Tech Tips 360°
বিটিসি প্রত্যাশিত ৭৬০০০ তে নেমে গেছে। বর্তমানে ৭৫৫০০+ অতিক্রম করে নিচে গেছে। তবে এক্সট্রিম কেসে RSI 30 থেকে RSI 18 নেমে গেছে। যা নির্দেশ করছে গত কয়েক ঘণ্টায় রাশ সেলিং হচ্ছে এবং সেলাররা টায়ার্ড! একে "স্ট্রং সেল" হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এখানে দুটো…
যেসব ধর্মীয় উৎসবগুলি গ্লোবালি ইমপ্যাক্ট ফেলে তার প্রতিটা ইভেন্টে স্টক, ক্রিপ্টো মার্কেট ক্রাশ করে। এটা মাথায় সেভ করে রাখবেন।
গত পরশু থেকে চাইনিজ, জাপানিজ মার্কেটগুলি ক্রাশ করা শুরু করেছিল এবং গতকাল থেকে ক্রিপ্টোর পতন হলো।
মূলত উৎসবের সময় প্রচুর ক্যাশ দরকার হয় সেজন্য ব্যাংকে চাপ পরে আপনারা জানেন। বড় একটা অংশ ক্রিপ্টোতে ইনভেস্টমেন্ট রাখে। তারা টাকা তুলে নেয় ফলে বাজার দ্রুত নেমে যায়।
সহজ জিনিসগুলি বুঝলে ট্রেডিং করে মজা পাবেন। ২৩ তারিখেই বলে দিসিলাম ঈদের সময় মার্কেট নামার সম্ভাবনা থাকে। যারা সতর্ক ছিলেন তারা শর্ট ট্রেড করে প্রফিট তুলে নিসেন।
বিটিসি ৭২ তে নেমে গেছে। এনালাইসিস বলছে ৭০ সম্ভাবনা আছে তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এটা মেলে না। তাই ধরে নিচ্ছি, ৭২৮০০ লাস্ট রেঞ্জ। তারপরই মার্কেট রিকোভার করবে।
দেখা যাচ্ছে ENA, SUI, SOL, LINK, ARB, NEAR থেকে ৫-১০% প্রফিট চলে আসবে।
এবং টপ লেভেল হিসাবে btc, eth কিনলেও ভালো হয় যদি একেবারে সেফ থাকতে চান।
ঈদ মোবারক ❤️
গত পরশু থেকে চাইনিজ, জাপানিজ মার্কেটগুলি ক্রাশ করা শুরু করেছিল এবং গতকাল থেকে ক্রিপ্টোর পতন হলো।
মূলত উৎসবের সময় প্রচুর ক্যাশ দরকার হয় সেজন্য ব্যাংকে চাপ পরে আপনারা জানেন। বড় একটা অংশ ক্রিপ্টোতে ইনভেস্টমেন্ট রাখে। তারা টাকা তুলে নেয় ফলে বাজার দ্রুত নেমে যায়।
সহজ জিনিসগুলি বুঝলে ট্রেডিং করে মজা পাবেন। ২৩ তারিখেই বলে দিসিলাম ঈদের সময় মার্কেট নামার সম্ভাবনা থাকে। যারা সতর্ক ছিলেন তারা শর্ট ট্রেড করে প্রফিট তুলে নিসেন।
বিটিসি ৭২ তে নেমে গেছে। এনালাইসিস বলছে ৭০ সম্ভাবনা আছে তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এটা মেলে না। তাই ধরে নিচ্ছি, ৭২৮০০ লাস্ট রেঞ্জ। তারপরই মার্কেট রিকোভার করবে।
দেখা যাচ্ছে ENA, SUI, SOL, LINK, ARB, NEAR থেকে ৫-১০% প্রফিট চলে আসবে।
এবং টপ লেভেল হিসাবে btc, eth কিনলেও ভালো হয় যদি একেবারে সেফ থাকতে চান।
ঈদ মোবারক ❤️
🔥23❤🔥2
ক্রিপ্টো ট্রেডিং করার জন্য সহজ সূত্র বলে দেবো ?
যে ট্রেডিং এর বেসিক বাদে কিছুই জানে না, সে কি কি জিনিস অনুসরণ করেই যেকোনো কয়েন কিনতে ও বিক্রি করতে পারবে ।
কখন ট্রেড নিতে হবে, কখন বিরত থাকা লাগবে । কখন বুঝতে হবে এখন লাভ হয়েছে লসের আগেই বিক্রি করা নিরাপদ হবে ।
কোন কোন সহজ জিনিসগুলি মনে রাখলে যে কেউ ট্রেড করতে পারবে ।
আমি কি কিছু কৌশল বলে দেবো যা ট্রেডাররা অনুসরণ করে ?
কয়েকটা কৌশল এবং উদাহরন দিয়ে বলে দেবো????
যে ট্রেডিং এর বেসিক বাদে কিছুই জানে না, সে কি কি জিনিস অনুসরণ করেই যেকোনো কয়েন কিনতে ও বিক্রি করতে পারবে ।
কখন ট্রেড নিতে হবে, কখন বিরত থাকা লাগবে । কখন বুঝতে হবে এখন লাভ হয়েছে লসের আগেই বিক্রি করা নিরাপদ হবে ।
কোন কোন সহজ জিনিসগুলি মনে রাখলে যে কেউ ট্রেড করতে পারবে ।
আমি কি কিছু কৌশল বলে দেবো যা ট্রেডাররা অনুসরণ করে ?
কয়েকটা কৌশল এবং উদাহরন দিয়ে বলে দেবো????
🥰21👍3
🔥5❤🔥1👏1
🔥6❤🔥1
❤🔥2🔥1
❤🔥3
বিটকয়েন বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ৭০,০০০ ডলার ব্রেক করে নিচে নেমে এসেছে, যা শর্ট টার্মে মার্কেটের উইকনেস নির্দেশ করে। এই মুভটিকে অনেকাংশে লিকুইডিটি হান্ট বলা যেতে পারে, যেখানে ওভার লিভারেজড লং পজিশনগুলো লিকুইডেট হয়েছে, তবে এটাকে সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্টেড বলা ঠিক নয়, কারণ মার্কেট সবসময় মাল্টিপল ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে মুভ করে।
বর্তমানে ৪ ঘণ্টা এবং ডেইলি চার্টে প্রাইস অ্যাকশন নিম্নমুখী দেখা যাচ্ছে, তাই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নজর রাখতে হবে ৬৮,৩৪৮ ডলারের ফিবোনাচ্চি ০.৩৮২ লেভেলের দিকে। এই লেভেলটি একটি পসিবল শর্ট টার্ম সাপোর্ট হতে পারে, তবে এটি হোল্ড করবে কিনা সেটি কনফার্মেশন ছাড়া ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
যদি প্রাইস এই জোনে স্ট্রং রিঅ্যাকশন দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী সম্ভাব্য ডিমান্ড এরিয়া হতে পারে ৬৫,০০০ থেকে ৬৭,৫০০ ডলারের জোন, যেটি একটি শক্তিশালী অর্ডার ব্লক হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এই জোনেও সরাসরি বাউন্স হবে এমন নিশ্চিত কিছু নেই, বরং প্রাইস অ্যাকশন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বেশি নিরাপদ।
মার্কেট যদি আরও দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে ডিপার কারেকশনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যেখানে প্রাইস ৫৮,০০০ থেকে ৬২,০০০ ডলারের উইকলি সুইং লো এরিয়ায় রিটেস্ট করতে পারে। এই ধরনের মুভ সাধারণত হায়ার টাইমফ্রেম কারেকশনের অংশ হিসেবে দেখা যায়।
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজির ক্ষেত্রে, এই মুহূর্তে ফিউচার লিভারেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ইমোশনাল ট্রেডিং এড়িয়ে চলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেট মেকাররা প্রায়ই দুই দিকেই উইক তৈরি করে স্টপ লস হান্ট করে, তাই তাড়াহুড়া করে এন্ট্রি নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
স্পট ইনভেস্টরদের জন্য, ধাপে ধাপে ডিসিএ পদ্ধতিতে ৬৮,০০০ এবং ৬৫,০০০ ডলারের আশেপাশে পজিশন নেওয়া একটি যুক্তিসঙ্গত স্ট্র্যাটেজি হতে পারে, তবে সম্পূর্ণ ফান্ড একবারে ব্যবহার না করে স্টেজড এন্ট্রি (DCA) করা উচিত।
DYOR
বর্তমানে ৪ ঘণ্টা এবং ডেইলি চার্টে প্রাইস অ্যাকশন নিম্নমুখী দেখা যাচ্ছে, তাই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নজর রাখতে হবে ৬৮,৩৪৮ ডলারের ফিবোনাচ্চি ০.৩৮২ লেভেলের দিকে। এই লেভেলটি একটি পসিবল শর্ট টার্ম সাপোর্ট হতে পারে, তবে এটি হোল্ড করবে কিনা সেটি কনফার্মেশন ছাড়া ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
যদি প্রাইস এই জোনে স্ট্রং রিঅ্যাকশন দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী সম্ভাব্য ডিমান্ড এরিয়া হতে পারে ৬৫,০০০ থেকে ৬৭,৫০০ ডলারের জোন, যেটি একটি শক্তিশালী অর্ডার ব্লক হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এই জোনেও সরাসরি বাউন্স হবে এমন নিশ্চিত কিছু নেই, বরং প্রাইস অ্যাকশন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বেশি নিরাপদ।
মার্কেট যদি আরও দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে ডিপার কারেকশনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যেখানে প্রাইস ৫৮,০০০ থেকে ৬২,০০০ ডলারের উইকলি সুইং লো এরিয়ায় রিটেস্ট করতে পারে। এই ধরনের মুভ সাধারণত হায়ার টাইমফ্রেম কারেকশনের অংশ হিসেবে দেখা যায়।
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজির ক্ষেত্রে, এই মুহূর্তে ফিউচার লিভারেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ইমোশনাল ট্রেডিং এড়িয়ে চলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেট মেকাররা প্রায়ই দুই দিকেই উইক তৈরি করে স্টপ লস হান্ট করে, তাই তাড়াহুড়া করে এন্ট্রি নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
স্পট ইনভেস্টরদের জন্য, ধাপে ধাপে ডিসিএ পদ্ধতিতে ৬৮,০০০ এবং ৬৫,০০০ ডলারের আশেপাশে পজিশন নেওয়া একটি যুক্তিসঙ্গত স্ট্র্যাটেজি হতে পারে, তবে সম্পূর্ণ ফান্ড একবারে ব্যবহার না করে স্টেজড এন্ট্রি (DCA) করা উচিত।
DYOR
🔥14
APT তে মাইক্রোসফট ও ব্ল্যাকরকের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। অক্টোবর নাগাদ প্রতি মাসে ২ মিলিয়নের বেশি টোকেন আনলক শেষ হবে। এবং ২.১ বিলিয়ন টোকেনের ভেতর সীমাবন্ধতার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাই আশা করা যেতে পারে ২০২৮ সালের নেক্সট বিটকয়েন হাভিং পর্যন্ত APT ৫ ডলার অতিক্রম করতে পারে বলে এক্সপার্ট মহল বলছে।
যাদের কাছে APT রয়েছে তারা Long Term ( 4 months) / Flexible স্টেকিং এর জন্য idle token গুলি লক করে দিন। হুদাই ফেলে রেখে লাভ নাই।
যাদের কাছে APT রয়েছে তারা Long Term ( 4 months) / Flexible স্টেকিং এর জন্য idle token গুলি লক করে দিন। হুদাই ফেলে রেখে লাভ নাই।
👍4🔥3
BTC এখন পরিষ্কারভাবে downtrend এ আছে, তবে RSI oversold হওয়ায় short term এ একটা bounce আসতে পারে, যেখানে প্রাইস 64k থেকে 67k বা 68k পর্যন্ত উঠতে পারে, কিন্তু এটা মূল trend change না, শুধু temporary relief, অন্যদিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ support 61,300, এই লেভেলটা ভেঙে গেলে মার্কেট দ্রুত 58k থেকে 56k পর্যন্ত নামতে পারে, তাই এখন safest view হচ্ছে ছোট bounce possible কিন্তু overall market এখনো bearish এবং strong buy signal এখনো confirm হয়নি।
👍14🔥1
টপ লেভেল কয়েনের ভেতর বিটিসি ও ইথার বাদে Near, LTC, link, Sol, Sui, Ena দারুণ পজিশনে আছে... 😚
❤🔥5
পাবলিক ডরাইসে 😂
গতকাল বিটিসি ভলিউম আড়াই বিলিয়ন ও ইথার দেড় বিলিয়ন ছিল। আজকে দাম আরো কমতেছে। হাই সেলিং প্রেসারে পরেছে মার্কেট। যখন ডিসিএ করার কথা তখন পালাচ্ছে। পালিয়ে ভালোই হইসে। ডিসিএ করা লাগলো না। একবারে আরেকটু নিচে যদি পাই তখন শুরু করবো। প্ল্যান আছে বিটিসি ৬১৫০০ তে যদি নামে তাহলে ডিসিএ শুরু করবো নয়ত চুপচাপ দেখবো। আমার এত লোভ টোভ নাই 🙈
গতকাল বিটিসি ভলিউম আড়াই বিলিয়ন ও ইথার দেড় বিলিয়ন ছিল। আজকে দাম আরো কমতেছে। হাই সেলিং প্রেসারে পরেছে মার্কেট। যখন ডিসিএ করার কথা তখন পালাচ্ছে। পালিয়ে ভালোই হইসে। ডিসিএ করা লাগলো না। একবারে আরেকটু নিচে যদি পাই তখন শুরু করবো। প্ল্যান আছে বিটিসি ৬১৫০০ তে যদি নামে তাহলে ডিসিএ শুরু করবো নয়ত চুপচাপ দেখবো। আমার এত লোভ টোভ নাই 🙈
👏16
Tech Tips 360°
BTC এখন পরিষ্কারভাবে downtrend এ আছে, তবে RSI oversold হওয়ায় short term এ একটা bounce আসতে পারে, যেখানে প্রাইস 64k থেকে 67k বা 68k পর্যন্ত উঠতে পারে, কিন্তু এটা মূল trend change না, শুধু temporary relief, অন্যদিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ support 61,300, এই লেভেলটা…
বাজারে কড়া নজর রাখবেন। ৫৮ হিট করলে ডিসিএ শুরু করতে পারেন। যাদের বাজেট কম বিটিসি ও ইথার এবং আরো শর্টলি, বিটিসির বাইরে টাকা ঢালবেন না।
👍3
এবারের ক্রিপ্টো বাজার অনেককে টাকা পয়সা দিবে কারণ ৫৮ হিট করার আগে আমরা বড় পার্চেজ থেকে বিরত রয়েছি। তাই এলেমেলো কিনে টাকা ঝুলায়া রাখতেছি না। এই পজিশন থেকে বিটকয়েন ৮০ হাজার হিট করলে হিউজ প্রফিট পকেটে ঢুকবে ইনশাল্লাহ্।
একটা "তবে" আছে।
বড় কিছু হোয়েল ফার্ম টাকা সরাচ্ছে ক্রিপ্টো থেকে। গুজব রয়েছে, আমেরিকা ২০২৭ এর শুরুতে বৃহৎ পরিসরে ব্রিকসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পায়তারা করছে ডলারকে বাঁচাতে। মরার আগে সবাই শেষ আঘাত করে, আমেরিকা যদি এটা করে তাহলে ২০২৭ সালে ভবিতব্য ইকোনমি বাবল ব্লাস্টের যে আশংকা প্রচার হচ্ছে, এটা ঘটলে স্টক, ক্রিপ্টো, কমোডিটিসে ৮৫ এর আগে বিশ্ব ভয়াবহ ধ্বস দেখেছিল, তেমন হলে মিনিমাম হাফ দশক লাগবে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে। সেই আশংকা যদি ব্যবসায়ীরা করে তাহলে ক্রিপ্টো এবার নাও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এরকম বহু ক্যালকুলেশন বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার উপর এখন জানা গেলো ক্রিপ্টো কেন ডিসেন্ট্রালাইজ আইটেম নয়। আমেরিকা সহজেই যেকারো ফান্ড জয় বাংলা করতে পারে ☹️ এই ঘটনা ক্রিপ্টের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো।
যেসব আশংকা ও ঝুঁকি বাজারে আলোচনা হচ্ছে সেগুলি না ঘটলে আমরা ভালো রিটার্ন পাবো ইনশাল্লাহ্! এবং মার্কেট যেখানে রয়েছে ক্রিপ্টো এনালিস্ট ফার্মগুলি বলছে বিটকয়েন বছর শেষের আগেই ১৩০+ অতিক্রম করার জোর সম্ভাবনা আছে। এসব পজিটিভ খবর। এসব বাজারকে চাঙ্গা করে।
একটা "তবে" আছে।
বড় কিছু হোয়েল ফার্ম টাকা সরাচ্ছে ক্রিপ্টো থেকে। গুজব রয়েছে, আমেরিকা ২০২৭ এর শুরুতে বৃহৎ পরিসরে ব্রিকসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পায়তারা করছে ডলারকে বাঁচাতে। মরার আগে সবাই শেষ আঘাত করে, আমেরিকা যদি এটা করে তাহলে ২০২৭ সালে ভবিতব্য ইকোনমি বাবল ব্লাস্টের যে আশংকা প্রচার হচ্ছে, এটা ঘটলে স্টক, ক্রিপ্টো, কমোডিটিসে ৮৫ এর আগে বিশ্ব ভয়াবহ ধ্বস দেখেছিল, তেমন হলে মিনিমাম হাফ দশক লাগবে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে। সেই আশংকা যদি ব্যবসায়ীরা করে তাহলে ক্রিপ্টো এবার নাও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এরকম বহু ক্যালকুলেশন বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার উপর এখন জানা গেলো ক্রিপ্টো কেন ডিসেন্ট্রালাইজ আইটেম নয়। আমেরিকা সহজেই যেকারো ফান্ড জয় বাংলা করতে পারে ☹️ এই ঘটনা ক্রিপ্টের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো।
যেসব আশংকা ও ঝুঁকি বাজারে আলোচনা হচ্ছে সেগুলি না ঘটলে আমরা ভালো রিটার্ন পাবো ইনশাল্লাহ্! এবং মার্কেট যেখানে রয়েছে ক্রিপ্টো এনালিস্ট ফার্মগুলি বলছে বিটকয়েন বছর শেষের আগেই ১৩০+ অতিক্রম করার জোর সম্ভাবনা আছে। এসব পজিটিভ খবর। এসব বাজারকে চাঙ্গা করে।
❤🔥20🔥3
🚀 ইতিহাসের সবচেয়ে বড় IPO আসছে, SpaceX শেয়ার কিনে কি রাতারাতি কোটিপতি হওয়া যাবে ;-)
মহাকাশ বিজয়ের গল্প এবার নেমে আসছে সাধারণ মানুষের পকেটে, Elon Musk তার সবচেয়ে বড় চমক দিতে চলেছেন, প্রথমবারের মতো SpaceX শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা, কারণ এটি হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় IPO, কিন্তু এই সুযোগ আসলেই লাভের নাকি ফাঁদের, বিনিয়োগের আগে জেনে নিন পুরো সত্য।
SpaceX তাদের IPO এর মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের মূলধন তোলার পরিকল্পনা করেছে, যেখানে মোট ৫৫ কোটি ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৫টি শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে, প্রতিটি শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৫ ডলার, এই বিক্রির মাধ্যমে কোম্পানির লক্ষ্য প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার তোলা, আর এই IPO সম্পন্ন হলে কোম্পানির মোট ভ্যালুয়েশন দাঁড়াবে প্রায় ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যা একে বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্রাইভেট কোম্পানি থেকে সরাসরি টপ লেভেল পাবলিক কোম্পানির কাতারে নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ থেকে এই শেয়ার কেনা কিছুটা জটিল হলেও অসম্ভব না, প্রথমেই একটি আন্তর্জাতিক ব্রোকারেজ প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে, যেমন Interactive Brokers, Charles Schwab বা Fidelity International, যেখানে পাসপোর্ট, NID এবং ঠিকানার প্রমাণ দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে, এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মেনে বিদেশে টাকা পাঠানোর অনুমতি নিতে হবে, কারণ সরাসরি বিনিয়োগের জন্য Capital Account Transaction অনুমোদন প্রয়োজন হয়, তারপর ডলার ফান্ডিং করতে হবে ডুয়াল কারেন্সি কার্ড বা ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে, সবশেষে যখন SpaceX এর ticker চালু হবে তখন সরাসরি buy অর্ডার দিয়ে শেয়ার কিনতে পারবেন।
গত ৯০ দিনে Elon Musk এর কোম্পানিগুলোর পারফরম্যান্স দেখলে বোঝা যায় বাজার কতটা অস্থির, SpaceX এর ভ্যালুয়েশন প্রায় ৮৫ শতাংশ বেড়ে প্রাইভেট মার্কেট থেকে IPO তে এসে ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, Tesla এর শেয়ার মার্চে ৩৯৮ ডলার থেকে নেমে ৩৪৩ ডলার হয়ে আবার মে মাসে ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত উঠে বর্তমানে প্রায় ৩৯১ ডলারের কাছাকাছি অবস্থানে আছে, আর X যা আগে Twitter নামে পরিচিত ছিল সেটি এখন সম্পূর্ণ প্রাইভেট, তবে এটিকে xAI এবং SpaceX এর সাথে একীভূত করার পরিকল্পনা চলছে।
এই শেয়ারে লাভের সম্ভাবনা যেমন বিশাল তেমনি ঝুঁকিও কম না, Starlink ইতিমধ্যেই ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক নিয়ে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাজারে আধিপত্য বিস্তার করেছে, পাশাপাশি রকেট লঞ্চ এবং NASA প্রজেক্ট SpaceX কে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী অবস্থানে রাখছে, তবে ১৩৫ ডলারের IPO মূল্য অনেক বিশ্লেষকের মতে ওভারভ্যালুড, এছাড়া মহাকাশ প্রকল্পে যেকোনো দুর্ঘটনা বা ব্যর্থতা শেয়ারের দামে বড় ধাক্কা দিতে পারে, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ বিনিয়োগকারীরা Class A শেয়ার পাবে যার ভোটিং পাওয়ার কম, আর কোম্পানির প্রায় ৮২.৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ থাকবে Elon Musk এর হাতে।
এই IPO পুরো গ্লোবাল মার্কেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, Nasdaq Index শক্তিশালী হতে পারে যদি IPO সফল হয়, তবে একসাথে এত বড় অঙ্কের অর্থ বাজার থেকে SpaceX এ চলে গেলে Apple, Microsoft এর মতো বড় কোম্পানির শেয়ারে সাময়িক চাপ তৈরি হতে পারে, একই সাথে ক্রিপ্টো মার্কেটেও অস্থিরতা বাড়তে পারে, বিশেষ করে Dogecoin এবং Bitcoin এর মতো কয়েনে, কারণ Elon Musk এর বড় কোনো মুভমেন্ট সাধারণত ক্রিপ্টো মার্কেটে তীব্র প্রভাব ফেলে।
সবকিছু মিলিয়ে SpaceX IPO হতে যাচ্ছে একদিকে বিশাল সুযোগ, অন্যদিকে বড় ঝুঁকির খেলা, তাই বিনিয়োগ করার আগে হাইপ নয়, হিসাব দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
মহাকাশ বিজয়ের গল্প এবার নেমে আসছে সাধারণ মানুষের পকেটে, Elon Musk তার সবচেয়ে বড় চমক দিতে চলেছেন, প্রথমবারের মতো SpaceX শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তুমুল উত্তেজনা, কারণ এটি হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় IPO, কিন্তু এই সুযোগ আসলেই লাভের নাকি ফাঁদের, বিনিয়োগের আগে জেনে নিন পুরো সত্য।
SpaceX তাদের IPO এর মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের মূলধন তোলার পরিকল্পনা করেছে, যেখানে মোট ৫৫ কোটি ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৫টি শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে, প্রতিটি শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৫ ডলার, এই বিক্রির মাধ্যমে কোম্পানির লক্ষ্য প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার তোলা, আর এই IPO সম্পন্ন হলে কোম্পানির মোট ভ্যালুয়েশন দাঁড়াবে প্রায় ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যা একে বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্রাইভেট কোম্পানি থেকে সরাসরি টপ লেভেল পাবলিক কোম্পানির কাতারে নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ থেকে এই শেয়ার কেনা কিছুটা জটিল হলেও অসম্ভব না, প্রথমেই একটি আন্তর্জাতিক ব্রোকারেজ প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে, যেমন Interactive Brokers, Charles Schwab বা Fidelity International, যেখানে পাসপোর্ট, NID এবং ঠিকানার প্রমাণ দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে, এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মেনে বিদেশে টাকা পাঠানোর অনুমতি নিতে হবে, কারণ সরাসরি বিনিয়োগের জন্য Capital Account Transaction অনুমোদন প্রয়োজন হয়, তারপর ডলার ফান্ডিং করতে হবে ডুয়াল কারেন্সি কার্ড বা ব্যাংক ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে, সবশেষে যখন SpaceX এর ticker চালু হবে তখন সরাসরি buy অর্ডার দিয়ে শেয়ার কিনতে পারবেন।
গত ৯০ দিনে Elon Musk এর কোম্পানিগুলোর পারফরম্যান্স দেখলে বোঝা যায় বাজার কতটা অস্থির, SpaceX এর ভ্যালুয়েশন প্রায় ৮৫ শতাংশ বেড়ে প্রাইভেট মার্কেট থেকে IPO তে এসে ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, Tesla এর শেয়ার মার্চে ৩৯৮ ডলার থেকে নেমে ৩৪৩ ডলার হয়ে আবার মে মাসে ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত উঠে বর্তমানে প্রায় ৩৯১ ডলারের কাছাকাছি অবস্থানে আছে, আর X যা আগে Twitter নামে পরিচিত ছিল সেটি এখন সম্পূর্ণ প্রাইভেট, তবে এটিকে xAI এবং SpaceX এর সাথে একীভূত করার পরিকল্পনা চলছে।
এই শেয়ারে লাভের সম্ভাবনা যেমন বিশাল তেমনি ঝুঁকিও কম না, Starlink ইতিমধ্যেই ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক নিয়ে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাজারে আধিপত্য বিস্তার করেছে, পাশাপাশি রকেট লঞ্চ এবং NASA প্রজেক্ট SpaceX কে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী অবস্থানে রাখছে, তবে ১৩৫ ডলারের IPO মূল্য অনেক বিশ্লেষকের মতে ওভারভ্যালুড, এছাড়া মহাকাশ প্রকল্পে যেকোনো দুর্ঘটনা বা ব্যর্থতা শেয়ারের দামে বড় ধাক্কা দিতে পারে, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ বিনিয়োগকারীরা Class A শেয়ার পাবে যার ভোটিং পাওয়ার কম, আর কোম্পানির প্রায় ৮২.৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ থাকবে Elon Musk এর হাতে।
এই IPO পুরো গ্লোবাল মার্কেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, Nasdaq Index শক্তিশালী হতে পারে যদি IPO সফল হয়, তবে একসাথে এত বড় অঙ্কের অর্থ বাজার থেকে SpaceX এ চলে গেলে Apple, Microsoft এর মতো বড় কোম্পানির শেয়ারে সাময়িক চাপ তৈরি হতে পারে, একই সাথে ক্রিপ্টো মার্কেটেও অস্থিরতা বাড়তে পারে, বিশেষ করে Dogecoin এবং Bitcoin এর মতো কয়েনে, কারণ Elon Musk এর বড় কোনো মুভমেন্ট সাধারণত ক্রিপ্টো মার্কেটে তীব্র প্রভাব ফেলে।
সবকিছু মিলিয়ে SpaceX IPO হতে যাচ্ছে একদিকে বিশাল সুযোগ, অন্যদিকে বড় ঝুঁকির খেলা, তাই বিনিয়োগ করার আগে হাইপ নয়, হিসাব দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
👍4🔥3👏1
সাধারণ চিরুণীর মত দেখা গেলেও হাতল টান দিলে ধারালো ছুরি বেরিয়ে আসে।
রাস্তাঘাটে চলাফেরার জন্য এরকম একটা চিরুণী আপনার নিরাপত্তা আরেকটু বাড়িয়ে দিবে। অসাধু লোকেরা যখন হাতে ছুরি দেখবে তখন আপনাকে সহজ শিকার হিসাবে টার্গেট করবে না। কোন বিপদে পতিত হওয়ার ঝুঁকি থাকলে চাকুটা বের করে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।
আপনার প্রেয়সী, স্ত্রী, বোনকে এই দুর্দান্ত চিরুণী উপহার দিতে পারেন। তারা খুশি হবে। আপনি যে তার প্রতি দ্বায়িত্বশীল, এই ছোট উপহারে বুঝিয়ে দিতে পারবেন।
আজকে ৮ই জুন শেষ হচ্ছে আমাদের প্রি-অর্ডার গ্রহণ। পণ্যের শিপমেন্ট আগামী ১০-১২ দিনে দেশে এসে পৌঁছাবে।
ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ Ellora Stall. পেজে মেসেজ দিন বিস্তারিত তথ্য ও দাম জানতে।
পেজ লিংক: https://www.facebook.com/share/1D1gK1d6qB/
আর পেজ ফলো দিয়ে আমাকে সাপোর্ট দিন। কি ধরণের পণ্য চান জানাবেন, সেগুলি আনার ব্যবস্থা করবো ইনশাল্লাহ!
রাস্তাঘাটে চলাফেরার জন্য এরকম একটা চিরুণী আপনার নিরাপত্তা আরেকটু বাড়িয়ে দিবে। অসাধু লোকেরা যখন হাতে ছুরি দেখবে তখন আপনাকে সহজ শিকার হিসাবে টার্গেট করবে না। কোন বিপদে পতিত হওয়ার ঝুঁকি থাকলে চাকুটা বের করে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।
আপনার প্রেয়সী, স্ত্রী, বোনকে এই দুর্দান্ত চিরুণী উপহার দিতে পারেন। তারা খুশি হবে। আপনি যে তার প্রতি দ্বায়িত্বশীল, এই ছোট উপহারে বুঝিয়ে দিতে পারবেন।
আজকে ৮ই জুন শেষ হচ্ছে আমাদের প্রি-অর্ডার গ্রহণ। পণ্যের শিপমেন্ট আগামী ১০-১২ দিনে দেশে এসে পৌঁছাবে।
ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ Ellora Stall. পেজে মেসেজ দিন বিস্তারিত তথ্য ও দাম জানতে।
পেজ লিংক: https://www.facebook.com/share/1D1gK1d6qB/
আর পেজ ফলো দিয়ে আমাকে সাপোর্ট দিন। কি ধরণের পণ্য চান জানাবেন, সেগুলি আনার ব্যবস্থা করবো ইনশাল্লাহ!
2🔥7😱3👍2
বিভিন্ন অ্যাপে খেলা দেখতে যারা সমস্যা ফেস করছেন তারা falcon cast ইন্সটল করুন
🔥7😱3
football live: যারা ক্লিয়ার খেলা দেখতে চান .
গুগল এ Rtb go search din website a jan tarpor rtb neka live dekhun free brunei ar national tv free stream and full clear
গুগল এ Rtb go search din website a jan tarpor rtb neka live dekhun free brunei ar national tv free stream and full clear