🔥 আজকে মার্কেটে ঢুকবেন তো জয় বাংলা -
8:30 AM → INITIAL JOBLESS CLAIMS.
10:50 AM → FED PRESIDENT SPEAKS.
4:30 PM → FED BALANCE SHEET (!!).
6:50 PM → JAPAN FOREIGN RESERVES DATA.
7:00 PM → TRUMP MAKES AN ANNOUNCEMENT (!!).
EXPECT HIGH VOLATILITY!
8:30 AM → INITIAL JOBLESS CLAIMS.
10:50 AM → FED PRESIDENT SPEAKS.
4:30 PM → FED BALANCE SHEET (!!).
6:50 PM → JAPAN FOREIGN RESERVES DATA.
7:00 PM → TRUMP MAKES AN ANNOUNCEMENT (!!).
EXPECT HIGH VOLATILITY!
🔥11
Forwarded from Watcher Guru
🔥8
Forwarded from Pi Network
KYC validator rewards distribution continues to make progress in line with the previously announced timeline! Its design was finalized, implementation was completed, and currently the work is being tested. Testing is incredibly important, as it affects the distribution of Pi payments to KYC validators for their work in the KYC process of millions of Pioneers. The target remains deployment by the end of this quarter (March 2026).
https://www.youtube.com/watch?v=7ozfSRAt6qk শাহবাগের সামনে যুদ্ধ হচ্ছে এবং সাউন্ড গ্রেনেড
YouTube
🔴LIVE: রণ'ক্ষেত্র শাহবাগ, যমুনা অভিমুখে ছাত্রজনতা | Jamuna | Inqilab Manch| Police| Blocked Shahbag
#রণক্ষেত্র #যমুনা #প্রবেশপথ #বাংলাদেশ #যুদ্ধ #ঐতিহ্য #সংস্কৃতি #প্রকৃতি #নদী #বাংলারপ্রকৃতি #ইতিহাস #যুদ্ধেরইতিহাস #যুদ্ধক্ষেত্র #যমুনানদী #বাংলাদেশেরঐতিহ্য #প্রবেশপথযমুনা #ভ্রমণ #বাংলাদেশভ্রমণ #নদীভ্রমণ #যমুনারপাড় #সাহিত্য #শিল্প #ফটোগ্রাফি #নদীসংস্কৃতি…
👍3
Germany's largest precious metals wholesaler BayernLB and leading dealers are openly admitting it: since January 2026 the physical gold and silver market has been completely overwhelmed. Demand is exploding while supply chains are breaking—creating real, painful shortages that paper price drops cannot fix. 🔥
👍4
সোনার ভরি ১০ লাখ টাকা হওয়াটা এখন আর অবাস্তব কোনো কল্পনা নয়, বরং গাণিতিক ধাপে আগানো এক কঠিন বাস্তবতা। ২০২১ সালে যে সোনার ভরি ছিল মাত্র ৬০ হাজার টাকা, ২০২৬ সালের শুরুতে তা ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ গত ৫ বছরে সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ৪.৩৩ গুণ বা ৪৩৩%। এই সময়ে বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ছিল ৩৪ শতাংশের উপরে। গত ৫ বছরের এই অবিশ্বাস্য গতিই বলে দিচ্ছে সামনের দিনগুলোতে সোনা কোন উচ্চতায় গিয়ে থামবে।
বিশেষ করে গত দুই বছরের পাগলা ঘোড়ার মতো দৌড় সবার চোখ খুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালে সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ২৫%, কিন্তু ২০২৫ সালে এসে সেই প্রবৃদ্ধি আগের সব রেকর্ড ভেঙে প্রায় ৬৪% এ গিয়ে ঠেকেছে। ডলারের সংকট, বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা আর বড় বড় বিনিয়োগকারীদের সোনা মজুত করার হিড়িক এই দামকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে। মাত্র এক বছরে ৬৪% প্রবৃদ্ধি হওয়ার মানে হলো, বাজার এখন সম্পূর্ণ আনপ্রেডিক্টেবল বা অনিয়মিতভাবে বাড়ছে।
এখন প্রশ্ন হলো, ১০ লাখ টাকা হতে আর কতটুকু পথ বাকি? বর্তমানে ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা দাম থেকে আগামী ৫ বছরে ১০ লাখ টাকার মাইলফলক ছুঁতে হলে সোনাকে প্রতি বছর গড়ে মাত্র ৩১% হারে বাড়লেই হবে। যেখানে গত ৫ বছর ধরে সোনা গড়ে ৩৪% হারে বেড়েছে এবং গত বছর একাই ৬৪% বেড়েছে, সেখানে ৩১% প্রবৃদ্ধি হওয়া এখন খুবই সাধারণ একটি বিষয়। বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের আধিপত্য যেভাবে কমছে এবং গ্লোবাল যুদ্ধ পরিস্থিতি যেভাবে ঘনীভূত হচ্ছে, তাতে মুদ্রাস্ফীতির কারণে সোনার দাম এই লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি বেড়ে যেতে পারে।
আগামী দিনগুলোতে দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেম আর টাকার মান কমতে থাকা আমাদের জমানো সম্পদকে কাগজের টুকরোয় পরিণত করবে। সরকারগুলো নিজেদের প্রয়োজনে দেদারসে টাকা ছাপাবে আর সাধারণ মানুষের পকেটের টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমতে থাকবে। এই কঠিন সময়ে ডলারের দাম যদি ২০০ টাকার ঘর ছাড়িয়ে যায়, তবে প্রতি বছর ৩১% প্রবৃদ্ধি হেসেখেলে হবে এবং ১০ লাখ টাকা ভরি সোনা কেনা তখন সাধারণ মানুষের সাধ্যের একদম বাইরে চলে যাবে। তাই হিসাব পরিষ্কার—এখনই সঠিক অ্যাসেটে বিনিয়োগ না করলে ভবিষ্যৎ হবে চরম অন্ধকার।
বিশেষ করে গত দুই বছরের পাগলা ঘোড়ার মতো দৌড় সবার চোখ খুলে দিয়েছে। ২০২৪ সালে সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ২৫%, কিন্তু ২০২৫ সালে এসে সেই প্রবৃদ্ধি আগের সব রেকর্ড ভেঙে প্রায় ৬৪% এ গিয়ে ঠেকেছে। ডলারের সংকট, বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা আর বড় বড় বিনিয়োগকারীদের সোনা মজুত করার হিড়িক এই দামকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে। মাত্র এক বছরে ৬৪% প্রবৃদ্ধি হওয়ার মানে হলো, বাজার এখন সম্পূর্ণ আনপ্রেডিক্টেবল বা অনিয়মিতভাবে বাড়ছে।
এখন প্রশ্ন হলো, ১০ লাখ টাকা হতে আর কতটুকু পথ বাকি? বর্তমানে ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা দাম থেকে আগামী ৫ বছরে ১০ লাখ টাকার মাইলফলক ছুঁতে হলে সোনাকে প্রতি বছর গড়ে মাত্র ৩১% হারে বাড়লেই হবে। যেখানে গত ৫ বছর ধরে সোনা গড়ে ৩৪% হারে বেড়েছে এবং গত বছর একাই ৬৪% বেড়েছে, সেখানে ৩১% প্রবৃদ্ধি হওয়া এখন খুবই সাধারণ একটি বিষয়। বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের আধিপত্য যেভাবে কমছে এবং গ্লোবাল যুদ্ধ পরিস্থিতি যেভাবে ঘনীভূত হচ্ছে, তাতে মুদ্রাস্ফীতির কারণে সোনার দাম এই লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি বেড়ে যেতে পারে।
আগামী দিনগুলোতে দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেম আর টাকার মান কমতে থাকা আমাদের জমানো সম্পদকে কাগজের টুকরোয় পরিণত করবে। সরকারগুলো নিজেদের প্রয়োজনে দেদারসে টাকা ছাপাবে আর সাধারণ মানুষের পকেটের টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমতে থাকবে। এই কঠিন সময়ে ডলারের দাম যদি ২০০ টাকার ঘর ছাড়িয়ে যায়, তবে প্রতি বছর ৩১% প্রবৃদ্ধি হেসেখেলে হবে এবং ১০ লাখ টাকা ভরি সোনা কেনা তখন সাধারণ মানুষের সাধ্যের একদম বাইরে চলে যাবে। তাই হিসাব পরিষ্কার—এখনই সঠিক অ্যাসেটে বিনিয়োগ না করলে ভবিষ্যৎ হবে চরম অন্ধকার।
👍27
এক্সক্লুসিভ পোস্ট : https://www.facebook.com/share/p/16WpTqppBK/
গোল্ড সিলভার, ইনভেস্টমেন্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা কম ? কিন্তু আপনি বিনিয়োগ করতে চান অথচ জানেন না এইসব সম্পর্কে কিভাবে জানবেন ?
ভিজিট করুন আমার ব্লগ সাইটে ।
কিভাবে পোস্ট পড়বেন ? Categories থেকে Gold, Silver, Copper, Investment Alert, অপশনে ভিজিট করলে ফেসবুকে শেয়ার করা মোট ৭০ টা গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেয়ে যাবেন যা আপনার সোনা, রুপা, তামা ও বিনিয়োগ সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা দিতে সাহায্য করবে । তাছাড়াও এখন থেকে ফেসবুকে প্রকাশিত হওয়া সব আর্টিকেল ব্লগেও পাবলিশ করা হবে তাই ব্লগ বুকমার্ক করে রাখুন ।
গত ৪ মাস ধরে যতগুলি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে সেগুলি ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব বটে । তাই সোনা কিভাবে চিনবেন ? রুপা কিভাবে চিনতে হয় ? ওজন সম্পর্কে জানা, ক্যালকুলেশন, দাম নির্ধারণ, আসল নকল তফাৎ করা, বাজারের টেকনিক্যাল স্ক্যাম, ইতালিয়ান সিলভার চেনা, বিনিয়োগের জন্য কোন কোন ক্যাটাগরির সিলভার কেনা উচিত, কোনটা বাদ দিবেন ? গহনা-বারের ভেতর উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ মাধ্যমসহ যা কিছু আপনার দরকার সবকিছু লিস্ট করে শেয়ার করা হয়েছে । তাই অজানা সকল ইনফো জানতে ভিজিট করুন আমার ব্লগhttps://www.onlinehelp360.com/
ভিজিট করুন আমার ব্লগ সাইটে ।
কিভাবে পোস্ট পড়বেন ? Categories থেকে Gold, Silver, Copper, Investment Alert, অপশনে ভিজিট করলে ফেসবুকে শেয়ার করা মোট ৭০ টা গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেয়ে যাবেন যা আপনার সোনা, রুপা, তামা ও বিনিয়োগ সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা দিতে সাহায্য করবে । তাছাড়াও এখন থেকে ফেসবুকে প্রকাশিত হওয়া সব আর্টিকেল ব্লগেও পাবলিশ করা হবে তাই ব্লগ বুকমার্ক করে রাখুন ।
গত ৪ মাস ধরে যতগুলি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে সেগুলি ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব বটে । তাই সোনা কিভাবে চিনবেন ? রুপা কিভাবে চিনতে হয় ? ওজন সম্পর্কে জানা, ক্যালকুলেশন, দাম নির্ধারণ, আসল নকল তফাৎ করা, বাজারের টেকনিক্যাল স্ক্যাম, ইতালিয়ান সিলভার চেনা, বিনিয়োগের জন্য কোন কোন ক্যাটাগরির সিলভার কেনা উচিত, কোনটা বাদ দিবেন ? গহনা-বারের ভেতর উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ মাধ্যমসহ যা কিছু আপনার দরকার সবকিছু লিস্ট করে শেয়ার করা হয়েছে । তাই অজানা সকল ইনফো জানতে ভিজিট করুন আমার ব্লগhttps://www.onlinehelp360.com/
🔥1
Tech Tips 360° pinned «গোল্ড সিলভার, ইনভেস্টমেন্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা কম ? কিন্তু আপনি বিনিয়োগ করতে চান অথচ জানেন না এইসব সম্পর্কে কিভাবে জানবেন ? ভিজিট করুন আমার ব্লগ সাইটে । কিভাবে পোস্ট পড়বেন ? Categories থেকে Gold, Silver, Copper, Investment Alert, অপশনে ভিজিট করলে ফেসবুকে…»
আজকের দিনটি সোনা ও রূপার বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন বেকারত্বের হার প্রত্যাশিত ৪.৪% থেকে কমে ৪.৩% এ নেমে আসা এবং শক্তিশালী কর্মসংস্থান বা 'জবস রিপোর্ট' আসার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের মান নতুন করে শক্তিশালী হতে শুরু করেছে। অর্থনীতির এই শক্তিশালী রূপ সাধারণত সোনা ও রূপার মতো নিরাপদ সম্পদের জন্য নেতিবাচক বার্তা বয়ে আনে। যখন ডলার শক্তিশালী হয় এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ফিকে হয়ে যায়, তখন বড় বিনিয়োগকারীরা সোনা-রূপা বিক্রি করে দিয়ে ডলারের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন, যার ফলে বাজারে বড় ধরণের দরপতন বা 'প্রাইস কারেকশন' দেখা দেয়।
🔥9👍4
হঠাৎ করে সোনার দাম কমে গেলো কেন?
কিটকো এবং ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৫,৫০০ ডলারের ওপর থেকে কমে বর্তমানে ৪,৯০০ ডলারে নেমে এসেছে। এই ১০-২০% দরপতনের মূল কারণ হলো ট্রাম্পের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে রাশিয়ার পুনরায় ডলার ব্যবহারের গুঞ্জন, যা বিশ্ববাজারে ডলারের মানকে শক্তিশালী করেছে।
স্বর্ণের দাম ঠিক কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ঐতিহাসিক ধারা অনুযায়ী, যদি ডলার ত্যাগের চাপ কমে যায় তবে দাম ৪,৫০০ ডলারের কাছাকাছি গিয়ে স্থিতিশীল হতে পারে। তবে ডলারের এই ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকলে দাম আরও কমে ৪,০০০ ডলারেও নেমে যেতে পারে। তাই পরবর্তী খবরের দিকে নজর রাখা জরুরি। এখন খবরই সোনার বাজার পুরোপুরি রুল করছে।
কিটকো এবং ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৫,৫০০ ডলারের ওপর থেকে কমে বর্তমানে ৪,৯০০ ডলারে নেমে এসেছে। এই ১০-২০% দরপতনের মূল কারণ হলো ট্রাম্পের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে রাশিয়ার পুনরায় ডলার ব্যবহারের গুঞ্জন, যা বিশ্ববাজারে ডলারের মানকে শক্তিশালী করেছে।
স্বর্ণের দাম ঠিক কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে ঐতিহাসিক ধারা অনুযায়ী, যদি ডলার ত্যাগের চাপ কমে যায় তবে দাম ৪,৫০০ ডলারের কাছাকাছি গিয়ে স্থিতিশীল হতে পারে। তবে ডলারের এই ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকলে দাম আরও কমে ৪,০০০ ডলারেও নেমে যেতে পারে। তাই পরবর্তী খবরের দিকে নজর রাখা জরুরি। এখন খবরই সোনার বাজার পুরোপুরি রুল করছে।
👍23
crypto te continue trap create hocche... trading theke dure thakun... koydin market e probesh kora dorker nai...
👍23
সিলভারের ৩য় গ্রুপ আজকে শেষ হবে। শনিবার যারা আমার সাথে সিলভার কিনতে যেতে চান দ্রুত নিশ্চিত করবেন।
কমপক্ষে ৫ ভরি চান্দি স্টিক নিতে পারবেন। শনিবারের বাজার দর অনুযায়ী দাম নির্ধারণ হবে।
প্রাইস রেঞ্জ ৪৪০০-৪৭৫০ টাকা ভরি উঠানামা করছে ঢাকার বাজারগুলিতে।
আপনি যুক্ত হতে চাইলে ১০০০ টাকা জামানত দিতে হবে যা ২-৩ দিনের ভেতর ফেরতযোগ্য।
যারা ইনবক্সে মেসেজ করেছেন তাদের সবাইকে নয় বরং ৭-৮ জন জামানত পাঠিয়ে বুকিং কনফার্ম করেছেন তাদের চান্দি সিলভার কনফার্ম হয়ে গেছে।
আমি আপনাকে কিনতে সাহায্য করবো বাজারের সেরা গ্রেড ও কোয়ালিটি। তাই দুশ্চিন্তা করার দরকার নাই 🥰
কমপক্ষে ৫ ভরি চান্দি স্টিক নিতে পারবেন। শনিবারের বাজার দর অনুযায়ী দাম নির্ধারণ হবে।
প্রাইস রেঞ্জ ৪৪০০-৪৭৫০ টাকা ভরি উঠানামা করছে ঢাকার বাজারগুলিতে।
আপনি যুক্ত হতে চাইলে ১০০০ টাকা জামানত দিতে হবে যা ২-৩ দিনের ভেতর ফেরতযোগ্য।
যারা ইনবক্সে মেসেজ করেছেন তাদের সবাইকে নয় বরং ৭-৮ জন জামানত পাঠিয়ে বুকিং কনফার্ম করেছেন তাদের চান্দি সিলভার কনফার্ম হয়ে গেছে।
আমি আপনাকে কিনতে সাহায্য করবো বাজারের সেরা গ্রেড ও কোয়ালিটি। তাই দুশ্চিন্তা করার দরকার নাই 🥰
5👍14🥰4
https://www.facebook.com/share/p/1GbMAscUBc/
যারা এআই ভিডিও বানাতে চান তাদের জন্য ফেসবুকের এই পোস্টটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে । দারুণ কিছু করতে পারবেন ফ্রিতে । ফেসবুক পোস্ট এর কমেন্ট বক্সে ধাপে ধাপে সব বলে দেয়া হয়েছে ।
যারা এআই ভিডিও বানাতে চান তাদের জন্য ফেসবুকের এই পোস্টটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে । দারুণ কিছু করতে পারবেন ফ্রিতে । ফেসবুক পোস্ট এর কমেন্ট বক্সে ধাপে ধাপে সব বলে দেয়া হয়েছে ।
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
1👍4
X MONEY IS LAUNCHING NEXT MONTH AND GAME OVER FOR BANKS
500 million users.
Built-in wallet.
6% APY savings.
Crypto trading straight from the timeline.
Stocks. Loans. Money markets.
Visa Direct — real-time, no delays.
41 US states licensed already.
Banks spent 100 years building this infrastructure.
Elon just said: "This is intended to be the place where all the money is."
He's going to do it in one app.
500 million users.
Built-in wallet.
6% APY savings.
Crypto trading straight from the timeline.
Stocks. Loans. Money markets.
Visa Direct — real-time, no delays.
41 US states licensed already.
Banks spent 100 years building this infrastructure.
Elon just said: "This is intended to be the place where all the money is."
He's going to do it in one app.
👍6
যারা ডলার বাই-সেল করেন এবং টাকা ব্যাংকে রিসিভ করেন তাদের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করা হচ্ছে এবং মানি লন্ডারিং কেস হচ্ছে। তদন্ত চলমান...
অনেকের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ হয়েছে।
আমার প্রশ্ন: ক্রিপ্টো সরাসরি দেশে অনুমোদন নাই, তাহলে ব্যাংকে টাকা নেন কেন? মার্চেন্টদের ধরা হচ্ছে। সেখান থেকে সেলার ও বায়াররা কট খাচ্ছে। যারা বিকাশ, নগদে লেনদেন করেন, তারাও একাউন্ট খালি রাখুন। যেকোন সময় বন্ধ করে দিবে।
অনেকের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ হয়েছে।
আমার প্রশ্ন: ক্রিপ্টো সরাসরি দেশে অনুমোদন নাই, তাহলে ব্যাংকে টাকা নেন কেন? মার্চেন্টদের ধরা হচ্ছে। সেখান থেকে সেলার ও বায়াররা কট খাচ্ছে। যারা বিকাশ, নগদে লেনদেন করেন, তারাও একাউন্ট খালি রাখুন। যেকোন সময় বন্ধ করে দিবে।
😢24🔥3😱3
অনেকেরই একটা ভুল ধারণা আছে যে, Cryptocurrency তে একবার স্ক্যাম হলে বা টাকা পাচার হয়ে গেলে সেই টাকার আর কোনো হদিস পাওয়া যায় না। কারণ ক্রিপ্টো মানেই নাকি ১০০% অ্যানোনিমাস বা নাম পরিচয়হীন! কিন্তু এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি সম্প্রতি একটি চমৎকার কাজ করেছে। ২০২৩ সালের বহুল আলোচিত MTFE (Metaverse Foreign Exchange) স্ক্যামের প্রায় ৩.৬২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪৫ কোটি টাকা) তারা সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এখন মনে প্রশ্ন এই অসাধ্য সাধন CID কিভাবে সম্ভব করলো? আসেন জানার চেষ্টা করা যাক।
ব্লকচেইন প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় স্ট্রেন্থ হলো এর ট্রান্সপারেন্সি বা স্বচ্ছতা। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের মতো নেটওয়ার্কগুলো পুরোপুরি অ্যানোনিমাস নয়, বরং এগুলো মূলত Pseudonymous । অর্থাৎ, আপনার নাম ঠিকানা লেখা না থাকলেও আপনার ওয়ালেট অ্যাড্রেস এবং ট্রানজেকশনের পুরো হিস্ট্রি পাবলিক লেজারে চিরস্থায়ীভাবে রেকর্ড করা থাকে। MTFE স্ক্যামাররা যখন ইউজারদের ফান্ড সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন তারা হয়তো ভেবেছিল ওয়ালেট বদলে ফেললেই পার পাওয়া যাবে। কিন্তু মডার্ন ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং Follow the money মেকানিজম ব্যবহার করে তাদের প্রতিটি ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করা সম্ভব হয়েছে।
স্ক্যামাররা সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছে ক্যাশ আউটের সময়। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার তো আর নিজেদের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেটে ফেলে রাখলে চলবে না, সেটাকে ফিয়াট কারেন্সিতে (যেমন ডলারে বা টাকায়) রূপান্তর করতে হবে। আর এই বিশাল অংকের ফান্ড মুভমেন্টের জন্য তারা বেছে নিয়েছিল জনপ্রিয় সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ OKX কে। ঠিক এখানেই তারা ট্র্যাপে পড়ে যায়। কারণ যেকোনো স্বনামধন্য সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জকে আন্তর্জাতিক স্তরের KYC (Know Your Customer) এবং AML (Anti-Money Laundering) প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। তাদের সার্ভারেই মূল ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ থাকে।
অবশ্য OKX এর মতো গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম চাইলেই শুধু একটা লোকাল এজেন্সির কথায় ফান্ড রিলিজ করবে না, এর জন্য শক্ত আইনি কাঠামোর দরকার। সিআইডি এখানে খুব স্মার্টলি প্লে করেছে। তারা শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষের একটি লিড ধরে এগোয়(জানতে পারে ফান্ড OKX এই আছে) এবং এরপর কোলাবোরেট করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস, এফবিআই (FBI) এবং মার্কিন বিচার বিভাগের আইসিআইটিএপি (ICITAP) প্রোগ্রামের সাথে। এই গ্লোবাল জায়ান্টদের আইনি চাপ এবং ব্লকচেইন অ্যানালাইসিসের অকাট্য প্রমাণের কারণেই OKX এক্সচেঞ্জ বাধ্য হয় স্ক্যামারদের ওয়ালেটগুলো ফ্রিজ করতে।
জব্দ তো হলো কিন্তু সেই জব্দ করা ক্রিপ্টো দেশে তো আনতে হবে! ক্রিপ্টো তো আর সরাসরি দেশের কোনো লোকাল ব্যাংকে পাঠানো যায় না! এই টেকনিক্যাল ও আইনি বাধা পার হতে সিআইডি 'অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেড' নামের একটি আন্তর্জাতিক অ্যাসেট রিকভারি ফার্মের সাথে চুক্তি করে। এই ফার্মটি OKX থেকে ক্রিপ্টো নিজেদের জিম্মায় নেয়, সেগুলোকে লিকুইডেট করে ডলারে কনভার্ট করে। এরপর ২.৫% সার্ভিস ফি রেখে পুরো টাকাটা সম্পূর্ণ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে সোনালী ব্যাংকের মালিবাগ শাখায় সিআইডির একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়।
ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্লকচেইনের আড়ালে লুকিয়ে কোনো ক্রাইম করেই পারফেক্টলি পার পাওয়া সম্ভব নয়। ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং গ্লোবাল কোলাবোরেশন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাইবার ক্রিমিনালদের জন্য নেটওয়ার্কের ভেতরেই ফাঁদ পাতা থাকে। তবে এই টাকা ভুক্তভোগীরা সরাসরি বা চাইলেই তুলে নিতে পারবেন না, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আদালত মিলে এটি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেবে। দেশে এই ধরনের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনে এমন সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়।
ব্লকচেইন প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় স্ট্রেন্থ হলো এর ট্রান্সপারেন্সি বা স্বচ্ছতা। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের মতো নেটওয়ার্কগুলো পুরোপুরি অ্যানোনিমাস নয়, বরং এগুলো মূলত Pseudonymous । অর্থাৎ, আপনার নাম ঠিকানা লেখা না থাকলেও আপনার ওয়ালেট অ্যাড্রেস এবং ট্রানজেকশনের পুরো হিস্ট্রি পাবলিক লেজারে চিরস্থায়ীভাবে রেকর্ড করা থাকে। MTFE স্ক্যামাররা যখন ইউজারদের ফান্ড সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন তারা হয়তো ভেবেছিল ওয়ালেট বদলে ফেললেই পার পাওয়া যাবে। কিন্তু মডার্ন ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং Follow the money মেকানিজম ব্যবহার করে তাদের প্রতিটি ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করা সম্ভব হয়েছে।
স্ক্যামাররা সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছে ক্যাশ আউটের সময়। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার তো আর নিজেদের সেলফ-কাস্টডি ওয়ালেটে ফেলে রাখলে চলবে না, সেটাকে ফিয়াট কারেন্সিতে (যেমন ডলারে বা টাকায়) রূপান্তর করতে হবে। আর এই বিশাল অংকের ফান্ড মুভমেন্টের জন্য তারা বেছে নিয়েছিল জনপ্রিয় সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জ OKX কে। ঠিক এখানেই তারা ট্র্যাপে পড়ে যায়। কারণ যেকোনো স্বনামধন্য সেন্ট্রালাইজড এক্সচেঞ্জকে আন্তর্জাতিক স্তরের KYC (Know Your Customer) এবং AML (Anti-Money Laundering) প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। তাদের সার্ভারেই মূল ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ থাকে।
অবশ্য OKX এর মতো গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম চাইলেই শুধু একটা লোকাল এজেন্সির কথায় ফান্ড রিলিজ করবে না, এর জন্য শক্ত আইনি কাঠামোর দরকার। সিআইডি এখানে খুব স্মার্টলি প্লে করেছে। তারা শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষের একটি লিড ধরে এগোয়(জানতে পারে ফান্ড OKX এই আছে) এবং এরপর কোলাবোরেট করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস, এফবিআই (FBI) এবং মার্কিন বিচার বিভাগের আইসিআইটিএপি (ICITAP) প্রোগ্রামের সাথে। এই গ্লোবাল জায়ান্টদের আইনি চাপ এবং ব্লকচেইন অ্যানালাইসিসের অকাট্য প্রমাণের কারণেই OKX এক্সচেঞ্জ বাধ্য হয় স্ক্যামারদের ওয়ালেটগুলো ফ্রিজ করতে।
জব্দ তো হলো কিন্তু সেই জব্দ করা ক্রিপ্টো দেশে তো আনতে হবে! ক্রিপ্টো তো আর সরাসরি দেশের কোনো লোকাল ব্যাংকে পাঠানো যায় না! এই টেকনিক্যাল ও আইনি বাধা পার হতে সিআইডি 'অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেড' নামের একটি আন্তর্জাতিক অ্যাসেট রিকভারি ফার্মের সাথে চুক্তি করে। এই ফার্মটি OKX থেকে ক্রিপ্টো নিজেদের জিম্মায় নেয়, সেগুলোকে লিকুইডেট করে ডলারে কনভার্ট করে। এরপর ২.৫% সার্ভিস ফি রেখে পুরো টাকাটা সম্পূর্ণ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে সোনালী ব্যাংকের মালিবাগ শাখায় সিআইডির একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়।
ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্লকচেইনের আড়ালে লুকিয়ে কোনো ক্রাইম করেই পারফেক্টলি পার পাওয়া সম্ভব নয়। ব্লকচেইন ফরেনসিক এবং গ্লোবাল কোলাবোরেশন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাইবার ক্রিমিনালদের জন্য নেটওয়ার্কের ভেতরেই ফাঁদ পাতা থাকে। তবে এই টাকা ভুক্তভোগীরা সরাসরি বা চাইলেই তুলে নিতে পারবেন না, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আদালত মিলে এটি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেবে। দেশে এই ধরনের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনে এমন সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়।
👍34😱10🔥4👏1