🎯 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ইউনিট C (বিজ্ঞান)
2nd Selection and Waiting List Group1, Group2, Group3
বিস্তারিত Link👉 https://cutt.ly/QRRUNkW
2nd Selection and Waiting List Group1, Group2, Group3
বিস্তারিত Link👉 https://cutt.ly/QRRUNkW
রেনিন_একাডেমি_সব_VIP_পার্ট_১_by_We_Care_1.pdf
33.7 MB
💢রেনিন একাডেমী এর সকল পিডিএফ একসাথে ( পার্ট ১ )
©️ We Care
👤পাসওয়ার্ড : FAIZA
রেনিন একাডেমি,
রনি ভাই , স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ।
[ প
©️ We Care
👤পাসওয়ার্ড : FAIZA
রেনিন একাডেমি,
রনি ভাই , স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ।
[ প
িডিএফ গুলো প্রায় সব ভার্সিটি + মেডিক্যাল এর জন্য ইমপরটেন্ট ]🎯 ঘুমের অভাব নিতে পারে প্রাণঘাতী রূপ!!
🙅 আমাদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হচ্ছে ঘুম। তাই আমাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুম একটি অপরিহার্য বিষয়। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, আমাদের মস্তিষ্ক তখন স্মৃতি ও তথ্য সংরক্ষণ করে। শরীর তার ক্ষতিকারক উপাদানগুলোকে সরিয়ে সব ঠিকঠাক করে, যাতে জেগে ওঠার পরে শরীর আবার ঠিকমত কাজ করতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরে আনে প্রশান্তি, বাড়ায় কর্মস্পৃহা। তাই পর্যাপ্ত ঘুম আমাদের সুস্থ্য থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম যেমন আমাদের জন্য দরকারি তেমনি কম বা বেশি ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ঠিকঠাক ঘুমের অভাবে হতে পারে মারাত্মক অসুখ যা কখনও কখনও নিতে পারে প্রাণঘাতী রূপ।
☠️ ঘুমের অভাবে শরীরের যে ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে: 👇
🙇♂️মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয়: মস্তিষ্ককে পরিষ্কার রাখার কাজের একটি অংশ হলো মাইক্রোগ্লিয়া কোষগুচ্ছ, যারা স্নায়ুতন্ত্রের বর্জ্য, ক্লান্ত এবং মৃত কোষের বর্জ্য পরিষ্কার করে। আরও এক ধরনের কোষ, অ্যাস্ট্রোসাইট মস্তিষ্কের বেশ কিছু কাজ একসাথে করে। এদের অনেকেগুলো কাজের মাঝে একটি হলো মস্তিষ্কের অপ্রয়োজনীয় সিন্যাপ্সগুলোকে ছেঁটে ফেলা। ঘুমের অভাবে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে অ্যাস্ট্রোসাইট কোষগুলো। ঘুমের অভাব হলে সিন্যাপ্সের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে অ্যাস্ট্রোসাইট তবে যে ব্যাপারটি বেশি দুশ্চিন্তার উদ্বেগ করে তা হলো মাইক্রোগ্লিয়ার কার্যক্রম। তারা অতিরিক্ত ঘুমের অভাবের ফলে সক্রিয় হয়। আর এর সক্রিয়তা থেকে দেখা দিতে পারে আলঝেইমার্স এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় হওয়ার অন্যান্য রোগগুলো।
🙇♂️ অ্যাথারোক্লেরোসিস: এটি এমন একটি রোগ যেখানে সাধারণত চর্বি, কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে শরীরের ধমনীর মধ্যে প্রাচীর তৈরি করে। মূলত হার্ট থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবহনের কাজ করে এই ধমনী। এই ধরনের প্রাচীরের কারণে ধমনী আগের তুলনায় অনেকটাই সঙ্কুচিত হয়ে যায় যা রক্ত সঞ্চালনের বাধার সৃষ্টি করে। তাই অ্যাথারোক্লেরোসিস মানুষের জীবনের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে।
🙇♂️ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস: মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ওরেক্সিন উৎপাদনের গতি মন্থর হয়ে যায়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম না পেলে অতিরিক্ত বিষণ্ণতা, হ্যালুসিনেশন, স্মৃতিভ্রংশের মতো একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। দিনে দিনে নিজের বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও লোপ পেতে পারে।
🙇♂️ ত্বকের সাবলীল সৌন্দর্য নষ্ট: ধারাবাহিকভাবে ঘুমের অভাব হলে ত্বকের জেল্লা কমে যায়, অকালে চেহারায় ফোটে বয়সের ছাপ। কারণ ঘুমের সময় শরীর তার মৃত কোষগুলোকে সরিয়ে নতুন কোষের সংস্থাপন করে, তাদের পুষ্টির জোগান দেয়। সঠিক পরিমাণ ঘুম শরীরের ৬০ শতাংশ ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে। কম ঘুম শরীরে গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণও কমিয়ে দেয় এবং শরীর ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে পড়ে।
🙇♂️ ওবেসিটি: বেশি ঘুমালে ওজন বাড়ে, তা অনেকেই জানেন। তাই অনেকেরই ধারণা যে, কম ঘুম হলে নিশ্চয়ই ওজন কমে? কিন্তু তা ঠিক নয়। ঘুমের অভাব আমাদের খিদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আকর্ষণ বাড়ায় হাই ফ্যাট খাবারের প্রতি। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে ছয় ঘণ্টা বা তার কম ঘুমান তাদের মোটা হওয়ার সম্ভাবনা যারা দিনে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমায় তাদের থেকে ৩০ শতাংশ বেশি।
🙇♂️ ডিপ্রেশন: অপর্যাপ্ত ঘুম বা ঘুমের কোন সমস্যা ডিপ্রেশনের একটি আহব্বায়ক হিসেবে কাজ করে। গবেষণা বলছে, হতাশাগ্রস্ত মানুষ ছয় ঘণ্টার কম ঘুমায়। আর সেটা ডিপ্রেশনকে যেমন আরও পোক্ত করে, তেমনি ইনসমনিয়ার অন্যতম কারণ। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ইনসমনিয়ার চিকিৎসা করলে ডিপ্রেশন ভালো হয়ে যায় এবং বিপরীতে ডিপ্রেশনের চিকিৎসা করালে ইনসোমোনিয়া ভালো হয়ে যায়।
🙇♂️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়: ঘুম মূলত আমাদের শরীরের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ ও শক্তি সঞ্চয়ের একটি পন্থা। যখন আমরা ঘুমাই, তখন আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী ‘লিভিং অরগানিজম’ কাজ করতে থাকে। কিন্তু আমরা না ঘুমালে এই লিভিং অরগানিজমগুলো কাজ করতে পারে না। ফলে ক্রমশ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।
🙇♂️ চিন্তাশক্তি হ্রাস: অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া বা কখনো কখনো ভাবনা হারিয়ে ফেলার মতো ঘটনা ঘটে প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুমালে। প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুম আমাদের কর্মক্ষমতা, সামাজিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলার পাশাপাশি বিভিন্ন মানসিক সমস্যার সূত্রপাত ঘটায়। ঘুমের স্বল্পতা আমাদের সারাদিনের ক্লান্তিভাব, অনিয়ন্ত্রিত আবেগ নিয়ন্ত্রণে ও অহেতুক উদ্বেগের জন্য দায়ী।
🙅 আমাদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হচ্ছে ঘুম। তাই আমাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুম একটি অপরিহার্য বিষয়। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, আমাদের মস্তিষ্ক তখন স্মৃতি ও তথ্য সংরক্ষণ করে। শরীর তার ক্ষতিকারক উপাদানগুলোকে সরিয়ে সব ঠিকঠাক করে, যাতে জেগে ওঠার পরে শরীর আবার ঠিকমত কাজ করতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরে আনে প্রশান্তি, বাড়ায় কর্মস্পৃহা। তাই পর্যাপ্ত ঘুম আমাদের সুস্থ্য থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম যেমন আমাদের জন্য দরকারি তেমনি কম বা বেশি ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ঠিকঠাক ঘুমের অভাবে হতে পারে মারাত্মক অসুখ যা কখনও কখনও নিতে পারে প্রাণঘাতী রূপ।
☠️ ঘুমের অভাবে শরীরের যে ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে: 👇
🙇♂️মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয়: মস্তিষ্ককে পরিষ্কার রাখার কাজের একটি অংশ হলো মাইক্রোগ্লিয়া কোষগুচ্ছ, যারা স্নায়ুতন্ত্রের বর্জ্য, ক্লান্ত এবং মৃত কোষের বর্জ্য পরিষ্কার করে। আরও এক ধরনের কোষ, অ্যাস্ট্রোসাইট মস্তিষ্কের বেশ কিছু কাজ একসাথে করে। এদের অনেকেগুলো কাজের মাঝে একটি হলো মস্তিষ্কের অপ্রয়োজনীয় সিন্যাপ্সগুলোকে ছেঁটে ফেলা। ঘুমের অভাবে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে অ্যাস্ট্রোসাইট কোষগুলো। ঘুমের অভাব হলে সিন্যাপ্সের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে অ্যাস্ট্রোসাইট তবে যে ব্যাপারটি বেশি দুশ্চিন্তার উদ্বেগ করে তা হলো মাইক্রোগ্লিয়ার কার্যক্রম। তারা অতিরিক্ত ঘুমের অভাবের ফলে সক্রিয় হয়। আর এর সক্রিয়তা থেকে দেখা দিতে পারে আলঝেইমার্স এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় হওয়ার অন্যান্য রোগগুলো।
🙇♂️ অ্যাথারোক্লেরোসিস: এটি এমন একটি রোগ যেখানে সাধারণত চর্বি, কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে শরীরের ধমনীর মধ্যে প্রাচীর তৈরি করে। মূলত হার্ট থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবহনের কাজ করে এই ধমনী। এই ধরনের প্রাচীরের কারণে ধমনী আগের তুলনায় অনেকটাই সঙ্কুচিত হয়ে যায় যা রক্ত সঞ্চালনের বাধার সৃষ্টি করে। তাই অ্যাথারোক্লেরোসিস মানুষের জীবনের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে।
🙇♂️ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস: মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ওরেক্সিন উৎপাদনের গতি মন্থর হয়ে যায়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম না পেলে অতিরিক্ত বিষণ্ণতা, হ্যালুসিনেশন, স্মৃতিভ্রংশের মতো একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। দিনে দিনে নিজের বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও লোপ পেতে পারে।
🙇♂️ ত্বকের সাবলীল সৌন্দর্য নষ্ট: ধারাবাহিকভাবে ঘুমের অভাব হলে ত্বকের জেল্লা কমে যায়, অকালে চেহারায় ফোটে বয়সের ছাপ। কারণ ঘুমের সময় শরীর তার মৃত কোষগুলোকে সরিয়ে নতুন কোষের সংস্থাপন করে, তাদের পুষ্টির জোগান দেয়। সঠিক পরিমাণ ঘুম শরীরের ৬০ শতাংশ ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে। কম ঘুম শরীরে গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণও কমিয়ে দেয় এবং শরীর ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে পড়ে।
🙇♂️ ওবেসিটি: বেশি ঘুমালে ওজন বাড়ে, তা অনেকেই জানেন। তাই অনেকেরই ধারণা যে, কম ঘুম হলে নিশ্চয়ই ওজন কমে? কিন্তু তা ঠিক নয়। ঘুমের অভাব আমাদের খিদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আকর্ষণ বাড়ায় হাই ফ্যাট খাবারের প্রতি। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে ছয় ঘণ্টা বা তার কম ঘুমান তাদের মোটা হওয়ার সম্ভাবনা যারা দিনে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমায় তাদের থেকে ৩০ শতাংশ বেশি।
🙇♂️ ডিপ্রেশন: অপর্যাপ্ত ঘুম বা ঘুমের কোন সমস্যা ডিপ্রেশনের একটি আহব্বায়ক হিসেবে কাজ করে। গবেষণা বলছে, হতাশাগ্রস্ত মানুষ ছয় ঘণ্টার কম ঘুমায়। আর সেটা ডিপ্রেশনকে যেমন আরও পোক্ত করে, তেমনি ইনসমনিয়ার অন্যতম কারণ। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ইনসমনিয়ার চিকিৎসা করলে ডিপ্রেশন ভালো হয়ে যায় এবং বিপরীতে ডিপ্রেশনের চিকিৎসা করালে ইনসোমোনিয়া ভালো হয়ে যায়।
🙇♂️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়: ঘুম মূলত আমাদের শরীরের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ ও শক্তি সঞ্চয়ের একটি পন্থা। যখন আমরা ঘুমাই, তখন আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী ‘লিভিং অরগানিজম’ কাজ করতে থাকে। কিন্তু আমরা না ঘুমালে এই লিভিং অরগানিজমগুলো কাজ করতে পারে না। ফলে ক্রমশ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।
🙇♂️ চিন্তাশক্তি হ্রাস: অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া বা কখনো কখনো ভাবনা হারিয়ে ফেলার মতো ঘটনা ঘটে প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুমালে। প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুম আমাদের কর্মক্ষমতা, সামাজিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলার পাশাপাশি বিভিন্ন মানসিক সমস্যার সূত্রপাত ঘটায়। ঘুমের স্বল্পতা আমাদের সারাদিনের ক্লান্তিভাব, অনিয়ন্ত্রিত আবেগ নিয়ন্ত্রণে ও অহেতুক উদ্বেগের জন্য দায়ী।
👍1😢1
🎯 ঘুমের অভাব নিতে পারে প্রাণঘাতী রূপ!!
🙇♂️ হজম শক্তি হ্রাস: প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বাড়তে পারে হজমের সমস্যাও। আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের পাচন ক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে খাবার হজমে সহায়ক পাচক রসগুলো উপযুক্ত মাত্রায় নিঃসরণে বাধা পায়। তাই হজমের নানা সমস্যা শুরু হয়।
🙇♂️ উচ্চ রক্তচাপ এবং হাইপার টেনশন: চিকিৎসকদের মতে, আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের লিভিং অরগানিজমগুলো ঠিক মতো কাজ করতে পারে না ফলে নষ্ট হয় শরীরের হরমোনের ভারসাম্য। বাড়তে পারে উচ্চ রক্তচাপ এবং হাইপার টেনশনের মতো সমস্যা।
🙇♂️ হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি: আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়। কিন্তু ঘুম কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সমস্যা তৈরি হয়।
🙇♂️ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে: দীর্ঘদিন রাতে না ঘুমানো বা কম ঘুমানোর ফলে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন ব্যহত হয়। যার ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।
আমাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুস্থ্য মানুষের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটানা ঘুম সবচেয়ে ভালো। তবে যদি কাজের প্রয়োজনে আপনি একটানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে না পারেন, তবে ভাগ করে ঘুমাতে হবে। আমাদের দৈহিক সকল কার্যকলাপই ঘুমের ওপরে অনেকটাই নির্ভরশীল। তবে যদি নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে ঘুম না আসে, তাহলে ইচ্ছেমতো ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
🙇♂️ হজম শক্তি হ্রাস: প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বাড়তে পারে হজমের সমস্যাও। আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের পাচন ক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে খাবার হজমে সহায়ক পাচক রসগুলো উপযুক্ত মাত্রায় নিঃসরণে বাধা পায়। তাই হজমের নানা সমস্যা শুরু হয়।
🙇♂️ উচ্চ রক্তচাপ এবং হাইপার টেনশন: চিকিৎসকদের মতে, আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের লিভিং অরগানিজমগুলো ঠিক মতো কাজ করতে পারে না ফলে নষ্ট হয় শরীরের হরমোনের ভারসাম্য। বাড়তে পারে উচ্চ রক্তচাপ এবং হাইপার টেনশনের মতো সমস্যা।
🙇♂️ হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি: আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়। কিন্তু ঘুম কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সমস্যা তৈরি হয়।
🙇♂️ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে: দীর্ঘদিন রাতে না ঘুমানো বা কম ঘুমানোর ফলে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন ব্যহত হয়। যার ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।
আমাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুস্থ্য মানুষের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটানা ঘুম সবচেয়ে ভালো। তবে যদি কাজের প্রয়োজনে আপনি একটানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে না পারেন, তবে ভাগ করে ঘুমাতে হবে। আমাদের দৈহিক সকল কার্যকলাপই ঘুমের ওপরে অনেকটাই নির্ভরশীল। তবে যদি নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে ঘুম না আসে, তাহলে ইচ্ছেমতো ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
Shift 2 A.pdf
144.1 KB
** ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শিক্ষাবর্ষ ২০২০-২০২১ এর ০১ নভেম্বর ২০২১ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য A ইউনিট শিফট-২ ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস **
Shift 3 A.pdf
145.2 KB
** ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শিক্ষাবর্ষ ২০২০-২০২১ এর ০১ নভেম্বর ২০২১ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য A ইউনিট শিফট-3 ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস **
Shift 4 A.pdf
145.1 KB
** ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শিক্ষাবর্ষ ২০২০-২০২১ এর ০১ নভেম্বর ২০২১ তারিখ অনুষ্ঠিতব্য A ইউনিট শিফট-4 ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস **