দক্ষিণ কোরিয়ার POSTECH বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি নিকেল-ভিত্তিক হাই-এন্ট্রপি অ্যালয় (HEA) তৈরি করেছেন, যা -১৯৬°C থেকে ৬০০°C পর্যন্ত তাপমাত্রায়ও নিজের দৃঢ়তা ও নমনীয়তা বজায় রাখতে সক্ষম। প্রচলিত ধাতব পদার্থগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট একটি তাপমাত্রার সীমার মধ্যে ভাল কাজ করে; তার বাইরে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। কিন্তু এই নতুন ধাতব মিশ্রণটি তাপমাত্রা পরিবর্তন হলেও নিজের গুণগত মান হারায় না।
এর পেছনের মূল প্রযুক্তি হলো অ্যালয়ের ভেতরে থাকা এক ধরনের ন্যানো-আকারের L1₂ প্রিসিপিটেট, যা ধাতুটিকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করে তোলে। এই নতুন ধাতবটির নাম দেওয়া হয়েছে “হাইপারঅ্যাডাপ্টর”, যা এমন শিল্পখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে যেখানে চরম তাপমাত্রায় কাজ করতে হয়—যেমন মহাকাশযান, গাড়ির এক্সহস্ট সিস্টেম, বিদ্যুৎকেন্দ্রের টারবাইন এবং তেল-গ্যাসের পাইপলাইন।
এই খাতগুলোতে তাপমাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়, তাই সেখানে তাপমাত্রা-সহনশীল ও টেকসই ধাতুর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। গবেষণা দলের প্রধান অধ্যাপক হিউং সিওপ কিম জানান, এই আবিষ্কার প্রচলিত সংকর ধাতুগুলোর সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করেছে।
এর পেছনের মূল প্রযুক্তি হলো অ্যালয়ের ভেতরে থাকা এক ধরনের ন্যানো-আকারের L1₂ প্রিসিপিটেট, যা ধাতুটিকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করে তোলে। এই নতুন ধাতবটির নাম দেওয়া হয়েছে “হাইপারঅ্যাডাপ্টর”, যা এমন শিল্পখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে যেখানে চরম তাপমাত্রায় কাজ করতে হয়—যেমন মহাকাশযান, গাড়ির এক্সহস্ট সিস্টেম, বিদ্যুৎকেন্দ্রের টারবাইন এবং তেল-গ্যাসের পাইপলাইন।
এই খাতগুলোতে তাপমাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়, তাই সেখানে তাপমাত্রা-সহনশীল ও টেকসই ধাতুর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। গবেষণা দলের প্রধান অধ্যাপক হিউং সিওপ কিম জানান, এই আবিষ্কার প্রচলিত সংকর ধাতুগুলোর সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করেছে।
🤯7👍2😱2❤1💯1
আপনি কি বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পনার জগতে ডুব দিতে ভালোবাসেন?
তাহলে সুযোগটি আপনার জন্যই!
আদর্শ x Science Bee নিয়ে এসেছে ‘সায়েন্স ফিকশন কনটেস্ট’ —
৩০০-১৫০০ শব্দের একটি মৌলিক সায়েন্স ফিকশন গল্প লিখুন, জিতুন আকর্ষণীয় গিফট ভাউচার, ই-সার্টিফিকেট, আর সরাসরি অংশ নিন আদর্শ অফিসে বিশেষ আড্ডায়!
লিখা জমা দিন: ১৯-২৫ মে | ফলাফল ঘোষণা: ৫ জুন
#adarsha_science_bee হ্যাশট্যাগ দিতে ভুলবেন না।
আপনার কল্পনাই হতে পারে ভবিষ্যতের বিজ্ঞানকে ছুঁয়ে ফেলার শুরু!
লেখককে অবশ্যই ‘আদর্শ পাঠক’ এবং ‘Science Bee’ এই দুটি গ্রুপেই সদস্য হতে হবে।
গ্রুপ লিংক:
“আদর্শ পাঠক”: www.facebook.com/groups/AdarshaReaders
Science Bee: https://www.facebook.com/groups/sciencebeegroup
এখনই অংশ নিন!
তাহলে সুযোগটি আপনার জন্যই!
আদর্শ x Science Bee নিয়ে এসেছে ‘সায়েন্স ফিকশন কনটেস্ট’ —
৩০০-১৫০০ শব্দের একটি মৌলিক সায়েন্স ফিকশন গল্প লিখুন, জিতুন আকর্ষণীয় গিফট ভাউচার, ই-সার্টিফিকেট, আর সরাসরি অংশ নিন আদর্শ অফিসে বিশেষ আড্ডায়!
লিখা জমা দিন: ১৯-২৫ মে | ফলাফল ঘোষণা: ৫ জুন
#adarsha_science_bee হ্যাশট্যাগ দিতে ভুলবেন না।
আপনার কল্পনাই হতে পারে ভবিষ্যতের বিজ্ঞানকে ছুঁয়ে ফেলার শুরু!
লেখককে অবশ্যই ‘আদর্শ পাঠক’ এবং ‘Science Bee’ এই দুটি গ্রুপেই সদস্য হতে হবে।
গ্রুপ লিংক:
“আদর্শ পাঠক”: www.facebook.com/groups/AdarshaReaders
Science Bee: https://www.facebook.com/groups/sciencebeegroup
এখনই অংশ নিন!
👍6❤1
Science Bee TG
তুমি কি বিজ্ঞানপ্রেমী? তোমার কল্পনার ডানায় কি সায়েন্স ফিকশন জন্ম নেয়? তুমি কি কল্পনা করো একদিন স্পেসশিপে করে ঘুরে বেড়াবে ছায়াপথে? কিংবা টাইম ট্রাভেল করে সকল প্যারাডক্সের জট খুলে ফেলবে? না কি ইন্টারস্টেলারের মতো তুমিও বাস্তববাদী? ক্রিস্টোফার নোলানের মতো তোমার…
আপনাদের ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনার ফলে মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যেই গল্প জমা পড়েছে ১০০ এরও বেশি। আপনাদের আগ্রহের বিত্তিতে কনটেস্ট এর সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে আরো ৩ দিন৷ যারা এখনও লেখা জমা দেননি কিংবা নতুন গল্প জমা দিতে চান তারা এখনই লিখে ফেলুন! 😀 বিস্তারিত নিয়মাবলী প্রথম কমেন্টে!
❤2
বর্তমান যুগে টয়লেটে বসেও মোবাইল ফোন ব্যবহার যেন আমাদের কাছে স্বাভাবিক বিষয় হয়ে উঠলেও সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই অভ্যাস আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। সান ডিয়েগোতে অনুষ্ঠিত ডাইজেস্টিভ ডিজিজেস উইক ২০২৫ সম্মেলনে প্রদর্শিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা টয়লেটে ফোন ব্যবহার করেন, তাদের হেমোরয়েড হওয়ার ঝুঁকি ৪৬ শতাংশ বেশি।
গবেষণায় অংশ নেওয়া ১২৫ জন উপসর্গবিহীন ব্যক্তির মধ্যে ৯৩ শতাংশ স্বীকার করেছেন যে তারা সপ্তাহে অন্তত একবার টয়লেটে ফোন ব্যবহার করেন। এর মধ্যে অনেকে খবর পড়েন, কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন আবার কেউ মেসেজিং বা ইমেইল করেন। এই কারণে অনেকেই গড়ে ছয় মিনিট বা তারও বেশি সময় টয়লেটে কাটান, যা শরীরের নিচের অংশে চাপ তৈরি করে এবং এতে রক্তনালীগুলো ফুলে উঠে হেমোরয়েড হওয়ার পথ সহজ করে দেয়। হেমোরয়েড হলে মলদ্বারে ব্যাথা, চুলকানি, এমনকি রক্তপাতও হতে পারে।
যদিও অংশগ্রহণকারীদের বয়স, লিঙ্গ, শরীরের ওজন, ব্যায়াম বা খাদ্যাভ্যাসের তেমন প্রভাব দেখা যায়নি, তবুও ফোন ব্যবহারের সময়কালকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গবেষণায় অংশ নেওয়া ১২৫ জন উপসর্গবিহীন ব্যক্তির মধ্যে ৯৩ শতাংশ স্বীকার করেছেন যে তারা সপ্তাহে অন্তত একবার টয়লেটে ফোন ব্যবহার করেন। এর মধ্যে অনেকে খবর পড়েন, কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন আবার কেউ মেসেজিং বা ইমেইল করেন। এই কারণে অনেকেই গড়ে ছয় মিনিট বা তারও বেশি সময় টয়লেটে কাটান, যা শরীরের নিচের অংশে চাপ তৈরি করে এবং এতে রক্তনালীগুলো ফুলে উঠে হেমোরয়েড হওয়ার পথ সহজ করে দেয়। হেমোরয়েড হলে মলদ্বারে ব্যাথা, চুলকানি, এমনকি রক্তপাতও হতে পারে।
যদিও অংশগ্রহণকারীদের বয়স, লিঙ্গ, শরীরের ওজন, ব্যায়াম বা খাদ্যাভ্যাসের তেমন প্রভাব দেখা যায়নি, তবুও ফোন ব্যবহারের সময়কালকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
👍14🤣10🙏2😢1
ঘুম ছাড়া কি চলে? কিন্তু তবুও আমরা ফোন, কাজ বা মজার কিছু দেখে রাত কাটিয়ে দেই। জানেন কি, মাত্র এক রাত না ঘুমালেই শরীরে এমন পরিবর্তন হয় যা আপনাকে বড় অসুখের দিকে ঠেলে দিতে পারে?
একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টা ঘুমের অভাব আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বড় ক্ষতি করতে পারে। কুয়েতের দাসমান ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২৩৭ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ঘুমের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, মোটা ব্যক্তিদের ঘুমের মান খারাপ এবং তাদের দেহে সামান্য প্রদাহ (inflammation) থাকে। তাদের রক্তে 'নন-ক্লাসিকাল মনোসাইট' নামে একধরনের শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বেশি থাকে, যা প্রদাহ বাড়ায়। পরীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র এক রাত না ঘুমালেই স্বাস্থ্যকর মানুষের রক্তেও এই কণিকার বৃদ্ধি ঘটে, যা স্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
গবেষকরা বলছেন, আধুনিক জীবনে প্রযুক্তি, রাত জাগার অভ্যাস এবং সামাজিক পরিবর্তনের ফলে আমাদের ঘুমের সময় কমে যাচ্ছে।
একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টা ঘুমের অভাব আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বড় ক্ষতি করতে পারে। কুয়েতের দাসমান ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ২৩৭ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ঘুমের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, মোটা ব্যক্তিদের ঘুমের মান খারাপ এবং তাদের দেহে সামান্য প্রদাহ (inflammation) থাকে। তাদের রক্তে 'নন-ক্লাসিকাল মনোসাইট' নামে একধরনের শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বেশি থাকে, যা প্রদাহ বাড়ায়। পরীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র এক রাত না ঘুমালেই স্বাস্থ্যকর মানুষের রক্তেও এই কণিকার বৃদ্ধি ঘটে, যা স্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও হার্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
গবেষকরা বলছেন, আধুনিক জীবনে প্রযুক্তি, রাত জাগার অভ্যাস এবং সামাজিক পরিবর্তনের ফলে আমাদের ঘুমের সময় কমে যাচ্ছে।
👍9😢2💯1
আমরা সবাই লক্ষ্য করেছি—ছেলেরা সাধারণত মেয়েদের চেয়ে একটু বেশি লম্বা হয়। কিন্তু এই পার্থক্যের আসল কারণটা কী? শুধু হরমোন বা খাবারের ব্যাপার, নাকি আরও কিছু লুকিয়ে আছে শরীরের ভেতরে?
সম্প্রতি এক দল বিজ্ঞানী এর চমৎকার এক ব্যাখ্যা খুঁজে পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের গেইসিঞ্জার কলেজের গবেষকরা লক্ষাধিক মানুষের জেনেটিক তথ্য বিশ্লেষণ করে জানালেন—উচ্চতার এই পার্থক্যের পেছনে আছে একটি বিশেষ জিন, যার নাম SHOX।
এই SHOX জিনটি আমাদের X এবং Y ক্রোমোজোমে থাকে। পুরুষদের থাকে একটি X আর একটি Y ক্রোমোজোম। তাদের Y ক্রোমোজোমে থাকা SHOX জিনটা পুরোপুরি সক্রিয় থাকে, তাই তারা একটু বেশি লম্বা হয়। আর মেয়েদের দুইটি X ক্রোমোজোম থাকলেও, তাদের একটির কিছু অংশ প্রাকৃতিকভাবে “চুপ করে” থাকে—যার ফলে সেই SHOX জিনটা পুরো কাজ করতে পারে না। এই ছোট্ট জিনগত পার্থক্যই গড়ে দেয় লম্বার ব্যবধান—গড়ে ছেলেরা প্রায় ৩ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা হয় মেয়েদের চেয়ে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, উচ্চতা নির্ধারণে অবশ্যই হরমোন, পুষ্টি ও পরিবেশের ভূমিকা আছে। তবে এই SHOX জিন একাই প্রায় ২২ শতাংশ পার্থক্যের জন্য দায়ী!
সম্প্রতি এক দল বিজ্ঞানী এর চমৎকার এক ব্যাখ্যা খুঁজে পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের গেইসিঞ্জার কলেজের গবেষকরা লক্ষাধিক মানুষের জেনেটিক তথ্য বিশ্লেষণ করে জানালেন—উচ্চতার এই পার্থক্যের পেছনে আছে একটি বিশেষ জিন, যার নাম SHOX।
এই SHOX জিনটি আমাদের X এবং Y ক্রোমোজোমে থাকে। পুরুষদের থাকে একটি X আর একটি Y ক্রোমোজোম। তাদের Y ক্রোমোজোমে থাকা SHOX জিনটা পুরোপুরি সক্রিয় থাকে, তাই তারা একটু বেশি লম্বা হয়। আর মেয়েদের দুইটি X ক্রোমোজোম থাকলেও, তাদের একটির কিছু অংশ প্রাকৃতিকভাবে “চুপ করে” থাকে—যার ফলে সেই SHOX জিনটা পুরো কাজ করতে পারে না। এই ছোট্ট জিনগত পার্থক্যই গড়ে দেয় লম্বার ব্যবধান—গড়ে ছেলেরা প্রায় ৩ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা হয় মেয়েদের চেয়ে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, উচ্চতা নির্ধারণে অবশ্যই হরমোন, পুষ্টি ও পরিবেশের ভূমিকা আছে। তবে এই SHOX জিন একাই প্রায় ২২ শতাংশ পার্থক্যের জন্য দায়ী!
👌9❤6🤔2
Happy Birthday to Science Bee
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤20
সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো এর এক গবেষক দলের আবিষ্কৃত পেসমেকার চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেছে। এই পেসমেকার সিলিকন মেমব্রেন দ্বারা গঠিত। যার ফলে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র পেসমেকার হিসেবে দাবি করছে গবেষকরা। এ পরীক্ষাটি ইঁদুর ও শুকরের হৃদপিন্ডে প্রতিস্থাপন করে করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে মানুষের হৃদপিন্ডেও এটি সফলভাবে কাজ করবে।
সাধারণত হৃদপিন্ডে পেসমেকার স্থাপনের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার এবং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন চিকিৎসকেরা। এতে অনেক সময় ঘটে থাকে দুর্ঘটনা। প্রচলিত পেসমেকার ব্যবহার করে হৃদপিন্ডের সংবেদনশীল টিস্যু কখনো কখনো নষ্ট হওয়ারও ঝুঁকি থাকে। নতুন আবিষ্কৃত পেসমেকারে সে ঝুঁকি নেই। নতুন আবিষ্কৃত পেসমেকারটি আলোকে জৈব বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে হৃদপিন্ডের নির্দিষ্ট অংশে কাজ করে থাকে। এই পেসমেকারটি একটি পরিধেয় ডিভাইস সাথে যুক্ত থাকে। যখনই এটি অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন টের পায় তখনই এটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে পেসমেকারটিকে চালু করে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। হৃদরোগ নিয়ে জন্মানো নবজাতক শিশুদের হৃদপিন্ডে পেসমেকার স্থাপনের প্রয়োজন হয় যা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন পেসমেকার সেই ঝুঁকির সম্ভাবনা দূর করবে।
সাধারণত হৃদপিন্ডে পেসমেকার স্থাপনের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার এবং হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন চিকিৎসকেরা। এতে অনেক সময় ঘটে থাকে দুর্ঘটনা। প্রচলিত পেসমেকার ব্যবহার করে হৃদপিন্ডের সংবেদনশীল টিস্যু কখনো কখনো নষ্ট হওয়ারও ঝুঁকি থাকে। নতুন আবিষ্কৃত পেসমেকারে সে ঝুঁকি নেই। নতুন আবিষ্কৃত পেসমেকারটি আলোকে জৈব বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে হৃদপিন্ডের নির্দিষ্ট অংশে কাজ করে থাকে। এই পেসমেকারটি একটি পরিধেয় ডিভাইস সাথে যুক্ত থাকে। যখনই এটি অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন টের পায় তখনই এটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে পেসমেকারটিকে চালু করে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। হৃদরোগ নিয়ে জন্মানো নবজাতক শিশুদের হৃদপিন্ডে পেসমেকার স্থাপনের প্রয়োজন হয় যা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন পেসমেকার সেই ঝুঁকির সম্ভাবনা দূর করবে।
❤8😱1
জিনের বিরল ও নতুন এক মিউটেশনের ফলে এখন মাত্র চার থেকে ছয় ঘণ্টা ঘুমিয়েই কেউ কেউ একজন স্বাভাবিক মানুষের সমপরিমাণ বিশ্রাম নিতে পারেন। যেখানে আমাদের অধিকাংশ মানুষের প্রয়োজন পড়ে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম। এমন কিছু বিরল ভাগ্যবান মানুষকে বলা হয় “সুপার স্লিপার”, যাদের শরীরে SIK3-N783Y নামের একটি বিশেষ জেনেটিক মিউটেশন রয়েছে। এর ফলে তারা মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়েও সতেজ থাকতে পারেন। অথচ সাধারণ মানুষের জন্য কম ঘুম হওয়া ভুলে যাওয়া, মনোযোগের অভাব, মেজাজ খারাপ এমনকি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ঘুম আমাদের শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রম, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রয়োজনীয় ঘুমের পরিমাণ বয়সভেদে ভিন্ন হলেও সুপার স্লিপারদের তুলনায় আমাদের প্রয়োজন অনেক বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, উক্ত মিউটেশন সাধারণ মানুষের ঘুমের সময় গড়ে ৩১ মিনিট কমিয়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা এই মিউটেশন নিয়ে আরও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে Sleep Disorder বা ঘুমজনিত সমস্যার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।
Md Mahdin Al Abrar
Team Science Bee
ঘুম আমাদের শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রম, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রয়োজনীয় ঘুমের পরিমাণ বয়সভেদে ভিন্ন হলেও সুপার স্লিপারদের তুলনায় আমাদের প্রয়োজন অনেক বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, উক্ত মিউটেশন সাধারণ মানুষের ঘুমের সময় গড়ে ৩১ মিনিট কমিয়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা এই মিউটেশন নিয়ে আরও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে Sleep Disorder বা ঘুমজনিত সমস্যার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।
Md Mahdin Al Abrar
Team Science Bee
😴6🔥4💯1
আজ সায়েন্স বী'র জন্মদিন। ২০১৮ সালের আজকের এই দিনে যাত্রা শুরু হয় আমাদের। এর পর বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে আপনাদের ভালোবাসায় ৭টি বছর অতিক্রম করে ফেললাম আমরা।
এই পথচলায় আমরা যেমন তৈরি করেছি দেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান ওয়েবসাইট, তেমনি আমাদের হাত ধরেই এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান মিম গ্রুপ এই পোস্টে বিজ্ঞান কই? বর্তমানে ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম মিলিয়ে ২০ লাখের বড় পরিবার আমাদের৷ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননাও ঢুকেছে আমাদের ঝুলিতে৷ এর সবকিছুর পিছনেই আছেই নিরলস ভাবে কাজ করে যাওয়া আমাদের টিম মেম্বার এবং আপনাদের সকলের ভালোবাসা৷ ধন্যবাদ সবাইকে!
এই পথচলায় আমরা যেমন তৈরি করেছি দেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান ওয়েবসাইট, তেমনি আমাদের হাত ধরেই এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান মিম গ্রুপ এই পোস্টে বিজ্ঞান কই? বর্তমানে ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম মিলিয়ে ২০ লাখের বড় পরিবার আমাদের৷ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননাও ঢুকেছে আমাদের ঝুলিতে৷ এর সবকিছুর পিছনেই আছেই নিরলস ভাবে কাজ করে যাওয়া আমাদের টিম মেম্বার এবং আপনাদের সকলের ভালোবাসা৷ ধন্যবাদ সবাইকে!
❤35🤩6🤝1
আর্কিমিডিসের বিখ্যাত "ইউরেকা!" মুহূর্তটি মনে আছে? তিনি স্নান করার সময় হঠাৎই প্লবতার নীতি আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন। আমরাও প্রায় এমন ঘটনার মুখোমুখি হয়ে থাকি যখন কোনো সমস্যার জট হাজার চিন্তা-ভাবনা করার পরও খুলে না। আবার হঠাৎ করেই কোনো সমস্যার সমাধান সামনে চলে আসে ভাবনা ছাড়াই। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে এসব হঠাৎ সমস্যা সমাধানের মুহূর্তে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
জার্মানির ডিউক ইউনিভার্সিটি এবং হামবোল্ট এন্ড হামবার্গ ইউনিভার্সিটির গবেষকদল তাদের সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল থেকে জানিয়েছেন যে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া এমন সমাধান মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। তারা একদল ব্যক্তিকে কিছু পাজল বা ধাঁধা সমাধান করতে দেন। এসময় তারা ওই ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের কর্মকাণ্ড রেকর্ড করেন ফাংশনাল মেমোরি রেজোনেন্স ইমেজিং (fMRI) পদ্ধতির মাধ্যমে। পরীক্ষার পর দেখা যায় যেসব ব্যক্তি হঠাৎ করে সমস্যার সমাধান করতে পেরেছেন তারা অন্যদের অর্থাৎ যারা অনেক চিন্তা-ভাবনা ও প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করেছেন তাদের তুলনায় সমাধানটি বেশি সময় মনে রাখতে পেরেছেন।
পুরো লেখাটি আমাদের সাইন্স বি পেজে
জার্মানির ডিউক ইউনিভার্সিটি এবং হামবোল্ট এন্ড হামবার্গ ইউনিভার্সিটির গবেষকদল তাদের সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল থেকে জানিয়েছেন যে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া এমন সমাধান মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। তারা একদল ব্যক্তিকে কিছু পাজল বা ধাঁধা সমাধান করতে দেন। এসময় তারা ওই ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের কর্মকাণ্ড রেকর্ড করেন ফাংশনাল মেমোরি রেজোনেন্স ইমেজিং (fMRI) পদ্ধতির মাধ্যমে। পরীক্ষার পর দেখা যায় যেসব ব্যক্তি হঠাৎ করে সমস্যার সমাধান করতে পেরেছেন তারা অন্যদের অর্থাৎ যারা অনেক চিন্তা-ভাবনা ও প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করেছেন তাদের তুলনায় সমাধানটি বেশি সময় মনে রাখতে পেরেছেন।
পুরো লেখাটি আমাদের সাইন্স বি পেজে
❤10
মেয়েদের প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, উদ্যোক্তা-চর্চা এবং সামাজিক নেতৃত্বে দক্ষতা বাড়াতে অনুপ্রাণিত করার জন্য প্রথমবারের মত দেশে শুধু মেয়েদের নিয়ে দেশে আয়োজিত হচ্ছে Glory Girls Tech Fest 1.0, যেখানে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে প্রজেক্ট শোকেস, আইডিয়া প্রেজেন্টেশন এবং কুইজ এর মত প্রতিযোগিতা। যেখানে একক বা দলগতভাবে অংশ নিয়ে জিতে নিতে পারেন প্রাইজমানি, মেডেল এবং সার্টিফিকেট।
এই বিশেষ আয়োজনে সাপোর্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত।
রেজিষ্ট্রেশন করতে এবং বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন
https://www.ictolympiadbangladesh.com/events/2
এই বিশেষ আয়োজনে সাপোর্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত।
রেজিষ্ট্রেশন করতে এবং বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন
https://www.ictolympiadbangladesh.com/events/2
❤10🤣1
অবশেষে আমরা পেয়ে গেছি মে মাসে আমাদের কনটেন্ট রিসার্চ টিমের সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখা টিম মেম্বারদের। সায়েন্স বী এর অন্যতম পরিশ্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো “কনটেন্ট রিসার্চ টিম”। বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্য যাচাই-বাছাই করে সহজ ভাষায় সেগুলো মানুষের সামনে উপস্থাপন করাই এই টিমের মূল কাজ। পেইজের মাধ্যমে বিজ্ঞানের সর্বশেষ তথ্য প্রতিনিয়ত আপনাদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছে টিমটি। অন্যান্য ব্যাচের সফলতার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে চলছে চতুর্থ ব্যাচের কার্যক্রম। প্রায় পাঁচ শতাধিক আবেদনকারীর মধ্য থেকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত হয়েছে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ জন মেধাবী তরুণ-তরুণী। বর্তমানে তারা দুইটি টিমে ভাগ হয়ে কো-অর্ডিনেটর ও টিম লিডারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করছে। প্রথম মাসেই প্রায় ১৫০+ কনটেন্ট তৈরি করে তারা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।
টিমের প্রত্যেকেই ছিলেন সেরা, নিজেদের কাজগুলো সবাই পূরণ করেছেন দক্ষতার সাথে। কিন্তু সবাইকে ফিচার করা তো আর সম্ভব নয়। তাই অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পর মে মাসের সেরা হিসেবে আমরা নির্বাচিত করেছি ২ টিম থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জনকে। পাশাপাশি দুই দলের মধ্যে সেরা হয়েছে “Team Nova Spark”।
টিমের প্রত্যেকেই ছিলেন সেরা, নিজেদের কাজগুলো সবাই পূরণ করেছেন দক্ষতার সাথে। কিন্তু সবাইকে ফিচার করা তো আর সম্ভব নয়। তাই অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পর মে মাসের সেরা হিসেবে আমরা নির্বাচিত করেছি ২ টিম থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জনকে। পাশাপাশি দুই দলের মধ্যে সেরা হয়েছে “Team Nova Spark”।