Donald Trump ইউরোপীয় মিত্ররা তার প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া না দেওয়ায় জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন।
🔥11
ইয়েমেনের বাবে আল মান্দাব থেকে একটা ট্যাংকার ছিনতাই হয়েছে । কে বা কারা করেছে কোন গ্রুপ এখনো স্বীকার করেনি ।
কোস্টগার্ড জানায়, একদল অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তি শাবওয়া প্রদেশ সংলগ্ন উপকূলে 'এম টি ইউরেকা' নামের তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। আক্রমণকারীরা ট্যাংকারে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, পরে সেটি এডেন উপসাগর হয়ে সোমালিয়া জলসীমার দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে।
- Al Jazeera
কোস্টগার্ড জানায়, একদল অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তি শাবওয়া প্রদেশ সংলগ্ন উপকূলে 'এম টি ইউরেকা' নামের তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। আক্রমণকারীরা ট্যাংকারে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, পরে সেটি এডেন উপসাগর হয়ে সোমালিয়া জলসীমার দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে।
- Al Jazeera
🔥12
চীন নীরবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এক বিশাল আর্থিক আঘাত হানছে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে বেইজিং রেকর্ড পরিমাণ মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে দিয়েছে। বহু দশক ধরে চীন আমেরিকার ঋণ কিনে আসছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু এখন তারা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুতগতিতে সেগুলো বিক্রি করছে। এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে এবং একই সঙ্গে ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্যকে দুর্বল করতে চায়। যদি চীন এই ব্যাপক বিক্রি অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ নেওয়ার খরচ হঠাৎ বেড়ে যাবে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে এবং সাধারণ ভোক্তারা চাপে পড়বে। আর্থিক ঠান্ডা যুদ্ধ এখন কার্যত উষ্ণ সংঘাতে রূপ নিয়েছে, এবং এর যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক বন্ড বাজার।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত সোনার দাম বাড়ার দিকেই ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বিষয়টা একটু গভীরভাবে বুঝলে আরও পরিষ্কার হবে। যখন China মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে এবং United States এর ঋণের ওপর চাপ বাড়ে, তখন কয়েকটা বড় অর্থনৈতিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হয়। প্রথমত, বন্ডের দাম কমে যায়, ফলে yield বা সুদের হার বেড়ে যায়। এতে ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয় এবং অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়। যদি এর সাথে ডলারের ওপর আস্থা কিছুটা কমে, তাহলে বিনিয়োগকারীরা safe haven খুঁজতে শুরু করে, আর সেই জায়গাতেই সোনা সবচেয়ে বড় বিকল্প হিসেবে সামনে আসে।
মোটামুটি, সোনার দাম বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত সোনার দাম বাড়ার দিকেই ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বিষয়টা একটু গভীরভাবে বুঝলে আরও পরিষ্কার হবে। যখন China মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে এবং United States এর ঋণের ওপর চাপ বাড়ে, তখন কয়েকটা বড় অর্থনৈতিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হয়। প্রথমত, বন্ডের দাম কমে যায়, ফলে yield বা সুদের হার বেড়ে যায়। এতে ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয় এবং অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়। যদি এর সাথে ডলারের ওপর আস্থা কিছুটা কমে, তাহলে বিনিয়োগকারীরা safe haven খুঁজতে শুরু করে, আর সেই জায়গাতেই সোনা সবচেয়ে বড় বিকল্প হিসেবে সামনে আসে।
মোটামুটি, সোনার দাম বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
👍9
🔴 হিজবুল্লাহর নতুন ভয়ংকর অস্ত্র: ফাইবার অপটিক ড্রোন! ইসরায়েলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবহার শুরু করেছে ফাইবার অপটিক গাইডেড FPV ড্রোন । ইউক্রেন যুদ্ধের কৌশল অনুসরণ করে তৈরি এই ড্রোনগুলো খুবই ছোট, সস্তা এবং মারাত্মক।
এর বিশেষত্ব হলো এতে রেডিও সিগন্যালের বদলে পাতলা ফাইবার অপটিক কেবল (দাঁতের ফ্লসের মতো) ব্যবহার হয়। ফলে ইসরায়েলের উন্নত জ্যামিং সিস্টেম ও রাডার একেবারে অকেজো হয়ে যাচ্ছে। ১৫-২০ কিলোমিটার দূর থেকেও সঠিকভাবে টার্গেট করে আঘাত হানতে পারছে এই ড্রোন।
ইতিমধ্যে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক, আর্মর্ড গাড়ি ও সৈন্যদের ওপর একাধিক সফল আক্রমণ চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। একটি আক্রমণে ইসরায়েলি সৈন্য নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
ইসরায়েল এখন নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুঁজছে, কিন্তু এই সস্তা ড্রোন তাদের multibillion ডলারের ডিফেন্স সিস্টেমকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
আধুনিক যুদ্ধের নিয়মই বদলে যাচ্ছে!
হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবহার শুরু করেছে ফাইবার অপটিক গাইডেড FPV ড্রোন । ইউক্রেন যুদ্ধের কৌশল অনুসরণ করে তৈরি এই ড্রোনগুলো খুবই ছোট, সস্তা এবং মারাত্মক।
এর বিশেষত্ব হলো এতে রেডিও সিগন্যালের বদলে পাতলা ফাইবার অপটিক কেবল (দাঁতের ফ্লসের মতো) ব্যবহার হয়। ফলে ইসরায়েলের উন্নত জ্যামিং সিস্টেম ও রাডার একেবারে অকেজো হয়ে যাচ্ছে। ১৫-২০ কিলোমিটার দূর থেকেও সঠিকভাবে টার্গেট করে আঘাত হানতে পারছে এই ড্রোন।
ইতিমধ্যে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক, আর্মর্ড গাড়ি ও সৈন্যদের ওপর একাধিক সফল আক্রমণ চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। একটি আক্রমণে ইসরায়েলি সৈন্য নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
ইসরায়েল এখন নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুঁজছে, কিন্তু এই সস্তা ড্রোন তাদের multibillion ডলারের ডিফেন্স সিস্টেমকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
আধুনিক যুদ্ধের নিয়মই বদলে যাচ্ছে!
🔥14👍1
🚨 বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছে জ্বালানি খাতে এক বড় বিপ্লব। প্রায় ২.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে দেশের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক তেল শোধনাগার নির্মাণের আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই মেগা প্রজেক্টে Islamic Development Bank (IDB) প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি শক্তিশালী জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি হওয়ার পথ খুলছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের তেল শোধন ক্ষমতা মাত্র ১.৫ মিলিয়ন টন। কিন্তু নতুন Eastern Refinery Limited-2 চালু হলে একাই ৩ মিলিয়ন টন ক্যাপাসিটি যোগ হবে।
সব মিলিয়ে দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন টনে। অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি সক্ষমতা তৈরি হবে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়বে আমদানির ওপর। এখন যেখানে আমরা বড় অংশের জ্বালানির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল, সেটি অনেকটাই কমে যাবে।
দেশীয় উৎপাদন ২০% থেকে বেড়ে ৫০-৬০% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মানে অর্ধেকের বেশি জ্বালানি আমরা নিজেরাই তৈরি করতে পারবো।
এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বছরে ২ থেকে ৩ মিলিয়ন টন জ্বালানি আমদানি কমে যেতে পারে। এতে সরাসরি ১.৫ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব।
শুধু সাশ্রয়ই না, এই রিফাইনারি থেকে বছরে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। অর্থাৎ জ্বালানি খাতই হয়ে উঠতে পারে বড় আয়ের উৎস।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, এখানে শুধু পেট্রোল বা ডিজেলই তৈরি হবে না। তেল শোধনের সময় আরও অনেক মূল্যবান বাই-প্রডাক্ট পাওয়া যায়।
LPG, ন্যাফথা, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল, সালফার ও পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক—সবই এই প্রক্রিয়ার অংশ। যেগুলোর জন্য এখন আমাদের বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে আমদানি করতে হয়।
ধরা হচ্ছে, বছরে ৩ থেকে ৬ লাখ টন পর্যন্ত এসব বাই-প্রডাক্ট উৎপাদন সম্ভব। যার বাজার মূল্য ১২০ থেকে ৪৮০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে।
মানে, যেটাকে আমরা এখন খরচ মনে করি, সেটাই ভবিষ্যতে ইনকামের বড় উৎস হয়ে দাঁড়াতে পারে। এখান থেকেই তৈরি হবে নতুন শিল্প ও কারখানার সুযোগ।
আরেকটি বড় পরিবর্তন আসবে জ্বালানির মানে। এই প্রজেক্টে Euro-5 স্ট্যান্ডার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের খুব উচ্চ পর্যায়।
এর ফলে ভবিষ্যতে যদি অতিরিক্ত জ্বালানি থাকে, বাংলাদেশ সরাসরি ইউরোপের বাজারে রপ্তানি করতে পারবে। এই সুযোগ আগে কখনো ছিল না।
বর্তমানে ভারত ঠিক এই মডেলেই রাশিয়ান ক্রুড তেল শোধন করে ইউরোপে বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটার সুযোগ পাচ্ছে।
ভবিষ্যতে যদি ERL-3 বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে দেশের জ্বালানি উৎপাদন ১০০% দেশীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। তখন আমদানির ওপর নির্ভরতা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।
সবকিছু মিলিয়ে, এই প্রজেক্ট শুধু একটি রিফাইনারি নয়। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং শিল্প খাতের জন্য এক বড় টার্নিং পয়েন্ট।
⚡ শেষ কথা একটাই—যে দেশ আগে তেলের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতো, সেই দেশই এখন তেল শোধন করে বিদেশে বিক্রি করার স্বপ্ন দেখছে।
এই মেগা প্রজেক্টে Islamic Development Bank (IDB) প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি শক্তিশালী জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি হওয়ার পথ খুলছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের তেল শোধন ক্ষমতা মাত্র ১.৫ মিলিয়ন টন। কিন্তু নতুন Eastern Refinery Limited-2 চালু হলে একাই ৩ মিলিয়ন টন ক্যাপাসিটি যোগ হবে।
সব মিলিয়ে দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন টনে। অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি সক্ষমতা তৈরি হবে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়বে আমদানির ওপর। এখন যেখানে আমরা বড় অংশের জ্বালানির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল, সেটি অনেকটাই কমে যাবে।
দেশীয় উৎপাদন ২০% থেকে বেড়ে ৫০-৬০% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মানে অর্ধেকের বেশি জ্বালানি আমরা নিজেরাই তৈরি করতে পারবো।
এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বছরে ২ থেকে ৩ মিলিয়ন টন জ্বালানি আমদানি কমে যেতে পারে। এতে সরাসরি ১.৫ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব।
শুধু সাশ্রয়ই না, এই রিফাইনারি থেকে বছরে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। অর্থাৎ জ্বালানি খাতই হয়ে উঠতে পারে বড় আয়ের উৎস।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, এখানে শুধু পেট্রোল বা ডিজেলই তৈরি হবে না। তেল শোধনের সময় আরও অনেক মূল্যবান বাই-প্রডাক্ট পাওয়া যায়।
LPG, ন্যাফথা, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল, সালফার ও পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক—সবই এই প্রক্রিয়ার অংশ। যেগুলোর জন্য এখন আমাদের বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে আমদানি করতে হয়।
ধরা হচ্ছে, বছরে ৩ থেকে ৬ লাখ টন পর্যন্ত এসব বাই-প্রডাক্ট উৎপাদন সম্ভব। যার বাজার মূল্য ১২০ থেকে ৪৮০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে।
মানে, যেটাকে আমরা এখন খরচ মনে করি, সেটাই ভবিষ্যতে ইনকামের বড় উৎস হয়ে দাঁড়াতে পারে। এখান থেকেই তৈরি হবে নতুন শিল্প ও কারখানার সুযোগ।
আরেকটি বড় পরিবর্তন আসবে জ্বালানির মানে। এই প্রজেক্টে Euro-5 স্ট্যান্ডার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের খুব উচ্চ পর্যায়।
এর ফলে ভবিষ্যতে যদি অতিরিক্ত জ্বালানি থাকে, বাংলাদেশ সরাসরি ইউরোপের বাজারে রপ্তানি করতে পারবে। এই সুযোগ আগে কখনো ছিল না।
বর্তমানে ভারত ঠিক এই মডেলেই রাশিয়ান ক্রুড তেল শোধন করে ইউরোপে বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটার সুযোগ পাচ্ছে।
ভবিষ্যতে যদি ERL-3 বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে দেশের জ্বালানি উৎপাদন ১০০% দেশীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। তখন আমদানির ওপর নির্ভরতা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।
সবকিছু মিলিয়ে, এই প্রজেক্ট শুধু একটি রিফাইনারি নয়। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং শিল্প খাতের জন্য এক বড় টার্নিং পয়েন্ট।
⚡ শেষ কথা একটাই—যে দেশ আগে তেলের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতো, সেই দেশই এখন তেল শোধন করে বিদেশে বিক্রি করার স্বপ্ন দেখছে।
👍22🔥1👌1
ইরানের নির্দেশ না মানায় মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুটি মিসাইল হিট করেছে আইআরজিসি 🔥😱
- আল জাজিরা
- আল জাজিরা
🔥5
♦Big Update♦
এই মুহুর্ত থেকে হরমুজ প্রণালী সব ধরণের জাহাজের জন্য পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করেছে আইআরজিসি। অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
- আইআরজিসি
এই মুহুর্ত থেকে হরমুজ প্রণালী সব ধরণের জাহাজের জন্য পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করেছে আইআরজিসি। অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
- আইআরজিসি
1👍5
হরমুজ প্রণালী খোলার অভিযানে "প্রজেক্ট ফ্রিডম" এর অংশ হিসেবে ৬টি রিফুয়েলিং প্লেন আকাশে উড়ছে।
🔥11😱2
♦Breaking♦
১. আরব আমিরাত বলেছে তেল ক্ষেত্রে হামলায় ৩ ভারতীয় আহত।
২. সকল বিমান দুবাই এয়ারপোর্টের রুট পরিবর্তন করে ফেলেছে।
৩. দুবাই জানিয়েছে আমেরিকান জোট ২৪ ঘণ্টার ভেতর ইরানে হামলা করতে পারে। - সিএনএন
৪. চতুর্থ দফায় আমিরাতের টার্গেটগুলিতে ইরান মিসাইল ছুড়েছে।
৫. বাহরাইনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
৬. একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছে, হরমুজ ও দূরের জাহাজগুলিতেও স্পিড বোট নিয়ে ইরান নেভি ব্যাপক গুলি ছুড়তে শুরু করেছে।
৭. সেন্টকম দাবি করেছে, তারা ৬ টি ইরানি বোটে গুলি করে অকেজো করেছে। বিপরীতে ইরান নেভী দুতাবাসের একাউন্ট থেকে ট্রল পোস্ট শেয়ার করেছে।
৮. সেন্টকম স্বীকার করেছে, ইরান মার্কিন নেভির জাহাজে মিসাইল ছুড়েছিল তবে জাহাজে হিট করেনি।
৯. ইসরেল তাদের জনগণকে শেল্টারে অবস্থান নিতে নির্দেশ দিয়েছে - নায়া
১০. UAE ফরেন মিনিস্টার বলেছে, আমাদের ধৈর্য্য ভেঙ্গে গেলে মার্কিন জোটের সাথে মিলে একসাথে ইরানের উপর ঝাপিয়ে পড়বো
১১. আইআরজিসি এইমাত্র নিশ্চিত করেছে তাদের ৬ টি স্পিড বোট নিরাপদে ফিরে এসেছে
১২. সাবেক ইসরেল পিএম বেনেট জানিয়েছে, ইরান মার্কিন জাহাজে হামলা করে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। কঠোর জবাব দেয়া হবে
১. আরব আমিরাত বলেছে তেল ক্ষেত্রে হামলায় ৩ ভারতীয় আহত।
২. সকল বিমান দুবাই এয়ারপোর্টের রুট পরিবর্তন করে ফেলেছে।
৩. দুবাই জানিয়েছে আমেরিকান জোট ২৪ ঘণ্টার ভেতর ইরানে হামলা করতে পারে। - সিএনএন
৪. চতুর্থ দফায় আমিরাতের টার্গেটগুলিতে ইরান মিসাইল ছুড়েছে।
৫. বাহরাইনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
৬. একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছে, হরমুজ ও দূরের জাহাজগুলিতেও স্পিড বোট নিয়ে ইরান নেভি ব্যাপক গুলি ছুড়তে শুরু করেছে।
৭. সেন্টকম দাবি করেছে, তারা ৬ টি ইরানি বোটে গুলি করে অকেজো করেছে। বিপরীতে ইরান নেভী দুতাবাসের একাউন্ট থেকে ট্রল পোস্ট শেয়ার করেছে।
৮. সেন্টকম স্বীকার করেছে, ইরান মার্কিন নেভির জাহাজে মিসাইল ছুড়েছিল তবে জাহাজে হিট করেনি।
৯. ইসরেল তাদের জনগণকে শেল্টারে অবস্থান নিতে নির্দেশ দিয়েছে - নায়া
১০. UAE ফরেন মিনিস্টার বলেছে, আমাদের ধৈর্য্য ভেঙ্গে গেলে মার্কিন জোটের সাথে মিলে একসাথে ইরানের উপর ঝাপিয়ে পড়বো
১১. আইআরজিসি এইমাত্র নিশ্চিত করেছে তাদের ৬ টি স্পিড বোট নিরাপদে ফিরে এসেছে
১২. সাবেক ইসরেল পিএম বেনেট জানিয়েছে, ইরান মার্কিন জাহাজে হামলা করে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। কঠোর জবাব দেয়া হবে
👍2
শুভেন্দুর কাছে হেরে গেছে একটা মাত্র আসনে নির্বাচন করা তৃণমূল নেত্রী মমতা । ফলে এবার বিধানসভায় যাওয়া হচ্ছে না । অন্যদিকে শুভেন্দু দুইটা আসনেই জয়ী হয়েছে এই বিজেপি নেতা ।
ব্রেকিংঃ
ইরানি সামরিক বিভাগ জানিয়েছে, আরব আমিরাত যদি ইসরেলের হাতিয়ার হয়ে উঠে এবং অপরিনত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাহলে এমন শিক্ষা পাবে যা উদাহরণ হয়ে থাকবে । তারা জানিয়েছে, এর ফলে আমিরাতের তেল, গ্যাস, অর্থনৈতিক স্থাপনা, পর্যটনসহ সকল কেন্দ্র ধ্বংস করে দেয়া হবে ।
ইরানি সামরিক বিভাগ জানিয়েছে, আরব আমিরাত যদি ইসরেলের হাতিয়ার হয়ে উঠে এবং অপরিনত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাহলে এমন শিক্ষা পাবে যা উদাহরণ হয়ে থাকবে । তারা জানিয়েছে, এর ফলে আমিরাতের তেল, গ্যাস, অর্থনৈতিক স্থাপনা, পর্যটনসহ সকল কেন্দ্র ধ্বংস করে দেয়া হবে ।
🔥13👍1
Forwarded from Tech Tips 360° (Mehedi Hasan Ishaan)
✅ Bitcoin Update
বিটকয়েনে আগামী ৩০ দিনের ফোরকাস্ট অনুযায়ি বিটিসি মে মাসের প্রথম সপ্তাহের ভেতর ৭৯৯০০-৮০০০০ ডলারের রেজিঃ লেভেল টাচ করতে পারে । এবং মাসের শেষে ৮২৫০০ থেকে ৮৩০০০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
যেহেতু অর্থনীতি মোটামুটি স্থির রয়েছে তাই নির্দিষ্ট রেঞ্জে উঠা-নামার জোর লক্ষ্যণ দেখা যাচ্ছে । তবে সর্বনিম্ন সীমা ৭৫ হাজার ডলার এবং সর্বোচ্চ সীমা ৮৫ হাজার হতে পারে ।
রিসেন্টলি বিটকয়েন ইটিএফ ফ্লো বাড়াচ্ছে ফলে দাম স্টাবল হতে সাহায্য করছে ।
অন্যদিকে ফেড সুদের হার স্টাবল রাখায় বাজার ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে ফলে ট্রেডাররা ক্রিপ্টোতে পুনরায় ফিরে আসা শুরু করেছে ।
টেকনিক্যালি আরএসআই নির্দেশ করছে মার্কেট এখন নিউত্রাল রয়েছে যা বড় ধ্বসের সম্ভাবনা এখুনি কমিয়ে দিয়েছে ।
যেহেতু ক্রিপ্টো অনিশ্চিত তাই জাপান বা মার্কিন ফাইন্যান্স নীতিতে বড় কোন পরিবর্তন এলে বিটকয়েন ৭০ হাজারের নিচে নেমে যেতে পারে ।
বিটকয়েনে আগামী ৩০ দিনের ফোরকাস্ট অনুযায়ি বিটিসি মে মাসের প্রথম সপ্তাহের ভেতর ৭৯৯০০-৮০০০০ ডলারের রেজিঃ লেভেল টাচ করতে পারে । এবং মাসের শেষে ৮২৫০০ থেকে ৮৩০০০ পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
যেহেতু অর্থনীতি মোটামুটি স্থির রয়েছে তাই নির্দিষ্ট রেঞ্জে উঠা-নামার জোর লক্ষ্যণ দেখা যাচ্ছে । তবে সর্বনিম্ন সীমা ৭৫ হাজার ডলার এবং সর্বোচ্চ সীমা ৮৫ হাজার হতে পারে ।
রিসেন্টলি বিটকয়েন ইটিএফ ফ্লো বাড়াচ্ছে ফলে দাম স্টাবল হতে সাহায্য করছে ।
অন্যদিকে ফেড সুদের হার স্টাবল রাখায় বাজার ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে ফলে ট্রেডাররা ক্রিপ্টোতে পুনরায় ফিরে আসা শুরু করেছে ।
টেকনিক্যালি আরএসআই নির্দেশ করছে মার্কেট এখন নিউত্রাল রয়েছে যা বড় ধ্বসের সম্ভাবনা এখুনি কমিয়ে দিয়েছে ।
যেহেতু ক্রিপ্টো অনিশ্চিত তাই জাপান বা মার্কিন ফাইন্যান্স নীতিতে বড় কোন পরিবর্তন এলে বিটকয়েন ৭০ হাজারের নিচে নেমে যেতে পারে ।
🔥6👍1
♦Breaking♦
দ্য ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল প্রতিবেদন করেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিনের ভেতর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে যাচ্ছেন।
এদিকে ইরানের আকাশের কাছে রিফুয়েলিং বিমানের সংখ্যা ৬ টি থেকে বাড়িয়ে গত রাতে ২২ টি করা হয়েছিল এবং আজ সকালে আরেকটি যুক্ত হয়ে মোট ২৩ টি হয়েছে। - নায়া
দ্য ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল প্রতিবেদন করেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিনের ভেতর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে যাচ্ছেন।
এদিকে ইরানের আকাশের কাছে রিফুয়েলিং বিমানের সংখ্যা ৬ টি থেকে বাড়িয়ে গত রাতে ২২ টি করা হয়েছিল এবং আজ সকালে আরেকটি যুক্ত হয়ে মোট ২৩ টি হয়েছে। - নায়া
👍3
♦Breaking♦
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের দাইয়ার বন্দরে কয়েকটি জাহাজে আগুন লেগেছে।
ভায়েজি পিয়ারে থাকা ২টি বাণিজ্যিক বার্জে আগুন লাগে, যা পরে পাশের আরও ২টি কাঠের বার্জে ছড়িয়ে পড়ে।
এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
- Iran International
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের দাইয়ার বন্দরে কয়েকটি জাহাজে আগুন লেগেছে।
ভায়েজি পিয়ারে থাকা ২টি বাণিজ্যিক বার্জে আগুন লাগে, যা পরে পাশের আরও ২টি কাঠের বার্জে ছড়িয়ে পড়ে।
এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
- Iran International
👍3
♦Super Breaking♦
🇮🇷🇦🇪 গতকাল সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান নাকি IRGC এর ওপর ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, IRGC ইরান সরকারের সাথে আগে থেকে কোনো ধরনের সমন্বয় বা জানানো ছাড়াই এই হামলাগুলো চালিয়েছে।
রিপোর্টে বলা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নিজেই এই হামলাকে “দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলেছেন এবং সরকারের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রেসিডেন্ট জরুরীভিত্তিতে মুজতবা আলী খামেনীর হস্তক্ষেপ চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন নয়ত আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
এছাড়া, আইআরজিসি মনে করছে, সরকার নতজানু হয়ে আমেরিকার সাথে চুক্তি করতে পারে যা ইরানের সার্বভৌমত্ব হুমকির ভেতর ফেলতে পারে, তাই সরকারের সাথে সেনাবাহিনীর বিরোধ প্রকাশ্যে আসার এটা উদাহরণ হতে পারে।
আমেরিকা কি এজন্য পেজেশকিয়ানকে বাঁচিয়ে রেখেছে..?
- Iran International, Bricks News, BBC, Al Jazeera, CNN.
🇮🇷🇦🇪 গতকাল সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান নাকি IRGC এর ওপর ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, IRGC ইরান সরকারের সাথে আগে থেকে কোনো ধরনের সমন্বয় বা জানানো ছাড়াই এই হামলাগুলো চালিয়েছে।
রিপোর্টে বলা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নিজেই এই হামলাকে “দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলেছেন এবং সরকারের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রেসিডেন্ট জরুরীভিত্তিতে মুজতবা আলী খামেনীর হস্তক্ষেপ চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন নয়ত আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
এছাড়া, আইআরজিসি মনে করছে, সরকার নতজানু হয়ে আমেরিকার সাথে চুক্তি করতে পারে যা ইরানের সার্বভৌমত্ব হুমকির ভেতর ফেলতে পারে, তাই সরকারের সাথে সেনাবাহিনীর বিরোধ প্রকাশ্যে আসার এটা উদাহরণ হতে পারে।
আমেরিকা কি এজন্য পেজেশকিয়ানকে বাঁচিয়ে রেখেছে..?
- Iran International, Bricks News, BBC, Al Jazeera, CNN.
👍16