Recent Context/Exposed
3.98K subscribers
518 photos
114 videos
1 file
50 links
With Roast🔥
Download Telegram
যে যেখানে ইচ্ছে যেই ভাবে ইচ্ছে আপনাকে মা"রতে পারে। আপনি ম'র'তে পারেন। এতে দেশ রাষ্ট্রের কোন কিছু আসে যায় না। আর ম'রা'র পর বি'চার পাবেন এই চিন্তা করাও এখানে অন্যায়। 🙂

কা'স্টমস আফিসার বু'লেট বৈরাগী চট্টগ্রামে আর ট্রে'নিং শে'ষে, ঢাকায় ফেরার পথে কুমিল্লায় ছিনতাই কারীর কবলে পরে জীবন হা'রান। প্রথমে নি'খোঁজ থাকলেও ১২ ঘন্টা পরে লা'শ উ'দ্ধা'র করা হয়। চিন্তা করেন এতো সুন্দর একটা ফ্যামিলি নিমিষেই শেষ হয়ে গেলো। এই ছোট শিশুটা তার বাবাকে এতো কম বয়সে হা'রালো। ছেলেটা বোধহয় এখনো বাবা বলাই শি'খে নাই। কিন্তু তার বাবাকে হা'রিয়ে ফেলসে
😢13
Hasib (CSE 20, Roll: 2007025) – Serial Child Molester and Sexual Abuser.

গতকাল রাতে ২২ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী একটি ভয়ংকর তথ্য জানতে পারে। ল্যাবের একটি পিসিতে এই নরপিশাচের গুগল ড্রাইভ অ্যাকাউন্ট লগ-ইন করা অবস্থায় এক শিক্ষার্থীর চোখে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, সে তার সকল ভিক্টিমের নামে আলাদা ফোল্ডার করে তাদের ছবি ও ভিডি্ও ‘ট্রফি’ হিসেবে সেভ করে রেখেছে। একজন মানুষ মানসিকভাবে কতটা বিকৃত ও অসুস্থ হলে এমনটা করতে পারে, একবার ভেবে দেখুন!

ভেতরে এত অন্ধকার লুকিয়ে রেখে, সকলের সামনে সে নিজেকে অত্যন্ত নম্র-ভদ্র একজন মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। গতকাল রাতে অর্ণব (IEM 22), CSE-22 সহ ২২ ব্যাচের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ফজলুল হক হলের ২** নম্বর রুমে এই জানোয়ারের কাছে জবাবদিহি চাইতে (confront করতে) যায়। তাকে রুম থেকে বের করে অমর একুশে হলের সামনে নিয়ে আসা হয় স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য। সেখানে হাসিব নিজের অপরাধ অস্বীকার না করে উল্টো বলে, "তোমরা জানো না আমি কতটা অনুতাপ ফিল করতাম! আমি এসে প্রতিবার ২০ রাকাত নফল নামাজ পড়তাম।" এভাবে সে ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাকে DSW স্যারের কাছে নিয়ে যেতে চাইলে সে চরম ঔদ্ধত্য দেখায়, ধাক্কাধাক্কি করে এবং একপর্যায়ে ২২-এর ছেলেদের সাথে হাতাহাতি হয়পরবর্তীতে হাসিবকে হলে ফিরিয়ে এনে তার রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এই জঘন্য ঘটনার পর ফজলুল হক হলের সবাই যখন হাসিবের কঠোর বিচার দাবি করছে, তখন কেবল ওর একজন বন্ধু এর ব্যতিক্রম ছিল। (TE-20, SSH) এই পুরো বিষয়টিকে "সিনিয়রের গায়ে জুনিয়র হাত তুলেছে"—এমন একটি সস্তা ন্যারেটিভ দিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

কিন্তু আপনারাই বলুন, একজন রেপিস্ট বা চাইল্ড অ্যাবিউজার কি কখনো কারো ‘সিনিয়র’ হওয়ার যোগ্যতা রাখে?

সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের উদাত্ত আহ্বান—আপনারা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। এমন মানসিক বিকৃত ও ভয়ংকর অপরাধী যেন কোনোভাবেই আর এই পবিত্র ক্যাম্পাসে থাকতে না পারে।
8
Monster.. Sala..
😁7🤯62
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করলেন বাবা। আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।
20😢1
জামিল ও নাহিদা বৃষ্টি হত্যা মামলার শিউরে ওঠা আপডেট

ডিএনএ কনফার্মেশন আর পরনের কাপড় দেখে অবশেষে বৃষ্টির বডি শনাক্ত করা হয়েছে। বডিটা অনেকদিন পানির নিচে থাকায় খুব খারাপভাবে পচে গিয়েছিল।

জামিলের বডি যে এলাকায় পাওয়া গিয়েছিল, ঠিক তার কাছেই একজন কায়াকিং আর মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ওনার বড়শিতে হঠাত একটা প্লাস্টিক ব্যাগ আটকে যায়। এরপর প্রচণ্ড দুর্গন্ধ পেয়ে তিনি পুলিশ কল করলে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার হয়।

ঘাতক হিশামের গাড়ির ফরেনসিক করার পর দেখা গেছে, গাড়ির পেছনের দিকে জামিলের রক্ত এবং সামনের প্যাসেঞ্জার সিটে বৃষ্টির রক্ত লেগে ছিল।

হিশামের হাতের ট্রাইসেপসে খুব গভীর একটা কাটার ক্ষত পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষতটা এতটাই মারাত্মক ছিল যে সেখানে সেলাই লাগতো, কিন্তু ওটা নিয়েই সে বাসায় ছিল। এতে বোঝা যায়, জামিল আর বৃষ্টি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছিলেন ঘাতকের সাথে, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।..
😢152
নেত্রকোনায় পিশাচ হুজুর কর্তৃক মাদ্রাসা ছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় বলি ।

চিকিৎসক সায়মা জানিয়েছেন ,

'অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির গর্ভে থাকা ভ্রুণের বয়স ২৭ সপ্তাহের বেশি । আর মেয়েটির বয়স মাত্র ১১ বছর । ওজন ২৯ কেজি ।

তার এখনো ঠিকঠাক পিরিয়ড় শুরু হয় নি ।

তার গর্ভে জন্ম নেওয়া ভ্রুণের বাইপ্যারাইটাল ডায়ামিটার ( মাথার দুই পাশের হাড়ের দূরত্ব ) প্রায় ৭৪ মিলি মিটার যা শিশুটির পেলভিকের তুলনায় বড় । '

সহজ হিসেবে,এই শিশুর স্বাভাবিক নিয়মে ডেলিভারি অসম্ভব। এমনকি সিজারের মাধ্যমেও সম্ভব নয়।

তাহলে ?

উপায় হলো ' ক্র্যানিওটমি। '

এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে জানতে পারি -

"যখন মাতৃগর্ভে ভ্রুণ মারা যায় , মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য শেষ অপশন হিসেবে এটা ব্যবহার করা হয় । '

অথচ এই শিশু মেয়েটির ভ্রুণ জীবিত , সেও জীবিত।
তাই এই ঝুঁকিপূর্ণ পক্রিয়া তার জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ।

আমি শুধু এই ক্র্যানিওটমির মূল জিনিসটা সোজা বাংলায় বলি ।

এই পদ্ধতিতে মাতৃগর্ভে থাকা ভ্রণের মাথার খুলিতে ক্রস আকৃতির ছিদ্র করা হয় । এরপর মস্তিষ্ক থেকে সকল তরল ও অন্যান্য জিনিস বের করে নেওয়া হয় যাতে মাথার আকার ছোটো হয়ে যায় ।

মাথা ছোটো হয়ে গেলে তারপর টান দিয়ে ভ্রুণটিকে বের করে আনা হয় ।

এবং...এই পুরো প্রসেসটা করতে হয় ভ্যাজাইনার (মেয়েদের যোনীর) ভেতর দিয়ে ।

পূর্ণ বয়স্ক নারীর ক্ষেত্রেই এতে মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে ।

অথচ নেত্রকোনায় যে শিশুকে ধর্ষণ করা হয় , তার বয়স মাত্র ১১ , সে রক্তশূণ্যতা ও অপুষ্টিতে ভুগছে ।

অর্থাৎ তার যদি এই ক্র্যানিওটমি করা হয় , তাহলে তার উচ্চ মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে ।

কারণ এই পদ্ধতিতে ভ্যাজাইনা আঘাত প্রাপ্ত হয় । প্রচুর রক্তক্ষণ হয় , ইনফেকশন হয় । রোগীর ইনস্ট্যান্ট শক হয় ।

রোগী যদি রক্তশূন্যতায় ভোগে, তবে সে এগুলো সামলাতে পারে না ।

অর্থাৎ যে পদ্ধতিতে তাকে বাঁচানোর স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে , সেখানেও মৃত্যুর ফাঁদ ওৎ পেতে আছে । এমনই এক পরিস্থিতি ৷

এবার আমি একটা প্রশ্ন করি ,

এই মেয়েটার ধর্ষকের খাতায় পিশাচ আমানের নাম লেখা আছে । কিন্তু সে যদি মারা যায় , খুনীর খাতায় নাম লেখা থাকবে কার ?

শুনেছি মেয়েটা এতিম, মা বিধবা , অন্যের বাড়িতে কাজ করে । তাহলে মেয়ের এই ক্র্যানিটমিও করারই বা দায়িত্বই বা কে নেবে ?

মেয়েটা কতদিন বাঁচবে আর তার গ্যারান্টি নেই । তবে ধর্ষক বেঁচে যাবে ।

আমাদের দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো আবাসিক কওমী মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে ।

শুধু এই দুই মাসেই আমি অসংখ্য নিউজ দেখেছি যেখানে এই মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্রী ধর্ষণ হয়েছে ।
ছাত্রদের বলাৎকার করা হয়েছে ।

নরসিংদীর এক মেয়েকে ধর্ষণের পর ছাদ থেকে ফেলেই হত্যা করা হয়েছিলো ।

কিছুদিন আগে একজন ছাত্রীকে ধর্ষণের পর মুখ বন্ধ রাখতে বলা হয় । কিন্তু সে এসে তা পরিবারকে জানায়।

হুজুর ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এসে ছাত্রীর বাড়ি ভাঙচুর করে । এই ভিডিওটা আপনারা ফেসবুকেই পাবেন ।

ছাত্রী ধর্ষণ হইলে তবু গর্ভে ভ্রুণ আসে , ছাত্রদের বলাৎকার করলে ?

অধিকাংশই জানা যায় না । এদের ভয় দেখিয়ে চুপ করে রাখা হয় । অথচ এসব হরহামেশা ঘটছে।

দেশ রূপান্তরের একজন সাংবাদিকরে দেখলাম চ্যালেঞ্জ করতে ,

' আমাকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান দেখান , যার বয়স তিন বছর হয়েছে , কিন্তু কোনো মেয়ে শিক্ষার্থী যৌন হেনস্থার শিকার হয় নি অথবা কোনো ছাত্র বলাৎকার হয় নি । "

ইসলামী গবেষক ও লেখক একজন মুফতিকে নিয়ে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হইলে তিনি বললেন -

"এসব বন্ধ করবেন কিভাবে ? একটা বিল্ডিং এর দুই তিনটা রুম নিয়া এরা মাদ্রাসা খুলে বসে । আপনি কিছু বলতে যান , বলবে ,

"আমার বাপের টাকা দিয়া আমি মাদ্রাসা দিছি । তোমার সমস্যা কি ! "

আসলে এসবি হয়। এসব কওমী মাদ্রাসার কোনো সরকারি লাইসেন্স নেই। কোনো সরকারি হস্তক্ষেপ নেই । এরা ইচ্ছেমত সব ক্ষমতা দেখায় ।

কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এরা নিজেরা নিজেরাই সব নিয়ন্ত্রণ করবে । '

আমি মনে করি , বড় বড় আলেমদের উচিত এগুলার সমালোচনা করা । মানুষের উচিত এগুলার বিপক্ষে কথা বলা ।

হুজুরদের বিপক্ষে বললেই , ইসলামের ক্ষতি হবে , এই ভাবনা আপনার চিন্তার ভুল অ্যাঙ্গেল ।

এই হুজুররাই ইসলাম নয় বরং ইসলামকে স্রষ্টা জানিয়েছেন ধর্মগ্রন্থ দিয়ে । নবী রাসূল দিয়ে ।

সরকারের উচিত এগুলা নিয়া ইমিডিয়েটলি স্টেপ নেওয়া ।

আমি বলবো না মাদ্রাসা বন্ধ কইরা দাও বরং বলবো
সরকারি লাইসেন্স ছাড়া , অনুমোদন ছাড়া কোনো আবাসিক মাদ্রাসা না ।

কেউ মাদ্রাসা খুললে , সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে তাকে অনুমোদন দেওয়া হবে ।

সকল শিক্ষক - শিক্ষিকার সকল ইনফরমেশন সরকারি ওয়েবসাইটে থাকবে ।

প্রত্যেকটা অপ্রীতিকর ঘটনার জবাবদিহিতা থাকবে,

যাতে কোনো শিশুর পেটে ' ভ্রুণের জন্ম দিয়া , শিশুকে ধর্ষণ করে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে' কেউ পার পেয়ে না যায়...

মাঝেমধ্যে ভাবি , আমরা যে কোন যুগে আসছি ,

যেখানে অমানুষদের থেকে মানুষদের, মুখোশ থেকে মানুষদের আলাদা করে চেনা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।
😢111👎1🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফিরে দেখা: ৫ মে শাপলা চত্ত্বর ট্রাজেডি

#5May2013 #ShaplaSquare #Bangladesh
😢10😭2
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালীন আমি tuition শুরু করি। তখন ক্লাস নাইনের এক শিক্ষার্থীকে পড়াতাম। তার সঙ্গে আমার শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের বাইরে একটি আন্তরিক যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। তার সবচেয়ে কাছের এক বান্ধবীও মাঝেমধ্যে তাদের বাসায় আসত। সে এলে আমি দুজনকেই একসঙ্গে Physics, Chemistry এবং Mathematics পড়াতাম।

দুজনই ঢাকার একটি স্বনামধন্য স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল এবং পারিবারিকভাবেও তারা যথেষ্ট ভালো অবস্থানে ছিল।

হঠাৎ একদিন জানতে পারি, আমার ওই শিক্ষার্থীর বান্ধবীর মা মারা গেছেন। ঘটনাটি তাকে মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে দেয়। এরপর থেকে সে প্রায়ই তার বান্ধবীর বাসায় সময় কাটাত। দেখা হলে আমি তাকে console করার চেষ্টা করতাম। পরে জানতে পারি, আমার কথা শুনলে তার কিছুটা ভালো লাগত।

একদিন সে আমার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আমার নাম্বার নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে। ধীরে ধীরে নিজের জীবনের কঠিন বাস্তবতাগুলো আমার সঙ্গে share করতে শুরু করে। তখন জানতে পারি, তার মায়ের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না—তার বিশ্বাস, তার বাবার পরিকল্পনার ফলেই তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আরও জানতে পারি, তার বাবার অন্যত্র একটি relationship ছিল এবং মায়ের মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি অন্য একজনকে বিয়ে করেন।

এই পরিস্থিতির মধ্যে মেয়েটি পরিবারে প্রচণ্ড mental pressure ও অবহেলার শিকার হচ্ছিল। বাসায় পড়াশোনার মতো পরিবেশ ছিল না বলেই সে প্রায়ই বান্ধবীর বাসায় আসত।

তার কষ্টের গল্প শুনে তার প্রতি আমার গভীর মায়া জন্মায়। আমি যতটা সম্ভব তাকে mental support দেওয়ার চেষ্টা করি, পাশাপাশি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও পাশে থাকি। আমি তাকে বোঝাই, জীবনে যা-ই ঘটুক না কেন, পড়াশোনা বন্ধ করা যাবে না। নিজের জীবনকে নিজের মতো করে build up করতে হলে তাকে ভালোভাবে পড়াশোনা করে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং একসময় তা ভালোবাসায় রূপ নেয়।

সে SSC-তে খুব ভালো ফলাফল করে। এরপর তার বাবা তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। কিন্তু সে নিজের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করে এবং একপর্যায়ে বাবার বাসা ছেড়ে খালার বাসায় আশ্রয় নেয়।

তার খালার আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। খালা আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। সে খালার বাসায় থেকে কলেজে ভর্তি হয়। প্রতি মাসে আমি তার খালাকে কিছু টাকা দিতাম, তার personal expense দিতাম এবং পড়াশোনার প্রায় সব খরচই বহন করতাম।

যখন সে Intermediate Second Year-এ পড়ে, তখন আমার একটি ভালো company-তে চাকরি হয়। এদিকে পরিবার আমার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করে। আমি তাদের জানিয়ে দিই, আমার পছন্দের একজন মানুষ আছে।

ইন্টারমিডিয়েটেও সে অসাধারণ result করে। তার স্বপ্ন ছিল Medical-এ পড়ার। আমি তাকে সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য উৎসাহ দিই। প্রথমবার Medical Admission Test-এ সে সুযোগ পায়নি। এতে সে আবারও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আমি তাকে সাহস দিই এবং second attempt নিতে উৎসাহিত করি।

একটি পুরো বছর আমি অফিসের বাইরে যত সময় পেয়েছি, তার পড়াশোনা ও মানসিক সাপোর্টে দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়বার চেষ্টায় সে মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।

সেদিন মনে হয়েছিল, এটি যেন আমার নিজের জীবনেরও বড় একটি achievement। আমি আমার ভালোবাসার মানুষটিকে তার স্বপ্নের পথে এগিয়ে দিতে পেরেছি।

মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরও সে ভালোভাবেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকে। এক বছর পর আমি তাকে বলি, আমার পরিবারের সঙ্গে meet করার জন্য। কিন্তু সে তখন সময় চায়। জানায়, মেডিকেলের academic pressure অনেক বেশি, এখনই বিয়ে বা এসব নিয়ে ভাবতে চায় না।

পরে আমার মানসিক অবস্থা দেখে সে আমাকে assure করে—প্রথম professional exam পাশ করার পর আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবে। কথা মতো সে প্রথম প্রফ ভালোভাবে পাশ করে এবং আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। আমার মা ও পরিবারের সদস্যরা তাকে পছন্দও করেন।

সে তখন আমার পরিবারের কাছ থেকেও আরও কয়েক বছর সময় চায়। জানায়, MBBS complete করার পরই সে আমাকে বিয়ে করবে।

আমি অপেক্ষা করতে থাকি।

এরই মধ্যে PhD scholarship নিয়ে আমি Australia-তে যাওয়ার সুযোগ পাই। তার সম্মতিতেই বিদেশে যাই। সেখানে যাওয়ার পরও আমাদের যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল। তার hostel expense, আনুষঙ্গিক খরচ—সবকিছুই আমি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বহন করেছি। আমি চেয়েছি, সে যেন কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়া নিজের career-এ focus করতে পারে।

এই সময়ের মধ্যে আমি দুইবার দেশে এসেছি, তার সঙ্গে দেখা করেছি। সবকিছুই স্বাভাবিক মনে হয়েছে। কখনো আমার মনে হয়নি, এই মানুষটা আমাকে betray করতে পারে।

কিন্তু life সবসময় আমাদের expectation অনুযায়ী চলে না।

MBBS শেষ করার পর আমি তাকে বিয়ের কথা আরও গুরুত্ব দিয়ে বলতে শুরু করি। আমি চাইছিলাম, দেশে এসে অন্তত আমাদের engagement সম্পন্ন করতে। কিন্তু সে জানায়, internship শেষ করার পর সে এসব করবে।
3😢2
আমি এবারও তার সিদ্ধান্তকে respect করি।

এক বছর পর তার internship শেষ হয়। সেদিন আমি খুব excitement নিয়ে তাকে ফোন করি, আমাদের বিয়ের বিষয়টি final করার জন্য।

কিন্তু সেদিন তার মুখে যা শুনলাম, তা আমার পুরো পৃথিবীটাই বদলে দেয়।

সে আমাকে জানায়, আমাকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ সে তার মেডিকেলের এক senior-এর সঙ্গে relationship-এ জড়িয়ে পড়েছে। কখন, কীভাবে, কোন মুহূর্তে ওই মানুষের প্রতি তার feelings তৈরি হয়েছে—সে নিজেও নাকি বুঝতে পারেনি। ওই ব্যক্তি তাকে propose করেছে, আর সে accept করেছে।

শুধু তাই নয়, internship চলাকালীন একদিন তারা কাজী অফিসে গিয়ে marriage registration-ও complete করে ফেলেছে।

সবচেয়ে painful বিষয় হলো, এতদিন সে পুরো বিষয়টি আমার কাছ থেকে hide করে রেখেছে। এত perfectly আমাকে handle করেছে যে, আমি কখনো বুঝতেই পারিনি আমার অজান্তে সে অন্য একজনের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করে ফেলেছে।

যাকে আমি বছরের পর বছর ধরে emotionally, financially এবং personally support করেছি, যার dream fulfill করার জন্য নিজের সর্বোচ্চ দিয়েছি—আজ সেই মানুষটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় heartbreak-এর কারণ।

এখন আমার সবকিছু আছে, তবুও মনে হয় কিছুই নেই।

আমি রাতে properly sleep করতে পারি না। কোনো কাজে focus করতে পারি না। সবকিছুতেই উদাসীনতা কাজ করে। মনে হয়, আমি নিজেকেই lose করে ফেলছি।

এই অবস্থায় আমি কী করব, কোথায় যাব, কার কাছে নিজের pain express করব—কিছুই বুঝতে পারছি না।

একজন মানুষ কতটা deeply broken হয়ে যেতে পারে? নিজেকে দিয়ে উপলব্ধি করছি।।cp
😢171
আরবি গুলোর অর্থ হলো -
দুনিয়ার স্বাদ পাঁচটি জিনিসে নিহিত।
১)মাংস খাওয়া
২)মাংসের দিকে তাকানো
৩)মাংস স্পর্শ করা
৪)মাংসের ওপর আরোহণ করা
৫)মাংসের ভেতর মাংস প্রবেশ করানো
😁10👍1👏1😢1
ঘুম থেকে উঠে দেখি এক জীম ট্রেইনার, যে কিনা অনলাইনে অনেক মোটিভেশনাল টাইপ কথাবার্তা বলে; সে আরেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কি নিয়ে শ্রীলঙ্কা ঘুরতে যাওয়ার ছবি লিক হয়ে গেছে! জীম ট্রেইনার অনেক 'ফ্যামিলি ম্যান' টাইপের কথাবার্তা বলতেন দেখেই সবাই অবাক হয়েছিলো!

একটু আগে উনি স্ট্যাটাস দিলো যে উনার ওয়াইফ এর সাথে উনার আগেই 'ডি*-ভোর্স' হয়ে গেছে এবং স্ট্যাটাস এর লাস্টে বুঝিয়ে দিলো যেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছে, তাকে যাতে কেউ হ্যারা*স না করে!

আমার এই কাহিনী দেখে মনে হচ্ছে আমরা আরেক টা 'রাফসান শাবাব আর জেফার' কাহিনী দেখতে যাচ্ছি!
শেষে দেখা যাবে জীম ট্রেইনার আর কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বিয়ে করে ফেলছে! :3
🤣112😁2
কারিনা কায়সার মারা গেছেন,
আমাদের মৃত্যু কতটা কাছে, তা আমরা আদ্য উপলব্ধি করতে পারি!
😢171😱1