Tech Tips 360° pinned «গোল্ড সিলভার, ইনভেস্টমেন্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা কম ? কিন্তু আপনি বিনিয়োগ করতে চান অথচ জানেন না এইসব সম্পর্কে কিভাবে জানবেন ? ভিজিট করুন আমার ব্লগ সাইটে । কিভাবে পোস্ট পড়বেন ? Categories থেকে Gold, Silver, Copper, Investment Alert, অপশনে ভিজিট করলে ফেসবুকে…»
আজকের দিনটি সোনা ও রূপার বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন বেকারত্বের হার প্রত্যাশিত ৪.৪% থেকে কমে ৪.৩% এ নেমে আসা এবং শক্তিশালী কর্মসংস্থান বা 'জবস রিপোর্ট' আসার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের মান নতুন করে শক্তিশালী হতে শুরু করেছে। অর্থনীতির এই শক্তিশালী রূপ সাধারণত সোনা ও রূপার মতো নিরাপদ সম্পদের জন্য নেতিবাচক বার্তা বয়ে আনে। যখন ডলার শক্তিশালী হয় এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ফিকে হয়ে যায়, তখন বড় বিনিয়োগকারীরা সোনা-রূপা বিক্রি করে দিয়ে ডলারের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন, যার ফলে বাজারে বড় ধরণের দরপতন বা 'প্রাইস কারেকশন' দেখা দেয়।
🔥9👍4
হঠাৎ করে সোনার দাম কমে গেলো কেন?
কিটকো এবং ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৫,৫০০ ডলারের ওপর থেকে কমে বর্তমানে ৪,৯০০ ডলারে নেমে এসেছে। এই ১০-২০% দরপতনের মূল কারণ হলো ট্রাম্পের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে রাশিয়ার পুনরায় ডলার ব্যবহারের গুঞ্জন, যা বিশ্ববাজারে ডলারের মানকে শক্তিশালী করেছে।
স্বর্ণের দাম ঠিক কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ঐতিহাসিক ধারা অনুযায়ী, যদি ডলার ত্যাগের চাপ কমে যায় তবে দাম ৪,৫০০ ডলারের কাছাকাছি গিয়ে স্থিতিশীল হতে পারে। তবে ডলারের এই ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকলে দাম আরও কমে ৪,০০০ ডলারেও নেমে যেতে পারে। তাই পরবর্তী খবরের দিকে নজর রাখা জরুরি। এখন খবরই সোনার বাজার পুরোপুরি রুল করছে।
কিটকো এবং ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৫,৫০০ ডলারের ওপর থেকে কমে বর্তমানে ৪,৯০০ ডলারে নেমে এসেছে। এই ১০-২০% দরপতনের মূল কারণ হলো ট্রাম্পের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে রাশিয়ার পুনরায় ডলার ব্যবহারের গুঞ্জন, যা বিশ্ববাজারে ডলারের মানকে শক্তিশালী করেছে।
স্বর্ণের দাম ঠিক কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ঐতিহাসিক ধারা অনুযায়ী, যদি ডলার ত্যাগের চাপ কমে যায় তবে দাম ৪,৫০০ ডলারের কাছাকাছি গিয়ে স্থিতিশীল হতে পারে। তবে ডলারের এই ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকলে দাম আরও কমে ৪,০০০ ডলারেও নেমে যেতে পারে। তাই পরবর্তী খবরের দিকে নজর রাখা জরুরি। এখন খবরই সোনার বাজার পুরোপুরি রুল করছে।
👍23
crypto te continue trap create hocche... trading theke dure thakun... koydin market e probesh kora dorker nai...
👍23
সিলভারের ৩য় গ্রুপ আজকে শেষ হবে। শনিবার যারা আমার সাথে সিলভার কিনতে যেতে চান দ্রুত নিশ্চিত করবেন।
কমপক্ষে ৫ ভরি চান্দি স্টিক নিতে পারবেন। শনিবারের বাজার দর অনুযায়ী দাম নির্ধারণ হবে।
প্রাইস রেঞ্জ ৪৪০০-৪৭৫০ টাকা ভরি উঠানামা করছে ঢাকার বাজারগুলিতে।
আপনি যুক্ত হতে চাইলে ১০০০ টাকা জামানত দিতে হবে যা ২-৩ দিনের ভেতর ফেরতযোগ্য।
যারা ইনবক্সে মেসেজ করেছেন তাদের সবাইকে নয় বরং ৭-৮ জন জামানত পাঠিয়ে বুকিং কনফার্ম করেছেন তাদের চান্দি সিলভার কনফার্ম হয়ে গেছে।
আমি আপনাকে কিনতে সাহায্য করবো বাজারের সেরা গ্রেড ও কোয়ালিটি। তাই দুশ্চিন্তা করার দরকার নাই 🥰
কমপক্ষে ৫ ভরি চান্দি স্টিক নিতে পারবেন। শনিবারের বাজার দর অনুযায়ী দাম নির্ধারণ হবে।
প্রাইস রেঞ্জ ৪৪০০-৪৭৫০ টাকা ভরি উঠানামা করছে ঢাকার বাজারগুলিতে।
আপনি যুক্ত হতে চাইলে ১০০০ টাকা জামানত দিতে হবে যা ২-৩ দিনের ভেতর ফেরতযোগ্য।
যারা ইনবক্সে মেসেজ করেছেন তাদের সবাইকে নয় বরং ৭-৮ জন জামানত পাঠিয়ে বুকিং কনফার্ম করেছেন তাদের চান্দি সিলভার কনফার্ম হয়ে গেছে।
আমি আপনাকে কিনতে সাহায্য করবো বাজারের সেরা গ্রেড ও কোয়ালিটি। তাই দুশ্চিন্তা করার দরকার নাই 🥰
5👍14🥰4
https://www.facebook.com/share/p/1GbMAscUBc/
যারা এআই ভিডিও বানাতে চান তাদের জন্য ফেসবুকের এই পোস্টটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে । দারুণ কিছু করতে পারবেন ফ্রিতে । ফেসবুক পোস্ট এর কমেন্ট বক্সে ধাপে ধাপে সব বলে দেয়া হয়েছে ।
যারা এআই ভিডিও বানাতে চান তাদের জন্য ফেসবুকের এই পোস্টটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে । দারুণ কিছু করতে পারবেন ফ্রিতে । ফেসবুক পোস্ট এর কমেন্ট বক্সে ধাপে ধাপে সব বলে দেয়া হয়েছে ।
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
1👍4
X MONEY IS LAUNCHING NEXT MONTH AND GAME OVER FOR BANKS
500 million users.
Built-in wallet.
6% APY savings.
Crypto trading straight from the timeline.
Stocks. Loans. Money markets.
Visa Direct — real-time, no delays.
41 US states licensed already.
Banks spent 100 years building this infrastructure.
Elon just said: "This is intended to be the place where all the money is."
He's going to do it in one app.
500 million users.
Built-in wallet.
6% APY savings.
Crypto trading straight from the timeline.
Stocks. Loans. Money markets.
Visa Direct — real-time, no delays.
41 US states licensed already.
Banks spent 100 years building this infrastructure.
Elon just said: "This is intended to be the place where all the money is."
He's going to do it in one app.
👍6
যারা ডলার বাই-সেল করেন এবং টাকা ব্যাংকে রিসিভ করেন তাদের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করা হচ্ছে এবং মানি লন্ডারিং কেস হচ্ছে। তদন্ত চলমান...
অনেকের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ হয়েছে।
আমার প্রশ্ন: ক্রিপ্টো সরাসরি দেশে অনুমোদন নাই, তাহলে ব্যাংকে টাকা নেন কেন? মার্চেন্টদের ধরা হচ্ছে। সেখান থেকে সেলার ও বায়াররা কট খাচ্ছে। যারা বিকাশ, নগদে লেনদেন করেন, তারাও একাউন্ট খালি রাখুন। যেকোন সময় বন্ধ করে দিবে।
অনেকের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ হয়েছে।
আমার প্রশ্ন: ক্রিপ্টো সরাসরি দেশে অনুমোদন নাই, তাহলে ব্যাংকে টাকা নেন কেন? মার্চেন্টদের ধরা হচ্ছে। সেখান থেকে সেলার ও বায়াররা কট খাচ্ছে। যারা বিকাশ, নগদে লেনদেন করেন, তারাও একাউন্ট খালি রাখুন। যেকোন সময় বন্ধ করে দিবে।
😢24🔥3😱3
অনেকেরই একটা ভুল ধারণা আছে যে, Cryptocurrency তে একবার স্ক্যাম হলে বা টাকা পাচার হয়ে গেলে সেই টাকার আর কোনো হদিস পাওয়া যায় না। কারণ ক্রিপ্টো মানেই নাকি ১০০% অ্যানোনিমাস বা নাম পরিচয়হীন! কিন্তু এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি সম্প্রতি একটি চমৎকার কাজ করেছে। ২০২৩ সালের বহুল আলোচিত MTFE (Metaverse Foreign Exchange) স্ক্যামের প্রায় ৩.৬২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪৫ কোটি টাকা) তারা সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এখন মনে প্রশ্ন এই অসাধ্য সাধন CID কিভাবে সম্ভব করলো? আসেন জানার চেষ্টা করা যাক।
ব্লকচেইন প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় স্ট্রেন্থ হলো এর ট্রান্সপারেন্সি বা স্বচ্ছতা। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের মতো নেটওয়ার্কগুলো পুরোপুরি অ্যানোনিমাস নয়, বরং এগুলো মূলত Pseudonymous । অর্থাৎ, আপনার নাম ঠিকানা লেখা না থাকলেও আপনার ওয়ালেট অ্যাড্রেস এবং ট্রানজেকশনের পুরো হিস্ট্রি পাবলিক লেজারে চিরস্থায়ীভাবে রেকর্ড করা থাকে। MTFE স্ক্যামাররা যখন ইউজারদের ফান্ড সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন তারা হয়তো ভেবেছিল ওয়ালেট বদলে ফেললেই পার পাওয়া যাবে। কিন্তু মডার্ন ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং Follow the money মেকানিজম ব্যবহার করে তাদের প্রতিটি ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করা সম্ভব হয়েছে।
স্ক্যামাররা সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছে ক্যাশ আউটের সময়। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার তো আর নিজেদের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেটে ফেলে রাখলে চলবে না, সেটাকে ফিয়াট কারেন্সিতে (যেমন ডলারে বা টাকায়) রূপান্তর করতে হবে। আর এই বিশাল অংকের ফান্ড মুভমেন্টের জন্য তারা বেছে নিয়েছিল জনপ্রিয় সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ OKX কে। ঠিক এখানেই তারা ট্র্যাপে পড়ে যায়। কারণ যেকোনো স্বনামধন্য সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জকে আন্তর্জাতিক স্তরের KYC (Know Your Customer) এবং AML (Anti-Money Laundering) প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। তাদের সার্ভারেই মূল ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ থাকে।
অবশ্য OKX এর মতো গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম চাইলেই শুধু একটা লোকাল এজেন্সির কথায় ফান্ড রিলিজ করবে না, এর জন্য শক্ত আইনি কাঠামোর দরকার। সিআইডি এখানে খুব স্মার্টলি প্লে করেছে। তারা শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষের একটি লিড ধরে এগোয়(জানতে পারে ফান্ড OKX এই আছে) এবং এরপর কোলাবোরেট করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস, এফবিআই (FBI) এবং মার্কিন বিচার বিভাগের আইসিআইটিএপি (ICITAP) প্রোগ্রামের সাথে। এই গ্লোবাল জায়ান্টদের আইনি চাপ এবং ব্লকচেইন অ্যানালাইসিসের অকাট্য প্রমাণের কারণেই OKX এক্সচেঞ্জ বাধ্য হয় স্ক্যামারদের ওয়ালেটগুলো ফ্রিজ করতে।
জব্দ তো হলো কিন্তু সেই জব্দ করা ক্রিপ্টো দেশে তো আনতে হবে! ক্রিপ্টো তো আর সরাসরি দেশের কোনো লোকাল ব্যাংকে পাঠানো যায় না! এই টেকনিক্যাল ও আইনি বাধা পার হতে সিআইডি 'অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেড' নামের একটি আন্তর্জাতিক অ্যাসেট রিকভারি ফার্মের সাথে চুক্তি করে। এই ফার্মটি OKX থেকে ক্রিপ্টো নিজেদের জিম্মায় নেয়, সেগুলোকে লিকুইডেট করে ডলারে কনভার্ট করে। এরপর ২.৫% সার্ভিস ফি রেখে পুরো টাকাটা সম্পূর্ণ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে সোনালী ব্যাংকের মালিবাগ শাখায় সিআইডির একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়।
ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্লকচেইনের আড়ালে লুকিয়ে কোনো ক্রাইম করেই পারফেক্টলি পার পাওয়া সম্ভব নয়। ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং গ্লোবাল কোলাবোরেশন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাইবার ক্রিমিনালদের জন্য নেটওয়ার্কের ভেতরেই ফাঁদ পাতা থাকে। তবে এই টাকা ভুক্তভোগীরা সরাসরি বা চাইলেই তুলে নিতে পারবেন না, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আদালত মিলে এটি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেবে। দেশে এই ধরনের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনে এমন সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়।
ব্লকচেইন প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় স্ট্রেন্থ হলো এর ট্রান্সপারেন্সি বা স্বচ্ছতা। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের মতো নেটওয়ার্কগুলো পুরোপুরি অ্যানোনিমাস নয়, বরং এগুলো মূলত Pseudonymous । অর্থাৎ, আপনার নাম ঠিকানা লেখা না থাকলেও আপনার ওয়ালেট অ্যাড্রেস এবং ট্রানজেকশনের পুরো হিস্ট্রি পাবলিক লেজারে চিরস্থায়ীভাবে রেকর্ড করা থাকে। MTFE স্ক্যামাররা যখন ইউজারদের ফান্ড সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন তারা হয়তো ভেবেছিল ওয়ালেট বদলে ফেললেই পার পাওয়া যাবে। কিন্তু মডার্ন ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং Follow the money মেকানিজম ব্যবহার করে তাদের প্রতিটি ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করা সম্ভব হয়েছে।
স্ক্যামাররা সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছে ক্যাশ আউটের সময়। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার তো আর নিজেদের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেটে ফেলে রাখলে চলবে না, সেটাকে ফিয়াট কারেন্সিতে (যেমন ডলারে বা টাকায়) রূপান্তর করতে হবে। আর এই বিশাল অংকের ফান্ড মুভমেন্টের জন্য তারা বেছে নিয়েছিল জনপ্রিয় সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ OKX কে। ঠিক এখানেই তারা ট্র্যাপে পড়ে যায়। কারণ যেকোনো স্বনামধন্য সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জকে আন্তর্জাতিক স্তরের KYC (Know Your Customer) এবং AML (Anti-Money Laundering) প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। তাদের সার্ভারেই মূল ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ থাকে।
অবশ্য OKX এর মতো গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম চাইলেই শুধু একটা লোকাল এজেন্সির কথায় ফান্ড রিলিজ করবে না, এর জন্য শক্ত আইনি কাঠামোর দরকার। সিআইডি এখানে খুব স্মার্টলি প্লে করেছে। তারা শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষের একটি লিড ধরে এগোয়(জানতে পারে ফান্ড OKX এই আছে) এবং এরপর কোলাবোরেট করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস, এফবিআই (FBI) এবং মার্কিন বিচার বিভাগের আইসিআইটিএপি (ICITAP) প্রোগ্রামের সাথে। এই গ্লোবাল জায়ান্টদের আইনি চাপ এবং ব্লকচেইন অ্যানালাইসিসের অকাট্য প্রমাণের কারণেই OKX এক্সচেঞ্জ বাধ্য হয় স্ক্যামারদের ওয়ালেটগুলো ফ্রিজ করতে।
জব্দ তো হলো কিন্তু সেই জব্দ করা ক্রিপ্টো দেশে তো আনতে হবে! ক্রিপ্টো তো আর সরাসরি দেশের কোনো লোকাল ব্যাংকে পাঠানো যায় না! এই টেকনিক্যাল ও আইনি বাধা পার হতে সিআইডি 'অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেড' নামের একটি আন্তর্জাতিক অ্যাসেট রিকভারি ফার্মের সাথে চুক্তি করে। এই ফার্মটি OKX থেকে ক্রিপ্টো নিজেদের জিম্মায় নেয়, সেগুলোকে লিকুইডেট করে ডলারে কনভার্ট করে। এরপর ২.৫% সার্ভিস ফি রেখে পুরো টাকাটা সম্পূর্ণ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে সোনালী ব্যাংকের মালিবাগ শাখায় সিআইডির একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়।
ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্লকচেইনের আড়ালে লুকিয়ে কোনো ক্রাইম করেই পারফেক্টলি পার পাওয়া সম্ভব নয়। ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং গ্লোবাল কোলাবোরেশন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাইবার ক্রিমিনালদের জন্য নেটওয়ার্কের ভেতরেই ফাঁদ পাতা থাকে। তবে এই টাকা ভুক্তভোগীরা সরাসরি বা চাইলেই তুলে নিতে পারবেন না, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আদালত মিলে এটি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেবে। দেশে এই ধরনের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনে এমন সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়।
👍34😱10🔥4👏1
ফেসবুক এখন শুধু আড্ডা দেওয়ার জায়গা না, এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় উপার্জনের মাধ্যম। মেটা এখন টিকটক আর ইউটিউবের সাথে টেক্কা দিতে ক্রিয়েটরদের প্রচুর টাকা দিচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা অনেকেই সঠিক নিয়ম জানি না।
আজকের এই স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইডলাইন ফলো করে ইনকাম শুরু করতে পারে, সেভাবে নিচে বুঝিয়ে বলছি:
১. প্রোফাইল নাকি পেজ?
অনেকেই কনফিউজড থাকেন যে নতুন পেজ খুলবেন কি না। বড় আপনার পার্সোনাল প্রোফাইলে যদি অলরেডি ২-৩ হাজার ফ্রেন্ড থাকে, তবে নতুন পেজ খোলার দরকার নেই। প্রোফাইল সেটিংসে গিয়ে জাস্ট Professional Mode অন করে দিন। আপনার সব ফ্রেন্ড এক নিমেষে ফলোয়ার হয়ে যাবে।
২. এলিজিবিলিটি বা যোগ্যতা
ইনকাম শুরু করতে আপনাকে নিচের ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অন্তত ৫,০০০ ফলোয়ার।
- গত ৬০ দিনে ৬০,০০০ মিনিট ওয়াচ টাইম (যা রিলস এর যুগে জাস্ট একটা ভিডিও ভাইরাল হলেই সম্ভব)।
- আপনার পেজে অন্তত ৫টি একটিভ ভিডিও থাকতে হবে।
চেক করার জন্য এই লিংকে যেতে পারেন:
- https://www.facebook.com/creators/tools/mnetization
৩. কন্টেন্ট ফরম্যাট
ইউটিউবের মতো লম্বা ভিডিও (১৬:৯) ফেসবুকে এখন ব্যাকডেটেড। ফোনের স্ক্রিনের পুরো দখল নিতে ১:১ (Square) বা ৪:৫ ফরম্যাটে ভিডিও বানান। এতে অডিয়েন্সের মনোযোগ বেশি পাওয়া যায় এবং Watch time কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
৪. প্রথম ৩ সেকেন্ড এবং ক্যাপশন
ফেসবুকে মানুষ ভিডিও দেখে সাউন্ড অফ করে। তাই ভিডিওর শুরুতে বোরিং লোগো বা ইন্ট্রো না দিয়ে সরাসরি মূল কথা দিয়ে শুরু করুন। ভিডিওর ভেতরে Auto-captions যোগ করা মাস্ট। মানুষ স্ক্রিনে লেখা দেখলে ভিডিওতে বেশিক্ষণ আটকে থাকে।
৫. ইনকামের প্রকারভেদ:
- In-stream Ads: ৩ মিনিটের বেশি ভিডিওর মাঝখানে অ্যাড দেখানো (এটি সবচেয়ে বেশি টাকা দেয়)।
- Ads on Reels: আপনার রিলস ভিডিওর ওপরে ছোট ব্যানার অ্যাড।
- Performance Bonus: এই চমৎকার ফিচারে আপনার ছবি বা স্রেফ টেক্সট পোস্ট ভাইরাল হলেও ফেসবুক আপনাকে টাকা দিবে।
৬. ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্র্যাটেজি (The Flywheel Method)
দ্রুত সাকসেস পেতে এই ট্রিকটি কাজে লাগান। প্রতিদিন অন্তত ৩টি Reels আপলোড করুন ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য। আর সপ্তাহে অন্তত একবার ১ ঘণ্টার জন্য Live এ আসুন ওয়াচ টাইম পূরণ করার জন্য। লাইভ ভিডিওর সেরা ক্লিপগুলো কেটে আবার রিলস হিসেবে আপলোড করুন।
৭. অরিজিনালিটি বা মৌলিকত্ব
অন্য কারো ভিডিও, মুভি ক্লিপ বা টিভি শো কপি করে আপলোড করবেন না। ফেসবুকের অ্যালগরিদম অনেক শক্তিশালী, কপি কন্টেন্ট ধরলে আপনার পেজ কোনোদিন মনিটাইজ হবে না। নিজের ভয়েস আর নিজের চেহারা ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
ফেসবুক মনিটাইজেশন একটা ম্যারাথন দৌড়ের মতো, স্প্রিন্ট না। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা না করে প্রতিদিন ভ্যালুয়েবল কিছু শেয়ার করুন। আপনি যদি নিয়মিত থাকেন, তবে সাফল্য আসতে বাধ্য।
আজকের এই স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইডলাইন ফলো করে ইনকাম শুরু করতে পারে, সেভাবে নিচে বুঝিয়ে বলছি:
১. প্রোফাইল নাকি পেজ?
অনেকেই কনফিউজড থাকেন যে নতুন পেজ খুলবেন কি না। বড় আপনার পার্সোনাল প্রোফাইলে যদি অলরেডি ২-৩ হাজার ফ্রেন্ড থাকে, তবে নতুন পেজ খোলার দরকার নেই। প্রোফাইল সেটিংসে গিয়ে জাস্ট Professional Mode অন করে দিন। আপনার সব ফ্রেন্ড এক নিমেষে ফলোয়ার হয়ে যাবে।
২. এলিজিবিলিটি বা যোগ্যতা
ইনকাম শুরু করতে আপনাকে নিচের ৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অন্তত ৫,০০০ ফলোয়ার।
- গত ৬০ দিনে ৬০,০০০ মিনিট ওয়াচ টাইম (যা রিলস এর যুগে জাস্ট একটা ভিডিও ভাইরাল হলেই সম্ভব)।
- আপনার পেজে অন্তত ৫টি একটিভ ভিডিও থাকতে হবে।
চেক করার জন্য এই লিংকে যেতে পারেন:
- https://www.facebook.com/creators/tools/mnetization
৩. কন্টেন্ট ফরম্যাট
ইউটিউবের মতো লম্বা ভিডিও (১৬:৯) ফেসবুকে এখন ব্যাকডেটেড। ফোনের স্ক্রিনের পুরো দখল নিতে ১:১ (Square) বা ৪:৫ ফরম্যাটে ভিডিও বানান। এতে অডিয়েন্সের মনোযোগ বেশি পাওয়া যায় এবং Watch time কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
৪. প্রথম ৩ সেকেন্ড এবং ক্যাপশন
ফেসবুকে মানুষ ভিডিও দেখে সাউন্ড অফ করে। তাই ভিডিওর শুরুতে বোরিং লোগো বা ইন্ট্রো না দিয়ে সরাসরি মূল কথা দিয়ে শুরু করুন। ভিডিওর ভেতরে Auto-captions যোগ করা মাস্ট। মানুষ স্ক্রিনে লেখা দেখলে ভিডিওতে বেশিক্ষণ আটকে থাকে।
৫. ইনকামের প্রকারভেদ:
- In-stream Ads: ৩ মিনিটের বেশি ভিডিওর মাঝখানে অ্যাড দেখানো (এটি সবচেয়ে বেশি টাকা দেয়)।
- Ads on Reels: আপনার রিলস ভিডিওর ওপরে ছোট ব্যানার অ্যাড।
- Performance Bonus: এই চমৎকার ফিচারে আপনার ছবি বা স্রেফ টেক্সট পোস্ট ভাইরাল হলেও ফেসবুক আপনাকে টাকা দিবে।
৬. ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্র্যাটেজি (The Flywheel Method)
দ্রুত সাকসেস পেতে এই ট্রিকটি কাজে লাগান। প্রতিদিন অন্তত ৩টি Reels আপলোড করুন ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য। আর সপ্তাহে অন্তত একবার ১ ঘণ্টার জন্য Live এ আসুন ওয়াচ টাইম পূরণ করার জন্য। লাইভ ভিডিওর সেরা ক্লিপগুলো কেটে আবার রিলস হিসেবে আপলোড করুন।
৭. অরিজিনালিটি বা মৌলিকত্ব
অন্য কারো ভিডিও, মুভি ক্লিপ বা টিভি শো কপি করে আপলোড করবেন না। ফেসবুকের অ্যালগরিদম অনেক শক্তিশালী, কপি কন্টেন্ট ধরলে আপনার পেজ কোনোদিন মনিটাইজ হবে না। নিজের ভয়েস আর নিজের চেহারা ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
ফেসবুক মনিটাইজেশন একটা ম্যারাথন দৌড়ের মতো, স্প্রিন্ট না। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা না করে প্রতিদিন ভ্যালুয়েবল কিছু শেয়ার করুন। আপনি যদি নিয়মিত থাকেন, তবে সাফল্য আসতে বাধ্য।
👍24
দুইমাসের বেশি হলো ট্রেডিং করি না। তাই এই সংক্রান্ত সিগনাল দেয়াও বন্ধ, টিপসও দিচ্ছি না।
বর্তমানে ফেসবুকে লেখালিখি নিয়েই আছি।
আপনারা চাইলে এই চ্যানেলে বিশ্ব রাজনীতি ও ভ্যারাইটিজ বিষয় নিয়ে লেখা পোস্ট করবো। একজন দুজনের কথায় নয়, পোল দেবো। তারপর। আপনাদের সাথে এঙ্গেজড থাকতে চাই। যদিও এখন ট্রেড করছি না। তবে একটা ব্রেক নিয়ে আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে।
বর্তমানে ফেসবুকে লেখালিখি নিয়েই আছি।
আপনারা চাইলে এই চ্যানেলে বিশ্ব রাজনীতি ও ভ্যারাইটিজ বিষয় নিয়ে লেখা পোস্ট করবো। একজন দুজনের কথায় নয়, পোল দেবো। তারপর। আপনাদের সাথে এঙ্গেজড থাকতে চাই। যদিও এখন ট্রেড করছি না। তবে একটা ব্রেক নিয়ে আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে।
🔥30👍19
✅ ইরানে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব বাতিল করেছে সিনেট, ফলে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের উপর আক্রমণ করবে আমেরিকা ।
- আল জাজিরা
- আল জাজিরা
😢16🔥3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সেন্টকম কমান্ডার জানিয়েছে, আমেরিকা ইরানের লিডারশিপ, ইনফ্রাস্ত্রাকচার এবং মিলিটারি এসেট পুরোপুরি ধ্বংস করার জন্য জোরেশোরে আক্রমণ করতে যাচ্ছে - FOX NEWS
👍10😱5😢4🔥2
তেলের দাম বাড়লেই সোনার দাম সব সময় কমে না... সিক্রেট জানবেন? 🔥
তেলের দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে সেটা আমরা সবাই বুঝি কিন্তু সোনার সাথে এর সম্পর্কটা বেশ মজার। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত সবকিছুর দাম বাড়ে যেটাকে আমরা ইনফ্লেশন বলি, অনেকে এখানে একটা ভুল ধরে নেয়, ভাবে ইনফ্লেশন বাড়লেই সোনার দাম সবসময় বাড়বে, বাস্তবে কিন্তু খেলাটা এত সোজা না আর এই সময় সোনার দাম বাড়ার কথা থাকলেও মাঝে মাঝে উল্টোটা ঘটে।
সোনার দামের আসল চাবিকাঠি হলো রিয়েল ইল্ড যা মূলত আপনার জমানো টাকার আসল লাভ, মানে কাগজে না, বাস্তবে আপনার টাকা কতটা শক্তিশালী থাকলো সেটার হিসাব। ধরুন আপনি ব্যাংকে ১০০ টাকা রাখলেন এবং বছর শেষে ১০৫ টাকা পেলেন কিন্তু বাজারে জিনিসের দাম যদি ৫ টাকা বেড়ে যায় তবে আপনার আসল লাভ হলো শূন্য, মানে আপনার টাকা বাড়ে নাই, শুধু সংখ্যাটা বড় হয়েছে।
যখন তেলের দাম আকাশচুম্বী হয় তখন আমেরিকা বা বড় দেশগুলো ইনফ্লেশন থামাতে সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। ব্যাংকে সুদের হার অনেক বেড়ে গেলে মানুষ সোনা বিক্রি করে ব্যাংকে টাকা রাখা শুরু করে কারণ সোনা থেকে কোনো বাড়তি সুদ পাওয়া যায় না, কারণ তখন বসে বসেই নিশ্চিত লাভ পাওয়া যাচ্ছে।
রিয়েল ইল্ড বাড়লে সোনার দাম কমে যায় কারণ তখন মানুষের কাছে কাগজের টাকার মূল্য বেশি থাকে, আরও সহজ করে বললে, ব্যাংকে টাকা রাখলেই আসল লাভ হচ্ছে তাই সোনার দরকার কমে যায়। আবার যখন জিনিসের দাম বাড়ার তুলনায় ব্যাংকের সুদ কম থাকে তখন রিয়েল ইল্ড কমে যায় এবং মানুষ নিরাপত্তার জন্য হন্যে হয়ে সোনা কেনে।
সহজ একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন ধরুন আপনার কাছে একটা আপেল আছে যার দাম ১০ টাকা। এখন বাজারে আপেলের দাম বেড়ে ২০ টাকা হলো কিন্তু ব্যাংক আপনাকে কোনো বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে না তখন আপনি আপেল বা সোনাই জমিয়ে রাখবেন, কারণ আপনার টাকা value হারাচ্ছে।
কিন্তু যদি ব্যাংক বলে আপনি টাকা রাখলে বছর শেষে আপনাকে দুটো আপেলের সমান টাকা দিবে তখন আপনি আর সোনা বা আপেল জমিয়ে রাখবেন না। এই লাভটাই হলো রিয়েল ইল্ড যা বাড়লে সোনার উজ্জ্বলতা কমে আর কমলে সোনার দাম হু হু করে বাড়ে।
আমেরিকার বর্তমান ডাটা অনুযায়ী তেলের দাম বাড়লে যদি তারা সুদের হার অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয় তবে সোনার দাম সাময়িকভাবে কমতে পারে। কারণ বড় বিনিয়োগকারীরা তখন সোনার চেয়ে ডলার বা বন্ডে টাকা রাখাকে বেশি লাভজনক মনে করে, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে বন্ড ইল্ড প্রায় 4.3 থেকে 4.5 percent আর ইনফ্লেশন প্রায় 3.2 থেকে 3.4 percent, মানে রিয়েল ইল্ড পজিটিভ, তাই সোনার উপর চাপ তৈরি হয়।
আবার যদি তেলের দাম বাড়ার ফলে যুদ্ধ বা অস্থিরতা তৈরি হয় তবে মানুষ লাভের চিন্তা না করে জানমালের নিরাপত্তার মতো সোনার পেছনে ছোটে, এখানে ইমোশন আর ভয় মার্কেটকে চালায়। এই গোলমেলে পরিস্থিতিতেই সোনার দাম তখন তেলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে।
মূল কথা হলো তেলের দাম বাড়লেই যে সোনা সস্তা হবে তা নয় বরং ওই দেশের সরকার সুদের হার দিয়ে পরিস্থিতি কীভাবে সামলাচ্ছে সেটাই আসল। রিয়েল ইল্ড পজিটিভ থাকলে সোনা একটু ঝিমিয়ে পড়ে আর নেগেটিভ হলেই সোনা রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে, তাই চোখ রাখুন ইনফ্লেশনের সাথে সাথে সুদের হার আর রিয়েল ইল্ডের উপর, আসল গেমটা এখানেই।
Mehedi Hasan Ishaan
তেলের দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে সেটা আমরা সবাই বুঝি কিন্তু সোনার সাথে এর সম্পর্কটা বেশ মজার। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত সবকিছুর দাম বাড়ে যেটাকে আমরা ইনফ্লেশন বলি, অনেকে এখানে একটা ভুল ধরে নেয়, ভাবে ইনফ্লেশন বাড়লেই সোনার দাম সবসময় বাড়বে, বাস্তবে কিন্তু খেলাটা এত সোজা না আর এই সময় সোনার দাম বাড়ার কথা থাকলেও মাঝে মাঝে উল্টোটা ঘটে।
সোনার দামের আসল চাবিকাঠি হলো রিয়েল ইল্ড যা মূলত আপনার জমানো টাকার আসল লাভ, মানে কাগজে না, বাস্তবে আপনার টাকা কতটা শক্তিশালী থাকলো সেটার হিসাব। ধরুন আপনি ব্যাংকে ১০০ টাকা রাখলেন এবং বছর শেষে ১০৫ টাকা পেলেন কিন্তু বাজারে জিনিসের দাম যদি ৫ টাকা বেড়ে যায় তবে আপনার আসল লাভ হলো শূন্য, মানে আপনার টাকা বাড়ে নাই, শুধু সংখ্যাটা বড় হয়েছে।
যখন তেলের দাম আকাশচুম্বী হয় তখন আমেরিকা বা বড় দেশগুলো ইনফ্লেশন থামাতে সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। ব্যাংকে সুদের হার অনেক বেড়ে গেলে মানুষ সোনা বিক্রি করে ব্যাংকে টাকা রাখা শুরু করে কারণ সোনা থেকে কোনো বাড়তি সুদ পাওয়া যায় না, কারণ তখন বসে বসেই নিশ্চিত লাভ পাওয়া যাচ্ছে।
রিয়েল ইল্ড বাড়লে সোনার দাম কমে যায় কারণ তখন মানুষের কাছে কাগজের টাকার মূল্য বেশি থাকে, আরও সহজ করে বললে, ব্যাংকে টাকা রাখলেই আসল লাভ হচ্ছে তাই সোনার দরকার কমে যায়। আবার যখন জিনিসের দাম বাড়ার তুলনায় ব্যাংকের সুদ কম থাকে তখন রিয়েল ইল্ড কমে যায় এবং মানুষ নিরাপত্তার জন্য হন্যে হয়ে সোনা কেনে।
সহজ একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন ধরুন আপনার কাছে একটা আপেল আছে যার দাম ১০ টাকা। এখন বাজারে আপেলের দাম বেড়ে ২০ টাকা হলো কিন্তু ব্যাংক আপনাকে কোনো বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে না তখন আপনি আপেল বা সোনাই জমিয়ে রাখবেন, কারণ আপনার টাকা value হারাচ্ছে।
কিন্তু যদি ব্যাংক বলে আপনি টাকা রাখলে বছর শেষে আপনাকে দুটো আপেলের সমান টাকা দিবে তখন আপনি আর সোনা বা আপেল জমিয়ে রাখবেন না। এই লাভটাই হলো রিয়েল ইল্ড যা বাড়লে সোনার উজ্জ্বলতা কমে আর কমলে সোনার দাম হু হু করে বাড়ে।
আমেরিকার বর্তমান ডাটা অনুযায়ী তেলের দাম বাড়লে যদি তারা সুদের হার অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয় তবে সোনার দাম সাময়িকভাবে কমতে পারে। কারণ বড় বিনিয়োগকারীরা তখন সোনার চেয়ে ডলার বা বন্ডে টাকা রাখাকে বেশি লাভজনক মনে করে, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে বন্ড ইল্ড প্রায় 4.3 থেকে 4.5 percent আর ইনফ্লেশন প্রায় 3.2 থেকে 3.4 percent, মানে রিয়েল ইল্ড পজিটিভ, তাই সোনার উপর চাপ তৈরি হয়।
আবার যদি তেলের দাম বাড়ার ফলে যুদ্ধ বা অস্থিরতা তৈরি হয় তবে মানুষ লাভের চিন্তা না করে জানমালের নিরাপত্তার মতো সোনার পেছনে ছোটে, এখানে ইমোশন আর ভয় মার্কেটকে চালায়। এই গোলমেলে পরিস্থিতিতেই সোনার দাম তখন তেলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে।
মূল কথা হলো তেলের দাম বাড়লেই যে সোনা সস্তা হবে তা নয় বরং ওই দেশের সরকার সুদের হার দিয়ে পরিস্থিতি কীভাবে সামলাচ্ছে সেটাই আসল। রিয়েল ইল্ড পজিটিভ থাকলে সোনা একটু ঝিমিয়ে পড়ে আর নেগেটিভ হলেই সোনা রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে, তাই চোখ রাখুন ইনফ্লেশনের সাথে সাথে সুদের হার আর রিয়েল ইল্ডের উপর, আসল গেমটা এখানেই।
Mehedi Hasan Ishaan
👍15🥰2
♦Breaking♦
ইরানের নৌশক্তি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়নি মার্কিন বাহিনী, স্বীকার করল পেন্টাগন
- মিডল ইস্ট মনিটর
ইরানের নৌশক্তি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়নি মার্কিন বাহিনী, স্বীকার করল পেন্টাগন
- মিডল ইস্ট মনিটর
😘18😍2
হিজবুল্লাহ ঘোষণা করেছে যে, তারা মাইস আল-জাবাল শহরে ইসরায়েলি শত্রু সেনাবাহিনীর যানবাহন ও সৈন্যদের একটি সমাবেশকে আত্মঘাতী ড্রোনের একটি ঝাঁক দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
🔥17
ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ইসলামি রেভ্যলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা ফারস এ কথা জানিয়েছে।
- আল জাজিরা
- আল জাজিরা
😢29
একজন ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন: আমরা দক্ষিণ লেবাননে একটি কৌশলগত ফাঁদের মুখে পড়েছি। সেখান থেকে আমাদের সরে আসা হলে তা পরাজয় হিসেবে গণ্য হবে, আর ট্রাম্প আমাদের অগ্রসর হতেও বাধা দিচ্ছেন।
😍5
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা Shin Bet-এর একজন সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, তারা Hezbollah-এর কাছ থেকে গেরিলা যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে, যেন ১৯৯০-এর দশকের পরিস্থিতি আবার ফিরে এসেছে।
👍11😢2