Tech Tips 360°
10.8K subscribers
3.61K photos
107 videos
14 files
3.07K links
TechTips360 নানারকম অনলাইন ইনকাম যেমন: এয়ারড্রপ, ক্রিপটো ট্রেডিং, মাইক্রোজবস, ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত নানারকম টিপস ও সহযোগিতা প্রদান করে।

Chat Zone: https://t.me/discusshub360

#crypto #trading #freelancing #airdrop #bitcoin
Download Telegram
মার্কেটে বড়সর ট্রাপ দেখা যাচ্ছ, নতুন ট্রেড ওপেন করবেন না।
👍12👏1
বিটিসি আজ উইকলি ক্লোজ দিবে। যদি ট্রেন্ডলাইন ৮৯.৪ হাজারের নিচে যায় তাহলে ৭৫ হিট করার বড় সুযোগ তৈরী হতে পারে।
🔥14👍4🤗1
তিনটা তিমি ৪৩২ মি. লং ট্রেড ওপেন করেছে Eth. 😱
👍10🥰1😢1
😝😝😝😝
😢23😘6👍4😱2🔥1🤗1
btc support 92.400

if break (👇) again fall 😢
👍8
৬-১২ ঘণ্টা মার্কেটে এন্ট্রি নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নাচানাচি শুরু হবে কয়েক ঘণ্টার ভেতর।
😱17👍1
FOMC rate cut : 0.25%

gold + stock + crypto bullish
👍7
BTC আবার $94K রেজিস্ট্যান্সে রিজেক্ট হয়েছে 😶 এখন নামতে নামতে $87K–$88K সাপোর্টে যেতে পারে। এরপর আবার $94K ব্রেক করার চেষ্টা করবে।

written by ai
🔥13👍1
আজ ১১ তম ব্যাচের দুই মাস অতিক্রম করলো। যেহেতু ফি কমিয়ে অর্ধেকের কম করা হয়েছিল। তাই একুমুলেট কমপক্ষে ১০০ অতিক্রম করার বাধ্যবাধকতা থেকেও বেরিয়ে এসেছিলাম আমরা। তবু আমরা চেষ্টা করছি ১০০ হিট করাতে। পেশাদারি মনোভাব দেখালে একে ৫০ তে নামানো যেতো কিন্তু ট্রেড ফি দিয়ে আমাদের পেট চলে না, তাই নতুন মেম্বার রিক্রুট করার প্রয়োজনীয়তা আমাদের নাই। সেজন্য তিন মাস লাগলেও এটা শেষ করে ১২তম ব্যাচ জয়েনিং হবে।

যদিও গত নভেম্বর মাসে আমাদের সিগনাল কার্যক্রমের এক বছর পূর্তি হয়েছে। আমাদের ইচ্ছা ছিল ১২তম ব্যাচ শুরু করা। যেহেতু মার্কেটের বাজে কন্ডিশনের কারণে সেটা ঘটেনি তাই হতাশ হচ্ছি না।

আপনারা দেখেছেন টেস্টনেট দেওয়াও বন্ধ করা হয়েছে। এয়ারড্রপ নষ্ট হওয়ার পর এখানেই কিছুটা আয়ের সুযোগ ছিল, কিন্তু এটাও ধ্বংস হয়ে গেছে। টেস্টনেট পোস্ট করে টেলিগ্রাম এডমিনগুলি জাস্ট মনেটাইজ চ্যানেলের এড ইনকাম করে থাকে। সামগ্রিক সুবিধা নাই বিধায় অযথা গাধার মত আপনাদের খাটানোর ইচ্ছে নাই। সময় নষ্ট। তাই ট্রেড সিগনালেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।

অনেকে বারবার নক দিচ্ছেন পরের ব্যাচ কবে শুরু হবে? যদি ১১তম ব্যাচকে আমাদের নির্ধারিত টার্গেট পুরণ করে দিতে না পারি তাহলে জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে ১১ ও ১২তম ব্যাচ মার্জ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। ১১ তম ব্যাচকে কোন ফি দিতে হবে না। ধন্যবাদ।
👍13
ইউটিউব এখন থেকে স্ট্যাবলকয়েনে ক্রিয়েটরদের পেমেন্ট দিবে। শুরু হচ্ছে আমেরিকা থেকে....
👍14
ইথারিয়ামে সম্ভবত একটা পাম্প আসতে যাচ্ছে।

এবং বিটিসি এমন পজিশনে রয়েছে পাম্প বা ডাম্প যেকোনটা হতে পারে।
😱12
বিটিসি যদি ৮৫.৯ এর সাপোর্ট ব্রেক করে ৮০ কামিং সুন বেবি
❤‍🔥8👍2😱1
ফাইলকয়েন: কম্পিউটারের খালি হার্ড ডিস্ক হতে পারে আয়ের উৎস

আমরা সাধারণত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড ব্যবহার করি। কিন্তু সেখানে আমাদের ব্যক্তিগত ফাইলগুলি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সার্ভারে জমা থাকে। কোম্পানি চাইলে আপনার ফাইল মুছে দিতে পারে, আবার হ্যাকাররা তাদের সার্ভার থেকে তথ্য চুরিও করতে পারে।

ফাইলকয়েন (Filecoin) এই ব্যবস্থার একটি আধুনিক ও নিরাপদ সমাধান। এটি কোনো কোম্পানির মালিকানাধীন নয়, বরং এটি বিশ্বের হাজার হাজার সাধারণ মানুষের কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকা একটি বিশাল নেটওয়ার্ক।

সহজ একটি উদাহরণ দেওয়া যাক: ধরুন কারো বিয়ের একটি ভিডিও আছে। গুগল ড্রাইভে রাখলে সেটি কেবল গুগলের সার্ভারে থাকবে। কিন্তু ফাইলকয়েনে সেই ভিডিওটি ১০০টি ছোট ছোট টুকরো হয়ে আমেরিকা, ইউরোপ বা এশিয়ার ১০০ জন মানুষের কম্পিউটারে জমা হবে। এর ফলে কোনো একজনের কম্পিউটার নষ্ট বা হ্যাক হলেও আপনার ভিডিওর কোনো ক্ষতি হবে না। বাকিদের থেকে তা সহজেই উদ্ধার করা যাবে।

এটি ২০১৭ সালে Protocol Labs নামের একটা গ্রুপ শুরু করে। তখন তারা অনলাইনে সবচেয়ে বড় ফান্ড সংগ্রহ করে। মাত্র কয়েক মাসে ২৫৭ মিলিয়ন ডলার জোগাড় করে। ২০২০ সালের অক্টোবরে এর আসল সার্ভিস চালু হয়। এখন ২০২৫ সালে এর নেটওয়ার্কে Netflix-এর এক বছরের সব ভিডিওর সমান জায়গা তৈরি হয়েছে। এটি স্টোরেজের "Airbnb" এর মত কাজ করে। যার কম্পিউটারে খালি জায়গা আছে সে ভাড়া দেয়। যার ফাইল রাখতে হবে সে সেই জায়গা ভাড়া নেয়।
.

ফাইলকয়েন কীভাবে কাজ করে?

ফাইলকয়েন নেটওয়ার্ক মূলত দুই ধরনের মানুষের সমন্বয়ে চলে:

১. স্টোরেজ মাইনার (ভাড়া দাতা): এরা হলেন সেই সব মানুষ যাদের কম্পিউটারে অনেক খালি জায়গা (Hard Disk) পড়ে আছে। তারা সেই খালি জায়গা নেটওয়ার্ককে ভাড়া দেন। বিনিময়ে তারা FIL নামের একটি ডিজিটাল মুদ্রা (ক্রিপ্টোকারেন্সি) আয় করেন।

এই FIL কয়েনগুলি বিন্যান্স (Binance) বা কয়েনবেস (Coinbase)-এর মত প্ল্যাটফর্মে আসল টাকায় রূপান্তর করা যায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১টি FIL-এর দাম প্রায় ৪-৬ ডলার। তবে মাইনার হতে হলে ভাল মানের হার্ড ডিস্ক, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন।

২. ক্লায়েন্ট (ভাড়া গ্রহীতা): এরা হলেন সাধারণ ব্যবহারকারী বা কোম্পানি যাদের ফাইল রাখার জন্য নিরাপদ জায়গা দরকার। তারা মাইনারদের কাছ থেকে খুব সস্তায় জায়গা ভাড়া নেন।

ফাইল জমার প্রক্রিয়া: আপনি যখন কোনো ফাইল আপলোড করেন, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছোট ছোট এনক্রিপ্টেড (লক করা) টুকরাতে ভাগ হয়ে যায়। এই টুকরাগুলি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ১০ জিবির একটি ফাইল ১০০টি টুকরা হয়ে ১০০ জন মাইনারের কাছে জমা হতে পারে।
.

নিরাপত্তা

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফাইলকয়েন কোনো ব্যক্তির ওপর বিশ্বাস না করে গাণিতিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। এই পদ্ধতিটি মূলত দুটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়:

প্রুফ-অফ-রেপ্লিকেশন (Proof-of-Replication): এটি হল ফাইল জমা রাখার প্রাথমিক নিশ্চয়তা। যখন কোনো মাইনার আপনার ফাইলটি গ্রহণ করে, সেটিকে সে একটি বিশেষ ডিজিটাল সংকেত বা এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিজের হার্ড ডিস্কে সিলগালা করে রাখে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক নিশ্চিত হয় যে, মাইনার আপনার আসল ফাইলটির একটি অনন্য কপি তৈরি করে সফলভাবে জমা রেখেছে।

এটি কেবল ফাইল রাখা নিশ্চিত করে না, বরং এটিও নিশ্চিত করে যে অন্য কোনো মাইনারের ফাইলের সাথে এটি মিলে যাচ্ছে না—অর্থাৎ আপনার ফাইলের একাধিক ব্যাকআপ কপি বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্রভাবে সংরক্ষিত আছে।

প্রুফ-অফ-স্পেসটাইম (Proof-of-Spacetime): ফাইলটি একবার রাখার পর মাইনার সেটি মাঝপথে মুছে ফেলল কিনা, তা যাচাই করার জন্য এই নিয়মটি কাজ করে। নেটওয়ার্ক প্রতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাইনারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চ্যালেঞ্জ পাঠায়। মাইনারকে তখন প্রমাণ দিতে হয় যে ফাইলটি এখনও তার কম্পিউটারে অক্ষত অবস্থায় আছে। একে বলা হয় সময়ের (Time) সাথে জায়গার (Space) প্রমাণ।

যদি কোনো মাইনার এই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয় বা ফাইলটি মুছে ফেলে, তবে নেটওয়ার্ক তাকে জরিমানা করে এবং তার অর্জিত রিওয়ার্ড কেটে নেয়। ফলে মাইনার সবসময় আপনার ফাইলটি সযত্নে রাখতে বাধ্য থাকে।
.

ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধা

ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধাগুলিকে আমরা দুই দিক থেকে দেখতে পারি। যারা ফাইল জমা রাখতে চান তাদের জন্য এটি যেমন সাশ্রয়ী, যারা নিজেদের কম্পিউটারের খালি জায়গা ভাড়া দিতে চান তাদের জন্য এটি তেমনি আয়ের একটি উৎস।

১. ক্লায়েন্ট বা ব্যবহারকারী হিসাবে আপনার সুবিধা
আপনি যদি গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউডের বিকল্প হিসেবে ফাইলকয়েন ব্যবহার করেন, তবে সবচেয়ে বড় সুবিধা পাবেন খরচের ক্ষেত্রে। সাধারণ ক্লাউড স্টোরেজে ১ টেরাবাইট (TB) জায়গার জন্য বছরে যেখানে প্রায় ২৭,০০০ টাকা খরচ হয়, ফাইলকয়েনে সেই একই পরিমাণ জায়গা মাত্র ১,২০০ থেকে ২,৪০০ টাকার মধ্যে পাওয়া সম্ভব। দ্বিতীয়ত, এখানে নিরাপত্তার স্তর অনেক শক্তিশালী। আপনার ফাইলটি এনক্রিপ্টেড হয়ে বিশ্বের হাজার হাজার কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকে, তাই কোনো একক হ্যাকারের পক্ষে আপনার সম্পূর্ণ তথ্য চুরি করা অসম্ভব। এছাড়া এখানে কোনো কোম্পানি বা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেই। গুগল বা অন্য কোম্পানি চাইলে যেকোনো সময় আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে, কিন্তু ফাইলকয়েনে আপনার ফাইলের ওপর মালিকানা শুধু আপনারই থাকে। এমনকি যে মাইনারের কম্পিউটারে আপনার ফাইল আছে, সেও সেটি খুলে দেখতে পারবে না।

২. মাইনার বা ভাড়া দাতা হিসাবে আপনার সুবিধা

আপনার যদি একটি ভাল মানের কম্পিউটার এবং অব্যবহৃত হার্ড ডিস্ক থাকে, তবে সেটি হতে পারে আয়ের নতুন একটি পথ। আপনার কম্পিউটারের খালি জায়গা ভাড়া দিয়ে আপনি ঘরে বসেই মাসে ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে আপনার বাংলাদেশের কম্পিউটারে বসে হয়ত আমেরিকার কোনো বড় কোম্পানির ডেটা সংরক্ষণ করছেন এবং বিনিময়ে 'FIL' নামক ডিজিটাল মুদ্রা পাচ্ছেন। যদিও মাইনিং সেটআপ করতে শুরুতে হার্ড ডিস্ক ও বিদ্যুতের পেছনে কিছু বিনিয়োগ (৫০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকা) করতে হয়, কিন্তু একবার সেটআপ হয়ে গেলে এটি অনেকটা প্যাসিভ ইনকামের মত কাজ করে। বাজারে FIL মুদ্রার দাম বাড়লে আপনার আয়ের পরিমাণও কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে।
.

কিছু চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা

সুবিধা অনেক থাকলেও ফাইলকয়েন ব্যবহারের কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে যা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এর মধ্যে অন্যতম হল ফাইলের গতি বা অ্যাক্সেস টাইম। গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড থেকে কোনো ফাইল ক্লিক করার সাথে সাথে সেটি ওপেন হলেও, ফাইলকয়েন নেটওয়ার্ক থেকে ফাইল ফিরিয়ে আনতে কিছুটা বেশি সময় লাগে। সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফাইলের টুকরাগুলিকে খুঁজে এনে পুনরায় একত্রিত করতে ২ থেকে ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে।

এছাড়া মাইনার হিসাবে কাজ শুরু করাটা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা কারিগরি জটিলতাপূর্ণ। এই সেটআপের জন্য ভাল মানের হার্ডওয়্যার, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রয়োজন হয়, যা শুরুতে ৫০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকার একটি বড় বিনিয়োগের দাবি রাখে।

পাশাপাশি এটি যেহেতু ক্রিপ্টোকারেন্সি বা 'FIL' টোকেনের ওপর নির্ভরশীল, তাই বিভিন্ন দেশের সরকারি আইনি কড়াকড়ি বা ক্রিপ্টো বাজারের অস্থিতিশীলতা আপনার আয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই উচ্চ নিরাপত্তার পাশাপাশি এই ছোটখাটো সীমাবদ্ধতাগুলি মাথায় রেখেই ফাইলকয়েন ব্যবহার করা উচিত।
.

বাস্তব উদাহরণ

ধরুন, একটি ছোট সিকিউরিটি কোম্পানি তাদের ১০ বছরের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে চায়, যার মোট আকার প্রায় ২০ টেরাবাইট। গুগল ক্লাউড বা এই জাতীয় প্রথাগত প্ল্যাটফর্মে এত বিশাল ডেটা রাখার জন্য তাদের বছরে প্রায় ৫.৫ লাখ টাকা গুণতে হবে, যা একটি ছোট ব্যবসার জন্য অনেক বড় বোঝা। কিন্তু ফাইলকয়েন ব্যবহার করে তারা বিশ্বের বিভিন্ন মাইনারদের কাছ থেকে এই একই জায়গা মাত্র ২৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকায় পেতে পারে।

যেহেতু ফাইলগুলি এনক্রিপ্টেড বা লক করা থাকে, তাই যার কম্পিউটারে ফুটেজগুলি জমা আছে সে নিজেও তা দেখতে পারবে না। এতে খরচ যেমন ৯০% কমে যায়, তেমনি তথ্যের গোপনীয়তাও শতভাগ নিশ্চিত হয়।
.

ফাইলকয়েন মূলত স্টোরেজ বা তথ্য সংরক্ষণের ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছে। এটি সাধারণ মানুষকে তাদের অব্যবহৃত কম্পিউটারের জায়গা থেকে আয়ের সুযোগ করে দিচ্ছে, আর ব্যবহারকারীদের দিচ্ছে সাশ্রয়ী ও সর্বোচ্চ নিরাপদ একটি ব্যবস্থা।

বড় সাইজের ফাইল, দীর্ঘমেয়াদী ব্যাকআপ বা ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সস্তায় এবং নিরাপদে রাখতে চাইলে ফাইলকয়েন একটি চমৎকার বিকল্প। যদিও ফাইল ফিরে পেতে গুগলের চেয়ে কয়েক মিনিট বেশি সময় লাগতে পারে এবং মাইনিং সেটআপে শুরুতে কিছুটা পরিশ্রম আছে, তবুও তথ্যের নিরাপত্তা ও মালিকানার প্রশ্নে এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা সমাধান।

site: filecoin.io
👏10
মার্কেট যেভাবে ম্যানিপুলেট করে শূন্যে ভাসিয়ে রাখা হয়েছে তাতে ভয় হচ্ছে হ্লারা কি ঘটায়া দিবে ☹️ একের পর এক লিকুইডেশন হচ্ছে তারপরেও টপে থাকা বিরল ঘটনা। কোন স্ট্যাটিক, ফর্মুলা কাজ করছে না। অথচ কিছু হোয়েল ঠিকই টাকা তুলে নিচ্ছে মার্কেট থেকে। এটা এলার্মিং 😡😡😡
😢20👍4😘2
ক্রিপ্টো স্পট ট্রেডিং সিগনাল চ্যানেল (১২ তম ব্যাচ)

👉 আজ ২৫ শে ডিসেম্বর থেকে ৩০ শে ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত জয়েনিং চলবে । ৩১ তারিখে গ্রুপে যুক্ত করা হবে। ১ তারিখ কার্যক্রম শুরু ইনশাল্লাহ্।

নোটিশ:

- ফি জমা দিতে পারবেন বিকাশ এজেন্ট, নগদ এজেন্ট এবং ক্রিপটো কারেন্সির মাধ্যমে । সকল পেমেন্ট নিয়ম ফর্মে দেয়া আছে ।

-  আমরা নির্দিষ্ট সময়েই  স্পট ট্রেডিং শর্ট, মিড,  লং টার্ম সিগনাল প্রদান করবো । যা মাসে গড়ে ১২ টি এবং মার্কেট খুব বেশি ভালো থাকলে ১৫ টি পর্যন্ত হতে পারে । তাছাড়া আপনাদের জন্য ডিসকাস গ্রুপ থাকবে । যার দ্বারা নিজেরাও আলোচনা করতে পারবেন । আমরা আপনাদের মেসেজের রিপ্লাই প্রদান করবো।

- আমাদের সিগন্যাল হিট করার সক্ষমতা প্রায় শতভাগ ।

- যারা জয়েন করবেন তাদের ফি রিফান্ড করা হবে না । পেমেন্ট সেন্ড করার সময় বুঝে শুনে গুগল ফর্মে উল্লেখ করা ওয়ালেটগুলি ব্যবহার করে পেমেন্ট প্রদান করবেন এবং সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করবেন ।

- টেলিগ্রাম ইউজার নেইম চেক করে তারপর লিখবেন। টেলিগ্রাম নেইম ও ইউজার নেইমের তফাৎ বুঝে লিখবেন অন্যথায় আপনাকে খুঁজে লিংক পাঠানো হবে না, আপনিই হয়রানি হবেন। তাই এসব বিষয়ে সতর্ক হবেন।

- আপনি যদি ভুল অ্যাড্রেসে পেমেন্ট করেন সেটা বাতিল । পেমেন্ট প্রদান করার পর পুনরায় ক্লেইম করার সুযোগ নেই ।

- যদি ক্রিপটোকারেন্সিতে পেমেন্ট করেন তাহলে USDT ব্যতীত ভিন্ন কোন কারেন্সি পাঠাবেন না। সেটা বাতিল করা হবে।

- বাইন্যান্স পে, কুকয়েন, বাইবিট, বিটগেট, গেট, এমইএক্সসি দ্বারা পেমেন্ট করলে order id সাবমিট করতে হবে transactions id বক্সে।

💥 পেমেন্ট সাবমিট করার পর ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে রাখবেন যেন আপনাকে সহজেই ফিরতি মেসেজ দেয়া যায়। ইনবক্স লিংক: https://t.me/mehedihasanishaan

উল্লেখ্য যে, আপনি পেমেন্ট সাবমিট করার পর যথা সময়ে আপনাকে লিঙ্ক পাঠানো হবে সেজন্য অধৈর্য হবেন না ।

মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি - ২ ডলার (২৫০ টাকা)


গুগল ফর্ম লিঙ্কঃ
https://forms.gle/umANcqvBhRVQucga7

আমাদের সাথে জয়েন করার পূর্বে বিগত ব্যাচের পারফর্ম রিপোর্ট দেখে নিন -
১ম ব্যাচ - https://ibb.co.com/1fXMySZy
২য় ব্যাচ - https://ibb.co.com/FkLnstkP
৩য় ব্যাচ - https://ibb.co.com/NvVhnTY
৪র্থ ব্যাচ - https://ibb.co.com/RkWVPxP1
৫ম ব্যাচ - https://ibb.co.com/LDzMCsGx
৬ষ্ঠ ব্যাচ - https://ibb.co/Ngnqnt4z
৭-৮ম ব্যাচ- https://ibb.co/fdQQyJ1p
৯ম ব্যাচ - https://ibb.co.com/ZRFFSXjh
১০ম ব্যাচ - https://ibb.co.com/ZQLqqmD
১১তম ব্যাচ - অসমাপ্ত

বিঃদ্রঃ আপনার কোন অসতর্কতার দায় আমরা গ্রহণ করবো না  এবং রিফান্ড পলিসি নাই ।
🔥5
Tech Tips 360° pinned «ক্রিপ্টো স্পট ট্রেডিং সিগনাল চ্যানেল (১২ তম ব্যাচ) 👉 আজ ২৫ শে ডিসেম্বর থেকে ৩০ শে ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত জয়েনিং চলবে । ৩১ তারিখে গ্রুপে যুক্ত করা হবে। ১ তারিখ কার্যক্রম শুরু ইনশাল্লাহ্। নোটিশ: - ফি জমা দিতে পারবেন বিকাশ এজেন্ট, নগদ এজেন্ট এবং ক্রিপটো…»
Trust Wallet হ্যাকড হয়েছে। একটা ডিসেন্ট্রালাইজ ওয়ালেট যদি হ্যাক হয় তাহলে ডলার রাখবো কোথায়? কেউ ভেবেছে কোনদিন এটা হ্যাক হবে?

আমাদের ১২তম স্পট ট্রেডিং ব্যাচের জয়েনিং শুরু হয়েছে। জয়েন করতে ক্লিক করুন
😢19
ক্রিপ্টোকারেন্সি কিভাবে কাজ করে? গল্পটা পড়ে বুঝা উচিত। https://www.facebook.com/share/p/1FRqkLa3N5/
ট্রেডিং শেখার সময় ৩০-৫০ ডলার যথেষ্ট।
আয়ের মুখ দেখতে ১২০-২০০ ডলার
এবং বড় প্রফিট মেইক করতে ৫০০+ ডলার থাকলেই আপনি ট্রেড করতে পারেন।

সবার কথা বিবেচনা করেই আমাদের সিগনাল ফি কমিয়ে আনা হয়েছিল গত ২-৩ টা ব্যাচ। আপনার কাছে ১০-২০ ডলার থাকলেও শুরু করতে পারেন। সেজন্য শেখাটা দরকার।
প্রতিটা ট্রেড করতে ১-৫ ডলারের কয়েন কিনে প্রাকটিস করা যায়। আপনি যখন ট্রেড শিখে ফেলবেন তখন এমাউন্ট বাড়ালেই চলবে।

এসব ভেবেই আমাদের ফি (৫ ডলার) যেকোন গ্রুপ থেকে বেশ কম রেখে যাত্রা করেছিলাম এক বছর আগে। আরো ম্যাসিভভাবে ছড়িয়ে দিতে ৬০% কমিয়ে ২ ডলারে নামানো হয়েছে। এটা খুব বেশি টাকা না। আপনার শেখা, বুঝাকে সহজ করতেই কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যা শুরুতে বলা হয়েছিল।

আপনি আবার ভাববেন না, আরো বেশি স্টুডেন্ট পেতে রেট কমানো হয়েছে। যদি এমনই হতো তাহলে গত দুটো মাস আমরা বসে না থেকে জয়েনিং চালু রাখতাম। সামান্য ৫০-১০০ ডলারে এই যুগে পেট চলে না।

ট্রেডিং খুবই মজার একটা খেলা, শিখে ফেললে আপনি নেশাগ্রস্থ হবেন নয়ত মিস্টার আপেল সাহেবের এর মত হবে।


আমাদের সাথে চাইলে জয়েন করতেও পারেন আবার নাও পারেন। ট্রেডিং খুবই স্মার্ট জব, ঠান্ডা মাথার খেলা, এই গেম সবার জন্য নয়। আমাদের সাথে জয়েনিং এর ৪৮ ঘণ্টা বাকি রয়েছে।

হ্যাপি ট্রেডিং!
❤‍🔥12🔥5
প্রতিটা কারেন্সিতে ট্রেড ভলিউম গত ২৪ ঘণ্টায় আশংকাজনক ৩০-৩৫% করে কমেছে।
😱9🔥1