ভারতের পছন্দের লোকেরাই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছে।
অমিত শাহের কাছে হাটু গেড়ে দেওয়া আমির খসরু হচ্ছে বিদেশমন্ত্রী। ভারতের ৯ বছর থেকে আসা সালাউদ্দিন হচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। এলজিবিটি এক্টিভিস্ট জোনায়েদ সাকি হচ্ছে সংস্কৃতি মন্ত্রী।
দিন শেষে হাসিনা গিয়েছে, ভারত আবার নতুন গোলাম পেয়েছে। বিদায় জুলাই।
অমিত শাহের কাছে হাটু গেড়ে দেওয়া আমির খসরু হচ্ছে বিদেশমন্ত্রী। ভারতের ৯ বছর থেকে আসা সালাউদ্দিন হচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। এলজিবিটি এক্টিভিস্ট জোনায়েদ সাকি হচ্ছে সংস্কৃতি মন্ত্রী।
দিন শেষে হাসিনা গিয়েছে, ভারত আবার নতুন গোলাম পেয়েছে। বিদায় জুলাই।
😭16🤬1
ফ্যাসিবাদি আওয়ামী সরকারের সাজানো মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মুজাম্মিল হুসাইন সাইমনের জুলাইয়ের চিঠি।
#JusticeForSimon #JulyRevolution #FreeSimon
https://www.facebook.com/share/v/1AWNH9qfeJ/
Engage plz
#JusticeForSimon #JulyRevolution #FreeSimon
https://www.facebook.com/share/v/1AWNH9qfeJ/
Engage plz
❤4🤡1
হে মুসলিম উম্মাহ, ২১ শে ফেব্রুয়ারির শির্ক থেকে নিজেকে পবিত্র রাখুন। ❤️
❤4🤡1
শহীদের মায়েরা এখনো কাঁদে,
ছাদখোলা গাড়িতে খুনীরা হাসে।
***
জুলাই–আগস্ট ২০২৪ সালের গণ•অভ্যু•ত্থানে ছাত্র–জনতার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া আর এস ফাহিম দেশে ফিরেছে।
হ•ত্যা মামলার আ•সা•মি আর এস ফাহিম আওয়ামী লীগের স•ন্ত্রা•সী ক্যাডার মোহাম্মদপুরের কাউন্সিলর রাজিবের সঙ্গে মিলিত হয়ে ছাত্র–জনতার ওপর হা•ম•লা ও হ•ত্যা•কা•ণ্ডে জড়িত ছিল। ৫ আগস্টের পর সে দেশ ত্যাগ করে।
এখন নতুন সরকার গঠনের পর হত্যা মামলার আ•সা•মি•রা দেশে ফিরছে।
আওয়ামী স•ন্ত্রা•সী•দের পুনর্বাসন শুরু হয়েছে?
কে/কারা এর পেছনে?
ছাদখোলা গাড়িতে খুনীরা হাসে।
***
জুলাই–আগস্ট ২০২৪ সালের গণ•অভ্যু•ত্থানে ছাত্র–জনতার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া আর এস ফাহিম দেশে ফিরেছে।
হ•ত্যা মামলার আ•সা•মি আর এস ফাহিম আওয়ামী লীগের স•ন্ত্রা•সী ক্যাডার মোহাম্মদপুরের কাউন্সিলর রাজিবের সঙ্গে মিলিত হয়ে ছাত্র–জনতার ওপর হা•ম•লা ও হ•ত্যা•কা•ণ্ডে জড়িত ছিল। ৫ আগস্টের পর সে দেশ ত্যাগ করে।
এখন নতুন সরকার গঠনের পর হত্যা মামলার আ•সা•মি•রা দেশে ফিরছে।
আওয়ামী স•ন্ত্রা•সী•দের পুনর্বাসন শুরু হয়েছে?
কে/কারা এর পেছনে?
😢11❤2😭1
একটা সিক্রেট ঘটনা বলি। অনেকসময় আমরা দেখি কেউ মারা যাওয়ার আগে অনেক ভালো ভালো কাজ করতে থাকে। এমন অনেক ইশারা দিতে থাকে মৃত্যুর যেগুলো আমরা শুনে বুঝি না। কিন্তু তার মৃত্যুর পর আমরা বুঝি। আরে! সে তো আগেই জানতো সে মারা যাচ্ছে!
আমরা শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর তার বায়োতে দেখেছিলাম সেখানে লেখা: 'অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে'। আবার শহীদ হাদিকে দেখতাম শাহাদাতের আগে এমনসব কথা বলছেন যেন তিনি তার মৃত্যু হবে আগেই জানতেন। আবার অনেকেই দেখা যায় মৃত্যুর আগে গুনাহ আরো বেশি শুরু করে দেয়। এমনকি সে গুনাহের উপর মারা যায়। কিন্তু এগুলো কি কাকতালীয় নাকি আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে আগেই ইশারা দেন? এনিয়ে সুন্দর একটা হাদিস আছে। সেই হাদিসটাই আজকের সিক্রেট ঘটনা।
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
إن الله إذا أراد بعبده خيرا قيض له ملكا قبل موته بعام فسدده ويسره حتى يموت وهو خير ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من الجنة فجعل يتهوع نفسه ود أنها خرجت، فعند ذلك أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه، وإذا أراد بعبد سوءا قيض له شيطانا قبل موته بعام فصده وأضله وفتنه حتى يموت شر ما كان، ويقول الناس مات فلان وهو شر ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من النار جعل يتبلع نفسه ود أنه لا يخرج، فعند ذلك كره لقاء الله وكره الله لقاءه
আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন। সেই ফেরেশতা তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তার জন্য নেক আমল করা সহজ করে দেয়। এমনকি সে তার জীবনের সর্বোত্তম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় এবং সে জান্নাতে তার প্রতিদান দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন বের হয়ে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তার রূহ দ্রুত বের হয়ে যাক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে ভালোবাসে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে ভালোবাসেন।
আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একটা শয়তানকে তার উপর নিয়োজিত করে দেন। সে তাকে সত্য পথ থেকে ফিরিয়ে দেয়। গোমরাহ করে এবং বিভ্রান্তিতে ফেলে রাখে। এমনকি সে জীবনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। মানুষ বলতে থাকে: অমুক ব্যক্তি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মারা গেছে। যখন মৃত্যুর সময় আসে এবং সে জাহান্নামে তার শাস্তি দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন ভিতরে ঢুকে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তা বের না হোক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন।
[মুসান্নাফে আবি শায়বা]
আপনি কোনটা চান? আল্লাহর সাক্ষাৎ পাওয়ার অসীম কামনা নাকি শয়তানের সাথে দোস্তি?
মালিক! তোমার দীদার আমাদের নসীব করো।
আমরা শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর তার বায়োতে দেখেছিলাম সেখানে লেখা: 'অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে'। আবার শহীদ হাদিকে দেখতাম শাহাদাতের আগে এমনসব কথা বলছেন যেন তিনি তার মৃত্যু হবে আগেই জানতেন। আবার অনেকেই দেখা যায় মৃত্যুর আগে গুনাহ আরো বেশি শুরু করে দেয়। এমনকি সে গুনাহের উপর মারা যায়। কিন্তু এগুলো কি কাকতালীয় নাকি আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে আগেই ইশারা দেন? এনিয়ে সুন্দর একটা হাদিস আছে। সেই হাদিসটাই আজকের সিক্রেট ঘটনা।
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
إن الله إذا أراد بعبده خيرا قيض له ملكا قبل موته بعام فسدده ويسره حتى يموت وهو خير ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من الجنة فجعل يتهوع نفسه ود أنها خرجت، فعند ذلك أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه، وإذا أراد بعبد سوءا قيض له شيطانا قبل موته بعام فصده وأضله وفتنه حتى يموت شر ما كان، ويقول الناس مات فلان وهو شر ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من النار جعل يتبلع نفسه ود أنه لا يخرج، فعند ذلك كره لقاء الله وكره الله لقاءه
আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন। সেই ফেরেশতা তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তার জন্য নেক আমল করা সহজ করে দেয়। এমনকি সে তার জীবনের সর্বোত্তম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় এবং সে জান্নাতে তার প্রতিদান দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন বের হয়ে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তার রূহ দ্রুত বের হয়ে যাক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে ভালোবাসে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে ভালোবাসেন।
আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একটা শয়তানকে তার উপর নিয়োজিত করে দেন। সে তাকে সত্য পথ থেকে ফিরিয়ে দেয়। গোমরাহ করে এবং বিভ্রান্তিতে ফেলে রাখে। এমনকি সে জীবনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। মানুষ বলতে থাকে: অমুক ব্যক্তি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মারা গেছে। যখন মৃত্যুর সময় আসে এবং সে জাহান্নামে তার শাস্তি দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন ভিতরে ঢুকে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তা বের না হোক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন।
[মুসান্নাফে আবি শায়বা]
আপনি কোনটা চান? আল্লাহর সাক্ষাৎ পাওয়ার অসীম কামনা নাকি শয়তানের সাথে দোস্তি?
মালিক! তোমার দীদার আমাদের নসীব করো।
❤15