ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইনকিলাব মঞ্চের আবদুল্লাহ আল জাবের।
🔥59
বিএনপি বিজয়ের পর ঢাবির পা চাটা এক অধ্যাপক ধানমন্ডি ৩২ শেখ মুজিবের বাসভবনে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন ঘোষণা দিলেন। তারপর গেলেনও। উনি ভেবেছেন বিএনপি আওয়ামিলীগকে কোলে উঠিয়ে নিয়েছে। অথচ এই লোক ই বিএনপি ও জামায়াতেত শিক্ষকদের এতকাল ক্যাম্পাস আউট করেছিলেন। দেখলাম তাকে পুলিশ মাত্র গ্রেপ্তার করে নিয়ে গিয়েছে😆
😁22👍1
Forwarded from বাংলাদেশ গুপ্ত পার্টি
যেই লীগ জুলাইয়ে মানুষ খুন করে অনুতপ্ত না হয়ে প্রাউড ফিল করে যেই লীগ শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুতে খুশিতে কাহিল হয়ে গিয়েছিল সেই লীগের কার্যালয় খুলে দেওয়া হচ্ছে সারাদেশে।
🤬42
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24
Photo
এইটুকু জানতে আপনাকে খুব বেশি পড়াশোনা করতে হবে না।
এইতো সদরঘাট সংলগ্ন 'বাহাদুর শাহ পার্ক'।
এখানে এখন আর রক্তের গন্ধ নেই। গাছে ফাঁসির রশি ঝুলানো নেই। অমানবিক স্মৃতি আর স্তম্ভ ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই।
১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ ব্যার্থ হওয়ার পর, সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল এই ময়দানের বটগাছে।
শুধু তাই নয় মানুষ যাতে ভীত হয় এবং ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার সাহস না পায় তাই ফাঁসি দেওয়া মৃতদেহ কয়েকদিন প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
তাদের এই নির্মমতা কেবল প্রাণহানি নয়, বরং এক পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছিল।
অনেক বিদ্রোহীকে জীবন্ত অবস্থায় কামানের মুখে বেঁধে শরীর ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার মতো পৈশাচিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।
ব্রিটিশ বাহিনী কেবল বিদ্রোহীদের নয়, বরং পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়ে নিরপরাধ নারী-শিশুদের হত্যা করে জনপদে শ্মশানের নিস্তব্ধতা নামিয়ে আনে।
এমনলি মৃতদেহগুলো সৎকার করতে না দিয়ে জনমনে আতঙ্ক ও লাঞ্ছনার পরিবেশ তৈরি করার জন জনসমক্ষে ঝুলিয়ে রাখে।
ভারতীয়দের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য এমন কোনো কাজ নেই যা তারা করেনি।
বিপ্লব বা বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার পরিণাম যে কতটা ভয়াবহ হয় তা সত্য-ই অবর্ণনীয়।
আহ আফসোস, আমরা যদি একটুও শিক্ষা নিতাম আর জুলাই ব্যর্থ না হতো....
এইতো সদরঘাট সংলগ্ন 'বাহাদুর শাহ পার্ক'।
এখানে এখন আর রক্তের গন্ধ নেই। গাছে ফাঁসির রশি ঝুলানো নেই। অমানবিক স্মৃতি আর স্তম্ভ ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই।
১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ ব্যার্থ হওয়ার পর, সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল এই ময়দানের বটগাছে।
শুধু তাই নয় মানুষ যাতে ভীত হয় এবং ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার সাহস না পায় তাই ফাঁসি দেওয়া মৃতদেহ কয়েকদিন প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
তাদের এই নির্মমতা কেবল প্রাণহানি নয়, বরং এক পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছিল।
অনেক বিদ্রোহীকে জীবন্ত অবস্থায় কামানের মুখে বেঁধে শরীর ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার মতো পৈশাচিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।
ব্রিটিশ বাহিনী কেবল বিদ্রোহীদের নয়, বরং পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়ে নিরপরাধ নারী-শিশুদের হত্যা করে জনপদে শ্মশানের নিস্তব্ধতা নামিয়ে আনে।
এমনলি মৃতদেহগুলো সৎকার করতে না দিয়ে জনমনে আতঙ্ক ও লাঞ্ছনার পরিবেশ তৈরি করার জন জনসমক্ষে ঝুলিয়ে রাখে।
ভারতীয়দের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য এমন কোনো কাজ নেই যা তারা করেনি।
বিপ্লব বা বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার পরিণাম যে কতটা ভয়াবহ হয় তা সত্য-ই অবর্ণনীয়।
আহ আফসোস, আমরা যদি একটুও শিক্ষা নিতাম আর জুলাই ব্যর্থ না হতো....
😢32