Discuss hub তে নতুন মেম্বার জয়েনিং বন্ধ করা হলো। স্ক্যামারের দৌড়ান্ত্য কমবে আশা করি। স্ক্যামারগুলি নতুন কৌশলে জয়েন করছে। তারা ফেরেশতা নামে জয়েন করছে। ঢুকেই নাম বদলে "মাদারবোর্ড" নামে নাম বদলে ফেলছে। আমি খুশি যে, আপনারা স্ক্যামার ধরতে পারছেন, ইনবক্সে এসে তথ্য দিচ্ছেন। ❤️❤️
বিটিসি ডেলি চার্টে দুটো বটম ক্রিয়েট করেছে। যদি ৯৪ ক্রস করে সরাসরি ১০০ হিট করবে আশা করছি
👍5
বিটিসির স্ট্রং রেজি: ৯২৫০০। যদি উইকলি ক্যান্ডেল এর উপরে থাকে তাহলে ১০০+ যাবে অন্যথায় অবশ্যই আমরা ৭৫+ দেখবো ইনশাল্লাহ্
👍2
বিটিসি ১০০ ema হিট করেছে, যদি এটা ব্রেকডাউন হয় তাহলে আবারো ৮৫ হিট করতে যাচ্ছে।
🔥5🥰1👌1
BTC 85K হিট করার বিগ চান্স আছে।
ট্রেন্ডলাইন তে 0.78 ফিবো: সাপোর্ট আছে।
তাই এখান থেকে পাম্পের ভালো সম্ভাবনা।
ট্রেন্ডলাইন তে 0.78 ফিবো: সাপোর্ট আছে।
তাই এখান থেকে পাম্পের ভালো সম্ভাবনা।
👍8🔥1🤗1
ব্লাকরক ৩২ মি. ও ৭৫ মি. যথাক্রমে বিটিসি ও ইথারিয়াম বিক্রি করে দিসে।
👍11🔥1
মার্কেটে বড়সর ট্রাপ দেখা যাচ্ছ, নতুন ট্রেড ওপেন করবেন না।
👍12👏1
বিটিসি আজ উইকলি ক্লোজ দিবে। যদি ট্রেন্ডলাইন ৮৯.৪ হাজারের নিচে যায় তাহলে ৭৫ হিট করার বড় সুযোগ তৈরী হতে পারে।
🔥14👍4🤗1
তিনটা তিমি ৪৩২ মি. লং ট্রেড ওপেন করেছে Eth. 😱
👍10🥰1😢1
৬-১২ ঘণ্টা মার্কেটে এন্ট্রি নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নাচানাচি শুরু হবে কয়েক ঘণ্টার ভেতর।
😱17👍1
FOMC rate cut : 0.25%
gold + stock + crypto bullish
gold + stock + crypto bullish
👍7
BTC আবার $94K রেজিস্ট্যান্সে রিজেক্ট হয়েছে 😶 এখন নামতে নামতে $87K–$88K সাপোর্টে যেতে পারে। এরপর আবার $94K ব্রেক করার চেষ্টা করবে।
written by ai
written by ai
🔥13👍1
আজ ১১ তম ব্যাচের দুই মাস অতিক্রম করলো। যেহেতু ফি কমিয়ে অর্ধেকের কম করা হয়েছিল। তাই একুমুলেট কমপক্ষে ১০০ অতিক্রম করার বাধ্যবাধকতা থেকেও বেরিয়ে এসেছিলাম আমরা। তবু আমরা চেষ্টা করছি ১০০ হিট করাতে। পেশাদারি মনোভাব দেখালে একে ৫০ তে নামানো যেতো কিন্তু ট্রেড ফি দিয়ে আমাদের পেট চলে না, তাই নতুন মেম্বার রিক্রুট করার প্রয়োজনীয়তা আমাদের নাই। সেজন্য তিন মাস লাগলেও এটা শেষ করে ১২তম ব্যাচ জয়েনিং হবে।
যদিও গত নভেম্বর মাসে আমাদের সিগনাল কার্যক্রমের এক বছর পূর্তি হয়েছে। আমাদের ইচ্ছা ছিল ১২তম ব্যাচ শুরু করা। যেহেতু মার্কেটের বাজে কন্ডিশনের কারণে সেটা ঘটেনি তাই হতাশ হচ্ছি না।
আপনারা দেখেছেন টেস্টনেট দেওয়াও বন্ধ করা হয়েছে। এয়ারড্রপ নষ্ট হওয়ার পর এখানেই কিছুটা আয়ের সুযোগ ছিল, কিন্তু এটাও ধ্বংস হয়ে গেছে। টেস্টনেট পোস্ট করে টেলিগ্রাম এডমিনগুলি জাস্ট মনেটাইজ চ্যানেলের এড ইনকাম করে থাকে। সামগ্রিক সুবিধা নাই বিধায় অযথা গাধার মত আপনাদের খাটানোর ইচ্ছে নাই। সময় নষ্ট। তাই ট্রেড সিগনালেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
অনেকে বারবার নক দিচ্ছেন পরের ব্যাচ কবে শুরু হবে? যদি ১১তম ব্যাচকে আমাদের নির্ধারিত টার্গেট পুরণ করে দিতে না পারি তাহলে জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে ১১ ও ১২তম ব্যাচ মার্জ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। ১১ তম ব্যাচকে কোন ফি দিতে হবে না। ধন্যবাদ।
যদিও গত নভেম্বর মাসে আমাদের সিগনাল কার্যক্রমের এক বছর পূর্তি হয়েছে। আমাদের ইচ্ছা ছিল ১২তম ব্যাচ শুরু করা। যেহেতু মার্কেটের বাজে কন্ডিশনের কারণে সেটা ঘটেনি তাই হতাশ হচ্ছি না।
আপনারা দেখেছেন টেস্টনেট দেওয়াও বন্ধ করা হয়েছে। এয়ারড্রপ নষ্ট হওয়ার পর এখানেই কিছুটা আয়ের সুযোগ ছিল, কিন্তু এটাও ধ্বংস হয়ে গেছে। টেস্টনেট পোস্ট করে টেলিগ্রাম এডমিনগুলি জাস্ট মনেটাইজ চ্যানেলের এড ইনকাম করে থাকে। সামগ্রিক সুবিধা নাই বিধায় অযথা গাধার মত আপনাদের খাটানোর ইচ্ছে নাই। সময় নষ্ট। তাই ট্রেড সিগনালেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
অনেকে বারবার নক দিচ্ছেন পরের ব্যাচ কবে শুরু হবে? যদি ১১তম ব্যাচকে আমাদের নির্ধারিত টার্গেট পুরণ করে দিতে না পারি তাহলে জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে ১১ ও ১২তম ব্যাচ মার্জ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। ১১ তম ব্যাচকে কোন ফি দিতে হবে না। ধন্যবাদ।
👍13
ইউটিউব এখন থেকে স্ট্যাবলকয়েনে ক্রিয়েটরদের পেমেন্ট দিবে। শুরু হচ্ছে আমেরিকা থেকে....
👍14
ইথারিয়ামে সম্ভবত একটা পাম্প আসতে যাচ্ছে।
এবং বিটিসি এমন পজিশনে রয়েছে পাম্প বা ডাম্প যেকোনটা হতে পারে।
এবং বিটিসি এমন পজিশনে রয়েছে পাম্প বা ডাম্প যেকোনটা হতে পারে।
😱12
বিটিসি যদি ৮৫.৯ এর সাপোর্ট ব্রেক করে ৮০ কামিং সুন বেবি
❤🔥8👍2😱1
ফাইলকয়েন: কম্পিউটারের খালি হার্ড ডিস্ক হতে পারে আয়ের উৎস
আমরা সাধারণত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড ব্যবহার করি। কিন্তু সেখানে আমাদের ব্যক্তিগত ফাইলগুলি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সার্ভারে জমা থাকে। কোম্পানি চাইলে আপনার ফাইল মুছে দিতে পারে, আবার হ্যাকাররা তাদের সার্ভার থেকে তথ্য চুরিও করতে পারে।
ফাইলকয়েন (Filecoin) এই ব্যবস্থার একটি আধুনিক ও নিরাপদ সমাধান। এটি কোনো কোম্পানির মালিকানাধীন নয়, বরং এটি বিশ্বের হাজার হাজার সাধারণ মানুষের কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকা একটি বিশাল নেটওয়ার্ক।
সহজ একটি উদাহরণ দেওয়া যাক: ধরুন কারো বিয়ের একটি ভিডিও আছে। গুগল ড্রাইভে রাখলে সেটি কেবল গুগলের সার্ভারে থাকবে। কিন্তু ফাইলকয়েনে সেই ভিডিওটি ১০০টি ছোট ছোট টুকরো হয়ে আমেরিকা, ইউরোপ বা এশিয়ার ১০০ জন মানুষের কম্পিউটারে জমা হবে। এর ফলে কোনো একজনের কম্পিউটার নষ্ট বা হ্যাক হলেও আপনার ভিডিওর কোনো ক্ষতি হবে না। বাকিদের থেকে তা সহজেই উদ্ধার করা যাবে।
এটি ২০১৭ সালে Protocol Labs নামের একটা গ্রুপ শুরু করে। তখন তারা অনলাইনে সবচেয়ে বড় ফান্ড সংগ্রহ করে। মাত্র কয়েক মাসে ২৫৭ মিলিয়ন ডলার জোগাড় করে। ২০২০ সালের অক্টোবরে এর আসল সার্ভিস চালু হয়। এখন ২০২৫ সালে এর নেটওয়ার্কে Netflix-এর এক বছরের সব ভিডিওর সমান জায়গা তৈরি হয়েছে। এটি স্টোরেজের "Airbnb" এর মত কাজ করে। যার কম্পিউটারে খালি জায়গা আছে সে ভাড়া দেয়। যার ফাইল রাখতে হবে সে সেই জায়গা ভাড়া নেয়।
.
ফাইলকয়েন কীভাবে কাজ করে?
ফাইলকয়েন নেটওয়ার্ক মূলত দুই ধরনের মানুষের সমন্বয়ে চলে:
১. স্টোরেজ মাইনার (ভাড়া দাতা): এরা হলেন সেই সব মানুষ যাদের কম্পিউটারে অনেক খালি জায়গা (Hard Disk) পড়ে আছে। তারা সেই খালি জায়গা নেটওয়ার্ককে ভাড়া দেন। বিনিময়ে তারা FIL নামের একটি ডিজিটাল মুদ্রা (ক্রিপ্টোকারেন্সি) আয় করেন।
এই FIL কয়েনগুলি বিন্যান্স (Binance) বা কয়েনবেস (Coinbase)-এর মত প্ল্যাটফর্মে আসল টাকায় রূপান্তর করা যায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১টি FIL-এর দাম প্রায় ৪-৬ ডলার। তবে মাইনার হতে হলে ভাল মানের হার্ড ডিস্ক, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন।
২. ক্লায়েন্ট (ভাড়া গ্রহীতা): এরা হলেন সাধারণ ব্যবহারকারী বা কোম্পানি যাদের ফাইল রাখার জন্য নিরাপদ জায়গা দরকার। তারা মাইনারদের কাছ থেকে খুব সস্তায় জায়গা ভাড়া নেন।
ফাইল জমার প্রক্রিয়া: আপনি যখন কোনো ফাইল আপলোড করেন, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছোট ছোট এনক্রিপ্টেড (লক করা) টুকরাতে ভাগ হয়ে যায়। এই টুকরাগুলি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ১০ জিবির একটি ফাইল ১০০টি টুকরা হয়ে ১০০ জন মাইনারের কাছে জমা হতে পারে।
.
নিরাপত্তা
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফাইলকয়েন কোনো ব্যক্তির ওপর বিশ্বাস না করে গাণিতিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। এই পদ্ধতিটি মূলত দুটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়:
প্রুফ-অফ-রেপ্লিকেশন (Proof-of-Replication): এটি হল ফাইল জমা রাখার প্রাথমিক নিশ্চয়তা। যখন কোনো মাইনার আপনার ফাইলটি গ্রহণ করে, সেটিকে সে একটি বিশেষ ডিজিটাল সংকেত বা এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিজের হার্ড ডিস্কে সিলগালা করে রাখে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক নিশ্চিত হয় যে, মাইনার আপনার আসল ফাইলটির একটি অনন্য কপি তৈরি করে সফলভাবে জমা রেখেছে।
এটি কেবল ফাইল রাখা নিশ্চিত করে না, বরং এটিও নিশ্চিত করে যে অন্য কোনো মাইনারের ফাইলের সাথে এটি মিলে যাচ্ছে না—অর্থাৎ আপনার ফাইলের একাধিক ব্যাকআপ কপি বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্রভাবে সংরক্ষিত আছে।
প্রুফ-অফ-স্পেসটাইম (Proof-of-Spacetime): ফাইলটি একবার রাখার পর মাইনার সেটি মাঝপথে মুছে ফেলল কিনা, তা যাচাই করার জন্য এই নিয়মটি কাজ করে। নেটওয়ার্ক প্রতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাইনারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চ্যালেঞ্জ পাঠায়। মাইনারকে তখন প্রমাণ দিতে হয় যে ফাইলটি এখনও তার কম্পিউটারে অক্ষত অবস্থায় আছে। একে বলা হয় সময়ের (Time) সাথে জায়গার (Space) প্রমাণ।
যদি কোনো মাইনার এই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয় বা ফাইলটি মুছে ফেলে, তবে নেটওয়ার্ক তাকে জরিমানা করে এবং তার অর্জিত রিওয়ার্ড কেটে নেয়। ফলে মাইনার সবসময় আপনার ফাইলটি সযত্নে রাখতে বাধ্য থাকে।
.
ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধা
ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধাগুলিকে আমরা দুই দিক থেকে দেখতে পারি। যারা ফাইল জমা রাখতে চান তাদের জন্য এটি যেমন সাশ্রয়ী, যারা নিজেদের কম্পিউটারের খালি জায়গা ভাড়া দিতে চান তাদের জন্য এটি তেমনি আয়ের একটি উৎস।
১. ক্লায়েন্ট বা ব্যবহারকারী হিসাবে আপনার সুবিধা
আমরা সাধারণত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য গুগল ড্রাইভ বা আইক্লাউড ব্যবহার করি। কিন্তু সেখানে আমাদের ব্যক্তিগত ফাইলগুলি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির সার্ভারে জমা থাকে। কোম্পানি চাইলে আপনার ফাইল মুছে দিতে পারে, আবার হ্যাকাররা তাদের সার্ভার থেকে তথ্য চুরিও করতে পারে।
ফাইলকয়েন (Filecoin) এই ব্যবস্থার একটি আধুনিক ও নিরাপদ সমাধান। এটি কোনো কোম্পানির মালিকানাধীন নয়, বরং এটি বিশ্বের হাজার হাজার সাধারণ মানুষের কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকা একটি বিশাল নেটওয়ার্ক।
সহজ একটি উদাহরণ দেওয়া যাক: ধরুন কারো বিয়ের একটি ভিডিও আছে। গুগল ড্রাইভে রাখলে সেটি কেবল গুগলের সার্ভারে থাকবে। কিন্তু ফাইলকয়েনে সেই ভিডিওটি ১০০টি ছোট ছোট টুকরো হয়ে আমেরিকা, ইউরোপ বা এশিয়ার ১০০ জন মানুষের কম্পিউটারে জমা হবে। এর ফলে কোনো একজনের কম্পিউটার নষ্ট বা হ্যাক হলেও আপনার ভিডিওর কোনো ক্ষতি হবে না। বাকিদের থেকে তা সহজেই উদ্ধার করা যাবে।
এটি ২০১৭ সালে Protocol Labs নামের একটা গ্রুপ শুরু করে। তখন তারা অনলাইনে সবচেয়ে বড় ফান্ড সংগ্রহ করে। মাত্র কয়েক মাসে ২৫৭ মিলিয়ন ডলার জোগাড় করে। ২০২০ সালের অক্টোবরে এর আসল সার্ভিস চালু হয়। এখন ২০২৫ সালে এর নেটওয়ার্কে Netflix-এর এক বছরের সব ভিডিওর সমান জায়গা তৈরি হয়েছে। এটি স্টোরেজের "Airbnb" এর মত কাজ করে। যার কম্পিউটারে খালি জায়গা আছে সে ভাড়া দেয়। যার ফাইল রাখতে হবে সে সেই জায়গা ভাড়া নেয়।
.
ফাইলকয়েন কীভাবে কাজ করে?
ফাইলকয়েন নেটওয়ার্ক মূলত দুই ধরনের মানুষের সমন্বয়ে চলে:
১. স্টোরেজ মাইনার (ভাড়া দাতা): এরা হলেন সেই সব মানুষ যাদের কম্পিউটারে অনেক খালি জায়গা (Hard Disk) পড়ে আছে। তারা সেই খালি জায়গা নেটওয়ার্ককে ভাড়া দেন। বিনিময়ে তারা FIL নামের একটি ডিজিটাল মুদ্রা (ক্রিপ্টোকারেন্সি) আয় করেন।
এই FIL কয়েনগুলি বিন্যান্স (Binance) বা কয়েনবেস (Coinbase)-এর মত প্ল্যাটফর্মে আসল টাকায় রূপান্তর করা যায়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১টি FIL-এর দাম প্রায় ৪-৬ ডলার। তবে মাইনার হতে হলে ভাল মানের হার্ড ডিস্ক, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন।
২. ক্লায়েন্ট (ভাড়া গ্রহীতা): এরা হলেন সাধারণ ব্যবহারকারী বা কোম্পানি যাদের ফাইল রাখার জন্য নিরাপদ জায়গা দরকার। তারা মাইনারদের কাছ থেকে খুব সস্তায় জায়গা ভাড়া নেন।
ফাইল জমার প্রক্রিয়া: আপনি যখন কোনো ফাইল আপলোড করেন, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছোট ছোট এনক্রিপ্টেড (লক করা) টুকরাতে ভাগ হয়ে যায়। এই টুকরাগুলি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ১০ জিবির একটি ফাইল ১০০টি টুকরা হয়ে ১০০ জন মাইনারের কাছে জমা হতে পারে।
.
নিরাপত্তা
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ফাইলকয়েন কোনো ব্যক্তির ওপর বিশ্বাস না করে গাণিতিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে। এই পদ্ধতিটি মূলত দুটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়:
প্রুফ-অফ-রেপ্লিকেশন (Proof-of-Replication): এটি হল ফাইল জমা রাখার প্রাথমিক নিশ্চয়তা। যখন কোনো মাইনার আপনার ফাইলটি গ্রহণ করে, সেটিকে সে একটি বিশেষ ডিজিটাল সংকেত বা এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিজের হার্ড ডিস্কে সিলগালা করে রাখে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক নিশ্চিত হয় যে, মাইনার আপনার আসল ফাইলটির একটি অনন্য কপি তৈরি করে সফলভাবে জমা রেখেছে।
এটি কেবল ফাইল রাখা নিশ্চিত করে না, বরং এটিও নিশ্চিত করে যে অন্য কোনো মাইনারের ফাইলের সাথে এটি মিলে যাচ্ছে না—অর্থাৎ আপনার ফাইলের একাধিক ব্যাকআপ কপি বিভিন্ন স্থানে স্বতন্ত্রভাবে সংরক্ষিত আছে।
প্রুফ-অফ-স্পেসটাইম (Proof-of-Spacetime): ফাইলটি একবার রাখার পর মাইনার সেটি মাঝপথে মুছে ফেলল কিনা, তা যাচাই করার জন্য এই নিয়মটি কাজ করে। নেটওয়ার্ক প্রতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাইনারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চ্যালেঞ্জ পাঠায়। মাইনারকে তখন প্রমাণ দিতে হয় যে ফাইলটি এখনও তার কম্পিউটারে অক্ষত অবস্থায় আছে। একে বলা হয় সময়ের (Time) সাথে জায়গার (Space) প্রমাণ।
যদি কোনো মাইনার এই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয় বা ফাইলটি মুছে ফেলে, তবে নেটওয়ার্ক তাকে জরিমানা করে এবং তার অর্জিত রিওয়ার্ড কেটে নেয়। ফলে মাইনার সবসময় আপনার ফাইলটি সযত্নে রাখতে বাধ্য থাকে।
.
ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধা
ফাইলকয়েন ব্যবহারের সুবিধাগুলিকে আমরা দুই দিক থেকে দেখতে পারি। যারা ফাইল জমা রাখতে চান তাদের জন্য এটি যেমন সাশ্রয়ী, যারা নিজেদের কম্পিউটারের খালি জায়গা ভাড়া দিতে চান তাদের জন্য এটি তেমনি আয়ের একটি উৎস।
১. ক্লায়েন্ট বা ব্যবহারকারী হিসাবে আপনার সুবিধা