বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালীন আমি tuition শুরু করি। তখন ক্লাস নাইনের এক শিক্ষার্থীকে পড়াতাম। তার সঙ্গে আমার শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের বাইরে একটি আন্তরিক যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। তার সবচেয়ে কাছের এক বান্ধবীও মাঝেমধ্যে তাদের বাসায় আসত। সে এলে আমি দুজনকেই একসঙ্গে Physics, Chemistry এবং Mathematics পড়াতাম।
দুজনই ঢাকার একটি স্বনামধন্য স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল এবং পারিবারিকভাবেও তারা যথেষ্ট ভালো অবস্থানে ছিল।
হঠাৎ একদিন জানতে পারি, আমার ওই শিক্ষার্থীর বান্ধবীর মা মারা গেছেন। ঘটনাটি তাকে মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। এরপর থেকে সে প্রায়ই তার বান্ধবীর বাসায় সময় কাটাত। দেখা হলে আমি তাকে console করার চেষ্টা করতাম। পরে জানতে পারি, আমার কথা শুনলে তার কিছুটা ভালো লাগত।
একদিন সে আমার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আমার নাম্বার নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে। ধীরে ধীরে নিজের জীবনের কঠিন বাস্তবতাগুলো আমার সঙ্গে share করতে শুরু করে। তখন জানতে পারি, তার মায়ের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না—তার বিশ্বাস, তার বাবার পরিকল্পনার ফলেই তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আরও জানতে পারি, তার বাবার অন্যত্র একটি relationship ছিল এবং মায়ের মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি অন্য একজনকে বিয়ে করেন।
এই পরিস্থিতির মধ্যে মেয়েটি পরিবারে প্রচণ্ড mental pressure ও অবহেলার শিকার হচ্ছিল। বাসায় পড়াশোনার মতো পরিবেশ ছিল না বলেই সে প্রায়ই বান্ধবীর বাসায় আসত।
তার কষ্টের গল্প শুনে তার প্রতি আমার গভীর মায়া জন্মায়। আমি যতটা সম্ভব তাকে mental support দেওয়ার চেষ্টা করি, পাশাপাশি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও পাশে থাকি। আমি তাকে বোঝাই, জীবনে যা-ই ঘটুক না কেন, পড়াশোনা বন্ধ করা যাবে না। নিজের জীবনকে নিজের মতো করে build up করতে হলে তাকে ভালোভাবে পড়াশোনা করে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং একসময় তা ভালোবাসায় রূপ নেয়।
সে SSC-তে খুব ভালো ফলাফল করে। এরপর তার বাবা তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। কিন্তু সে নিজের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করে এবং একপর্যায়ে বাবার বাসা ছেড়ে খালার বাসায় আশ্রয় নেয়।
তার খালার আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। খালা আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। সে খালার বাসায় থেকে কলেজে ভর্তি হয়। প্রতি মাসে আমি তার খালাকে কিছু টাকা দিতাম, তার personal expense দিতাম এবং পড়াশোনার প্রায় সব খরচই বহন করতাম।
যখন সে Intermediate Second Year-এ পড়ে, তখন আমার একটি ভালো company-তে চাকরি হয়। এদিকে পরিবার আমার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করে। আমি তাদের জানিয়ে দিই, আমার পছন্দের একজন মানুষ আছে।
ইন্টারমিডিয়েটেও সে অসাধারণ result করে। তার স্বপ্ন ছিল Medical-এ পড়ার। আমি তাকে সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য উৎসাহ দিই। প্রথমবার Medical Admission Test-এ সে সুযোগ পায়নি। এতে সে আবারও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আমি তাকে সাহস দিই এবং second attempt নিতে উৎসাহিত করি।
একটি পুরো বছর আমি অফিসের বাইরে যত সময় পেয়েছি, তার পড়াশোনা ও মানসিক সাপোর্টে দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়বার চেষ্টায় সে মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।
সেদিন মনে হয়েছিল, এটি যেন আমার নিজের জীবনেরও বড় একটি achievement। আমি আমার ভালোবাসার মানুষটিকে তার স্বপ্নের পথে এগিয়ে দিতে পেরেছি।
মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরও সে ভালোভাবেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকে। এক বছর পর আমি তাকে বলি, আমার পরিবারের সঙ্গে meet করার জন্য। কিন্তু সে তখন সময় চায়। জানায়, মেডিকেলের academic pressure অনেক বেশি, এখনই বিয়ে বা এসব নিয়ে ভাবতে চায় না।
পরে আমার মানসিক অবস্থা দেখে সে আমাকে assure করে—প্রথম professional exam পাশ করার পর আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবে। কথা মতো সে প্রথম প্রফ ভালোভাবে পাশ করে এবং আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। আমার মা ও পরিবারের সদস্যরা তাকে পছন্দও করেন।
সে তখন আমার পরিবারের কাছ থেকেও আরও কয়েক বছর সময় চায়। জানায়, MBBS complete করার পরই সে আমাকে বিয়ে করবে।
আমি অপেক্ষা করতে থাকি।
এরই মধ্যে PhD scholarship নিয়ে আমি Australia-তে যাওয়ার সুযোগ পাই। তার সম্মতিতেই বিদেশে যাই। সেখানে যাওয়ার পরও আমাদের যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল। তার hostel expense, আনুষঙ্গিক খরচ—সবকিছুই আমি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বহন করেছি। আমি চেয়েছি, সে যেন কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়া নিজের career-এ focus করতে পারে।
এই সময়ের মধ্যে আমি দুইবার দেশে এসেছি, তার সঙ্গে দেখা করেছি। সবকিছুই স্বাভাবিক মনে হয়েছে। কখনো আমার মনে হয়নি, এই মানুষটা আমাকে betray করতে পারে।
কিন্তু life সবসময় আমাদের expectation অনুযায়ী চলে না।
MBBS শেষ করার পর আমি তাকে বিয়ের কথা আরও গুরুত্ব দিয়ে বলতে শুরু করি। আমি চাইছিলাম, দেশে এসে অন্তত আমাদের engagement সম্পন্ন করতে। কিন্তু সে জানায়, internship শেষ করার পর সে এসব করবে।
দুজনই ঢাকার একটি স্বনামধন্য স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল এবং পারিবারিকভাবেও তারা যথেষ্ট ভালো অবস্থানে ছিল।
হঠাৎ একদিন জানতে পারি, আমার ওই শিক্ষার্থীর বান্ধবীর মা মারা গেছেন। ঘটনাটি তাকে মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। এরপর থেকে সে প্রায়ই তার বান্ধবীর বাসায় সময় কাটাত। দেখা হলে আমি তাকে console করার চেষ্টা করতাম। পরে জানতে পারি, আমার কথা শুনলে তার কিছুটা ভালো লাগত।
একদিন সে আমার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আমার নাম্বার নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে। ধীরে ধীরে নিজের জীবনের কঠিন বাস্তবতাগুলো আমার সঙ্গে share করতে শুরু করে। তখন জানতে পারি, তার মায়ের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না—তার বিশ্বাস, তার বাবার পরিকল্পনার ফলেই তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আরও জানতে পারি, তার বাবার অন্যত্র একটি relationship ছিল এবং মায়ের মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি অন্য একজনকে বিয়ে করেন।
এই পরিস্থিতির মধ্যে মেয়েটি পরিবারে প্রচণ্ড mental pressure ও অবহেলার শিকার হচ্ছিল। বাসায় পড়াশোনার মতো পরিবেশ ছিল না বলেই সে প্রায়ই বান্ধবীর বাসায় আসত।
তার কষ্টের গল্প শুনে তার প্রতি আমার গভীর মায়া জন্মায়। আমি যতটা সম্ভব তাকে mental support দেওয়ার চেষ্টা করি, পাশাপাশি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও পাশে থাকি। আমি তাকে বোঝাই, জীবনে যা-ই ঘটুক না কেন, পড়াশোনা বন্ধ করা যাবে না। নিজের জীবনকে নিজের মতো করে build up করতে হলে তাকে ভালোভাবে পড়াশোনা করে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং একসময় তা ভালোবাসায় রূপ নেয়।
সে SSC-তে খুব ভালো ফলাফল করে। এরপর তার বাবা তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। কিন্তু সে নিজের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করে এবং একপর্যায়ে বাবার বাসা ছেড়ে খালার বাসায় আশ্রয় নেয়।
তার খালার আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। খালা আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। সে খালার বাসায় থেকে কলেজে ভর্তি হয়। প্রতি মাসে আমি তার খালাকে কিছু টাকা দিতাম, তার personal expense দিতাম এবং পড়াশোনার প্রায় সব খরচই বহন করতাম।
যখন সে Intermediate Second Year-এ পড়ে, তখন আমার একটি ভালো company-তে চাকরি হয়। এদিকে পরিবার আমার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করে। আমি তাদের জানিয়ে দিই, আমার পছন্দের একজন মানুষ আছে।
ইন্টারমিডিয়েটেও সে অসাধারণ result করে। তার স্বপ্ন ছিল Medical-এ পড়ার। আমি তাকে সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য উৎসাহ দিই। প্রথমবার Medical Admission Test-এ সে সুযোগ পায়নি। এতে সে আবারও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আমি তাকে সাহস দিই এবং second attempt নিতে উৎসাহিত করি।
একটি পুরো বছর আমি অফিসের বাইরে যত সময় পেয়েছি, তার পড়াশোনা ও মানসিক সাপোর্টে দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়বার চেষ্টায় সে মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।
সেদিন মনে হয়েছিল, এটি যেন আমার নিজের জীবনেরও বড় একটি achievement। আমি আমার ভালোবাসার মানুষটিকে তার স্বপ্নের পথে এগিয়ে দিতে পেরেছি।
মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরও সে ভালোভাবেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকে। এক বছর পর আমি তাকে বলি, আমার পরিবারের সঙ্গে meet করার জন্য। কিন্তু সে তখন সময় চায়। জানায়, মেডিকেলের academic pressure অনেক বেশি, এখনই বিয়ে বা এসব নিয়ে ভাবতে চায় না।
পরে আমার মানসিক অবস্থা দেখে সে আমাকে assure করে—প্রথম professional exam পাশ করার পর আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবে। কথা মতো সে প্রথম প্রফ ভালোভাবে পাশ করে এবং আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। আমার মা ও পরিবারের সদস্যরা তাকে পছন্দও করেন।
সে তখন আমার পরিবারের কাছ থেকেও আরও কয়েক বছর সময় চায়। জানায়, MBBS complete করার পরই সে আমাকে বিয়ে করবে।
আমি অপেক্ষা করতে থাকি।
এরই মধ্যে PhD scholarship নিয়ে আমি Australia-তে যাওয়ার সুযোগ পাই। তার সম্মতিতেই বিদেশে যাই। সেখানে যাওয়ার পরও আমাদের যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল। তার hostel expense, আনুষঙ্গিক খরচ—সবকিছুই আমি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বহন করেছি। আমি চেয়েছি, সে যেন কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়া নিজের career-এ focus করতে পারে।
এই সময়ের মধ্যে আমি দুইবার দেশে এসেছি, তার সঙ্গে দেখা করেছি। সবকিছুই স্বাভাবিক মনে হয়েছে। কখনো আমার মনে হয়নি, এই মানুষটা আমাকে betray করতে পারে।
কিন্তু life সবসময় আমাদের expectation অনুযায়ী চলে না।
MBBS শেষ করার পর আমি তাকে বিয়ের কথা আরও গুরুত্ব দিয়ে বলতে শুরু করি। আমি চাইছিলাম, দেশে এসে অন্তত আমাদের engagement সম্পন্ন করতে। কিন্তু সে জানায়, internship শেষ করার পর সে এসব করবে।
❤3😢2
আমি এবারও তার সিদ্ধান্তকে respect করি।
এক বছর পর তার internship শেষ হয়। সেদিন আমি খুব excitement নিয়ে তাকে ফোন করি, আমাদের বিয়ের বিষয়টি final করার জন্য।
কিন্তু সেদিন তার মুখে যা শুনলাম, তা আমার পুরো পৃথিবীটাই বদলে দেয়।
সে আমাকে জানায়, আমাকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ সে তার মেডিকেলের এক senior-এর সঙ্গে relationship-এ জড়িয়ে পড়েছে। কখন, কীভাবে, কোন মুহূর্তে ওই মানুষের প্রতি তার feelings তৈরি হয়েছে—সে নিজেও নাকি বুঝতে পারেনি। ওই ব্যক্তি তাকে propose করেছে, আর সে accept করেছে।
শুধু তাই নয়, internship চলাকালীন একদিন তারা কাজী অফিসে গিয়ে marriage registration-ও complete করে ফেলেছে।
সবচেয়ে painful বিষয় হলো, এতদিন সে পুরো বিষয়টি আমার কাছ থেকে hide করে রেখেছে। এত perfectly আমাকে handle করেছে যে, আমি কখনো বুঝতেই পারিনি আমার অজান্তে সে অন্য একজনের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করে ফেলেছে।
যাকে আমি বছরের পর বছর ধরে emotionally, financially এবং personally support করেছি, যার dream fulfill করার জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়েছি—আজ সেই মানুষটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় heartbreak-এর কারণ।
এখন আমার সবকিছু আছে, তবুও মনে হয় কিছুই নেই।
আমি রাতে properly sleep করতে পারি না। কোনো কাজে focus করতে পারি না। সবকিছুতেই উদাসীনতা কাজ করে। মনে হয়, আমি নিজেকেই lose করে ফেলছি।
এই অবস্থায় আমি কী করব, কোথায় যাব, কার কাছে নিজের pain express করব—কিছুই বুঝতে পারছি না।
একজন মানুষ কতটা deeply broken হয়ে যেতে পারে? নিজেকে দিয়ে উপলব্ধি করছি।।cp
এক বছর পর তার internship শেষ হয়। সেদিন আমি খুব excitement নিয়ে তাকে ফোন করি, আমাদের বিয়ের বিষয়টি final করার জন্য।
কিন্তু সেদিন তার মুখে যা শুনলাম, তা আমার পুরো পৃথিবীটাই বদলে দেয়।
সে আমাকে জানায়, আমাকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ সে তার মেডিকেলের এক senior-এর সঙ্গে relationship-এ জড়িয়ে পড়েছে। কখন, কীভাবে, কোন মুহূর্তে ওই মানুষের প্রতি তার feelings তৈরি হয়েছে—সে নিজেও নাকি বুঝতে পারেনি। ওই ব্যক্তি তাকে propose করেছে, আর সে accept করেছে।
শুধু তাই নয়, internship চলাকালীন একদিন তারা কাজী অফিসে গিয়ে marriage registration-ও complete করে ফেলেছে।
সবচেয়ে painful বিষয় হলো, এতদিন সে পুরো বিষয়টি আমার কাছ থেকে hide করে রেখেছে। এত perfectly আমাকে handle করেছে যে, আমি কখনো বুঝতেই পারিনি আমার অজান্তে সে অন্য একজনের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করে ফেলেছে।
যাকে আমি বছরের পর বছর ধরে emotionally, financially এবং personally support করেছি, যার dream fulfill করার জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়েছি—আজ সেই মানুষটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় heartbreak-এর কারণ।
এখন আমার সবকিছু আছে, তবুও মনে হয় কিছুই নেই।
আমি রাতে properly sleep করতে পারি না। কোনো কাজে focus করতে পারি না। সবকিছুতেই উদাসীনতা কাজ করে। মনে হয়, আমি নিজেকেই lose করে ফেলছি।
এই অবস্থায় আমি কী করব, কোথায় যাব, কার কাছে নিজের pain express করব—কিছুই বুঝতে পারছি না।
একজন মানুষ কতটা deeply broken হয়ে যেতে পারে? নিজেকে দিয়ে উপলব্ধি করছি।।cp
😢17❤1
ঘুম থেকে উঠে দেখি এক জীম ট্রেইনার, যে কিনা অনলাইনে অনেক মোটিভেশনাল টাইপ কথাবার্তা বলে; সে আরেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কি নিয়ে শ্রীলঙ্কা ঘুরতে যাওয়ার ছবি লিক হয়ে গেছে! জীম ট্রেইনার অনেক 'ফ্যামিলি ম্যান' টাইপের কথাবার্তা বলতেন দেখেই সবাই অবাক হয়েছিলো!
একটু আগে উনি স্ট্যাটাস দিলো যে উনার ওয়াইফ এর সাথে উনার আগেই 'ডি*-ভোর্স' হয়ে গেছে এবং স্ট্যাটাস এর লাস্টে বুঝিয়ে দিলো যেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছে, তাকে যাতে কেউ হ্যারা*স না করে!
আমার এই কাহিনী দেখে মনে হচ্ছে আমরা আরেক টা 'রাফসান শাবাব আর জেফার' কাহিনী দেখতে যাচ্ছি!
শেষে দেখা যাবে জীম ট্রেইনার আর কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বিয়ে করে ফেলছে! :3
একটু আগে উনি স্ট্যাটাস দিলো যে উনার ওয়াইফ এর সাথে উনার আগেই 'ডি*-ভোর্স' হয়ে গেছে এবং স্ট্যাটাস এর লাস্টে বুঝিয়ে দিলো যেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছে, তাকে যাতে কেউ হ্যারা*স না করে!
আমার এই কাহিনী দেখে মনে হচ্ছে আমরা আরেক টা 'রাফসান শাবাব আর জেফার' কাহিনী দেখতে যাচ্ছি!
শেষে দেখা যাবে জীম ট্রেইনার আর কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বিয়ে করে ফেলছে! :3
🤣11❤2😁2
Recent Context/Exposed
ঘুম থেকে উঠে দেখি এক জীম ট্রেইনার, যে কিনা অনলাইনে অনেক মোটিভেশনাল টাইপ কথাবার্তা বলে; সে আরেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কি নিয়ে শ্রীলঙ্কা ঘুরতে যাওয়ার ছবি লিক হয়ে গেছে! জীম ট্রেইনার অনেক 'ফ্যামিলি ম্যান' টাইপের কথাবার্তা বলতেন দেখেই সবাই অবাক হয়েছিলো! একটু আগে উনি…
🗣️ "আমার বিরুদ্ধে affair এর যে allegations দেওয়া হচ্ছে, সেটা completely misleading and false"
🤣16
৬১০ সালের রমজান মাসের সেই রাতে যখন প্রথম ওহী নাজিল হয়, তখন নবী মুহাম্মাদ (সা) ছুটে যান স্ত্রী খাদিজা (রা)-র কাছে। খাদিজা (রা) তাঁকে সান্তনা দেন, বলেন, "আল্লাহর কসম, আল্লাহ তোমাকে কখনোই লাঞ্চিত করবেন না..."
খাদিজা (রা) ইসলাম গ্রহণ করলেন। তাঁদের ঘরে বড় হওয়া বালক আলী (রা) মুসলিম হলেন। হলেন আবু বকর (রা)-ও। খাদিজা (রা)-র বিজ্ঞ খ্রিস্টান আত্মীয় ওয়ারাকার সতর্কবাণী শুনে অবাক হলেন নবী (সা), বললেন, "আমার লোকেরা সত্যিই আমাকে বের করে দেবে?" সত্যিই। এতই কমলোক ছিল মুসলিমদের মাঝে।
প্রায় ২৩ বছর বাদে মক্কার কাছে আরাফার ময়দানে জাবালে রহমতের ওপর দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। বিদায় হজ্বের ভাষণ। সেই একজন, দুজন, তিনজন মানুষ দিয়ে শুরু হওয়া মুসলিম সমাজে তখন গোটা আরবের লোক যোগ দিয়েছে। ওইদিন ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন হজ্ব করতে আসা প্রায় এক লাখ চব্বিশ হাজার মানুষ।
২০২৬ সালের ৯ জিলহজ্ব হজ্ব উপলক্ষ্যে আরাফার ময়দানে হাজির হয়েছেন প্রায় ত্রিশ লক্ষ হাজী। সংখ্যাটা নিঃসন্দেহে বহুগুণ বেশি হতো যদি আরও লোকের সংকুলান ব্যবস্থা থাকতো, আর না থাকতো আর্থিক সীমারেখার বাধা।
৬১০ সালের সেই রাতে মক্কার কেউই এ ভবিষ্যৎ চিন্তা করেননি, যখন মুহাম্মাদ (সা) কাতর হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "কে বিশ্বাস করবে আমার কথা? কে-ই বা আমার কাছ থেকে এই বাণী গ্রহণ করবে?"
"আমি! আমি বিশ্বাস করি তোমাকে। আমিই প্রথম তোমার কাছ থেকে এই বাণী গ্রহণ করলাম..." বলেছিলেন স্ত্রী খাদিজা (রা)। [তাবাক্বাত, ইবনে সা'দ]
বহু বছর পর, বিদায় হজ্বের দিন নবী (সা) আকাশের দিকে তর্জনী তুলে জনসমুদ্রকে উদ্দেশ্য করে বললেন, "আমি কি বাণী পৌঁছে দিতে পেরেছি?"
লাখো জনতা সমস্বরে চিৎকার করে জানালো, "জ্বি!"
নবী (সা) তখন তিনবার বললেন, "আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো; আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো; আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো!"
আরাফার জমায়েত শেষে এবার কুরবানির পালা।
ঈদ মুবারাক সবাইকে!
খাদিজা (রা) ইসলাম গ্রহণ করলেন। তাঁদের ঘরে বড় হওয়া বালক আলী (রা) মুসলিম হলেন। হলেন আবু বকর (রা)-ও। খাদিজা (রা)-র বিজ্ঞ খ্রিস্টান আত্মীয় ওয়ারাকার সতর্কবাণী শুনে অবাক হলেন নবী (সা), বললেন, "আমার লোকেরা সত্যিই আমাকে বের করে দেবে?" সত্যিই। এতই কমলোক ছিল মুসলিমদের মাঝে।
প্রায় ২৩ বছর বাদে মক্কার কাছে আরাফার ময়দানে জাবালে রহমতের ওপর দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। বিদায় হজ্বের ভাষণ। সেই একজন, দুজন, তিনজন মানুষ দিয়ে শুরু হওয়া মুসলিম সমাজে তখন গোটা আরবের লোক যোগ দিয়েছে। ওইদিন ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন হজ্ব করতে আসা প্রায় এক লাখ চব্বিশ হাজার মানুষ।
২০২৬ সালের ৯ জিলহজ্ব হজ্ব উপলক্ষ্যে আরাফার ময়দানে হাজির হয়েছেন প্রায় ত্রিশ লক্ষ হাজী। সংখ্যাটা নিঃসন্দেহে বহুগুণ বেশি হতো যদি আরও লোকের সংকুলান ব্যবস্থা থাকতো, আর না থাকতো আর্থিক সীমারেখার বাধা।
৬১০ সালের সেই রাতে মক্কার কেউই এ ভবিষ্যৎ চিন্তা করেননি, যখন মুহাম্মাদ (সা) কাতর হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "কে বিশ্বাস করবে আমার কথা? কে-ই বা আমার কাছ থেকে এই বাণী গ্রহণ করবে?"
"আমি! আমি বিশ্বাস করি তোমাকে। আমিই প্রথম তোমার কাছ থেকে এই বাণী গ্রহণ করলাম..." বলেছিলেন স্ত্রী খাদিজা (রা)। [তাবাক্বাত, ইবনে সা'দ]
বহু বছর পর, বিদায় হজ্বের দিন নবী (সা) আকাশের দিকে তর্জনী তুলে জনসমুদ্রকে উদ্দেশ্য করে বললেন, "আমি কি বাণী পৌঁছে দিতে পেরেছি?"
লাখো জনতা সমস্বরে চিৎকার করে জানালো, "জ্বি!"
নবী (সা) তখন তিনবার বললেন, "আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো; আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো; আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো!"
আরাফার জমায়েত শেষে এবার কুরবানির পালা।
ঈদ মুবারাক সবাইকে!
❤4
আপনি কি জানেন, তথাকথিত সভ্য হিন্দুরা একসময় তাদের নিজেদের নারীদের স্তন বা ব্রেস্টের উপর, কর বা ট্যাক্স নির্ধারণ করেছিল?
ইতিহাসের কিছু অধ্যায় এতই অন্ধকার এবং পৈশাচিক যে, সেগুলো পড়লে যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের স্নায়ু আক্ষরিক অর্থেই অবশ হয়ে যায়। আজ আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব, যা শুনলে আপনার মনে হবে মানবতা হয়তো সেদিন ডুকরে কেঁদেছিল, কিন্তু তথাকথিত ধর্মের ধ্বজাধারীদের কানে সেই কান্না পৌঁছায়নি।
শুরুতেই একটি বিষয় একদম পরিষ্কার করে নেওয়া প্রয়োজন। আমরা আজ এখানে প্রকৃত বা আদি হিন্দু ধর্মকে কোনোভাবেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছি না। আমরা সাধারণ, নিরীহ এবং খেটে খাওয়া হিন্দু ভাইবোনদেরও কোনো দোষ দিচ্ছি না। কারণ, আদি কিতাব যেমন বেদ বা উপনিষদে মানবতার যে সম্মান দেওয়া হয়েছে, তার সাথে এই পৈশাচিকতার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের আজকের এই অ্যানালাইসিসের মূল লক্ষ্য হলো, সেই স্বার্থান্বেষী পুরোহিততন্ত্র, উচ্চবর্ণের এলিট এবং তথাকথিত ব্রাহ্মণ সমাজ, যারা নিজেদের ক্ষমতা এবং আধিপত্য টিকিয়ে রাখার জন্য স্রষ্টার দেওয়া প্রকৃত ধর্মকে হাইজ্যাক করেছিল।
তারা অরিজিনাল কিতাবকে সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে লুকিয়ে রেখে ধর্মের নামে নিজেদের মনগড়া এমন কিছু অমানবিক এবং বিকৃত আইন তৈরি করেছিল, যা সাধারণ নিচু জাতের হিন্দুদের জীবনকে আক্ষরিক অর্থেই একটি জীবন্ত নরকে পরিণত করেছিল।
আজকের এই হার্ড-হিটিং এবং ডার্ক ফ্যাক্টগুলো সাধারণ হিন্দুদের সামনে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তারা বুঝতে পারে যে, আজ তারা ধর্মের নামে যে কুসংস্কারগুলো পালন করছে, তা মূলত সেই পুরোনো শোষকদেরই তৈরি করা একটি সাইকোলজিক্যাল ম্যাট্রিক্স।
ভারতবর্ষের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক এবং বিকৃত আইনটির নাম ছিল মুলাক্কারাম (Mulakkaram) বা বক্ষ কর (Breast Tax)। উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বর্তমান ভারতের কেরালার ত্রাভাঙ্কোর (Travancore) বা ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যে এই ভয়ংকর আইনটি চরম দাপটের সাথে চালু ছিল।
সে যুগে কেরালায় জাতপাতের বিভেদ এমন এক চরম এবং পৈশাচিক পর্যায়ে ছিল, যা আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কল্পনা করাও অসম্ভব। সমাজের একদম চূড়ায় বসে ছিল নাম্বুদিরি ব্রাহ্মণ এবং নায়ার সমাজ (উচ্চবর্ণ), আর সমাজের সবচেয়ে নিচে রাখা হয়েছিল নাদার, এঝাভা এবং দলিত সম্প্রদায়কে। উচ্চবর্ণের এলিটরা সমাজকে এমনভাবে ডিজাইন করেছিল, যাতে দূর থেকে দেখেই বোঝা যায় কে কোন জাতের মানুষ। আর এই জাত চেনানোর জন্য তারা সবচেয়ে জঘন্য যে অস্ত্রটি ব্যবহার করেছিল, তা হলো নারীর সম্মান বা শালীনতা।
রাজ্যের আইন অনুযায়ী, নিচু জাতের নারীরা তাদের শরীরের ওপরের অংশ অর্থাৎ বুক বা স্তন কোনো কাপড় দিয়ে ঢাকতে পারত না! বুক ঢেকে রাখাটা ছিল কেবল উচ্চবর্ণের নারীদের আভিজাত্যের এবং পবিত্রতার প্রতীক। একজন নিচু জাতের নারী যখনই বাড়ির বাইরে বের হবে, কিংবা কোনো উচ্চবর্ণের মানুষের সামনে পড়বে, তখন তাকে বাধ্যতামূলকভাবে তার বুক উন্মুক্ত রাখতে হতো। এটি ছিল তাদের জন্য একটি আইনগত এবং সামাজিক বাধ্যবাধকতা।
একবার চোখ বন্ধ করে সেই দৃশ্যটি কল্পনা করুন।
একজন নারী, যার ভেতরে স্রষ্টা জন্মগতভাবেই শালীনতা এবং লজ্জাবোধ দিয়েছেন, তাকে বাধ্য করা হচ্ছে প্রকাশ্য রাস্তায় হাজার হাজার মানুষের সামনে নিজের শরীরকে উন্মুক্ত করে হাঁটতে। এটি শুধু ফিজিক্যাল টর্চার ছিল না, এটি ছিল একটি পারফেক্ট সাইকোলজিক্যাল রেপ বা মনস্তাত্ত্বিক ধর্ষণ।
কিন্তু মানুষের ভেতরের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি তো আত্মসম্মানবোধ।
যখন নিচু জাতের কিছু নারী নিজেদের সম্মান এবং শালীনতা রক্ষার জন্য বুক কাপড় দিয়ে ঢাকার চেষ্টা শুরু করল, তখন উচ্চবর্ণের শাসকরা এটিকে তাদের ঈশ্বর প্রদত্ত শ্রেষ্ঠত্বের ওপর একটি বিশাল আঘাত হিসেবে দেখল। তারা ভাবল, নিচু জাতের মহিলারা যদি বুক ঢেকেই ফেলে, তবে আমাদের উচ্চবর্ণের মহিলাদের সাথে তাদের পার্থক্য কোথায় থাকল? এই অহংকার থেকেই তারা চালু করল ইতিহাসের সবচেয়ে বিকৃত আইন, বক্ষ কর বা Breast Tax।
আইন করা হলো, যদি কোনো নিচু জাতের নারী তার আত্মসম্মান বাঁচাতে নিজের বুক কাপড় দিয়ে ঢাকতে চায়, তবে তাকে রাজকোষে একটি বিশাল অংকের কর বা ট্যাক্স দিতে হবে। আর এই কর নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি ছিল এতটাই অমানবিক এবং নোংরা, যা পতিতালয়ের নির্মমতাকেও হার মানায়।
রাজার নিযুক্ত ট্যাক্স কালেক্টর বা কর আদায়কারীরা (যাদের পার্বথিয়ার বলা হতো) নিয়ম করে নিচু জাতের মানুষদের ঘরে ঘরে যেত। তাদের কাজ ছিল ওই পরিবারের কিশোরী থেকে শুরু করে বয়স্ক নারীদের স্তন চাক্ষুষভাবে পর্যবেক্ষণ করা! তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে নারীদের স্তনে হাত দিত এবং স্তনের আকার, গঠন এবং বয়স অনুযায়ী কর নির্ধারণ করত।
একটু অ্যানালিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল থেকে ওই পরিবারগুলোর মানসিক অবস্থার কথা চিন্তা করুন। একজন বাবা, একজন স্বামী বা একজন ভাইয়ের চোখের সামনে রাষ্ট্রের নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা তার মেয়ে বা স্ত্রীর শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গের মাপ নিচ্ছে, আর নির্ধারণ করছে তার শালীনতার মূল্য!
ইতিহাসের কিছু অধ্যায় এতই অন্ধকার এবং পৈশাচিক যে, সেগুলো পড়লে যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের স্নায়ু আক্ষরিক অর্থেই অবশ হয়ে যায়। আজ আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব, যা শুনলে আপনার মনে হবে মানবতা হয়তো সেদিন ডুকরে কেঁদেছিল, কিন্তু তথাকথিত ধর্মের ধ্বজাধারীদের কানে সেই কান্না পৌঁছায়নি।
শুরুতেই একটি বিষয় একদম পরিষ্কার করে নেওয়া প্রয়োজন। আমরা আজ এখানে প্রকৃত বা আদি হিন্দু ধর্মকে কোনোভাবেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছি না। আমরা সাধারণ, নিরীহ এবং খেটে খাওয়া হিন্দু ভাইবোনদেরও কোনো দোষ দিচ্ছি না। কারণ, আদি কিতাব যেমন বেদ বা উপনিষদে মানবতার যে সম্মান দেওয়া হয়েছে, তার সাথে এই পৈশাচিকতার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের আজকের এই অ্যানালাইসিসের মূল লক্ষ্য হলো, সেই স্বার্থান্বেষী পুরোহিততন্ত্র, উচ্চবর্ণের এলিট এবং তথাকথিত ব্রাহ্মণ সমাজ, যারা নিজেদের ক্ষমতা এবং আধিপত্য টিকিয়ে রাখার জন্য স্রষ্টার দেওয়া প্রকৃত ধর্মকে হাইজ্যাক করেছিল।
তারা অরিজিনাল কিতাবকে সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে লুকিয়ে রেখে ধর্মের নামে নিজেদের মনগড়া এমন কিছু অমানবিক এবং বিকৃত আইন তৈরি করেছিল, যা সাধারণ নিচু জাতের হিন্দুদের জীবনকে আক্ষরিক অর্থেই একটি জীবন্ত নরকে পরিণত করেছিল।
আজকের এই হার্ড-হিটিং এবং ডার্ক ফ্যাক্টগুলো সাধারণ হিন্দুদের সামনে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তারা বুঝতে পারে যে, আজ তারা ধর্মের নামে যে কুসংস্কারগুলো পালন করছে, তা মূলত সেই পুরোনো শোষকদেরই তৈরি করা একটি সাইকোলজিক্যাল ম্যাট্রিক্স।
ভারতবর্ষের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক এবং বিকৃত আইনটির নাম ছিল মুলাক্কারাম (Mulakkaram) বা বক্ষ কর (Breast Tax)। উনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বর্তমান ভারতের কেরালার ত্রাভাঙ্কোর (Travancore) বা ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যে এই ভয়ংকর আইনটি চরম দাপটের সাথে চালু ছিল।
সে যুগে কেরালায় জাতপাতের বিভেদ এমন এক চরম এবং পৈশাচিক পর্যায়ে ছিল, যা আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কল্পনা করাও অসম্ভব। সমাজের একদম চূড়ায় বসে ছিল নাম্বুদিরি ব্রাহ্মণ এবং নায়ার সমাজ (উচ্চবর্ণ), আর সমাজের সবচেয়ে নিচে রাখা হয়েছিল নাদার, এঝাভা এবং দলিত সম্প্রদায়কে। উচ্চবর্ণের এলিটরা সমাজকে এমনভাবে ডিজাইন করেছিল, যাতে দূর থেকে দেখেই বোঝা যায় কে কোন জাতের মানুষ। আর এই জাত চেনানোর জন্য তারা সবচেয়ে জঘন্য যে অস্ত্রটি ব্যবহার করেছিল, তা হলো নারীর সম্মান বা শালীনতা।
রাজ্যের আইন অনুযায়ী, নিচু জাতের নারীরা তাদের শরীরের ওপরের অংশ অর্থাৎ বুক বা স্তন কোনো কাপড় দিয়ে ঢাকতে পারত না! বুক ঢেকে রাখাটা ছিল কেবল উচ্চবর্ণের নারীদের আভিজাত্যের এবং পবিত্রতার প্রতীক। একজন নিচু জাতের নারী যখনই বাড়ির বাইরে বের হবে, কিংবা কোনো উচ্চবর্ণের মানুষের সামনে পড়বে, তখন তাকে বাধ্যতামূলকভাবে তার বুক উন্মুক্ত রাখতে হতো। এটি ছিল তাদের জন্য একটি আইনগত এবং সামাজিক বাধ্যবাধকতা।
একবার চোখ বন্ধ করে সেই দৃশ্যটি কল্পনা করুন।
একজন নারী, যার ভেতরে স্রষ্টা জন্মগতভাবেই শালীনতা এবং লজ্জাবোধ দিয়েছেন, তাকে বাধ্য করা হচ্ছে প্রকাশ্য রাস্তায় হাজার হাজার মানুষের সামনে নিজের শরীরকে উন্মুক্ত করে হাঁটতে। এটি শুধু ফিজিক্যাল টর্চার ছিল না, এটি ছিল একটি পারফেক্ট সাইকোলজিক্যাল রেপ বা মনস্তাত্ত্বিক ধর্ষণ।
কিন্তু মানুষের ভেতরের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি তো আত্মসম্মানবোধ।
যখন নিচু জাতের কিছু নারী নিজেদের সম্মান এবং শালীনতা রক্ষার জন্য বুক কাপড় দিয়ে ঢাকার চেষ্টা শুরু করল, তখন উচ্চবর্ণের শাসকরা এটিকে তাদের ঈশ্বর প্রদত্ত শ্রেষ্ঠত্বের ওপর একটি বিশাল আঘাত হিসেবে দেখল। তারা ভাবল, নিচু জাতের মহিলারা যদি বুক ঢেকেই ফেলে, তবে আমাদের উচ্চবর্ণের মহিলাদের সাথে তাদের পার্থক্য কোথায় থাকল? এই অহংকার থেকেই তারা চালু করল ইতিহাসের সবচেয়ে বিকৃত আইন, বক্ষ কর বা Breast Tax।
আইন করা হলো, যদি কোনো নিচু জাতের নারী তার আত্মসম্মান বাঁচাতে নিজের বুক কাপড় দিয়ে ঢাকতে চায়, তবে তাকে রাজকোষে একটি বিশাল অংকের কর বা ট্যাক্স দিতে হবে। আর এই কর নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি ছিল এতটাই অমানবিক এবং নোংরা, যা পতিতালয়ের নির্মমতাকেও হার মানায়।
রাজার নিযুক্ত ট্যাক্স কালেক্টর বা কর আদায়কারীরা (যাদের পার্বথিয়ার বলা হতো) নিয়ম করে নিচু জাতের মানুষদের ঘরে ঘরে যেত। তাদের কাজ ছিল ওই পরিবারের কিশোরী থেকে শুরু করে বয়স্ক নারীদের স্তন চাক্ষুষভাবে পর্যবেক্ষণ করা! তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে নারীদের স্তনে হাত দিত এবং স্তনের আকার, গঠন এবং বয়স অনুযায়ী কর নির্ধারণ করত।
একটু অ্যানালিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল থেকে ওই পরিবারগুলোর মানসিক অবস্থার কথা চিন্তা করুন। একজন বাবা, একজন স্বামী বা একজন ভাইয়ের চোখের সামনে রাষ্ট্রের নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা তার মেয়ে বা স্ত্রীর শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গের মাপ নিচ্ছে, আর নির্ধারণ করছে তার শালীনতার মূল্য!
❤1🥰1
স্তনের আকার যত বড় এবং আকর্ষণীয় হতো, বক্ষ করের পরিমাণও তত বেশি নির্ধারণ করা হতো। ওই অসহায় গরিব মানুষগুলোর কাছে এত টাকা কখনোই থাকত না যে তারা ট্যাক্স দিয়ে নিজেদের নারীদের সম্মান কিনবে। ফলে বাধ্য হয়েই ওই নারীদের দিনের পর দিন সবার সামনে অর্ধনগ্ন হয়েই জীবন পার করতে হতো।
ব্রাহ্মণরা সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য এবং আত্মসম্মানবোধ নিয়ে এমন এক ভয়ংকর খেলা খেলেছিল, যা শুনলে আজ যেকোনো মানুষের কলিজায় গিয়ে আঘাত লাগতে বাধ্য।
আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, শুধু কিছু টাকার জন্যই কি এমন জঘন্য আইন তৈরি করা হয়েছিল? একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি বলব, না! এর পেছনের আসল কারণ টাকা ছিল না, এর আসল কারণ ছিল সাইকোলজিক্যাল ডমিনেশন বা মনস্তাত্ত্বিক আধিপত্য।
যখন কোনো জাতিকে দাস বানাতে হয়, তখন সবার আগে তাদের আত্মসম্মানবোধ ভেঙে চুরমার করে দিতে হয়। শালীনতা বা কাপড় পরা হলো মানুষের সভ্যতার প্রতীক। এলিটরা যখন নিচু জাতের মানুষদের কাপড় পরার অধিকার কেড়ে নিল, তখন তারা মূলত ওই মানুষগুলোকে মেসেজ দিল, তোমরা মানুষ নও, তোমরা পশু। পশুর যেমন কোনো সম্মান বা শালীনতার প্রয়োজন হয় না, তোমাদেরও নেই।
নারীর শরীরকে আক্ষরিক অর্থেই একটি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে পরিণত করা হয়েছিল। উচ্চবর্ণের পুরুষরা যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটত, তখন নিচু জাতের নারীদের বুক উন্মুক্ত করে তাদের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়াতে হতো। এটি ছিল ব্রাহ্মণবাদী সিস্টেমের এক ধরনের বিকারগ্রস্ত উল্লাস।
তারা ধর্ম এবং পবিত্রতার দোহাই দিয়ে নিজেদের পৈশাচিক লালসা এবং অহংকারকে এমনভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল, যা থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় ওই সাধারণ মানুষদের জানা ছিল না। কারণ তাদেরকে বোঝানো হয়েছিল যে, এটাই ঈশ্বরের বিধান, এটাই ধর্মের নিয়ম!
জুলুম যখন তার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছায়, তখন প্রকৃতির নিজস্ব একটি মেকানিজম কাজ করে। এই অমানবিক সিস্টেমের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক এবং কাঁপিয়ে দেওয়া প্রতিবাদটি করেছিলেন নাঙ্গেলি (Nangeli) নামের এক নারী।
সময়টা ছিল ১৮০৩ সাল। চেরথালা (Cherthala) গ্রামের এঝাভা সম্প্রদায়ের এক অত্যন্ত সাহসী এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নারী ছিলেন নাঙ্গেলি। তার স্বামী চিরুকানন্দন ছিলেন একজন সাধারণ দিনমজুর। নাঙ্গেলি এই বিকারগ্রস্ত সিস্টেমকে মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তার সম্মান বা আত্মমর্যাদা কোনো মতেই এই সিস্টেমের কাছে বিক্রি করবেন না। তিনি বুক উন্মুক্ত না রেখে, শালীনভাবে কাপড় দিয়ে নিজেকে আবৃত করে গ্রামে হাঁটাচলা শুরু করেন।
খবর পৌঁছে যায় রাজার ট্যাক্স কালেক্টরদের কাছে। একদিন রাজার সেই পারভার্ট বা বিকৃত মানসিকতার ট্যাক্স কালেক্টররা তাদের দলবল নিয়ে নাঙ্গেলির বাড়ির উঠোনে এসে হাজির হয়। তারা অত্যন্ত ঔদ্ধত্যের সাথে নাঙ্গেলির কাছে তার বুক ঢাকার অপরাধে বক্ষ কর দাবি করে। তারা আশা করেছিল, সাধারণ নিচু জাতের মেয়ে হিসেবে নাঙ্গেলি হয়তো ভয়ে কেঁদে ফেলবে অথবা কর দিতে না পেরে নিজের বুক উন্মুক্ত করে দেবে।
কিন্তু নাঙ্গেলি ছিলেন অন্য ধাতুতে গড়া। তিনি মাথা নিচু করেননি। তিনি অত্যন্ত শান্তভাবে ট্যাক্স কালেক্টরদের বললেন, অপেক্ষা করুন, আমি ট্যাক্স নিয়ে আসছি। নাঙ্গেলি ঘরের ভেতর ঢুকলেন। একটি সতেজ সবুজ কলাপাতা কাটলেন। এরপর তিনি যা করলেন, তা পৃথিবীর কোনো ইতিহাসবিদ হয়তো চোখের পানি না ফেলে লিখতে পারবে না।
নাঙ্গেলি ঘরের ভেতর রাখা একটি ধারালো কাস্তে বা অস্ত্র হাতে নিলেন। এরপর চরম আক্রোশে এবং আত্মসম্মানের চূড়ান্ত বিস্ফোরণে তিনি নিজের শরীর থেকে নিজের দুটি স্তনই কেটে ফেললেন! ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটছিল। সেই তাজা রক্তে মাখা নিজের খণ্ডিত স্তন দুটি তিনি ওই সবুজ কলাপাতায় রাখলেন। তারপর টলতে টলতে ঘরের বাইরে এসে সেই ট্যাক্স কালেক্টরের সামনে কলাপাতাটি ছুড়ে দিলেন। যেন নিঃশব্দে বলে দিলেন, তোমরা আমার স্তনের ট্যাক্স চেয়েছিলে? এই নাও তোমাদের ট্যাক্স! কিন্তু আমার আত্মসম্মান আমি তোমাদের এই নোংরা সিস্টেমের কাছে বিক্রি করলাম না!
ট্যাক্স কালেক্টর এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা ওই দৃশ্য দেখে চরম আতঙ্কে আক্ষরিক অর্থেই জমে গিয়েছিল। তারা ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই নাঙ্গেলি তার বাড়ির উঠোনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
দিন শেষে যখন নাঙ্গেলির স্বামী চিরুকানন্দন বাড়ি ফেরেন এবং নিজের স্ত্রীর এই রক্তাক্ত এবং বিভৎস মৃতদেহ দেখেন, তখন তার হৃদয় আক্ষরিক অর্থেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। যখন নাঙ্গেলির শেষকৃত্য বা চিতা জ্বালানো হলো, তখন চিরুকানন্দন সেই শোক সইতে না পেরে নিজের স্ত্রীর জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মাহুতি দেন। 😑
ইতিহাসে নারীর সতীদাহ হওয়ার কথা অনেক আছে, কিন্তু স্ত্রীর আত্মত্যাগের শোকে একজন স্বামীর চিতায় ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। নাঙ্গেলির এই চরম আত্মত্যাগ পুরো কেরালার সাধারণ নিচু জাতের মানুষের মনে একটি আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রতিবাদের আগুন এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ে যে, শেষ পর্যন্ত উচ্চবর্ণের শাসকরা এই অমানবিক বক্ষ কর বাতিল করতে বাধ্য
ব্রাহ্মণরা সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য এবং আত্মসম্মানবোধ নিয়ে এমন এক ভয়ংকর খেলা খেলেছিল, যা শুনলে আজ যেকোনো মানুষের কলিজায় গিয়ে আঘাত লাগতে বাধ্য।
আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, শুধু কিছু টাকার জন্যই কি এমন জঘন্য আইন তৈরি করা হয়েছিল? একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি বলব, না! এর পেছনের আসল কারণ টাকা ছিল না, এর আসল কারণ ছিল সাইকোলজিক্যাল ডমিনেশন বা মনস্তাত্ত্বিক আধিপত্য।
যখন কোনো জাতিকে দাস বানাতে হয়, তখন সবার আগে তাদের আত্মসম্মানবোধ ভেঙে চুরমার করে দিতে হয়। শালীনতা বা কাপড় পরা হলো মানুষের সভ্যতার প্রতীক। এলিটরা যখন নিচু জাতের মানুষদের কাপড় পরার অধিকার কেড়ে নিল, তখন তারা মূলত ওই মানুষগুলোকে মেসেজ দিল, তোমরা মানুষ নও, তোমরা পশু। পশুর যেমন কোনো সম্মান বা শালীনতার প্রয়োজন হয় না, তোমাদেরও নেই।
নারীর শরীরকে আক্ষরিক অর্থেই একটি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে পরিণত করা হয়েছিল। উচ্চবর্ণের পুরুষরা যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটত, তখন নিচু জাতের নারীদের বুক উন্মুক্ত করে তাদের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়াতে হতো। এটি ছিল ব্রাহ্মণবাদী সিস্টেমের এক ধরনের বিকারগ্রস্ত উল্লাস।
তারা ধর্ম এবং পবিত্রতার দোহাই দিয়ে নিজেদের পৈশাচিক লালসা এবং অহংকারকে এমনভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল, যা থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় ওই সাধারণ মানুষদের জানা ছিল না। কারণ তাদেরকে বোঝানো হয়েছিল যে, এটাই ঈশ্বরের বিধান, এটাই ধর্মের নিয়ম!
জুলুম যখন তার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছায়, তখন প্রকৃতির নিজস্ব একটি মেকানিজম কাজ করে। এই অমানবিক সিস্টেমের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক এবং কাঁপিয়ে দেওয়া প্রতিবাদটি করেছিলেন নাঙ্গেলি (Nangeli) নামের এক নারী।
সময়টা ছিল ১৮০৩ সাল। চেরথালা (Cherthala) গ্রামের এঝাভা সম্প্রদায়ের এক অত্যন্ত সাহসী এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নারী ছিলেন নাঙ্গেলি। তার স্বামী চিরুকানন্দন ছিলেন একজন সাধারণ দিনমজুর। নাঙ্গেলি এই বিকারগ্রস্ত সিস্টেমকে মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তার সম্মান বা আত্মমর্যাদা কোনো মতেই এই সিস্টেমের কাছে বিক্রি করবেন না। তিনি বুক উন্মুক্ত না রেখে, শালীনভাবে কাপড় দিয়ে নিজেকে আবৃত করে গ্রামে হাঁটাচলা শুরু করেন।
খবর পৌঁছে যায় রাজার ট্যাক্স কালেক্টরদের কাছে। একদিন রাজার সেই পারভার্ট বা বিকৃত মানসিকতার ট্যাক্স কালেক্টররা তাদের দলবল নিয়ে নাঙ্গেলির বাড়ির উঠোনে এসে হাজির হয়। তারা অত্যন্ত ঔদ্ধত্যের সাথে নাঙ্গেলির কাছে তার বুক ঢাকার অপরাধে বক্ষ কর দাবি করে। তারা আশা করেছিল, সাধারণ নিচু জাতের মেয়ে হিসেবে নাঙ্গেলি হয়তো ভয়ে কেঁদে ফেলবে অথবা কর দিতে না পেরে নিজের বুক উন্মুক্ত করে দেবে।
কিন্তু নাঙ্গেলি ছিলেন অন্য ধাতুতে গড়া। তিনি মাথা নিচু করেননি। তিনি অত্যন্ত শান্তভাবে ট্যাক্স কালেক্টরদের বললেন, অপেক্ষা করুন, আমি ট্যাক্স নিয়ে আসছি। নাঙ্গেলি ঘরের ভেতর ঢুকলেন। একটি সতেজ সবুজ কলাপাতা কাটলেন। এরপর তিনি যা করলেন, তা পৃথিবীর কোনো ইতিহাসবিদ হয়তো চোখের পানি না ফেলে লিখতে পারবে না।
নাঙ্গেলি ঘরের ভেতর রাখা একটি ধারালো কাস্তে বা অস্ত্র হাতে নিলেন। এরপর চরম আক্রোশে এবং আত্মসম্মানের চূড়ান্ত বিস্ফোরণে তিনি নিজের শরীর থেকে নিজের দুটি স্তনই কেটে ফেললেন! ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটছিল। সেই তাজা রক্তে মাখা নিজের খণ্ডিত স্তন দুটি তিনি ওই সবুজ কলাপাতায় রাখলেন। তারপর টলতে টলতে ঘরের বাইরে এসে সেই ট্যাক্স কালেক্টরের সামনে কলাপাতাটি ছুড়ে দিলেন। যেন নিঃশব্দে বলে দিলেন, তোমরা আমার স্তনের ট্যাক্স চেয়েছিলে? এই নাও তোমাদের ট্যাক্স! কিন্তু আমার আত্মসম্মান আমি তোমাদের এই নোংরা সিস্টেমের কাছে বিক্রি করলাম না!
ট্যাক্স কালেক্টর এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা ওই দৃশ্য দেখে চরম আতঙ্কে আক্ষরিক অর্থেই জমে গিয়েছিল। তারা ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই নাঙ্গেলি তার বাড়ির উঠোনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
দিন শেষে যখন নাঙ্গেলির স্বামী চিরুকানন্দন বাড়ি ফেরেন এবং নিজের স্ত্রীর এই রক্তাক্ত এবং বিভৎস মৃতদেহ দেখেন, তখন তার হৃদয় আক্ষরিক অর্থেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। যখন নাঙ্গেলির শেষকৃত্য বা চিতা জ্বালানো হলো, তখন চিরুকানন্দন সেই শোক সইতে না পেরে নিজের স্ত্রীর জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মাহুতি দেন। 😑
ইতিহাসে নারীর সতীদাহ হওয়ার কথা অনেক আছে, কিন্তু স্ত্রীর আত্মত্যাগের শোকে একজন স্বামীর চিতায় ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। নাঙ্গেলির এই চরম আত্মত্যাগ পুরো কেরালার সাধারণ নিচু জাতের মানুষের মনে একটি আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রতিবাদের আগুন এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ে যে, শেষ পর্যন্ত উচ্চবর্ণের শাসকরা এই অমানবিক বক্ষ কর বাতিল করতে বাধ্য
হয়।
এবার আসল অ্যানালাইসিসে আসি। এই যে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সাধারণ নিচু জাতের হিন্দুদের ওপর এত বড় ফিজিক্যাল এবং সাইকোলজিক্যাল টর্চার করা হলো, এর কোনো ভিত্তি কি হিন্দু ধর্মের মূল বা আদি কিতাবে আছে?
এর সোজাসাপ্টা উত্তর হলো, না! একদমই নেই!
আপনি যদি হিন্দু ধর্মের আদি কিতাবগুলো অর্থাৎ বেদ বা উপনিষদ পড়েন, সেখানে আপনি কোথাও এমন কোনো বিকৃত আইনের অস্তিত্ব পাবেন না। বেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, প্রতিটি মানুষের ভেতরেই ঈশ্বরের সেই আদি সত্তা বা পরমাত্মার কণা রয়েছে। সেখানে নারী এবং পুরুষকে সমান আধ্যাত্মিক সম্মান দেওয়া হয়েছে। তাহলে এই বক্ষ কর, এই জাতপাতের বিভেদ, এই অস্পৃশ্যতা কোথা থেকে এলো?
এগুলো এসেছে সেই স্বার্থান্বেষী পুরোহিত এবং ব্রাহ্মণদের হাত ধরে, যারা আদি ধর্মকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে ফেলেছিল। তারা বুঝতে পেরেছিল যে, সাধারণ মানুষ যদি বেদ পড়ে ফেলে, তবে তারা জেনে যাবে যে স্রষ্টার কাছে পৌঁছানোর জন্য কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা পুরোহিতের দরকার নেই। তাই তারা সাধারণ মানুষের জন্য বেদ পড়া নিষিদ্ধ করে দেয় এবং নিজেদের মনগড়া স্মৃতিশাস্ত্র (যেমন- মনুস্মৃতি) রচনা করে। তারা ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজকে এমনভাবে স্তরে স্তরে ভাগ করে, যাতে তারা চিরকাল রাজার হালে থাকতে পারে এবং সাধারণ মানুষগুলো পশুর মতো তাদের পায়ের নিচে পিষ্ট হয়।
এই এলিটরা সাধারণ হিন্দুদের শুধু যে আর্থিকভাবে শোষণ করেছে তা নয়, তারা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেও অন্ধ করে দিয়েছে। তারা স্রষ্টার সেই একত্ববাদকে (Monotheism) ভুলিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে হাজার হাজার মূর্তিপূজার কনসেপ্ট চাপিয়ে দিয়েছে, যাতে পূজার নামে তাদের ব্যবসা চিরকাল রমরমা থাকে।
আজকের যুগে দাঁড়িয়ে আধুনিক এবং সাধারণ হিন্দু ভাইবোনদের একটি ভয়ংকর সত্য উপলব্ধি করতে হবে। আপনারা যে ধর্মের নামে আজ আবেগপ্রবণ হচ্ছেন, যে জাতপাতের অহংকারে ভুগছেন বা যে প্রথাগুলোকে ঈশ্বরের বিধান বলে মনে করছেন, একটু গভীরে গিয়ে ইতিহাস ঘেঁটে দেখুন, এগুলো আসলে ধর্ম নয়! এগুলো হলো হাজার বছর ধরে আপনাদেরই পূর্বপুরুষদের ওপর চালানো এক চরম মনস্তাত্ত্বিক ব্রেনওয়াশিং এবং শোষণের ফসল।
যে ধর্ম বা যে সিস্টেম মানুষের শালীনতার ওপর ট্যাক্স বসায়, যে সিস্টেম একজন মানুষকে তার জন্মপরিচয়ের কারণে পশুর চেয়েও অধম মনে করে, যে সিস্টেম স্রষ্টাকে কাদামাটির মূর্তির ভেতরে সীমাবদ্ধ করে দেয়, তা কোনো ঐশী সিস্টেম হতে পারে না। এটি হলো সেই শয়তানি ম্যাট্রিক্সের আদি রূপ, যার কাজই হলো মানুষকে স্রষ্টার অরিজিনাল ব্লু-প্রিন্ট থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।
আজ সময় এসেছে সত্যের আয়নার সামনে দাঁড়ানোর।
আধুনিক হিন্দুদের উচিত তাদের এই চাপিয়ে দেওয়া মেকি প্রথা, মূর্তিপূজা এবং পুরোহিতদের তৈরি করা ইলিউশন থেকে বেরিয়ে আসা। আপনাদের নিজেদের আদি কিতাব, বেদ এবং উপনিষদ খোলার সময় এসেছে।
সেখানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে সেই এক ও অদ্বিতীয় নিরাকার স্রষ্টার কথা, যাঁকে ডাকার জন্য কোনো মন্দিরের পুরোহিতের প্রয়োজন হয় না, কোনো মানুষের কাছে মাথা নত করার প্রয়োজন হয় না।
ইতিহাসের ওই নাঙ্গেলির মতো সাধারণ মানুষের রক্ত আজও মাটি থেকে ডাক দিয়ে বলছে, আপনারা আর ওই স্বার্থান্বেষী পুরোহিতদের অন্ধ অনুসারী হয়ে থাকবেন না। যে চশমা দিয়ে আপনারা এতকাল ধর্মকে দেখে এসেছেন, সেই চশমাটা আসলে আপনাদের নিজেদের নয়, ওটা আপনাদের শোষকদের পরিয়ে দেওয়া চশমা।
সত্যকে জানতে হলে, স্রষ্টাকে চিনতে হলে সবার আগে ওই মিথ্যার চশমা খুলে ফেলতে হবে এবং অরিজিনাল কিতাবের কাছে ফিরে যেতে হবে।
কারণ, যে মানুষটি নিজের ধর্মের মূল বাণী পড়ার বা বোঝার চেষ্টা না করে কেবল সমাজ এবং বাপ-দাদার চাপিয়ে দেওয়া প্রথাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে, সে মূলত সেই সাইকোলজিক্যাল ম্যাট্রিক্সেরই একজন বন্দী দাস, যা তার আত্মাকে চিরকালের জন্য পঙ্গু করে দেয়!
এবার আসল অ্যানালাইসিসে আসি। এই যে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সাধারণ নিচু জাতের হিন্দুদের ওপর এত বড় ফিজিক্যাল এবং সাইকোলজিক্যাল টর্চার করা হলো, এর কোনো ভিত্তি কি হিন্দু ধর্মের মূল বা আদি কিতাবে আছে?
এর সোজাসাপ্টা উত্তর হলো, না! একদমই নেই!
আপনি যদি হিন্দু ধর্মের আদি কিতাবগুলো অর্থাৎ বেদ বা উপনিষদ পড়েন, সেখানে আপনি কোথাও এমন কোনো বিকৃত আইনের অস্তিত্ব পাবেন না। বেদে স্পষ্ট বলা আছে যে, প্রতিটি মানুষের ভেতরেই ঈশ্বরের সেই আদি সত্তা বা পরমাত্মার কণা রয়েছে। সেখানে নারী এবং পুরুষকে সমান আধ্যাত্মিক সম্মান দেওয়া হয়েছে। তাহলে এই বক্ষ কর, এই জাতপাতের বিভেদ, এই অস্পৃশ্যতা কোথা থেকে এলো?
এগুলো এসেছে সেই স্বার্থান্বেষী পুরোহিত এবং ব্রাহ্মণদের হাত ধরে, যারা আদি ধর্মকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে ফেলেছিল। তারা বুঝতে পেরেছিল যে, সাধারণ মানুষ যদি বেদ পড়ে ফেলে, তবে তারা জেনে যাবে যে স্রষ্টার কাছে পৌঁছানোর জন্য কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা পুরোহিতের দরকার নেই। তাই তারা সাধারণ মানুষের জন্য বেদ পড়া নিষিদ্ধ করে দেয় এবং নিজেদের মনগড়া স্মৃতিশাস্ত্র (যেমন- মনুস্মৃতি) রচনা করে। তারা ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজকে এমনভাবে স্তরে স্তরে ভাগ করে, যাতে তারা চিরকাল রাজার হালে থাকতে পারে এবং সাধারণ মানুষগুলো পশুর মতো তাদের পায়ের নিচে পিষ্ট হয়।
এই এলিটরা সাধারণ হিন্দুদের শুধু যে আর্থিকভাবে শোষণ করেছে তা নয়, তারা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেও অন্ধ করে দিয়েছে। তারা স্রষ্টার সেই একত্ববাদকে (Monotheism) ভুলিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে হাজার হাজার মূর্তিপূজার কনসেপ্ট চাপিয়ে দিয়েছে, যাতে পূজার নামে তাদের ব্যবসা চিরকাল রমরমা থাকে।
আজকের যুগে দাঁড়িয়ে আধুনিক এবং সাধারণ হিন্দু ভাইবোনদের একটি ভয়ংকর সত্য উপলব্ধি করতে হবে। আপনারা যে ধর্মের নামে আজ আবেগপ্রবণ হচ্ছেন, যে জাতপাতের অহংকারে ভুগছেন বা যে প্রথাগুলোকে ঈশ্বরের বিধান বলে মনে করছেন, একটু গভীরে গিয়ে ইতিহাস ঘেঁটে দেখুন, এগুলো আসলে ধর্ম নয়! এগুলো হলো হাজার বছর ধরে আপনাদেরই পূর্বপুরুষদের ওপর চালানো এক চরম মনস্তাত্ত্বিক ব্রেনওয়াশিং এবং শোষণের ফসল।
যে ধর্ম বা যে সিস্টেম মানুষের শালীনতার ওপর ট্যাক্স বসায়, যে সিস্টেম একজন মানুষকে তার জন্মপরিচয়ের কারণে পশুর চেয়েও অধম মনে করে, যে সিস্টেম স্রষ্টাকে কাদামাটির মূর্তির ভেতরে সীমাবদ্ধ করে দেয়, তা কোনো ঐশী সিস্টেম হতে পারে না। এটি হলো সেই শয়তানি ম্যাট্রিক্সের আদি রূপ, যার কাজই হলো মানুষকে স্রষ্টার অরিজিনাল ব্লু-প্রিন্ট থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।
আজ সময় এসেছে সত্যের আয়নার সামনে দাঁড়ানোর।
আধুনিক হিন্দুদের উচিত তাদের এই চাপিয়ে দেওয়া মেকি প্রথা, মূর্তিপূজা এবং পুরোহিতদের তৈরি করা ইলিউশন থেকে বেরিয়ে আসা। আপনাদের নিজেদের আদি কিতাব, বেদ এবং উপনিষদ খোলার সময় এসেছে।
সেখানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে সেই এক ও অদ্বিতীয় নিরাকার স্রষ্টার কথা, যাঁকে ডাকার জন্য কোনো মন্দিরের পুরোহিতের প্রয়োজন হয় না, কোনো মানুষের কাছে মাথা নত করার প্রয়োজন হয় না।
ইতিহাসের ওই নাঙ্গেলির মতো সাধারণ মানুষের রক্ত আজও মাটি থেকে ডাক দিয়ে বলছে, আপনারা আর ওই স্বার্থান্বেষী পুরোহিতদের অন্ধ অনুসারী হয়ে থাকবেন না। যে চশমা দিয়ে আপনারা এতকাল ধর্মকে দেখে এসেছেন, সেই চশমাটা আসলে আপনাদের নিজেদের নয়, ওটা আপনাদের শোষকদের পরিয়ে দেওয়া চশমা।
সত্যকে জানতে হলে, স্রষ্টাকে চিনতে হলে সবার আগে ওই মিথ্যার চশমা খুলে ফেলতে হবে এবং অরিজিনাল কিতাবের কাছে ফিরে যেতে হবে।
কারণ, যে মানুষটি নিজের ধর্মের মূল বাণী পড়ার বা বোঝার চেষ্টা না করে কেবল সমাজ এবং বাপ-দাদার চাপিয়ে দেওয়া প্রথাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে, সে মূলত সেই সাইকোলজিক্যাল ম্যাট্রিক্সেরই একজন বন্দী দাস, যা তার আত্মাকে চিরকালের জন্য পঙ্গু করে দেয়!
👍1
Testo Life নামের একটা পেজ পেনিসের মোটা চিকন সমস্যা দূরীকরণের এড চালাচ্ছে। সমস্যা হলো, এরা বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে কদিন আগে ভিকারুন্নেসা থেকে বহিষ্কৃত “স্নেহামণি” কে দিয়ে! স্নেহামণি ভিডিও শুরু করছে এই বলে “ বাংলাদেশের পুরুষ নিজের প্যানিসের সাইজ নিয়ে চিন্তিত থাকে ”
কিরে ভাই! প্যানিস কি? আর হইলো নাহয় প্যানিস, তোরা একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পার্ট, তোরা কলেজ লেভেলের একটা মেয়েকে নিয়ে এসে আগা চিকন গোড়া মোটার এড ক্যান বানাইবি!?
শ্লা প্যানিস! ©️
কিরে ভাই! প্যানিস কি? আর হইলো নাহয় প্যানিস, তোরা একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পার্ট, তোরা কলেজ লেভেলের একটা মেয়েকে নিয়ে এসে আগা চিকন গোড়া মোটার এড ক্যান বানাইবি!?
শ্লা প্যানিস! ©️
😁15❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🚨🇵🇹 𝗕𝗥𝗘𝗔𝗞𝗜𝗡𝗚: Cristiano Ronaldo fans are now flooding Bruno Fernandes’ wife Ana Pinho latest Instagram post with hate comments, urging her to tell Bruno Fernandes to pass the ball to CR7. 😳
এইটা কোনো কথা😑
এইটা কোনো কথা😑
🤣4😁3