➡️দেশি পড়াশোনা জন্য মোটামুটি অনেক কালেকশন হয়েছে চ্যানেল এবং গ্রুপ গুলোতে।
➡️তোমাদের মতই একজন শিক্ষার্থী আমাকে জানিয়েছে আইয়েল্টস বিষয় এবং বিদেশে পড়াশোনার কনটেন্ট সমূহ এরজন্য আলাদা একটা চ্যানেল খোলার জন্য। এবং সে নিজেই তার সকল কালেকশন শেয়ার করবে।
🔃 এখন তোমাদের অভিমত কেমন?
➡️তোমাদের মতই একজন শিক্ষার্থী আমাকে জানিয়েছে আইয়েল্টস বিষয় এবং বিদেশে পড়াশোনার কনটেন্ট সমূহ এরজন্য আলাদা একটা চ্যানেল খোলার জন্য। এবং সে নিজেই তার সকল কালেকশন শেয়ার করবে।
🔃 এখন তোমাদের অভিমত কেমন?
যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে চাও, আইয়েল্টস এর প্রস্তুতি নেয়ার জন্য একটা প্রাইভেট গ্রুপ খোলা হয়েছে। যারা প্রয়োজন মনে করো তারা জয়েন হতে পারো।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি ইউনিট ভর্তির সকল তথ্য একত্রে!
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জীববিজ্ঞান অনুষদ সম্পর্কিত ইউনিট হল “ডি ইউনিট” । জাবি ডি ইউনিট এর অধীনে মোট ৭ টি বিভাগ রয়েছে । নূন্যতম যোগ্যতা থাকলেই বি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া যায় তবে প্রতিটি বিভাগে ভর্তির জন্য আলাদা আলাদা যোগ্যতার প্রয়োজন হয় ।
👉🏽 মোট আসন সংখ্যা : ৩৬৭ টি
👉🏽 মোট বিভাগ : ৭ টি
👉🏽 আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা:
২০১৭ সাল ও এর পরবর্তী সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৯ ও ২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা আবদেন করতে পারবেন ।
ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।
👉🏽 ভর্তি পরীক্ষার বিষয় ও মানবন্টন:
জীববিজ্ঞান অনুষদ বা ডি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরাই অংশগ্রহন করতে পারবেন । ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০ । যার মধ্যে ৮০ নম্বর এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা এবং এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর উপর ২০ নম্বর ।
বাংলা ও ইংরেজী - ০৮
রসায়ন বিজ্ঞান- ২৪
উদ্ভিদ বিজ্ঞান - ২২
প্রাণিবিদ্যা- ২২
আইকিউ- ৮
👉🏽 লিখিত পরীক্ষা নম্বর -৮০
👉🏽 জিপিএ নম্বর-20
👉🏽 Total Number -100
এসএসসি জিপিএ x ১.৫
এইচএসসি জিপিএ x ২.৫
👉🏽ভর্তি পরীক্ষার সময় – ১ ঘন্টা
👉🏽প্রতিটা প্রশ্নের ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নাম্বার হতে ০.২০ করে কেটে নেওয়া হবে এবং পাশ মার্ক ২৭।
👉🏽কোন বিষয়ে আলাদা ভাবে পাশ করতে হবেনা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ইউনিট সমূহঃ
ভর্তি পরীক্ষার ইউনিট সমূহ এবং বিষয় বন্টন: জাবিতে বিষয়গুলি মোট ১০ টা ইউনিটে সুবিন্যস্ত । ইউনিট গুলি হলো A, B, C, C1, D, E, F, G, H, I এই মোট ১০ টা ইউনিট।
বিষয়ভিত্তিক ইউনিটসমূহের নাম ও বিন্যাস:
✅ A Unit বা গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ- কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, গণিত বিভাগ, পরিসংখ্যান বিভাগ, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগ।
✅ B Unit বা সমাজবিজ্ঞান অনুষদ- অর্থনীতি বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, নৃবিজ্ঞান বিভাগ।
✅ C Unit বা কলা ও মানবিকী অনুষদ - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, প্রত্নতত্ত্ব, বাংলা, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ।
✅ C1 Unit বা কলা ও মানবিকী অনুষদ- নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, চারুকলা বিভাগ।
✅ D Unit বা জীববিজ্ঞান অনুষদ- ফার্মেসী বিভাগ, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ,বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারি বিভাগ, পাবলিক হেলথ্ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ।
✅E Unit বা ব্যবসায় অনুষদ (BBA)- ফিন্যান্স & ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ, একাউন্টিং & ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ।
✅F Unit বা আইন অনুষদ- Law & Justice
✅ G Unit বা ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন (IBA)-IBA
✅ H Unit বা Institute of Information Technology (IIT)- IIT
✅I ইউনিট- বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি।
" বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সব ইউনিটেই পরীক্ষা দেয়া যায়। কিন্তু ব্যবসায় শিক্ষা/মানবিক বিভাগ থেকে B, C, C1, E, F, G, I সহ মাত্র সাতটি ইউনিটে পরীক্ষা দেওয়া যায়। A, B, C, C1, D ইউনিটে বিষয় প্রাপ্তির যোগ্যতা না মিললেও SSC & HSC এর মোট পয়েন্ট মিললেই আবেদন করা যাবে। কিন্তু E, F, G, H, I ইউনিটে আবেদন করতে হলে SSC & HSC এর মোট পয়েন্ট মেলার সাথে সাথে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতাও মিলতে হবে। মানে E, F, G, H ইউনিটে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না মিললে আবেদন করা যাবে না। এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেও আপনার কাঙ্ক্ষিত ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হতে পারবেননা। উদাহরণস্বরুপ তুমি D ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন কিন্তু ফার্মেসী পেতে বিষয়ভিত্তিক যা যা শর্ত লাগে সেগুলো তোমার নাই সুতরাং তুমি আর ফার্মেসী পাবে না।" সূত্রঃ ডেইলি ক্যাম্পাস।
✅ জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি যুদ্ধের ‘ডি ফ্যাক্টর’ শিফট পদ্ধতি:
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসের নিজস্ব বিল্ডিং এ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাবির মতো শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজে নয়। সুতরাং এত ছাত্রছাত্রীর একসাথে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে জাবি কর্তৃপক্ষ কিছুটা বৈচিত্র্য এনেছে। শিফট পদ্ধতি।
✅জাহাঙ্গীরনগরের প্রতিটা সিফট এর প্রশ্ন ভিন্ন হয় বাট প্রশ্নের মান একই থাকে। তাই যদিও জাহাঙ্গীরনগর পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন জমা নিয়ে নেয়। তাই তোমার কাজ হবে তোমার যেই বন্ধুর পরীক্ষা সকালের শিফট এ তারে ম্যানেজ করা।
তোমার বন্ধু পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়া মাত্র তারে জিজ্ঞাসা করবেন তার প্রশ্নে কি কি প্রশ্ন এসেছিলো। মুখে মুখেই যতটুকু মনে থাকে সেগুলোর মতো একই ধাচের প্রশ্ন বইয়ে খুজে বের করো।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জীববিজ্ঞান অনুষদ সম্পর্কিত ইউনিট হল “ডি ইউনিট” । জাবি ডি ইউনিট এর অধীনে মোট ৭ টি বিভাগ রয়েছে । নূন্যতম যোগ্যতা থাকলেই বি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া যায় তবে প্রতিটি বিভাগে ভর্তির জন্য আলাদা আলাদা যোগ্যতার প্রয়োজন হয় ।
👉🏽 মোট আসন সংখ্যা : ৩৬৭ টি
👉🏽 মোট বিভাগ : ৭ টি
👉🏽 আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা:
২০১৭ সাল ও এর পরবর্তী সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবং ২০১৯ ও ২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা আবদেন করতে পারবেন ।
ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।
👉🏽 ভর্তি পরীক্ষার বিষয় ও মানবন্টন:
জীববিজ্ঞান অনুষদ বা ডি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরাই অংশগ্রহন করতে পারবেন । ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০ । যার মধ্যে ৮০ নম্বর এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা এবং এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর উপর ২০ নম্বর ।
বাংলা ও ইংরেজী - ০৮
রসায়ন বিজ্ঞান- ২৪
উদ্ভিদ বিজ্ঞান - ২২
প্রাণিবিদ্যা- ২২
আইকিউ- ৮
👉🏽 লিখিত পরীক্ষা নম্বর -৮০
👉🏽 জিপিএ নম্বর-20
👉🏽 Total Number -100
এসএসসি জিপিএ x ১.৫
এইচএসসি জিপিএ x ২.৫
👉🏽ভর্তি পরীক্ষার সময় – ১ ঘন্টা
👉🏽প্রতিটা প্রশ্নের ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নাম্বার হতে ০.২০ করে কেটে নেওয়া হবে এবং পাশ মার্ক ২৭।
👉🏽কোন বিষয়ে আলাদা ভাবে পাশ করতে হবেনা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ইউনিট সমূহঃ
ভর্তি পরীক্ষার ইউনিট সমূহ এবং বিষয় বন্টন: জাবিতে বিষয়গুলি মোট ১০ টা ইউনিটে সুবিন্যস্ত । ইউনিট গুলি হলো A, B, C, C1, D, E, F, G, H, I এই মোট ১০ টা ইউনিট।
বিষয়ভিত্তিক ইউনিটসমূহের নাম ও বিন্যাস:
✅ A Unit বা গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ- কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, গণিত বিভাগ, পরিসংখ্যান বিভাগ, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগ।
✅ B Unit বা সমাজবিজ্ঞান অনুষদ- অর্থনীতি বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, নৃবিজ্ঞান বিভাগ।
✅ C Unit বা কলা ও মানবিকী অনুষদ - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, প্রত্নতত্ত্ব, বাংলা, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ।
✅ C1 Unit বা কলা ও মানবিকী অনুষদ- নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, চারুকলা বিভাগ।
✅ D Unit বা জীববিজ্ঞান অনুষদ- ফার্মেসী বিভাগ, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ,বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারি বিভাগ, পাবলিক হেলথ্ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ।
✅E Unit বা ব্যবসায় অনুষদ (BBA)- ফিন্যান্স & ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ, একাউন্টিং & ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ।
✅F Unit বা আইন অনুষদ- Law & Justice
✅ G Unit বা ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন (IBA)-IBA
✅ H Unit বা Institute of Information Technology (IIT)- IIT
✅I ইউনিট- বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি।
" বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সব ইউনিটেই পরীক্ষা দেয়া যায়। কিন্তু ব্যবসায় শিক্ষা/মানবিক বিভাগ থেকে B, C, C1, E, F, G, I সহ মাত্র সাতটি ইউনিটে পরীক্ষা দেওয়া যায়। A, B, C, C1, D ইউনিটে বিষয় প্রাপ্তির যোগ্যতা না মিললেও SSC & HSC এর মোট পয়েন্ট মিললেই আবেদন করা যাবে। কিন্তু E, F, G, H, I ইউনিটে আবেদন করতে হলে SSC & HSC এর মোট পয়েন্ট মেলার সাথে সাথে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতাও মিলতে হবে। মানে E, F, G, H ইউনিটে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না মিললে আবেদন করা যাবে না। এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেও আপনার কাঙ্ক্ষিত ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হতে পারবেননা। উদাহরণস্বরুপ তুমি D ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন কিন্তু ফার্মেসী পেতে বিষয়ভিত্তিক যা যা শর্ত লাগে সেগুলো তোমার নাই সুতরাং তুমি আর ফার্মেসী পাবে না।" সূত্রঃ ডেইলি ক্যাম্পাস।
✅ জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি যুদ্ধের ‘ডি ফ্যাক্টর’ শিফট পদ্ধতি:
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসের নিজস্ব বিল্ডিং এ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাবির মতো শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজে নয়। সুতরাং এত ছাত্রছাত্রীর একসাথে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে জাবি কর্তৃপক্ষ কিছুটা বৈচিত্র্য এনেছে। শিফট পদ্ধতি।
✅জাহাঙ্গীরনগরের প্রতিটা সিফট এর প্রশ্ন ভিন্ন হয় বাট প্রশ্নের মান একই থাকে। তাই যদিও জাহাঙ্গীরনগর পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন জমা নিয়ে নেয়। তাই তোমার কাজ হবে তোমার যেই বন্ধুর পরীক্ষা সকালের শিফট এ তারে ম্যানেজ করা।
তোমার বন্ধু পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়া মাত্র তারে জিজ্ঞাসা করবেন তার প্রশ্নে কি কি প্রশ্ন এসেছিলো। মুখে মুখেই যতটুকু মনে থাকে সেগুলোর মতো একই ধাচের প্রশ্ন বইয়ে খুজে বের করো।
✍ শিক্ষার্থীদের খাবার স্বাস্থ্যকর করার উপায়!
▪️ প্রতিদিন ২০০০-২৫০০ গ্রাম ক্যালোরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন
▪️ সকালের নাশতায় হাই-ফাইবার ও লো-ফ্যাটের খাবার রাখুন
▪️ প্রতিদিন মোট খাবারের অন্তত ৫ ভাগ ফল ও সবজি রাখুন
▪️ খাবার তালিকায় ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ তৈলাক্ত মাছ যুক্ত করুন
▪️ দিনে ৬ গ্রাম বা ১ চা–চামচের বেশি লবণ গ্রহণ করবেন না
▪️ দিনে ২০-৩০ গ্রামের বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ বাদ দিন
©️ Udvash Facebook Page
▪️ প্রতিদিন ২০০০-২৫০০ গ্রাম ক্যালোরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন
▪️ সকালের নাশতায় হাই-ফাইবার ও লো-ফ্যাটের খাবার রাখুন
▪️ প্রতিদিন মোট খাবারের অন্তত ৫ ভাগ ফল ও সবজি রাখুন
▪️ খাবার তালিকায় ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ তৈলাক্ত মাছ যুক্ত করুন
▪️ দিনে ৬ গ্রাম বা ১ চা–চামচের বেশি লবণ গ্রহণ করবেন না
▪️ দিনে ২০-৩০ গ্রামের বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ বাদ দিন
©️ Udvash Facebook Page
👍1
যারা নিয়মিত ইউটিউবে ভিডিও দেখে তাদের জন্য সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয় হচ্ছে মনিটাইজেশনের অ্যাডগুলো ভিডিওর মধ্যে এসে যায়। এই সমস্যা দূর করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ রয়েছে তবে আমার কাছে সবচেয়ে যেটা ভালো লেগেছে সেটা শেয়ার করতেছি। ইনস্টল নাও বাটনে ক্লিক করলেই প্লে স্টোরে সরাসরি নিয়ে যাবে। ইনভাইটেশন কোড ব্যবহার করলে সাত দিনের জন্য প্রিমিয়াম ফ্যাসিলিটিস পাবে।
Note: ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।
Invitation Code:
Note: ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।
Invitation Code:
EBFP5 ⬅️CopyHSC-20 : CU
💞.শিক্ষার্থীরা তোমরা ভর্তি পরীক্ষায় Phy,Chem,Math,Bio থেকে যেকোন তিনটি বিষয় দাগাতে পারবে।চবিতে এবার সাব্জেক্ট এর উপর বিশেষ কোন শর্ত নেই।
💞তাই একজন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় যে তিনটাই দাগাও না কেনো ভর্তি চয়েজ এর সময় তুমি সবগুলো ডিপার্টমেন্ট এ চয়েজ দিতে পারবে।বলা যায়, একজন শিক্ষার্থী যেকোন তিনটি দাগিয়ে চবিতে সব ডিপার্টমেন্ট এ পড়ার সুযোগ পাবে।
💞ভর্তি পরীক্ষায় মোট পাশ নম্বর=40 ।বিষয়ভিত্তিক পাশ নম্বর দুটি বিষয়েঃবাংলায় পাশ নাম্বার=3 এবং ইংরেজিতে=4।
💞ভর্তি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং=0.25 তবে এটা মোট নম্বর থেকে কর্তন করা হবে।তাই বিষয়ভিত্তিক পাশের ক্ষেত্রে শুধু বাংলায় 3টি সঠিক এবং ইংরেজিতে 4টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে।
AAPathshala
💞.শিক্ষার্থীরা তোমরা ভর্তি পরীক্ষায় Phy,Chem,Math,Bio থেকে যেকোন তিনটি বিষয় দাগাতে পারবে।চবিতে এবার সাব্জেক্ট এর উপর বিশেষ কোন শর্ত নেই।
💞তাই একজন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় যে তিনটাই দাগাও না কেনো ভর্তি চয়েজ এর সময় তুমি সবগুলো ডিপার্টমেন্ট এ চয়েজ দিতে পারবে।বলা যায়, একজন শিক্ষার্থী যেকোন তিনটি দাগিয়ে চবিতে সব ডিপার্টমেন্ট এ পড়ার সুযোগ পাবে।
💞ভর্তি পরীক্ষায় মোট পাশ নম্বর=40 ।বিষয়ভিত্তিক পাশ নম্বর দুটি বিষয়েঃবাংলায় পাশ নাম্বার=3 এবং ইংরেজিতে=4।
💞ভর্তি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং=0.25 তবে এটা মোট নম্বর থেকে কর্তন করা হবে।তাই বিষয়ভিত্তিক পাশের ক্ষেত্রে শুধু বাংলায় 3টি সঠিক এবং ইংরেজিতে 4টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে।
AAPathshala
Chittagong University তে সাবজেক্ট পাবার ক্ষেত্রে কিছু কন্ডিশন আছে তা দেখে নাও সবাই ।
⭕️A unit :
✳️বাংলায় ১০ এর মধ্যে ৩ পেতে হবে
✳️ইংরেজিতে ১৫ এর মধ্যে ৫ পেতে হবে
✳️রসায়নে ২৫ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️পদার্থ বিজ্ঞানে ২৫ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️গনিত অথবা জীববিজ্ঞানে ২৫ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে।
.
⭕️B ইউনিট
✳️বাংলায় ৩৫ এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
✳️ইংরেজিতে ৩৫ এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
✳️সাধারণ জ্ঞানে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
.
⭕️C ইউনিট
✳️ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️হিসাব বিজ্ঞানে ৩৫ এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
✳️বযাবসায় নীতি (management) ৩৫ এর এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
.
⭕️D ইউনিট
✳️বাংলাতে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️IQ তে ২০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️জিকে/অর্থনীতি/ গনিত -- ৩টার মধ্যে যেকোনো ১টি সাবজেক্ট এর উপর উত্তর করতে হবে এবং উক্ত বিষয়ে ২০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
⭕️A unit :
✳️বাংলায় ১০ এর মধ্যে ৩ পেতে হবে
✳️ইংরেজিতে ১৫ এর মধ্যে ৫ পেতে হবে
✳️রসায়নে ২৫ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️পদার্থ বিজ্ঞানে ২৫ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️গনিত অথবা জীববিজ্ঞানে ২৫ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে।
.
⭕️B ইউনিট
✳️বাংলায় ৩৫ এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
✳️ইংরেজিতে ৩৫ এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
✳️সাধারণ জ্ঞানে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
.
⭕️C ইউনিট
✳️ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️হিসাব বিজ্ঞানে ৩৫ এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
✳️বযাবসায় নীতি (management) ৩৫ এর এর মধ্যে ১০ পেতে হবে
.
⭕️D ইউনিট
✳️বাংলাতে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️IQ তে ২০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
✳️জিকে/অর্থনীতি/ গনিত -- ৩টার মধ্যে যেকোনো ১টি সাবজেক্ট এর উপর উত্তর করতে হবে এবং উক্ত বিষয়ে ২০ এর মধ্যে ৮ পেতে হবে
বাকি ১৮ ভার্সিটি মিলে টাইমের বিষয়টা মাথায় রেখে একটা ভালো প্রশ্ন তৈরি করলো। সুন্দর করে কয়েক পেজ নিয়ে ডিজাইন করলো। কিন্তু এক্সামের দুইদিন আগে সাস্ট বলে
সাস্টঃ ১৮ ভার্সিটি শুনেন, চলেন গুচ্ছের বাকি ডিসিশনগুলোর মত প্রশ্নপত্র দিয়েও সবাইকে চমকায় দেই।
গুচ্ছ কমিটিঃ কিন্তু আমাদের তো প্রশ্ন প্রিন্টিং-এর টাকা প্রায় শেষ।
সাস্টঃ সমস্যা নাই, এক পেজেই করে দিবো ছোট করে, রাফের জন্য এই টাইপের ক্যালকুলেশন মাথাতেই করবে সবাই। ঠিক আছে?
বাকি ১৮ ভার্সিটিঃ জ্বি আব্বা, যেটা বলবেন অইটাই।
পরীক্ষার প্রশ্ন সাবমিট করার পরে গুচ্ছ কমিটি সাস্টকে বলে আপনারা বায়োলজি প্রশ্ন করছেন কই? আর সময় তো একটু কম হয়ে গেল এইগুলা সলভ করার জন্য।
সাস্টঃ সময় কম তাতে কি, ওরা গুড লাকের সুপার ফার্স্ট কলম দিয়ে লিখবে, ওদের মাথা তো কম্পিউটার লেভেলের। আর বায়োলজির ব্যাপারে সরি, আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং প্রশ্ন করছিলাম তাই ভুলে গেছিলাম বায়োলজির কথা, একটু দারান, এই কে আছো যাও তো আমাদের ভার্সিটির একজন বায়োলজির টিচার নিয়ে আসো, বলো বায়োলজি প্রশ্ন তৈরি করা লাগবে।
সাস্টের পিওনঃ উনি বিজি, বললেন আপনারা HSC লেভেলে বায়োলজির যতটুকু মনে আছে ওর মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি করেন।
ব্যাস, আর কি, তৈরি হয়ে গেল ইতিহাসের প্রথম সুপার স্ট্যান্ডার্ড লেভেলের প্রশ্নপত্র।
©Unknown (যে লিখছে, আসলেই জোস লিখছে। যে পোস্টে এটা পেয়েছি, এই এতটাই, মানে শেষে জাস্ট © ছিলো, কারও নাম ছিলো না বা পোস্টদাতা যে নিজেই লিখেছেন, এটাও না। তাই, নাম দিতে পারি নি। আর, এটা যে আমার লেখা না, সেটা Confirm করার জন্যেই এডিট করে এই কথাগুলো লিখলাম 🙂)
কালেক্টেড
সাস্টঃ ১৮ ভার্সিটি শুনেন, চলেন গুচ্ছের বাকি ডিসিশনগুলোর মত প্রশ্নপত্র দিয়েও সবাইকে চমকায় দেই।
গুচ্ছ কমিটিঃ কিন্তু আমাদের তো প্রশ্ন প্রিন্টিং-এর টাকা প্রায় শেষ।
সাস্টঃ সমস্যা নাই, এক পেজেই করে দিবো ছোট করে, রাফের জন্য এই টাইপের ক্যালকুলেশন মাথাতেই করবে সবাই। ঠিক আছে?
বাকি ১৮ ভার্সিটিঃ জ্বি আব্বা, যেটা বলবেন অইটাই।
পরীক্ষার প্রশ্ন সাবমিট করার পরে গুচ্ছ কমিটি সাস্টকে বলে আপনারা বায়োলজি প্রশ্ন করছেন কই? আর সময় তো একটু কম হয়ে গেল এইগুলা সলভ করার জন্য।
সাস্টঃ সময় কম তাতে কি, ওরা গুড লাকের সুপার ফার্স্ট কলম দিয়ে লিখবে, ওদের মাথা তো কম্পিউটার লেভেলের। আর বায়োলজির ব্যাপারে সরি, আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং প্রশ্ন করছিলাম তাই ভুলে গেছিলাম বায়োলজির কথা, একটু দারান, এই কে আছো যাও তো আমাদের ভার্সিটির একজন বায়োলজির টিচার নিয়ে আসো, বলো বায়োলজি প্রশ্ন তৈরি করা লাগবে।
সাস্টের পিওনঃ উনি বিজি, বললেন আপনারা HSC লেভেলে বায়োলজির যতটুকু মনে আছে ওর মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি করেন।
ব্যাস, আর কি, তৈরি হয়ে গেল ইতিহাসের প্রথম সুপার স্ট্যান্ডার্ড লেভেলের প্রশ্নপত্র।
©Unknown (যে লিখছে, আসলেই জোস লিখছে। যে পোস্টে এটা পেয়েছি, এই এতটাই, মানে শেষে জাস্ট © ছিলো, কারও নাম ছিলো না বা পোস্টদাতা যে নিজেই লিখেছেন, এটাও না। তাই, নাম দিতে পারি নি। আর, এটা যে আমার লেখা না, সেটা Confirm করার জন্যেই এডিট করে এই কথাগুলো লিখলাম 🙂)
কালেক্টেড
HSC-20 : GST
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।শিক্ষার্থীরা Application ID ও Password দিয়ে প্রাপ্ত মার্ক্স দেখতে পারবে।
লিঙ্ক=https://gstadmission.ac.bd/admission-result/get-form
সার্ভার এর উপর প্রচুর চাপ একটু পরপর চেষ্টা করো
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।শিক্ষার্থীরা Application ID ও Password দিয়ে প্রাপ্ত মার্ক্স দেখতে পারবে।
লিঙ্ক=https://gstadmission.ac.bd/admission-result/get-form
সার্ভার এর উপর প্রচুর চাপ একটু পরপর চেষ্টা করো
GST Result 2021 Mark Obtained 👏
Anonymous Poll
5%
90+
1%
80+
2%
70+
6%
60+
17%
50+
27%
40+
24%
30+
18%
20+
উদ্ভাসের ভার্সিটি ঘ এর সকল ক্লাসগুলোর পিডিএফ অনেক আগেই চ্যানেলে দেওয়া হয়েছে।
এই শেষ সময়ে এসে স্লাইডগুলো পড়লে অনেকটা বেনিফিট পাবে সবাই।
বাংলা,ইংরেজি,সাধারণ জ্ঞান সবগুলো ক্লাসের পিডিএফ গুলো আছে।
Link: https://t.me/reqpdf/33
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ জিপ ফাইল ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিও। ZAchiver/RAR Android App এর মাধ্যমে।
এই শেষ সময়ে এসে স্লাইডগুলো পড়লে অনেকটা বেনিফিট পাবে সবাই।
বাংলা,ইংরেজি,সাধারণ জ্ঞান সবগুলো ক্লাসের পিডিএফ গুলো আছে।
Link: https://t.me/reqpdf/33
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ জিপ ফাইল ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিও। ZAchiver/RAR Android App এর মাধ্যমে।
Telegram
✿ALL REQUEST PDF✿
Varsity Special Gha All PDF in One ZipFile
👍1
জিএসটির পরীক্ষা পরবর্তী করণীয়!
শুরুতেই বলে নিচ্ছি জিএসটি কেবলমাত্র স্কোরিং পদ্ধতি। তাই এখানে কোনো প্রকার সিরিয়াল করেনি কর্তৃপক্ষ।
জিএসটির অন্তভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলি শিক্ষার্থীদের এই স্কোর ( নাম্বার ) দেখে নিজেদের স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে ভর্তির সার্কুলার প্রকাশ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ( কিংবা পত্রিকায়)। সুতরাং আপনারা প্রতিনিয়ত চোখ রাখবেন জিএসটির অন্তভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলির ওয়েবসাইটে।
আপনার অনেকে জানতে চাচ্ছেন ৪০ পেয়েছি কোথায় চান্স পাবো কিংবা ৫৫ পেয়েছি কোথায় কোন বিষয়ে চান্স পেতে পারি ইত্যাদি ইত্যাদি....
এই প্রশ্নের উত্তর কেউ একক ভাবে দিতে পারবে না। কারণ প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলার হবে পৃথক পৃথক। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলারের মিল নাও থাকতে পারে। কারণ একেকটি বিশ্ববিদ্যালয় একেকভাবে সিদ্ধান্ত নিবে!
একটি উদাহরণ দেই আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে! ধরুণ বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে দুইটি সাবজেক্ট রয়েছে। দুইটি বিষয়ই ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কিত। সুতরাং তারা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় সার্কুলারে বলে দিবে গণিত, আইসিটি ও পদার্থে যারা ৮ কিংবা তার উপরে পাবে তারাই আবেদন করতে পারবে। এখন সার্কুলার অনুযায়ী যাদের উক্ত বিষয় গুলোতে নাম্বার ৮ কিংবা ৮ এর উপরে আছে তারা আবেদন করবে। যাদের একটি বিষয়ে ৮ এর নিচে থাকবে তারা আবার আবেদন করতে পারবেন না। আবেদন করার জন্য একটি নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেখবে সর্বোচ্চসংখ্যক নাম্বার কাদের রয়েছে ( পদার্থ, গনিত ও আইসিটি) । যাদের সর্বোচ্চ নাম্বার থাকবে তারা আগে ভর্তি হবে। এরপর ক্রমান্বয়ে সর্বোচ্চ নাম্বার থেকে নিচের দিকে যাদের নাম্বার থাকবে তারা ভর্তির সুযোগ পাবেন। এখানে বলে রাখা ভালো ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে যে পদার্থ, গনিত ও আইসিটির মার্কই দেখে হবে বিষয়টি এমনটি নয়। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো স্বাধীন। তাই তারা পৃথক পৃথক শর্ত দিয়ে দিবে সংশ্লিষ্ট অনুষদ / বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ।
অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন আমার রেজাল্ট যদি একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অনুষদ কিংবা বিভাগে পড়ার সুযোগ হয় তাহলে কি আমি সবগুলোতে আবেদন করতে পারবো। উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ পারবেন। যদি ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শর্ত পূরণ করতে পারেন তবে ২০ টি তেই আবেদন করতে পারবেন।
আবার অনেকে জানতে চাচ্ছেন ৫০- ৬০ মার্ক কতজন পেছেছে কিংবা ৪০-৫০ কত জন পেয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি??
উত্তর : এটি কেউই বলতে পারবে না। কারণ এখন টোটাল মার্কের উপর ভর্তি হতে পারবেন না কেউ। এখন ভর্তি হবে ৩/৪ টি বিষয়ের প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে। এতে করে দেখা যাবে কারো গড় নাম্বার বেশি সে চান্স পায়নি কারণ বিষয়ভিত্তিক কয়েকটি সাবজেক্টে তাদের প্রাপ্ত নাম্বার কম। আবার কারো গড় নাম্বার কম কিন্তু বিষয় ভিত্তিক কয়েকটি সাবজেক্টে নাম্বার বেশি পেয়েছে সুতরাং সে চান্স পাবে।
বি. দ্র. যে ৯৫ পেয়েছে তার পরিচয় কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করে নি। তবে বিষয়টি সত্য! সর্বনিম্ন নাম্বার পেয়েছে -১০ ( মাইনাস ১০)। এছাড়া OMR চ্যালেঞ্জের কোনো সুযোগ নেই বলে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটি জানিয়েছে।
ধন্যবাদান্তে
মোঃ মিরাজুল আল মিশকাত শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) দিনাজপুর।
সভাপতি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি।
মিডিয়া : দৈনিক মানবকন্ঠ, দৈনিক সময়ের আলো, ডেইলি বাংলাদেশ, প্রতিদিনের সংবাদ।
শুরুতেই বলে নিচ্ছি জিএসটি কেবলমাত্র স্কোরিং পদ্ধতি। তাই এখানে কোনো প্রকার সিরিয়াল করেনি কর্তৃপক্ষ।
জিএসটির অন্তভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলি শিক্ষার্থীদের এই স্কোর ( নাম্বার ) দেখে নিজেদের স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখে ভর্তির সার্কুলার প্রকাশ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ( কিংবা পত্রিকায়)। সুতরাং আপনারা প্রতিনিয়ত চোখ রাখবেন জিএসটির অন্তভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলির ওয়েবসাইটে।
আপনার অনেকে জানতে চাচ্ছেন ৪০ পেয়েছি কোথায় চান্স পাবো কিংবা ৫৫ পেয়েছি কোথায় কোন বিষয়ে চান্স পেতে পারি ইত্যাদি ইত্যাদি....
এই প্রশ্নের উত্তর কেউ একক ভাবে দিতে পারবে না। কারণ প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলার হবে পৃথক পৃথক। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলারের মিল নাও থাকতে পারে। কারণ একেকটি বিশ্ববিদ্যালয় একেকভাবে সিদ্ধান্ত নিবে!
একটি উদাহরণ দেই আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে! ধরুণ বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে দুইটি সাবজেক্ট রয়েছে। দুইটি বিষয়ই ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কিত। সুতরাং তারা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় সার্কুলারে বলে দিবে গণিত, আইসিটি ও পদার্থে যারা ৮ কিংবা তার উপরে পাবে তারাই আবেদন করতে পারবে। এখন সার্কুলার অনুযায়ী যাদের উক্ত বিষয় গুলোতে নাম্বার ৮ কিংবা ৮ এর উপরে আছে তারা আবেদন করবে। যাদের একটি বিষয়ে ৮ এর নিচে থাকবে তারা আবার আবেদন করতে পারবেন না। আবেদন করার জন্য একটি নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দেখবে সর্বোচ্চসংখ্যক নাম্বার কাদের রয়েছে ( পদার্থ, গনিত ও আইসিটি) । যাদের সর্বোচ্চ নাম্বার থাকবে তারা আগে ভর্তি হবে। এরপর ক্রমান্বয়ে সর্বোচ্চ নাম্বার থেকে নিচের দিকে যাদের নাম্বার থাকবে তারা ভর্তির সুযোগ পাবেন। এখানে বলে রাখা ভালো ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে যে পদার্থ, গনিত ও আইসিটির মার্কই দেখে হবে বিষয়টি এমনটি নয়। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো স্বাধীন। তাই তারা পৃথক পৃথক শর্ত দিয়ে দিবে সংশ্লিষ্ট অনুষদ / বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ।
অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন আমার রেজাল্ট যদি একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অনুষদ কিংবা বিভাগে পড়ার সুযোগ হয় তাহলে কি আমি সবগুলোতে আবেদন করতে পারবো। উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ পারবেন। যদি ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শর্ত পূরণ করতে পারেন তবে ২০ টি তেই আবেদন করতে পারবেন।
আবার অনেকে জানতে চাচ্ছেন ৫০- ৬০ মার্ক কতজন পেছেছে কিংবা ৪০-৫০ কত জন পেয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি??
উত্তর : এটি কেউই বলতে পারবে না। কারণ এখন টোটাল মার্কের উপর ভর্তি হতে পারবেন না কেউ। এখন ভর্তি হবে ৩/৪ টি বিষয়ের প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে। এতে করে দেখা যাবে কারো গড় নাম্বার বেশি সে চান্স পায়নি কারণ বিষয়ভিত্তিক কয়েকটি সাবজেক্টে তাদের প্রাপ্ত নাম্বার কম। আবার কারো গড় নাম্বার কম কিন্তু বিষয় ভিত্তিক কয়েকটি সাবজেক্টে নাম্বার বেশি পেয়েছে সুতরাং সে চান্স পাবে।
বি. দ্র. যে ৯৫ পেয়েছে তার পরিচয় কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করে নি। তবে বিষয়টি সত্য! সর্বনিম্ন নাম্বার পেয়েছে -১০ ( মাইনাস ১০)। এছাড়া OMR চ্যালেঞ্জের কোনো সুযোগ নেই বলে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটি জানিয়েছে।
ধন্যবাদান্তে
মোঃ মিরাজুল আল মিশকাত শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) দিনাজপুর।
সভাপতি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি।
মিডিয়া : দৈনিক মানবকন্ঠ, দৈনিক সময়ের আলো, ডেইলি বাংলাদেশ, প্রতিদিনের সংবাদ।