| ঘাতক |
ওল্ড মংক তো প্রচুর খেয়েছেন কিন্তু কাঁচা রাম খেয়ে কাচের গ্লাসটা চিবিয়ে গুঁড়ো গুঁড়ো করে রাম দিয়ে গিলে খেয়েছেন কখনো?
ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্যারা স্পেশাল ফোর্স বা ঘাতকদের পাঁচ সপ্তাহের অমানবিক ট্রেনিং শেষে মেরুন টুপি (maroon beret) ও বলিদান ব্যাজ অফ অনার (Badge of Honour) অর্জন করতে হয় একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। উতকৃষ্ট ওল্ড মংক রাম নিট ঢালা।হয় স্বচ্ছ নতুন কাঁচের গ্লাসে। রামটা এক ঢোকে খেয়ে তারপর নারকেল বা বাদামপাটালি দাঁত দিয়ে ভেঙে খাওয়ার মতো করে কাচটা চিবিয়ে গুঁড়ো গুঁড়ো করে খেয়ে ফেলতে হয়। আপনারা জানেন কাচ গুঁড়ো হলে সেটা বালি হয়ে যায় কিন্তু ঠিকভাবে না চিবোলে রক্তে মিশে যেতে পারে, অন্ত্রে ক্ষত হতে পারে এমন কী Peritonitis আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও হতে পারে। তাই ট্রেনিং এ সাপ, ব্যাং সহ সব ধরনের পোকামাকড়, পশুপাখি খাওয়ার সাথে সাথে কাচ ও লোহা খাওয়াও শেখানো হয়৷ রাম খাওয়া শেষ হলে হাততালিতে ফেটে পরে আশপাশ। ছেলে বড় হয়ে গেছে।বলিদান ব্যাজ পাওয়ার যোগ্য এবার সে। শেষ অবধি লড়ে দেশের জন্য বলিদান দেওয়ার যোগ্য সে।
আমাদের সেনার যা ক্ষমতা, যা সম্পদ আর যে ধরনের সৈনিক আছে তার মাত্র ০.০০০১% সাধারণ মানুষ দেখতে পারে, জানতে পারে। দাবা খেলার মতো রাজনৈতিক চাল চালতে দেয় এরা রাজনীতির রাজা-উজিরকে, সমালোচনা করতে দেয় বিরোধীকে, সেনাকে গাল দিতে দেয় বিপ্লবীকে। নিজেরা কিন্তু চুপচাপ নিজেদের কাজটা করে যায়। প্যারা কম্যান্ডোরা যেমন। দেখতে পারবেন না। ছায়ার মতো মৃত্যু নামিয়ে আনবে। জানতে পারবেন না কিন্তু শত্রুর পরাজয়ের খবর পাবেন। হয়তো বলিদানের ও।
পাঁচ সপ্তাহের একটা নৃশংসতা চলে ট্রেনিংয়ের নামে। শরীরের বিভিন্ন অংশকে বাধ্য করা হয় নানা ধরনের পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্যে। অমানষিক নির্যাতন চলে, অন্ধকার ঘরে হিংস্র জন্তুর সাথে রেখে দেওয়া হয়, ড্রেনে ডুব দিয়ে উঠে এসেই ব্রেকফাস্ট খেতে হয়, টানা ৫০কিলোমিটার ৫০কেজির বালির বস্তা নিয়ে হাঁটতে হয়, পদে পদে অপমান, শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার সমস্ত চেষ্টা হয়। এই সবটাই হয় প্যারা কম্যান্ডোদের দানবে রুপান্তরিত করতে। সমস্তটাই হয় যদি শত্রু দেশে ধরা পরে যায় পৃথিবীর সমস্ত রকম টর্চার সহ্য করতে।
লাদাখে বা কাশ্মিরে এই ঘাতকবাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়। হ্যাঁ দুই ডজন সেনা-সতীর্থ নিহত হলেও এরা বসে থাকে৷ কারণ এরা ময়দানে নামলে সেটাকে Hell March বলা হয়। কচুকাটা করার জন্য, নৃশংসভাবে শত্রুকে মারার জন্যে এদের এগিয়ে দেওয়া হয়। সার্জিকাল স্ট্রাইক এই ঘাতকবাহিনী করেছিল। আরো একাধিক অপারেশন যেটা নিয়ে প্রকাশ্যে লেখা যায় না।
ইদানীং সেনাকে খিস্তি করলে বেশী নম্বর পাওয়া যায়! এই প্রবনতাকে যে রাজনৈতিক নেতারা আস্কারা দেয় তারাই হয়তো দেশকে খিস্তি করাকে ভাবে শাসক বিরোধিতা। একশোবার সমালোচনা শাসকের হোক। কিন্তু সৈন্যের না। দেশটা কোন শাসকের বাবার না যে সেনা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। তাদেরই অধিকার আছে এদের অভিবাদন জানানোর। এই দেশটা ভারতীয়দের আর সেটা নিয়ে বড়াই করার, দেশকে যারা সুরক্ষিত রাখছে তাদের নিয়ে বড়াই করার অধিকার সব্বার আছে।
ভয় পাবেন না ছবিটা Representational। হঠাৎ করে ভাইরাল হয়েছে ওয়ালপেপার হিসেবে। তবে স্পেশাল কম্যান্ডোরা এর চেয়েও ভয়াবহ, রুদ্ররুপী হয়। আমরা বাস্তবজীবনের স্পেশাল ফোর্স এর কম্যান্ডোদের দেখতে পাইনা, গল্প ও বলিনা সেরকম, এদের নিয়ে লেখালেখি করলে তাত্ত্বিকও হওয়া যায় না কিন্তু আজ ছুটির দিনে মনে হলো লিখি, এদেরকেও উদযাপন করা জরুরি। মহেন্দ্র সিং ধোনির গ্লাভসে ও দেখবেন ওই বলিদান ব্যাজ থাকতো। আমার মতো অনেকেই আছে যারা শিহরিত হয় স্পেশাল ফোর্স বা ঘাতকবাহিনীর বীরগাথা শুনে।
হাত তুলুন কারা কারা এই প্যারা কম্যান্ডোদের সামনে দাঁড়িয়ে 'ভারত তেরে টুকরে হোংগে' বলতে চান? হাত তুলুন কারা শিলিগুড়ি করিডর দখল করে উত্তর পূর্ব ভারতকে মূল ভূখন্ড থেকে আলাদা করে দিতে চান? এরা থাকতে বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী।
#collected
ওল্ড মংক তো প্রচুর খেয়েছেন কিন্তু কাঁচা রাম খেয়ে কাচের গ্লাসটা চিবিয়ে গুঁড়ো গুঁড়ো করে রাম দিয়ে গিলে খেয়েছেন কখনো?
ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্যারা স্পেশাল ফোর্স বা ঘাতকদের পাঁচ সপ্তাহের অমানবিক ট্রেনিং শেষে মেরুন টুপি (maroon beret) ও বলিদান ব্যাজ অফ অনার (Badge of Honour) অর্জন করতে হয় একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। উতকৃষ্ট ওল্ড মংক রাম নিট ঢালা।হয় স্বচ্ছ নতুন কাঁচের গ্লাসে। রামটা এক ঢোকে খেয়ে তারপর নারকেল বা বাদামপাটালি দাঁত দিয়ে ভেঙে খাওয়ার মতো করে কাচটা চিবিয়ে গুঁড়ো গুঁড়ো করে খেয়ে ফেলতে হয়। আপনারা জানেন কাচ গুঁড়ো হলে সেটা বালি হয়ে যায় কিন্তু ঠিকভাবে না চিবোলে রক্তে মিশে যেতে পারে, অন্ত্রে ক্ষত হতে পারে এমন কী Peritonitis আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও হতে পারে। তাই ট্রেনিং এ সাপ, ব্যাং সহ সব ধরনের পোকামাকড়, পশুপাখি খাওয়ার সাথে সাথে কাচ ও লোহা খাওয়াও শেখানো হয়৷ রাম খাওয়া শেষ হলে হাততালিতে ফেটে পরে আশপাশ। ছেলে বড় হয়ে গেছে।বলিদান ব্যাজ পাওয়ার যোগ্য এবার সে। শেষ অবধি লড়ে দেশের জন্য বলিদান দেওয়ার যোগ্য সে।
আমাদের সেনার যা ক্ষমতা, যা সম্পদ আর যে ধরনের সৈনিক আছে তার মাত্র ০.০০০১% সাধারণ মানুষ দেখতে পারে, জানতে পারে। দাবা খেলার মতো রাজনৈতিক চাল চালতে দেয় এরা রাজনীতির রাজা-উজিরকে, সমালোচনা করতে দেয় বিরোধীকে, সেনাকে গাল দিতে দেয় বিপ্লবীকে। নিজেরা কিন্তু চুপচাপ নিজেদের কাজটা করে যায়। প্যারা কম্যান্ডোরা যেমন। দেখতে পারবেন না। ছায়ার মতো মৃত্যু নামিয়ে আনবে। জানতে পারবেন না কিন্তু শত্রুর পরাজয়ের খবর পাবেন। হয়তো বলিদানের ও।
পাঁচ সপ্তাহের একটা নৃশংসতা চলে ট্রেনিংয়ের নামে। শরীরের বিভিন্ন অংশকে বাধ্য করা হয় নানা ধরনের পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্যে। অমানষিক নির্যাতন চলে, অন্ধকার ঘরে হিংস্র জন্তুর সাথে রেখে দেওয়া হয়, ড্রেনে ডুব দিয়ে উঠে এসেই ব্রেকফাস্ট খেতে হয়, টানা ৫০কিলোমিটার ৫০কেজির বালির বস্তা নিয়ে হাঁটতে হয়, পদে পদে অপমান, শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার সমস্ত চেষ্টা হয়। এই সবটাই হয় প্যারা কম্যান্ডোদের দানবে রুপান্তরিত করতে। সমস্তটাই হয় যদি শত্রু দেশে ধরা পরে যায় পৃথিবীর সমস্ত রকম টর্চার সহ্য করতে।
লাদাখে বা কাশ্মিরে এই ঘাতকবাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়। হ্যাঁ দুই ডজন সেনা-সতীর্থ নিহত হলেও এরা বসে থাকে৷ কারণ এরা ময়দানে নামলে সেটাকে Hell March বলা হয়। কচুকাটা করার জন্য, নৃশংসভাবে শত্রুকে মারার জন্যে এদের এগিয়ে দেওয়া হয়। সার্জিকাল স্ট্রাইক এই ঘাতকবাহিনী করেছিল। আরো একাধিক অপারেশন যেটা নিয়ে প্রকাশ্যে লেখা যায় না।
ইদানীং সেনাকে খিস্তি করলে বেশী নম্বর পাওয়া যায়! এই প্রবনতাকে যে রাজনৈতিক নেতারা আস্কারা দেয় তারাই হয়তো দেশকে খিস্তি করাকে ভাবে শাসক বিরোধিতা। একশোবার সমালোচনা শাসকের হোক। কিন্তু সৈন্যের না। দেশটা কোন শাসকের বাবার না যে সেনা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। তাদেরই অধিকার আছে এদের অভিবাদন জানানোর। এই দেশটা ভারতীয়দের আর সেটা নিয়ে বড়াই করার, দেশকে যারা সুরক্ষিত রাখছে তাদের নিয়ে বড়াই করার অধিকার সব্বার আছে।
ভয় পাবেন না ছবিটা Representational। হঠাৎ করে ভাইরাল হয়েছে ওয়ালপেপার হিসেবে। তবে স্পেশাল কম্যান্ডোরা এর চেয়েও ভয়াবহ, রুদ্ররুপী হয়। আমরা বাস্তবজীবনের স্পেশাল ফোর্স এর কম্যান্ডোদের দেখতে পাইনা, গল্প ও বলিনা সেরকম, এদের নিয়ে লেখালেখি করলে তাত্ত্বিকও হওয়া যায় না কিন্তু আজ ছুটির দিনে মনে হলো লিখি, এদেরকেও উদযাপন করা জরুরি। মহেন্দ্র সিং ধোনির গ্লাভসে ও দেখবেন ওই বলিদান ব্যাজ থাকতো। আমার মতো অনেকেই আছে যারা শিহরিত হয় স্পেশাল ফোর্স বা ঘাতকবাহিনীর বীরগাথা শুনে।
হাত তুলুন কারা কারা এই প্যারা কম্যান্ডোদের সামনে দাঁড়িয়ে 'ভারত তেরে টুকরে হোংগে' বলতে চান? হাত তুলুন কারা শিলিগুড়ি করিডর দখল করে উত্তর পূর্ব ভারতকে মূল ভূখন্ড থেকে আলাদা করে দিতে চান? এরা থাকতে বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী।
#collected
কোন অর্থনীতিবিদকে অর্থবিজ্ঞানের জনক বলা হয় -
A. অ্যাডাম স্মিথ B. পল স্যামুয়েল C. রিকার্ডো D. কোনো টিই না
A. অ্যাডাম স্মিথ B. পল স্যামুয়েল C. রিকার্ডো D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
88%
A
8%
B
4%
C
1%
D
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কে অনুমোদন করেন?
A. অর্থমন্ত্রী
B. রাষ্ট্রপতি C. প্রধানমন্ত্রী D. পরিকল্পনা কমিশন
A. অর্থমন্ত্রী
B. রাষ্ট্রপতি C. প্রধানমন্ত্রী D. পরিকল্পনা কমিশন
Anonymous Quiz
16%
A
20%
B
27%
C
37%
D
ভারতের শ্রমশক্তির মধ্যে শতকরা কতভাগ স্ত্রী লোক?
A. 38% B. 25% C. 35% D. 20%
A. 38% B. 25% C. 35% D. 20%
Anonymous Quiz
18%
A
31%
B
35%
C
16%
D
আধুনিক ভারতের বৃহত্তম শিল্প কোনটি?
A. রাসায়নিক শিল্প B. বস্ত্র শিল্প C. চিনি শিল্প D. কোনো টিই না
A. রাসায়নিক শিল্প B. বস্ত্র শিল্প C. চিনি শিল্প D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
37%
A
53%
B
7%
C
3%
D
ভারতীয় অর্থনীতিতে কোনদেশ বেশি বিনিয়োগ করে?
A. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
B. রাশিয়া C. ব্রিটেন D. জাপান
A. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
B. রাশিয়া C. ব্রিটেন D. জাপান
Anonymous Quiz
66%
A
19%
B
8%
C
7%
D
ভারতে কবে প্রথম ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়?
A. 1806 সালে B. 1835 সালে C. 1825 সালে D. কোনো টিই না
A. 1806 সালে B. 1835 সালে C. 1825 সালে D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
25%
A
56%
B
16%
C
3%
D
কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড ' স্থাপিত হয় -
A. 1971 সালে B. 1977 সালে C. 1975 সালে D. 1978 সালে
A. 1971 সালে B. 1977 সালে C. 1975 সালে D. 1978 সালে
Anonymous Quiz
27%
A
26%
B
33%
C
14%
D
দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের কাজে কোন ঋন ব্যবহার করা হয়?
A. ব্রিটিশ ঋন B. মার্কিন ঋন C. বিশ্ব ব্যাংকের ঋন D. কোনো টিই না
A. ব্রিটিশ ঋন B. মার্কিন ঋন C. বিশ্ব ব্যাংকের ঋন D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
19%
A
25%
B
53%
C
3%
D
সেন্টার অব ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়ন ' কবে স্থাপিত হয়?
A. 1925 সালে B. 1970 সালে C. 1961 সালে D. 1975 সালে
A. 1925 সালে B. 1970 সালে C. 1961 সালে D. 1975 সালে
Anonymous Quiz
27%
A
33%
B
30%
C
9%
D
ফেরা (FERA ) হল -
A. বৈদেশিক প্রতিরক্ষা আইন B. বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন C. শিল্প উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন D. কোনো টিই না
A. বৈদেশিক প্রতিরক্ষা আইন B. বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন C. শিল্প উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
15%
A
53%
B
27%
C
4%
D
প্রথম বাংলা চলচ্চিত্রের নাম কী?
A. কৃষ্ণার্জুন B. বিল্বমঙ্গল C. কপালকুন্ডলা D. কোনো টিই না
A. কৃষ্ণার্জুন B. বিল্বমঙ্গল C. কপালকুন্ডলা D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
9%
A
43%
B
38%
C
10%
D
বাংলা তে প্রথম চলচ্চিত্রের নির্মাণ করেছিলেন -
A. সত্যজিত রায়
B. হিমাংশু রায় C. জে এফ ম্যাডন D. হীরালাল সেন
A. সত্যজিত রায়
B. হিমাংশু রায় C. জে এফ ম্যাডন D. হীরালাল সেন
Anonymous Quiz
55%
A
8%
B
15%
C
21%
D
⚡1
প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রস্তুত কারকের নাম কী?
A. হরিশ্চন্দ্র সখারাম
B. ভীম রাও C. ভগৎ রাম D. কোনো টিই না
A. হরিশ্চন্দ্র সখারাম
B. ভীম রাও C. ভগৎ রাম D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
59%
A
27%
B
10%
C
5%
D
কোনটি প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র?
A. পদ্মপুরান B. রাজা হরিশ্চন্দ্র C. কপালকুন্ডলা D. কোনো টিই না
A. পদ্মপুরান B. রাজা হরিশ্চন্দ্র C. কপালকুন্ডলা D. কোনো টিই না
Anonymous Quiz
8%
A
74%
B
16%
C
2%
D
ভারতে তৈরি প্রথম ইংরেজি ছবি -
A. মি .ইন্ডিয়া B. দি এলিফ্যান্ট C. মাদার ইন্ডিয়া D. নূরজাহান
A. মি .ইন্ডিয়া B. দি এলিফ্যান্ট C. মাদার ইন্ডিয়া D. নূরজাহান
Anonymous Quiz
19%
A
22%
B
41%
C
18%
D
ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক কাকে বলা হয়?
A. দিলীপ কুমার B. দাদা সাহেব ফালকে C. বায়ু কারিয়াট D. পঙ্কজকুমার
A. দিলীপ কুমার B. দাদা সাহেব ফালকে C. বায়ু কারিয়াট D. পঙ্কজকুমার
Anonymous Quiz
8%
A
84%
B
4%
C
4%
D
কে প্রথম ভারতীয় ছবি রপ্তানি করেন?
A. ওয়াদিয়া B. এস আর রাজন C. ফালকে D. জয়রাজ
A. ওয়াদিয়া B. এস আর রাজন C. ফালকে D. জয়রাজ
Anonymous Quiz
14%
A
31%
B
49%
C
6%
D