস করছি, আমি কষ্ট পাচ্ছি। আর আপনারাই এসে গালি দিচ্ছেন, বাংগির পুতেরা।
ব্যবসা কার হচ্ছে? জানেন?
ফার্মেসি কোম্পানির।
তারা প্রথমে গরুর ঔষধ বিক্রি করছে, লোভী খামারীর কাছে। এরপর এই মাংস খেয়ে যখন আপনি অসুস্থ হচ্ছেন, তখন আবার আপনি ঔষধ কিনে খাচ্ছেন।
দুই দিকে ব্যবসা।
এইসব কোটিপতি ঔষধ কোম্পানির কেউ এইসব গরু খায় না। তারা নিজেরা গরু পালন করে অর্গানিক মাংস খায়। এদের পরিবার সব বিদেশে থাকে তাজা অর্গানিক খাবার খায়।
আপনার আর আমার অপরাধ, এই জুলুমের দেশে জন্ম নিয়েছি, চলে যেতে পারছি না।
আমি ২০০০ সালে SSC দিয়েছি। তাই আমার পরে SSC দিয়ে থাকলে, আপনি এই পোস্টে নেগেটিভ কমেন্ট করবেন না। কারণ আপনি বাস্তবতা জানেন না।
পোস্টের সমর্থনে কমেন্ট করবেন। আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।
+++++++++
৩য় সংযোজন
++++++++++
এবার আসেন নাটের গুরুদের নিয়ে একটু জেনে নিই।
আপনি যখন কোন চিকিৎসক এর কাছে যাচ্ছেন, সে।আপনাকে আর্টিফিশিয়াল ভিটামিন ক্যালশিয়াম এর পরামর্শ দিচ্ছে।
কোলস্টেরল বেড়ে গেলে, রোদ পোহান এর কথা না বলে ঔষধ ধরিয়ে দিচ্ছে।
ঠিক একই ভাবে, এই গরুর খামারি যখন ভেটেনারি ঔষধ এর দোকানে যাচ্ছেন বা ভেটেনারি চিকিৎসক দেখাচ্ছেন, তারাই এইসব বিষ খামারির হাতে তুলে দিচ্ছেন।
ভেটেনারি চিকিৎসক পরামর্শ দিচ্ছেন।
বিক্রেতা বিক্রি করছেন।
কোম্পানিগুলো উৎপাদন করছেন।
সবাই যার যার ব্যবসায়ী চিন্তায় ব্যস্ত।
এরা সবাই, কেউ না কেউ আমাদের কোন না কোন আত্মীয় স্বজন।
এইগুলো সাপ্লাই না থাকলে খামারি গরুকে খাওয়াতে পারত না।
মাছ ওয়ালা মাছে ফিড খাওয়ায়। সে মাছ না খেয়ে গরু খায়। গরু ওয়ালা গরুকে ফিড খাওয়ায় সে গরু না খেয়ে মাছ খায়।
আসলে দুইজনেই দুইজনকে বিষ খাওয়াচ্ছে। সবাই আবার পাক্কা নামাযী, মুনাজাতে জান্নাত চায়।
ছবির গরুটির মত।বাংলাদেশের মানুষের আয়ু কমে অকাল মৃত্যু হচ্ছে।
এভাবেই, আমরা একে অপরকে হত্যা করছি। সমগ্র জাতি লিভার কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত।
কারণ, আমাদের বিবেক আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
-মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প' নিয়ে বিশ্বরাজনীতিতে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফল! 😎
-বাণীতে ৭১নং সহ সভাপতি। 😁
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফল! 😎
-বাণীতে ৭১নং সহ সভাপতি। 😁
🤡4
ইহুদিরা যেভাবে মুসলমানদের মনিটরিং করে & ধ্বংস করে....
গুগল প্লে-স্টোরে "পবিত্র কুরআল অফলাইন পড়া" নামের একটা এপ্লিকেশন ডাউনলোড হয়েছে ৫০ লাখ বার!!! স্বাভাবিকভাবেই "কুরআন শরীফ" এ্যাপ্স দেখলেই আমরা ডাউনলোড করবো বা চিন্তাও করবোনা যে কেও এই এ্যাপ্স দিয়ে আমাদের ডেটা চুরি করতে পারে!!
কিছুদিন আগেই খামেনীকে হত্যা করার সময়, একটা কথা ভাসছিলো যে ই*স*রালের তৈরী কোনো এক সফটওয়্যার ডাউনলোড ছিলো সেটা দিয়েই লোকেশন ট্র্যাক করেছে!!
এইযে দেখেন, কি সুনিপুণ উপায়ে তেল-আবীবের কোম্পানি, কুরআন অফলাইন এ্যাপ্স বানিয়ে, মানুষের ডেটা নিচ্ছে। এর বাইরেও, এই এ্যাপসে থাকা কুরআন শরীফে যে ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা আয়াত নেই, এর-ই বা কি নিশ্চয়তা আছে!!!
অনলাইনে ধর্মীয় বা সেন্সিটিভ যেকোনো এ্যাপস, ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে নিয়েন!! নতুবা, ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করেই শত্রুরা ক্ষতি করবে আপনার-আমার অজান্তেই!!
গুগল প্লে-স্টোরে "পবিত্র কুরআল অফলাইন পড়া" নামের একটা এপ্লিকেশন ডাউনলোড হয়েছে ৫০ লাখ বার!!! স্বাভাবিকভাবেই "কুরআন শরীফ" এ্যাপ্স দেখলেই আমরা ডাউনলোড করবো বা চিন্তাও করবোনা যে কেও এই এ্যাপ্স দিয়ে আমাদের ডেটা চুরি করতে পারে!!
কিছুদিন আগেই খামেনীকে হত্যা করার সময়, একটা কথা ভাসছিলো যে ই*স*রালের তৈরী কোনো এক সফটওয়্যার ডাউনলোড ছিলো সেটা দিয়েই লোকেশন ট্র্যাক করেছে!!
এইযে দেখেন, কি সুনিপুণ উপায়ে তেল-আবীবের কোম্পানি, কুরআন অফলাইন এ্যাপ্স বানিয়ে, মানুষের ডেটা নিচ্ছে। এর বাইরেও, এই এ্যাপসে থাকা কুরআন শরীফে যে ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা আয়াত নেই, এর-ই বা কি নিশ্চয়তা আছে!!!
অনলাইনে ধর্মীয় বা সেন্সিটিভ যেকোনো এ্যাপস, ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে নিয়েন!! নতুবা, ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করেই শত্রুরা ক্ষতি করবে আপনার-আমার অজান্তেই!!
😱1