চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24
15.5K subscribers
18.4K photos
4.4K videos
11 files
632 links
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।
Download Telegram
সবাই ঘুমান আমি আর নাই যা করবে ১১ দলীয় জোট করবে আমাদের আর কিছু করার নাই। যা বলার প্রায় সব ভিতরের খবরই লাইফ রিস্ক নিয়ে আমরা বলে দিয়েছি।
😢37
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24
ব্রেকিং: সংসদে যাচ্ছে না জামায়াত ১৫০ আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি নিয়ে মাঠে নামছে...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দখল ও কারচুপির অভিযোগে সংসদে যাচ্ছে না জামায়াত।

তথ্যসূত্র : দৈনিক জনকণ্ঠ
🔥523😁1
সবাই ঘুমান এখন যা হবে কালকে হবে ইনশাআল্লাহ
🔥31
আরেকটা কথা মিডিয়া এজেন্সির অর্ডার অনুযায়ী বিএনপির সকলের অনেক আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে তাই এই আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেওয়ার প্রস্তুতি নেন।
39❤‍🔥4
১১ দলীয় জোট নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনের ডাক না দিলে জনগণ তাদেরকে বয়কট করতে বাধ্য হবে। আমি একজন ভোটার হিসেবে এই ভোট ডাকাতির নির্বাচন বয়কট করলাম।

-আজিজুর রহমান আজাদ
কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, ইসলামী ছাত্রশিবির
🔥9817😁8👎1
সর্বশেষ, মোট আসন ২৯৯

বিএনপি জোট ২১০
জামায়াত জোট ৮১ (জামায়াত এককভাবে ৭১, এনসিপি ৬, খেলাফত মজলিস ৪)
স্বতন্ত্র ৭
ইসলামী আন্দোলন ১

বেসরকারিভাবে এটাই ফাইনাল। ঢাকা-৮, ঢাকা-১৩ সহ কয়েকটা আসন নিয়ে অভিযোগ আছে। সেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে ইসি সিদ্ধান্ত নেবে।
🤬34😢4🤣41
জামাত তার আমিরের আইডি হ্যাক তারপর এইজে ৭০ লাখ টাকা নিয়ে ধরা খাওয়া ঢাকুরগাও আমির গ্রেপ্তার নিয়ে সুরাহা করতে পারেনি এটা দেখেই বুঝে গেছি তারা সরকারকে চাপ দিয়ে কিছুই করতে পারবেনা।

ইঞ্জিন পচা হলে আর কি করার নতুন বগি দিয়ে তো আর দেশ চলেনা!
👍22
একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সাথে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।

~ ইউএস এম্বাসি, ঢাকা
🤣453😁1
যা বলেছিলাম তাই হলো গণভোটে হ্যাঁ প্লাস বিএনপি পাশ এটাই আমাদের পচা রেল ইঞ্জিনের খেলা😶
😁30
১১ দলের এটা মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নাই মেনে না নিলে লীগ+বিএনপি মিলে তাদের স্লটার করবে।
😢29😁1
রাত্রে পোস্ট এটা দিয়া ভয়ে আবার ডিলিট মারছে বুড়া দাদু
😁361🤬1
বিএনপির গণভোটে হ্যাঁ এর ক্যাম্পেইন দেখলাম না অথচ বিএনপি জিতে গেলো প্লাস গণভোটে হ্যাঁ😆
😁353
এখন একযোগে বিএনপি আমাদের ভরবে।

জুলাই বিপ্লবীদের অবস্থা কি হয় দেখতে থাকেন।আমরাও যা হা পোস্ট দিছি বিএনপির বিরুদ্ধে আমাদের না ভরে দেয়🤣

তবু আমরা ভয় পাবনা We've a long way to go don't lose hope!
🔥39
আমরা মনে করি সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করা হয়েছে। স্পষ্টতই মিডিয়া, এজেন্সি ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এ কাজ সম্পন্ন করেছে।

নির্বাচন কমিশনকে বলব, প্রতিটি আসনের সঠিক রেজাল্ট জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আরেকটি সাজানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে একটা দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করা জুলাইয়ের শহীদদের স্পিরিটের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

-সাদিক কায়েম রাত ৩:৪০ এর পোস্ট
46
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 pinned «ফলাফলের পর সবাই ডিশের লাইন কাইটা দিয়েন।»
জামাত যদি রাষ্ট্রযন্ত্রে ঢুকে আমাদের লীগপন্থী এজেন্সি আর আমলাদের চেঞ্জ না করতে পারে তাহলে এর পরের নির্বাচনেও তাদের জেতার কোন চান্স নেই।
32💯8
ইম্পর্টেন্ট পড়তে পারেন:

"আজকের নির্বাচনটা স্রেফ কোনো ভোট ছিল না; এটা ছিল এস্টাবলিশমেন্টের একটা হাই-লেভেল ‘ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস’। দিনশেষে যা হয়েছে, তাকে স্রেফ 'রিগিং' বললে ছোট করা হবে; এটা ছিল নিখুঁত এক কগনিটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং।

ডীপ স্টেট, সিভিল ও মিলিটারি প্রশাসন আর এলিটদের এই ট্রিনিটি এবার খেলাটা সাজিয়েছিল একদম ভিন্ন ছকে।

তারা ভোট কাস্টিং-এর ওপর কোনো সরাসরি ঝুঁকিই নেয়নি, কারণ সরাসরি বুথ দখল মানেই গণবিক্ষোভের রিস্ক। এই ‘ম্যাস রিস্ক অ্যাভারশন’ থেকে বাঁচতে তারা বেছে নিয়েছিল ‘স্ট্র্যাটেজিক ক্যামোফ্লেজ’ বা এক ধরনের ছদ্মবেশ।

খেয়াল করে দেখুন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করে আবার সেদিনই তা প্রত্যাহার করা হলো। এটা কোনো প্রশাসনিক ভুল ছিল না; এটা ছিল একটা সুচিন্তিত ‘সাইকোলজিক্যাল প্রিম্পশন’।

একদিকে তারা জনগণকে বোঝাতে চাইল যে প্রশাসন জনমতের তোয়াক্কা করে, আর অন্যদিকে বিরোধী জোটের সকল মনোযোগ কাস্টিং-এর ওপর আটকে রেখে তাদের মানসিকভাবে নির্ভার করে দিল।

এস্টাবলিশমেন্ট এখানে শতভাগ সফল। দিনের আলোতে প্রশাসনের এই তথাকথিত ‘নিরপেক্ষতা’ দেখে সবাই যখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তখনই মঞ্চস্থ হয়েছে তাদের আসল নাটক।

যখন রাত গভীর হলো এবং মানুষ প্রশাসনের ওপর আস্থা রেখে ঘরে ফিরলো, তখনই শুরু হলো ‘অপারেশন কাউন্টিং’। যাকে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ভাষায় বলা যায় ‘ইনফরমেশন ব্ল্যাকআউট’।

সেনাবাহিনী সন্ধার পর হুদাই যখন উৎসুক জনতার ওপর লাঠিচার্জ করে রাস্তা পরিষ্কার করছিল, তখন তাদের ভাবটা ছিল— ভোট তো শেষ, এখন বাইরে কেন? অথচ আসল উদ্দেশ্য ছিল কাউন্টিং টেবিলকে পাবলিক স্ক্রুটিনির বাইরে নিয়ে যাওয়া।

পাবলিককে ফেস করার ঝামেলা এড়িয়ে রাতের আঁধারে প্রশাসনিক টেবিলে বসে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করাটা ছিল তাদের জন্য সবচেয়ে ‘সেফ অ্যান্ড ক্লিন’ মেথড। এর মাধ্যমে তারা সুকৌশলে বিরোধী শিবিরে একটা ‘পারসেপশন ডিসরাপশন’ তৈরি করেছে।

কিছু হেভিওয়েট প্রার্থীকে হঠাৎ বিজয়ী দেখিয়ে বিরোধীদের এমন এক সিদ্ধান্তহীনতায় ফেলা হয়েছে যে তারা এখন বুঝতেই পারছে না আন্দোলন করবে নাকি ফলাফল মেনে নেবে।

অন্যদিকে ‘ফেইট একম্পলি’—অর্থাৎ সিভিল ও মিলিটারি ব্যুরোক্রেসির সামনে আগেই একজন ‘পূর্বনির্ধারিত বিজয়ী’ নিশ্চিত করে দেওয়া, যাতে পুরো সিস্টেম কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই নিউ রিয়েলিটিকে মেনে নেয় এবং করণীয় কাজ সম্পন্ন করে।

আর এখনো কিছু আসন অমিমাংসিত রাখা হয়েছে? ওটা স্রেফ একটা ‘মূলা’ ঝুলিয়ে রাখা, যাতে বিরোধী পক্ষ চূড়ান্ত কোনো বিদ্রোহে না গিয়ে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত সমঝোতার আশায় বসে থাকে।

পুরো ডেমোক্রেটিক প্রসেসটাকে কীভাবে স্রেফ একটা ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এক্সারসাইজ’-এ নামিয়ে আনা যায়, আজকের রাত তার এক ধ্রুপদী উদাহরণ হয়ে থাকবে।"

Saiful Islam
👍206