বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
IMF এ সংবিধান চলে না, IMF এ চলে সংস্কার
আইএমএফ এর এই ধাক্কা সরকার সামলাতে পারতো কিন্তু তার অতিবুদ্ধির কারণে আজ সে লোন না পেয়ে আরও কঠিন অবস্থায় পড়বে। প্রধানমন্ত্রী সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছেন। সে এমন একটা দেশ পেয়েছেন যেখানে তার কাধে ঋণের আছে দায় আছে লাখ লাখ কোটি টাকা।
কিন্তু সে যেখানে চলবে কৌশলে কিন্তু সে তা না করে পছন্দ করেছে অন্যপন্থা। সে বাংলাদেশ ব্যাংকে হাত দিয়েছে। তারপর সেখান থেকে মব করে গভর্নর পরিবর্তন করে ফেলেছে। সে ভাবেও নাই এর প্রভাব আসলেই কি হতে যাচ্ছে। আইএমএফ এর এই লোনের বেশীরভাগ শর্ত ই মূলত দেখবাল করে, অনেক জায়গায় সংস্কার করে সেসময়কার গভর্নর এটা ট্যাকেল দিয়ে সব স্বাভাবিক অবস্থায় এনেছিলেন। আর এখন লেগেছে ক্যাচাল।
বিএনপির সামনে দুইটা পথ ১. পাবলিক সেন্টিমেন্ট ২. লোন। সবকিছুর দাম যদি বেড়ে যায় বিএনপির বিরুদ্ধে সবাই ক্ষেপে গিয়ে মাঠে নামবে। মানুষ আইএমএফ বুঝেনা, সে বুঝে তার চালের দাম কত, ডালের দাম কত, তেলের দাম কত ইত্যাদি। বিরোধীদল এটাকেই রাজনৈতিক আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে যাবে। বিএনপি সংস্কারগুলো মাঝপথে বন্ধ না করে ধীরে ধীরে যদি এগিয়ে যেত তাহলে এই চিপায় আজ তাকে পড়তে হতোনা। সে এটা করলে আজ হুট করে তাকে আর দাম বাড়াতে হতো। এখন সে ঠিকই সংস্কার করবে এই ঋণের জন্য কিন্তু যখন হুট করে একসঙ্গে দাম বাড়াবে তখন সে আরও চিপায় পড়ে যাবে কারণ সব জিনিস একসঙ্গে করতে গিয়ে সবার চোখে পড়বে এটা। স্বাভাবিক কিস্তির বাহিরেও সরকার ১০০ কোটি ডলার বেশী চেয়েছে কারণ টাকা আসলেই সরকারের কাছে সেই অর্থে নেই। সে বাড়তি টাকা তো দুরের কথা বরং চলমান কিস্তি ই পাচ্ছেনা!!!
সব ধরনের কর-ছাড় সুবিধা বাতিল করে ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ জ্বালানিতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নিম্ন আয়ের মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা ইত্যাদি বিষয়ে দ্রুত দৃশ্যমান সংস্কারের অগ্রগতি না হলে পরবর্তী কিস্তিও জুন মাসে ছাড় করা হবে না। কথায় আছে সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয়না। একজনকে সরিয়ে আরেকজনকে বসিয়ে দিলেই সবকিছু নিজের হয়ে যায় না। বরং নতুন জন এসে আরও বেশী সংকট তৈরি করে। একদম হাতেনাতে প্রমাণ পেলো বিএনপি।
কিন্তু সে যেখানে চলবে কৌশলে কিন্তু সে তা না করে পছন্দ করেছে অন্যপন্থা। সে বাংলাদেশ ব্যাংকে হাত দিয়েছে। তারপর সেখান থেকে মব করে গভর্নর পরিবর্তন করে ফেলেছে। সে ভাবেও নাই এর প্রভাব আসলেই কি হতে যাচ্ছে। আইএমএফ এর এই লোনের বেশীরভাগ শর্ত ই মূলত দেখবাল করে, অনেক জায়গায় সংস্কার করে সেসময়কার গভর্নর এটা ট্যাকেল দিয়ে সব স্বাভাবিক অবস্থায় এনেছিলেন। আর এখন লেগেছে ক্যাচাল।
বিএনপির সামনে দুইটা পথ ১. পাবলিক সেন্টিমেন্ট ২. লোন। সবকিছুর দাম যদি বেড়ে যায় বিএনপির বিরুদ্ধে সবাই ক্ষেপে গিয়ে মাঠে নামবে। মানুষ আইএমএফ বুঝেনা, সে বুঝে তার চালের দাম কত, ডালের দাম কত, তেলের দাম কত ইত্যাদি। বিরোধীদল এটাকেই রাজনৈতিক আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে যাবে। বিএনপি সংস্কারগুলো মাঝপথে বন্ধ না করে ধীরে ধীরে যদি এগিয়ে যেত তাহলে এই চিপায় আজ তাকে পড়তে হতোনা। সে এটা করলে আজ হুট করে তাকে আর দাম বাড়াতে হতো। এখন সে ঠিকই সংস্কার করবে এই ঋণের জন্য কিন্তু যখন হুট করে একসঙ্গে দাম বাড়াবে তখন সে আরও চিপায় পড়ে যাবে কারণ সব জিনিস একসঙ্গে করতে গিয়ে সবার চোখে পড়বে এটা। স্বাভাবিক কিস্তির বাহিরেও সরকার ১০০ কোটি ডলার বেশী চেয়েছে কারণ টাকা আসলেই সরকারের কাছে সেই অর্থে নেই। সে বাড়তি টাকা তো দুরের কথা বরং চলমান কিস্তি ই পাচ্ছেনা!!!
সব ধরনের কর-ছাড় সুবিধা বাতিল করে ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ জ্বালানিতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নিম্ন আয়ের মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা ইত্যাদি বিষয়ে দ্রুত দৃশ্যমান সংস্কারের অগ্রগতি না হলে পরবর্তী কিস্তিও জুন মাসে ছাড় করা হবে না। কথায় আছে সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয়না। একজনকে সরিয়ে আরেকজনকে বসিয়ে দিলেই সবকিছু নিজের হয়ে যায় না। বরং নতুন জন এসে আরও বেশী সংকট তৈরি করে। একদম হাতেনাতে প্রমাণ পেলো বিএনপি।
❤22
পুলিশি পাহারায় রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে বাড়িঘরে জু'তা নিক্ষেপ করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। সাথে উল্টাপাল্টা স্লোগান আর গা'লাগালি। সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাই এইটা কি মব না?
নাকি তারেক রহমানকে নিয়ে কেউ কিছু বললে তার আর নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার থাকে না? তার বাড়িঘরে আ'ক্রমণ করা বৈধ হয়ে যায়??
হ্যাঁ, উনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে তা অবশ্যই রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। এজন্য আপনারা তাকে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানাতে পারতেন। আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারতেন। কিন্তু তাই বলে তার বাড়িঘরে আ'ক্রমণ কেন!
- AB Zubair
নাকি তারেক রহমানকে নিয়ে কেউ কিছু বললে তার আর নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার থাকে না? তার বাড়িঘরে আ'ক্রমণ করা বৈধ হয়ে যায়??
হ্যাঁ, উনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে তা অবশ্যই রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। এজন্য আপনারা তাকে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানাতে পারতেন। আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারতেন। কিন্তু তাই বলে তার বাড়িঘরে আ'ক্রমণ কেন!
- AB Zubair
🤬29❤10
ফেসবুক পোস্টে "চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু" এই কমেন্ট করায় নুরুকে ছোট করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে ছোট করা হয়েছে বলে দলবল নিয়ে জবাবদিহি করতে আসছে এমন একটা মজার ঘটনা দেখলাম। এই বিষয়টা দেখলাম প্রত্যেকটা দলের কর্মীদের মধ্যেই আছে।
দলীয় প্রধানদের সমালোচনা করলে সর্বদলীয় চাটুকার বাহিনীর নিতে না পারার যে একটা ট্রেন্ড, "আবেগের জায়গায় আঘাত" বলে হামলে পড়তে চায় যে সকল চাটুকার বাহিনী, তাদের এই আবেগ ভরে নিয়মিত মুত্র বিসর্জন করার ট্রেন্ড চালু করতে হবে। রাজনীতি করবে, গণতন্ত্রের কথা বলবে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ টলারেন্স দেখাইতে শিখবেনা।
দলীয় প্রধানদের সমালোচনা করলে সর্বদলীয় চাটুকার বাহিনীর নিতে না পারার যে একটা ট্রেন্ড, "আবেগের জায়গায় আঘাত" বলে হামলে পড়তে চায় যে সকল চাটুকার বাহিনী, তাদের এই আবেগ ভরে নিয়মিত মুত্র বিসর্জন করার ট্রেন্ড চালু করতে হবে। রাজনীতি করবে, গণতন্ত্রের কথা বলবে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ টলারেন্স দেখাইতে শিখবেনা।
❤17
Forwarded from বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣
😁45
যতই আমি বিএনপির পক্ষ করিনা কেন কারেন্ট না থাকলে আমার প্রিয় নেতাকে ছেড়ে কথা বলবোনা।
কারেন্ট ছাড়া অন্ধকারে গরমে থাকলে মাথা ঠিক থাকেনা। তখন নেতা আর দলের সম্মান আর মাথায় থাকেনা।
কারেন্ট এর এই অবস্থা বহাল থাকলে বিএনপি চুদি।
- owner
কারেন্ট ছাড়া অন্ধকারে গরমে থাকলে মাথা ঠিক থাকেনা। তখন নেতা আর দলের সম্মান আর মাথায় থাকেনা।
কারেন্ট এর এই অবস্থা বহাল থাকলে বিএনপি চুদি।
- owner
👍24🔥1
এই দেশে মানুষ নিরাপদ নয়। ঘরের বউ,ছোট মেয়ে কেউ নিরাপদ নয়।
চারদিকে এত এত ধর্ষণের খবর তাও কোনো বিচার নেই। গতকাল এক স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে জোরপূর্বক মাস্তানরা তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করলো।মানুষ বউ নিয়ে রাস্তায় বের ও হতে পারবেনা এই দেশে।
এরকম ঘটনা অহরহ ঘটতেছে। সরকারের কোনো নজর নেই সেদিকে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে এই সন্ত্রাসী গুলোর বাপ দাদা নেতাখেতার আত্নীয় হবে।
চারদিকে এত এত ধর্ষণের খবর তাও কোনো বিচার নেই। গতকাল এক স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে জোরপূর্বক মাস্তানরা তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করলো।মানুষ বউ নিয়ে রাস্তায় বের ও হতে পারবেনা এই দেশে।
এরকম ঘটনা অহরহ ঘটতেছে। সরকারের কোনো নজর নেই সেদিকে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে এই সন্ত্রাসী গুলোর বাপ দাদা নেতাখেতার আত্নীয় হবে।
😭27🤬8
তেল সংকটের কথা সরকার এতোদিন স্বীকার করে নাই।
২ মাসের জ্বালানি নাকি মজুত আছে।
থাকলে দাম বাড়ানো হলো কেন?
সরকারের কম টাকায় কেনা ২ মাসের জ্বালানি এখন জনগণ কেন বেশি টাকা দিয়ে কিনবে?
না হলে এতোদিন বড়ো বড়ো লেকচার দিয়েছে কেন?
জনগণকে বিভ্রান্তির মধ্যে কেন রেখেছে?
২ মাসের জ্বালানি নাকি মজুত আছে।
থাকলে দাম বাড়ানো হলো কেন?
সরকারের কম টাকায় কেনা ২ মাসের জ্বালানি এখন জনগণ কেন বেশি টাকা দিয়ে কিনবে?
না হলে এতোদিন বড়ো বড়ো লেকচার দিয়েছে কেন?
জনগণকে বিভ্রান্তির মধ্যে কেন রেখেছে?
❤17🤬10
দুই মাসেই সরকারের উপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে"
আলহামদুলিল্লাহ 🙂
আলহামদুলিল্লাহ 🙂
🖕39😁11
আসছে প্রবাসী কার্ড...
নতুন আরেক কার্ড পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিকরা।
নতুন আরেক কার্ড পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিকরা।
😁33
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা!
🤬33
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা!
মাত্র এক মাসে দুইবারের মত গ্যাসের দাম বাড়াইয়া দিসে।
একটা সিলিন্ডার কিনতে এখন লাগবে ২ হাজার টাকার কাছাকাছি।
মজুত থাকার পরেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করলো মালিকরা, দাম বাড়াইয়া দেওয়া হলো তেলের।
এখন আজ সন্ধ্যায় বাস মালিক আর লঞ্চ মাকিকরা বসবে এক সাথে
শুনলাম বাস ভাড়া আর লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর আয়োজন সম্পন্ন হয়ে গেছে।
বিদ্যুতের দামও বাড়বে
বাড়বে না শুধু আমার আপনার জীবন আর জীবিকার দাম।
মাস শেষে আপনার চাপ আরেকটু বাড়বে, খাবারের পাত থেকে মাংসের টুকরাটা কমবে, আমার আপনার ছেলে মেয়ের ডিম আর দুধের বাজেট কমবে।
পছন্দের বইটা হয়তো বাদ দিতে হবে, পছন্দের ট্যুরটা হয়তো কাট করে ফেলতে হবে।
বাট আমার আপনার পছন্দের বই, ডিম আর দুধের বদলে ওদের ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করবে ইউরোপে।
আমাদের ছেলে মেয়েরা কারেন্ট না থাকার জন্য রাতে ঘুমাতে পারবে না।
আর ওদের ছেলে মেয়েরা আমাদের এই না হওয়া ঘুম চুরি করবে, আমাদের স্বপ্ন চুরি করবে তেলের দামে।
আমাদের বাবাদের হাইপারটেনশন বাড়বে, আমরা ছেলেরা তেলের আর গ্যাসের দামের ঘানি টানতে টানতে আরেকটা আমাদের বাবাতে পরিণত হব।
আর ওরা বড় বড় কথা বলে আরাম করে আমাদের শাসন করবে।
আমাদের প্রেশার আর হার্টের রোগের বিনিময়ে ওদের সাম্রাজ্যে জমা হবে একেকটা ইট।
নির্বাচনের আগে ব্যবসায়ীরা কেন কোটি কোটি টাকা ঢালে, এবার বুঝেছেন তো?
রাজনীতির নামে এরা আমার আপনার রক্ত, আপনার ঘাম, আমার আর আপনার স্বপ্ন বিক্রি করে দেয়, কোটি কোটি ছেলে মেয়ের পাতের একটু ডিম, এক গ্লাস দুধ এরা বিক্রি করে দেয় তেল আর পরিবহন মালিকদের কাছে।
এসবকেই মূলত আমরা রাজনীতি বলে জানি।
একটা সিলিন্ডার কিনতে এখন লাগবে ২ হাজার টাকার কাছাকাছি।
মজুত থাকার পরেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করলো মালিকরা, দাম বাড়াইয়া দেওয়া হলো তেলের।
এখন আজ সন্ধ্যায় বাস মালিক আর লঞ্চ মাকিকরা বসবে এক সাথে
শুনলাম বাস ভাড়া আর লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর আয়োজন সম্পন্ন হয়ে গেছে।
বিদ্যুতের দামও বাড়বে
বাড়বে না শুধু আমার আপনার জীবন আর জীবিকার দাম।
মাস শেষে আপনার চাপ আরেকটু বাড়বে, খাবারের পাত থেকে মাংসের টুকরাটা কমবে, আমার আপনার ছেলে মেয়ের ডিম আর দুধের বাজেট কমবে।
পছন্দের বইটা হয়তো বাদ দিতে হবে, পছন্দের ট্যুরটা হয়তো কাট করে ফেলতে হবে।
বাট আমার আপনার পছন্দের বই, ডিম আর দুধের বদলে ওদের ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করবে ইউরোপে।
আমাদের ছেলে মেয়েরা কারেন্ট না থাকার জন্য রাতে ঘুমাতে পারবে না।
আর ওদের ছেলে মেয়েরা আমাদের এই না হওয়া ঘুম চুরি করবে, আমাদের স্বপ্ন চুরি করবে তেলের দামে।
আমাদের বাবাদের হাইপারটেনশন বাড়বে, আমরা ছেলেরা তেলের আর গ্যাসের দামের ঘানি টানতে টানতে আরেকটা আমাদের বাবাতে পরিণত হব।
আর ওরা বড় বড় কথা বলে আরাম করে আমাদের শাসন করবে।
আমাদের প্রেশার আর হার্টের রোগের বিনিময়ে ওদের সাম্রাজ্যে জমা হবে একেকটা ইট।
নির্বাচনের আগে ব্যবসায়ীরা কেন কোটি কোটি টাকা ঢালে, এবার বুঝেছেন তো?
রাজনীতির নামে এরা আমার আপনার রক্ত, আপনার ঘাম, আমার আর আপনার স্বপ্ন বিক্রি করে দেয়, কোটি কোটি ছেলে মেয়ের পাতের একটু ডিম, এক গ্লাস দুধ এরা বিক্রি করে দেয় তেল আর পরিবহন মালিকদের কাছে।
এসবকেই মূলত আমরা রাজনীতি বলে জানি।
😢37❤1
যুদ্ধের প্রভাবে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে অস্বাভাবিক ভর্তুকির লাগাম টানতে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
এইদেশে মধ্যবিত্ত দের মিসকিনে রূপান্তরিত করার প্ল্যান করেছে বিএনপি সরকার🫡
এইদেশে মধ্যবিত্ত দের মিসকিনে রূপান্তরিত করার প্ল্যান করেছে বিএনপি সরকার🫡
😢25❤1