UNION BUDGET (FY 2020-2021) (FUND ALLOCATION) ::
1) Agriculture & Rural development = 2.83 lakh crore
2) Education = 99300 crore
3) Skill development = 3000 crore
4) Health sector = 69000 crore
5) Clean Air program = 4400 crore
6) Swachh Bharat Mission = 12300 crore
7) Nutrition Programme = 35600 crore
8) Jal Jeevan Mission = 3.6 lakh crore
9) Infrastructure = 100 lakh crore (5 years)
10) Industry & Commerce = 27300 crore
11) Bharat Net project = 6000 crore
12) Tourism = 2500 crore
13) for SCs & OBCs = 85000 crore
14) for Women = 28600 crore
15) for Senior Citizens = 53700 crore
16) for Divyangs = 9500 crore
*** Agricultural Target for 2020-21 = 15 lakh crore.
1) Agriculture & Rural development = 2.83 lakh crore
2) Education = 99300 crore
3) Skill development = 3000 crore
4) Health sector = 69000 crore
5) Clean Air program = 4400 crore
6) Swachh Bharat Mission = 12300 crore
7) Nutrition Programme = 35600 crore
8) Jal Jeevan Mission = 3.6 lakh crore
9) Infrastructure = 100 lakh crore (5 years)
10) Industry & Commerce = 27300 crore
11) Bharat Net project = 6000 crore
12) Tourism = 2500 crore
13) for SCs & OBCs = 85000 crore
14) for Women = 28600 crore
15) for Senior Citizens = 53700 crore
16) for Divyangs = 9500 crore
*** Agricultural Target for 2020-21 = 15 lakh crore.
My YouTube channel link
👇👇👇👇👇👇👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCGKtNFNWLTCRXxq3E_K4X2A
Please Subscribe 🙏🤝help
👇👇👇👇👇👇👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCGKtNFNWLTCRXxq3E_K4X2A
Please Subscribe 🙏🤝help
YouTube
Technical Study King
🎓 About Channel:
Welcome to Technical Study King 💡
We create impactful educational and motivational short videos that help students learn smarter and stay inspired every day.
Our content focuses on learning tips, success mindset, and personal growth. 🚀
🎯…
Welcome to Technical Study King 💡
We create impactful educational and motivational short videos that help students learn smarter and stay inspired every day.
Our content focuses on learning tips, success mindset, and personal growth. 🚀
🎯…
🔥এক নজরে #বাজেট_২০২০
♦জানুয়ারিতে #GST আদায় ১ লাখ ১০ হাজার ৮২৮ কোটি।
২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ কমেছে সাড়ে ৩. ৫ শতাংশ।
♦বিশ্বের_৫_বৃহত্তম_অর্থনীতির_দেশ_ভারত।
♦পরিবহন খাতে ১.৭ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦জীবন বিমা নিগমে এবার বেসরকারি অংশীদারিত্ব। LIC-র শেয়ার বিক্রি করবে সরকার।
♦কর দেওয়ার ঝক্কি কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। করদাতাদের ভরসা নির্মলার।
♦ব্যাঙ্কে আমানতে বিমা সুরক্ষা বাড়ছে। ১ লাখ টাকা ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি বেড়ে হচ্ছে ৫ লাখ টাকা।
♦পিপিপি মডেলে ১৫০টি নতুন ট্রেন।
♦তফশিলি উপজাতির উন্নয়নে ৫৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦তফশিলি জাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর জাতির উন্নয়নে ৮৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' প্রকল্পে ব্যাপক সাফল্য মিলেছে। দেশজুড়ে সর্বস্তরের শিক্ষায় এখন ছেলেদের থেকে মেয়েদের নথিভুক্তকরণের হার বেশি।
♦সংস্কৃতি মন্ত্রকের জন্য ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦অপটিক্যাল ফাইবার প্রোগ্রামের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে ১ লাখ গ্রাম পঞ্চায়েতকে।
♦৬ লাখের উপর অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর হাতে এখন স্মার্টফোন। যার মাধ্যমে ১০ কোটির উপর পরিবারের পুষ্টির কী অবস্থা, তা রেকর্ড রাখা সম্ভব হয়েছে।
♦বড় শহরগুলিতে মানুষদের জন্য বিশুদ্ধ বায়ু সুনিশ্চিত করতে একাধিক ভাবনা সরকারের। ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦দেশের ৫টি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বপূর্ণ শহরকে আইকোনিক সাইট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে থাকবে মিউজিয়াম।
♦দেশের মানুষের পুষ্টি সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য ৩৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦উদ্যোগপতিরাই দেশের শক্তি। তাঁদের বিনিয়োগমুখী করতে খোলা হবে ‘ইনভেস্টমেন্ট কিলিয়ারেন্স সেল’। জমি, বিনিয়োগ পলিসি সংক্রান্ত তথ্য দিতে সহায়তা করবে ওই সেল।
♦দেশজুড়ে ডেটা সেন্টার পার্ক গড়ে তোলার জন্য নয়া নীতি আনবে সরকার।
♦মহিলাদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্পে ২৮,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦কোয়ানটম প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি।
♦২০৩০ সালের মধ্যে জনসংখ্যার নিরিখে বিশ্বের বৃহত্তম কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে ভারতে।
♦২০২৪ সালের মধ্যে দেশের ১০০টি বিমানবন্দরকে আরও উন্নত করে তোলা হবে।
♦২০২৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে দিল্লি-মুম্বই হাইওয়ের কাজ।
♦তেজসের মতো আরও ট্রেন চালু করার ভাবনা। রেল লাইনের দুই পাশে সোলার প্যানেল বসানোর প্রস্তাব। ২৭ হাজার কিমি রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ করার প্রস্তাব।
♦শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে বরাদ্দ ২৭ হাজার ৩০০ কোটি।
♦২০২৫ সালের মধ্যে যক্ষামুক্ত দেশ গড়তে শুরু করা হবে অ্যান্টি টিবি ক্যাম্পেইন (Anti-TB campaign)।
♦সাধারণ মানুষের স্বার্থে দেশের সব জেলায় আরও বেশি করে খোলা হবে জন ওষুধি কেন্দ্র।
♦ভারতকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার পড়ুয়াদের জন্য সূচনা 'Ind-SAT' পরীক্ষার।
♦দেশে ১৫০টি নয়া ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
♦বৃত্তিমূলক শিক্ষায় বরাদ্দ ৩০০ কোটি।
♦অনলাইনেই এবার ডিগ্রি স্তরের সম্পূর্ণ পাঠক্রম। পাঠ দেবে দেশের ১০০টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
♦শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। শিক্ষার মান বাড়াতে সরকারের নয়া শিক্ষানীতি।
♦গ্রামীণ ভারতের ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিতে জল জীবন যোজনায় বরাদ্দ ৩.৬ লাখ কোটি টাকা।
♦স্বচ্ছ ভারত মিশনে বরাদ্দ ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
♦কৃষি, নিকাশি এবং গ্রামোন্নয়ন খাতে ২.৮৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
♦স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বরাদ্দ অতিরিক্ত ৬৯ হাজার কোটি টাকা।
♦১১২ জেলায় পিপিপি মডেলে হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সব জেলা হাসপাতালে তৈরি করা হবে মেডিক্যাল কলেজে।
♦২০২২-২৩ সালের মধ্যে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে ২০০ লাখ টন।
♦হর্টিকালচারে রেকর্ড উৎপাদন। লক্ষ্য, এক জেলায় এক পণ্য।
♦শুখা ১০০টি জেলায় বিশেষ নজর। সৌর পাম্প বসাতে সাহায্য করবে সরকার। তৈরি করা হবে আরও হিমঘর। এক্ষেত্রে সাহায্য করবে মুদ্রা ও নাবার্ড।
♦কৃষকদের স্বার্থে চালু হবে উড়ান। চালু করবে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক।
♦কৃষকদের স্বার্থে চালু হবে নতুন কিষাণ রেল।
♦কৃষকদের উন্নয়নে ১৬ দফা যোজনা।
♦পরিবহন এবং লজিস্টিক ক্ষেত্রে জিএসটি দুর্দান্ত কাজ করেছে। “ইন্সপেক্টর রাজ’ উধাও হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
♦১ এপ্রিল থেকে GST-র নতুন আবেদনপত্র। আরও সরলীকরণ হচ্ছে ফর্ম।
♦২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ কমেছে সাড়ে ৩.৫ শতাংশ।
♦এই অর্থবর্ষে ৪০ কোটি জিএসটি রিটার্ন ফাইল হয়েছে।
♦জিএসটি কাউন্সিল আরও সক্রিয় হয়েছে। গত বছর ১৬ লক্ষ নতুন করপ্রদানকারী যুক্ত হয়েছেন।
♦জানুয়ারিতে #GST আদায় ১ লাখ ১০ হাজার ৮২৮ কোটি।
২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ কমেছে সাড়ে ৩. ৫ শতাংশ।
♦বিশ্বের_৫_বৃহত্তম_অর্থনীতির_দেশ_ভারত।
♦পরিবহন খাতে ১.৭ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦জীবন বিমা নিগমে এবার বেসরকারি অংশীদারিত্ব। LIC-র শেয়ার বিক্রি করবে সরকার।
♦কর দেওয়ার ঝক্কি কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। করদাতাদের ভরসা নির্মলার।
♦ব্যাঙ্কে আমানতে বিমা সুরক্ষা বাড়ছে। ১ লাখ টাকা ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি বেড়ে হচ্ছে ৫ লাখ টাকা।
♦পিপিপি মডেলে ১৫০টি নতুন ট্রেন।
♦তফশিলি উপজাতির উন্নয়নে ৫৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦তফশিলি জাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর জাতির উন্নয়নে ৮৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' প্রকল্পে ব্যাপক সাফল্য মিলেছে। দেশজুড়ে সর্বস্তরের শিক্ষায় এখন ছেলেদের থেকে মেয়েদের নথিভুক্তকরণের হার বেশি।
♦সংস্কৃতি মন্ত্রকের জন্য ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦অপটিক্যাল ফাইবার প্রোগ্রামের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে ১ লাখ গ্রাম পঞ্চায়েতকে।
♦৬ লাখের উপর অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর হাতে এখন স্মার্টফোন। যার মাধ্যমে ১০ কোটির উপর পরিবারের পুষ্টির কী অবস্থা, তা রেকর্ড রাখা সম্ভব হয়েছে।
♦বড় শহরগুলিতে মানুষদের জন্য বিশুদ্ধ বায়ু সুনিশ্চিত করতে একাধিক ভাবনা সরকারের। ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦দেশের ৫টি প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বপূর্ণ শহরকে আইকোনিক সাইট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে থাকবে মিউজিয়াম।
♦দেশের মানুষের পুষ্টি সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য ৩৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦উদ্যোগপতিরাই দেশের শক্তি। তাঁদের বিনিয়োগমুখী করতে খোলা হবে ‘ইনভেস্টমেন্ট কিলিয়ারেন্স সেল’। জমি, বিনিয়োগ পলিসি সংক্রান্ত তথ্য দিতে সহায়তা করবে ওই সেল।
♦দেশজুড়ে ডেটা সেন্টার পার্ক গড়ে তোলার জন্য নয়া নীতি আনবে সরকার।
♦মহিলাদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্পে ২৮,৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦কোয়ানটম প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।
♦পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি।
♦২০৩০ সালের মধ্যে জনসংখ্যার নিরিখে বিশ্বের বৃহত্তম কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে ভারতে।
♦২০২৪ সালের মধ্যে দেশের ১০০টি বিমানবন্দরকে আরও উন্নত করে তোলা হবে।
♦২০২৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে দিল্লি-মুম্বই হাইওয়ের কাজ।
♦তেজসের মতো আরও ট্রেন চালু করার ভাবনা। রেল লাইনের দুই পাশে সোলার প্যানেল বসানোর প্রস্তাব। ২৭ হাজার কিমি রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ করার প্রস্তাব।
♦শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে বরাদ্দ ২৭ হাজার ৩০০ কোটি।
♦২০২৫ সালের মধ্যে যক্ষামুক্ত দেশ গড়তে শুরু করা হবে অ্যান্টি টিবি ক্যাম্পেইন (Anti-TB campaign)।
♦সাধারণ মানুষের স্বার্থে দেশের সব জেলায় আরও বেশি করে খোলা হবে জন ওষুধি কেন্দ্র।
♦ভারতকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার পড়ুয়াদের জন্য সূচনা 'Ind-SAT' পরীক্ষার।
♦দেশে ১৫০টি নয়া ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
♦বৃত্তিমূলক শিক্ষায় বরাদ্দ ৩০০ কোটি।
♦অনলাইনেই এবার ডিগ্রি স্তরের সম্পূর্ণ পাঠক্রম। পাঠ দেবে দেশের ১০০টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
♦শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। শিক্ষার মান বাড়াতে সরকারের নয়া শিক্ষানীতি।
♦গ্রামীণ ভারতের ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিতে জল জীবন যোজনায় বরাদ্দ ৩.৬ লাখ কোটি টাকা।
♦স্বচ্ছ ভারত মিশনে বরাদ্দ ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
♦কৃষি, নিকাশি এবং গ্রামোন্নয়ন খাতে ২.৮৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
♦স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বরাদ্দ অতিরিক্ত ৬৯ হাজার কোটি টাকা।
♦১১২ জেলায় পিপিপি মডেলে হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সব জেলা হাসপাতালে তৈরি করা হবে মেডিক্যাল কলেজে।
♦২০২২-২৩ সালের মধ্যে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে ২০০ লাখ টন।
♦হর্টিকালচারে রেকর্ড উৎপাদন। লক্ষ্য, এক জেলায় এক পণ্য।
♦শুখা ১০০টি জেলায় বিশেষ নজর। সৌর পাম্প বসাতে সাহায্য করবে সরকার। তৈরি করা হবে আরও হিমঘর। এক্ষেত্রে সাহায্য করবে মুদ্রা ও নাবার্ড।
♦কৃষকদের স্বার্থে চালু হবে উড়ান। চালু করবে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক।
♦কৃষকদের স্বার্থে চালু হবে নতুন কিষাণ রেল।
♦কৃষকদের উন্নয়নে ১৬ দফা যোজনা।
♦পরিবহন এবং লজিস্টিক ক্ষেত্রে জিএসটি দুর্দান্ত কাজ করেছে। “ইন্সপেক্টর রাজ’ উধাও হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
♦১ এপ্রিল থেকে GST-র নতুন আবেদনপত্র। আরও সরলীকরণ হচ্ছে ফর্ম।
♦২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ কমেছে সাড়ে ৩.৫ শতাংশ।
♦এই অর্থবর্ষে ৪০ কোটি জিএসটি রিটার্ন ফাইল হয়েছে।
♦জিএসটি কাউন্সিল আরও সক্রিয় হয়েছে। গত বছর ১৬ লক্ষ নতুন করপ্রদানকারী যুক্ত হয়েছেন।
👍1