Tech Tips 360°
IFCT limited time redeem code: 9hZQDQv5agWzAsDs (copy to click) join: https://t.me/techtips360/3184
new redeem code. limited time
👍2
যারা এখনো জয়েন করেন নি, দ্রুত শুরু করুন। অলসতা যেন আপনাকে পিছিয়ে না দেয় 🙂
Join: https://t.me/techtips360/3201?single
Join: https://t.me/techtips360/3201?single
সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ফেললাম। যেকোন প্রজেক্ট যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। যদিও তারা চমৎকার নিয়মে আগাচ্ছে।
আজ দেখলাম তাদের টোকেন দাম - $0.3 জানানো হয়েছে অফিসিয়ালি। প্রতি সপ্তাহে দাম বাড়ছে। এটা ভালো খবর ।
অন্যদিকে লোকাল মার্কেটে দাম বাড়ছে। 300% প্রতিদিন যদি আয় করা যায় তাহলে আনঅফিসিয়ালভাবেও আগামী কয়েক মাসে টোকেন সেল করে প্যাসিভ আয় করতে পারবো। সেটা অন্তত 20 হাজার টাকার বেশি। 350 টাকা খরচ করে যদি ছয় মাসে একটা মাইনিং প্রজেক্ট থেকে অন্তত 20 হাজার আয় করা যায় সেটা দারুণ ব্যাপার। এবং ওরা যদি নির্দিষ্ট সময়ে ভালো প্রফিট দেয় তাহলে সোনায় সোহাগা।
আমার মতে, প্রিমিয়াম প্যাকেজ আপগ্রেড করে আয় বাড়িয়ে নেয়া একটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বাকিটা আপনারা ভেবে দেখুন।
Athene Network এ যদি এখনো জয়েন না করেন তাহলে দ্রুত জয়েন করুন। প্রতিটা প্রজেক্টে আনঅফিসিয়ালি টোকেন সেল করে আয় করা যায়। Athene তে দাম বেড়েই যাচ্ছে।
Join: https://t.me/techtips360/3179?single
আজ দেখলাম তাদের টোকেন দাম - $0.3 জানানো হয়েছে অফিসিয়ালি। প্রতি সপ্তাহে দাম বাড়ছে। এটা ভালো খবর ।
অন্যদিকে লোকাল মার্কেটে দাম বাড়ছে। 300% প্রতিদিন যদি আয় করা যায় তাহলে আনঅফিসিয়ালভাবেও আগামী কয়েক মাসে টোকেন সেল করে প্যাসিভ আয় করতে পারবো। সেটা অন্তত 20 হাজার টাকার বেশি। 350 টাকা খরচ করে যদি ছয় মাসে একটা মাইনিং প্রজেক্ট থেকে অন্তত 20 হাজার আয় করা যায় সেটা দারুণ ব্যাপার। এবং ওরা যদি নির্দিষ্ট সময়ে ভালো প্রফিট দেয় তাহলে সোনায় সোহাগা।
আমার মতে, প্রিমিয়াম প্যাকেজ আপগ্রেড করে আয় বাড়িয়ে নেয়া একটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বাকিটা আপনারা ভেবে দেখুন।
Athene Network এ যদি এখনো জয়েন না করেন তাহলে দ্রুত জয়েন করুন। প্রতিটা প্রজেক্টে আনঅফিসিয়ালি টোকেন সেল করে আয় করা যায়। Athene তে দাম বেড়েই যাচ্ছে।
Join: https://t.me/techtips360/3179?single
👍5🥰4
গরম গরম খবর আসছে IFCT Mining প্রজেক্টে। যারা জয়েন করেন নি তারা দ্রুত করুন। হংকং ভিত্তিক এই প্রজেক্ট প্রচুর হাইপ তুলেছে মার্কেটে। অনেকগুলি আপডেট সহকারে এক্সক্লুসিভ ভিডিও আসছে শীঘ্রই ...
Join: https://t.me/techtips360/3184
Join: https://t.me/techtips360/3184
Telegram
Tech Tips 360°
IFCT Free Mining App
👉 Listing Year: 2024
👉 Join: https://shorturl.at/BHNT6
👉 Refer: YR1R9NU9 (Click to Copy)
👉 Playstore: https://shorturl.at/akzAO
🔗 Video: https://youtu.be/4AEiKOaw56o
ভিডিওতে বিস্তারিত তথ্য দেয়া রয়েছে । অ্যাপে কোন সমস্যা হলে রিমুভ…
👉 Listing Year: 2024
👉 Join: https://shorturl.at/BHNT6
👉 Refer: YR1R9NU9 (Click to Copy)
👉 Playstore: https://shorturl.at/akzAO
🔗 Video: https://youtu.be/4AEiKOaw56o
ভিডিওতে বিস্তারিত তথ্য দেয়া রয়েছে । অ্যাপে কোন সমস্যা হলে রিমুভ…
এখানে কাজ করলে লাভ ছাড়া লস নাই ।
ভিডিও লিঙ্কঃ https://youtu.be/ufwNe8ZoJkw
ভিডিও লিঙ্কঃ https://youtu.be/ufwNe8ZoJkw
চালু হয়ে গেছে হট মাইনিং এর হট বক্স। ভিজিট করুন ও ওপেন করে নির্ধারিত সময়ের পরে কালেক্ট করুন 🥰
Join Hot: https://t.me/techtips360/3201?single
Join Hot: https://t.me/techtips360/3201?single
👍2
kyc চালু হয়েছে তবে প্রচুর চাপ যাচ্ছে ওদের সার্ভারে।
Join athene network: https://t.me/techtips360/3179?single
Join athene network: https://t.me/techtips360/3179?single
Telegram
Tech Tips 360°
👉 Attention 👈
ATH Network
👉 15 দিন পর টোকেন ডিস্ট্রিবিউশন হবে
👉 KYC চালু হয়ে গেছে । গিয়ার আইকনে ক্লিক করলে অপশন পাবেন।
👉 সাইনআপ করলে 5 টা ফ্রি টোকেন দিবে
👉 প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর মাইনিং চালু করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার আগে টোকেন ক্লেইম না করলে সেই মাইনিং টোকেন বাতিল…
ATH Network
👉 15 দিন পর টোকেন ডিস্ট্রিবিউশন হবে
👉 KYC চালু হয়ে গেছে । গিয়ার আইকনে ক্লিক করলে অপশন পাবেন।
👉 সাইনআপ করলে 5 টা ফ্রি টোকেন দিবে
👉 প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর মাইনিং চালু করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার আগে টোকেন ক্লেইম না করলে সেই মাইনিং টোকেন বাতিল…
🦋 Athene Network Airdrop 🦋
Join: https://t.me/AtheneNetworkNew_Bot?start=625871829
সকল Athene Network Miner অবশ্যই অংশ নিবেন
Join: https://t.me/AtheneNetworkNew_Bot?start=625871829
সকল Athene Network Miner অবশ্যই অংশ নিবেন
Ath Network প্রতিদিন কয়েকবার করে এয়ারড্রপ টুইটারে শেয়ার করছে এবং সেই বট লিংক ইনএকটিভ হয়ে যাচ্ছে। তারা পোস্ট ডিলিট করে দেয়। গতকাল পোস্ট করার 4, 10, 30 মিনিট পর পর তিনটা পোস্ট ডিলিট করেছে। 😐 এয়ারড্রপ দিয়ে খেলা দেখায় 😔
গতকাল এক মিনিটে 347 বার স্ক্রিনে গুতায়া রেখে দিছিলাম। মাত্র ঢুকে দেখি $1.86 সমমানের ৭ টা অরোরা টোকেন জিতসি।
আপনারা কে কি জিতলেন? 😁
Join Hot Mining: https://t.me/techtips360/3201?single
আপনারা কে কি জিতলেন? 😁
Join Hot Mining: https://t.me/techtips360/3201?single
😱2
মেইক মানি বা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত ভিডিও বানাতে পড়ালেখা জানা লোকেরা আর আসে না । এইট পাস, ইন্টার ফেইল, নিউমার্কেট থেকে সার্টিফিকেট কেনা পাবলিকেরা এখন এই সেক্টরে ভিডিও বানায় । তাই কোন প্রোজেক্ট সম্পর্কে নিশ্চিত করে তথ্য দিতে পারে না । ইংরেজি পড়তে গেলে অ্যা উ করতে থাকে । আর অ্যা অ্যা করে আসল কথাই বলতে পারে না । এরা হোয়াইট পেপারটা পড়তে পারে না । ২/৪ জনের ভিডিও দেখে নিজেও একটা বানিয়ে ফেলে । নতুন তথ্যের বালাই থাকে না । এর টোটাল ঝালটা পড়েছে "আইস নেটওয়ার্ক" এর উপর । শুরুতে যখন এলো আমি সব পড়ে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং দেখে স্পিরিটেড খুবই ভালো বললাম । সবাই ভালো বললো । গত বছরের আগস্টে যখন হোয়াইট পেপার আপডেট করলো তখন দেখলাম নতুন নতুন তেলেসপাতি যুক্ত করেছে । ভিডিও ডিলিট করে দিলাম । কোন আপডেট দিলাম না । এই প্রোজেক্ট নিয়ে সবাই এত হয়রানি হয়ে অ্যাপ রিমুভ করে দিচ্ছে আরেকদিকে নিজের পকেট ভরার জন্য কয়েকজন একে ভালো ভালো উপমা দিয়েই যাচ্ছে । এদের কাছে আমার প্রশ্ন এরা একবারো কি হোয়াইটপেপার পড়েছে ? 😐
আইস নেটওয়ার্ক মূলত বাংলাদেশি স্ক্যামারদের মত লোক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে । যারা সামাজিক লিঙ্কিং দেখিয়ে ভিসি জোগাড় করে পকেট ভর্তি করেছে । কিছু মানুষকে টাকা দিয়েছে । তারপর বাকিদের সরিয়ে দিতে এমন কিছু সিলি প্ল্যান করেছে যার কারণে অধিকাংশ কুইজে ফেইল করছে । আমার প্রশ্ন হলো, কুইজ পাসকৃতদের আমেরিকায় গুগলে চাকরি দিবে নাকি ? সামান্য একটা মাইনিং প্রোজেক্টে কেওয়াইসি করাই বাড়াবাড়ি বলে থাকেন এক্সপার্টেরা সেখানে পড়ালেখা শেখাচ্ছে । এগুলি জাস্ট সাধারণ স্ক্যামিং । একদিকে টোকেন কেটে নিবে আপনার অনুপস্থিতির জন্য আরেকদিকে মাইনিং বন্ধ করে ইউজারদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে ।
আর আপনাদেরকেও বলি, একটা প্রোজেক্টে জয়েন করার আগে হোয়াইট পেপারটা পড়লেই তো সব জানা হয়ে যায় । যাদের হোয়াইটপেপারে তেমন তথ্য থাকবে না সেখানে জয়েন করবেন না । প্রতিদিন নিয়ম করে মাইনিং করছেন অনিশ্চিত একটা ভবিষ্যতের অন্য অথচ ৩০ মিনিট ব্যয় করে হোয়াইট পেপার পড়লে প্রতিদিন ডিউটি দেয়ার পরশ্রম থেকে বেঁচে যেতে পারেন ।
আমার পরশুদিন পাবলিশ করা আর্টিকেলে যেসব প্রোজেক্টগুলি শেয়ার করেছি তার ভেতর যারা প্রমিসিং আচরণ করছে তাদের আমরা কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করবো । ভালো হলে সবগুলি চলমান থাকবে নয়ত আজাইরা এতগুলি মাইনিং করে লাভ নাই ।
মনে রাখবেন, এইসব সাইড ইনকাম । এক বছরে কাজ করে যদি একটা প্রোজেক্ট থেকে ৪০-৫০ হাজার টাকা টেনেটুনে আয় করতে পারেন সেটাই অনেক । আমি আইস নেটওয়ার্কের দোষ দেবো না । কারণ তারাই সবকিছু ক্লিয়ার করে নাই । কিভাবে টোকেন বিতরণ করবে, কবে লিস্টিং করবে, এগুলি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছে । প্রথমে দেখেছিলাম ২০২৪ সালের শেষের দিকে রিলিজ করবে । তারপর কিছুদিন আগে নাকি এক দফা বিতরণ করেছে । অনেকে ভালোই আয় করেছে । একটা প্রোজেক্ট যদি তার নিয়মের বাইরে চলে তাহলে সেটা ভিসিদের কাছে কতটা নির্ভরযোগ্য সেটা বুঝতে তো নিউটন হওয়ার দরকার নাই ।
পাই যদি আনঅফিসিয়ালি ভাল রেটে বিক্রি না হতো কবেই এটা ডিলিট করে বসে থাকতাম । কারণ যারা এটা কিনছে তাদের পেছনে একদল হোয়েল রয়েছে যারা বিভিন্ন হাত থেকে এটা কালেক্ট করছে । সব টোকেনের একই ইতিহাস । সম্ভাবনা থাকলে ভালো দামে বিক্রি হবেই । আরেকটা জিনিস মাথায় রাখবেন, কপি প্রোজেক্টে কিংবা সমধর্মী প্রোজেক্টে জয়েন করবেন না । প্রথমটা বিজনেস করতে আসে, পরেরটা করে স্ক্যামিং । কোর টোকেন প্রফিট দিয়েছে, এভাইভ এর কি খবর ? পাই প্রফিট দিচ্ছে, বি এর কি খবর ? এগুলি মাথায় রাখবেন । তাহলে আপনি একটা প্রোজেক্টে মাইনিং করে যা লাভ করবেন, বাকিরা ১০ টা প্রোজেক্টে কাজ করে এত লাভ করতে পারবে না । কারণ একটা প্রোজেক্টে যত সময় দেয়া যায়, যত খোঁজ রাখা যায়, ১০ টা অ্যাপে খবর রাখা যায় না । এক সময় বিরক্তি চলে আসে ।
আইস নেটওয়ার্ক মূলত বাংলাদেশি স্ক্যামারদের মত লোক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে । যারা সামাজিক লিঙ্কিং দেখিয়ে ভিসি জোগাড় করে পকেট ভর্তি করেছে । কিছু মানুষকে টাকা দিয়েছে । তারপর বাকিদের সরিয়ে দিতে এমন কিছু সিলি প্ল্যান করেছে যার কারণে অধিকাংশ কুইজে ফেইল করছে । আমার প্রশ্ন হলো, কুইজ পাসকৃতদের আমেরিকায় গুগলে চাকরি দিবে নাকি ? সামান্য একটা মাইনিং প্রোজেক্টে কেওয়াইসি করাই বাড়াবাড়ি বলে থাকেন এক্সপার্টেরা সেখানে পড়ালেখা শেখাচ্ছে । এগুলি জাস্ট সাধারণ স্ক্যামিং । একদিকে টোকেন কেটে নিবে আপনার অনুপস্থিতির জন্য আরেকদিকে মাইনিং বন্ধ করে ইউজারদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে ।
আর আপনাদেরকেও বলি, একটা প্রোজেক্টে জয়েন করার আগে হোয়াইট পেপারটা পড়লেই তো সব জানা হয়ে যায় । যাদের হোয়াইটপেপারে তেমন তথ্য থাকবে না সেখানে জয়েন করবেন না । প্রতিদিন নিয়ম করে মাইনিং করছেন অনিশ্চিত একটা ভবিষ্যতের অন্য অথচ ৩০ মিনিট ব্যয় করে হোয়াইট পেপার পড়লে প্রতিদিন ডিউটি দেয়ার পরশ্রম থেকে বেঁচে যেতে পারেন ।
আমার পরশুদিন পাবলিশ করা আর্টিকেলে যেসব প্রোজেক্টগুলি শেয়ার করেছি তার ভেতর যারা প্রমিসিং আচরণ করছে তাদের আমরা কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করবো । ভালো হলে সবগুলি চলমান থাকবে নয়ত আজাইরা এতগুলি মাইনিং করে লাভ নাই ।
মনে রাখবেন, এইসব সাইড ইনকাম । এক বছরে কাজ করে যদি একটা প্রোজেক্ট থেকে ৪০-৫০ হাজার টাকা টেনেটুনে আয় করতে পারেন সেটাই অনেক । আমি আইস নেটওয়ার্কের দোষ দেবো না । কারণ তারাই সবকিছু ক্লিয়ার করে নাই । কিভাবে টোকেন বিতরণ করবে, কবে লিস্টিং করবে, এগুলি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছে । প্রথমে দেখেছিলাম ২০২৪ সালের শেষের দিকে রিলিজ করবে । তারপর কিছুদিন আগে নাকি এক দফা বিতরণ করেছে । অনেকে ভালোই আয় করেছে । একটা প্রোজেক্ট যদি তার নিয়মের বাইরে চলে তাহলে সেটা ভিসিদের কাছে কতটা নির্ভরযোগ্য সেটা বুঝতে তো নিউটন হওয়ার দরকার নাই ।
পাই যদি আনঅফিসিয়ালি ভাল রেটে বিক্রি না হতো কবেই এটা ডিলিট করে বসে থাকতাম । কারণ যারা এটা কিনছে তাদের পেছনে একদল হোয়েল রয়েছে যারা বিভিন্ন হাত থেকে এটা কালেক্ট করছে । সব টোকেনের একই ইতিহাস । সম্ভাবনা থাকলে ভালো দামে বিক্রি হবেই । আরেকটা জিনিস মাথায় রাখবেন, কপি প্রোজেক্টে কিংবা সমধর্মী প্রোজেক্টে জয়েন করবেন না । প্রথমটা বিজনেস করতে আসে, পরেরটা করে স্ক্যামিং । কোর টোকেন প্রফিট দিয়েছে, এভাইভ এর কি খবর ? পাই প্রফিট দিচ্ছে, বি এর কি খবর ? এগুলি মাথায় রাখবেন । তাহলে আপনি একটা প্রোজেক্টে মাইনিং করে যা লাভ করবেন, বাকিরা ১০ টা প্রোজেক্টে কাজ করে এত লাভ করতে পারবে না । কারণ একটা প্রোজেক্টে যত সময় দেয়া যায়, যত খোঁজ রাখা যায়, ১০ টা অ্যাপে খবর রাখা যায় না । এক সময় বিরক্তি চলে আসে ।
👍11🔥3🥰2
আল্লাহ বাচিয়ে রাখলে ঈদের পর কন্ডিশন বুঝে লিস্ট আরও শর্ট করে নিবো । এখন আর আগের মত আজাইরা খাটতে ইচ্ছা করে না । কারণ পাই বাজারে না এলেও যা লাভ হয়েছে, অন্যগুলি থেকে কেবল সময়ের অপচয় হয়েছে । আপনারা ঈগলটা মাইনিং করতে থাকুন । রিলিজের পর ৫% দিবে । তারপর প্রতি মাসে ১০-১২% করে বাড়বে । আর আপনি যদি একদমই মাইনিং এর ব্যাপারে সিরিয়াস না হন, এমন যে, প্রফিট পেলে ভালো, নয়ত লস নাই যেহেতু ফ্রি । তাহলে এই পোস্টটা আপনার জন্য নয় । ওয়ারিয়রস ফোরামে মাসে ৩০ ডলার সাবস্ক্রিপশন ফি দেই দুনিয়ার বড় বড় এনালিটিকসদের মতামত এবং তাদের ৮০% নিশ্চিত তথ্যের জন্য । তারা এমন সব বিশ্লেষণ দেয় সেগুলি পড়লে এবং কন্ডিশন মিলিয়ে বুঝতে পারি কোনটা কেমন আচরণ করছে । ওয়ারিয়র ফোরামেই জেনেছি, পাই এক্সচেঞ্জগুলিতে আনঅফিসিয়ালি লিস্টিং করে বিজনেস করছে তাই সামান্য একটা পোস্ট দেয়া ছাড়া তারা আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি । তারা যতদিন স্বীকার না করবে ততদিন এরকম বিজনেস চলবে । জাস্ট মনে রাখবেন ৫ কোটি ইউজারের ডাটা ফ্রিতে তারা স্টোর করে রাখেনি । চার বছরে প্রি সেল নাই । এয়ারড্রপ নাই । ভিসি নাই । এমনি এমনি শুধু কয়েকটা অ্যাড দেখিয়ে টিকে আছে ? যাই হোক, আমরা কিছু প্রফিট পেলেই হলো । আরও লেট করলে গুগল ড্রাইভে ডাটা রেখে অ্যাপ রিমুভ করে বসে থাকবো । কোন দিন যদি ভালো খবর আসে তাহলে লগইন করবো । আগামীকাল আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে আমি আমার বন্ধুদের মাল্টি মিলিওনিয়ার হতে দেইনি । একদম সত্যি কথা । যদিও নিজেরও আফসোস হয় 😝😝🥲
🔥16🥰2👍1🤗1
সব ধরণের প্ল্যাটফর্মে Notcoin জোরেশোরে মার্কেটিং চালাচ্ছে। কোন মাইনিং প্রজেক্টের এড পূর্বে সম্ভবত চোখে পড়ে নি। গতকাল ইন্সটাগ্রামে দেখলাম, আজ ফেসবুকে, গুগল এডে, সর্বত্র প্রচারণা চলছে। তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলেও প্রায় তিন মিলিয়ন ফলোয়ার হতে যাচ্ছে। টন ব্লকচেইনের টুইটার থেকে ও নটের একাউন্ট থেকে নিয়মিত পোস্ট হচ্ছে।
Join Notcoin: https://t.me/techtips360/3175
Join Notcoin: https://t.me/techtips360/3175
🔥4👍2
একদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় বিকালে ফার্মগেটের দিকে আসছিলাম তখন আমার সাথে পলাশ, আল্ভি, আলামিন আরও কয়েকজন হাটছিলো । আলভি অনেক ছোটবেলায় কম্পিউটার হাতে পেয়েছিল এবং সেই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করতো । ওইদিন আমাদের বললো কার কাছে কত টাকা আছে ? তখন স্কুলে পড়ি আর স্কুল থেকে ফেরার সময় রিকসা ভাড়া ছাড়া কিছু থাকতো না । আমাদের বললো সবাই একশ টাকা করে বের কর, একটা জিনিস কিনে দেবো তোদের । কোন একদিন অনেক দাম হবে । সবাই বললাম জিনিসটা কি ? বলেছিল, আমিও এখনো তেমন জানি না । কিন্তু এটা একটা টাকার মত জিনিস, ইন্টারনেটে পাওয়া যায় । আমরা সেজান পয়েন্ট শপিং সেন্টারে গেলাম, জাকিরদের জুতার দোকানে বসে অনেক কিছু বুঝালো । আমি তখন এলাকায় ডোলান্সারের সাথে পরিচিত ।
অনেকের টাকা মেরে দিয়ে চলে গিয়েছিল । ভাবলাম, আলভি এরকম একটা জিনিস হয়ত বুঝাচ্ছে । নিজেকে বিশাল বুদ্ধিমান মনে করে সবাইকে বুঝালাম আমাদের এলাকায় এরকম একটা কোম্পানি ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা নিয়ে চলে গেছে । প্রতিদিন ২০-৫০ টাকা বাসা থেকে দেয়, তার হিসাব দিতে দিতেই জীবন বের হয়ে যায় আর সেখানে, টাকার মত এক জিনিসের পেছনে ১০০ টাকা খরচ করবো জুয়ার মত । সেটা তো কল্পনা করতেই আব্বুর মাইর দেখতে পাচ্ছিলাম । সবাইকে বুঝাইলাম । এই জিনিস কিনলে জুয়া খেলা হবে, টাকা নিয়ে ভেগে যাবে ব্লা ব্লা ব্লা ।
আমাদের এলাকার রনি ভাই তখন ইন্টার পাস করেছেন তিনি মোটামুটি এটা সম্পর্কে ধারনা না পেলেও আমাদের মতই জানতো কিন্তু বাড়িওয়ালার ছেলে হওয়ায় টাকা পয়সা হাতে থাকার কারণে তিনি আলভিকে ২০০ টাকা দিলে আল্ভি রনি ভাইকে বিটকয়েন কিনে দেয় । ডোলান্সার সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার পর আমাদের কেউ আর সাহস করে বিটকয়েন কেনার চিন্তাও করিনি । তিনি বিটকয়েন কেনেন । এরপর তো এই জিনিস নিয়ে আর আলোচনা হয়নি ।
যখন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ি তখন সব কিছু সম্পর্কে ধারনা ছিল কিন্তু সেই সমস্যা আবার ছিল । টাকার সমস্যা । তখনও অনলাইনে পিটিসি সাইটে কাজ করার বাইরে অন্যকিছু করতাম না । বাসায় হাত পেতে চলতাম । আমাদের সাথে ফয়সাল ছিল, ওর কাছে ৫ টা বিটকয়েন ছিল । সে বলতো এটা একদিন অনেক দাম বাড়বে । তখন আমাদের মনে পড়ে আরও অনেক আগে আল্ভির কথা । তখন আফসোস লাগতো ।
এরপর ২০১৮-১৯ সালের দিকে বিটকয়েন যখন ২০ হাজার ডলার ক্রস করে তখন ফয়সাল ওর বিটকয়েনগুলা বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যায় । একদিন স্কুলের পুনর্মিলনীতে গিয়ে জানতে পারি আমাদের রনি ভাই, তারপর ফার্মগেটে চাদাবাজি করতো ফরিদ ভাই, ওরা বিটকয়েন বিক্রি করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেছে । একেকটা বিটকয়েন ৫০-৬০ হাজার ডলার দামে বিক্রি করে আমেরিকা চলে গেছে । ফরিদ ভাই এখন বড় নেতা । টাকা দিয়ে পদ কিনে বড় নেতা হয়েছে । রনি ভাই কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চতর শিক্ষা শেষ করে এখন ম্যানহাটনে স্থায়ী হয়েছে । সব বিটকয়েন বিক্রির টাকায় । উনার সাথে অনলাইনে একবার কথা হয়েছিল । তিনি বললেন তার কাছে মোট ১০ টা বিটকয়েন ছিল । তার ভেতর কিছু বিক্রি করেছে । ঢাকায় বাড়ি ভেঙ্গে নতুন করে বানিয়েছে, পড়ালেখা শেষ করে এখন ক্রিপটোকারেন্সি ভিত্তিক একটা প্রতিষ্ঠানে জব করছেন এবং তার কাছে এখনো কিছু বিটকয়েন রয়েছে । কিছুদিন আগে ১৫ হাজার ডলারে নেমে গেলে তিনি আরও কিছু বিটকয়েন কেনেন । তিনি বললেন, এটা গোল্ডের চেয়ে প্রফিটেবল । আর বললেন, তোরা আমাকে তো দেখেছিস, এই বিটিসি দিয়েই সব করেছি । তিনি বললেন এই বিটিসি দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে তার ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে । এখন কয়েক বছর অপেক্ষা করলেই এই বিটিসি দেড় লাখ ডলারের উপর দাম হবে । তাই যেন বিটিসি থাকলে বিক্রি না করি । এবং এটা জমা করি ।
আমার স্কুলের বন্ধুরা আমাকে দেখলে প্রায় বলে, তোর ওইদিনের কথা না শুনে যদি ৫০ টাকাও খরচ করতাম আজকে কোটিপতির চেয়ে বেশি কিছু থাকতাম । অনেক আফসোস করে আল্ভি । স্পেশালি পলাশ বেশি আফসোস করে । বলে, তুই এমনভাবে ডোলান্সারের নাম বলছিলি তারপর বাসা থেকে টাকা এনে এরকম কাজ করতে ভয় পেয়েই গিয়েছিলাম 😭
তাই আপনাদের বলি, কখনো সুযোগ এলে ভয় পাবেন না । রিস্ক নিবেন । কারণ আপনি রিস্ক নিবেন সামান্য অর্থের । যদি ভাগ্য ভালো হয় সেটা রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে ।
অনেকের টাকা মেরে দিয়ে চলে গিয়েছিল । ভাবলাম, আলভি এরকম একটা জিনিস হয়ত বুঝাচ্ছে । নিজেকে বিশাল বুদ্ধিমান মনে করে সবাইকে বুঝালাম আমাদের এলাকায় এরকম একটা কোম্পানি ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা নিয়ে চলে গেছে । প্রতিদিন ২০-৫০ টাকা বাসা থেকে দেয়, তার হিসাব দিতে দিতেই জীবন বের হয়ে যায় আর সেখানে, টাকার মত এক জিনিসের পেছনে ১০০ টাকা খরচ করবো জুয়ার মত । সেটা তো কল্পনা করতেই আব্বুর মাইর দেখতে পাচ্ছিলাম । সবাইকে বুঝাইলাম । এই জিনিস কিনলে জুয়া খেলা হবে, টাকা নিয়ে ভেগে যাবে ব্লা ব্লা ব্লা ।
আমাদের এলাকার রনি ভাই তখন ইন্টার পাস করেছেন তিনি মোটামুটি এটা সম্পর্কে ধারনা না পেলেও আমাদের মতই জানতো কিন্তু বাড়িওয়ালার ছেলে হওয়ায় টাকা পয়সা হাতে থাকার কারণে তিনি আলভিকে ২০০ টাকা দিলে আল্ভি রনি ভাইকে বিটকয়েন কিনে দেয় । ডোলান্সার সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার পর আমাদের কেউ আর সাহস করে বিটকয়েন কেনার চিন্তাও করিনি । তিনি বিটকয়েন কেনেন । এরপর তো এই জিনিস নিয়ে আর আলোচনা হয়নি ।
যখন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ি তখন সব কিছু সম্পর্কে ধারনা ছিল কিন্তু সেই সমস্যা আবার ছিল । টাকার সমস্যা । তখনও অনলাইনে পিটিসি সাইটে কাজ করার বাইরে অন্যকিছু করতাম না । বাসায় হাত পেতে চলতাম । আমাদের সাথে ফয়সাল ছিল, ওর কাছে ৫ টা বিটকয়েন ছিল । সে বলতো এটা একদিন অনেক দাম বাড়বে । তখন আমাদের মনে পড়ে আরও অনেক আগে আল্ভির কথা । তখন আফসোস লাগতো ।
এরপর ২০১৮-১৯ সালের দিকে বিটকয়েন যখন ২০ হাজার ডলার ক্রস করে তখন ফয়সাল ওর বিটকয়েনগুলা বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যায় । একদিন স্কুলের পুনর্মিলনীতে গিয়ে জানতে পারি আমাদের রনি ভাই, তারপর ফার্মগেটে চাদাবাজি করতো ফরিদ ভাই, ওরা বিটকয়েন বিক্রি করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেছে । একেকটা বিটকয়েন ৫০-৬০ হাজার ডলার দামে বিক্রি করে আমেরিকা চলে গেছে । ফরিদ ভাই এখন বড় নেতা । টাকা দিয়ে পদ কিনে বড় নেতা হয়েছে । রনি ভাই কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চতর শিক্ষা শেষ করে এখন ম্যানহাটনে স্থায়ী হয়েছে । সব বিটকয়েন বিক্রির টাকায় । উনার সাথে অনলাইনে একবার কথা হয়েছিল । তিনি বললেন তার কাছে মোট ১০ টা বিটকয়েন ছিল । তার ভেতর কিছু বিক্রি করেছে । ঢাকায় বাড়ি ভেঙ্গে নতুন করে বানিয়েছে, পড়ালেখা শেষ করে এখন ক্রিপটোকারেন্সি ভিত্তিক একটা প্রতিষ্ঠানে জব করছেন এবং তার কাছে এখনো কিছু বিটকয়েন রয়েছে । কিছুদিন আগে ১৫ হাজার ডলারে নেমে গেলে তিনি আরও কিছু বিটকয়েন কেনেন । তিনি বললেন, এটা গোল্ডের চেয়ে প্রফিটেবল । আর বললেন, তোরা আমাকে তো দেখেছিস, এই বিটিসি দিয়েই সব করেছি । তিনি বললেন এই বিটিসি দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে তার ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে । এখন কয়েক বছর অপেক্ষা করলেই এই বিটিসি দেড় লাখ ডলারের উপর দাম হবে । তাই যেন বিটিসি থাকলে বিক্রি না করি । এবং এটা জমা করি ।
আমার স্কুলের বন্ধুরা আমাকে দেখলে প্রায় বলে, তোর ওইদিনের কথা না শুনে যদি ৫০ টাকাও খরচ করতাম আজকে কোটিপতির চেয়ে বেশি কিছু থাকতাম । অনেক আফসোস করে আল্ভি । স্পেশালি পলাশ বেশি আফসোস করে । বলে, তুই এমনভাবে ডোলান্সারের নাম বলছিলি তারপর বাসা থেকে টাকা এনে এরকম কাজ করতে ভয় পেয়েই গিয়েছিলাম 😭
তাই আপনাদের বলি, কখনো সুযোগ এলে ভয় পাবেন না । রিস্ক নিবেন । কারণ আপনি রিস্ক নিবেন সামান্য অর্থের । যদি ভাগ্য ভালো হয় সেটা রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে ।
🥰6🤗3👍2