Recent Context/Exposed
3.97K subscribers
518 photos
114 videos
1 file
50 links
With Roast🔥
Download Telegram
আমার কাছে ভিডিওটা আছে কিন্তু নিজের রুচির কারণে আমি ভিডিও আপলোড দিলাম না শুধু কয়েকটা স্ক্রিনশট দিলাম উত্তর ভিডিও থেকে। হিজাব পরা মেয়েদের নামে যে দুর্নাম গুলো উঠে শুধুমাত্র এই ধরনের কিছু মেয়েদের কারণে দুর্নাম উঠে।

আমি জানিনা ভিডিওটি কোথাকার রেস্টুরেন্টে নাকি কোন শপিংমলে না কোথায়। আমি জানিনা এটা তাদের কেমন ফ্যান্টাসি। তাও নাকি এই ঘটনাটা রমজান মাসে। দেশে এডাল্টদের জন্য হোটেল ওপেন করে দেয়া হয়েছে। ভাই তোর যদি রমজান মাসে এত শরীরে এতোকারেন্ট থাকে তুই টাকা দিয়ে হোটেলে গিয়ে মেয়ে নিয়ে তোর যা খুশি কর। তাই বলে পাবলিক ওয়াশরুমে? রমজান মাস টা ও ছাড়া দিলো না এরা!

এখানে আবার একগাদা লোক এসে বলতে পারি যে তাদের এইখানে ভিডিও কেন করা হলো ভিডিও কেন ভাইরাল করা হলো ভাইরে ভাই তোরা পাবলিকে লাগাইতে পারবি ভিডিও করতে পারবে না? এইসব সোনার চান্দের আসলে কি করা যায়? সেটা আমার মাথায় ঢুকতেছে না।
😁112
গতকাল ঢাকা ওয়াসার এমডি স্যারকে ফোন দিয়েছিলাম। তাঁকে জানালাম, ঢাকা ওয়াসার পানিতে PFAS (polyfluoroalkyl substances) এবং কীটনাশক ও ফার্মাসিউটিক্যালস পাওয়া গেছে। তারমানে আমরা খাবার পানির সাথে বিষ খাচ্ছি প্রতিদিন। দুইটাই ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কেমিক্যাল কন্টামিনেশন।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল সুইডেনের Umea University এর যৌথ সহযোগিতায় সুইডিশ ল্যাবে ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন স্থানের কয়েকটি পানির নমুনা পরীক্ষা করে পিফাস এবং কীটনাশক ও ফার্মাসিউটিক্যালস পেয়েছে। আমরা গড়ে প্রতিদিন দুই লিটার পানি খেলে কী পরিমাণ মারাত্মক কেমিক্যাল কন্টামিনেশন যাচ্ছে আমাদের শরীরে, সেটার ভয়াবহতা তুলে ধরলাম তাঁর কাছে। তাহলে বাচ্চাদের অবস্থা কী হতে পারে, সেটাও জানালাম।

তাঁকে বললাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি রসায়ন বিভাগের ড. আরিফ এবং ড. কাইউম সাহেব এই গবেষণায় ছিলেন। তাঁদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানালাম। আরও বললাম, গবেষণা পত্র প্রকাশের দিন ঢাকা ওয়াসার ল্যাবের চারজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে ডেকে নিয়ে তিনি যেন সব বিষয়ে জেনে নেন এবং ওয়াসার সার্ফেস এবং গ্রাউন্ড ওয়াটার আলাদাভাবে পরীক্ষা করে রুট কজ এবং রিস্ক ফ্যাক্টর এনালাইসিস করেন। কোন ল্যাবে করা যাবে সেটাও বলে দিলাম।

এটা করা আমার দায় বা দায়িত্ব, কোনটাই ছিল না। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর কোনো প্রয়োজন দেখি না। কে মরে মরুক। এসব তথ্য তো আমাকে কেউ ডেকে বলেনি। নিজেই যোগাড় করেছি।

তিনি সব শুনে আমাকে আগামী সপ্তাহে তাঁর অফিসে যেতে বললেন।

কিন্তু আমি যাব না। কারণ চেহারা দেখাবার কিছু নেই আর আমি চা নাস্তাও খাই না। এনাফ ইজ এনাফ।আপনারা যারা বলেছিলেন, নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে থাকবেন, রাস্তায় নামবেন, এবার তারা গিয়ে ওয়াসার এমডি মহোদয়ের সাথে দেখা করে এইসব ভয়াবহ অবস্থার কথা বলুন। খাবার পানির সাথে পিফাস আর কীটনাশক এবং ফার্মাসিউটিক্যালস খাওয়ার রেকর্ড জগতের কোথাও নেই।

পুরো জাতি ধ্বংস হবে খাদ্য ভেজালের কারণে। ম*রুক সবাই।

** পারলে শেয়ার এবং কপি পেস্ট করবেন। যদি কষ্ট নাহয়।
😢102
Jader haat e shomoy kom tader jonno ei bhodro lokkhi meyetir video gula ke summary kore dilam!

“Ami ekta cheler bashay jai guitar shikhte kintu tarpor amra p’hysical hoye jai. Jehetu chele ta famous tai bhablam biye kore feli. Jokhon dekhlam biye korbe na tokhon kotha bola off kore dei. Kintu tao khub mon chaito biye korar. Bhabsilam aste aste golay felbo but amar plan work kore nai. So ebar p’hysical hobar por h’ickey gula dekheiye bollam amake ra!pe korte chaisilo and agey joto bar korsi oigula keo ekhon ra!pe hishebei dhori, dekhi kichu korte pari kina.

Ashole choto belay ekta movie dekhsilam, o jodi amar na hoy tahole onno karo hoite dibo na”

You are welcome❤️

©️Sohan
😁216👍1🫡1
নতুন বছরে আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কষ্টকর পরিস্থিতি গুলোর অবসান করুক এবং আমাদের মঙ্গলজনক প্রাপ্তি দিক।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩
7
Open Chatgpt and Send this👇
Roast me as brutally as you can according to my chat history in bangla
কমেন্টে এ স্ক্রিনশট দিয়ে দেখিয়ে দিন আপনার ক্রিয়েটিভিটি🫡
😁4
গণপিটুনির ভিডিওটি তো দেখেছেন? উল্লাসও করছেন। বলা হচ্ছে তিনজন মিলে ধর্ষণ করেছে! কিন্তু আদৌ কী সত্যি?

নিউজ কী বলছে? নিহত দুজন আপন ভাই পান্নু মিয়াঁ (৪৫) এবং ফজলু মিয়াঁ (২৮)। গুরুতর আহত পান্নুর ছেলে নাজমুল (২০)।

এটা কমনসেন্স। বাপ-ছেলে-চাচা মিলে কী কোন শিশুকে ধ/র্ষ/ণ করবে? এদের যেকোন একজন এই ঘটনা ঘটাতে পারে। তাহলে বাকী দুজন নির্দোষ? তাদেরকে মেরে ফেললো কেন!

যমুনা নিউজঃ গতকাল বিকেলে শিশু আতিকা নিখোঁজ হওয়ার পর এলাকায় মাইকিং করা হয়। রাতের দিকে প্রতিবেশী কিশোর নাঈমকে সন্দেহ হয় এবং তাকে চাপ দিলে সে শিশুটির সন্ধান দেয়। এক পর্যায়ে নাঈম নাকি পালিয়ে যায়।

হাত-পা বাঁধা অবস্থা বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবার সন্দেহ করে, শিশুটির গলায় স্বর্ণের চেইন এবং কানের দুল লুটের উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। (প্রথম আলো)

শিশুটির স্বজনেরা প্রতিবেশী নাঈমের বাড়িতে হামলা চালায়। সেখানে নাঈমের বাবা ইজিবাইক চালক পান্নু মিয়াঁ, তার ছোট ভাই ফজলু মিয়াঁ এবং পান্নুর ছেলেকে গণপিটুনি দিলে দু ভাই মরে যায় এবং গুরতর অবস্থায় পান্নুর ছেলে নাজমুলকে উদ্ধার করা হয়।

অপরাধী সন্তানের জন্য বাবা-চাচা-ভাইকে মেরে ফেলা কী জায়েজ?

আতিকার ময়না তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটা ধ/র্ষ/ণ কীনা বলা যাচ্ছে না। আবার হতেও পারে ধর্ষণ হয়নি।

কিন্তু এদিকে ফেসবুকে ভিডিওটি তিনজন মিলে গণধর্ষণ বলে প্রচার করা হচ্ছে এবং জনসমর্থনও পাচ্ছে। সবাই আনন্দিত। নিরপরাধের মৃত্যুতে কী আনন্দিত হওয়া যায়?

কোনভাবেই অপরাধ কমানো যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও খুন, ধর্ষণ হচ্ছে। নিরীহ শিশুদেরকেও অপরাধীরা ছাড়ছে না। দৃষ্টান্তমূলক বিচারহীনতার সংস্কৃতির জন্য জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে।

কিন্তু এর ভয়াবহতা তো আমরা যারা উল্লাস করছি। অনুভব করতে পারছি না। হুট হাট যে কেউই আপনাকে, আমাকে মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে মেরে ফেলতে পারে।

নিষ্পাপ আতিকার উপর হওয়া ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। কিন্তু এখানে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিলো? আতিকার প্রকৃত খুনি কে?

এসব প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত জানতে আমিও আগ্রহী! জানার জন্য আমরা না হয়, আরেকটু অপেক্ষা করি। ©️
8👍5
যে যেখানে ইচ্ছে যেই ভাবে ইচ্ছে আপনাকে মা"রতে পারে। আপনি ম'র'তে পারেন। এতে দেশ রাষ্ট্রের কোন কিছু আসে যায় না। আর ম'রা'র পর বি'চার পাবেন এই চিন্তা করাও এখানে অন্যায়। 🙂

কা'স্টমস আফিসার বু'লেট বৈরাগী চট্টগ্রামে আর ট্রে'নিং শে'ষে, ঢাকায় ফেরার পথে কুমিল্লায় ছিনতাই কারীর কবলে পরে জীবন হা'রান। প্রথমে নি'খোঁজ থাকলেও ১২ ঘন্টা পরে লা'শ উ'দ্ধা'র করা হয়। চিন্তা করেন এতো সুন্দর একটা ফ্যামিলি নিমিষেই শেষ হয়ে গেলো। এই ছোট শিশুটা তার বাবাকে এতো কম বয়সে হা'রালো। ছেলেটা বোধহয় এখনো বাবা বলাই শি'খে নাই। কিন্তু তার বাবাকে হা'রিয়ে ফেলসে
😢13
Hasib (CSE 20, Roll: 2007025) – Serial Child Molester and Sexual Abuser.

গতকাল রাতে ২২ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী একটি ভয়ংকর তথ্য জানতে পারে। ল্যাবের একটি পিসিতে এই নরপিশাচের গুগল ড্রাইভ অ্যাকাউন্ট লগ-ইন করা অবস্থায় এক শিক্ষার্থীর চোখে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, সে তার সকল ভিক্টিমের নামে আলাদা ফোল্ডার করে তাদের ছবি ও ভিডি্ও ‘ট্রফি’ হিসেবে সেভ করে রেখেছে। একজন মানুষ মানসিকভাবে কতটা বিকৃত ও অসুস্থ হলে এমনটা করতে পারে, একবার ভেবে দেখুন!

ভেতরে এত অন্ধকার লুকিয়ে রেখে, সকলের সামনে সে নিজেকে অত্যন্ত নম্র-ভদ্র একজন মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। গতকাল রাতে অর্ণব (IEM 22), CSE-22 সহ ২২ ব্যাচের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ফজলুল হক হলের ২** নম্বর রুমে এই জানোয়ারের কাছে জবাবদিহি চাইতে (confront করতে) যায়। তাকে রুম থেকে বের করে অমর একুশে হলের সামনে নিয়ে আসা হয় স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য। সেখানে হাসিব নিজের অপরাধ অস্বীকার না করে উল্টো বলে, "তোমরা জানো না আমি কতটা অনুতাপ ফিল করতাম! আমি এসে প্রতিবার ২০ রাকাত নফল নামাজ পড়তাম।" এভাবে সে ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাকে DSW স্যারের কাছে নিয়ে যেতে চাইলে সে চরম ঔদ্ধত্য দেখায়, ধাক্কাধাক্কি করে এবং একপর্যায়ে ২২-এর ছেলেদের সাথে হাতাহাতি হয়পরবর্তীতে হাসিবকে হলে ফিরিয়ে এনে তার রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এই জঘন্য ঘটনার পর ফজলুল হক হলের সবাই যখন হাসিবের কঠোর বিচার দাবি করছে, তখন কেবল ওর একজন বন্ধু এর ব্যতিক্রম ছিল। (TE-20, SSH) এই পুরো বিষয়টিকে "সিনিয়রের গায়ে জুনিয়র হাত তুলেছে"—এমন একটি সস্তা ন্যারেটিভ দিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

কিন্তু আপনারাই বলুন, একজন রেপিস্ট বা চাইল্ড অ্যাবিউজার কি কখনো কারো ‘সিনিয়র’ হওয়ার যোগ্যতা রাখে?

সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের উদাত্ত আহ্বান—আপনারা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। এমন মানসিক বিকৃত ও ভয়ংকর অপরাধী যেন কোনোভাবেই আর এই পবিত্র ক্যাম্পাসে থাকতে না পারে।
8
Monster.. Sala..
😁7🤯62
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করলেন বাবা। আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।
20😢1
জামিল ও নাহিদা বৃষ্টি হত্যা মামলার শিউরে ওঠা আপডেট

ডিএনএ কনফার্মেশন আর পরনের কাপড় দেখে অবশেষে বৃষ্টির বডি শনাক্ত করা হয়েছে। বডিটা অনেকদিন পানির নিচে থাকায় খুব খারাপভাবে পচে গিয়েছিল।

জামিলের বডি যে এলাকায় পাওয়া গিয়েছিল, ঠিক তার কাছেই একজন কায়াকিং আর মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ওনার বড়শিতে হঠাত একটা প্লাস্টিক ব্যাগ আটকে যায়। এরপর প্রচণ্ড দুর্গন্ধ পেয়ে তিনি পুলিশ কল করলে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার হয়।

ঘাতক হিশামের গাড়ির ফরেনসিক করার পর দেখা গেছে, গাড়ির পেছনের দিকে জামিলের রক্ত এবং সামনের প্যাসেঞ্জার সিটে বৃষ্টির রক্ত লেগে ছিল।

হিশামের হাতের ট্রাইসেপসে খুব গভীর একটা কাটার ক্ষত পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষতটা এতটাই মারাত্মক ছিল যে সেখানে সেলাই লাগতো, কিন্তু ওটা নিয়েই সে বাসায় ছিল। এতে বোঝা যায়, জামিল আর বৃষ্টি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছিলেন ঘাতকের সাথে, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।..
😢152
নেত্রকোনায় পিশাচ হুজুর কর্তৃক মাদ্রাসা ছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় বলি ।

চিকিৎসক সায়মা জানিয়েছেন ,

'অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির গর্ভে থাকা ভ্রুণের বয়স ২৭ সপ্তাহের বেশি । আর মেয়েটির বয়স মাত্র ১১ বছর । ওজন ২৯ কেজি ।

তার এখনো ঠিকঠাক পিরিয়ড় শুরু হয় নি ।

তার গর্ভে জন্ম নেওয়া ভ্রুণের বাইপ্যারাইটাল ডায়ামিটার ( মাথার দুই পাশের হাড়ের দূরত্ব ) প্রায় ৭৪ মিলি মিটার যা শিশুটির পেলভিকের তুলনায় বড় । '

সহজ হিসেবে,এই শিশুর স্বাভাবিক নিয়মে ডেলিভারি অসম্ভব। এমনকি সিজারের মাধ্যমেও সম্ভব নয়।

তাহলে ?

উপায় হলো ' ক্র্যানিওটমি। '

এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে জানতে পারি -

"যখন মাতৃগর্ভে ভ্রুণ মারা যায় , মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য শেষ অপশন হিসেবে এটা ব্যবহার করা হয় । '

অথচ এই শিশু মেয়েটির ভ্রুণ জীবিত , সেও জীবিত।
তাই এই ঝুঁকিপূর্ণ পক্রিয়া তার জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ।

আমি শুধু এই ক্র্যানিওটমির মূল জিনিসটা সোজা বাংলায় বলি ।

এই পদ্ধতিতে মাতৃগর্ভে থাকা ভ্রণের মাথার খুলিতে ক্রস আকৃতির ছিদ্র করা হয় । এরপর মস্তিষ্ক থেকে সকল তরল ও অন্যান্য জিনিস বের করে নেওয়া হয় যাতে মাথার আকার ছোটো হয়ে যায় ।

মাথা ছোটো হয়ে গেলে তারপর টান দিয়ে ভ্রুণটিকে বের করে আনা হয় ।

এবং...এই পুরো প্রসেসটা করতে হয় ভ্যাজাইনার (মেয়েদের যোনীর) ভেতর দিয়ে ।

পূর্ণ বয়স্ক নারীর ক্ষেত্রেই এতে মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে ।

অথচ নেত্রকোনায় যে শিশুকে ধর্ষণ করা হয় , তার বয়স মাত্র ১১ , সে রক্তশূণ্যতা ও অপুষ্টিতে ভুগছে ।

অর্থাৎ তার যদি এই ক্র্যানিওটমি করা হয় , তাহলে তার উচ্চ মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে ।

কারণ এই পদ্ধতিতে ভ্যাজাইনা আঘাত প্রাপ্ত হয় । প্রচুর রক্তক্ষণ হয় , ইনফেকশন হয় । রোগীর ইনস্ট্যান্ট শক হয় ।

রোগী যদি রক্তশূন্যতায় ভোগে, তবে সে এগুলো সামলাতে পারে না ।

অর্থাৎ যে পদ্ধতিতে তাকে বাঁচানোর স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে , সেখানেও মৃত্যুর ফাঁদ ওৎ পেতে আছে । এমনই এক পরিস্থিতি ৷

এবার আমি একটা প্রশ্ন করি ,

এই মেয়েটার ধর্ষকের খাতায় পিশাচ আমানের নাম লেখা আছে । কিন্তু সে যদি মারা যায় , খুনীর খাতায় নাম লেখা থাকবে কার ?

শুনেছি মেয়েটা এতিম, মা বিধবা , অন্যের বাড়িতে কাজ করে । তাহলে মেয়ের এই ক্র্যানিটমিও করারই বা দায়িত্বই বা কে নেবে ?

মেয়েটা কতদিন বাঁচবে আর তার গ্যারান্টি নেই । তবে ধর্ষক বেঁচে যাবে ।

আমাদের দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো আবাসিক কওমী মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে ।

শুধু এই দুই মাসেই আমি অসংখ্য নিউজ দেখেছি যেখানে এই মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্রী ধর্ষণ হয়েছে ।
ছাত্রদের বলাৎকার করা হয়েছে ।

নরসিংদীর এক মেয়েকে ধর্ষণের পর ছাদ থেকে ফেলেই হত্যা করা হয়েছিলো ।

কিছুদিন আগে একজন ছাত্রীকে ধর্ষণের পর মুখ বন্ধ রাখতে বলা হয় । কিন্তু সে এসে তা পরিবারকে জানায়।

হুজুর ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এসে ছাত্রীর বাড়ি ভাঙচুর করে । এই ভিডিওটা আপনারা ফেসবুকেই পাবেন ।

ছাত্রী ধর্ষণ হইলে তবু গর্ভে ভ্রুণ আসে , ছাত্রদের বলাৎকার করলে ?

অধিকাংশই জানা যায় না । এদের ভয় দেখিয়ে চুপ করে রাখা হয় । অথচ এসব হরহামেশা ঘটছে।

দেশ রূপান্তরের একজন সাংবাদিকরে দেখলাম চ্যালেঞ্জ করতে ,

' আমাকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান দেখান , যার বয়স তিন বছর হয়েছে , কিন্তু কোনো মেয়ে শিক্ষার্থী যৌন হেনস্থার শিকার হয় নি অথবা কোনো ছাত্র বলাৎকার হয় নি । "

ইসলামী গবেষক ও লেখক একজন মুফতিকে নিয়ে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হইলে তিনি বললেন -

"এসব বন্ধ করবেন কিভাবে ? একটা বিল্ডিং এর দুই তিনটা রুম নিয়া এরা মাদ্রাসা খুলে বসে । আপনি কিছু বলতে যান , বলবে ,

"আমার বাপের টাকা দিয়া আমি মাদ্রাসা দিছি । তোমার সমস্যা কি ! "

আসলে এসবি হয়। এসব কওমী মাদ্রাসার কোনো সরকারি লাইসেন্স নেই। কোনো সরকারি হস্তক্ষেপ নেই । এরা ইচ্ছেমত সব ক্ষমতা দেখায় ।

কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এরা নিজেরা নিজেরাই সব নিয়ন্ত্রণ করবে । '

আমি মনে করি , বড় বড় আলেমদের উচিত এগুলার সমালোচনা করা । মানুষের উচিত এগুলার বিপক্ষে কথা বলা ।

হুজুরদের বিপক্ষে বললেই , ইসলামের ক্ষতি হবে , এই ভাবনা আপনার চিন্তার ভুল অ্যাঙ্গেল ।

এই হুজুররাই ইসলাম নয় বরং ইসলামকে স্রষ্টা জানিয়েছেন ধর্মগ্রন্থ দিয়ে । নবী রাসূল দিয়ে ।

সরকারের উচিত এগুলা নিয়া ইমিডিয়েটলি স্টেপ নেওয়া ।

আমি বলবো না মাদ্রাসা বন্ধ কইরা দাও বরং বলবো
সরকারি লাইসেন্স ছাড়া , অনুমোদন ছাড়া কোনো আবাসিক মাদ্রাসা না ।

কেউ মাদ্রাসা খুললে , সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে তাকে অনুমোদন দেওয়া হবে ।

সকল শিক্ষক - শিক্ষিকার সকল ইনফরমেশন সরকারি ওয়েবসাইটে থাকবে ।

প্রত্যেকটা অপ্রীতিকর ঘটনার জবাবদিহিতা থাকবে,

যাতে কোনো শিশুর পেটে ' ভ্রুণের জন্ম দিয়া , শিশুকে ধর্ষণ করে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে' কেউ পার পেয়ে না যায়...

মাঝেমধ্যে ভাবি , আমরা যে কোন যুগে আসছি ,

যেখানে অমানুষদের থেকে মানুষদের, মুখোশ থেকে মানুষদের আলাদা করে চেনা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।
😢111👎1🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফিরে দেখা: ৫ মে শাপলা চত্ত্বর ট্রাজেডি

#5May2013 #ShaplaSquare #Bangladesh
😢10😭2