https://www.facebook.com/share/1MPMkbi9fc/
আইডিতে রিপোর্ট মারেন সবাই। স্ক্যামার। পিরোজপুরে বসে চুরি-চামারি করে
আইডিতে রিপোর্ট মারেন সবাই। স্ক্যামার। পিরোজপুরে বসে চুরি-চামারি করে
👍3
Forwarded from Tech Tips 360° (Mehedi Hasan Ishaan)
✅BTC Update
মার্কেট যদি বর্তমান নেগেটিভ অবস্থা ফেস করতে থাকে তাহলে ৩-৭ দিনের ভেতর বিটকয়েন ৭৬ হাজারের আশেপাশে নেমে যেতে পারে । বিটকয়েন বর্তমানে ৭৯৩০০-৮০২০০ এর ভেতর ট্রেড হচ্ছে ।
৭৬ হাজারে নেমে যেতে ২ টা দৃশ্যের উপর নির্ভর করছে ।
১. আজকে শুক্রবার মার্কিন জবস রিপোর্ট যদি নেগেটিভ আসে ও যুদ্ধের উত্তেজনা যদি বৃদ্ধি পায় তাহলে ট্রেডাররা ফান্ড সরিয়ে নিবে ফলে প্যানিক সেলিং এর কারণে আগামী সপ্তাহের শুরুর আগেই অর্থাৎ সোম-মঙ্গলবারের মধ্যে ৭৬০০০-৭৬৫০০ সাপোর্ট জোনে নেমে যাবে ।
২. যদি নেগেটিভ খবর না আসে তাহলে মার্কেট ধীরে প্রফিট বুকিং ফেইস করবে । কারণ এপ্রিলের শেষদিক থেকে মার্কেট ভালো পাম্প করেছে ফলে ট্রেডাররা প্রফিট বুকিং শুরু করেছে । তবু আগামী কয়েকদিন ৭৮৫০০-৮১০০০ এর মধ্যে উঠা-নামা করতে পারে । এরপর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ ১৫ মের ভেতর ৭৬০০০ টেস্ট লাইনে নেমে যেতে পারে ।
উল্লেখ্য যে, বিটকয়েন যদি এই মাসের শেষে ৭৬ হাজারের নিচে ক্লোজিং দেয় তাহলে আবারো বিয়ারিশ দেখা যাবে । তবে ৭৬ হাজার জোনে প্রচুর বাই অর্ডার দেখা যাচ্ছে । ফলে এখান থেকে মার্কেট আবার ঘুরে দাঁড়াতেও পারে ।
অন্যদিকে বিটকয়েন যখন ৭৬ এর ঘরে নেমে যাবে তখন অলটকয়েনগুলি ১০-২০% নিচে নেমে যাবে । এতে করে ভালো টোকেনগুলি পুনরায় কিনে প্রফিট জেনারেট করার সুযোগ তৈরি হবে ।
মার্কেট যদি বর্তমান নেগেটিভ অবস্থা ফেস করতে থাকে তাহলে ৩-৭ দিনের ভেতর বিটকয়েন ৭৬ হাজারের আশেপাশে নেমে যেতে পারে । বিটকয়েন বর্তমানে ৭৯৩০০-৮০২০০ এর ভেতর ট্রেড হচ্ছে ।
৭৬ হাজারে নেমে যেতে ২ টা দৃশ্যের উপর নির্ভর করছে ।
১. আজকে শুক্রবার মার্কিন জবস রিপোর্ট যদি নেগেটিভ আসে ও যুদ্ধের উত্তেজনা যদি বৃদ্ধি পায় তাহলে ট্রেডাররা ফান্ড সরিয়ে নিবে ফলে প্যানিক সেলিং এর কারণে আগামী সপ্তাহের শুরুর আগেই অর্থাৎ সোম-মঙ্গলবারের মধ্যে ৭৬০০০-৭৬৫০০ সাপোর্ট জোনে নেমে যাবে ।
২. যদি নেগেটিভ খবর না আসে তাহলে মার্কেট ধীরে প্রফিট বুকিং ফেইস করবে । কারণ এপ্রিলের শেষদিক থেকে মার্কেট ভালো পাম্প করেছে ফলে ট্রেডাররা প্রফিট বুকিং শুরু করেছে । তবু আগামী কয়েকদিন ৭৮৫০০-৮১০০০ এর মধ্যে উঠা-নামা করতে পারে । এরপর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ ১৫ মের ভেতর ৭৬০০০ টেস্ট লাইনে নেমে যেতে পারে ।
উল্লেখ্য যে, বিটকয়েন যদি এই মাসের শেষে ৭৬ হাজারের নিচে ক্লোজিং দেয় তাহলে আবারো বিয়ারিশ দেখা যাবে । তবে ৭৬ হাজার জোনে প্রচুর বাই অর্ডার দেখা যাচ্ছে । ফলে এখান থেকে মার্কেট আবার ঘুরে দাঁড়াতেও পারে ।
অন্যদিকে বিটকয়েন যখন ৭৬ এর ঘরে নেমে যাবে তখন অলটকয়েনগুলি ১০-২০% নিচে নেমে যাবে । এতে করে ভালো টোকেনগুলি পুনরায় কিনে প্রফিট জেনারেট করার সুযোগ তৈরি হবে ।
👍8
বিটিসি প্রত্যাশিত ৭৬০০০ তে নেমে গেছে।
বর্তমানে ৭৫৫০০+ অতিক্রম করে নিচে গেছে। তবে এক্সট্রিম কেসে RSI 30 থেকে RSI 18 নেমে গেছে।
যা নির্দেশ করছে গত কয়েক ঘণ্টায় রাশ সেলিং হচ্ছে এবং সেলাররা টায়ার্ড!
একে "স্ট্রং সেল" হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
এখানে দুটো লজিক রয়েছে।
RSI যদি ঘণ্টাখানেকের ভেতর 27 অতিক্রম করে তাহলে চলতি রেটে বিটকয়েন কেনা উপযুক্ত ধরা যেতে পারে।
যদি RSI বৃদ্ধির গতি ধীর হয় কিংবা 18 থেকে আরো নিচে 10-12 নেমে যায় তাহলে আমাদের অপেক্ষা বাড়বে।
এছাড়া ৭৫০০০ এর বেজ যদি ভেঙ্গে নেমে যায় তাহলে ৭০ হাজার পর্যন্ত নেমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
যেহেতু সামনে বিশ্বব্যাপী বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা রয়েছে তাই ক্যাশ মানির ডিমান্ড রয়েছে তাই বাজার নিচে যাওয়ার একটা জোড়ালো সম্ভাবনা রয়েছে।
আপাতত এন্ট্রি নেয়া দরকার নাই।
বর্তমানে ৭৫৫০০+ অতিক্রম করে নিচে গেছে। তবে এক্সট্রিম কেসে RSI 30 থেকে RSI 18 নেমে গেছে।
যা নির্দেশ করছে গত কয়েক ঘণ্টায় রাশ সেলিং হচ্ছে এবং সেলাররা টায়ার্ড!
একে "স্ট্রং সেল" হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
এখানে দুটো লজিক রয়েছে।
RSI যদি ঘণ্টাখানেকের ভেতর 27 অতিক্রম করে তাহলে চলতি রেটে বিটকয়েন কেনা উপযুক্ত ধরা যেতে পারে।
যদি RSI বৃদ্ধির গতি ধীর হয় কিংবা 18 থেকে আরো নিচে 10-12 নেমে যায় তাহলে আমাদের অপেক্ষা বাড়বে।
এছাড়া ৭৫০০০ এর বেজ যদি ভেঙ্গে নেমে যায় তাহলে ৭০ হাজার পর্যন্ত নেমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
যেহেতু সামনে বিশ্বব্যাপী বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা রয়েছে তাই ক্যাশ মানির ডিমান্ড রয়েছে তাই বাজার নিচে যাওয়ার একটা জোড়ালো সম্ভাবনা রয়েছে।
আপাতত এন্ট্রি নেয়া দরকার নাই।
👍9
বাজারে নানারকম অ্যাপের ভীড়ে নতুন একটা ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাপ বা ওয়ালেট নজরে এলো। শুরুতেই একটু যাচাই বাছাই করলাম। কিছু ভিডিও দেখলাম। তবে নিরপেক্ষভাবে একটু বলতে চাই।
এটা হলো ফাসেট (Fasset)। অন্য দশটা অ্যাপের মতই সাইনআপ করে KYC করা লাগে যদি বিশাল এমাউন্ট লেনদেন করতে চান।
এখানকার সিকিউরিটি অপশনটা ভালোই স্ট্রং করেছে। একাউন্টের নিরাপত্তাটা বেশ ভালো রেখেছে।
বিশ্বব্যাপী লেনদেন করার জন্য Global USD Account বলা যায়। মেটা, গুগলের সার্ভিস, আমাজনে পে করার সুযোগ রয়েছে। তবে প্লাস্টিক কার্ড নাকি ডিসেম্বরে বাজারে আসতে পারে।
এখানো ক্রিপ্টোকারেন্সি রাখা যাবে। দেশ বিদেশের কোম্পানিগুলির স্টক কেনা যায় সরাসরি সিলেক্ট করেই, কোন প্যাচ নাই।
গোল্ড, সিলভার নিয়ে ইন্টারেস্ট থাকলে সেটাও কেনা যায়।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে ইউজার ইন্টারফেস। ব্যবহার করা যায় খুবই সহজে।
আপনি চাইলে ডলার কিনতে পারবেন, আবার সরাসরি পিটুপি তে বিক্রি করতে পারবেন। কোন ঝামেলা নাই আরেকবার বলবো। অ্যাপটা একটু ঘুরিয়ে দেখেই এটা বলছি।
আরেকটা জিনিস দেখলাম, ইন্টারনাল ফান্ড ট্রান্সফার সুবিধা আছে যেখানে কোন চার্জ নাই খুব সম্ভবত।
তবে Global USD ও ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড যদি পেতে চান তাহলে হাজারখানেক টাকা খরচ করে সার্ভিসগুলা একটিভেট করে নিতে হবে।
গুগল থেকে জানতে পারলাম এই কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী তবে শিশুকালে আমেরিকা চলে যান। তিনি ইথিকাল ফাইন্যান্স ও ব্লকচেইন নিয়ে কাজ করেন। আরো একটা তথ্য পেলাম, এই প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি সিরিজ বি ফান্ডিং (৫ কোটি ডলার) পেয়েছে। এদের অফিস দুবাইতে এবং তার আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা ডানিয়েল। ২০১৯ সালে এটা কার্যক্রম শুরু করে বলা হচ্ছে তবে অ্যাপ পাবলিশ হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর ২০২১। সেই তুলনায় ১ মিলিয়ন ডাউনলোড বেশ কম।
আগে কখনো এর প্রচার দেখিনি। আমি ইউটিউবে যাত্রা শেষ করেছি ২০২৫ সালের এপ্রিলে, তখনো এর নাম শুনি নি। তবে এটা যেহেতু সম্প্রতি বিরাট ফান্ড পেয়েছে তাই ধারণা করছি সাম্প্রতিক সময়েই তারা মার্কেটিংয়ে জোর দিয়েছে।
যাই হোক, সব মিলিয়ে অ্যাপটা খারাপ মনে হয়নি তবে যেকোন প্রজেক্টে বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে গেলে তাকে ভরসা করি না কারণ আট বছরের ইউটিউব ক্যারিয়ারে কোন বাংলাদেশী এডমিন স্ক্যাম না করে সৎভাবে টিকে নাই। বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে আছে জাভেদ করিমের ইউটিউবই দুই দশক টিকে আছে।
যেহেতু বড় ফান্ড পেয়েছে ও রাফির ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো, তাই মনে হচ্ছে ফাসেট ভালো করবে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে।
যারা গোল্ড, সিলভার বা স্টক বা ক্রিপ্টো সংগ্রহ করতে চান তারা অ্যাপটা ব্যবহার করতে পারেন। আমি আজকে ইন্সটল করলাম, আশা করি দারুণ অভিজ্ঞতা হবে।
App: Download Now
Invite Code:
এটা হলো ফাসেট (Fasset)। অন্য দশটা অ্যাপের মতই সাইনআপ করে KYC করা লাগে যদি বিশাল এমাউন্ট লেনদেন করতে চান।
এখানকার সিকিউরিটি অপশনটা ভালোই স্ট্রং করেছে। একাউন্টের নিরাপত্তাটা বেশ ভালো রেখেছে।
বিশ্বব্যাপী লেনদেন করার জন্য Global USD Account বলা যায়। মেটা, গুগলের সার্ভিস, আমাজনে পে করার সুযোগ রয়েছে। তবে প্লাস্টিক কার্ড নাকি ডিসেম্বরে বাজারে আসতে পারে।
এখানো ক্রিপ্টোকারেন্সি রাখা যাবে। দেশ বিদেশের কোম্পানিগুলির স্টক কেনা যায় সরাসরি সিলেক্ট করেই, কোন প্যাচ নাই।
গোল্ড, সিলভার নিয়ে ইন্টারেস্ট থাকলে সেটাও কেনা যায়।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে ইউজার ইন্টারফেস। ব্যবহার করা যায় খুবই সহজে।
আপনি চাইলে ডলার কিনতে পারবেন, আবার সরাসরি পিটুপি তে বিক্রি করতে পারবেন। কোন ঝামেলা নাই আরেকবার বলবো। অ্যাপটা একটু ঘুরিয়ে দেখেই এটা বলছি।
আরেকটা জিনিস দেখলাম, ইন্টারনাল ফান্ড ট্রান্সফার সুবিধা আছে যেখানে কোন চার্জ নাই খুব সম্ভবত।
তবে Global USD ও ভার্চুয়াল ভিসা কার্ড যদি পেতে চান তাহলে হাজারখানেক টাকা খরচ করে সার্ভিসগুলা একটিভেট করে নিতে হবে।
গুগল থেকে জানতে পারলাম এই কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী তবে শিশুকালে আমেরিকা চলে যান। তিনি ইথিকাল ফাইন্যান্স ও ব্লকচেইন নিয়ে কাজ করেন। আরো একটা তথ্য পেলাম, এই প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি সিরিজ বি ফান্ডিং (৫ কোটি ডলার) পেয়েছে। এদের অফিস দুবাইতে এবং তার আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা ডানিয়েল। ২০১৯ সালে এটা কার্যক্রম শুরু করে বলা হচ্ছে তবে অ্যাপ পাবলিশ হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর ২০২১। সেই তুলনায় ১ মিলিয়ন ডাউনলোড বেশ কম।
আগে কখনো এর প্রচার দেখিনি। আমি ইউটিউবে যাত্রা শেষ করেছি ২০২৫ সালের এপ্রিলে, তখনো এর নাম শুনি নি। তবে এটা যেহেতু সম্প্রতি বিরাট ফান্ড পেয়েছে তাই ধারণা করছি সাম্প্রতিক সময়েই তারা মার্কেটিংয়ে জোর দিয়েছে।
যাই হোক, সব মিলিয়ে অ্যাপটা খারাপ মনে হয়নি তবে যেকোন প্রজেক্টে বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে গেলে তাকে ভরসা করি না কারণ আট বছরের ইউটিউব ক্যারিয়ারে কোন বাংলাদেশী এডমিন স্ক্যাম না করে সৎভাবে টিকে নাই। বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে আছে জাভেদ করিমের ইউটিউবই দুই দশক টিকে আছে।
যেহেতু বড় ফান্ড পেয়েছে ও রাফির ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো, তাই মনে হচ্ছে ফাসেট ভালো করবে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে।
যারা গোল্ড, সিলভার বা স্টক বা ক্রিপ্টো সংগ্রহ করতে চান তারা অ্যাপটা ব্যবহার করতে পারেন। আমি আজকে ইন্সটল করলাম, আশা করি দারুণ অভিজ্ঞতা হবে।
App: Download Now
Invite Code:
7K1XTD (click 2 copy)👍6🔥2👏1
Tech Tips 360°
বিটিসি প্রত্যাশিত ৭৬০০০ তে নেমে গেছে। বর্তমানে ৭৫৫০০+ অতিক্রম করে নিচে গেছে। তবে এক্সট্রিম কেসে RSI 30 থেকে RSI 18 নেমে গেছে। যা নির্দেশ করছে গত কয়েক ঘণ্টায় রাশ সেলিং হচ্ছে এবং সেলাররা টায়ার্ড! একে "স্ট্রং সেল" হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এখানে দুটো…
যেসব ধর্মীয় উৎসবগুলি গ্লোবালি ইমপ্যাক্ট ফেলে তার প্রতিটা ইভেন্টে স্টক, ক্রিপ্টো মার্কেট ক্রাশ করে। এটা মাথায় সেভ করে রাখবেন।
গত পরশু থেকে চাইনিজ, জাপানিজ মার্কেটগুলি ক্রাশ করা শুরু করেছিল এবং গতকাল থেকে ক্রিপ্টোর পতন হলো।
মূলত উৎসবের সময় প্রচুর ক্যাশ দরকার হয় সেজন্য ব্যাংকে চাপ পরে আপনারা জানেন। বড় একটা অংশ ক্রিপ্টোতে ইনভেস্টমেন্ট রাখে। তারা টাকা তুলে নেয় ফলে বাজার দ্রুত নেমে যায়।
সহজ জিনিসগুলি বুঝলে ট্রেডিং করে মজা পাবেন। ২৩ তারিখেই বলে দিসিলাম ঈদের সময় মার্কেট নামার সম্ভাবনা থাকে। যারা সতর্ক ছিলেন তারা শর্ট ট্রেড করে প্রফিট তুলে নিসেন।
বিটিসি ৭২ তে নেমে গেছে। এনালাইসিস বলছে ৭০ সম্ভাবনা আছে তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এটা মেলে না। তাই ধরে নিচ্ছি, ৭২৮০০ লাস্ট রেঞ্জ। তারপরই মার্কেট রিকোভার করবে।
দেখা যাচ্ছে ENA, SUI, SOL, LINK, ARB, NEAR থেকে ৫-১০% প্রফিট চলে আসবে।
এবং টপ লেভেল হিসাবে btc, eth কিনলেও ভালো হয় যদি একেবারে সেফ থাকতে চান।
ঈদ মোবারক ❤️
গত পরশু থেকে চাইনিজ, জাপানিজ মার্কেটগুলি ক্রাশ করা শুরু করেছিল এবং গতকাল থেকে ক্রিপ্টোর পতন হলো।
মূলত উৎসবের সময় প্রচুর ক্যাশ দরকার হয় সেজন্য ব্যাংকে চাপ পরে আপনারা জানেন। বড় একটা অংশ ক্রিপ্টোতে ইনভেস্টমেন্ট রাখে। তারা টাকা তুলে নেয় ফলে বাজার দ্রুত নেমে যায়।
সহজ জিনিসগুলি বুঝলে ট্রেডিং করে মজা পাবেন। ২৩ তারিখেই বলে দিসিলাম ঈদের সময় মার্কেট নামার সম্ভাবনা থাকে। যারা সতর্ক ছিলেন তারা শর্ট ট্রেড করে প্রফিট তুলে নিসেন।
বিটিসি ৭২ তে নেমে গেছে। এনালাইসিস বলছে ৭০ সম্ভাবনা আছে তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এটা মেলে না। তাই ধরে নিচ্ছি, ৭২৮০০ লাস্ট রেঞ্জ। তারপরই মার্কেট রিকোভার করবে।
দেখা যাচ্ছে ENA, SUI, SOL, LINK, ARB, NEAR থেকে ৫-১০% প্রফিট চলে আসবে।
এবং টপ লেভেল হিসাবে btc, eth কিনলেও ভালো হয় যদি একেবারে সেফ থাকতে চান।
ঈদ মোবারক ❤️
🔥22❤🔥2
ক্রিপ্টো ট্রেডিং করার জন্য সহজ সূত্র বলে দেবো ?
যে ট্রেডিং এর বেসিক বাদে কিছুই জানে না, সে কি কি জিনিস অনুসরণ করেই যেকোনো কয়েন কিনতে ও বিক্রি করতে পারবে ।
কখন ট্রেড নিতে হবে, কখন বিরত থাকা লাগবে । কখন বুঝতে হবে এখন লাভ হয়েছে লসের আগেই বিক্রি করা নিরাপদ হবে ।
কোন কোন সহজ জিনিসগুলি মনে রাখলে যে কেউ ট্রেড করতে পারবে ।
আমি কি কিছু কৌশল বলে দেবো যা ট্রেডাররা অনুসরণ করে ?
কয়েকটা কৌশল এবং উদাহরন দিয়ে বলে দেবো????
যে ট্রেডিং এর বেসিক বাদে কিছুই জানে না, সে কি কি জিনিস অনুসরণ করেই যেকোনো কয়েন কিনতে ও বিক্রি করতে পারবে ।
কখন ট্রেড নিতে হবে, কখন বিরত থাকা লাগবে । কখন বুঝতে হবে এখন লাভ হয়েছে লসের আগেই বিক্রি করা নিরাপদ হবে ।
কোন কোন সহজ জিনিসগুলি মনে রাখলে যে কেউ ট্রেড করতে পারবে ।
আমি কি কিছু কৌশল বলে দেবো যা ট্রেডাররা অনুসরণ করে ?
কয়েকটা কৌশল এবং উদাহরন দিয়ে বলে দেবো????
🥰19👍3
🔥5❤🔥1👏1
🔥6❤🔥1
❤🔥2🔥1
❤🔥3
বিটকয়েন বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ৭০,০০০ ডলার ব্রেক করে নিচে নেমে এসেছে, যা শর্ট টার্মে মার্কেটের উইকনেস নির্দেশ করে। এই মুভটিকে অনেকাংশে লিকুইডিটি হান্ট বলা যেতে পারে, যেখানে ওভার লিভারেজড লং পজিশনগুলো লিকুইডেট হয়েছে, তবে এটাকে সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্টেড বলা ঠিক নয়, কারণ মার্কেট সবসময় মাল্টিপল ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে মুভ করে।
বর্তমানে ৪ ঘণ্টা এবং ডেইলি চার্টে প্রাইস অ্যাকশন নিম্নমুখী দেখা যাচ্ছে, তাই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নজর রাখতে হবে ৬৮,৩৪৮ ডলারের ফিবোনাচ্চি ০.৩৮২ লেভেলের দিকে। এই লেভেলটি একটি পসিবল শর্ট টার্ম সাপোর্ট হতে পারে, তবে এটি হোল্ড করবে কিনা সেটি কনফার্মেশন ছাড়া ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
যদি প্রাইস এই জোনে স্ট্রং রিঅ্যাকশন দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী সম্ভাব্য ডিমান্ড এরিয়া হতে পারে ৬৫,০০০ থেকে ৬৭,৫০০ ডলারের জোন, যেটি একটি শক্তিশালী অর্ডার ব্লক হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এই জোনেও সরাসরি বাউন্স হবে এমন নিশ্চিত কিছু নেই, বরং প্রাইস অ্যাকশন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বেশি নিরাপদ।
মার্কেট যদি আরও দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে ডিপার কারেকশনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যেখানে প্রাইস ৫৮,০০০ থেকে ৬২,০০০ ডলারের উইকলি সুইং লো এরিয়ায় রিটেস্ট করতে পারে। এই ধরনের মুভ সাধারণত হায়ার টাইমফ্রেম কারেকশনের অংশ হিসেবে দেখা যায়।
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজির ক্ষেত্রে, এই মুহূর্তে ফিউচার লিভারেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ইমোশনাল ট্রেডিং এড়িয়ে চলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেট মেকাররা প্রায়ই দুই দিকেই উইক তৈরি করে স্টপ লস হান্ট করে, তাই তাড়াহুড়া করে এন্ট্রি নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
স্পট ইনভেস্টরদের জন্য, ধাপে ধাপে ডিসিএ পদ্ধতিতে ৬৮,০০০ এবং ৬৫,০০০ ডলারের আশেপাশে পজিশন নেওয়া একটি যুক্তিসঙ্গত স্ট্র্যাটেজি হতে পারে, তবে সম্পূর্ণ ফান্ড একবারে ব্যবহার না করে স্টেজড এন্ট্রি (DCA) করা উচিত।
DYOR
বর্তমানে ৪ ঘণ্টা এবং ডেইলি চার্টে প্রাইস অ্যাকশন নিম্নমুখী দেখা যাচ্ছে, তাই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নজর রাখতে হবে ৬৮,৩৪৮ ডলারের ফিবোনাচ্চি ০.৩৮২ লেভেলের দিকে। এই লেভেলটি একটি পসিবল শর্ট টার্ম সাপোর্ট হতে পারে, তবে এটি হোল্ড করবে কিনা সেটি কনফার্মেশন ছাড়া ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
যদি প্রাইস এই জোনে স্ট্রং রিঅ্যাকশন দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী সম্ভাব্য ডিমান্ড এরিয়া হতে পারে ৬৫,০০০ থেকে ৬৭,৫০০ ডলারের জোন, যেটি একটি শক্তিশালী অর্ডার ব্লক হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এই জোনেও সরাসরি বাউন্স হবে এমন নিশ্চিত কিছু নেই, বরং প্রাইস অ্যাকশন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বেশি নিরাপদ।
মার্কেট যদি আরও দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে ডিপার কারেকশনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যেখানে প্রাইস ৫৮,০০০ থেকে ৬২,০০০ ডলারের উইকলি সুইং লো এরিয়ায় রিটেস্ট করতে পারে। এই ধরনের মুভ সাধারণত হায়ার টাইমফ্রেম কারেকশনের অংশ হিসেবে দেখা যায়।
ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজির ক্ষেত্রে, এই মুহূর্তে ফিউচার লিভারেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ইমোশনাল ট্রেডিং এড়িয়ে চলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেট মেকাররা প্রায়ই দুই দিকেই উইক তৈরি করে স্টপ লস হান্ট করে, তাই তাড়াহুড়া করে এন্ট্রি নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
স্পট ইনভেস্টরদের জন্য, ধাপে ধাপে ডিসিএ পদ্ধতিতে ৬৮,০০০ এবং ৬৫,০০০ ডলারের আশেপাশে পজিশন নেওয়া একটি যুক্তিসঙ্গত স্ট্র্যাটেজি হতে পারে, তবে সম্পূর্ণ ফান্ড একবারে ব্যবহার না করে স্টেজড এন্ট্রি (DCA) করা উচিত।
DYOR
🔥13
APT তে মাইক্রোসফট ও ব্ল্যাকরকের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। অক্টোবর নাগাদ প্রতি মাসে ২ মিলিয়নের বেশি টোকেন আনলক শেষ হবে। এবং ২.১ বিলিয়ন টোকেনের ভেতর সীমাবন্ধতার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাই আশা করা যেতে পারে ২০২৮ সালের নেক্সট বিটকয়েন হাভিং পর্যন্ত APT ৫ ডলার অতিক্রম করতে পারে বলে এক্সপার্ট মহল বলছে।
যাদের কাছে APT রয়েছে তারা Long Term ( 4 months) / Flexible স্টেকিং এর জন্য idle token গুলি লক করে দিন। হুদাই ফেলে রেখে লাভ নাই।
যাদের কাছে APT রয়েছে তারা Long Term ( 4 months) / Flexible স্টেকিং এর জন্য idle token গুলি লক করে দিন। হুদাই ফেলে রেখে লাভ নাই।
👍2
BTC এখন পরিষ্কারভাবে downtrend এ আছে, তবে RSI oversold হওয়ায় short term এ একটা bounce আসতে পারে, যেখানে প্রাইস 64k থেকে 67k বা 68k পর্যন্ত উঠতে পারে, কিন্তু এটা মূল trend change না, শুধু temporary relief, অন্যদিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ support 61,300, এই লেভেলটা ভেঙে গেলে মার্কেট দ্রুত 58k থেকে 56k পর্যন্ত নামতে পারে, তাই এখন safest view হচ্ছে ছোট bounce possible কিন্তু overall market এখনো bearish এবং strong buy signal এখনো confirm হয়নি।
👍6