Forwarded from HOT Updates
HOT Wallet is available on Chrome, Brave, Arc, Opera, Mises Browser (for mobile devices), and other browsers
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
✅ ক্রিপ্টোকারেন্সি কি? এটা কিভাবে কাজ করে?
ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) কী?
ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো এক ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা, যা শুধু অনলাইনে ব্যবহার করা যায়। এটি কোনো দেশের সরকার বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। বরং এটি চালিত হয় কম্পিউটার প্রোগ্রাম আর ক্রিপ্টোগ্রাফি নামের সুরক্ষিত প্রযুক্তির মাধ্যমে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে কাজ করে?
সহজ উদাহরণ:
ধরুন, আপনি একজন বন্ধুকে ৫ টাকা পাঠালেন। সাধারণ ব্যাংকে পাঠালে, সেই লেনদেনটি ব্যাংক রেকর্ড করে রাখে।
কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সির দুনিয়ায়, এই লেনদেনটি ব্লকচেইন নামের একটি উন্মুক্ত রেজিস্টারে রেকর্ড হয়—যা হাজার হাজার কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকে। তাই কেউ একা এটি পরিবর্তন করতে পারে না।
এই ব্লকচেইনই নিশ্চিত করে যে—
- আপনি সত্যিই কয়েন পাঠিয়েছেন,
- কাউকে প্রতারণা করা সম্ভব না,
- সবকিছু স্বচ্ছভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে।
আরো সহজভাবে বললে:
Bitcoin বা Ethereum হলো এমনই কিছু ডিজিটাল মুদ্রা, যা
- অফলাইনে না, অনলাইনেই ব্যবহার হয়
- সীমিত পরিমাণে আছে (যেমন Bitcoin সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন)
- এটি স্বাধীনভাবে চলে, কোনো ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নয়
ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার কোথায় হয়?
- অনলাইনে পেমেন্ট করা
- ভবিষ্যতের জন্য ইনভেস্টমেন্ট (দাম বাড়লে বিক্রি করা)
- কিছু দেশে শপিং, ট্রাভেল বুকিং, এমনকি খাবার অর্ডারেও ব্যবহার হয়
#knowcrypto
ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) কী?
ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো এক ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা, যা শুধু অনলাইনে ব্যবহার করা যায়। এটি কোনো দেশের সরকার বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। বরং এটি চালিত হয় কম্পিউটার প্রোগ্রাম আর ক্রিপ্টোগ্রাফি নামের সুরক্ষিত প্রযুক্তির মাধ্যমে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে কাজ করে?
সহজ উদাহরণ:
ধরুন, আপনি একজন বন্ধুকে ৫ টাকা পাঠালেন। সাধারণ ব্যাংকে পাঠালে, সেই লেনদেনটি ব্যাংক রেকর্ড করে রাখে।
কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সির দুনিয়ায়, এই লেনদেনটি ব্লকচেইন নামের একটি উন্মুক্ত রেজিস্টারে রেকর্ড হয়—যা হাজার হাজার কম্পিউটারে ছড়িয়ে থাকে। তাই কেউ একা এটি পরিবর্তন করতে পারে না।
এই ব্লকচেইনই নিশ্চিত করে যে—
- আপনি সত্যিই কয়েন পাঠিয়েছেন,
- কাউকে প্রতারণা করা সম্ভব না,
- সবকিছু স্বচ্ছভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে।
আরো সহজভাবে বললে:
Bitcoin বা Ethereum হলো এমনই কিছু ডিজিটাল মুদ্রা, যা
- অফলাইনে না, অনলাইনেই ব্যবহার হয়
- সীমিত পরিমাণে আছে (যেমন Bitcoin সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন)
- এটি স্বাধীনভাবে চলে, কোনো ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নয়
ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার কোথায় হয়?
- অনলাইনে পেমেন্ট করা
- ভবিষ্যতের জন্য ইনভেস্টমেন্ট (দাম বাড়লে বিক্রি করা)
- কিছু দেশে শপিং, ট্রাভেল বুকিং, এমনকি খাবার অর্ডারেও ব্যবহার হয়
#knowcrypto
👍13
মনে হচ্ছে রিজিক রাশ, সবার টাকা ফেরত দিতে যাচ্ছে । যদি নাই দিতো এতো কাহিনী করতো না । ওয়েবসাইট, চ্যানেল বন্ধ করে চলে যেতো । পূর্বের বিভিন্ন সাইট ও অ্যাপগুলি তেমনই করেছে ।
তারা নতুন পোস্ট দিয়েছে । সেখানে ৩ ধাপে টাকা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে জানিয়েছে । দেখা যাক প্রথম ধাপের টাকা কবে দেয় ।
কি মনে হয় আসলেই টাকা দিবে নাকি সময় নষ্ট করতেছে আমাদের ? 😔
তারা নতুন পোস্ট দিয়েছে । সেখানে ৩ ধাপে টাকা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে জানিয়েছে । দেখা যাক প্রথম ধাপের টাকা কবে দেয় ।
কি মনে হয় আসলেই টাকা দিবে নাকি সময় নষ্ট করতেছে আমাদের ? 😔
❤🔥2👏2👌2👍1
মাত্র নোটিফিকেশন এলো তিন হাজার ভিউস পূর্ণ হয়েছে। দেখে ভালো লাগলো। ২৯৯ টা সাবস্ক্রাইবার। ৩২ দিনে ৫ টা ভিডিও। আরো একটিভ হতে চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ!
https://youtube.com/@ishaanbros
https://youtube.com/@ishaanbros
ব্লকচেইন কি? এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ব্লকচেইন (Blockchain) হল একটা ডিজিটাল লেজার বা খাতা, যেখানে ডেটা (যেমন লেনদেন) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় এমনভাবে, যেটা কেউ চাইলেও সহজে পরিবর্তন বা মুছে ফেলতে পারে না।
ব্লকচেইন কিভাবে কাজ করে?
ডেটা ছোট ছোট "ব্লকে" রাখা হয়।
প্রতিটা ব্লক আবার আগের ব্লকের সাথে যুক্ত থাকে, একটা চেইন তৈরি হয় — এটাই ব্লকচেইন।
প্রতিটা ব্লকের মধ্যে থাকে:
লেনদেনের তথ্য
টাইমস্ট্যাম্প
আগের ব্লকের হ্যাশ (ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট)
কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ?
১. ডেটা ম্যানিপুলেশন করা যায় না
একবার কিছু লেখা হয়ে গেলে সেটা পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। তাই এটা ভরসাযোগ্য।
২. ডিসেন্ট্রালাইজড (Decentralized)
কোনো একক কর্তৃপক্ষ (যেমন ব্যাঙ্ক, সরকার) পুরো কন্ট্রোল রাখে না। সবাই মিলে নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. ট্রান্সপারেন্সি (Transparency)
যেকোনো ব্লকচেইন ব্যবহারকারী চাইলে লেনদেন দেখতে পারে — গোপন না রেখে খোলাখুলি হিসাব।
৪. সাইবার সিকিউরিটি অনেক শক্তিশালী
হ্যাক করা খুবই কঠিন, কারণ একসাথে হাজার হাজার কম্পিউটারকে হ্যাক করতে হয়।
৫. বহুমুখী ব্যবহার
শুধু ক্রিপ্টোকারেন্সি নয়, ব্লকচেইন এখন ব্যবহার হচ্ছে:
ব্যাংকিং
সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট
ভোটিং সিস্টেম
মেডিকেল রেকর্ড সংরক্ষণ
স্মার্ট কন্ট্রাক্ট ইত্যাদিতে।
#knowcrypto
ব্লকচেইন (Blockchain) হল একটা ডিজিটাল লেজার বা খাতা, যেখানে ডেটা (যেমন লেনদেন) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় এমনভাবে, যেটা কেউ চাইলেও সহজে পরিবর্তন বা মুছে ফেলতে পারে না।
ব্লকচেইন কিভাবে কাজ করে?
ডেটা ছোট ছোট "ব্লকে" রাখা হয়।
প্রতিটা ব্লক আবার আগের ব্লকের সাথে যুক্ত থাকে, একটা চেইন তৈরি হয় — এটাই ব্লকচেইন।
প্রতিটা ব্লকের মধ্যে থাকে:
লেনদেনের তথ্য
টাইমস্ট্যাম্প
আগের ব্লকের হ্যাশ (ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট)
কেন এটা এত গুরুত্বপূর্ণ?
১. ডেটা ম্যানিপুলেশন করা যায় না
একবার কিছু লেখা হয়ে গেলে সেটা পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। তাই এটা ভরসাযোগ্য।
২. ডিসেন্ট্রালাইজড (Decentralized)
কোনো একক কর্তৃপক্ষ (যেমন ব্যাঙ্ক, সরকার) পুরো কন্ট্রোল রাখে না। সবাই মিলে নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. ট্রান্সপারেন্সি (Transparency)
যেকোনো ব্লকচেইন ব্যবহারকারী চাইলে লেনদেন দেখতে পারে — গোপন না রেখে খোলাখুলি হিসাব।
৪. সাইবার সিকিউরিটি অনেক শক্তিশালী
হ্যাক করা খুবই কঠিন, কারণ একসাথে হাজার হাজার কম্পিউটারকে হ্যাক করতে হয়।
৫. বহুমুখী ব্যবহার
শুধু ক্রিপ্টোকারেন্সি নয়, ব্লকচেইন এখন ব্যবহার হচ্ছে:
ব্যাংকিং
সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট
ভোটিং সিস্টেম
মেডিকেল রেকর্ড সংরক্ষণ
স্মার্ট কন্ট্রাক্ট ইত্যাদিতে।
#knowcrypto
👍14🤗1
Bums new task
বাম'সে প্রবেশ করে ডানদিকে B আইকনে ক্লিক করলে উক্ত টাস্ক পাবেন।
visit: https://t.me/bums/app?startapp=ref_qYZkDRgY
বাম'সে প্রবেশ করে ডানদিকে B আইকনে ক্লিক করলে উক্ত টাস্ক পাবেন।
visit: https://t.me/bums/app?startapp=ref_qYZkDRgY
🔥2👍1
✅ বিটকয়েন কি? এটা কেন জনপ্রিয়? ইথারিয়াম কি? এটা কেন বিটকয়েন থেকে আলাদা?
ধরো তুমি ইন্টারনেটে এমন একটা টাকায় লেনদেন করতে চাও, যেখানে কোনো ব্যাংক বা সরকার হস্তক্ষেপ করবে না, কোনো ঝামেলা বা প্রতারণার ভয় থাকবে না—এই ভাবনা থেকেই তৈরি হলো বিটকয়েন (BTC)। এটা এমন একধরনের ডিজিটাল টাকা, যেটা দিয়ে তুমি যেকোনো দেশে থাকা কাউকে টাকা পাঠাতে পারো, একদম নিরাপদে, কেউ মাঝখানে নেই। যেমন, তুমি যদি আজ ঢাকায় বসে আমেরিকায় থাকা কাউকে টাকা পাঠাও, সেটা হবে মুহূর্তেই, কোনো ব্যাংক বা ফি ছাড়াই।
বিটকয়েন জনপ্রিয় হয়েছে কারণ এটি সীমিত সংখ্যায় তৈরি হবে (মোট ২ কোটি ১০ লাখের মতো), যার মানে, সবাই চায় এই কয়েন রাখতে—যেমন আগে মানুষ সোনা জমা রাখতো। তাই একে অনেকে বলে "ডিজিটাল সোনা"। আবার বিটকয়েন খুব সোজা, শুধু লেনদেনের জন্য—আর কিছু না।
এখন আসি ইথার (ETH) এর কথায়। এটা হলো ইথেরিয়াম নামের এক প্ল্যাটফর্মের কয়েন। ধরো তুমি এমন একটা অ্যাপ বানাতে চাও, যেটা কেউ ম্যানেজ করে না, অথচ অটোমেটিক চলে—যেমন একটা অনলাইন চুক্তি, যেখানে কেউ কাউকে ঠকাতে পারবে না কারণ সব নিয়ম আগে থেকেই কোড করে রাখা। এই কাজগুলোই করা যায় ইথেরিয়ামে। আর সেই সব অ্যাপ চালাতে লাগে ইথার কয়েন, যেমন গাড়ি চালাতে লাগে পেট্রোল।
বিটকয়েন যেখানে শুধু ডিজিটাল টাকা, ইথার সেখানে এক ধাপ বেশি—ওটা একটা টাকা + অ্যাপ চালানোর প্ল্যাটফর্ম।
আরও সহজ করে বললে—
বিটকয়েন হলো এমন এক ডিজিটাল টাকা, যেটা তুমি সঞ্চয় বা লেনদেন করতে পারো, ঠিক যেমন তুমি নগদ টাকা দিয়ে কিছু কিনো।
আর ইথার হলো এমন একটা কয়েন, যেটা দিয়ে তুমি শুধু জিনিস কেনাকাটা না, বরং নতুন ধরনের অ্যাপ বা চুক্তিও চালাতে পারো, যা কারো নিয়ন্ত্রণে নেই।
👉 বিটকয়েন দিয়ে কি অ্যাপ চালানো যায় না? এটা কি কোন প্ল্যাটফর্ম নয়?
বিটকয়েন দিয়ে অ্যাপ চালানো যায় না, কারণ এটা একটা প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটা একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা "ডিজিটাল টাকা"।
একটু ব্যাখ্যা দেই:
বিটকয়েন (BTC) তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র ট্রান্সফার অফ ভ্যালু অর্থাৎ টাকা লেনদেন করার জন্য। এর ব্লকচেইন খুবই সহজভাবে ডিজাইন করা—এখানে শুধু কয়েন পাঠানো বা পাওয়া যায়। এটাকে অনেকটা ক্যালকুলেটরের মতো ভাবো, যেটা শুধু হিসাব করে—তুমি এতে গেম খেলতে পারো না বা ছবি আঁকতে পারো না।
প্ল্যাটফর্ম মানে এমন কিছু, যেটার উপর অন্য কিছু বানানো যায়। যেমন ধরো Android বা iOS—এই দুইটা প্ল্যাটফর্ম, এর উপর হাজার হাজার অ্যাপ চলে।
ইথেরিয়াম (Ethereum) ঠিক সে রকমই একটা প্ল্যাটফর্ম, যেটার উপর "DApps" (Decentralized Applications) চলে—যেমন স্মার্ট কন্ট্রাক্ট, গেমস, ট্রেডিং অ্যাপ, ডেটা স্টোরেজ ইত্যাদি। ইথার (ETH) হলো সেই প্ল্যাটফর্ম চালানোর জ্বালানি।
তাহলে সংক্ষেপে:
BTC দিয়ে শুধু লেনদেন হয়।
BTC কোনো অ্যাপ চালাতে পারে না, কারণ এটা একটা "কারেন্সি" ব্লকচেইন, প্ল্যাটফর্ম না।
ETH বা ইথেরিয়াম একটা প্ল্যাটফর্ম, যেটার উপর অনেক অ্যাপ বানানো ও চালানো যায়।
তাই বিটকয়েনকে তুমি ভাবতে পারো এক ধরনের ডিজিটাল সোনা বা টাকা হিসেবে, আর ইথেরিয়ামকে ভাবো এক ধরনের সুপারকম্পিউটার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, যেখানে টাকা ছাড়াও অনেক কিছু তৈরি হয়।
#knowcrypto
ধরো তুমি ইন্টারনেটে এমন একটা টাকায় লেনদেন করতে চাও, যেখানে কোনো ব্যাংক বা সরকার হস্তক্ষেপ করবে না, কোনো ঝামেলা বা প্রতারণার ভয় থাকবে না—এই ভাবনা থেকেই তৈরি হলো বিটকয়েন (BTC)। এটা এমন একধরনের ডিজিটাল টাকা, যেটা দিয়ে তুমি যেকোনো দেশে থাকা কাউকে টাকা পাঠাতে পারো, একদম নিরাপদে, কেউ মাঝখানে নেই। যেমন, তুমি যদি আজ ঢাকায় বসে আমেরিকায় থাকা কাউকে টাকা পাঠাও, সেটা হবে মুহূর্তেই, কোনো ব্যাংক বা ফি ছাড়াই।
বিটকয়েন জনপ্রিয় হয়েছে কারণ এটি সীমিত সংখ্যায় তৈরি হবে (মোট ২ কোটি ১০ লাখের মতো), যার মানে, সবাই চায় এই কয়েন রাখতে—যেমন আগে মানুষ সোনা জমা রাখতো। তাই একে অনেকে বলে "ডিজিটাল সোনা"। আবার বিটকয়েন খুব সোজা, শুধু লেনদেনের জন্য—আর কিছু না।
এখন আসি ইথার (ETH) এর কথায়। এটা হলো ইথেরিয়াম নামের এক প্ল্যাটফর্মের কয়েন। ধরো তুমি এমন একটা অ্যাপ বানাতে চাও, যেটা কেউ ম্যানেজ করে না, অথচ অটোমেটিক চলে—যেমন একটা অনলাইন চুক্তি, যেখানে কেউ কাউকে ঠকাতে পারবে না কারণ সব নিয়ম আগে থেকেই কোড করে রাখা। এই কাজগুলোই করা যায় ইথেরিয়ামে। আর সেই সব অ্যাপ চালাতে লাগে ইথার কয়েন, যেমন গাড়ি চালাতে লাগে পেট্রোল।
বিটকয়েন যেখানে শুধু ডিজিটাল টাকা, ইথার সেখানে এক ধাপ বেশি—ওটা একটা টাকা + অ্যাপ চালানোর প্ল্যাটফর্ম।
আরও সহজ করে বললে—
বিটকয়েন হলো এমন এক ডিজিটাল টাকা, যেটা তুমি সঞ্চয় বা লেনদেন করতে পারো, ঠিক যেমন তুমি নগদ টাকা দিয়ে কিছু কিনো।
আর ইথার হলো এমন একটা কয়েন, যেটা দিয়ে তুমি শুধু জিনিস কেনাকাটা না, বরং নতুন ধরনের অ্যাপ বা চুক্তিও চালাতে পারো, যা কারো নিয়ন্ত্রণে নেই।
👉 বিটকয়েন দিয়ে কি অ্যাপ চালানো যায় না? এটা কি কোন প্ল্যাটফর্ম নয়?
বিটকয়েন দিয়ে অ্যাপ চালানো যায় না, কারণ এটা একটা প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটা একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা "ডিজিটাল টাকা"।
একটু ব্যাখ্যা দেই:
বিটকয়েন (BTC) তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র ট্রান্সফার অফ ভ্যালু অর্থাৎ টাকা লেনদেন করার জন্য। এর ব্লকচেইন খুবই সহজভাবে ডিজাইন করা—এখানে শুধু কয়েন পাঠানো বা পাওয়া যায়। এটাকে অনেকটা ক্যালকুলেটরের মতো ভাবো, যেটা শুধু হিসাব করে—তুমি এতে গেম খেলতে পারো না বা ছবি আঁকতে পারো না।
প্ল্যাটফর্ম মানে এমন কিছু, যেটার উপর অন্য কিছু বানানো যায়। যেমন ধরো Android বা iOS—এই দুইটা প্ল্যাটফর্ম, এর উপর হাজার হাজার অ্যাপ চলে।
ইথেরিয়াম (Ethereum) ঠিক সে রকমই একটা প্ল্যাটফর্ম, যেটার উপর "DApps" (Decentralized Applications) চলে—যেমন স্মার্ট কন্ট্রাক্ট, গেমস, ট্রেডিং অ্যাপ, ডেটা স্টোরেজ ইত্যাদি। ইথার (ETH) হলো সেই প্ল্যাটফর্ম চালানোর জ্বালানি।
তাহলে সংক্ষেপে:
BTC দিয়ে শুধু লেনদেন হয়।
BTC কোনো অ্যাপ চালাতে পারে না, কারণ এটা একটা "কারেন্সি" ব্লকচেইন, প্ল্যাটফর্ম না।
ETH বা ইথেরিয়াম একটা প্ল্যাটফর্ম, যেটার উপর অনেক অ্যাপ বানানো ও চালানো যায়।
তাই বিটকয়েনকে তুমি ভাবতে পারো এক ধরনের ডিজিটাল সোনা বা টাকা হিসেবে, আর ইথেরিয়ামকে ভাবো এক ধরনের সুপারকম্পিউটার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, যেখানে টাকা ছাড়াও অনেক কিছু তৈরি হয়।
#knowcrypto
👍14❤🔥1
যারা টেস্টনেটে কাজ করছেন তারা যদি monad, union, og labs, abstract প্রজেক্টে অলরেডি কাজ করতে থাকেন। ভেরি গুড। কোনভাবে মিস করবেন না। যদি জয়েন না করেন তাহলে আর যুক্ত হওয়ার দরকার নাই। কারণ, অনেকটা সময় চলে গেছে। আমি বাদ দিয়েছি।
👍13
"April 19"- আমার লাইফের স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। কেমন অদ্ভুত আনন্দ লাগছে। আমার ছয়টা আইডির মোট ২৩০$ এর অর্ধেক চলে এসেছে। আশা করি, বাকিটাও পেয়ে যাবো। বিয়ারমানি ফোরামে একটা ভাই বললেন, পাকি ফার্মটা অর্ডিনারী কোন ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি নয় যারা ক্রিপ্টো ট্রেড করে বরং ওরা স্টক মার্কেটে (শেয়ার বাজার) বিনিয়োগ করে প্রফিট করে তার অংশ আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়। যেহেতু ট্রা*ম্প হ্লায় দেশে দেশে গ্যাঞ্জাম শুরু করেছে তার প্রভাব সকল কোম্পানিতে পরায় শেয়ারের দাম কমে যাচ্ছে বিধায় ওরা বিশাল অংকের লস করেছে।
সেখান থেকে জানলাম, এসব ফার্ম স্ক্যাম প্রতিষ্ঠানের মত ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা তোলে না। বরং তারা কোন মাধ্যমেই তেমন এড দেয় না। লোকের মুখে মুখে তাদের প্রচার পায়। বড় ক্রাইসিসে না পরলে এসব প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর সার্ভিস অব্যাহত রাখে।
আমার ছোট ভাই নিশ্চিত করলো ওয়ালেটে টাকা এসে গেছে। ওদের পোস্ট থেকে জানলাম সবার টাকা পরিশোধ করে, শীঘ্রই সবকিছু ম্যানেজ করে নতুন উদ্যোমে ওরা সার্ভিস চালু করবে। আমি ভেবে রেখেছি, সব টাকা পাওয়ার পর, ওরা সত্যিই যদি আবার শুরু করে তাহলে আমি আবার জয়েন করবো ইনশাল্লাহ। হয়ত আরো বেশি ইনভেস্ট করবো ইনশাল্লাহ্ 😋 আমরা আগের কোন সাইট সম্পর্কে জানতে পারিনি কোন দেশ থেকে পরিচালনা করছে। অথচ এটার ব্যাপারে জেনেছি ও তারা কথা রেখেছে। আসলে, আমি যেটা বুঝি, বিনিয়োগ সাইটে কথা রাখাটা এই যুগে বিরল। এবং যারা কথা রাখে তাদের সাথে কাজ করতে ভয় লাগে না। তাদের সততার জন্য স্যালুট ❤️🙃🙃😇
সেখান থেকে জানলাম, এসব ফার্ম স্ক্যাম প্রতিষ্ঠানের মত ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা তোলে না। বরং তারা কোন মাধ্যমেই তেমন এড দেয় না। লোকের মুখে মুখে তাদের প্রচার পায়। বড় ক্রাইসিসে না পরলে এসব প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর সার্ভিস অব্যাহত রাখে।
আমার ছোট ভাই নিশ্চিত করলো ওয়ালেটে টাকা এসে গেছে। ওদের পোস্ট থেকে জানলাম সবার টাকা পরিশোধ করে, শীঘ্রই সবকিছু ম্যানেজ করে নতুন উদ্যোমে ওরা সার্ভিস চালু করবে। আমি ভেবে রেখেছি, সব টাকা পাওয়ার পর, ওরা সত্যিই যদি আবার শুরু করে তাহলে আমি আবার জয়েন করবো ইনশাল্লাহ। হয়ত আরো বেশি ইনভেস্ট করবো ইনশাল্লাহ্ 😋 আমরা আগের কোন সাইট সম্পর্কে জানতে পারিনি কোন দেশ থেকে পরিচালনা করছে। অথচ এটার ব্যাপারে জেনেছি ও তারা কথা রেখেছে। আসলে, আমি যেটা বুঝি, বিনিয়োগ সাইটে কথা রাখাটা এই যুগে বিরল। এবং যারা কথা রাখে তাদের সাথে কাজ করতে ভয় লাগে না। তাদের সততার জন্য স্যালুট ❤️🙃🙃😇
👍13🥰7🔥2❤🔥1
বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ব্রাউজার এক্সটেনশন এয়ারড্রপ মার্কেটে চলমান রয়েছে। যার ভেতর হাতে গোণা দুটো প্রজেক্ট বাদে সবাই আমাদের ডিভাইস হা করে দেখছে ও ডাটা চুরি করছে। এক তরফা সব সাইটে কাজ করলে সামনের দিনগুলিতে বিপদ হতে পারে।
👍18
✅ Wallet কিভাবে কাজ করে?
ওয়ালেট (Wallet) হল একটি ডিজিটাল টুল যা ক্রিপ্টোকারেন্সি, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ডিজিটাল অ্যাসেট স্টোর, ম্যানেজ এবং ট্রান্স্যাক্ট করতে ব্যবহৃত হয়। ওয়ালেট কীভাবে কাজ করে তা নিচে বিস্তারিত explained করা হল:
1. ওয়ালেটের প্রকারভেদ:
- হট ওয়ালেট (Hot Wallet): ইন্টারনেট-কানেক্টেড (অনলাইন) ওয়ালেট, যেমন এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট বা মোবাইল ওয়ালেট।
- কোল্ড ওয়ালেট (Cold Wallet): অফলাইন স্টোরেজ (হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বা পেপার ওয়ালেট)।
- সফটওয়্যার ওয়ালেট: মোবাইল/ডেস্কটপ অ্যাপ (যেমন Trust Wallet, MetaMask)।
- হার্ডওয়্যার ওয়ালেট: ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন Ledger, Trezor)।
2. ওয়ালেটের মূল উপাদান:
- প্রাইভেট কী (Private Key): একটি গোপন কোড যা আপনার ওয়ালেটের অ্যাসেটে অ্যাক্সেস দেয়। এটি কখনও শেয়ার করা উচিত নয়।
- পাবলিক কী (Public Key): একটি অ্যাড্রেস যা অন্যরা আপনাকে ক্রিপ্টো বা ফান্ড পাঠানোর জন্য ব্যবহার করে (যেমন BTC/ETH অ্যাড্রেস)।
- সিড ফ্রেজ (Seed Phrase): ১২-২৪ শব্দের ব্যাকআপ ফ্রেজ যা দিয়ে প্রাইভেট কী রিকভার করা যায়।
3. ওয়ালেট কিভাবে কাজ করে:
- ট্রানজ্যাকশন সাইন (Signing): যখন আপনি ক্রিপ্টো পাঠান, ওয়ালেট আপনার প্রাইভেট কী দিয়ে ট্রানজ্যাকশন সাইন করে।
- ব্লকচেইনে ব্রডকাস্ট: সাইনড ট্রানজ্যাকশন নেটওয়ার্কে (বিটকয়েন, ইথেরিয়াম ইত্যাদি) ব্রডকাস্ট হয়।
- ব্যালেন্স আপডেট: ট্রানজ্যাকশন কনফার্ম হলে, ওয়ালেটের ব্যালেন্স আপডেট হয়।
4. সিকিউরিটি:
- প্রাইভেট কী/সিড ফ্রেজ সুরক্ষিত রাখুন (অফলাইনে)।
- হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বেশি সিকিউর।
- ফিশিং বা স্ক্যাম থেকে সতর্ক থাকুন।
5. ব্যবহারের উদাহরণ:
- ক্রিপ্টো কেনা/বেচা: এক্সচেঞ্জ থেকে ওয়ালেটে ক্রিপ্টো পাঠানো।
- ডেফি (DeFi) ব্যবহার: MetaMask দিয়ে PancakeSwap-এ ট্রেড করা।
- এনএফটি স্টোর: OpenSea-এ NFT সংগ্রহ।
ওয়ালেট নির্বাচন করতে সিকিউরিটি, ইউজার-ফ্রেন্ডলিনেস এবং সাপোর্টেড কারেন্সি বিবেচনা করুন। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য Trust Wallet বা MetaMask ভাল অপশন হতে পারে।
#knowcrypto
ওয়ালেট (Wallet) হল একটি ডিজিটাল টুল যা ক্রিপ্টোকারেন্সি, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ডিজিটাল অ্যাসেট স্টোর, ম্যানেজ এবং ট্রান্স্যাক্ট করতে ব্যবহৃত হয়। ওয়ালেট কীভাবে কাজ করে তা নিচে বিস্তারিত explained করা হল:
1. ওয়ালেটের প্রকারভেদ:
- হট ওয়ালেট (Hot Wallet): ইন্টারনেট-কানেক্টেড (অনলাইন) ওয়ালেট, যেমন এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট বা মোবাইল ওয়ালেট।
- কোল্ড ওয়ালেট (Cold Wallet): অফলাইন স্টোরেজ (হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বা পেপার ওয়ালেট)।
- সফটওয়্যার ওয়ালেট: মোবাইল/ডেস্কটপ অ্যাপ (যেমন Trust Wallet, MetaMask)।
- হার্ডওয়্যার ওয়ালেট: ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন Ledger, Trezor)।
2. ওয়ালেটের মূল উপাদান:
- প্রাইভেট কী (Private Key): একটি গোপন কোড যা আপনার ওয়ালেটের অ্যাসেটে অ্যাক্সেস দেয়। এটি কখনও শেয়ার করা উচিত নয়।
- পাবলিক কী (Public Key): একটি অ্যাড্রেস যা অন্যরা আপনাকে ক্রিপ্টো বা ফান্ড পাঠানোর জন্য ব্যবহার করে (যেমন BTC/ETH অ্যাড্রেস)।
- সিড ফ্রেজ (Seed Phrase): ১২-২৪ শব্দের ব্যাকআপ ফ্রেজ যা দিয়ে প্রাইভেট কী রিকভার করা যায়।
3. ওয়ালেট কিভাবে কাজ করে:
- ট্রানজ্যাকশন সাইন (Signing): যখন আপনি ক্রিপ্টো পাঠান, ওয়ালেট আপনার প্রাইভেট কী দিয়ে ট্রানজ্যাকশন সাইন করে।
- ব্লকচেইনে ব্রডকাস্ট: সাইনড ট্রানজ্যাকশন নেটওয়ার্কে (বিটকয়েন, ইথেরিয়াম ইত্যাদি) ব্রডকাস্ট হয়।
- ব্যালেন্স আপডেট: ট্রানজ্যাকশন কনফার্ম হলে, ওয়ালেটের ব্যালেন্স আপডেট হয়।
4. সিকিউরিটি:
- প্রাইভেট কী/সিড ফ্রেজ সুরক্ষিত রাখুন (অফলাইনে)।
- হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বেশি সিকিউর।
- ফিশিং বা স্ক্যাম থেকে সতর্ক থাকুন।
5. ব্যবহারের উদাহরণ:
- ক্রিপ্টো কেনা/বেচা: এক্সচেঞ্জ থেকে ওয়ালেটে ক্রিপ্টো পাঠানো।
- ডেফি (DeFi) ব্যবহার: MetaMask দিয়ে PancakeSwap-এ ট্রেড করা।
- এনএফটি স্টোর: OpenSea-এ NFT সংগ্রহ।
ওয়ালেট নির্বাচন করতে সিকিউরিটি, ইউজার-ফ্রেন্ডলিনেস এবং সাপোর্টেড কারেন্সি বিবেচনা করুন। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য Trust Wallet বা MetaMask ভাল অপশন হতে পারে।
#knowcrypto
👍5😱1
👉 Crypto নিরাপদ রাখার উপায় কী?
ক্রিপ্টো নিরাপদ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজের প্রাইভেট কি বা সিক্রেট কোড কারো সাথে শেয়ার না করা এবং বিশ্বস্ত জায়গায় তা সংরক্ষণ করা। ভালো মানের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করো, যেটা সহজে কেউ অনুমান করতে পারবে না। এছাড়া টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখলে আরও নিরাপদ থাকবে। কখনোই ফেক ওয়েবসাইটে লগইন কোরো না, কারণ অনেক স্ক্যামার ঠিক একইরকম দেখতে সাইট বানায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ট্রাস্টেড ওয়ালেট (যেমন MetaMask, Trust Wallet) এবং বিশ্বস্ত এক্সচেঞ্জ (যেমন Binance, Coinbase) ব্যবহার করা।
👉Hardware Wallet কী? (যেমন Ledger, Trezor)
Hardware wallet এমন এক ধরনের ডিভাইস যেটা দেখতে অনেকটা পেনড্রাইভের মতো। এর কাজ হলো তোমার ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রাইভেট কি অফলাইনে, অর্থাৎ ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই, নিরাপদে সংরক্ষণ করা। Ledger ও Trezor এই ধরনের জনপ্রিয় হার্ডওয়্যার ওয়ালেট, যেগুলোর মাধ্যমে তুমি তোমার বিটকয়েন, ইথেরিয়াম বা অন্য কয়েনগুলোর উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারো। অনলাইনে হ্যাকিংয়ের ভয় কম থাকে, কারণ এই ওয়ালেটগুলো ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে যখন না তুমি লেনদেন করতে চাও।
👉কিভাবে ক্রিপ্টো হ্যাক হয়?
ক্রিপ্টো হ্যাক হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে ইউজারের অসাবধানতা। যেমন—ফিশিং সাইটে লগইন করা, যেখানে হ্যাকাররা তোমার পাসওয়ার্ড বা প্রাইভেট কি চুরি করতে পারে। অনেক সময় ফেক অ্যাপ ডাউনলোড করেও হ্যাকারদের হাতে পড়া যায়। অনলাইন ওয়ালেট বা এক্সচেঞ্জ যদি হ্যাক হয়, তাহলে সেখানকার সব ফান্ডও হ্যাকাররা নিয়ে যেতে পারে। এছাড়া যেসব লোক সস্তা হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বা ব্যবহার করা ডিভাইস কিনে, তাদেরও রিস্ক থাকে। তাই নিরাপত্তা বজায় রাখতে সাবধান থাকা খুব জরুরি।
#knowcrypto
ক্রিপ্টো নিরাপদ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো নিজের প্রাইভেট কি বা সিক্রেট কোড কারো সাথে শেয়ার না করা এবং বিশ্বস্ত জায়গায় তা সংরক্ষণ করা। ভালো মানের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করো, যেটা সহজে কেউ অনুমান করতে পারবে না। এছাড়া টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখলে আরও নিরাপদ থাকবে। কখনোই ফেক ওয়েবসাইটে লগইন কোরো না, কারণ অনেক স্ক্যামার ঠিক একইরকম দেখতে সাইট বানায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ট্রাস্টেড ওয়ালেট (যেমন MetaMask, Trust Wallet) এবং বিশ্বস্ত এক্সচেঞ্জ (যেমন Binance, Coinbase) ব্যবহার করা।
👉Hardware Wallet কী? (যেমন Ledger, Trezor)
Hardware wallet এমন এক ধরনের ডিভাইস যেটা দেখতে অনেকটা পেনড্রাইভের মতো। এর কাজ হলো তোমার ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রাইভেট কি অফলাইনে, অর্থাৎ ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই, নিরাপদে সংরক্ষণ করা। Ledger ও Trezor এই ধরনের জনপ্রিয় হার্ডওয়্যার ওয়ালেট, যেগুলোর মাধ্যমে তুমি তোমার বিটকয়েন, ইথেরিয়াম বা অন্য কয়েনগুলোর উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারো। অনলাইনে হ্যাকিংয়ের ভয় কম থাকে, কারণ এই ওয়ালেটগুলো ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে যখন না তুমি লেনদেন করতে চাও।
👉কিভাবে ক্রিপ্টো হ্যাক হয়?
ক্রিপ্টো হ্যাক হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে ইউজারের অসাবধানতা। যেমন—ফিশিং সাইটে লগইন করা, যেখানে হ্যাকাররা তোমার পাসওয়ার্ড বা প্রাইভেট কি চুরি করতে পারে। অনেক সময় ফেক অ্যাপ ডাউনলোড করেও হ্যাকারদের হাতে পড়া যায়। অনলাইন ওয়ালেট বা এক্সচেঞ্জ যদি হ্যাক হয়, তাহলে সেখানকার সব ফান্ডও হ্যাকাররা নিয়ে যেতে পারে। এছাড়া যেসব লোক সস্তা হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বা ব্যবহার করা ডিভাইস কিনে, তাদেরও রিস্ক থাকে। তাই নিরাপত্তা বজায় রাখতে সাবধান থাকা খুব জরুরি।
#knowcrypto
👍5
✅ ByteNova Testnet
👉Join: https://bytenova.ai/rewards?invite_code=HD9d4EYbV
👉Invite:
👉Fund: 15M
👉Step:
- শুরুতেই লিঙ্কে ক্লিক করে EVM/BSC Wallet কানেক্ট করুন । লিঙ্ক কাজ না করলে ডট এআই পর্যন্ত সার্চ করে সাইটে প্রবেশ করে বাকি কাজ করুন ।
- Rewards অপশনে ভিজিট করে উপরের ইনভাইট কোড বসিয়ে ক্লেইম করলে ১০০ পয়েন্ট দিবে ।
- Quest থেকে x, discord, email কানেক্ট করুন ও অন্যান্য টাস্ক পূরণ করুন ।
- আরও পয়েন্ট বৃদ্ধি করতে on-chain weekly check-ins করতে পারেন । এটা জরুরী না ।
- নিয়মিত ভিজিট করুন ও নতুন টাস্ক সম্পন্ন করুন ।
👉Join: https://bytenova.ai/rewards?invite_code=HD9d4EYbV
👉Invite:
HD9d4EYbV👉Fund: 15M
👉Step:
- শুরুতেই লিঙ্কে ক্লিক করে EVM/BSC Wallet কানেক্ট করুন । লিঙ্ক কাজ না করলে ডট এআই পর্যন্ত সার্চ করে সাইটে প্রবেশ করে বাকি কাজ করুন ।
- Rewards অপশনে ভিজিট করে উপরের ইনভাইট কোড বসিয়ে ক্লেইম করলে ১০০ পয়েন্ট দিবে ।
- Quest থেকে x, discord, email কানেক্ট করুন ও অন্যান্য টাস্ক পূরণ করুন ।
- আরও পয়েন্ট বৃদ্ধি করতে on-chain weekly check-ins করতে পারেন । এটা জরুরী না ।
- নিয়মিত ভিজিট করুন ও নতুন টাস্ক সম্পন্ন করুন ।
🔥7👍2
Forwarded from Tech Tips 360° (Mehedi Hasan 🐦 SUI Ishaan 💎CR 👾 Bums 🍖✌️Yescoiner Meshchain.Ai)
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
✅ Efsane Airdrop - ইনভেস্ট লাগবে না
Join: https://efsanetr.com/en_US/internal/register/?inviteCode=WKBRG8
Invitation:
📌 বিস্তারিত তথ্য ভিডিওতে রয়েছে
Join: https://efsanetr.com/en_US/internal/register/?inviteCode=WKBRG8
Invitation:
WKBRG8 📌 বিস্তারিত তথ্য ভিডিওতে রয়েছে
👍2
Online Help 360 - ইউটিউবের নতুন রুলসের প্রভাবে সাসপেন্ড হয়েছে। সব শেষ।
😢25❤🔥3🥰3👍2😘1
ট্রেডিং বিষয়টা যারা বুঝেন না, তারা এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন আমাদের নতুন চ্যানেল থেকে । ট্রেডিং নিয়ে সিরিজ আপলোড হতে যাচ্ছে । ট্রেডিং শিখতে সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না ।
https://youtu.be/lK4Bv1u1x9w
https://youtu.be/lK4Bv1u1x9w
YouTube
What is Trading ? ট্রেডিং কি ? একবারে বুঝে নিন | ২০২৫
ট্রেডিং কি ? বা ক্রিপ্টো ট্রেডিং কি ? এটা খায় না মাথায় দেয় ? চলুন জানা যাক -
এই বিষয়ে সিরিজ ভিডিও আসবে তাই অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে রাখুন ।
Our Telegram: https://t.me/techtips360
Related Search:
ট্রেডিং কি এবং কীভাবে শুরু করবো,
বাংলায় ট্রেডিং শেখা শুরু…
এই বিষয়ে সিরিজ ভিডিও আসবে তাই অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে রাখুন ।
Our Telegram: https://t.me/techtips360
Related Search:
ট্রেডিং কি এবং কীভাবে শুরু করবো,
বাংলায় ট্রেডিং শেখা শুরু…
🔥5👍1
✅ BUM'S AIRDROP OKX TASK
যেহেতু OKX Supported country নয় তাই বামস এয়ারড্রপে সিলেক্ট হতে একটা টেকনিক রয়েছে। এটা বৈধ।
আপনি এয়ারড্রপের ডানপাশের থ্রি ডট থেকে support এ যাবেন। ওদের বলবেন বাংলাদেশে okx নাই তাই এয়ারড্রপের বাধ্যতামূলক টাস্ক করতে পারছেন না। ওরা কিছু প্রশ্ন করবে এবং এয়ারড্রপ ইন্টারফেসের বামদিকে passport অপশন থেকে একটা আইডি কোড আছে সেটা সাবমিট করবেন (যদি চায়)। এরপর তারা একটা কোড দিবে। সেটা টাস্কের দ্বিতীয় বক্সে অর্থাৎ যেখানে okx id সাবমিট করতে বলা হয়েছে সেখানে কোডটা দিবেন। এরপর এন্টার করলে টাস্ক কমপ্লিট।
আমি এভাবে করেছি।
visit: https://t.me/bums/app?startapp=ref_qYZkDRgY
যেহেতু OKX Supported country নয় তাই বামস এয়ারড্রপে সিলেক্ট হতে একটা টেকনিক রয়েছে। এটা বৈধ।
আপনি এয়ারড্রপের ডানপাশের থ্রি ডট থেকে support এ যাবেন। ওদের বলবেন বাংলাদেশে okx নাই তাই এয়ারড্রপের বাধ্যতামূলক টাস্ক করতে পারছেন না। ওরা কিছু প্রশ্ন করবে এবং এয়ারড্রপ ইন্টারফেসের বামদিকে passport অপশন থেকে একটা আইডি কোড আছে সেটা সাবমিট করবেন (যদি চায়)। এরপর তারা একটা কোড দিবে। সেটা টাস্কের দ্বিতীয় বক্সে অর্থাৎ যেখানে okx id সাবমিট করতে বলা হয়েছে সেখানে কোডটা দিবেন। এরপর এন্টার করলে টাস্ক কমপ্লিট।
আমি এভাবে করেছি।
visit: https://t.me/bums/app?startapp=ref_qYZkDRgY
👍5