মেইক মানি বা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত ভিডিও বানাতে পড়ালেখা জানা লোকেরা আর আসে না । এইট পাস, ইন্টার ফেইল, নিউমার্কেট থেকে সার্টিফিকেট কেনা পাবলিকেরা এখন এই সেক্টরে ভিডিও বানায় । তাই কোন প্রোজেক্ট সম্পর্কে নিশ্চিত করে তথ্য দিতে পারে না । ইংরেজি পড়তে গেলে অ্যা উ করতে থাকে । আর অ্যা অ্যা করে আসল কথাই বলতে পারে না । এরা হোয়াইট পেপারটা পড়তে পারে না । ২/৪ জনের ভিডিও দেখে নিজেও একটা বানিয়ে ফেলে । নতুন তথ্যের বালাই থাকে না । এর টোটাল ঝালটা পড়েছে "আইস নেটওয়ার্ক" এর উপর । শুরুতে যখন এলো আমি সব পড়ে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং দেখে স্পিরিটেড খুবই ভালো বললাম । সবাই ভালো বললো । গত বছরের আগস্টে যখন হোয়াইট পেপার আপডেট করলো তখন দেখলাম নতুন নতুন তেলেসপাতি যুক্ত করেছে । ভিডিও ডিলিট করে দিলাম । কোন আপডেট দিলাম না । এই প্রোজেক্ট নিয়ে সবাই এত হয়রানি হয়ে অ্যাপ রিমুভ করে দিচ্ছে আরেকদিকে নিজের পকেট ভরার জন্য কয়েকজন একে ভালো ভালো উপমা দিয়েই যাচ্ছে । এদের কাছে আমার প্রশ্ন এরা একবারো কি হোয়াইটপেপার পড়েছে ? 😐
আইস নেটওয়ার্ক মূলত বাংলাদেশি স্ক্যামারদের মত লোক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে । যারা সামাজিক লিঙ্কিং দেখিয়ে ভিসি জোগাড় করে পকেট ভর্তি করেছে । কিছু মানুষকে টাকা দিয়েছে । তারপর বাকিদের সরিয়ে দিতে এমন কিছু সিলি প্ল্যান করেছে যার কারণে অধিকাংশ কুইজে ফেইল করছে । আমার প্রশ্ন হলো, কুইজ পাসকৃতদের আমেরিকায় গুগলে চাকরি দিবে নাকি ? সামান্য একটা মাইনিং প্রোজেক্টে কেওয়াইসি করাই বাড়াবাড়ি বলে থাকেন এক্সপার্টেরা সেখানে পড়ালেখা শেখাচ্ছে । এগুলি জাস্ট সাধারণ স্ক্যামিং । একদিকে টোকেন কেটে নিবে আপনার অনুপস্থিতির জন্য আরেকদিকে মাইনিং বন্ধ করে ইউজারদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে ।
আর আপনাদেরকেও বলি, একটা প্রোজেক্টে জয়েন করার আগে হোয়াইট পেপারটা পড়লেই তো সব জানা হয়ে যায় । যাদের হোয়াইটপেপারে তেমন তথ্য থাকবে না সেখানে জয়েন করবেন না । প্রতিদিন নিয়ম করে মাইনিং করছেন অনিশ্চিত একটা ভবিষ্যতের অন্য অথচ ৩০ মিনিট ব্যয় করে হোয়াইট পেপার পড়লে প্রতিদিন ডিউটি দেয়ার পরশ্রম থেকে বেঁচে যেতে পারেন ।
আমার পরশুদিন পাবলিশ করা আর্টিকেলে যেসব প্রোজেক্টগুলি শেয়ার করেছি তার ভেতর যারা প্রমিসিং আচরণ করছে তাদের আমরা কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করবো । ভালো হলে সবগুলি চলমান থাকবে নয়ত আজাইরা এতগুলি মাইনিং করে লাভ নাই ।
মনে রাখবেন, এইসব সাইড ইনকাম । এক বছরে কাজ করে যদি একটা প্রোজেক্ট থেকে ৪০-৫০ হাজার টাকা টেনেটুনে আয় করতে পারেন সেটাই অনেক । আমি আইস নেটওয়ার্কের দোষ দেবো না । কারণ তারাই সবকিছু ক্লিয়ার করে নাই । কিভাবে টোকেন বিতরণ করবে, কবে লিস্টিং করবে, এগুলি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছে । প্রথমে দেখেছিলাম ২০২৪ সালের শেষের দিকে রিলিজ করবে । তারপর কিছুদিন আগে নাকি এক দফা বিতরণ করেছে । অনেকে ভালোই আয় করেছে । একটা প্রোজেক্ট যদি তার নিয়মের বাইরে চলে তাহলে সেটা ভিসিদের কাছে কতটা নির্ভরযোগ্য সেটা বুঝতে তো নিউটন হওয়ার দরকার নাই ।
পাই যদি আনঅফিসিয়ালি ভাল রেটে বিক্রি না হতো কবেই এটা ডিলিট করে বসে থাকতাম । কারণ যারা এটা কিনছে তাদের পেছনে একদল হোয়েল রয়েছে যারা বিভিন্ন হাত থেকে এটা কালেক্ট করছে । সব টোকেনের একই ইতিহাস । সম্ভাবনা থাকলে ভালো দামে বিক্রি হবেই । আরেকটা জিনিস মাথায় রাখবেন, কপি প্রোজেক্টে কিংবা সমধর্মী প্রোজেক্টে জয়েন করবেন না । প্রথমটা বিজনেস করতে আসে, পরেরটা করে স্ক্যামিং । কোর টোকেন প্রফিট দিয়েছে, এভাইভ এর কি খবর ? পাই প্রফিট দিচ্ছে, বি এর কি খবর ? এগুলি মাথায় রাখবেন । তাহলে আপনি একটা প্রোজেক্টে মাইনিং করে যা লাভ করবেন, বাকিরা ১০ টা প্রোজেক্টে কাজ করে এত লাভ করতে পারবে না । কারণ একটা প্রোজেক্টে যত সময় দেয়া যায়, যত খোঁজ রাখা যায়, ১০ টা অ্যাপে খবর রাখা যায় না । এক সময় বিরক্তি চলে আসে ।
আইস নেটওয়ার্ক মূলত বাংলাদেশি স্ক্যামারদের মত লোক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে । যারা সামাজিক লিঙ্কিং দেখিয়ে ভিসি জোগাড় করে পকেট ভর্তি করেছে । কিছু মানুষকে টাকা দিয়েছে । তারপর বাকিদের সরিয়ে দিতে এমন কিছু সিলি প্ল্যান করেছে যার কারণে অধিকাংশ কুইজে ফেইল করছে । আমার প্রশ্ন হলো, কুইজ পাসকৃতদের আমেরিকায় গুগলে চাকরি দিবে নাকি ? সামান্য একটা মাইনিং প্রোজেক্টে কেওয়াইসি করাই বাড়াবাড়ি বলে থাকেন এক্সপার্টেরা সেখানে পড়ালেখা শেখাচ্ছে । এগুলি জাস্ট সাধারণ স্ক্যামিং । একদিকে টোকেন কেটে নিবে আপনার অনুপস্থিতির জন্য আরেকদিকে মাইনিং বন্ধ করে ইউজারদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে ।
আর আপনাদেরকেও বলি, একটা প্রোজেক্টে জয়েন করার আগে হোয়াইট পেপারটা পড়লেই তো সব জানা হয়ে যায় । যাদের হোয়াইটপেপারে তেমন তথ্য থাকবে না সেখানে জয়েন করবেন না । প্রতিদিন নিয়ম করে মাইনিং করছেন অনিশ্চিত একটা ভবিষ্যতের অন্য অথচ ৩০ মিনিট ব্যয় করে হোয়াইট পেপার পড়লে প্রতিদিন ডিউটি দেয়ার পরশ্রম থেকে বেঁচে যেতে পারেন ।
আমার পরশুদিন পাবলিশ করা আর্টিকেলে যেসব প্রোজেক্টগুলি শেয়ার করেছি তার ভেতর যারা প্রমিসিং আচরণ করছে তাদের আমরা কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করবো । ভালো হলে সবগুলি চলমান থাকবে নয়ত আজাইরা এতগুলি মাইনিং করে লাভ নাই ।
মনে রাখবেন, এইসব সাইড ইনকাম । এক বছরে কাজ করে যদি একটা প্রোজেক্ট থেকে ৪০-৫০ হাজার টাকা টেনেটুনে আয় করতে পারেন সেটাই অনেক । আমি আইস নেটওয়ার্কের দোষ দেবো না । কারণ তারাই সবকিছু ক্লিয়ার করে নাই । কিভাবে টোকেন বিতরণ করবে, কবে লিস্টিং করবে, এগুলি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছে । প্রথমে দেখেছিলাম ২০২৪ সালের শেষের দিকে রিলিজ করবে । তারপর কিছুদিন আগে নাকি এক দফা বিতরণ করেছে । অনেকে ভালোই আয় করেছে । একটা প্রোজেক্ট যদি তার নিয়মের বাইরে চলে তাহলে সেটা ভিসিদের কাছে কতটা নির্ভরযোগ্য সেটা বুঝতে তো নিউটন হওয়ার দরকার নাই ।
পাই যদি আনঅফিসিয়ালি ভাল রেটে বিক্রি না হতো কবেই এটা ডিলিট করে বসে থাকতাম । কারণ যারা এটা কিনছে তাদের পেছনে একদল হোয়েল রয়েছে যারা বিভিন্ন হাত থেকে এটা কালেক্ট করছে । সব টোকেনের একই ইতিহাস । সম্ভাবনা থাকলে ভালো দামে বিক্রি হবেই । আরেকটা জিনিস মাথায় রাখবেন, কপি প্রোজেক্টে কিংবা সমধর্মী প্রোজেক্টে জয়েন করবেন না । প্রথমটা বিজনেস করতে আসে, পরেরটা করে স্ক্যামিং । কোর টোকেন প্রফিট দিয়েছে, এভাইভ এর কি খবর ? পাই প্রফিট দিচ্ছে, বি এর কি খবর ? এগুলি মাথায় রাখবেন । তাহলে আপনি একটা প্রোজেক্টে মাইনিং করে যা লাভ করবেন, বাকিরা ১০ টা প্রোজেক্টে কাজ করে এত লাভ করতে পারবে না । কারণ একটা প্রোজেক্টে যত সময় দেয়া যায়, যত খোঁজ রাখা যায়, ১০ টা অ্যাপে খবর রাখা যায় না । এক সময় বিরক্তি চলে আসে ।
👍11🔥3🥰2
আল্লাহ বাচিয়ে রাখলে ঈদের পর কন্ডিশন বুঝে লিস্ট আরও শর্ট করে নিবো । এখন আর আগের মত আজাইরা খাটতে ইচ্ছা করে না । কারণ পাই বাজারে না এলেও যা লাভ হয়েছে, অন্যগুলি থেকে কেবল সময়ের অপচয় হয়েছে । আপনারা ঈগলটা মাইনিং করতে থাকুন । রিলিজের পর ৫% দিবে । তারপর প্রতি মাসে ১০-১২% করে বাড়বে । আর আপনি যদি একদমই মাইনিং এর ব্যাপারে সিরিয়াস না হন, এমন যে, প্রফিট পেলে ভালো, নয়ত লস নাই যেহেতু ফ্রি । তাহলে এই পোস্টটা আপনার জন্য নয় । ওয়ারিয়রস ফোরামে মাসে ৩০ ডলার সাবস্ক্রিপশন ফি দেই দুনিয়ার বড় বড় এনালিটিকসদের মতামত এবং তাদের ৮০% নিশ্চিত তথ্যের জন্য । তারা এমন সব বিশ্লেষণ দেয় সেগুলি পড়লে এবং কন্ডিশন মিলিয়ে বুঝতে পারি কোনটা কেমন আচরণ করছে । ওয়ারিয়র ফোরামেই জেনেছি, পাই এক্সচেঞ্জগুলিতে আনঅফিসিয়ালি লিস্টিং করে বিজনেস করছে তাই সামান্য একটা পোস্ট দেয়া ছাড়া তারা আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি । তারা যতদিন স্বীকার না করবে ততদিন এরকম বিজনেস চলবে । জাস্ট মনে রাখবেন ৫ কোটি ইউজারের ডাটা ফ্রিতে তারা স্টোর করে রাখেনি । চার বছরে প্রি সেল নাই । এয়ারড্রপ নাই । ভিসি নাই । এমনি এমনি শুধু কয়েকটা অ্যাড দেখিয়ে টিকে আছে ? যাই হোক, আমরা কিছু প্রফিট পেলেই হলো । আরও লেট করলে গুগল ড্রাইভে ডাটা রেখে অ্যাপ রিমুভ করে বসে থাকবো । কোন দিন যদি ভালো খবর আসে তাহলে লগইন করবো । আগামীকাল আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে আমি আমার বন্ধুদের মাল্টি মিলিওনিয়ার হতে দেইনি । একদম সত্যি কথা । যদিও নিজেরও আফসোস হয় 😝😝🥲
🔥16🥰2👍1🤗1
সব ধরণের প্ল্যাটফর্মে Notcoin জোরেশোরে মার্কেটিং চালাচ্ছে। কোন মাইনিং প্রজেক্টের এড পূর্বে সম্ভবত চোখে পড়ে নি। গতকাল ইন্সটাগ্রামে দেখলাম, আজ ফেসবুকে, গুগল এডে, সর্বত্র প্রচারণা চলছে। তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলেও প্রায় তিন মিলিয়ন ফলোয়ার হতে যাচ্ছে। টন ব্লকচেইনের টুইটার থেকে ও নটের একাউন্ট থেকে নিয়মিত পোস্ট হচ্ছে।
Join Notcoin: https://t.me/techtips360/3175
Join Notcoin: https://t.me/techtips360/3175
🔥4👍2
একদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় বিকালে ফার্মগেটের দিকে আসছিলাম তখন আমার সাথে পলাশ, আল্ভি, আলামিন আরও কয়েকজন হাটছিলো । আলভি অনেক ছোটবেলায় কম্পিউটার হাতে পেয়েছিল এবং সেই সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করতো । ওইদিন আমাদের বললো কার কাছে কত টাকা আছে ? তখন স্কুলে পড়ি আর স্কুল থেকে ফেরার সময় রিকসা ভাড়া ছাড়া কিছু থাকতো না । আমাদের বললো সবাই একশ টাকা করে বের কর, একটা জিনিস কিনে দেবো তোদের । কোন একদিন অনেক দাম হবে । সবাই বললাম জিনিসটা কি ? বলেছিল, আমিও এখনো তেমন জানি না । কিন্তু এটা একটা টাকার মত জিনিস, ইন্টারনেটে পাওয়া যায় । আমরা সেজান পয়েন্ট শপিং সেন্টারে গেলাম, জাকিরদের জুতার দোকানে বসে অনেক কিছু বুঝালো । আমি তখন এলাকায় ডোলান্সারের সাথে পরিচিত ।
অনেকের টাকা মেরে দিয়ে চলে গিয়েছিল । ভাবলাম, আলভি এরকম একটা জিনিস হয়ত বুঝাচ্ছে । নিজেকে বিশাল বুদ্ধিমান মনে করে সবাইকে বুঝালাম আমাদের এলাকায় এরকম একটা কোম্পানি ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা নিয়ে চলে গেছে । প্রতিদিন ২০-৫০ টাকা বাসা থেকে দেয়, তার হিসাব দিতে দিতেই জীবন বের হয়ে যায় আর সেখানে, টাকার মত এক জিনিসের পেছনে ১০০ টাকা খরচ করবো জুয়ার মত । সেটা তো কল্পনা করতেই আব্বুর মাইর দেখতে পাচ্ছিলাম । সবাইকে বুঝাইলাম । এই জিনিস কিনলে জুয়া খেলা হবে, টাকা নিয়ে ভেগে যাবে ব্লা ব্লা ব্লা ।
আমাদের এলাকার রনি ভাই তখন ইন্টার পাস করেছেন তিনি মোটামুটি এটা সম্পর্কে ধারনা না পেলেও আমাদের মতই জানতো কিন্তু বাড়িওয়ালার ছেলে হওয়ায় টাকা পয়সা হাতে থাকার কারণে তিনি আলভিকে ২০০ টাকা দিলে আল্ভি রনি ভাইকে বিটকয়েন কিনে দেয় । ডোলান্সার সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার পর আমাদের কেউ আর সাহস করে বিটকয়েন কেনার চিন্তাও করিনি । তিনি বিটকয়েন কেনেন । এরপর তো এই জিনিস নিয়ে আর আলোচনা হয়নি ।
যখন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ি তখন সব কিছু সম্পর্কে ধারনা ছিল কিন্তু সেই সমস্যা আবার ছিল । টাকার সমস্যা । তখনও অনলাইনে পিটিসি সাইটে কাজ করার বাইরে অন্যকিছু করতাম না । বাসায় হাত পেতে চলতাম । আমাদের সাথে ফয়সাল ছিল, ওর কাছে ৫ টা বিটকয়েন ছিল । সে বলতো এটা একদিন অনেক দাম বাড়বে । তখন আমাদের মনে পড়ে আরও অনেক আগে আল্ভির কথা । তখন আফসোস লাগতো ।
এরপর ২০১৮-১৯ সালের দিকে বিটকয়েন যখন ২০ হাজার ডলার ক্রস করে তখন ফয়সাল ওর বিটকয়েনগুলা বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যায় । একদিন স্কুলের পুনর্মিলনীতে গিয়ে জানতে পারি আমাদের রনি ভাই, তারপর ফার্মগেটে চাদাবাজি করতো ফরিদ ভাই, ওরা বিটকয়েন বিক্রি করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেছে । একেকটা বিটকয়েন ৫০-৬০ হাজার ডলার দামে বিক্রি করে আমেরিকা চলে গেছে । ফরিদ ভাই এখন বড় নেতা । টাকা দিয়ে পদ কিনে বড় নেতা হয়েছে । রনি ভাই কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চতর শিক্ষা শেষ করে এখন ম্যানহাটনে স্থায়ী হয়েছে । সব বিটকয়েন বিক্রির টাকায় । উনার সাথে অনলাইনে একবার কথা হয়েছিল । তিনি বললেন তার কাছে মোট ১০ টা বিটকয়েন ছিল । তার ভেতর কিছু বিক্রি করেছে । ঢাকায় বাড়ি ভেঙ্গে নতুন করে বানিয়েছে, পড়ালেখা শেষ করে এখন ক্রিপটোকারেন্সি ভিত্তিক একটা প্রতিষ্ঠানে জব করছেন এবং তার কাছে এখনো কিছু বিটকয়েন রয়েছে । কিছুদিন আগে ১৫ হাজার ডলারে নেমে গেলে তিনি আরও কিছু বিটকয়েন কেনেন । তিনি বললেন, এটা গোল্ডের চেয়ে প্রফিটেবল । আর বললেন, তোরা আমাকে তো দেখেছিস, এই বিটিসি দিয়েই সব করেছি । তিনি বললেন এই বিটিসি দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে তার ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে । এখন কয়েক বছর অপেক্ষা করলেই এই বিটিসি দেড় লাখ ডলারের উপর দাম হবে । তাই যেন বিটিসি থাকলে বিক্রি না করি । এবং এটা জমা করি ।
আমার স্কুলের বন্ধুরা আমাকে দেখলে প্রায় বলে, তোর ওইদিনের কথা না শুনে যদি ৫০ টাকাও খরচ করতাম আজকে কোটিপতির চেয়ে বেশি কিছু থাকতাম । অনেক আফসোস করে আল্ভি । স্পেশালি পলাশ বেশি আফসোস করে । বলে, তুই এমনভাবে ডোলান্সারের নাম বলছিলি তারপর বাসা থেকে টাকা এনে এরকম কাজ করতে ভয় পেয়েই গিয়েছিলাম 😭
তাই আপনাদের বলি, কখনো সুযোগ এলে ভয় পাবেন না । রিস্ক নিবেন । কারণ আপনি রিস্ক নিবেন সামান্য অর্থের । যদি ভাগ্য ভালো হয় সেটা রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে ।
অনেকের টাকা মেরে দিয়ে চলে গিয়েছিল । ভাবলাম, আলভি এরকম একটা জিনিস হয়ত বুঝাচ্ছে । নিজেকে বিশাল বুদ্ধিমান মনে করে সবাইকে বুঝালাম আমাদের এলাকায় এরকম একটা কোম্পানি ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা নিয়ে চলে গেছে । প্রতিদিন ২০-৫০ টাকা বাসা থেকে দেয়, তার হিসাব দিতে দিতেই জীবন বের হয়ে যায় আর সেখানে, টাকার মত এক জিনিসের পেছনে ১০০ টাকা খরচ করবো জুয়ার মত । সেটা তো কল্পনা করতেই আব্বুর মাইর দেখতে পাচ্ছিলাম । সবাইকে বুঝাইলাম । এই জিনিস কিনলে জুয়া খেলা হবে, টাকা নিয়ে ভেগে যাবে ব্লা ব্লা ব্লা ।
আমাদের এলাকার রনি ভাই তখন ইন্টার পাস করেছেন তিনি মোটামুটি এটা সম্পর্কে ধারনা না পেলেও আমাদের মতই জানতো কিন্তু বাড়িওয়ালার ছেলে হওয়ায় টাকা পয়সা হাতে থাকার কারণে তিনি আলভিকে ২০০ টাকা দিলে আল্ভি রনি ভাইকে বিটকয়েন কিনে দেয় । ডোলান্সার সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার পর আমাদের কেউ আর সাহস করে বিটকয়েন কেনার চিন্তাও করিনি । তিনি বিটকয়েন কেনেন । এরপর তো এই জিনিস নিয়ে আর আলোচনা হয়নি ।
যখন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ি তখন সব কিছু সম্পর্কে ধারনা ছিল কিন্তু সেই সমস্যা আবার ছিল । টাকার সমস্যা । তখনও অনলাইনে পিটিসি সাইটে কাজ করার বাইরে অন্যকিছু করতাম না । বাসায় হাত পেতে চলতাম । আমাদের সাথে ফয়সাল ছিল, ওর কাছে ৫ টা বিটকয়েন ছিল । সে বলতো এটা একদিন অনেক দাম বাড়বে । তখন আমাদের মনে পড়ে আরও অনেক আগে আল্ভির কথা । তখন আফসোস লাগতো ।
এরপর ২০১৮-১৯ সালের দিকে বিটকয়েন যখন ২০ হাজার ডলার ক্রস করে তখন ফয়সাল ওর বিটকয়েনগুলা বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে যায় । একদিন স্কুলের পুনর্মিলনীতে গিয়ে জানতে পারি আমাদের রনি ভাই, তারপর ফার্মগেটে চাদাবাজি করতো ফরিদ ভাই, ওরা বিটকয়েন বিক্রি করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেছে । একেকটা বিটকয়েন ৫০-৬০ হাজার ডলার দামে বিক্রি করে আমেরিকা চলে গেছে । ফরিদ ভাই এখন বড় নেতা । টাকা দিয়ে পদ কিনে বড় নেতা হয়েছে । রনি ভাই কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চতর শিক্ষা শেষ করে এখন ম্যানহাটনে স্থায়ী হয়েছে । সব বিটকয়েন বিক্রির টাকায় । উনার সাথে অনলাইনে একবার কথা হয়েছিল । তিনি বললেন তার কাছে মোট ১০ টা বিটকয়েন ছিল । তার ভেতর কিছু বিক্রি করেছে । ঢাকায় বাড়ি ভেঙ্গে নতুন করে বানিয়েছে, পড়ালেখা শেষ করে এখন ক্রিপটোকারেন্সি ভিত্তিক একটা প্রতিষ্ঠানে জব করছেন এবং তার কাছে এখনো কিছু বিটকয়েন রয়েছে । কিছুদিন আগে ১৫ হাজার ডলারে নেমে গেলে তিনি আরও কিছু বিটকয়েন কেনেন । তিনি বললেন, এটা গোল্ডের চেয়ে প্রফিটেবল । আর বললেন, তোরা আমাকে তো দেখেছিস, এই বিটিসি দিয়েই সব করেছি । তিনি বললেন এই বিটিসি দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে তার ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে । এখন কয়েক বছর অপেক্ষা করলেই এই বিটিসি দেড় লাখ ডলারের উপর দাম হবে । তাই যেন বিটিসি থাকলে বিক্রি না করি । এবং এটা জমা করি ।
আমার স্কুলের বন্ধুরা আমাকে দেখলে প্রায় বলে, তোর ওইদিনের কথা না শুনে যদি ৫০ টাকাও খরচ করতাম আজকে কোটিপতির চেয়ে বেশি কিছু থাকতাম । অনেক আফসোস করে আল্ভি । স্পেশালি পলাশ বেশি আফসোস করে । বলে, তুই এমনভাবে ডোলান্সারের নাম বলছিলি তারপর বাসা থেকে টাকা এনে এরকম কাজ করতে ভয় পেয়েই গিয়েছিলাম 😭
তাই আপনাদের বলি, কখনো সুযোগ এলে ভয় পাবেন না । রিস্ক নিবেন । কারণ আপনি রিস্ক নিবেন সামান্য অর্থের । যদি ভাগ্য ভালো হয় সেটা রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে ।
🥰6🤗3👍2
গল্প বাদ । আপনাদের সাথে আমি কিছু প্রোজেক্ট শেয়ার করবো । খুবই ভ্যালিড প্রোজেক্ট । এগুলিতে জয়েন করলে এবং বিভিন্ন টাস্ক পূর্ণ করলে কিছু টোকেন ক্লেইম করতে পারবেন এবং ভালো পরিমাণ ইনকাম হবে । একটা সিনিয়র ভাই সাজেস্ট করলো জয়েন করার জন্য । আজকে রাত থেকে শুরু করবো । পেমেন্ট না দেয়া পর্যন্ত নিয়মিত খোঁজ রাখতে থাকবেন সাইটে এবং তাদের টুইটারে । আপাতত আমি এখন জয়েন করতে যাচ্ছি । সব চেক করবো । যেগুলি জয়েন করার মত সেগুলি শেয়ার করবো 😇😇
👍14
যারা আমার দেয়া এয়ারড্রপ প্রজেক্টগুলিতে জয়েন করবেন । এগুলি নোট করে রাখতে হবে যেন সাইটের নাম ভুলে না যান । গুগল নোট অ্যাপটা ইন্সটল করে নিবেন । তারপর সাইটগুলি লিস্ট আকারে রাখবেন । কিছু সাইটে একবারে টোকেন ক্লেইম করা যাবে । আবার কিছু সাইটে প্রতিদিন কিছু কিছু টাস্ক কমপ্লিট করে টোকেন জমা করতে হবে । এছাড়া রেফার সুবিধা থাকবে । রেফার না করলেও চলবে । করলে লাভ বেশি । অল্প সময়ের ভেতর এয়ারড্রপ পোস্ট করছি ।
🥰8
সউদি, মিশর, চীন, ইন্দো, মালয়, অনেকগুলা দেশের আলেমরা বিটকয়েনকে হালাল বলে ফতোয়া দিয়েছে 😳 বেশ শক্তিশালী যুক্তি দেখিয়েছে । তাদের যুক্তি সহকারে আমাদের ব্লগে পোস্ট আসবে দ্রুত
👍10
Tech Tips 360°
Marina Protocol - Mining App Join: https://play.google.com/store/apps/details?id=com.marinaprotocol.app&hl=en&gl=US&pli=1 Refer: OnlineHelp360 (Mandatory) Chain: BEP-20 Symbol: SURF Token Total Supply: Unlimited Video: https://youtu.be/sSUKx6PhViw?s…
প্রতিদিন নিয়ম করে সার্ফিং ও ক্লেইম করছেন তো? জাপানের প্রথম web3 protocol যা দিতে পারে চমৎকার রিওয়ার্ডস
👍2
💄 Bee Network 💄
🫦 App: https://play.google.com/store/apps/details?id=network.bee.app&hl=en&gl=US&pli=1
🫦 Invite:
🫦 KYC: https://youtu.be/Byhv7t91QIE?si=u9m3TIIhMorKi0_C
বেশি সময় নাই । মাইনিং করছেন তো ?
🫦 App: https://play.google.com/store/apps/details?id=network.bee.app&hl=en&gl=US&pli=1
🫦 Invite:
madmax360 (click to copy)🫦 KYC: https://youtu.be/Byhv7t91QIE?si=u9m3TIIhMorKi0_C
বেশি সময় নাই । মাইনিং করছেন তো ?
🔥3
বি নেটওয়ার্কে যারা kyc পান নাই তারা দ্রুত স্টেপগুলি ফলো করুন, kyc শীঘ্রই চলে আসবে। দেরি করলে আইডি বাতিলের খাতায় চলে যাবে - https://youtu.be/Byhv7t91QIE?si=BNARGkLbM64tDKcO
YouTube
Bee Network KYC Verification করে ফেললাম | Mainnet Coming Soon | Bee Network Update
Bee Network KYC Verification করে ফেললাম | Mainnet Coming Soon | Bee Network Update
app: https://shorturl.at/jMT67
invite: madmax360
Join Telegram: https://t.me/techtips360
bee network new update,
bee network withdrawal,
bee network kyc,
bee network kyc…
app: https://shorturl.at/jMT67
invite: madmax360
Join Telegram: https://t.me/techtips360
bee network new update,
bee network withdrawal,
bee network kyc,
bee network kyc…
আপনি যদি ক্লাস সিক্স থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত যেকোনো শিক্ষাবোর্ডের অধীনে শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে সরকারি ফান্ড আপনার জন্য অপেক্ষা করছে - শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও সরকার থেকে অনুদান দেয়া হবে । অনলাইনে আবেদনের সীমা ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত । https://youtu.be/jw4OF7nNtTk
YouTube
Govt. Fund - ক্লাস সিক্স থেকে মাস্টার্স (সকল শিক্ষাবোর্ড) । মাত্র ৭ দিন বাকি | আবেদনের পদ্ধতি ২০২৪
Govt. Fund - ক্লাস সিক্স থেকে মাস্টার্স (সকল শিক্ষাবোর্ড) । মাত্র ৭ দিন বাকি | আবেদনের পদ্ধতি ২০২৪
Notice: https://shorturl.at/ik012
Apply Now: https://www.mygov.bd/
related topics cover:
government fund 2024,
sorkari onudan,
upobritti 2024,
sorkari upobritti…
Notice: https://shorturl.at/ik012
Apply Now: https://www.mygov.bd/
related topics cover:
government fund 2024,
sorkari onudan,
upobritti 2024,
sorkari upobritti…
🔥3
শেখ আব্দুল্লাহ বিন সোলায়মান আল মানিয়া বিটকয়েনকে হালাল বলে কোন বিবৃতি দেন নি। 2021 সালে বলেছিলেন, বিটিসি হারাম এবং সেই বক্তব্যের উপর তিনি অটল আছেন। তার নামে ভুয়া নিউজ ছড়িয়েছে জুস ব্লগ "টেকেডিয়া" - যেহেতু সামনে হালভিং আসছে তাই বাজার চাঙ্গা করার চেষ্টা হিসাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে জুস ব্লগার ।
সত্য অনুসন্ধানে সফল করার জন্য আল্লাহকে ধন্যবাদ । অনেক জায়গায় ধর্না দিতে হয়েছিল । পাকিস্তানী সাংবাদিক Wajahat S. Khan ভাইকে ধন্যবাদ ।
সত্যের কাছে গেলে সে নিজেই কাছে চলে আসে অথবা এমন কাউকে পাঠিয়ে দেন যার পক্ষে সত্য উৎঘাটন করা সহজ।
সত্য অনুসন্ধানে সফল করার জন্য আল্লাহকে ধন্যবাদ । অনেক জায়গায় ধর্না দিতে হয়েছিল । পাকিস্তানী সাংবাদিক Wajahat S. Khan ভাইকে ধন্যবাদ ।
সত্যের কাছে গেলে সে নিজেই কাছে চলে আসে অথবা এমন কাউকে পাঠিয়ে দেন যার পক্ষে সত্য উৎঘাটন করা সহজ।
🔥17👍1
Athene Network
kyc করার সময় এমন দেখলে ভয়ের কিছু নাই। সার্ভার ওভারলোডেড হলে এরকম দেখায়।
join: https://t.me/techtips360/3179?single
kyc করার সময় এমন দেখলে ভয়ের কিছু নাই। সার্ভার ওভারলোডেড হলে এরকম দেখায়।
join: https://t.me/techtips360/3179?single
👍3
যেকোন মাইনিং প্রজেক্টে কারা লাভবান হয় জানেন?
ঈগলের উদাহরণ দেই । ওরা Egon inu টোকেন প্রি সেল করেছে। অনেকেই কয়েক ডলার থেকে শুরু করে হাজার ডলারের টোকেন কিনেছে। যারা একটা প্রজেক্টে আর্থিক বিনিয়োগ করে কোম্পানিগুলি সেসব বিনিয়োগকারীদের বেশি প্রফিট ও সুবিধা প্রদান করে। তারা EgonCoin বাজারে ছাড়লো। আমরা ক্রয় করিনি স্ক্যামের ভয়ে অথচ হাজার হাজার টাকা আমরা নষ্ট করে ফেলি। মাত্র এক বা দুই হাজার টাকার টোকেন কিনলে দুটো সুবিধা পেতাম।
১. সবার আগে টোকেন ডেলিভারী পেতাম
২. এক্সচেঞ্জ থেকে সেল করে বেশি লাভ করা যেতো।
ঈগল বলেছিল, তাদের টোকেন 10 সেন্ট থেকে 1 ডলারের ভেতর লিস্টিং হবে এবং এক্সচেঞ্জগুলিতে 27 সেন্ট রেটে লিস্টিং হয়েছিল। অথচ, এক ডলারে 1000 টোকেন বিক্রি করেছিলো। যারা কিনেছিল তারা কতগুণ লাভ করেছিল? 0.27X1000= 270 ডলার। আপনার ব্যয় ছিল মাত্র এক ডলার 😂😂😂
যারা দশ বিশ ডলার কিনেছিল, তাদের অবস্থা আন্দাজ করেন। একশ ডলারের হিসাব আপনি করেন। আমি হিসাব করলে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। 😭😭 সেজন্য Egon coin এত প্রফিটেবল ছিল।
ক্রিপটো মার্কেটে দুটো কথা মনে রাখবেন, এয়ারড্রপ বা মাইনিং থেকে আসা টোকেন থেকে বেশি লাভ হয় না। দুয়েকটা রেয়ার প্রজেক্ট থাকে।
দ্বিতীয়ত, সিংহভাগ প্রিসেল ও সামান্য এয়ারড্রপ প্রজেক্ট এক কালীন ভালো মুনাফা দেয়। যদি তারা ভিসি ম্যানেজ করতে পারে ও ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো হয় তাহলে মার্কেটে টিকে থাকে। নয়ত প্রথম পেমেন্টের পর দাম কমতে থাকে ও শেষে ডেড হয়।
IFCT, Athene থেকে শুরু করে যেখানে কয়েক ডলার দিয়ে একাউন্ট আপগ্রেড করার সুযোগ থাকবে সেটা করে ফেলবেন কারণ সামান্য টাকার বিনিয়োগ আপনাকে অনেক রকম সুযোগ এনে দিবে।
আর ফ্রি ইউজার? বিনিয়োগকারীরা যখন মার্কেট থেকে প্রফিট তুলে নেয় তখন দাম কমে যায়, আর ফ্রি ইউজাররা দাম পায় না। এটাই ঘটে। আপনার প্রজেক্টে যারা টাকা ঢালবে তাদের বেশি সুবিধা দিবেন নাকি যারা ফ্রি ইউজার তাদের সুবিধা প্রদান করবেন? উত্তর আপনার কাছেই আছে।
এথেনে সম্পর্কে বলেছিলাম, তাদের সাপোর্ট ভালো না, বাট প্রিমিয়াম মেম্বারদের সহযোগিতা করে। IFCT তে Intersteller ক্যাটাগরিতে এসে প্রিমিয়াম গ্রুপে ঢুকেছি। মেম্বার মাত্র 101 জন । এডমিনেরা সরাসরি চ্যাটিং করে।
আপনি যখন প্রজেক্ট নিজের ছাপ রাখবেন, প্রজেক্ট আপনাকে সুবিধা দিবে।
আর হ্যাঁ, ঈগলের eagle Inu & catapult এখনো বাজারে আসে নি। আলোচনা করেছি তাদের প্রথম প্রজেক্ট egoncoin নিয়ে। এটা নিয়ে গুবলেট পাকাবেন না :) তবে গত সপ্তাহে Coinstore অ্যাপে egoncoin আবার বিক্রি হয়েছে 10 সেন্টে ও প্রফিট দিয়েছে প্রায় ডাবল। লস কি বলেন? আমার ধারণা তারা ভিসি পেয়েছে কিছু এবং মার্কেট চাঙ্গা রাখতে প্রি সেলটা ছিলো একটা বড় বিনিয়োগ। সেজন্যই তো ঈগলের উদাহরণ দিলাম। এটাই তাদের এড, তাদের লাভ। পোস্ট দেখে অনেকে প্রজেক্ট ভিজিট করবে, টোকেন বিক্রি হবে কোটি কোটি টাকার। এটাই মার্কেটিং পলিসি।
যাই হোক, আশা করি, বুঝতে পেরেছেন যেকোন প্রজেক্টে ফ্রি ও পেইড মেম্বারদের লাভের তফাৎ :)
300% বুস্ট ছাড়া Athene যদিও বাড়তি কিছু বলেনি বাট যে ত্রিশ হাজার মানুষ প্রিমিয়াম করেছি তারা লিস্টিংয়ের আগে বাড়তি সুবিধা অবশ্যই পাবে। সংখ্যাটা লিস্টিংয়ের আগে মিলিয়ন ছাড়াবে বলে বিশ্বাস করি।
happy mining friends
ঈগলের উদাহরণ দেই । ওরা Egon inu টোকেন প্রি সেল করেছে। অনেকেই কয়েক ডলার থেকে শুরু করে হাজার ডলারের টোকেন কিনেছে। যারা একটা প্রজেক্টে আর্থিক বিনিয়োগ করে কোম্পানিগুলি সেসব বিনিয়োগকারীদের বেশি প্রফিট ও সুবিধা প্রদান করে। তারা EgonCoin বাজারে ছাড়লো। আমরা ক্রয় করিনি স্ক্যামের ভয়ে অথচ হাজার হাজার টাকা আমরা নষ্ট করে ফেলি। মাত্র এক বা দুই হাজার টাকার টোকেন কিনলে দুটো সুবিধা পেতাম।
১. সবার আগে টোকেন ডেলিভারী পেতাম
২. এক্সচেঞ্জ থেকে সেল করে বেশি লাভ করা যেতো।
ঈগল বলেছিল, তাদের টোকেন 10 সেন্ট থেকে 1 ডলারের ভেতর লিস্টিং হবে এবং এক্সচেঞ্জগুলিতে 27 সেন্ট রেটে লিস্টিং হয়েছিল। অথচ, এক ডলারে 1000 টোকেন বিক্রি করেছিলো। যারা কিনেছিল তারা কতগুণ লাভ করেছিল? 0.27X1000= 270 ডলার। আপনার ব্যয় ছিল মাত্র এক ডলার 😂😂😂
যারা দশ বিশ ডলার কিনেছিল, তাদের অবস্থা আন্দাজ করেন। একশ ডলারের হিসাব আপনি করেন। আমি হিসাব করলে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। 😭😭 সেজন্য Egon coin এত প্রফিটেবল ছিল।
ক্রিপটো মার্কেটে দুটো কথা মনে রাখবেন, এয়ারড্রপ বা মাইনিং থেকে আসা টোকেন থেকে বেশি লাভ হয় না। দুয়েকটা রেয়ার প্রজেক্ট থাকে।
দ্বিতীয়ত, সিংহভাগ প্রিসেল ও সামান্য এয়ারড্রপ প্রজেক্ট এক কালীন ভালো মুনাফা দেয়। যদি তারা ভিসি ম্যানেজ করতে পারে ও ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো হয় তাহলে মার্কেটে টিকে থাকে। নয়ত প্রথম পেমেন্টের পর দাম কমতে থাকে ও শেষে ডেড হয়।
IFCT, Athene থেকে শুরু করে যেখানে কয়েক ডলার দিয়ে একাউন্ট আপগ্রেড করার সুযোগ থাকবে সেটা করে ফেলবেন কারণ সামান্য টাকার বিনিয়োগ আপনাকে অনেক রকম সুযোগ এনে দিবে।
আর ফ্রি ইউজার? বিনিয়োগকারীরা যখন মার্কেট থেকে প্রফিট তুলে নেয় তখন দাম কমে যায়, আর ফ্রি ইউজাররা দাম পায় না। এটাই ঘটে। আপনার প্রজেক্টে যারা টাকা ঢালবে তাদের বেশি সুবিধা দিবেন নাকি যারা ফ্রি ইউজার তাদের সুবিধা প্রদান করবেন? উত্তর আপনার কাছেই আছে।
এথেনে সম্পর্কে বলেছিলাম, তাদের সাপোর্ট ভালো না, বাট প্রিমিয়াম মেম্বারদের সহযোগিতা করে। IFCT তে Intersteller ক্যাটাগরিতে এসে প্রিমিয়াম গ্রুপে ঢুকেছি। মেম্বার মাত্র 101 জন । এডমিনেরা সরাসরি চ্যাটিং করে।
আপনি যখন প্রজেক্ট নিজের ছাপ রাখবেন, প্রজেক্ট আপনাকে সুবিধা দিবে।
আর হ্যাঁ, ঈগলের eagle Inu & catapult এখনো বাজারে আসে নি। আলোচনা করেছি তাদের প্রথম প্রজেক্ট egoncoin নিয়ে। এটা নিয়ে গুবলেট পাকাবেন না :) তবে গত সপ্তাহে Coinstore অ্যাপে egoncoin আবার বিক্রি হয়েছে 10 সেন্টে ও প্রফিট দিয়েছে প্রায় ডাবল। লস কি বলেন? আমার ধারণা তারা ভিসি পেয়েছে কিছু এবং মার্কেট চাঙ্গা রাখতে প্রি সেলটা ছিলো একটা বড় বিনিয়োগ। সেজন্যই তো ঈগলের উদাহরণ দিলাম। এটাই তাদের এড, তাদের লাভ। পোস্ট দেখে অনেকে প্রজেক্ট ভিজিট করবে, টোকেন বিক্রি হবে কোটি কোটি টাকার। এটাই মার্কেটিং পলিসি।
যাই হোক, আশা করি, বুঝতে পেরেছেন যেকোন প্রজেক্টে ফ্রি ও পেইড মেম্বারদের লাভের তফাৎ :)
300% বুস্ট ছাড়া Athene যদিও বাড়তি কিছু বলেনি বাট যে ত্রিশ হাজার মানুষ প্রিমিয়াম করেছি তারা লিস্টিংয়ের আগে বাড়তি সুবিধা অবশ্যই পাবে। সংখ্যাটা লিস্টিংয়ের আগে মিলিয়ন ছাড়াবে বলে বিশ্বাস করি।
happy mining friends
👍12
👉 TAPSWAP by Solana
👉 System: same as notcoin
✅ Don't Miss
✅ Telegram Project
✅ 2500 Joining Token
Join: https://t.me/tapswap_bot?start=r_625871829
Video: https://youtu.be/R2fiDN12wB8?si=rM8RGxKvD42g9i78
👉 System: same as notcoin
✅ Don't Miss
✅ Telegram Project
✅ 2500 Joining Token
Join: https://t.me/tapswap_bot?start=r_625871829
Video: https://youtu.be/R2fiDN12wB8?si=rM8RGxKvD42g9i78
👍7
একদিন রেস্ট নিলে এত এত টপিকস ঝুলে যায়। কন্টেন্ট মেকারদের লাইফ পুরাই কচু পোড়া 😔
👍2
পাই মেইননেটে আসতে যাচ্ছে এবং স্ক্যামাররা দারুণ একটিভ হয়েছে। বিভিন্ন শপিং পেজ, পাই সেলিং সাইট খুলে স্ক্যাম করছে। এরকম কোন অ্যাপ বা সাইটে পাই কানেক্ট করলে আইডি ফাঁকা করে দিবে। এসব থেকে দূরে থাকুন।
🔥17👍3👏3