Forwarded from বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
আপনি একবার চিন্তা করেন বাংলাদেশ যদি অদূর ভবিষ্যতে কখনো এমন ভয়াবহ হামলার শিকার হয় তাহলে সার্বিক অবস্থা টা কি হবে। বাংলাদেশের না আছে অত্যাধুনিক বিমান, না আছে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আর না আছে কোনপ্রকার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বাংলাদেশে আছে শুধু বুক ভরা চেতনা। এক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর ভর করে ফ্যাসিস্টলীগ ১৭ বছর ধরে পুরো বাংলাদেশটাকে ফোকলা করে দিয়ে দিল্লিতে পালিয়ে গেছে। টিআইবির রিপোর্ট মতে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশ থেকে প্রতি বছর ১২ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার যে দুর্নীতি আর বিদেশে পাঁচার করা হয়েছে সেগুলো দিয়ে আমরা এতদিনে সামরিক ভাবে অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করতে পারতাম। আমাদের দুর্নীতিগ্রস্থ অসৎ নেতৃত্ব পুরো দেশটাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে। এক্ষেত্রে ইউনুস সরকার অনেকটাই ব্যতিক্রমী ছিল। যদিও তারা পর্যাপ্ত সময় পায়নি দেশের জন্য স্থায়ী ভাবে কার্যকরী কিছু করার।
বাংলাদেশে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসার আগপর্যন্ত সামরিক ভাবে শক্তিশালী হওয়াটা এখন দিবাস্বপ্নের মতো। কারণ এখন নতুন যারা আসছে তারাও ভারত-আমেরিকার কথার বাইরে পা ফেলবে না। ইরান ইস্যুতে তাদের বিবৃতি অনেক কিছু পরিস্কার করে দেয়। তারা কখনোই ভারত-আমেরিকার স্বার্থের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশকে সামরিক ভাবে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করবেনা। এদিকটায় পুরোপুরি ব্যতিক্রম ১১ দলীয় জোটের। তাদের সেই শক্তিশালী সক্ষমতা ও গাটস আছে ভারতের সাথে চোখে চোখ রেখে এদেশের স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষহীন ভূমিকা রাখার।
বাংলাদেশে আছে শুধু বুক ভরা চেতনা। এক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর ভর করে ফ্যাসিস্টলীগ ১৭ বছর ধরে পুরো বাংলাদেশটাকে ফোকলা করে দিয়ে দিল্লিতে পালিয়ে গেছে। টিআইবির রিপোর্ট মতে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশ থেকে প্রতি বছর ১২ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার যে দুর্নীতি আর বিদেশে পাঁচার করা হয়েছে সেগুলো দিয়ে আমরা এতদিনে সামরিক ভাবে অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করতে পারতাম। আমাদের দুর্নীতিগ্রস্থ অসৎ নেতৃত্ব পুরো দেশটাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে। এক্ষেত্রে ইউনুস সরকার অনেকটাই ব্যতিক্রমী ছিল। যদিও তারা পর্যাপ্ত সময় পায়নি দেশের জন্য স্থায়ী ভাবে কার্যকরী কিছু করার।
বাংলাদেশে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসার আগপর্যন্ত সামরিক ভাবে শক্তিশালী হওয়াটা এখন দিবাস্বপ্নের মতো। কারণ এখন নতুন যারা আসছে তারাও ভারত-আমেরিকার কথার বাইরে পা ফেলবে না। ইরান ইস্যুতে তাদের বিবৃতি অনেক কিছু পরিস্কার করে দেয়। তারা কখনোই ভারত-আমেরিকার স্বার্থের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশকে সামরিক ভাবে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করবেনা। এদিকটায় পুরোপুরি ব্যতিক্রম ১১ দলীয় জোটের। তাদের সেই শক্তিশালী সক্ষমতা ও গাটস আছে ভারতের সাথে চোখে চোখ রেখে এদেশের স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষহীন ভূমিকা রাখার।
😢26❤6👍1🤪1
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24
ইরা নামের বাচ্চাটা আর নেই।গলা কাঁ*টার অসম্ভব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালেই মা*রা গেছে সে। রোযার দিনে শুধু একটাই চাওয়া- হে আল্লাহ, তুমি তার ধ*র্ষকদের এর চাইতেও হাজারগুণ কষ্ট দিয়ে মৃত্যু দিও
ইরা নামের বাচ্চা মেয়েটাকে যখন হাসপাতালে আনা হয়েছিল ডাক্তাররা তাকে জিজ্ঞেস করেছিল- মা মনি তোমার সাথে কারা এ কাজ করেছে?
মেয়েটা তখন কথা বলতে পারছিল না।
ডাক্তাররা আবারও জিজ্ঞেস করেছিল - তাদেরকে দেখালে কি তুমি চিনতে পারবে?
ইরা তখন হাতে ইশারা দিয়ে বুঝিয়েছিল ধ*র্ষকদের দেখলে সে চিনতে পারবে।
মেয়েটা তখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল ,কাঁদতেও পারছিল না কারণ কাঁদলে গলা দিয়ে আরও বেশি র*ক্ত বের হচ্ছিল।
ডাক্তাররা তাই দেরি না করে মেয়েটাকে অপারেশন থিয়াটারে নিয়ে গিয়েছিল। মেয়েটার হাতে এবং গলায় গভীর ক্ষত ছিল। অনেক র*ক্তক্ষরণও হচ্ছিল এজন্যে ডাক্তাররা অনেকটা টেনশনে ছিল।
তারপর দীর্ঘ ৫ ঘন্টার অপারেশন চালায় ডাক্তাররা। অপারেশন পর ৭২ ঘন্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় তাকে।
ইরার অবস্থা তখন একটু একটু করে ভালোর দিকে যাচ্ছিল তাই ওয়ার্ডে শিফট করা হয়েছিল তাকে।
ডাক্তাররাও ভরসা পাচ্ছিল।
ডাক্তারদের আশা ছিল মেয়েটা যদি সুস্থ হতে পারে তাহলে ধ*র্ষকদেরকে চিনতে পারবে। তাহলে অন্তত বিচারটুকু পাবে।
কিন্তু ৭২ ঘন্টা যাওয়ার আগেই ইরার শরীরের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে, পুরো শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছিল। ডাক্তাররা তড়িঘড়ি করে তাকে আইসিইউতে নিয়ে যায়।
বাঁচানোর অনেক চেষ্টাই করেছিল ডাক্তাররা কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বাঁচাতে পারেনি মেয়েটাকে।
পারবেই বা কি করে? এইটুকুন শরীরে এত বেশি রক্তক্ষরণ আর তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করতে পারেনি মেয়েটা। শেষপর্যন্ত যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতেই ভোরে মারা গেছে।
বেঁচে থাকতে ইরা বলেছিল- ধ*র্ষকদের দেখলে সে চিনতে পারবে। কিন্তু এখন তো সে ই না ফেরার দেশে চলে গেল। মরে গিয়ে সম্ভবত ভালোই হয়েছে কারণ ধ*র্ষণের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকাটা আরও বেশি কষ্টকর হতো।
ধ*র্ষকরা ধরা পড়বে কিনা জানি না, ধরা পড়লেও মেয়েটা সুষ্ঠু বিচার পাবে কিনা জানি না। কারণ এদেশে প্রতি সেকেন্ডে টাকা আর ক্ষমতার কাছে আইন বিক্রি হয়, ধ*র্ষকদের জামিন হয়।
যেই শাহবাগীরা জামায়াতের আমীরের টুইটার পোস্টের কারণে বিক্ষোভ করেছিল, ঝাড়ু মিছিল করেছিল ওরা এখন কথা বলবে না, রাস্তায়ও নামবে না- কারণ মেয়েটা এলিট পরিবারের কেউ না, কোন এমপি মন্ত্রীর মেয়েও না।
সে গরিব একটা পরিবারের মেয়ে। তার বাবাটাও অসহায়। এজন্যে এই মেয়েটার পাশেও কেউ দাঁড়াবে না।
গত রমজানে আছিয়াকে ধ*র্ষণ করে মেরে ফেলা হলো, আর এবারে ইরা মনিকে। এভাবে সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছেই শুধু। অথচ ধ*র্ষকরা ঠিকই ঘুরে বেড়াচ্ছে আরামসে।
ইরার মা গতরাত থেকে সারাটাক্ষন হাসপাতালে বসে ছিল আর হাউমাউ করে কাঁদছিল। আশায় ছিল মেয়েটা হয়তো সুস্থ হবে, তার সাথে কথা বলবে। কিন্তু সবশেষে চলে গেল পরপারে।
মেয়েটার তো এভাবে চলে যাওয়ার কথা ছিল না। খেলার পর বাড়ি ফিরার কথা ছিল, একসাথে ভাত খাওয়ার কথা ছিল অথচ কত নিদারুণভাবে চলে গেল।
আছিয়া কিংবা ইরা, ওরা মরে গিয়েই যেন বেঁচে গেছে। কারণ এ সমাজে ধ*র্ষণের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে মেয়েদের বেঁচে থাকাটা মরে যাওয়ার চাইতেও বেশি কষ্টকর
মেয়েটা তখন কথা বলতে পারছিল না।
ডাক্তাররা আবারও জিজ্ঞেস করেছিল - তাদেরকে দেখালে কি তুমি চিনতে পারবে?
ইরা তখন হাতে ইশারা দিয়ে বুঝিয়েছিল ধ*র্ষকদের দেখলে সে চিনতে পারবে।
মেয়েটা তখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল ,কাঁদতেও পারছিল না কারণ কাঁদলে গলা দিয়ে আরও বেশি র*ক্ত বের হচ্ছিল।
ডাক্তাররা তাই দেরি না করে মেয়েটাকে অপারেশন থিয়াটারে নিয়ে গিয়েছিল। মেয়েটার হাতে এবং গলায় গভীর ক্ষত ছিল। অনেক র*ক্তক্ষরণও হচ্ছিল এজন্যে ডাক্তাররা অনেকটা টেনশনে ছিল।
তারপর দীর্ঘ ৫ ঘন্টার অপারেশন চালায় ডাক্তাররা। অপারেশন পর ৭২ ঘন্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় তাকে।
ইরার অবস্থা তখন একটু একটু করে ভালোর দিকে যাচ্ছিল তাই ওয়ার্ডে শিফট করা হয়েছিল তাকে।
ডাক্তাররাও ভরসা পাচ্ছিল।
ডাক্তারদের আশা ছিল মেয়েটা যদি সুস্থ হতে পারে তাহলে ধ*র্ষকদেরকে চিনতে পারবে। তাহলে অন্তত বিচারটুকু পাবে।
কিন্তু ৭২ ঘন্টা যাওয়ার আগেই ইরার শরীরের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে, পুরো শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছিল। ডাক্তাররা তড়িঘড়ি করে তাকে আইসিইউতে নিয়ে যায়।
বাঁচানোর অনেক চেষ্টাই করেছিল ডাক্তাররা কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বাঁচাতে পারেনি মেয়েটাকে।
পারবেই বা কি করে? এইটুকুন শরীরে এত বেশি রক্তক্ষরণ আর তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করতে পারেনি মেয়েটা। শেষপর্যন্ত যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতেই ভোরে মারা গেছে।
বেঁচে থাকতে ইরা বলেছিল- ধ*র্ষকদের দেখলে সে চিনতে পারবে। কিন্তু এখন তো সে ই না ফেরার দেশে চলে গেল। মরে গিয়ে সম্ভবত ভালোই হয়েছে কারণ ধ*র্ষণের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকাটা আরও বেশি কষ্টকর হতো।
ধ*র্ষকরা ধরা পড়বে কিনা জানি না, ধরা পড়লেও মেয়েটা সুষ্ঠু বিচার পাবে কিনা জানি না। কারণ এদেশে প্রতি সেকেন্ডে টাকা আর ক্ষমতার কাছে আইন বিক্রি হয়, ধ*র্ষকদের জামিন হয়।
যেই শাহবাগীরা জামায়াতের আমীরের টুইটার পোস্টের কারণে বিক্ষোভ করেছিল, ঝাড়ু মিছিল করেছিল ওরা এখন কথা বলবে না, রাস্তায়ও নামবে না- কারণ মেয়েটা এলিট পরিবারের কেউ না, কোন এমপি মন্ত্রীর মেয়েও না।
সে গরিব একটা পরিবারের মেয়ে। তার বাবাটাও অসহায়। এজন্যে এই মেয়েটার পাশেও কেউ দাঁড়াবে না।
গত রমজানে আছিয়াকে ধ*র্ষণ করে মেরে ফেলা হলো, আর এবারে ইরা মনিকে। এভাবে সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছেই শুধু। অথচ ধ*র্ষকরা ঠিকই ঘুরে বেড়াচ্ছে আরামসে।
ইরার মা গতরাত থেকে সারাটাক্ষন হাসপাতালে বসে ছিল আর হাউমাউ করে কাঁদছিল। আশায় ছিল মেয়েটা হয়তো সুস্থ হবে, তার সাথে কথা বলবে। কিন্তু সবশেষে চলে গেল পরপারে।
মেয়েটার তো এভাবে চলে যাওয়ার কথা ছিল না। খেলার পর বাড়ি ফিরার কথা ছিল, একসাথে ভাত খাওয়ার কথা ছিল অথচ কত নিদারুণভাবে চলে গেল।
আছিয়া কিংবা ইরা, ওরা মরে গিয়েই যেন বেঁচে গেছে। কারণ এ সমাজে ধ*র্ষণের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে মেয়েদের বেঁচে থাকাটা মরে যাওয়ার চাইতেও বেশি কষ্টকর
😢45
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভারতে মুসলমানদের উপর কোনো কারন ছাড়াই একের পর পর জুলুম নির্যাতন করে যাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদ।
🤬67❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ডিপিআইতে ছাত্রদলের হামলায় আহত শিবির সদস্যদের নিয়ে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল।
❤37
Forwarded from Ayat-e-Noor (আয়াত-এ-নূর)
কেবল সারাদিন পানাহার ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থাকার নাম ছিয়াম নয়। বরং ছিয়াম সাধনা হচ্ছে পানাহার থেকে বিরত থাকার সাথে সাথে সকল প্রকার মিথ্যা ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকে না, সে ব্যক্তির পানাহার থেকে বিরত থাকাতে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই (বুখারী হা/১৯০৩; মিশকাত হা/১৯৯৯)। তাই এক্ষেত্রে ছিয়াম সরাসরি বাতিল না হলেও, নিঃসন্দেহে তা ক্রটিপূর্ণ হবে।
আর যে সিয়াম পালন করে নিজেকে খারাপ অভ্যাস থেকে বের করতে পারলনা সে ব্যার্থ।
আর যে সিয়াম পালন করে নিজেকে খারাপ অভ্যাস থেকে বের করতে পারলনা সে ব্যার্থ।
❤29
জুলাই নিয়ে চরম তামাশায় নেমেছে তারেক রহমানের বিএনপি।
একদিকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট চেয়ে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার চেয়ে জুলাইকে ধারণ করার কথা বলে। আরেকদিকে দলীয় আইনজীবী দিয়ে "গণভোট, জুলাই সনদ এবং সংবিধান সংস্কার কমিশন অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না" শীর্ষক রিট পিটিশনারের পক্ষে আদালতে শুনানি করায়!
গণভোট, জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার কমিশন অবৈধ হওয়ার অর্থ কী? এককথায় জুলাই নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে এইটাই সরাসরি অস্বীকার করা। এতোগুলা মানুষ তাহলে শুধুশুধুই জীবন দিয়েছে? আ'হত,পঙ্গুত্ব বরণ করেছে? শুধুশুধুই এতোগুলা মায়ের বুক খালি হয়েছে? শুধুশুধুই??
না৷ এইটা আমরা হইতে দিব না।
শুনো মহাজন, জুলাইকে অস্বীকার কইরা কেউ মসনদ টিকাইতে পারবা না৷
- AB Zubair
একদিকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট চেয়ে, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার চেয়ে জুলাইকে ধারণ করার কথা বলে। আরেকদিকে দলীয় আইনজীবী দিয়ে "গণভোট, জুলাই সনদ এবং সংবিধান সংস্কার কমিশন অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না" শীর্ষক রিট পিটিশনারের পক্ষে আদালতে শুনানি করায়!
গণভোট, জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার কমিশন অবৈধ হওয়ার অর্থ কী? এককথায় জুলাই নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে এইটাই সরাসরি অস্বীকার করা। এতোগুলা মানুষ তাহলে শুধুশুধুই জীবন দিয়েছে? আ'হত,পঙ্গুত্ব বরণ করেছে? শুধুশুধুই এতোগুলা মায়ের বুক খালি হয়েছে? শুধুশুধুই??
না৷ এইটা আমরা হইতে দিব না।
শুনো মহাজন, জুলাইকে অস্বীকার কইরা কেউ মসনদ টিকাইতে পারবা না৷
- AB Zubair
🤬35
ছাত্রদল ছাত্রলীগ হয়ে উঠতে চাইলে ছাত্রদলের অবস্থাও লীগের মতো হবে
🔥32
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েই সেনা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) শীর্ষ পদে বদল ঘটিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সেনা গোয়েন্দা সংস্থার ডিজি পদে থাকা মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলমকে সরিয়ে ব্রিগেডিয়ার কায়সার রশিদ চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে বসানো হয়েছে।
এদিকে ডিজিএফআইয়ের প্রধান পদে বসেই চার দিনের মাথায় দিল্লি ছুটে গেলেন মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর বাদে ডিজিএফআইয়ের কোনও শীর্ষ পদাধিকারী দিল্লিতে গেলেন। গত রবিবার (১ মার্চ) ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের বিমানে (6E-1104) স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি গিয়েছেন সদ্য নিযুক্ত ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী।
এদিকে ডিজিএফআইয়ের প্রধান পদে বসেই চার দিনের মাথায় দিল্লি ছুটে গেলেন মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর বাদে ডিজিএফআইয়ের কোনও শীর্ষ পদাধিকারী দিল্লিতে গেলেন। গত রবিবার (১ মার্চ) ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের বিমানে (6E-1104) স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি গিয়েছেন সদ্য নিযুক্ত ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী।
🤬55😁2👌1
আবারো ধ'র্ষণের পরে হ'ত্যা!
কক্সবাজারে উখিয়ায় গতকাল সেহরির সময় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে গণধ'র্ষণ এবং ধ'র্ষণের পরে খু'ন করে ফেলে রেখে গেছে!
কক্সবাজারে উখিয়ায় গতকাল সেহরির সময় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে গণধ'র্ষণ এবং ধ'র্ষণের পরে খু'ন করে ফেলে রেখে গেছে!
🤬58😢8
ইন্নালিল্লাহ
পটুয়াখালীতে যুবদল নেতার গরু চুরির ঘটনা ফেসবুকে বলে দেয়ায় এক তরকারি বিক্রেতাকে পার্টি অফিসে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে!
পটুয়াখালীতে যুবদল নেতার গরু চুরির ঘটনা ফেসবুকে বলে দেয়ায় এক তরকারি বিক্রেতাকে পার্টি অফিসে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে!
🤬47😢9