This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আজকে সংসদে মুখ খুলেই উল্টাপাল্টা বলা শুরু করেছে।
তারেক রহমান বলেছেন,প্রাথমিক
বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৩৭৬৪৮৯ জন!
আমরাতো জানি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
কিন্তু প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয় আবার কি মাননীয় স্পিকার।
আজকে সংসদে মুখ খুলেই উল্টাপাল্টা বলা শুরু করেছে।
তারেক রহমান বলেছেন,প্রাথমিক
বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৩৭৬৪৮৯ জন!
আমরাতো জানি প্রাথমিক বিদ্যালয়,
কিন্তু প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয় আবার কি মাননীয় স্পিকার।
🤡36😁13
‘বৈশাখী চাঁদা’ না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম - মৎস্যজীবী দলের নেতা
🤬24
স্পষ্ট মনে আছে, ডাকসু নির্বাচন চলে তখন...
এক মেয়েরে দেইখা দাঁড়াইয়া গেলেন ভিপিপ্রার্থী আবিদ। বিনয়ের সুরে দূর থেইকাই বললেন ভোট চাইলেন।
কথোপকথন ছিল এমন....
-আপু আমি আবিদ, ছাত্রদল মনোনীত ভিপি প্রার্থী, দোয়া রাইখেন;
-ওহ আচ্ছা!
-ওই যে প্লিজ, কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না, একটা টার্ম আছে না;
-হ্যাঁ!
-ওইটা আমারই ছিল;
-ওওওও!
তো সেই আবিদের একটা নতুন ভিডিও দেখলাম।
বলতেছেন....
-জুলাইকে বিক্রি করে জুলাইয়ের সুবিধা নিয়ে সংসদ পর্যন্ত গেছেন। ওইটা তো আমরাও নিতে পারতাম কই আমরা তো জুলাইকে বিক্রি করিনি!
---------
পরে মনে মনে ভাবলাম, অনেকে তারে ভালোবেসে কবি কেন বলে!
এক মেয়েরে দেইখা দাঁড়াইয়া গেলেন ভিপিপ্রার্থী আবিদ। বিনয়ের সুরে দূর থেইকাই বললেন ভোট চাইলেন।
কথোপকথন ছিল এমন....
-আপু আমি আবিদ, ছাত্রদল মনোনীত ভিপি প্রার্থী, দোয়া রাইখেন;
-ওহ আচ্ছা!
-ওই যে প্লিজ, কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না, একটা টার্ম আছে না;
-হ্যাঁ!
-ওইটা আমারই ছিল;
-ওওওও!
তো সেই আবিদের একটা নতুন ভিডিও দেখলাম।
বলতেছেন....
-জুলাইকে বিক্রি করে জুলাইয়ের সুবিধা নিয়ে সংসদ পর্যন্ত গেছেন। ওইটা তো আমরাও নিতে পারতাম কই আমরা তো জুলাইকে বিক্রি করিনি!
---------
পরে মনে মনে ভাবলাম, অনেকে তারে ভালোবেসে কবি কেন বলে!
😁26🤡4❤2
শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ৭০০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
😱34🤬8
Forwarded from বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
শাউয়ার খাম্বা সরকার দেশবাসী রে জ্বালাইয়া অতিষ্ট করে ফেললো।
কারেন্ট ই থাকেনা,মাঝেমধ্যে একটু আসে। কুত্তা খেদাইয়া শিয়াল আনছি আমরা। এখন আযাব তো আমাদের প্রাপ্যই।
বার বার দরকার,
কারেন্টবিহীন খাম্বা সরকার।
কারেন্ট ই থাকেনা,মাঝেমধ্যে একটু আসে। কুত্তা খেদাইয়া শিয়াল আনছি আমরা। এখন আযাব তো আমাদের প্রাপ্যই।
বার বার দরকার,
কারেন্টবিহীন খাম্বা সরকার।
❤14😁2😢1
হাদির কবর সরানোর পরিকল্পনা চলছে!
শাহবাগীরা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাদির কবর নিয়ে আলাজ্বালা শুরু করেছে!
কবি নজরুলের কবরস্থানকে ওরা দীর্ঘদিন নিজেদের আখড়া হিসেবে ব্যবহার করে আসছে! হাদির কবর ওখানে হওয়ার ওরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়!
এখন শাহবাগীদের দাবি পূরণ করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর!
আওয়ামী লীগের কোল ঝেড়ে শাহবাগ এখন বিএনপির কোলে! দুইদিন পরে পাইলস হবে, এটা আমার কথা না, হাদির কথা!
বিএনপি যেদিন হাদির কবরে টাচ করার দুঃসাহস দেখাবে সেদিনই বাংলাদেশ থেকে বিএনপি নামক দলটি বিলুপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ!
শাহবাগীরা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাদির কবর নিয়ে আলাজ্বালা শুরু করেছে!
কবি নজরুলের কবরস্থানকে ওরা দীর্ঘদিন নিজেদের আখড়া হিসেবে ব্যবহার করে আসছে! হাদির কবর ওখানে হওয়ার ওরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়!
এখন শাহবাগীদের দাবি পূরণ করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর!
আওয়ামী লীগের কোল ঝেড়ে শাহবাগ এখন বিএনপির কোলে! দুইদিন পরে পাইলস হবে, এটা আমার কথা না, হাদির কথা!
বিএনপি যেদিন হাদির কবরে টাচ করার দুঃসাহস দেখাবে সেদিনই বাংলাদেশ থেকে বিএনপি নামক দলটি বিলুপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ!
🤬56❤14
Forwarded from বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
ছন্দে ছন্দে দুই দল জড়িয়েছে দ্বন্দে,
একজনের অঙুল ভরেছে আরেকজনের পো*ন্দে...😴
একজনের অঙুল ভরেছে আরেকজনের পো*ন্দে...😴
😁29🔥2😎1
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24
Photo
🔴১৯৮৫ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও মোহাম্মদ গাদ্দাফি— এর মধ্যে এক আলোচনার বর্ণনা (কর্ণেল গাদ্দাফির নিজ ভাষ্যে):
‘খামেনেয়ীর সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতে— আমাদের কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি “পার্সিয়ান গালফ” শব্দটি ব্যবহার করেন, আর আমি এটিকে “আরাবিয়ান গালফ” বলে উল্লেখ করি।
আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম: “এই বিষয়ে আরব ও পার্সিয়ানদের মধ্যে মতবিরোধ থাকা কি যুক্তিযুক্ত, যদি প্রত্যেকে নিজের পছন্দের নাম ব্যবহার করে?!”
খামেনেয়ী জবাব দিলেন: “(পারস্য) উপসাগরের অপর পাশের দেশগুলো প্রকৃতপক্ষে আরব নয়; বরং তারা আমেরিকার উপনিবেশ। যেদিন তারা 'আপনার' মতো বিপ্লবী হয়ে উঠবে, সেদিন আমি প্রথম ব্যক্তি হবো যে এটিকে ‘আরাবিয়ান গালফ’, ‘কুয়েতি গালফ’ বা আপনাদের পছন্দমতো অন্য যে কোনো নামে নামকরণের দলিলে স্বাক্ষর করবো।”
গাদ্দাফি বললেন: “আমি এই বক্তব্যের সাথে একমত ছিলাম এরপর আমি তাঁকে প্রস্তাব দেই— আমরা একে “ইসলামিক গালফ” নামে ডাকতে পারি।”
এরপর খামেনেয়ী বললেন: “ঠিক সেটাই হওয়া উচিত। যখন আরবরা জেগে উঠবে এবং আমেরিকার দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে সত্যিকারের বিপ্লবী ইসলামের পথে অগ্রসর হবে— তখন আর পার্সিয়ান বা আরব কেউই এ নিয়ে বিরোধ করবে না; উপসাগরটি হবে ইসলামিক।”
‘খামেনেয়ীর সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতে— আমাদের কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি “পার্সিয়ান গালফ” শব্দটি ব্যবহার করেন, আর আমি এটিকে “আরাবিয়ান গালফ” বলে উল্লেখ করি।
আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম: “এই বিষয়ে আরব ও পার্সিয়ানদের মধ্যে মতবিরোধ থাকা কি যুক্তিযুক্ত, যদি প্রত্যেকে নিজের পছন্দের নাম ব্যবহার করে?!”
খামেনেয়ী জবাব দিলেন: “(পারস্য) উপসাগরের অপর পাশের দেশগুলো প্রকৃতপক্ষে আরব নয়; বরং তারা আমেরিকার উপনিবেশ। যেদিন তারা 'আপনার' মতো বিপ্লবী হয়ে উঠবে, সেদিন আমি প্রথম ব্যক্তি হবো যে এটিকে ‘আরাবিয়ান গালফ’, ‘কুয়েতি গালফ’ বা আপনাদের পছন্দমতো অন্য যে কোনো নামে নামকরণের দলিলে স্বাক্ষর করবো।”
গাদ্দাফি বললেন: “আমি এই বক্তব্যের সাথে একমত ছিলাম এরপর আমি তাঁকে প্রস্তাব দেই— আমরা একে “ইসলামিক গালফ” নামে ডাকতে পারি।”
এরপর খামেনেয়ী বললেন: “ঠিক সেটাই হওয়া উচিত। যখন আরবরা জেগে উঠবে এবং আমেরিকার দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে সত্যিকারের বিপ্লবী ইসলামের পথে অগ্রসর হবে— তখন আর পার্সিয়ান বা আরব কেউই এ নিয়ে বিরোধ করবে না; উপসাগরটি হবে ইসলামিক।”
❤7
দেশে সর্বমোট ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ!!!
আজ খুলনার ৬টি বন্ধ হয়ে গেলো!!!
লোডশেডিং ভয়াবহ আকারে বাড়তে থাকবে প্রস্তুতি নিন!!!
আজ খুলনার ৬টি বন্ধ হয়ে গেলো!!!
লোডশেডিং ভয়াবহ আকারে বাড়তে থাকবে প্রস্তুতি নিন!!!
😢51
২৪ এর জুলাই শহিদ পরিবার থেকে একজনকে নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
🔥50
বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
IMF এ সংবিধান চলে না, IMF এ চলে সংস্কার
আইএমএফ এর এই ধাক্কা সরকার সামলাতে পারতো কিন্তু তার অতিবুদ্ধির কারণে আজ সে লোন না পেয়ে আরও কঠিন অবস্থায় পড়বে। প্রধানমন্ত্রী সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছেন। সে এমন একটা দেশ পেয়েছেন যেখানে তার কাধে ঋণের আছে দায় আছে লাখ লাখ কোটি টাকা।
কিন্তু সে যেখানে চলবে কৌশলে কিন্তু সে তা না করে পছন্দ করেছে অন্যপন্থা। সে বাংলাদেশ ব্যাংকে হাত দিয়েছে। তারপর সেখান থেকে মব করে গভর্নর পরিবর্তন করে ফেলেছে। সে ভাবেও নাই এর প্রভাব আসলেই কি হতে যাচ্ছে। আইএমএফ এর এই লোনের বেশীরভাগ শর্ত ই মূলত দেখবাল করে, অনেক জায়গায় সংস্কার করে সেসময়কার গভর্নর এটা ট্যাকেল দিয়ে সব স্বাভাবিক অবস্থায় এনেছিলেন। আর এখন লেগেছে ক্যাচাল।
বিএনপির সামনে দুইটা পথ ১. পাবলিক সেন্টিমেন্ট ২. লোন। সবকিছুর দাম যদি বেড়ে যায় বিএনপির বিরুদ্ধে সবাই ক্ষেপে গিয়ে মাঠে নামবে। মানুষ আইএমএফ বুঝেনা, সে বুঝে তার চালের দাম কত, ডালের দাম কত, তেলের দাম কত ইত্যাদি। বিরোধীদল এটাকেই রাজনৈতিক আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে যাবে। বিএনপি সংস্কারগুলো মাঝপথে বন্ধ না করে ধীরে ধীরে যদি এগিয়ে যেত তাহলে এই চিপায় আজ তাকে পড়তে হতোনা। সে এটা করলে আজ হুট করে তাকে আর দাম বাড়াতে হতো। এখন সে ঠিকই সংস্কার করবে এই ঋণের জন্য কিন্তু যখন হুট করে একসঙ্গে দাম বাড়াবে তখন সে আরও চিপায় পড়ে যাবে কারণ সব জিনিস একসঙ্গে করতে গিয়ে সবার চোখে পড়বে এটা। স্বাভাবিক কিস্তির বাহিরেও সরকার ১০০ কোটি ডলার বেশী চেয়েছে কারণ টাকা আসলেই সরকারের কাছে সেই অর্থে নেই। সে বাড়তি টাকা তো দুরের কথা বরং চলমান কিস্তি ই পাচ্ছেনা!!!
সব ধরনের কর-ছাড় সুবিধা বাতিল করে ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ জ্বালানিতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নিম্ন আয়ের মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা ইত্যাদি বিষয়ে দ্রুত দৃশ্যমান সংস্কারের অগ্রগতি না হলে পরবর্তী কিস্তিও জুন মাসে ছাড় করা হবে না। কথায় আছে সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয়না। একজনকে সরিয়ে আরেকজনকে বসিয়ে দিলেই সবকিছু নিজের হয়ে যায় না। বরং নতুন জন এসে আরও বেশী সংকট তৈরি করে। একদম হাতেনাতে প্রমাণ পেলো বিএনপি।
কিন্তু সে যেখানে চলবে কৌশলে কিন্তু সে তা না করে পছন্দ করেছে অন্যপন্থা। সে বাংলাদেশ ব্যাংকে হাত দিয়েছে। তারপর সেখান থেকে মব করে গভর্নর পরিবর্তন করে ফেলেছে। সে ভাবেও নাই এর প্রভাব আসলেই কি হতে যাচ্ছে। আইএমএফ এর এই লোনের বেশীরভাগ শর্ত ই মূলত দেখবাল করে, অনেক জায়গায় সংস্কার করে সেসময়কার গভর্নর এটা ট্যাকেল দিয়ে সব স্বাভাবিক অবস্থায় এনেছিলেন। আর এখন লেগেছে ক্যাচাল।
বিএনপির সামনে দুইটা পথ ১. পাবলিক সেন্টিমেন্ট ২. লোন। সবকিছুর দাম যদি বেড়ে যায় বিএনপির বিরুদ্ধে সবাই ক্ষেপে গিয়ে মাঠে নামবে। মানুষ আইএমএফ বুঝেনা, সে বুঝে তার চালের দাম কত, ডালের দাম কত, তেলের দাম কত ইত্যাদি। বিরোধীদল এটাকেই রাজনৈতিক আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে যাবে। বিএনপি সংস্কারগুলো মাঝপথে বন্ধ না করে ধীরে ধীরে যদি এগিয়ে যেত তাহলে এই চিপায় আজ তাকে পড়তে হতোনা। সে এটা করলে আজ হুট করে তাকে আর দাম বাড়াতে হতো। এখন সে ঠিকই সংস্কার করবে এই ঋণের জন্য কিন্তু যখন হুট করে একসঙ্গে দাম বাড়াবে তখন সে আরও চিপায় পড়ে যাবে কারণ সব জিনিস একসঙ্গে করতে গিয়ে সবার চোখে পড়বে এটা। স্বাভাবিক কিস্তির বাহিরেও সরকার ১০০ কোটি ডলার বেশী চেয়েছে কারণ টাকা আসলেই সরকারের কাছে সেই অর্থে নেই। সে বাড়তি টাকা তো দুরের কথা বরং চলমান কিস্তি ই পাচ্ছেনা!!!
সব ধরনের কর-ছাড় সুবিধা বাতিল করে ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ জ্বালানিতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নিম্ন আয়ের মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা ইত্যাদি বিষয়ে দ্রুত দৃশ্যমান সংস্কারের অগ্রগতি না হলে পরবর্তী কিস্তিও জুন মাসে ছাড় করা হবে না। কথায় আছে সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয়না। একজনকে সরিয়ে আরেকজনকে বসিয়ে দিলেই সবকিছু নিজের হয়ে যায় না। বরং নতুন জন এসে আরও বেশী সংকট তৈরি করে। একদম হাতেনাতে প্রমাণ পেলো বিএনপি।
❤22