Report on Landslide in the Hilly Areas of Darjeeling
By a Staff Reporter
A devastating landslide occurred in the hilly areas of Darjeeling on 15th September 2025, following continuous heavy rainfall for the past three days. Several parts of the region, including Sonada, Ghoom, and Kurseong, were severely affected. Huge masses of mud and rocks slid down the slopes, blocking National Highway-55 and disrupting communication with the plains.
According to the district administration, at least six houses were destroyed, leaving many families homeless. The disaster management team, police, and local volunteers immediately rushed to the spot and started rescue operations. Three people were reported missing, while seventeen were injured and taken to Darjeeling District Hospital.
The road blockage caused a long queue of vehicles, and tourists were stranded for hours. The electricity supply was cut off in several areas to prevent further accidents. Schools remained closed as a safety measure.
The administration has advised residents to stay alert as more rainfall is expected. Relief camps have been opened, and food, medicine, and blankets are being distributed. The government has assured compensation for the affected families.
By a Staff Reporter
A devastating landslide occurred in the hilly areas of Darjeeling on 15th September 2025, following continuous heavy rainfall for the past three days. Several parts of the region, including Sonada, Ghoom, and Kurseong, were severely affected. Huge masses of mud and rocks slid down the slopes, blocking National Highway-55 and disrupting communication with the plains.
According to the district administration, at least six houses were destroyed, leaving many families homeless. The disaster management team, police, and local volunteers immediately rushed to the spot and started rescue operations. Three people were reported missing, while seventeen were injured and taken to Darjeeling District Hospital.
The road blockage caused a long queue of vehicles, and tourists were stranded for hours. The electricity supply was cut off in several areas to prevent further accidents. Schools remained closed as a safety measure.
The administration has advised residents to stay alert as more rainfall is expected. Relief camps have been opened, and food, medicine, and blankets are being distributed. The government has assured compensation for the affected families.
❤9
Translate into English
✅✅✅✅✅✅
📢📢📢📢
মানুষের জীবনে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের শক্তি যেমন কমতে থাকে, তেমনি মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও ধীরে ধীরে কমে যায়। তরুণ বয়সে মানুষ দ্রুত চিন্তা করতে পারে, নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বেশি থাকে এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও সহজ হয়। কিন্তু বয়স বাড়লে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হতে থাকে, মনোযোগ কমে যায় এবং জটিল সমস্যার সমাধান করতে সময় বেশি লাগে।
সমাজে একজন মানুষের প্রভাবও বয়সের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসে। তবে এর অর্থ এই নয় যে বয়স্ক মানুষদের মূল্য কমে যায়। তাঁদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও জীবনের শিক্ষা সমাজকে সমৃদ্ধ করে। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো—শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে আগের মতো তৎপরতা, প্রভাব বা নেতৃত্ব বজায় রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে ওঠে।
তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে নিজের স্বাস্থ্য, মানসিক সক্রিয়তা ও জীবনের বাস্তব পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে শিখতে হয়। সঠিক যত্ন, ব্যায়াম ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে বার্ধক্যেও মানসিক শক্তি অনেকটাই ধরে রাখা যায়।
✅✅✅✅✅✅
📢📢📢📢
মানুষের জীবনে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরের শক্তি যেমন কমতে থাকে, তেমনি মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও ধীরে ধীরে কমে যায়। তরুণ বয়সে মানুষ দ্রুত চিন্তা করতে পারে, নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বেশি থাকে এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও সহজ হয়। কিন্তু বয়স বাড়লে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হতে থাকে, মনোযোগ কমে যায় এবং জটিল সমস্যার সমাধান করতে সময় বেশি লাগে।
সমাজে একজন মানুষের প্রভাবও বয়সের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসে। তবে এর অর্থ এই নয় যে বয়স্ক মানুষদের মূল্য কমে যায়। তাঁদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও জীবনের শিক্ষা সমাজকে সমৃদ্ধ করে। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো—শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে আগের মতো তৎপরতা, প্রভাব বা নেতৃত্ব বজায় রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে ওঠে।
তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে নিজের স্বাস্থ্য, মানসিক সক্রিয়তা ও জীবনের বাস্তব পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে শিখতে হয়। সঠিক যত্ন, ব্যায়াম ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে বার্ধক্যেও মানসিক শক্তি অনেকটাই ধরে রাখা যায়।
❤7
প্রতিবেদন রচনা বাংলা ছাত্র জীবনে সাহিত্যের প্রভাব
বিষয়: ছাত্রজীবনে সাহিত্যের প্রভাব
ছাত্রজীবন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সময়। এই সময়েই চরিত্র, মূল্যবোধ, চিন্তাভাবনা ও ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ছাত্রজীবনে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মানবিক শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সাহিত্যের ভূমিকা গভীর ও সুদূরপ্রসারী। সাহিত্য ছাত্রদের মনে জ্ঞান, মানবিকতা, নৈতিকতা ও চিন্তার দিগন্ত উন্মুক্ত করে দেয়।
সাহিত্য মানুষের অনুভূতিকে জাগ্রত করে এবং মননকে পরিশীলিত করে। ছাত্ররা যখন গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নাটক বা প্রবন্ধ পাঠ করে, তখন তারা কেবল আনন্দই পায় না, বরং জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও নানা শিক্ষা লাভ করে। সাহিত্য ছাত্রদের কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি করে, ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে, এবং লেখনশৈলিকে সুন্দর ও পরিণত করে তোলে। ফলে পরীক্ষায় রচনা, অনুচ্ছেদ বা সৃজনশীল লেখায় তারা অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে।
ব্যক্তিত্ব গঠনে সাহিত্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্যের চরিত্র, ঘটনা ও আবেগ ছাত্রদের মনে সহানুভূতি, সাহস, সততা ও মানবিকতা জাগিয়ে তোলে। সামাজিক অন্যায়, দুঃখ-কষ্ট, প্রেম, দেশপ্রেম, নৈতিকতা—সবকিছু সাহিত্য ছাত্রদের সামনে বাস্তবভাবে তুলে ধরে। এর ফলে তারা সমাজ সম্পর্কে সচেতন হয় এবং ভালো–মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখে।
সাহিত্য ছাত্রদের মানসিক প্রশান্তি দান করে। পরীক্ষার চাপ, পড়াশোনার ক্লান্তি—এসব থেকে মুক্তি দিয়ে মনকে তরতাজা করে তুলতে সাহিত্য এক অনন্য সঙ্গী। অবসর সময়ে পাঠাভ্যাস ছাত্রকে ভালো মানুষ হওয়ার দিকে আগায় এবং মনকে সংবেদনশীল করে।
আজকের প্রযুক্তি-নির্ভর যুগেও ছাত্রদের জীবনে সাহিত্যের গুরুত্ব কমেনি, বরং বেড়েছে। বই, ই-বুক, পাঠশালা — যেভাবেই হোক নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ছাত্রদের জীবনে আলোকবর্তিকার মতো পথ দেখায়। শুধু সফল ছাত্র নয়, সফল মানুষ হওয়ায় সাহিত্যের ভূমিকা অপরিহার্য।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ছাত্রজীবনে সাহিত্যের প্রভাব অত্যন্ত ইতিবাচক, শক্তিশালী এবং মানবিক। সাহিত্য ছাত্রকে শুধু জ্ঞানী নয়, চিন্তাশীল, নীতিবান ও পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তাই ছাত্রজীবনে সাহিত্যচর্চা যত বেশি হবে, ব্যক্তি ও সমাজ—উভয়ের ভবিষ্যৎ ততই উজ্জ্বল হবে।
বিষয়: ছাত্রজীবনে সাহিত্যের প্রভাব
ছাত্রজীবন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সময়। এই সময়েই চরিত্র, মূল্যবোধ, চিন্তাভাবনা ও ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ছাত্রজীবনে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মানবিক শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সাহিত্যের ভূমিকা গভীর ও সুদূরপ্রসারী। সাহিত্য ছাত্রদের মনে জ্ঞান, মানবিকতা, নৈতিকতা ও চিন্তার দিগন্ত উন্মুক্ত করে দেয়।
সাহিত্য মানুষের অনুভূতিকে জাগ্রত করে এবং মননকে পরিশীলিত করে। ছাত্ররা যখন গল্প, উপন্যাস, কবিতা, নাটক বা প্রবন্ধ পাঠ করে, তখন তারা কেবল আনন্দই পায় না, বরং জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও নানা শিক্ষা লাভ করে। সাহিত্য ছাত্রদের কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি করে, ভাষা ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে, এবং লেখনশৈলিকে সুন্দর ও পরিণত করে তোলে। ফলে পরীক্ষায় রচনা, অনুচ্ছেদ বা সৃজনশীল লেখায় তারা অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকে।
ব্যক্তিত্ব গঠনে সাহিত্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্যের চরিত্র, ঘটনা ও আবেগ ছাত্রদের মনে সহানুভূতি, সাহস, সততা ও মানবিকতা জাগিয়ে তোলে। সামাজিক অন্যায়, দুঃখ-কষ্ট, প্রেম, দেশপ্রেম, নৈতিকতা—সবকিছু সাহিত্য ছাত্রদের সামনে বাস্তবভাবে তুলে ধরে। এর ফলে তারা সমাজ সম্পর্কে সচেতন হয় এবং ভালো–মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখে।
সাহিত্য ছাত্রদের মানসিক প্রশান্তি দান করে। পরীক্ষার চাপ, পড়াশোনার ক্লান্তি—এসব থেকে মুক্তি দিয়ে মনকে তরতাজা করে তুলতে সাহিত্য এক অনন্য সঙ্গী। অবসর সময়ে পাঠাভ্যাস ছাত্রকে ভালো মানুষ হওয়ার দিকে আগায় এবং মনকে সংবেদনশীল করে।
আজকের প্রযুক্তি-নির্ভর যুগেও ছাত্রদের জীবনে সাহিত্যের গুরুত্ব কমেনি, বরং বেড়েছে। বই, ই-বুক, পাঠশালা — যেভাবেই হোক নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ছাত্রদের জীবনে আলোকবর্তিকার মতো পথ দেখায়। শুধু সফল ছাত্র নয়, সফল মানুষ হওয়ায় সাহিত্যের ভূমিকা অপরিহার্য।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ছাত্রজীবনে সাহিত্যের প্রভাব অত্যন্ত ইতিবাচক, শক্তিশালী এবং মানবিক। সাহিত্য ছাত্রকে শুধু জ্ঞানী নয়, চিন্তাশীল, নীতিবান ও পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তাই ছাত্রজীবনে সাহিত্যচর্চা যত বেশি হবে, ব্যক্তি ও সমাজ—উভয়ের ভবিষ্যৎ ততই উজ্জ্বল হবে।
❤12
Tubescience Learning Academy(Official) pinned «প্রতিবেদন রচনা বাংলা ছাত্র জীবনে সাহিত্যের প্রভাব বিষয়: ছাত্রজীবনে সাহিত্যের প্রভাব ছাত্রজীবন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সময়। এই সময়েই চরিত্র, মূল্যবোধ, চিন্তাভাবনা ও ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি তৈরি হয়। তাই ছাত্রজীবনে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং মানবিক…»
WBPSC CLERKSHIP
সম্পাদকীয় প্রতিবেদন
মানব জীবনে পত্র-পত্রিকার পাটের ভূমিকা
মানব সভ্যতার বিকাশের ইতিহাসে যোগাযোগব্যবস্থা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে এসেছে। আধুনিক সমাজে সেই যোগাযোগব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো পত্র-পত্রিকা। সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞানচর্চা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সমাজকে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে পত্র-পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের জীবনযাত্রাকে সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ করে তুলতে পত্র-পত্রিকা আজ এক অনিবার্য মাধ্যম।
প্রথমত, পত্র-পত্রিকা আমাদের দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক পরিবর্তন, পরিবেশগত সংকট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নবতম অগ্রগতি—সবকিছুই সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এভাবেই সমাজে মতামত গঠনের প্রক্রিয়ায় পত্র-পত্রিকা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দ্বিতীয়ত, পত্র-পত্রিকা শিক্ষার ক্ষেত্রেও এক শক্তিশালী সহায়ক। ছাত্রছাত্রীদের সাধারণ জ্ঞান বৃদ্ধি, ভাষা চর্চা এবং বিশ্লেষণক্ষমতা বিকাশে সংবাদপত্র একটি কার্যকর মাধ্যম। বিভিন্ন নিবন্ধ, রচনা, পড়াশোনা, বিজ্ঞানচর্চা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক আলোচনার মাধ্যমে পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তৃত হয়।
তৃতীয়ত, সামাজিক সমস্যা ও অসঙ্গতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে পত্র-পত্রিকা সমাজকে সজাগ করে তোলে। দুর্নীতি, অপরাধ, পরিবেশদূষণ, জনস্বাস্থ্য সংকট—এসব বিষয়ে নির্ভীক প্রতিবেদন প্রশাসনকে দায়বদ্ধ হতে বাধ্য করে। গণতান্ত্রিক সমাজে সংবাদপত্র তাই ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবে কাজ করে।
অন্যদিকে, বিজ্ঞাপন ও জনসংযোগের ক্ষেত্রেও পত্র-পত্রিকা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি তথ্য, চাকরির সুযোগ, নীতি পরিবর্তন বা সামাজিক উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ সচেতন হয় পত্র-পত্রিকার মাধ্যমেই।
তবে ডিজিটাল যুগের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে মুদ্রিত সংবাদপত্র কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবুও সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্টিং এবং সংরক্ষণযোগ্য গুণাবলির কারণে পত্র-পত্রিকার গুরুত্ব আজও অটুট।
সারসংক্ষেপে বলা যায়, পত্র-পত্রিকা শুধু সংবাদবাহক নয়; বরং সমাজ, রাষ্ট্র ও নাগরিক জীবনের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। সচেতন নাগরিক গড়ে তুলতে এবং গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পত্র-পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও মানব জীবনে এর প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব আগের মতোই দৃঢ় ও সম্পূর্ণ।
সম্পাদকীয় প্রতিবেদন
মানব জীবনে পত্র-পত্রিকার পাটের ভূমিকা
মানব সভ্যতার বিকাশের ইতিহাসে যোগাযোগব্যবস্থা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে এসেছে। আধুনিক সমাজে সেই যোগাযোগব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো পত্র-পত্রিকা। সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞানচর্চা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সমাজকে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে পত্র-পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের জীবনযাত্রাকে সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ করে তুলতে পত্র-পত্রিকা আজ এক অনিবার্য মাধ্যম।
প্রথমত, পত্র-পত্রিকা আমাদের দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক পরিবর্তন, পরিবেশগত সংকট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নবতম অগ্রগতি—সবকিছুই সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এভাবেই সমাজে মতামত গঠনের প্রক্রিয়ায় পত্র-পত্রিকা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দ্বিতীয়ত, পত্র-পত্রিকা শিক্ষার ক্ষেত্রেও এক শক্তিশালী সহায়ক। ছাত্রছাত্রীদের সাধারণ জ্ঞান বৃদ্ধি, ভাষা চর্চা এবং বিশ্লেষণক্ষমতা বিকাশে সংবাদপত্র একটি কার্যকর মাধ্যম। বিভিন্ন নিবন্ধ, রচনা, পড়াশোনা, বিজ্ঞানচর্চা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক আলোচনার মাধ্যমে পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তৃত হয়।
তৃতীয়ত, সামাজিক সমস্যা ও অসঙ্গতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে পত্র-পত্রিকা সমাজকে সজাগ করে তোলে। দুর্নীতি, অপরাধ, পরিবেশদূষণ, জনস্বাস্থ্য সংকট—এসব বিষয়ে নির্ভীক প্রতিবেদন প্রশাসনকে দায়বদ্ধ হতে বাধ্য করে। গণতান্ত্রিক সমাজে সংবাদপত্র তাই ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবে কাজ করে।
অন্যদিকে, বিজ্ঞাপন ও জনসংযোগের ক্ষেত্রেও পত্র-পত্রিকা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি তথ্য, চাকরির সুযোগ, নীতি পরিবর্তন বা সামাজিক উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ সচেতন হয় পত্র-পত্রিকার মাধ্যমেই।
তবে ডিজিটাল যুগের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে মুদ্রিত সংবাদপত্র কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবুও সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্টিং এবং সংরক্ষণযোগ্য গুণাবলির কারণে পত্র-পত্রিকার গুরুত্ব আজও অটুট।
সারসংক্ষেপে বলা যায়, পত্র-পত্রিকা শুধু সংবাদবাহক নয়; বরং সমাজ, রাষ্ট্র ও নাগরিক জীবনের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। সচেতন নাগরিক গড়ে তুলতে এবং গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পত্র-পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও মানব জীবনে এর প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব আগের মতোই দৃঢ় ও সম্পূর্ণ।
❤9
সবচেয়ে বেশি বার আসা টপিক (Super Important)
এই ১০–১২টি WBPSC-র প্রায় সব পরীক্ষায় বারবার এসেছে:
রোড অ্যাক্সিডেন্ট
ফায়ার ইনসিডেন্ট (বহুতলে আগুন)
ডেঙ্গি প্রাদুর্ভাব
দুয়ারে সরকার শিবির
প্লাস্টিক দূষণ
জল সংকট সমস্যা
সায়েন্স ফেয়ার / স্পোর্টস ডে
বন্যা পরিস্থিতি
সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ
নারী নির্যাতন / Eve-teasing
স্কুলের Mid-day meal সমস্যা
ট্রেন দুর্ঘটনা
#Tubescience@tubesciencelearningofficial
এই ১০–১২টি WBPSC-র প্রায় সব পরীক্ষায় বারবার এসেছে:
রোড অ্যাক্সিডেন্ট
ফায়ার ইনসিডেন্ট (বহুতলে আগুন)
ডেঙ্গি প্রাদুর্ভাব
দুয়ারে সরকার শিবির
প্লাস্টিক দূষণ
জল সংকট সমস্যা
সায়েন্স ফেয়ার / স্পোর্টস ডে
বন্যা পরিস্থিতি
সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ
নারী নির্যাতন / Eve-teasing
স্কুলের Mid-day meal সমস্যা
ট্রেন দুর্ঘটনা
#Tubescience@tubesciencelearningofficial
❤15
Important For Wbpsc Clerkship
❤3