- হৃদয়স্পর্শী বাণী - ১৪
• আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রহ:) বলেন, "যে ব্যক্তি জানতে পসন্দ করে যে সে আল্লাহকে ভালোবাসে কি না, তাহলে তার লক্ষ্য করা উচিত যে, যদি সে কুরআনকে ভালোবাসে তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল তাকে ভালোবাসবেন।" — কিতাবু মিন আখবারিস সালাফিছ ছালিহ, পৃ. ১৮০
• ইয়াহইয়া ইবনু মু'আয (রহ:) বলেন, "সরিষার দানা সমপরিমাণ ভালোবাসা আমার নিকটে সত্তর বছরের ইবাদতের চেয়েও প্রিয়, যা ভালোবাসা ছাড়া করা হয়ে থাকে।" — কিতাবু মিন আখবারিস সালাফিছ ছালিহ, পৃ. ১৮১
• ইয়াহইয়া ইবনু মু'আয (রহ:) বলেন, "সে ব্যক্তি সত্যবাদী নয়- যে দাবি করে যে, সে আল্লাহকে ভালোবাসে, অথচ সে তাঁর (আল্লাহর) নির্ধারিত সীমা রেখা হেফাযত করে না।" — কিতাবু মিন আখবারিস সালাফিছ ছালিহ, পৃ. ১৮৩
• হাসান আল-বাছরী বলেন, "হে আদম সন্তান! তুমি অল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আল্লাহও তোমাকে ভালোবাসবেন। আর জেনে রেখো তুমি কখনোই আল্লাহকে ভালোবাসতে পারবে না, যতক্ষণ না তুমি তাঁর আনুগত্যকে ভালোবাসবে।" —...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
• আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রহ:) বলেন, "যে ব্যক্তি জানতে পসন্দ করে যে সে আল্লাহকে ভালোবাসে কি না, তাহলে তার লক্ষ্য করা উচিত যে, যদি সে কুরআনকে ভালোবাসে তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল তাকে ভালোবাসবেন।" — কিতাবু মিন আখবারিস সালাফিছ ছালিহ, পৃ. ১৮০
• ইয়াহইয়া ইবনু মু'আয (রহ:) বলেন, "সরিষার দানা সমপরিমাণ ভালোবাসা আমার নিকটে সত্তর বছরের ইবাদতের চেয়েও প্রিয়, যা ভালোবাসা ছাড়া করা হয়ে থাকে।" — কিতাবু মিন আখবারিস সালাফিছ ছালিহ, পৃ. ১৮১
• ইয়াহইয়া ইবনু মু'আয (রহ:) বলেন, "সে ব্যক্তি সত্যবাদী নয়- যে দাবি করে যে, সে আল্লাহকে ভালোবাসে, অথচ সে তাঁর (আল্লাহর) নির্ধারিত সীমা রেখা হেফাযত করে না।" — কিতাবু মিন আখবারিস সালাফিছ ছালিহ, পৃ. ১৮৩
• হাসান আল-বাছরী বলেন, "হে আদম সন্তান! তুমি অল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আল্লাহও তোমাকে ভালোবাসবেন। আর জেনে রেখো তুমি কখনোই আল্লাহকে ভালোবাসতে পারবে না, যতক্ষণ না তুমি তাঁর আনুগত্যকে ভালোবাসবে।" —...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
ফাযায়েলে আমল - বাক্যটির প্রভাব অনেক পরীক্ষিত
ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
"লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" এ বাক্যটির আশ্চর্যজনক সব উপকারিতা লক্ষ্য করেছি।
বিশেষ করে,
• কঠিন কাজের কষ্ট সহ্য করার ক্ষেত্রে,
• কষ্টসাধ্য বিষয় বহন করার ক্ষেত্রে,
• ক্ষমতাসীনদের রোষানল থেকে মুক্তি পেতে,
• কোনো ভীতিপ্রদ কাজে প্রবেশের ক্ষেত্রে,
• তাছাড়া দারিদ্র্যতা প্রতিরোধেও এ বাক্যটির প্রভাব অনেক পরীক্ষিত।
[আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ: ৯৮]
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
"লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" এ বাক্যটির আশ্চর্যজনক সব উপকারিতা লক্ষ্য করেছি।
বিশেষ করে,
• কঠিন কাজের কষ্ট সহ্য করার ক্ষেত্রে,
• কষ্টসাধ্য বিষয় বহন করার ক্ষেত্রে,
• ক্ষমতাসীনদের রোষানল থেকে মুক্তি পেতে,
• কোনো ভীতিপ্রদ কাজে প্রবেশের ক্ষেত্রে,
• তাছাড়া দারিদ্র্যতা প্রতিরোধেও এ বাক্যটির প্রভাব অনেক পরীক্ষিত।
[আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ: ৯৮]
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
❤1
অন্যান্য - গুনাহ/পাপকাজ ত্যাগ করার ২১টি ফজিলত
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, গুনাহ বা পাপকাজ ত্যাগ করার উপকারীতা:
(১) সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
(২) মানুষের অন্তরে মর্যাদা লাভ হয়।
(৩) পূর্বে লোকেরা ক্ষতি করে থাকলে লোকদের কাছ থেকে সাহায্য এবং নিরাপত্তা।
(৪) লোকেরা যদি গীবত করে থাকে, তাহলে তার সম্মান রক্ষা পায়।
(৫) আল্লাহ তার দুয়া কবুল করেন।
(৬) আল্লাহ তাআ’লার নৈকট্য।
(৭) ফেরেশতাদের নৈকট্য।
(৮) মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে যারা শয়তান তারা দূরে সরে যায়।
(৯) লোকেরা তাকে সাহায্য করার জন্য, তার চাহিদা পূরণ করার জন্যে এবং তার সাহচর্য ও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীতা করবে।
(১০) সে মৃত্যুকে ভয় করবেনা, বরং আল্লাহ তাআ’লার সাথে সাক্ষাত লাভের জন্য ও তাঁর কাছ থেকে পুরষ্কার পাওয়ার জন্যে আগ্রহী হবে।
(১১) এই দুনিয়া তার দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হবে এবং পরকালকে অনেক মূল্যবান মনে করবে।
(১২) পরকালে অনেক বড় রাজত্ব ও মর্যাদা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করবে।
(১৩) আল্লাহর আনুগত্যের স্বাদ ফিরে পাবে।
(১৪) ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে।
(১৫) আরশ বহনকারী ফেরেশতা ও আরশের...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, গুনাহ বা পাপকাজ ত্যাগ করার উপকারীতা:
(১) সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
(২) মানুষের অন্তরে মর্যাদা লাভ হয়।
(৩) পূর্বে লোকেরা ক্ষতি করে থাকলে লোকদের কাছ থেকে সাহায্য এবং নিরাপত্তা।
(৪) লোকেরা যদি গীবত করে থাকে, তাহলে তার সম্মান রক্ষা পায়।
(৫) আল্লাহ তার দুয়া কবুল করেন।
(৬) আল্লাহ তাআ’লার নৈকট্য।
(৭) ফেরেশতাদের নৈকট্য।
(৮) মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে যারা শয়তান তারা দূরে সরে যায়।
(৯) লোকেরা তাকে সাহায্য করার জন্য, তার চাহিদা পূরণ করার জন্যে এবং তার সাহচর্য ও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীতা করবে।
(১০) সে মৃত্যুকে ভয় করবেনা, বরং আল্লাহ তাআ’লার সাথে সাক্ষাত লাভের জন্য ও তাঁর কাছ থেকে পুরষ্কার পাওয়ার জন্যে আগ্রহী হবে।
(১১) এই দুনিয়া তার দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হবে এবং পরকালকে অনেক মূল্যবান মনে করবে।
(১২) পরকালে অনেক বড় রাজত্ব ও মর্যাদা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করবে।
(১৩) আল্লাহর আনুগত্যের স্বাদ ফিরে পাবে।
(১৪) ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে।
(১৫) আরশ বহনকারী ফেরেশতা ও আরশের...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
শিরক - বিতর্কিত সঙ্গীত বন্দে মাতারাম।
বিতর্কিত সঙ্গীত বন্দে মাতারাম।
ইসলাম ধর্মের ভিত্তি হলো তাওহীদ (আল্লাহর একত্ববাদের উপর বিশ্বাস), পবিত্র আল কুরআন এবং সহীহ হাদিসে তাওহীদের গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এবং সকল মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত করার জন্য আদেশ করা হয়েছে। আল্লাহর ইবাদত ছাড়া অন্যের - মূর্তি অথবা কাগজের ছবি, নদ-নদী অথবা ঝর্ণা, পাহাড় হোক অথবা গাছপালা, পাথর হোক বা ফুল, জীবিত হোক অথবা নির্জীব- ইবাদত নিষিদ্ধ ও হারাম করা হয়েছে। এককথায় এক আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করা অথবা আল্লাহর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলীর মধ্যে কাউকে অংশীদার ও শরিক করা, অথবা আল্লাহর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী থেকে কিছু অন্য কারো জন্য সাব্যস্ত করা নিষিদ্ধ ও হারাম। ইসলামী পরিভাষায় একে "শিরক" বলা হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমার অযোগ্য পাপ। এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট যে, একজন সৃষ্টি কখনো "স্রষ্টা" হতে পারে না। তাওহীদ সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও জ্ঞান পেতে হলে সূরা ইখলাস পড়া দরকার। ইবাদতের যোগ্য ও অধিকারী...
পোস্টটি করেছেন : ABDUR RAQUIB NADWI
বিতর্কিত সঙ্গীত বন্দে মাতারাম।
ইসলাম ধর্মের ভিত্তি হলো তাওহীদ (আল্লাহর একত্ববাদের উপর বিশ্বাস), পবিত্র আল কুরআন এবং সহীহ হাদিসে তাওহীদের গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এবং সকল মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত করার জন্য আদেশ করা হয়েছে। আল্লাহর ইবাদত ছাড়া অন্যের - মূর্তি অথবা কাগজের ছবি, নদ-নদী অথবা ঝর্ণা, পাহাড় হোক অথবা গাছপালা, পাথর হোক বা ফুল, জীবিত হোক অথবা নির্জীব- ইবাদত নিষিদ্ধ ও হারাম করা হয়েছে। এককথায় এক আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করা অথবা আল্লাহর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলীর মধ্যে কাউকে অংশীদার ও শরিক করা, অথবা আল্লাহর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী থেকে কিছু অন্য কারো জন্য সাব্যস্ত করা নিষিদ্ধ ও হারাম। ইসলামী পরিভাষায় একে "শিরক" বলা হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমার অযোগ্য পাপ। এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান একেবারেই স্পষ্ট যে, একজন সৃষ্টি কখনো "স্রষ্টা" হতে পারে না। তাওহীদ সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও জ্ঞান পেতে হলে সূরা ইখলাস পড়া দরকার। ইবাদতের যোগ্য ও অধিকারী...
পোস্টটি করেছেন : ABDUR RAQUIB NADWI
অন্যান্য - লজ্জাশীলতা প্রকৃতপক্ষে অন্তরের জীবনেরই একটি অংশ
লজ্জাশীলতার চারিত্রিক ভিত্তি অন্তরের জীবনের উপরই নির্ভরশীল। তাই অন্তরাত্মা মরে গেলেই লজ্জা কমে যায়। কাজেই অন্তর যতই সজীব হবে, লজ্জা ততই বেশি হবে। জুনাইদ [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, লজ্জাশীলতা হলো নিয়ামত ও ত্রুটি উভয়টির অবলোকন। এ দুয়ের মাঝে যে অবস্থা সৃষ্টি হয় তার নামই লজ্জাশীলতা। এর মূল কথা হলো, তা এমন এক চরিত্র যা অপকর্ম পরিত্যাগে উৎসাহিত এবং অধিকারীর অধিকার আদায়ে ত্রুটি করতে নিষেধ করে।
ফুযাইল ইবনু ইয়ায [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, দুর্ভাগ্যের পাঁচটি আলামত-
১. অন্তরের কাঠিন্য; ২. চোখের জমাটবদ্ধতা; ৩. লজ্জার ঘাটতি; ৪. দুনিয়ার লোভ; ৫. দীর্ঘ আশা।
ইয়াহয়া ইবনু মুআয [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, যে ব্যক্তি আনুগত্যের ক্ষেত্রে আল্লাহকে লজ্জা পায় সে ব্যক্তি গুনাহের সময়ও আল্লাহকে লজ্জা পায়।
উক্ত কথাটির ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে। যার অর্থ: যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যের সময় তাঁকে লজ্জা পায় তথা লজ্জায় তার মাথা তাঁর সামনে নিচু হয়ে থাকে তখন আল্লাহ তার পাপের সময় তার দিকে দৃষ্টি দিতে লজ্জা পায়। কারণ, সে আল্লাহর নিকট...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
লজ্জাশীলতার চারিত্রিক ভিত্তি অন্তরের জীবনের উপরই নির্ভরশীল। তাই অন্তরাত্মা মরে গেলেই লজ্জা কমে যায়। কাজেই অন্তর যতই সজীব হবে, লজ্জা ততই বেশি হবে। জুনাইদ [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, লজ্জাশীলতা হলো নিয়ামত ও ত্রুটি উভয়টির অবলোকন। এ দুয়ের মাঝে যে অবস্থা সৃষ্টি হয় তার নামই লজ্জাশীলতা। এর মূল কথা হলো, তা এমন এক চরিত্র যা অপকর্ম পরিত্যাগে উৎসাহিত এবং অধিকারীর অধিকার আদায়ে ত্রুটি করতে নিষেধ করে।
ফুযাইল ইবনু ইয়ায [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, দুর্ভাগ্যের পাঁচটি আলামত-
১. অন্তরের কাঠিন্য; ২. চোখের জমাটবদ্ধতা; ৩. লজ্জার ঘাটতি; ৪. দুনিয়ার লোভ; ৫. দীর্ঘ আশা।
ইয়াহয়া ইবনু মুআয [রহিমাহুল্লাহ] বলেন, যে ব্যক্তি আনুগত্যের ক্ষেত্রে আল্লাহকে লজ্জা পায় সে ব্যক্তি গুনাহের সময়ও আল্লাহকে লজ্জা পায়।
উক্ত কথাটির ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে। যার অর্থ: যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যের সময় তাঁকে লজ্জা পায় তথা লজ্জায় তার মাথা তাঁর সামনে নিচু হয়ে থাকে তখন আল্লাহ তার পাপের সময় তার দিকে দৃষ্টি দিতে লজ্জা পায়। কারণ, সে আল্লাহর নিকট...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
❤1
আদব ও শিষ্টাচার - উত্তম চরিত্র, অনুকম্পা ও (আত্মীয়তার) সম্পর্ক বজায় রাখা প্রসঙ্গ - ১
• আনাস (রা) থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: তোমরা (মানুষের সাথে) নম্র আচরণ প্রদর্শন কর। কারণ, শায়ত্বান (কারো সাথেই) নম্র আচরণ প্রদর্শন করে না। [আস্-সহীহাহ : ১৬৪৭]
• আবূ হুরাইরাহ্ (রা.) থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ইয়াতীমের লালন-পালনকারী চাই ইয়াতীমটি তার আত্মীয় হোক বা অন্য কেউ আমি ও সে জান্নাতে এ দু'টির (অর্থাৎ আঙ্গুলের ন্যায়) মত থাকব যদি সে আল্লাহকে ভয় করে। (এ হাদীসের বর্ণনাকারী) মালিক (রা) তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করেন। (অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ ভদ্র এ দু'টি আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করেন।) [আস্-সহীহাহ : ৯৬২]
• আবু হুরাইরাহ্ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: দু'টি (উত্তম) গুণাবলী মুনাফিকের অন্তরে সমবেত হতে পারে না (তা হলো) (ক) উত্তম চরিত্র (আচরণ) ও (খ) দ্বীনের গভীর জ্ঞান। [আস্-সহীহাহ : ২৭৮]
• আব্দুল্লাহ' ইবনু আমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তিই যে...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
• আনাস (রা) থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: তোমরা (মানুষের সাথে) নম্র আচরণ প্রদর্শন কর। কারণ, শায়ত্বান (কারো সাথেই) নম্র আচরণ প্রদর্শন করে না। [আস্-সহীহাহ : ১৬৪৭]
• আবূ হুরাইরাহ্ (রা.) থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ইয়াতীমের লালন-পালনকারী চাই ইয়াতীমটি তার আত্মীয় হোক বা অন্য কেউ আমি ও সে জান্নাতে এ দু'টির (অর্থাৎ আঙ্গুলের ন্যায়) মত থাকব যদি সে আল্লাহকে ভয় করে। (এ হাদীসের বর্ণনাকারী) মালিক (রা) তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করেন। (অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ ভদ্র এ দু'টি আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করেন।) [আস্-সহীহাহ : ৯৬২]
• আবু হুরাইরাহ্ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: দু'টি (উত্তম) গুণাবলী মুনাফিকের অন্তরে সমবেত হতে পারে না (তা হলো) (ক) উত্তম চরিত্র (আচরণ) ও (খ) দ্বীনের গভীর জ্ঞান। [আস্-সহীহাহ : ২৭৮]
• আব্দুল্লাহ' ইবনু আমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তিই যে...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
মোটিভেশন - হে আল্লাহ!!!
يَسْأَلُهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
“আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। প্রতি মুহুর্তে তিনি কাজে রত।” (৫৫-সূরা আর রাহমান: আয়াত-২৯)
(যেমন কাউকে সম্মান দান করা, কাউকে অপমানিত করা, নবসৃষ্টির মাধ্যমে কাউকে জীবন দান করা, কাউকেবা মৃত্যু দান করা ইত্যাদি কাজে রত)।
যখন বিক্ষুব্ধ ঝঞা বায়ুতে সমুদ্র উত্তাল-তরঙ্গায়িত থাকে, তখন নৌকার আরোহীগণ আর্তনাদ করে বলে, “হে আল্লাহ!”
যখন মরুভূমিতে উট চালক ও কাফেলা পথ হারিয়ে ফেলে তখন তারা আর্তচিৎকার করে বলে, “হে আল্লাহ!"
যখন বিপর্যয় ও দুর্যোগ দেখা দেয় তখন দুর্দশাগ্রস্তরা বলে উঠে, “হে আল্লাহ!"
দরজা দিয়ে যখন কেউ প্রবেশ করতে চায় আর তার সামনেই দরজা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং অভাবীদের সামনে যখন বাধার প্রাচীর নির্মাণ করা হয় তখন তারা চিৎকার দিয়ে বলে, “হে আল্লাহ!"
যখন সকল পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়, সকল আশা ভঙ্গ হয়ে যায় এবং পথ সংকীর্ণ হয়ে যায় তখন ডাক পড়ে, “হে আল্লাহ!"
বিশাল, বিস্তীর্ণ ও...
পোস্টটি করেছেন : Alimbhola
يَسْأَلُهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
“আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। প্রতি মুহুর্তে তিনি কাজে রত।” (৫৫-সূরা আর রাহমান: আয়াত-২৯)
(যেমন কাউকে সম্মান দান করা, কাউকে অপমানিত করা, নবসৃষ্টির মাধ্যমে কাউকে জীবন দান করা, কাউকেবা মৃত্যু দান করা ইত্যাদি কাজে রত)।
যখন বিক্ষুব্ধ ঝঞা বায়ুতে সমুদ্র উত্তাল-তরঙ্গায়িত থাকে, তখন নৌকার আরোহীগণ আর্তনাদ করে বলে, “হে আল্লাহ!”
যখন মরুভূমিতে উট চালক ও কাফেলা পথ হারিয়ে ফেলে তখন তারা আর্তচিৎকার করে বলে, “হে আল্লাহ!"
যখন বিপর্যয় ও দুর্যোগ দেখা দেয় তখন দুর্দশাগ্রস্তরা বলে উঠে, “হে আল্লাহ!"
দরজা দিয়ে যখন কেউ প্রবেশ করতে চায় আর তার সামনেই দরজা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং অভাবীদের সামনে যখন বাধার প্রাচীর নির্মাণ করা হয় তখন তারা চিৎকার দিয়ে বলে, “হে আল্লাহ!"
যখন সকল পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়, সকল আশা ভঙ্গ হয়ে যায় এবং পথ সংকীর্ণ হয়ে যায় তখন ডাক পড়ে, “হে আল্লাহ!"
বিশাল, বিস্তীর্ণ ও...
পোস্টটি করেছেন : Alimbhola
মোটিভেশন - হতাশ হবেন না
একটু ভেবে দেখুন এবং কৃতজ্ঞ হোন
আপনার প্রতি আল্লাহ্ তায়ালার অসংখ্য করুণার কথা স্মরণ করুন, কীভাবে সে করুণাসমূহ আপনাকে আপাদমস্তক বেষ্টন করে রেখেছে-আসলে সর্বদিক দিয়েই ঐ করুণাসমূহ আপনাকে ঘিরে রেখেছে।
وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا
যদি তুমি আল্লাহর নিয়ামতরাজিকে গণনা করতে চাও তবে তা তুমি কখনও গণনা করে শেষ করতে পারবে না। (১৪-সূরা ইবরাহীম: আয়াত-৩৪)
সুস্থতা, নিরাপত্তা, খাদ্য, বস্ত্র, বায়ু ও পানি ইত্যাদি সবকিছুই দুনিয়াটাকে আপনার বলে ঘোষণা দিচ্ছে-তবুও আপনি বুঝতে পারছেন না। জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য প্রয়োজনীয় যা কিছু থাকতে হয় তার সবকিছুই আপনার আছে- তবুও আপনি অজ্ঞই থেকে গেলেন।
وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً
তিনি তোমাদের উপর তার প্রকাশ্য ও গোপন নিয়ামতসমূহ পূর্ণ করে রেখেছেন। (৩১-সূরা লুকমান: আয়াত-২০) (প্রকাশ্য নিয়ামত হল ইসলামী একত্ববাদ বা তাওহীদ এবং সুস্থতা, সৌন্দর্য ইত্যাদিসহ এ জগতের বৈধ যৌন আমোদপ্রমোদ। আর অপ্রকাশ্য বা গোপন নিয়ামত হল...
পোস্টটি করেছেন : Alimbhola
একটু ভেবে দেখুন এবং কৃতজ্ঞ হোন
আপনার প্রতি আল্লাহ্ তায়ালার অসংখ্য করুণার কথা স্মরণ করুন, কীভাবে সে করুণাসমূহ আপনাকে আপাদমস্তক বেষ্টন করে রেখেছে-আসলে সর্বদিক দিয়েই ঐ করুণাসমূহ আপনাকে ঘিরে রেখেছে।
وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَتَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا
যদি তুমি আল্লাহর নিয়ামতরাজিকে গণনা করতে চাও তবে তা তুমি কখনও গণনা করে শেষ করতে পারবে না। (১৪-সূরা ইবরাহীম: আয়াত-৩৪)
সুস্থতা, নিরাপত্তা, খাদ্য, বস্ত্র, বায়ু ও পানি ইত্যাদি সবকিছুই দুনিয়াটাকে আপনার বলে ঘোষণা দিচ্ছে-তবুও আপনি বুঝতে পারছেন না। জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য প্রয়োজনীয় যা কিছু থাকতে হয় তার সবকিছুই আপনার আছে- তবুও আপনি অজ্ঞই থেকে গেলেন।
وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً
তিনি তোমাদের উপর তার প্রকাশ্য ও গোপন নিয়ামতসমূহ পূর্ণ করে রেখেছেন। (৩১-সূরা লুকমান: আয়াত-২০) (প্রকাশ্য নিয়ামত হল ইসলামী একত্ববাদ বা তাওহীদ এবং সুস্থতা, সৌন্দর্য ইত্যাদিসহ এ জগতের বৈধ যৌন আমোদপ্রমোদ। আর অপ্রকাশ্য বা গোপন নিয়ামত হল...
পোস্টটি করেছেন : Alimbhola
মোটিভেশন - মনে করুন আজই শেষ দিন
আপনি যখন প্রত্যুষে জেগে উঠবেন তখন সন্ধ্যাকে প্রত্যক্ষ করার আশা করবেন না বরং এমনভাবে জীবনযাপন করুন যেন আজই আপনার শেষ সকাল। গতকাল ভালোয় আর মন্দে কেটে গেছে, আর আগামীকালতো এখনও আসেনি। আপনার জীবনকাল মাত্র একদিন, আপনি যেন আজই জন্মগ্রহন করেছেন আর দিনের শেষ মারা যাবেন। এ মনোভাব থাকলে আপনি অতীতের সকল দুশ্চিন্তা ও ভবিষ্যতের সকল অনিশ্চিত আশার নেশায় ব্যস্ত হয়ে থাকবেন না। কেবল আজকের দিনটির জন্যই যেন বেঁচে থাকবেন; সারাটা দিন আপনার উচিত জাগ্রত হৃদয়ে প্রার্থনা করা, বুঝে-শুনে কুরআন তিলাওয়াত করা, মহান আল্লাহ্কে অধিক পরিমাণে স্মরণ করা। প্রতিটি দিনেই আপনার কাজকর্মে ভারসাম্যতা বজায় রাখা, তাক্বদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং আপনার স্বাস্থ্য ও বাহ্যাকৃতি তথা সাজসজ্জা, রূপচর্চা, বেশভূষা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও পোশাক পরিচ্ছদ সম্বন্ধে সতর্ক থাকা উচিত।
নোটঃ যারা কুরআন তিলাওয়াত করার সময় পান না তাদের জন্য একটি পরামর্শ হচ্ছে- পুরুষগণ প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত জামাতের কিছু সময় আগে মসজিদে চলে যান ও জামাতের পূর্বেকার...
পোস্টটি করেছেন : Alimbhola
আপনি যখন প্রত্যুষে জেগে উঠবেন তখন সন্ধ্যাকে প্রত্যক্ষ করার আশা করবেন না বরং এমনভাবে জীবনযাপন করুন যেন আজই আপনার শেষ সকাল। গতকাল ভালোয় আর মন্দে কেটে গেছে, আর আগামীকালতো এখনও আসেনি। আপনার জীবনকাল মাত্র একদিন, আপনি যেন আজই জন্মগ্রহন করেছেন আর দিনের শেষ মারা যাবেন। এ মনোভাব থাকলে আপনি অতীতের সকল দুশ্চিন্তা ও ভবিষ্যতের সকল অনিশ্চিত আশার নেশায় ব্যস্ত হয়ে থাকবেন না। কেবল আজকের দিনটির জন্যই যেন বেঁচে থাকবেন; সারাটা দিন আপনার উচিত জাগ্রত হৃদয়ে প্রার্থনা করা, বুঝে-শুনে কুরআন তিলাওয়াত করা, মহান আল্লাহ্কে অধিক পরিমাণে স্মরণ করা। প্রতিটি দিনেই আপনার কাজকর্মে ভারসাম্যতা বজায় রাখা, তাক্বদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং আপনার স্বাস্থ্য ও বাহ্যাকৃতি তথা সাজসজ্জা, রূপচর্চা, বেশভূষা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও পোশাক পরিচ্ছদ সম্বন্ধে সতর্ক থাকা উচিত।
নোটঃ যারা কুরআন তিলাওয়াত করার সময় পান না তাদের জন্য একটি পরামর্শ হচ্ছে- পুরুষগণ প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত জামাতের কিছু সময় আগে মসজিদে চলে যান ও জামাতের পূর্বেকার...
পোস্টটি করেছেন : Alimbhola
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী সা: এর ভূমিকা।
শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা: এর ভূমিকা।
আব্দুর রাকিব নাদভী
বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা: ছিলেন রহমতের দূত ও শান্তির প্রতীক। তিনি সা: ছিলেন পৃথিবীবাসীর জন্য বিশ্ব সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে একটি বড় অনুগ্রহ ও নেয়ামত। এই নেয়ামত প্রসঙ্গে স্বয়ং বিশ্ব পালনকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট। (সুরা আল ইমরান আয়াত নং ১৬৪)
পৃথিবীতে বিশ্বনবী সা: এর আগমন তখন হয় যখন সারা বিশ্ব ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত, সর্বত্র ছিল অশান্তি ও রক্তপাত, মানবতার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এই সংকটময় ও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বিশ্বনবী সা: এর আগমন ঘটে। তিনি সা: শান্তির বার্তা নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থিত হন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত...
পোস্টটি করেছেন : ABDUR RAQUIB NADWI
শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা: এর ভূমিকা।
আব্দুর রাকিব নাদভী
বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা: ছিলেন রহমতের দূত ও শান্তির প্রতীক। তিনি সা: ছিলেন পৃথিবীবাসীর জন্য বিশ্ব সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে একটি বড় অনুগ্রহ ও নেয়ামত। এই নেয়ামত প্রসঙ্গে স্বয়ং বিশ্ব পালনকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট। (সুরা আল ইমরান আয়াত নং ১৬৪)
পৃথিবীতে বিশ্বনবী সা: এর আগমন তখন হয় যখন সারা বিশ্ব ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত, সর্বত্র ছিল অশান্তি ও রক্তপাত, মানবতার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এই সংকটময় ও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বিশ্বনবী সা: এর আগমন ঘটে। তিনি সা: শান্তির বার্তা নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থিত হন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত...
পোস্টটি করেছেন : ABDUR RAQUIB NADWI
- জাহান্নামিদের কান্না
‘জাহান্নামিরা জাহান্নামে এত বেশি কান্না করবে যে, তাদের চোখের পানিতে জাহাজ ভাসিয়ে দেওয়া হলেও সেটা অনায়াসে ভেসে যাবে। কান্না করতে করতে এক পর্যায় অশ্রুর পরিবর্তে রক্ত ঝরতে থাকবে। এরকম কঠিন পরিস্থিতি থেকে যদি বাঁচতে চাও, তাহলে এখুনি কান্না করে নাও।’
– আবু মুসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহ আনহু)
[হিলইয়াতুল আউলিয়া, ১/২৬১]
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
‘জাহান্নামিরা জাহান্নামে এত বেশি কান্না করবে যে, তাদের চোখের পানিতে জাহাজ ভাসিয়ে দেওয়া হলেও সেটা অনায়াসে ভেসে যাবে। কান্না করতে করতে এক পর্যায় অশ্রুর পরিবর্তে রক্ত ঝরতে থাকবে। এরকম কঠিন পরিস্থিতি থেকে যদি বাঁচতে চাও, তাহলে এখুনি কান্না করে নাও।’
– আবু মুসা আশআরি (রাদিয়াল্লাহ আনহু)
[হিলইয়াতুল আউলিয়া, ১/২৬১]
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
- তাকওয়াবানদের ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি
বিলাল বিন সাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
“হে তাকওয়াবান লোকেরা, তোমাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি; বরং তোমরা এক পর্যায় থেকে আরেক পর্যায়ে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য এসেছ। তোমরা (তোমাদের পিতার) শুক্রাণু থেকে মায়ের গর্ভে এসেছ, তারপর মায়ের গর্ভ থেকে এই দুনিয়ার জীবনে এসেছ। এই দুনিয়া থেকে তোমরা কবরে যাবে, কবর থেকে উঠবে বিচার দিবসের মহাসমাবেশে এবং তারপর সেখান থেকে চলে যাবে অনন্তকালের বাসস্থান জান্নাত অথবা জাহান্নামে।”
– সিয়ারু আলামিন নুবালা, খন্ড : ৫
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
বিলাল বিন সাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
“হে তাকওয়াবান লোকেরা, তোমাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি; বরং তোমরা এক পর্যায় থেকে আরেক পর্যায়ে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য এসেছ। তোমরা (তোমাদের পিতার) শুক্রাণু থেকে মায়ের গর্ভে এসেছ, তারপর মায়ের গর্ভ থেকে এই দুনিয়ার জীবনে এসেছ। এই দুনিয়া থেকে তোমরা কবরে যাবে, কবর থেকে উঠবে বিচার দিবসের মহাসমাবেশে এবং তারপর সেখান থেকে চলে যাবে অনন্তকালের বাসস্থান জান্নাত অথবা জাহান্নামে।”
– সিয়ারু আলামিন নুবালা, খন্ড : ৫
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
তাওহীদ - ছোট শির্ক তিন ভাবে হয়
১. অন্তরের মাধ্যমে : সামান্য লোক দেখানোর জন্য কোনো কাজ করা। কোনো ভালো আমল কেবল দুনিয়া লাভ করা উদ্দেশ্যে করা। তবে শর্ত হচ্ছে কোনোভাবেই তা পরিপূর্ণভাবে আল্লাহ তা'আলা ছাড়া অন্যের জন্য নিবেদিত হবে না।
২. মুখের মাধ্যমে : তার উদাহরণ হলো, এ প্রকার বলা যে, কুকুর না ডাকলে চোর আসতো, আপনি ও আল্লাহ যা চান, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা। অমুক তারকার প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে বলা, বিচারকদের বিচারক বলা, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও দাসত্বের নাম রাখা। তবে এগুলোতে যদি কোনোভাবে আল্লাহ ছাড়া অন্যদের ক্ষমতা আছে বিশ্বাস করে, তখন সেটি বড় শির্কে পরিণত হবে।
৩. কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে: শোনানোর জন্য সালাত বা দান করা। কার্যকারণ হিসেবে তাবীজ-মাদুলি ব্যবহার করা। কুলক্ষণ নেয়া, গণকদের কাছে যাওয়া, চোর ধরার জন্য লোকদের চালান ইত্যাদির ব্যবহার, সুতা বা তাগা বাঁধা ইত্যাদি। তবে এর সাথে যদি অন্তরে এদের জন্য ইলমে গাইবের আকীদাহ বিশ্বাস যুক্ত হয় তখন সেটা বড় শির্কে রূপান্তরিত হবে।...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
১. অন্তরের মাধ্যমে : সামান্য লোক দেখানোর জন্য কোনো কাজ করা। কোনো ভালো আমল কেবল দুনিয়া লাভ করা উদ্দেশ্যে করা। তবে শর্ত হচ্ছে কোনোভাবেই তা পরিপূর্ণভাবে আল্লাহ তা'আলা ছাড়া অন্যের জন্য নিবেদিত হবে না।
২. মুখের মাধ্যমে : তার উদাহরণ হলো, এ প্রকার বলা যে, কুকুর না ডাকলে চোর আসতো, আপনি ও আল্লাহ যা চান, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা। অমুক তারকার প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে বলা, বিচারকদের বিচারক বলা, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও দাসত্বের নাম রাখা। তবে এগুলোতে যদি কোনোভাবে আল্লাহ ছাড়া অন্যদের ক্ষমতা আছে বিশ্বাস করে, তখন সেটি বড় শির্কে পরিণত হবে।
৩. কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে: শোনানোর জন্য সালাত বা দান করা। কার্যকারণ হিসেবে তাবীজ-মাদুলি ব্যবহার করা। কুলক্ষণ নেয়া, গণকদের কাছে যাওয়া, চোর ধরার জন্য লোকদের চালান ইত্যাদির ব্যবহার, সুতা বা তাগা বাঁধা ইত্যাদি। তবে এর সাথে যদি অন্তরে এদের জন্য ইলমে গাইবের আকীদাহ বিশ্বাস যুক্ত হয় তখন সেটা বড় শির্কে রূপান্তরিত হবে।...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
- কেমন মানুষ বিয়ের জন্য বেছে নেওয়া উচিৎ?
কখনোই নিজের ধর্মের বাইরে, সর্বোপরি নিজের মতের বাইরে কাউকে বিয়ে করে শান্তি পাওয়া যায় না। এই জন্যই আল্লাহ পাক বলেছেন, যে, তোমরা অন্য সব কিছুর চাইতে ছেলে বা মেয়ের দ্বীনদারিতাকেই প্রাধান্য দাও, তাতেই কিন্তু বেশি শান্তি পাবে তোমরা। কিন্তু, তার জন্য নিজেকেও আগে দ্বীনদার হতে হবে। কারন, তুমি যেমন, তোমার জীবনসঙ্গীও হবে তেমন। আর তাকে তুমি কখনোই কোনো কারনে বিয়ে কোরো না, যার মধ্যে আল্লাহর আদেশের চাইতে দুনিয়া বেশি প্রাধান্য পায়। কারন, আমি এরকম অনেক ছেলে, মেয়েকে দেখেছি, বিয়ের আগে অনেক দ্বীনদার ছিল! কিন্তু, দ্বীনদারিতার চাইতে বেশি একটা মেয়ের সৌন্দর্য, আর দ্বীনদারিতার চাইতে বেশি একটা ছেলের টাকা, স্ট্যাটাস এইটাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার কারনে তাদের নিজেদের দ্বীনদারিতার অবস্থাই আজ আগের চেয়ে তলানিতে! আর একটা জিনিস, এই যে একটা মেয়ের রূপ, আর একটা ছেলের টাকা, স্ট্যাটাস এইসব কোনো কিছুই আল্লাহর কাছে যাবে না, যাবে শুধুই আমল। তাই কখনোই মেয়েদের রূপ আর ছেলেদের টাকা, স্ট্যাটাসের মোহে পড়ে জীবনের এমন বিয়ের মত বড়...
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
কখনোই নিজের ধর্মের বাইরে, সর্বোপরি নিজের মতের বাইরে কাউকে বিয়ে করে শান্তি পাওয়া যায় না। এই জন্যই আল্লাহ পাক বলেছেন, যে, তোমরা অন্য সব কিছুর চাইতে ছেলে বা মেয়ের দ্বীনদারিতাকেই প্রাধান্য দাও, তাতেই কিন্তু বেশি শান্তি পাবে তোমরা। কিন্তু, তার জন্য নিজেকেও আগে দ্বীনদার হতে হবে। কারন, তুমি যেমন, তোমার জীবনসঙ্গীও হবে তেমন। আর তাকে তুমি কখনোই কোনো কারনে বিয়ে কোরো না, যার মধ্যে আল্লাহর আদেশের চাইতে দুনিয়া বেশি প্রাধান্য পায়। কারন, আমি এরকম অনেক ছেলে, মেয়েকে দেখেছি, বিয়ের আগে অনেক দ্বীনদার ছিল! কিন্তু, দ্বীনদারিতার চাইতে বেশি একটা মেয়ের সৌন্দর্য, আর দ্বীনদারিতার চাইতে বেশি একটা ছেলের টাকা, স্ট্যাটাস এইটাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার কারনে তাদের নিজেদের দ্বীনদারিতার অবস্থাই আজ আগের চেয়ে তলানিতে! আর একটা জিনিস, এই যে একটা মেয়ের রূপ, আর একটা ছেলের টাকা, স্ট্যাটাস এইসব কোনো কিছুই আল্লাহর কাছে যাবে না, যাবে শুধুই আমল। তাই কখনোই মেয়েদের রূপ আর ছেলেদের টাকা, স্ট্যাটাসের মোহে পড়ে জীবনের এমন বিয়ের মত বড়...
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
- সুন্দর মৃত্যুর জন্য যেসব আমল দরকারঃ
সুন্দর মৃত্যুর জন্য যেসব আমল দরকারঃ
(১) কালিমা তাওহিদের ওপর অটল থাকা-শুধু মুখে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্ববাদকেই আগে হিসেবে রাখা।
(২) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত আদায় করা, কোনো গাফিলতি না করা এতে- সালাত হল অন্তরের শক্তি ও হৃদয়ের প্রশান্তি। নিয়মিত সালাত আদায়কারীর পরিনতি উত্তম হওয়ার কথা বহু হাদিসে এসেছে।
(৩) মৃত্যুকে স্মরণ করে তওবা ও ইস্তিগফার করা।
(৪) সদাচার ও গোপন সৎকর্ম করা। এছাড়া আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা।
(৫) উত্তম মৃত্যুর জন্য দোয়া করা। নবীজি সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি যে দুয়াটি করতেন, তা হলঃ-
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
সুন্দর মৃত্যুর জন্য যেসব আমল দরকারঃ
(১) কালিমা তাওহিদের ওপর অটল থাকা-শুধু মুখে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্ববাদকেই আগে হিসেবে রাখা।
(২) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত আদায় করা, কোনো গাফিলতি না করা এতে- সালাত হল অন্তরের শক্তি ও হৃদয়ের প্রশান্তি। নিয়মিত সালাত আদায়কারীর পরিনতি উত্তম হওয়ার কথা বহু হাদিসে এসেছে।
(৩) মৃত্যুকে স্মরণ করে তওবা ও ইস্তিগফার করা।
(৪) সদাচার ও গোপন সৎকর্ম করা। এছাড়া আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা।
(৫) উত্তম মৃত্যুর জন্য দোয়া করা। নবীজি সাল্লালাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি যে দুয়াটি করতেন, তা হলঃ-
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
- আল্লাহ যখন খুশি হন, তখন তিনি কী দান করেন?
আল্লাহ যখন খুশি হন, তখন দুনিয়াতে ৩টি জিনিস পাঠানঃ
(১) বৃষ্টি
(২) মেহমান
(৩) কন্যা সন্তান।
এই ৩টির মধ্যে আল্লাহ কন্যা সন্তান তখনই দান করেন, যখন আল্লাহ সেই মা-বাবার উপর খুশি হন।
অতএব, কতই না মুর্খ তারা, যারা কন্যা সন্তান জন্মালে মুখ কালো করে, আর পুত্র সন্তান জন্মালে চরম আনন্দিত হয়!
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
আল্লাহ যখন খুশি হন, তখন দুনিয়াতে ৩টি জিনিস পাঠানঃ
(১) বৃষ্টি
(২) মেহমান
(৩) কন্যা সন্তান।
এই ৩টির মধ্যে আল্লাহ কন্যা সন্তান তখনই দান করেন, যখন আল্লাহ সেই মা-বাবার উপর খুশি হন।
অতএব, কতই না মুর্খ তারা, যারা কন্যা সন্তান জন্মালে মুখ কালো করে, আর পুত্র সন্তান জন্মালে চরম আনন্দিত হয়!
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
প্রশ্নোত্তর - মেয়েদের বুদ্ধি কি সত্যিই ছেলেদের থেকে কম? ইসলাম আসলে কি বলে...
আমি আসলে যত বেশি ইসলাম পড়ি আর বুঝি, ততই বেশি ইসলামের প্রেমে পড়ে যাই। একজন মেয়ে হিসেবে, এই যেমন আল্লাহ পাক কুরআনে বলেছেন, যে, দুইজন মেয়ের সাক্ষী একজন পুরুষের সাক্ষীর সমান। এই জিনিসটাকে অনেকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে থাকে, যে দেখ, আল্লাহ পাকও বলেছেন, মেয়েদের বুদ্ধি ছেলেদের থেকে কম! মেয়েদের এত পড়াশুনা শিখে লাভ কি! এইসব!! কিন্তু, ব্যাপারটা যদি কোনো মেয়ে নিজে কুরআন পড়ে একটু চিন্তা করে দেখে, তাহলেই বুঝতে পারবে, যে, আল্লাহ আসলে এরকম ভাবে মেয়েদেরকে কখনই ছোটো করেননি। আল্লাহ নারী-পুরুষ উভয়কেই সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ জানেন, কার মস্তিস্ক কেমনভাবে চলে! ছেলেদের আর মেয়েদের মস্তিস্কের কার্যক্রম সম্পুর্ণভাবে আলাদা। একটা ছেলের মস্তিস্কে সব জিনিসের জন্য একটা করে আলাদা ঘর থাকে, তারা প্রত্যেকটা জিনিস প্রত্যেকটা আলাদা ঘরে চিন্তা করে। আর তাই তাদের একটা জিনিসের সাথে আর একটা গুলিয়ে ফেলে ভুলে যাওয়ার প্রবনতা কম থাকে। কিন্তু, একটা মেয়ের মস্তিকে সব কিছু একটাই তারের সাথে সংযুক্ত থাকে এমন। আর তাই মেয়েরা যখন কোনো কষ্টে...
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
আমি আসলে যত বেশি ইসলাম পড়ি আর বুঝি, ততই বেশি ইসলামের প্রেমে পড়ে যাই। একজন মেয়ে হিসেবে, এই যেমন আল্লাহ পাক কুরআনে বলেছেন, যে, দুইজন মেয়ের সাক্ষী একজন পুরুষের সাক্ষীর সমান। এই জিনিসটাকে অনেকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে থাকে, যে দেখ, আল্লাহ পাকও বলেছেন, মেয়েদের বুদ্ধি ছেলেদের থেকে কম! মেয়েদের এত পড়াশুনা শিখে লাভ কি! এইসব!! কিন্তু, ব্যাপারটা যদি কোনো মেয়ে নিজে কুরআন পড়ে একটু চিন্তা করে দেখে, তাহলেই বুঝতে পারবে, যে, আল্লাহ আসলে এরকম ভাবে মেয়েদেরকে কখনই ছোটো করেননি। আল্লাহ নারী-পুরুষ উভয়কেই সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ জানেন, কার মস্তিস্ক কেমনভাবে চলে! ছেলেদের আর মেয়েদের মস্তিস্কের কার্যক্রম সম্পুর্ণভাবে আলাদা। একটা ছেলের মস্তিস্কে সব জিনিসের জন্য একটা করে আলাদা ঘর থাকে, তারা প্রত্যেকটা জিনিস প্রত্যেকটা আলাদা ঘরে চিন্তা করে। আর তাই তাদের একটা জিনিসের সাথে আর একটা গুলিয়ে ফেলে ভুলে যাওয়ার প্রবনতা কম থাকে। কিন্তু, একটা মেয়ের মস্তিকে সব কিছু একটাই তারের সাথে সংযুক্ত থাকে এমন। আর তাই মেয়েরা যখন কোনো কষ্টে...
পোস্টটি করেছেন : Afrupa Sultana
অন্যান্য - সালাফদের আহার
• আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা:) বলেন, ইসলাম কবুলের পর থেকে কখনো তৃপ্তিভরে খাবার খাইনি। – ইবনু আবিদ্দুনইয়া, আল-জু, হা. ৫৫
• আবু জাফর (রা:) বলেন, যখন পেট ভরা থাকে, তখন শরীর অবাধ্য হয়ে যায়। – ইবনু আবিদ্দুনইয়া, আল-জু, হা. ২৩
• উবাদাহ ইবনুস সামিত (রা:) বলেন, এটা পেট। (এটা চায়) আরো দাও! আরো দাও! তাই তোমাদের জন্য অতটুকুই যথেষ্ট, যতটুকুতে পিঠ সোজা থাকবে। – ইবনু আবিন্দুনইয় , আল-জু, হা. ২৫
• উমার (রা:) বলেন, হে লোকসকল! তোমরা ভোজনপ্রিয় মানুষের কাছ দিয়ে যেয়ো না, যাতে অতিভোজন তোমাদেরকে দীন থেকে গাফিল করে না দেয়। তারা তো একবার মাংস, একবার ঘি, একবার যাইতুন আবার লবণ খায়। – ইবনু আবিন্দুনইয়া, আল-জু, হা. ২০০
• ইবনু আব্বাস বলেছেন, মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, যখন প্রত্যেকের চিন্তা হবে তার পেট আর 'হাওয়া' (কুপ্রবৃত্তি) হবে তার দীন। – ইবনু আবিদ্দুনইয়া, আল-জু, হা. ২১৮
• মালিক বিন দীনার (রা:) বলেন...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
• আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা:) বলেন, ইসলাম কবুলের পর থেকে কখনো তৃপ্তিভরে খাবার খাইনি। – ইবনু আবিদ্দুনইয়া, আল-জু, হা. ৫৫
• আবু জাফর (রা:) বলেন, যখন পেট ভরা থাকে, তখন শরীর অবাধ্য হয়ে যায়। – ইবনু আবিদ্দুনইয়া, আল-জু, হা. ২৩
• উবাদাহ ইবনুস সামিত (রা:) বলেন, এটা পেট। (এটা চায়) আরো দাও! আরো দাও! তাই তোমাদের জন্য অতটুকুই যথেষ্ট, যতটুকুতে পিঠ সোজা থাকবে। – ইবনু আবিন্দুনইয় , আল-জু, হা. ২৫
• উমার (রা:) বলেন, হে লোকসকল! তোমরা ভোজনপ্রিয় মানুষের কাছ দিয়ে যেয়ো না, যাতে অতিভোজন তোমাদেরকে দীন থেকে গাফিল করে না দেয়। তারা তো একবার মাংস, একবার ঘি, একবার যাইতুন আবার লবণ খায়। – ইবনু আবিন্দুনইয়া, আল-জু, হা. ২০০
• ইবনু আব্বাস বলেছেন, মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, যখন প্রত্যেকের চিন্তা হবে তার পেট আর 'হাওয়া' (কুপ্রবৃত্তি) হবে তার দীন। – ইবনু আবিদ্দুনইয়া, আল-জু, হা. ২১৮
• মালিক বিন দীনার (রা:) বলেন...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
কাহিনি - হে খালিদ, তোমরা কীসের দিকে ডাকছ?
রোমের এক মহান অধিনায়ক, যার নাম ছিল জর্জ। তিনি খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ-কে যুদ্ধের মাঝে ডেকে নিয়ে আসেন এবং তাদের ঘোড়ার গলার দিক একে অপরের সাথে মিলিয়ে দেন।
জর্জ খালিদকে বলেন, হে খালিদ, আমাকে সৎভাবে বলো, মিথ্যা বলো না। কারণ সত্যবাদী মানুষ কখনো মিথ্যা বলে না আর প্রতারণা করো না, কারণ মহান মানুষ কখনো প্রতারণা করে না। আল্লাহ কি আপনার নাবীর ওপর আকাশ থেকে কোনো তলোয়ার পাঠিয়েছেন যা আপনাকে দিয়েছেন এবং আপনি সেটি শুধু একবার বের করলে কাউকেও পরাজিত করতে পারেন?
খালিদ বললেন, না!
জর্জ জিজ্ঞাসা করল, তাহলে কেন আপনাকে 'সাইফুল্লাহ' বলা হয়?
খালিদ উত্তরে বলেন, আল্লাহ আমাদের মধ্যে তাঁর নাবীকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু প্রথমে আমরা তাঁর থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। এরপর কিছু মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করল এবং তাঁর অনুসরণ করল, কিছু মানুষ তাঁকে মিথ্যা বলেছিল এবং তাঁকে অবিশ্বাস করেছিল। আমি সেই ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলাম যারা তাঁকে মিথ্যা বলেছিলাম এবং তাঁকে দূরে সরিয়েছিলাম। তবে আল্লাহ আমাদের হৃদয় চিন্তাকে...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
রোমের এক মহান অধিনায়ক, যার নাম ছিল জর্জ। তিনি খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ-কে যুদ্ধের মাঝে ডেকে নিয়ে আসেন এবং তাদের ঘোড়ার গলার দিক একে অপরের সাথে মিলিয়ে দেন।
জর্জ খালিদকে বলেন, হে খালিদ, আমাকে সৎভাবে বলো, মিথ্যা বলো না। কারণ সত্যবাদী মানুষ কখনো মিথ্যা বলে না আর প্রতারণা করো না, কারণ মহান মানুষ কখনো প্রতারণা করে না। আল্লাহ কি আপনার নাবীর ওপর আকাশ থেকে কোনো তলোয়ার পাঠিয়েছেন যা আপনাকে দিয়েছেন এবং আপনি সেটি শুধু একবার বের করলে কাউকেও পরাজিত করতে পারেন?
খালিদ বললেন, না!
জর্জ জিজ্ঞাসা করল, তাহলে কেন আপনাকে 'সাইফুল্লাহ' বলা হয়?
খালিদ উত্তরে বলেন, আল্লাহ আমাদের মধ্যে তাঁর নাবীকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু প্রথমে আমরা তাঁর থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। এরপর কিছু মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করল এবং তাঁর অনুসরণ করল, কিছু মানুষ তাঁকে মিথ্যা বলেছিল এবং তাঁকে অবিশ্বাস করেছিল। আমি সেই ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলাম যারা তাঁকে মিথ্যা বলেছিলাম এবং তাঁকে দূরে সরিয়েছিলাম। তবে আল্লাহ আমাদের হৃদয় চিন্তাকে...
পোস্টটি করেছেন : Golam Rabby
অন্যান্য - বুফে ব্যবসা
বুফে ব্যবসা নিয়ে যদিও কিছুটা মতভেদ আছে কিন্তু অনেক আলেম এটাকে নাজায়েজ বলেছেন কারণ সব কিছুই অজ্ঞাত। তবে অনেকে এই অজ্ঞতাকে ছাড় দিয়েছেন কিছু যুক্তি দেখিয়ে যেমন:- তারা বলে যে, যদি কেউ ১০ টাকা দিয়ে গোসল করে আসে তাহলে এই সাধারণ অজ্ঞতা ছাড় রয়েছে যদিও সে ১০ টাকার বেশি পানি ব্যবহার করে। কিন্তু এখানে এটি যুক্তি তাও আবার এমন যুক্তি যা কখনো আমি ঘটতে দেখিনি। একটি ১০০০ লিটারের হাউজে পানি তুলতে আর কয় টাকায় বা লাগে তারপর এখানে সবারই ইচ্ছা থাকে প্রয়োজন সারা যেমন গোসল করা কিন্তু বুফেতে সবাই শুধু প্রয়োজন সারার জন্য যায় না বরং বেশিরভাগ মানুষই এই ইচ্ছা করে যে আমি টাকার চেয়ে বেশি খাবো চাই তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতি তরিকার তিন ভাগের একভাগ পেট ভরে খাবার গ্রহণের বিপরীতে যায় না কেন। আবার বুফেতে এমন ঘটতেই থাকে যে, হয় যে খাবে সে লাভ করবে অথবা মালিক লাভ করবে এটা ১০০% হবেই হবে। হয় খাদক তার টাকার চেয়ে বেশি খাবে অথবা কম।কিন্তু যদি আপনি ১০ টাকা দিয়ে গোসল করতে যান তাহলে...
পোস্টটি করেছেন : abdulazizulhakimgrameen
বুফে ব্যবসা নিয়ে যদিও কিছুটা মতভেদ আছে কিন্তু অনেক আলেম এটাকে নাজায়েজ বলেছেন কারণ সব কিছুই অজ্ঞাত। তবে অনেকে এই অজ্ঞতাকে ছাড় দিয়েছেন কিছু যুক্তি দেখিয়ে যেমন:- তারা বলে যে, যদি কেউ ১০ টাকা দিয়ে গোসল করে আসে তাহলে এই সাধারণ অজ্ঞতা ছাড় রয়েছে যদিও সে ১০ টাকার বেশি পানি ব্যবহার করে। কিন্তু এখানে এটি যুক্তি তাও আবার এমন যুক্তি যা কখনো আমি ঘটতে দেখিনি। একটি ১০০০ লিটারের হাউজে পানি তুলতে আর কয় টাকায় বা লাগে তারপর এখানে সবারই ইচ্ছা থাকে প্রয়োজন সারা যেমন গোসল করা কিন্তু বুফেতে সবাই শুধু প্রয়োজন সারার জন্য যায় না বরং বেশিরভাগ মানুষই এই ইচ্ছা করে যে আমি টাকার চেয়ে বেশি খাবো চাই তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতি তরিকার তিন ভাগের একভাগ পেট ভরে খাবার গ্রহণের বিপরীতে যায় না কেন। আবার বুফেতে এমন ঘটতেই থাকে যে, হয় যে খাবে সে লাভ করবে অথবা মালিক লাভ করবে এটা ১০০% হবেই হবে। হয় খাদক তার টাকার চেয়ে বেশি খাবে অথবা কম।কিন্তু যদি আপনি ১০ টাকা দিয়ে গোসল করতে যান তাহলে...
পোস্টটি করেছেন : abdulazizulhakimgrameen
❤1