এপস্টিন কে?
তরুণ বিলিয়েনেয়ার এবং ফাইন্যান্স জগতের লোক হিসেবে পরিচিত ছিল। দুনিয়ার হোমড়াচোমরাদের সাথে ঘনিষ্ঠ। টাকা আর নেটওয়ার্কের উৎস কী, কেউ ক্লিয়ারলি জানে না৷
.
.
সে কী করতো?
পশ্চিমা দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী আর প্রভাবশালী লোকদের জন্য পার্টির ব্যবস্থা করতো নিজের ব্যক্তিগত দ্বীপে। টপ পলিটিশিয়ান, সেলেব্রিটি, বিযনেসম্যান, ইন্টেলেকচুয়াল - মোটামুটি সব ধরণের লোক তার এসব পার্টিতে আমন্ত্রন পেতো।
.
.
পার্টিতে কী হতো?
ড্রাগস, অরজি, রেইপ। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং ছেলেরা থাকতো। পাশাপাশি টর্চার, হত্যা এবং ক্যানিবালিসমের ইঙ্গিত আছে। তবে এখনো সাবস্টেনশিয়েটেড না।
.
.
কেন পার্টি অ্যারেঞ্জ করতো এপস্টিন?
নিজের আনন্দ, নেটওয়ার্ক, প্রভাবের জন্য। পাশাপাশি প্রভাবশালীরা কী করছে সেগুলো সে ভিডিও করে রাখতো। এই ভিডিও মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার হতো।
.
.
প্রভাবশালীরা কেন পার্টিতে যেতো?
কারণ, তারা বিকৃত রুচির পশু৷
.
ব্ল্যাকমেইল কে করতো?
যারা ২৩ সাল থেকে সারা বিশ্বের সামনে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। দাজ্জালের চোসেন পিপল।
.
.
এপস্টিনের এখন কী অবস্থা?
জেলহাজতে নেয়ার পর সে রহস্যময়ভাবে 'আত্মহত্যা' করে। তার বাসা আর ডিভাইস থেকে ৬০ লাখের বেশি ফাইল পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৫ লাখের মতো প্রকাশ করা হয়েছে৷
.
.
এপস্টিন কী একা? ও মরার পর এসব বন্ধ?
আপনার কী মনে হয়?
✍️ আসিফ আদনান ভাই
তরুণ বিলিয়েনেয়ার এবং ফাইন্যান্স জগতের লোক হিসেবে পরিচিত ছিল। দুনিয়ার হোমড়াচোমরাদের সাথে ঘনিষ্ঠ। টাকা আর নেটওয়ার্কের উৎস কী, কেউ ক্লিয়ারলি জানে না৷
.
.
সে কী করতো?
পশ্চিমা দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী আর প্রভাবশালী লোকদের জন্য পার্টির ব্যবস্থা করতো নিজের ব্যক্তিগত দ্বীপে। টপ পলিটিশিয়ান, সেলেব্রিটি, বিযনেসম্যান, ইন্টেলেকচুয়াল - মোটামুটি সব ধরণের লোক তার এসব পার্টিতে আমন্ত্রন পেতো।
.
.
পার্টিতে কী হতো?
ড্রাগস, অরজি, রেইপ। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং ছেলেরা থাকতো। পাশাপাশি টর্চার, হত্যা এবং ক্যানিবালিসমের ইঙ্গিত আছে। তবে এখনো সাবস্টেনশিয়েটেড না।
.
.
কেন পার্টি অ্যারেঞ্জ করতো এপস্টিন?
নিজের আনন্দ, নেটওয়ার্ক, প্রভাবের জন্য। পাশাপাশি প্রভাবশালীরা কী করছে সেগুলো সে ভিডিও করে রাখতো। এই ভিডিও মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই ব্ল্যাকমেইলের জন্য ব্যবহার হতো।
.
.
প্রভাবশালীরা কেন পার্টিতে যেতো?
কারণ, তারা বিকৃত রুচির পশু৷
.
ব্ল্যাকমেইল কে করতো?
যারা ২৩ সাল থেকে সারা বিশ্বের সামনে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। দাজ্জালের চোসেন পিপল।
.
.
এপস্টিনের এখন কী অবস্থা?
জেলহাজতে নেয়ার পর সে রহস্যময়ভাবে 'আত্মহত্যা' করে। তার বাসা আর ডিভাইস থেকে ৬০ লাখের বেশি ফাইল পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৫ লাখের মতো প্রকাশ করা হয়েছে৷
.
.
এপস্টিন কী একা? ও মরার পর এসব বন্ধ?
আপনার কী মনে হয়?
✍️ আসিফ আদনান ভাই
❤9👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Previously unseen video, reportedly from Jeffrey Epstein’s private island, shows Epstein interacting with young women and children. Epstein has long been accused of running a network that exploited underage girls.
😢8❤4
Recent Context/Exposed
Photo
কি চেনা যায়?
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিজ্ঞানের অন্যতম জনক স্টিফেন হকিং, তার নামও এপস্টাইনের নথিতে আছে সেও তার একজন খদ্দের ভাবা যায়?
হকিং প্যারালাইসিস হয়েও বিজ্ঞানের এতো তত্ত্ব ও রহস্য উন্মোচন করেছে, পৃথিবীর ব্যর্থ মানুষদের মোটিভেশন করতো যে, সফলতায় কোনো কিছুই বাঁধা হতে পারে না অথচ তার আসল রুপ কতোটা জঘন্য?
• এখন সবার একটাই প্রশ্ন এই শ্লায় কীভাবে কি করতো?
এর উত্তর আরবী একটা প্রবাদে রয়েছে - قُرَّةُ الْعَيْنِ هِيَ أَعْظَمُ الْمَتَاعِ
চোখের সুখই হলো সবচেয়ে বড় ভোগ।
• আপনারা ডার্ক ওয়েবের রেড রুমের কথা তো সবাই জানেন, সেখানে বিভিন্ন কোটিপতি খদ্দের টাকা ঢেলে টর্চার উপভোগ করতো, অর্থাৎ রুমের ক্রিয়েটররা তার পছন্দ মতো একজনকে বেঁধে তার ইচ্ছামতো টর্চার করতো এবং সে এটাই উপভোগ করতো- আনন্দ উল্লাস করতো।
• আমার ধারণা এপস্টাইন হকিংয়ের জন্য এই ডার্ক ওয়েবেরই বাস্তবিক রেড রুম ক্রিয়েট করেছিলো, স্টিফেন শিশু খদ্দের চয়েজ করে দিতো, এরপর মেয়েটাকে তার সামনে ধর্ষণ করে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে টর্চার করা হতো এবং স্টিফেন সেটাই উপভোগ করতো।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিজ্ঞানের অন্যতম জনক স্টিফেন হকিং, তার নামও এপস্টাইনের নথিতে আছে সেও তার একজন খদ্দের ভাবা যায়?
হকিং প্যারালাইসিস হয়েও বিজ্ঞানের এতো তত্ত্ব ও রহস্য উন্মোচন করেছে, পৃথিবীর ব্যর্থ মানুষদের মোটিভেশন করতো যে, সফলতায় কোনো কিছুই বাঁধা হতে পারে না অথচ তার আসল রুপ কতোটা জঘন্য?
• এখন সবার একটাই প্রশ্ন এই শ্লায় কীভাবে কি করতো?
এর উত্তর আরবী একটা প্রবাদে রয়েছে - قُرَّةُ الْعَيْنِ هِيَ أَعْظَمُ الْمَتَاعِ
চোখের সুখই হলো সবচেয়ে বড় ভোগ।
• আপনারা ডার্ক ওয়েবের রেড রুমের কথা তো সবাই জানেন, সেখানে বিভিন্ন কোটিপতি খদ্দের টাকা ঢেলে টর্চার উপভোগ করতো, অর্থাৎ রুমের ক্রিয়েটররা তার পছন্দ মতো একজনকে বেঁধে তার ইচ্ছামতো টর্চার করতো এবং সে এটাই উপভোগ করতো- আনন্দ উল্লাস করতো।
• আমার ধারণা এপস্টাইন হকিংয়ের জন্য এই ডার্ক ওয়েবেরই বাস্তবিক রেড রুম ক্রিয়েট করেছিলো, স্টিফেন শিশু খদ্দের চয়েজ করে দিতো, এরপর মেয়েটাকে তার সামনে ধর্ষণ করে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে টর্চার করা হতো এবং স্টিফেন সেটাই উপভোগ করতো।
😢5❤3
Epstein files-এ Dr. Muhammad Yunus এর নাম incidental mentions হিসেবে এসেছে। কোনো wrongdoing, sex trafficking বা illicit activity এর সাথে যুক্ত হওয়ার কোন কথাই উল্লেখ নাই।
👍10❤7😁4🤣1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
একজন College শিক্ষক থেকে Jeffrey Epstein কিভাবে করলো এসব কাজ শুনলে অবাক হবেন!
#jeffreyepstein
#jeffreyepstein
😨8❤1
হোটেল কর্মচারী গরিব পিতা নিজের মেয়েকে কাজে দেন বিরাট আমলার ঘরে। আমলাটি বিমান বাংলাদেশের এমডি। সরকারের সবচে' দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
কথা ছিল নিজের মেয়ের মত দেখে রাখবে, ভাত-ভাত-কাপড়ের বন্দোবস্ত করবে, পড়াশোনাও করাবে। বড়ো হলে বিয়েসহ যাবতীয় খরচই তারা বহন করবে।
অসহায় পিতা তাতে রাজি হয়ে গত বছরের জুন মাসে তিনি তার ১১ বছর বয়সী মেয়েটাকে এই বাসায় দেন।
গত পাঁচ ছয় মাস ধরে তিনি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও নানা অজুহাতে দেখা করতে দেয়নি তাঁরা। নানা প্রবোধ, ভালো থাকার গল্প শুনিয়েছে।
এরপর গত জানুয়ারির শেষ দিনে দুপুরবেলা জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তিনি পাগলপ্রায় হয়ে মেয়েকে আনতে যান।
তাকে ঘরের ভেতরে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয় নি। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়ালে ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে এই আহত, আর্ত, ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়া মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে প্রধান দায়িত্বে থাকা একজন কর্তার পরিবারে এই মেয়েটি প্রতিদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
অথচ এই শিশুটিকে নেওয়া হয়েছিল আরেকটা শিশুর খেয়াল রাখতে। মারধর, খুন্তি গরম করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।
একটা বাচ্চা মেয়েকে পৈশাচিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে দিনের পর দিন!
ছবিতে মেয়েটি এবং বিমান বাংলাদেশের সভ্য এমডি।
তাকে ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতার নিশ্চয় কদিন পর মুক্তিতে পরিণত হবে। বিচার কি হবে?
(Arjo Ahmmed)
কথা ছিল নিজের মেয়ের মত দেখে রাখবে, ভাত-ভাত-কাপড়ের বন্দোবস্ত করবে, পড়াশোনাও করাবে। বড়ো হলে বিয়েসহ যাবতীয় খরচই তারা বহন করবে।
অসহায় পিতা তাতে রাজি হয়ে গত বছরের জুন মাসে তিনি তার ১১ বছর বয়সী মেয়েটাকে এই বাসায় দেন।
গত পাঁচ ছয় মাস ধরে তিনি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও নানা অজুহাতে দেখা করতে দেয়নি তাঁরা। নানা প্রবোধ, ভালো থাকার গল্প শুনিয়েছে।
এরপর গত জানুয়ারির শেষ দিনে দুপুরবেলা জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তিনি পাগলপ্রায় হয়ে মেয়েকে আনতে যান।
তাকে ঘরের ভেতরে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয় নি। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়ালে ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে এই আহত, আর্ত, ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়া মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে প্রধান দায়িত্বে থাকা একজন কর্তার পরিবারে এই মেয়েটি প্রতিদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
অথচ এই শিশুটিকে নেওয়া হয়েছিল আরেকটা শিশুর খেয়াল রাখতে। মারধর, খুন্তি গরম করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।
একটা বাচ্চা মেয়েকে পৈশাচিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে দিনের পর দিন!
ছবিতে মেয়েটি এবং বিমান বাংলাদেশের সভ্য এমডি।
তাকে ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতার নিশ্চয় কদিন পর মুক্তিতে পরিণত হবে। বিচার কি হবে?
(Arjo Ahmmed)
😢11❤3
Bangladesh Police এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি! মডেল বানানোর টোপ দিয়ে পতিতাবৃত্তি: কোটিপতি প্রতারক তানজিল জনির অন্ধকার জগত। তরুণীদের মডেল বানানোর কথা বলে করাচ্ছে প*তি*তাবৃত্তি, পাঠাচ্ছে দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে। আছে বাংলাদেশের সুগার ড্যাডিদের লম্বা লিস্ট, যাদের কাছে যায় এই তরুণীরা মোটা অংকের আশায়। দীর্ঘদিন এই ব্যবসা করে বানিয়েছে কোটি কোটি টাকা!
👍4😢3❤2