Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবন্টন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একত্রে –
💠 “ক” ইউনিট (মানবিক)
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ৩৫
○ ইংরেজিঃ ৩৫
○ সাধারণ জ্ঞানঃ ৩০
✓ ইংরেজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্র বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে
✓ সঙ্গীত, নাট্যকলা, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র, মৃৎশিল্প ও ভাষ্কর্য এবং গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগসমূহে ব্যবহারিক পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হবে যার পূর্ণমান হবে ১০০
💠 “খ” ইউনিট (বাণিজ্য)
বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ১০
○ ইংরেজিঃ ২৫
○ ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনাঃ ২৫
○ হিসাববিজ্ঞানঃ ২৫
○ আইসিটিঃ ১৫
অ-বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ২০
○ ইংরেজিঃ ৩০
○ সাধারণ জ্ঞানঃ ২৫
○ আইসিটিঃ ২৫
✓ ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ)-এ ভর্তির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ন্যূনতম ৪০% নম্বর পেতে হবে
✓ এছাড়া বাণিজ্য গ্রুপের পরীক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ২৫ নম্বর-এর মধ্যে ন্যূনতম ১০ নম্বর
✓ অ-বাণিজ্য গ্রুপের ভর্তিচ্ছুদের ৩০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ১২ নম্বর পেতে হবে।
💠 “গ” ইউনিট (বিজ্ঞান)
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
● প্রশ্ন প্রতি মানঃ ১.২৫
○ পদার্থঃ ২৫
○ রসায়নঃ ২৫
○ আইসিটিঃ ৫টি
○ জীববিজ্ঞান/উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান+উচ্চতর গণিতঃ ২৫
অ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ২৫
○ ইংরেজিঃ ২৫
○ সাধারণ জ্ঞান, ভূগোল ও মনোবিজ্ঞানঃ ৩০
✓ ভর্তি পরীক্ষায় আবশ্যিক শাখা থেকে ন্যূনতম ২৫ ও ঐচ্ছিক শাখায় ন্যূনতম ১০ নম্বরসহ পাশ নম্বর ৪০ নির্ধারিত থাকবে
✓ যেসকল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবশ্যিকসহ ঐচ্ছিক শাখার জীববিদ্যা ও গণিত উভয় বিষয়ে উত্তর দিবে, তারা সি ইউনিটের সকল বিভাগে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে। কিন্তু শুধু আবশ্যিকসহ জীববিজ্ঞান কিংবা গণিতের উত্তর করে, তাহলে নির্ধারিত কিছু বিভাগে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে
© STUDY ON TELEGRAM!
https://t.me/PracticeChannelOfficial/6853
💠 “ক” ইউনিট (মানবিক)
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ৩৫
○ ইংরেজিঃ ৩৫
○ সাধারণ জ্ঞানঃ ৩০
✓ ইংরেজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্র বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে
✓ সঙ্গীত, নাট্যকলা, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র, মৃৎশিল্প ও ভাষ্কর্য এবং গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগসমূহে ব্যবহারিক পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হবে যার পূর্ণমান হবে ১০০
💠 “খ” ইউনিট (বাণিজ্য)
বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ১০
○ ইংরেজিঃ ২৫
○ ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনাঃ ২৫
○ হিসাববিজ্ঞানঃ ২৫
○ আইসিটিঃ ১৫
অ-বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ২০
○ ইংরেজিঃ ৩০
○ সাধারণ জ্ঞানঃ ২৫
○ আইসিটিঃ ২৫
✓ ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ)-এ ভর্তির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ন্যূনতম ৪০% নম্বর পেতে হবে
✓ এছাড়া বাণিজ্য গ্রুপের পরীক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ২৫ নম্বর-এর মধ্যে ন্যূনতম ১০ নম্বর
✓ অ-বাণিজ্য গ্রুপের ভর্তিচ্ছুদের ৩০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ১২ নম্বর পেতে হবে।
💠 “গ” ইউনিট (বিজ্ঞান)
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
● প্রশ্ন প্রতি মানঃ ১.২৫
○ পদার্থঃ ২৫
○ রসায়নঃ ২৫
○ আইসিটিঃ ৫টি
○ জীববিজ্ঞান/উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান+উচ্চতর গণিতঃ ২৫
অ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের –
● মোট নাম্বারঃ ১০০
○ বাংলাঃ ২৫
○ ইংরেজিঃ ২৫
○ সাধারণ জ্ঞান, ভূগোল ও মনোবিজ্ঞানঃ ৩০
✓ ভর্তি পরীক্ষায় আবশ্যিক শাখা থেকে ন্যূনতম ২৫ ও ঐচ্ছিক শাখায় ন্যূনতম ১০ নম্বরসহ পাশ নম্বর ৪০ নির্ধারিত থাকবে
✓ যেসকল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবশ্যিকসহ ঐচ্ছিক শাখার জীববিদ্যা ও গণিত উভয় বিষয়ে উত্তর দিবে, তারা সি ইউনিটের সকল বিভাগে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে। কিন্তু শুধু আবশ্যিকসহ জীববিজ্ঞান কিংবা গণিতের উত্তর করে, তাহলে নির্ধারিত কিছু বিভাগে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে
© STUDY ON TELEGRAM!
https://t.me/PracticeChannelOfficial/6853
🎯 ৪৩তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত!
👑 ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত: ২১৬৩ জন
👑 নন-ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত: ৬৪২ জন
সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন। 🥳
৪৩'তম বিসিএসে “প্রশাসন ক্যাডারে” সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ৩০০ জন ।
★৪৩ বিসিএসে দুঃখজনক ঘটনা😥
যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায়→ ৯ম গ্রেডের ৫৭টি
এবং ১০ম গ্রেডের ৫৮৯টি
সর্বমোট ৬৪৬টি নন-ক্যাডার পদে প্রার্থী মনোনয়ন করা সম্ভব হয়নি।
💥Click here for more 👇
https://t.me/recentGK
👑 ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত: ২১৬৩ জন
👑 নন-ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত: ৬৪২ জন
সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন। 🥳
৪৩'তম বিসিএসে “প্রশাসন ক্যাডারে” সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ৩০০ জন ।
★৪৩ বিসিএসে দুঃখজনক ঘটনা😥
যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায়→ ৯ম গ্রেডের ৫৭টি
এবং ১০ম গ্রেডের ৫৮৯টি
সর্বমোট ৬৪৬টি নন-ক্যাডার পদে প্রার্থী মনোনয়ন করা সম্ভব হয়নি।
💥Click here for more 👇
https://t.me/recentGK
❤5
*যে ১৫ আমলে অবিরত রিজিক বাড়ে*
🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲
মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি অনেক দয়াশীল। তিনি মানুষের প্রতি দয়া করে কিছু আমলের বরকতে রিজিক বাড়িয়ে দেন। সমাজে অবহেলার কারণে অনেক মানুষ সাধারণত এসব কাজ থেকে বিরত থাকে। কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণায় রিজিক বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি আমল আছে। সেগুলো কী...?
বরকত মানুষের জন্য জরুরি বিষয়। এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা দীর্ঘ হায়াত পেয়েছেন, সে হিসেবে ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি কিংবা আমল-ইবাদতেও বরকত নেই। আবার অনেকে কঠোর পরিশ্রম করেন কিন্তু প্রাপ্তি সেভাবে আসে না। কাজে কোনো বরকত নেই।
পক্ষান্তরে এমন অনেক লোক আছেন, যারা কম হায়াত পেয়েছেন কিন্তু ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি, আমল-ইবাদতে বরকত লাভ করেছেন। অনেক অল্প পূজিতে ব্যবসা এবং অল্প বেতনে চাকরি করার পরও তার রিজিকের অভাব নেই। পরিবারে অফুরন্ত বরকত।
সুতরাং সব কাজে বরকত অনেক জরুরি বিষয়। আর বান্দার রিজিক বৃদ্ধির কার্যকরী উপায়গুলো হলো-
১. নিয়মিত তাওবাহ-ইসতেগফার:
হরজত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যারা বেশি বেশি তাওবাহ-ইসতেগফার করে; তাদের সামনে যত সংকটই (অভাব) থাকুক না কেন, মহান আল্লাহ তাআলা তা সমাধান করে দেন।’ (মুসতাদরেকে হাকেম)
সুতরাং বেশি বেশি তাওবাহ-ইসেতগফার করা-
> أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণ : ‘আস্তাগফিরুল্লাহ।’
অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
> أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ : ‘আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।‘
অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসছি।
> رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণ : 'রাব্বিগ্ ফিরলি ওয়া তুব আলাইয়্যা ইন্নাকা (আংতাত) তাওয়্যাবুর রাহিম।'
অর্থ : 'হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবাহ কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়।'
> أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ : 'আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।'
অর্থ : 'আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।'
২. আল্লাহর রাস্তায় দান বা ব্যয় করা
যারা আল্লাহর রাস্তায় দান করে, আল্লাহ তাআলা তাদের বেশুমার রিজিক দান করেন মর্মে মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে এভাবে ঘোষণা করেন-
قُلۡ اِنَّ رَبِّیۡ یَبۡسُطُ الرِّزۡقَ لِمَنۡ یَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِهٖ وَ یَقۡدِرُ لَهٗ ؕ وَ مَاۤ اَنۡفَقۡتُمۡ مِّنۡ شَیۡءٍ فَهُوَ یُخۡلِفُهٗ ۚ وَ هُوَ خَیۡرُ الرّٰزِقِیۡنَ
‘(হে রাসুল! আপনি)বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিজিক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিজিকতা।’ (সুরা সাবা : আয়াত ৩৯)
৩. তাকওয়ার ওপর অটল থাকা
আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তাকে ভয় করলে তিনি বান্দার প্রতি বরকত বা কল্যাণ দান করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
> وَ مَنۡ یَّتَّقِ اللّٰهَ یَجۡعَلۡ لَّهٗ مَخۡرَجًا - وَّ یَرۡزُقۡهُ مِنۡ حَیۡثُ لَا یَحۡتَسِبُ ؕ وَ مَنۡ یَّتَوَکَّلۡ عَلَی اللّٰهِ فَهُوَ حَسۡبُهٗ ؕ اِنَّ اللّٰهَ بَالِغُ اَمۡرِهٖ ؕ قَدۡ جَعَلَ اللّٰهُ لِکُلِّ شَیۡءٍ قَدۡرًا
‘আর যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। আর তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে রুযী দান করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করবে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই। আল্লাহ সবকিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।’ (সুরা তালাক : আয়াত ২-৩)
> وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُواْ وَاتَّقَواْ لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَاتٍ مِّنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ وَلَـكِن كَذَّبُواْ فَأَخَذْنَاهُم بِمَا كَانُواْ يَكْسِبُونَ
‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেযগারী অবলম্বন (তাকে ভয়) করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানি ও দুনিয়ার নেয়ামতসমূহ উম্মুক্ত করে দিতাম। কিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি তাদের কৃতকর্মের বদলাতে।’ (সুরা আরাফ : আয়াত ৯৬)
সুতরাং শিরক, কুফর ও নেফাক থেকে নিজেদের ঈমানকে হেফাজত করতে হবে। সব হারাম থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহকে সব বিষয়ে বেশি বেশি ভয় করতে হবে। তবেই আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার জন্য আসমানি ও জমিনের সব রিজিকে বরকতের দুয়ার খুলে দেবেন।
৪. আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা
আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ নেমে আসে। এটি অনেক পরীক্ষিত একটি আমল। আত্মীয়-স্বজন তথা মা-বাবা, ভাই-বোন তথা রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। হাদিসে এসেছে-
🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲🤲
মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি অনেক দয়াশীল। তিনি মানুষের প্রতি দয়া করে কিছু আমলের বরকতে রিজিক বাড়িয়ে দেন। সমাজে অবহেলার কারণে অনেক মানুষ সাধারণত এসব কাজ থেকে বিরত থাকে। কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণায় রিজিক বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি আমল আছে। সেগুলো কী...?
বরকত মানুষের জন্য জরুরি বিষয়। এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা দীর্ঘ হায়াত পেয়েছেন, সে হিসেবে ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি কিংবা আমল-ইবাদতেও বরকত নেই। আবার অনেকে কঠোর পরিশ্রম করেন কিন্তু প্রাপ্তি সেভাবে আসে না। কাজে কোনো বরকত নেই।
পক্ষান্তরে এমন অনেক লোক আছেন, যারা কম হায়াত পেয়েছেন কিন্তু ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি, আমল-ইবাদতে বরকত লাভ করেছেন। অনেক অল্প পূজিতে ব্যবসা এবং অল্প বেতনে চাকরি করার পরও তার রিজিকের অভাব নেই। পরিবারে অফুরন্ত বরকত।
সুতরাং সব কাজে বরকত অনেক জরুরি বিষয়। আর বান্দার রিজিক বৃদ্ধির কার্যকরী উপায়গুলো হলো-
১. নিয়মিত তাওবাহ-ইসতেগফার:
হরজত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যারা বেশি বেশি তাওবাহ-ইসতেগফার করে; তাদের সামনে যত সংকটই (অভাব) থাকুক না কেন, মহান আল্লাহ তাআলা তা সমাধান করে দেন।’ (মুসতাদরেকে হাকেম)
সুতরাং বেশি বেশি তাওবাহ-ইসেতগফার করা-
> أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণ : ‘আস্তাগফিরুল্লাহ।’
অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
> أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ : ‘আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।‘
অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসছি।
> رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণ : 'রাব্বিগ্ ফিরলি ওয়া তুব আলাইয়্যা ইন্নাকা (আংতাত) তাওয়্যাবুর রাহিম।'
অর্থ : 'হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবাহ কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়।'
> أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ : 'আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।'
অর্থ : 'আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।'
২. আল্লাহর রাস্তায় দান বা ব্যয় করা
যারা আল্লাহর রাস্তায় দান করে, আল্লাহ তাআলা তাদের বেশুমার রিজিক দান করেন মর্মে মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে এভাবে ঘোষণা করেন-
قُلۡ اِنَّ رَبِّیۡ یَبۡسُطُ الرِّزۡقَ لِمَنۡ یَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِهٖ وَ یَقۡدِرُ لَهٗ ؕ وَ مَاۤ اَنۡفَقۡتُمۡ مِّنۡ شَیۡءٍ فَهُوَ یُخۡلِفُهٗ ۚ وَ هُوَ خَیۡرُ الرّٰزِقِیۡنَ
‘(হে রাসুল! আপনি)বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিজিক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিজিকতা।’ (সুরা সাবা : আয়াত ৩৯)
৩. তাকওয়ার ওপর অটল থাকা
আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তাকে ভয় করলে তিনি বান্দার প্রতি বরকত বা কল্যাণ দান করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
> وَ مَنۡ یَّتَّقِ اللّٰهَ یَجۡعَلۡ لَّهٗ مَخۡرَجًا - وَّ یَرۡزُقۡهُ مِنۡ حَیۡثُ لَا یَحۡتَسِبُ ؕ وَ مَنۡ یَّتَوَکَّلۡ عَلَی اللّٰهِ فَهُوَ حَسۡبُهٗ ؕ اِنَّ اللّٰهَ بَالِغُ اَمۡرِهٖ ؕ قَدۡ جَعَلَ اللّٰهُ لِکُلِّ شَیۡءٍ قَدۡرًا
‘আর যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। আর তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে রুযী দান করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করবে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই। আল্লাহ সবকিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।’ (সুরা তালাক : আয়াত ২-৩)
> وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُواْ وَاتَّقَواْ لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَاتٍ مِّنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ وَلَـكِن كَذَّبُواْ فَأَخَذْنَاهُم بِمَا كَانُواْ يَكْسِبُونَ
‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেযগারী অবলম্বন (তাকে ভয়) করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানি ও দুনিয়ার নেয়ামতসমূহ উম্মুক্ত করে দিতাম। কিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি তাদের কৃতকর্মের বদলাতে।’ (সুরা আরাফ : আয়াত ৯৬)
সুতরাং শিরক, কুফর ও নেফাক থেকে নিজেদের ঈমানকে হেফাজত করতে হবে। সব হারাম থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহকে সব বিষয়ে বেশি বেশি ভয় করতে হবে। তবেই আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার জন্য আসমানি ও জমিনের সব রিজিকে বরকতের দুয়ার খুলে দেবেন।
৪. আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা
আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ নেমে আসে। এটি অনেক পরীক্ষিত একটি আমল। আত্মীয়-স্বজন তথা মা-বাবা, ভাই-বোন তথা রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। হাদিসে এসেছে-
❤1
হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কামনা করে যে, তার রিজিক বাড়াতে চায় বা প্রশস্ত করতে চায়; তার হায়াত বা আয়ুকে দীর্ঘ করতে সে যেন আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
৫. বার বার ওমরাহ করা
যারা অভাব কমাতে চায়, গোনাহ কমাতে চায় তাদের জন্য বার বার ওমরাহ করা জরুরি। হাদিসে এসেছে-
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ওমরাহ করে; ওমরাহ তার গোনাহ, তার অভাব অনেক দূরে পাঠিয়ে দেয়।’ (তিরমিজি)
৬. বিয়ে করা
রিজিক বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকরী আমল বিয়ে করা। যারা অবিবাহিত তারা নেক নিয়তে বিয়ে করলে মহান আল্লাহ তাদের অভাব দূর করে দেবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা নুর : আয়াত ৩২)
৭. আল্লাহর কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করা
অভাব থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে, রিজিকে বরকত পেতে চাইলে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়ার বিকল্প নেই। যে কোনো বিষয়ে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কথা মহান আল্লাহ এভাবে বলেছেন-
وَ قَالَ رَبُّکُمُ ادۡعُوۡنِیۡۤ اَسۡتَجِبۡ لَکُمۡ ؕ اِنَّ الَّذِیۡنَ یَسۡتَکۡبِرُوۡنَ عَنۡ عِبَادَتِیۡ سَیَدۡخُلُوۡنَ جَهَنَّمَ دٰخِرِیۡنَ
‘তোমাদের প্রতিপালক বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। যারা অহংকারে আমার উপাসনায় বিমুখ, ওরা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা গাফির/মুমিনুন : আয়াত ৬০)
৮. অসহায়দের প্রতি সদয় আচরণ ও দান করা
দান ও সদাচরণে রিজিক বাড়ে। রিজিক বাড়াতে চাইলে অসহায়-অভাবিদের প্রতি সদয় আচরণ করা। অভাবিদের প্রতি দয়া করলে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেন। হাদিসে এসেছে-
অসাহয়ের প্রতি দান ও সদাচরণে এ তাগিদ দিয়েছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ‘দান করার কিছু যদি না থাকে তবে একটি খেজুরের অংশ দিয়ে হলেও দান করার মাধ্যমে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা কর।’
৯. ইবাদতের জন্য নিজেকে ব্যস্ত রাখা
ইবাদত তথা নামাজে খুব বেশি মনোযোগী হওয়া। নিজে যেমন প্র্যত্যেক ওয়াক্তর নামাজ পড়তে হবে তেমনি পরিবারের লোকদের নামাজ পড়ানো ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। আর তাতে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেবেন বলে এভাবে ঘোষণা করেছেন-
وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِالصَّلَاةِ وَاصْطَبِرْ عَلَيْهَا لَا نَسْأَلُكَ رِزْقًا نَّحْنُ نَرْزُقُكَ وَالْعَاقِبَةُ لِلتَّقْوَى
‘আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাজের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোনো রিজিক চাই না। আমি আপনাকে রিজিক দেই এবং আল্লাহকে ভয় করার পরিণাম শুভ তথা কল্যাণকার।’ (সুরা ত্বাহা : আয়াত ১৩২)
১০. যে কোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন খাবার খায় আর যদি বিসমিল্লাহ বলে; তবে শয়তান ওই খাবারে অংশ নিতে পারে না। যেটুতু খাবার আছে তা (পরিমাণে কম হলেও) তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।
অনুরূপভাবে কেউ যদি ঘরে প্রবেশ করার সময় বিসমিল্লাহ বলে তখনও শয়তান তার সঙ্গে বাসায় ঢুকতে পারে না। এভাবে বান্দা যখন সব কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে, তখন শয়তান সব কাজ থেকে মাহরুম হয়। আর আল্লাহ তাআলা সব কাজেই বরকত দান করেন।
১১. কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো
কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো খুবই জরুরি। কুরআন তেলাওয়াত, অধ্যয়ন এবং কুরআন অনুযায়ী জীবন গড়া। যে যতবেশি কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে তার জন্য ততবেশি বরকত নেমে আসবে।
যে ঘরে কুরআন তেলাওয়াত হবে, কুরআনের চর্চা হবে, কুরআনের ওপর আমল করা হবে, সে ঘরেই নেমে আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে বরকত ও কল্যাণ। আল্লাহ তাআলা একাধিক আয়াতে বলেন-
> وَهَـذَا كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ مُبَارَكٌ فَاتَّبِعُوهُ وَاتَّقُواْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
‘এটি এমন একটি কিতাব, যা আমি অবতীর্ণ করেছি, খুব মঙ্গলময়, অতএব, এর অনুসরণ কর এবং ভয় কর; যাতে তোমরা করুণাপ্রাপ্ত হও।’ (সুরা আনআম : আয়াত ১৫৫)
> وَهَـذَا كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ مُبَارَكٌ مُّصَدِّقُ الَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ وَلِتُنذِرَ أُمَّ الْقُرَى وَمَنْ حَوْلَهَا وَالَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِالآخِرَةِ يُؤْمِنُونَ بِهِ وَهُمْ عَلَى صَلاَتِهِمْ يُحَافِظُونَ
৫. বার বার ওমরাহ করা
যারা অভাব কমাতে চায়, গোনাহ কমাতে চায় তাদের জন্য বার বার ওমরাহ করা জরুরি। হাদিসে এসেছে-
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ওমরাহ করে; ওমরাহ তার গোনাহ, তার অভাব অনেক দূরে পাঠিয়ে দেয়।’ (তিরমিজি)
৬. বিয়ে করা
রিজিক বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকরী আমল বিয়ে করা। যারা অবিবাহিত তারা নেক নিয়তে বিয়ে করলে মহান আল্লাহ তাদের অভাব দূর করে দেবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা নুর : আয়াত ৩২)
৭. আল্লাহর কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করা
অভাব থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে, রিজিকে বরকত পেতে চাইলে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়ার বিকল্প নেই। যে কোনো বিষয়ে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কথা মহান আল্লাহ এভাবে বলেছেন-
وَ قَالَ رَبُّکُمُ ادۡعُوۡنِیۡۤ اَسۡتَجِبۡ لَکُمۡ ؕ اِنَّ الَّذِیۡنَ یَسۡتَکۡبِرُوۡنَ عَنۡ عِبَادَتِیۡ سَیَدۡخُلُوۡنَ جَهَنَّمَ دٰخِرِیۡنَ
‘তোমাদের প্রতিপালক বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। যারা অহংকারে আমার উপাসনায় বিমুখ, ওরা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা গাফির/মুমিনুন : আয়াত ৬০)
৮. অসহায়দের প্রতি সদয় আচরণ ও দান করা
দান ও সদাচরণে রিজিক বাড়ে। রিজিক বাড়াতে চাইলে অসহায়-অভাবিদের প্রতি সদয় আচরণ করা। অভাবিদের প্রতি দয়া করলে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেন। হাদিসে এসেছে-
অসাহয়ের প্রতি দান ও সদাচরণে এ তাগিদ দিয়েছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ‘দান করার কিছু যদি না থাকে তবে একটি খেজুরের অংশ দিয়ে হলেও দান করার মাধ্যমে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা কর।’
৯. ইবাদতের জন্য নিজেকে ব্যস্ত রাখা
ইবাদত তথা নামাজে খুব বেশি মনোযোগী হওয়া। নিজে যেমন প্র্যত্যেক ওয়াক্তর নামাজ পড়তে হবে তেমনি পরিবারের লোকদের নামাজ পড়ানো ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। আর তাতে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেবেন বলে এভাবে ঘোষণা করেছেন-
وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِالصَّلَاةِ وَاصْطَبِرْ عَلَيْهَا لَا نَسْأَلُكَ رِزْقًا نَّحْنُ نَرْزُقُكَ وَالْعَاقِبَةُ لِلتَّقْوَى
‘আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাজের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোনো রিজিক চাই না। আমি আপনাকে রিজিক দেই এবং আল্লাহকে ভয় করার পরিণাম শুভ তথা কল্যাণকার।’ (সুরা ত্বাহা : আয়াত ১৩২)
১০. যে কোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন খাবার খায় আর যদি বিসমিল্লাহ বলে; তবে শয়তান ওই খাবারে অংশ নিতে পারে না। যেটুতু খাবার আছে তা (পরিমাণে কম হলেও) তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।
অনুরূপভাবে কেউ যদি ঘরে প্রবেশ করার সময় বিসমিল্লাহ বলে তখনও শয়তান তার সঙ্গে বাসায় ঢুকতে পারে না। এভাবে বান্দা যখন সব কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে, তখন শয়তান সব কাজ থেকে মাহরুম হয়। আর আল্লাহ তাআলা সব কাজেই বরকত দান করেন।
১১. কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো
কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো খুবই জরুরি। কুরআন তেলাওয়াত, অধ্যয়ন এবং কুরআন অনুযায়ী জীবন গড়া। যে যতবেশি কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে তার জন্য ততবেশি বরকত নেমে আসবে।
যে ঘরে কুরআন তেলাওয়াত হবে, কুরআনের চর্চা হবে, কুরআনের ওপর আমল করা হবে, সে ঘরেই নেমে আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে বরকত ও কল্যাণ। আল্লাহ তাআলা একাধিক আয়াতে বলেন-
> وَهَـذَا كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ مُبَارَكٌ فَاتَّبِعُوهُ وَاتَّقُواْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
‘এটি এমন একটি কিতাব, যা আমি অবতীর্ণ করেছি, খুব মঙ্গলময়, অতএব, এর অনুসরণ কর এবং ভয় কর; যাতে তোমরা করুণাপ্রাপ্ত হও।’ (সুরা আনআম : আয়াত ১৫৫)
> وَهَـذَا كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ مُبَارَكٌ مُّصَدِّقُ الَّذِي بَيْنَ يَدَيْهِ وَلِتُنذِرَ أُمَّ الْقُرَى وَمَنْ حَوْلَهَا وَالَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِالآخِرَةِ يُؤْمِنُونَ بِهِ وَهُمْ عَلَى صَلاَتِهِمْ يُحَافِظُونَ
❤3
‘এ কুরআন এমন কিতাব, যা আমি নাজিল করেছি; বরকতময়, আগের গ্রন্থের সত্যতা প্রমাণকারী এবং যাতে আপনি মক্কাবাসী ও পাশ্ববর্তীদেরকে ভয় প্রদর্শন করেন। যারা পরকালে বিশ্বাস স্থাপন করে তারা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তার স্বীয় নামাজ সংরক্ষণ করে।’ (সুরা আনআম: আয়াত ৯২)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা এ কিতাব (কুরআন) দিয়ে বহু মানুষকে (বরকতের মাধ্যমে) ওপরে ওঠাবেন। আবার বহু মানুষকে নিচে নামাবেন।’(মুসলিম)
অর্থাৎ যা কুরআনুল কারিমে অনুসরণ করবেন, তাদের জন্য এ কিতাব হবে বরকতের কারণ। আর যারা এ থেকে দূরে সরে যাবে তা হবে তাদের জন্য অমঙ্গলজনক হওয়ার কারণ।
১২. সকালবেলা কাজ শুরু করা
দিনের শুরুতে কাজ শুরু করা। যদি কারো অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য একটু বেলা করে হয় তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বরং নিজ ঘরের কাজ দিয়ে হলেও সকাল সকাল কাজ শুরু করা। কেননা সকালবেলার কাজে আল্লাহ তাআলা বরকত দান করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করেছেন-
اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا
হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতকে সকালবেলা বরকত দান করবেন।
অন্য বর্ণনায় এসেছে- তিনি বলেছেন, আমার উম্মতের জন্য সকালবেলার সময়টাতে বরকত দেয়া হয়েছে।
সুতরাং কেউ যদি সকালের সময়টিতে ঘুমিয়ে থাকে তবে কিভাবে বরকত আসবে। এ কারণেই দিনের শুরুতে মহান আল্লাহর নাম নিয়ে কাজ শুরু করার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ করা জরুরি।
১৩. আল্লাহর ওপর ভরসা করা
বরকত লাভের অন্যতম চাবি বা আমল হলো আল্লাহর ওপর ভরসা করা। মুমিন যত বেশি আল্লাহর ওপর ভরসা করবে ততবেশি তাকে সাহায্য করবেন। পক্ষান্তরে আল্লাহর প্রতি আস্থা, নির্ভরতা বা ভরসা যতি বেশি কমবে, সে ততবেশি অপমাণিত ও লাঞ্ছিত হবে। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘আল্লাহর প্রতি যেরকম ভরসা বা আস্থা রাখা দরকার, তোমরা যদি সেই মাপের আস্থা রাখতে পার, তাহলে আল্লাহ তাআলা পাখিকে যেভাবে রিজিক দেন তোমাদেরও সেভাবে রিজিক দেবেন।’
১৪. সালামের ব্যাপক প্রচলন করা
পরিপূর্ণ, সুস্পষ্ট বিশুদ্ধ সালামের ব্যাপক প্রচলন করা বরকত লাভের অন্যতম মাধ্যম। পরিপূণ সালাম হলো-
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَ رَحْمَةُ اللهِ وَ بَرَكَاتُهُ
উচ্চারণ : ‘আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।’
অর্থ : ‘আপনার উপর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।’
এ সালের পুরোটাই শান্তি, রহমত ও বরকতের দোয়া। যারা নিয়মিত বেশি বেশি সালামের ব্যাপক প্রচালন করার চেষ্টা করেন। ঠিক সালামের উত্তরদানকারী ব্যক্তিও ঠিক একই দোয়া করেন-
‘আপনার ওপরও শান্তি, রহমত ও বরকত নাজিল হোক।’
সুতরাং জীবনে বরকত লাভে সহজ ও প্রচলিত এ আমলগুলোর প্রতি একটু খেয়াল রাখলেই বা যত্নবান হলেই জীবনে নেমে আসবে অবিরত রহমত, বরকত।
১৫. আল্লাহর জন্য হিজরত করা
আল্লাহ তাআলা অনেক নেয়ামত দুনিয়া জুড়ে ছড়িয়ে রেখেছেন, তা অনুসন্ধানে হিজরত বা দেশে-বিদেশ ভ্রমণ করা। আল্লাহ তাআলা দুনিয়াব্যাপী ভ্রমণ তথা রিজিকের তালাশ করা।
উল্লেখিত কাজগুলো যথাযথভাবে আদায় করতে পারলে মহান আল্লাহ বান্দার সব অভাব দূর করে দেবেন। রিজিকে বরকত দেবেন।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সহজ এ আমলগুলোর মাধ্যমে রিজিকে বেশি বেশি বরকত লাভের তাওফিক দান করুন। উল্লেখিত আমলগুলো নিয়মিত পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
_*আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক*_
_শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা"_
*তিরমিযীঃ২৬৭৪*
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা এ কিতাব (কুরআন) দিয়ে বহু মানুষকে (বরকতের মাধ্যমে) ওপরে ওঠাবেন। আবার বহু মানুষকে নিচে নামাবেন।’(মুসলিম)
অর্থাৎ যা কুরআনুল কারিমে অনুসরণ করবেন, তাদের জন্য এ কিতাব হবে বরকতের কারণ। আর যারা এ থেকে দূরে সরে যাবে তা হবে তাদের জন্য অমঙ্গলজনক হওয়ার কারণ।
১২. সকালবেলা কাজ শুরু করা
দিনের শুরুতে কাজ শুরু করা। যদি কারো অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য একটু বেলা করে হয় তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বরং নিজ ঘরের কাজ দিয়ে হলেও সকাল সকাল কাজ শুরু করা। কেননা সকালবেলার কাজে আল্লাহ তাআলা বরকত দান করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করেছেন-
اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا
হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতকে সকালবেলা বরকত দান করবেন।
অন্য বর্ণনায় এসেছে- তিনি বলেছেন, আমার উম্মতের জন্য সকালবেলার সময়টাতে বরকত দেয়া হয়েছে।
সুতরাং কেউ যদি সকালের সময়টিতে ঘুমিয়ে থাকে তবে কিভাবে বরকত আসবে। এ কারণেই দিনের শুরুতে মহান আল্লাহর নাম নিয়ে কাজ শুরু করার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ করা জরুরি।
১৩. আল্লাহর ওপর ভরসা করা
বরকত লাভের অন্যতম চাবি বা আমল হলো আল্লাহর ওপর ভরসা করা। মুমিন যত বেশি আল্লাহর ওপর ভরসা করবে ততবেশি তাকে সাহায্য করবেন। পক্ষান্তরে আল্লাহর প্রতি আস্থা, নির্ভরতা বা ভরসা যতি বেশি কমবে, সে ততবেশি অপমাণিত ও লাঞ্ছিত হবে। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘আল্লাহর প্রতি যেরকম ভরসা বা আস্থা রাখা দরকার, তোমরা যদি সেই মাপের আস্থা রাখতে পার, তাহলে আল্লাহ তাআলা পাখিকে যেভাবে রিজিক দেন তোমাদেরও সেভাবে রিজিক দেবেন।’
১৪. সালামের ব্যাপক প্রচলন করা
পরিপূর্ণ, সুস্পষ্ট বিশুদ্ধ সালামের ব্যাপক প্রচলন করা বরকত লাভের অন্যতম মাধ্যম। পরিপূণ সালাম হলো-
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَ رَحْمَةُ اللهِ وَ بَرَكَاتُهُ
উচ্চারণ : ‘আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।’
অর্থ : ‘আপনার উপর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।’
এ সালের পুরোটাই শান্তি, রহমত ও বরকতের দোয়া। যারা নিয়মিত বেশি বেশি সালামের ব্যাপক প্রচালন করার চেষ্টা করেন। ঠিক সালামের উত্তরদানকারী ব্যক্তিও ঠিক একই দোয়া করেন-
‘আপনার ওপরও শান্তি, রহমত ও বরকত নাজিল হোক।’
সুতরাং জীবনে বরকত লাভে সহজ ও প্রচলিত এ আমলগুলোর প্রতি একটু খেয়াল রাখলেই বা যত্নবান হলেই জীবনে নেমে আসবে অবিরত রহমত, বরকত।
১৫. আল্লাহর জন্য হিজরত করা
আল্লাহ তাআলা অনেক নেয়ামত দুনিয়া জুড়ে ছড়িয়ে রেখেছেন, তা অনুসন্ধানে হিজরত বা দেশে-বিদেশ ভ্রমণ করা। আল্লাহ তাআলা দুনিয়াব্যাপী ভ্রমণ তথা রিজিকের তালাশ করা।
উল্লেখিত কাজগুলো যথাযথভাবে আদায় করতে পারলে মহান আল্লাহ বান্দার সব অভাব দূর করে দেবেন। রিজিকে বরকত দেবেন।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সহজ এ আমলগুলোর মাধ্যমে রিজিকে বেশি বেশি বরকত লাভের তাওফিক দান করুন। উল্লেখিত আমলগুলো নিয়মিত পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
_*আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক*_
_শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা"_
*তিরমিযীঃ২৬৭৪*
❤6
Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
✍️শেষ ১ মাসের Special Strategy
অনুশীলনীর MCQ Solve Course!💥
© Powered by Practice Channel ✨
📝📝📝📝📝
🩺 ফিচার :
☑️ 30+ ক্লাস
☑️ প্রতি অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নে এক্সাম
☑️ পোল-কুইজ
☑️ প্রতিটি এক্সামের সল্ভ শীট পিডিএফ
ব্যাচের স্টুডেন্টরা যা যা এক্সট্রা পাবে,
- Premium GK Practice (2K+ Q.)
- Premium English Practice (2K+2 Q.)
- Premium Chemistry Practice (2K+ Q.)+Live Quiz bot ( 1.5k+ Q.)
- Premium Physics Practice (1.5K+ Q.)
- Premium Biology Practice (2K+ Q.)
এছাড়াও,💥
- Majeda Mam Zoology Poll (1K+ Q.)
- Alim Sir Botany Poll (1K+ Q.)
- Alim Sir Zoology Poll (1K+ Q.)
- Ajibur Sir Botany Poll (1K+ Q.)
Huge Questions Practice 🔥
★★★★★★
📌 এই ব্যাচে জয়েন হলে, আরো পাবে আমাদের Premium চ্যানেল, যেটাতে নোটস, সাজেশন পাবা।
- - - - - - - - - - - - - - - - - - -
▫️ সীট সংখ্যা কয়টি?
- ৭০ টি
▪️ সম্মানী কত?
750/- [পুরো সময়ের জন্য, এককালীন]
♦️Enrollment process[send money]
01744420039[ nogod], [bkash]
➡️ 750 tk payment করবে।
Tk পেমেন্ট করার পর যে নাম্বার থেকে tk পাঠিয়েছো শেষের 4 digit বলবে। আমরা প্রাইভেট গ্রুপের লিংক দিয়ে দিব 4 hours এর মধ্যে।
💫After Payment messege here 👇
@PracticeChannel_Officialbot
Last মূহুর্তে Revision এর জন্য সেরা হতে পারে এই ব্যাচটি। কিছু বুঝতে সমস্যা হলে মেসেজ দাও 👇
@PracticeChannel_Officialbot
- - - - - - - - - - - - - - - - - - -
ক্লাস নিবেন---
👩⚕️Mafia Juthi🩺
Dhaka Dental College
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
অনুশীলনীর MCQ Solve Course!💥
© Powered by Practice Channel ✨
📝📝📝📝📝
🩺 ফিচার :
☑️ 30+ ক্লাস
☑️ প্রতি অধ্যায়ের অনুশীলনীর প্রশ্নে এক্সাম
☑️ পোল-কুইজ
☑️ প্রতিটি এক্সামের সল্ভ শীট পিডিএফ
ব্যাচের স্টুডেন্টরা যা যা এক্সট্রা পাবে,
- Premium GK Practice (2K+ Q.)
- Premium English Practice (2K+2 Q.)
- Premium Chemistry Practice (2K+ Q.)+Live Quiz bot ( 1.5k+ Q.)
- Premium Physics Practice (1.5K+ Q.)
- Premium Biology Practice (2K+ Q.)
এছাড়াও,💥
- Majeda Mam Zoology Poll (1K+ Q.)
- Alim Sir Botany Poll (1K+ Q.)
- Alim Sir Zoology Poll (1K+ Q.)
- Ajibur Sir Botany Poll (1K+ Q.)
Huge Questions Practice 🔥
★★★★★★
📌 এই ব্যাচে জয়েন হলে, আরো পাবে আমাদের Premium চ্যানেল, যেটাতে নোটস, সাজেশন পাবা।
- - - - - - - - - - - - - - - - - - -
▫️ সীট সংখ্যা কয়টি?
- ৭০ টি
▪️ সম্মানী কত?
750/- [পুরো সময়ের জন্য, এককালীন]
♦️Enrollment process[send money]
01744420039[ nogod], [bkash]
➡️ 750 tk payment করবে।
Tk পেমেন্ট করার পর যে নাম্বার থেকে tk পাঠিয়েছো শেষের 4 digit বলবে। আমরা প্রাইভেট গ্রুপের লিংক দিয়ে দিব 4 hours এর মধ্যে।
💫After Payment messege here 👇
@PracticeChannel_Officialbot
Last মূহুর্তে Revision এর জন্য সেরা হতে পারে এই ব্যাচটি। কিছু বুঝতে সমস্যা হলে মেসেজ দাও 👇
@PracticeChannel_Officialbot
- - - - - - - - - - - - - - - - - - -
ক্লাস নিবেন---
👩⚕️Mafia Juthi🩺
Dhaka Dental College
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
❤1
Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
যে বিষয়েই পড়ো, যে পেশাই বেছে নাও, যদি নিজের কাছে সৎ থাকতে চাও আর তোমার সবটুকু সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চাও, তোমাকে আজীবন ছাত্র থাকতে হবে। শীঘ্রই বুঝতে পারবে, তুমি যতটা জানতে চাও, ততটা কখনোই জানা হবে না। জ্ঞানের খাঁড়া দেয়াল বেয়ে ওপরে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে সব সময় আরও জানার এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি। আমি এখনো নতুন কিছু শেখার তাড়না অনুভব করি, শেখার প্রক্রিয়াটা উপভোগ করি।
এন্থনি ফাউচি
যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রামক ব্যাধিবিষয়ক প্রধান বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী
https://t.me/recentGK
এন্থনি ফাউচি
যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রামক ব্যাধিবিষয়ক প্রধান বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী
https://t.me/recentGK
❤4
Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
জ্ঞানের ভিত্তিতে যারা কথা বলেন, তারা সহজে কোনো পাবলিক প্লেস এ কোনো ব্যক্তির বদনাম করেন না। সাধারণত মানুষকে সেই সমস্ত কাজ নিয়ে সতর্ক করেন যা ক্ষতিকর, বা কোনো চিন্তাধারা নিয়ে, যা ক্ষতিকর। তারা জানেন কিভাবে নসিহত করতে হয় আর কিভাবে করা উচিত না। অন্যকে যদি কিছু নিয়ে সতর্ক করতে হয়, কতটুক বললে সেটা সতর্ক করা আর কতটুক বললে সেটা অযথা অন্যের বদনাম করা, এটা জানেন।
অজ্ঞতা থেকে যারা কথা বলেন, তারা সরাসরি নাম ধরে মানুষকে আক্রমণ করেন- সমালোচনা করার যোগ্যতা না থাকলে যা হয়। সমালোচনা করতেও যোগ্যতা লাগে, তাই না?
এদের আক্রমণ থেকে তো উলামাদেরই রেহাই নেই, বাকি মানুষ আর রেহাই পাবে কিভাবে। মজার ব্যাপার হলো, উলামাদের জন্য সমুদ্রের মাছ ও দোয়া করে। এরা দোয়া করতে জানে না বা পারে না, তাই গীবত করে নিজের অর্জিত সোয়াব উলামাদের দিয়ে দেয়। দোয়া করলে নিজেরাও কিছু পেত, এক্ষেত্রে কিছু পায় না, নিজের সোয়াব বিলিয়ে দেয়, গীবতের গুনাহ নিজের কাঁধে নেয়।
ঐযে, অজ্ঞ হলে যা হয় আরকি।
আর হ্যাঁ, উলামাদের হোক বা যেকারো- যেই সম্মান দেয়ার মালিক মানুষ না, সেই সম্মান ছিনিয়ে নেয়ার মালিকও, কখনোই, মানুষ হতে পারবে না।
©
অজ্ঞতা থেকে যারা কথা বলেন, তারা সরাসরি নাম ধরে মানুষকে আক্রমণ করেন- সমালোচনা করার যোগ্যতা না থাকলে যা হয়। সমালোচনা করতেও যোগ্যতা লাগে, তাই না?
এদের আক্রমণ থেকে তো উলামাদেরই রেহাই নেই, বাকি মানুষ আর রেহাই পাবে কিভাবে। মজার ব্যাপার হলো, উলামাদের জন্য সমুদ্রের মাছ ও দোয়া করে। এরা দোয়া করতে জানে না বা পারে না, তাই গীবত করে নিজের অর্জিত সোয়াব উলামাদের দিয়ে দেয়। দোয়া করলে নিজেরাও কিছু পেত, এক্ষেত্রে কিছু পায় না, নিজের সোয়াব বিলিয়ে দেয়, গীবতের গুনাহ নিজের কাঁধে নেয়।
ঐযে, অজ্ঞ হলে যা হয় আরকি।
আর হ্যাঁ, উলামাদের হোক বা যেকারো- যেই সম্মান দেয়ার মালিক মানুষ না, সেই সম্মান ছিনিয়ে নেয়ার মালিকও, কখনোই, মানুষ হতে পারবে না।
©
❤7
Admission group[ MAT, DAT,GST]
জ্ঞানের ভিত্তিতে যারা কথা বলেন, তারা সহজে কোনো পাবলিক প্লেস এ কোনো ব্যক্তির বদনাম করেন না। সাধারণত মানুষকে সেই সমস্ত কাজ নিয়ে সতর্ক করেন যা ক্ষতিকর, বা কোনো চিন্তাধারা নিয়ে, যা ক্ষতিকর। তারা জানেন কিভাবে নসিহত করতে হয় আর কিভাবে করা উচিত না। অন্যকে যদি কিছু…
পড়াশোনার পাশাপাশি আমাদের কিছু Manners শিখতে হবে, যেগুলো জীবন চলার পথে প্রভাবকের মত কাজ করবে। তোমরা কেউ আবার এসব পোস্টে বিরক্ত হইও না।
~ধন্যবাদ।
~ধন্যবাদ।
❤7
Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ইউনিট নিয়ে কিছু কথা-
১. এটা একটা স্বতন্ত্র ইউনিট। পরীক্ষাও আলাদা ধাচে হবে। লিখিত ও মৌখিক দুই ধাপে হবে।
২. আইবিএ মূলত বিবিএ এর মডিফায়েড ভার্সন। বিবিএ'র প্রফেশনালস ভার্সন আইবিএ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও আইবিএ ডিপার্টমেন্ট রয়েছে তবে আইবিএ বলতে মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ'ই বুঝায় এবং জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আলাদা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ইউনিট। আর দেশের কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের টপ লেভেলের ম্যাগনেটদের অধিকাংশই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইউনিট থেকে পাস করা।
৩. পরীক্ষা দুই ধাপে হয়। লিখিত ও মৌখিক। লিখিত পরীক্ষাও ২ ধাপে হবে। এমসিকিউ ও রচনামূলক। মোট নম্বর ১০০, এর মধ্যে এমসিকিউ ৭৫ এবং রচনামূলক ২৫ নম্বর। এমসিকিউ এর জন্য ৯০ মিনিট এবং রচনামূলক এর জন্য ৩০ মিনিট। মোট ১২০ মিনিট পরীক্ষা হবে।
৪. পরীক্ষার বিষয় ৩ টি; Math, English, Analytical Ability। এর মধ্যে এমসিকিউ এর ৭৫ এ Analytical Ability ১৫ নম্বর এবং English & Math এ ৩০ নম্বর করে। আর রচনামূলক অংশে ২৫ নম্বরের ভিতর ইংরেজি ও বাংলায় দুটো অনুচ্ছেদ লিখতে দেয়া হয়।
৫. আইবিএ ইউনিটে প্রস্তুতির জন্য নির্দিষ্ট ও ধরাবাধা কোন সিলেবাস নেই। তবে ইংরেজিতে সাধারণত Grammar, Comprehension ও Vocabulary ওপত ভিত্তি করে প্রশ্ন করা হয়। গণিতে সাধারণত বীজগণিত, পাটিগণিত ও জ্যামিতি থেকে প্রশ্ন হয়। আর Analytical Ability এর প্রশ্নে বৈচিত্র্য থাকলেও Puzzle matching, Critical Reasoning বা কোন ঘটনার সবচেয়ে সঠিক কারণ নির্ণয় করা, Data Sufficiency বা প্রদত্ত তথ্য যথেষ্ট কি না ইত্যাদি থাকে।
৬. সাধারণ বা মাদ্রাসা যেকোন শিক্ষাবোর্ডের যেকোন বিভাগের (বিজ্ঞান,বাণিজ্য ও মানবিক) শিক্ষার্থীরা আবেদন ও পরীক্ষা দিতে পারবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে।
৭. প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদা ভাবে পাস করতে হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে ৬০% নাম্বার না পেলে উত্তীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কম।
৮. স্বীকৃত যেকোন শিক্ষাবোর্ডের যেকোন বিভাগ থেকে আবেদন করতে ন্যূনতম মোট ৮.০০ জিপিএ লাগবে এবং এসএসসি ও এইচএসসির প্রতিটিতে ন্যূনতম ৩.৫ জিপিএ থাকতে হবে।
৯. আইবিএ তে মোট আসন সংখ্যা ১২০ টি। লিখিত পরীক্ষার পর সাধারণত মৌখিক পরীক্ষার জন্য ১৬০-১৮০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে ১২০ জন চূড়ান্ত ভর্তির সুযোগ পায়।
১০. এসএসসি ২০১৮ থেকে ২০২১ এবং এইচএসসি ২০২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। কোনো ধরণের সেকেন্ড টাইম নেই।
১১. ভর্তি পরীক্ষা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আবেদন করা যাবে ১ জানুয়ারি (বিকাল ৪ টা) থেকে ২২ জানুয়ারি রাত ১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
©️ Admission Informer
https://t.me/PracticeChannelOfficial/6853
১. এটা একটা স্বতন্ত্র ইউনিট। পরীক্ষাও আলাদা ধাচে হবে। লিখিত ও মৌখিক দুই ধাপে হবে।
২. আইবিএ মূলত বিবিএ এর মডিফায়েড ভার্সন। বিবিএ'র প্রফেশনালস ভার্সন আইবিএ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও আইবিএ ডিপার্টমেন্ট রয়েছে তবে আইবিএ বলতে মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ'ই বুঝায় এবং জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আলাদা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ইউনিট। আর দেশের কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের টপ লেভেলের ম্যাগনেটদের অধিকাংশই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইউনিট থেকে পাস করা।
৩. পরীক্ষা দুই ধাপে হয়। লিখিত ও মৌখিক। লিখিত পরীক্ষাও ২ ধাপে হবে। এমসিকিউ ও রচনামূলক। মোট নম্বর ১০০, এর মধ্যে এমসিকিউ ৭৫ এবং রচনামূলক ২৫ নম্বর। এমসিকিউ এর জন্য ৯০ মিনিট এবং রচনামূলক এর জন্য ৩০ মিনিট। মোট ১২০ মিনিট পরীক্ষা হবে।
৪. পরীক্ষার বিষয় ৩ টি; Math, English, Analytical Ability। এর মধ্যে এমসিকিউ এর ৭৫ এ Analytical Ability ১৫ নম্বর এবং English & Math এ ৩০ নম্বর করে। আর রচনামূলক অংশে ২৫ নম্বরের ভিতর ইংরেজি ও বাংলায় দুটো অনুচ্ছেদ লিখতে দেয়া হয়।
৫. আইবিএ ইউনিটে প্রস্তুতির জন্য নির্দিষ্ট ও ধরাবাধা কোন সিলেবাস নেই। তবে ইংরেজিতে সাধারণত Grammar, Comprehension ও Vocabulary ওপত ভিত্তি করে প্রশ্ন করা হয়। গণিতে সাধারণত বীজগণিত, পাটিগণিত ও জ্যামিতি থেকে প্রশ্ন হয়। আর Analytical Ability এর প্রশ্নে বৈচিত্র্য থাকলেও Puzzle matching, Critical Reasoning বা কোন ঘটনার সবচেয়ে সঠিক কারণ নির্ণয় করা, Data Sufficiency বা প্রদত্ত তথ্য যথেষ্ট কি না ইত্যাদি থাকে।
৬. সাধারণ বা মাদ্রাসা যেকোন শিক্ষাবোর্ডের যেকোন বিভাগের (বিজ্ঞান,বাণিজ্য ও মানবিক) শিক্ষার্থীরা আবেদন ও পরীক্ষা দিতে পারবে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে।
৭. প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদা ভাবে পাস করতে হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে ৬০% নাম্বার না পেলে উত্তীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কম।
৮. স্বীকৃত যেকোন শিক্ষাবোর্ডের যেকোন বিভাগ থেকে আবেদন করতে ন্যূনতম মোট ৮.০০ জিপিএ লাগবে এবং এসএসসি ও এইচএসসির প্রতিটিতে ন্যূনতম ৩.৫ জিপিএ থাকতে হবে।
৯. আইবিএ তে মোট আসন সংখ্যা ১২০ টি। লিখিত পরীক্ষার পর সাধারণত মৌখিক পরীক্ষার জন্য ১৬০-১৮০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে ১২০ জন চূড়ান্ত ভর্তির সুযোগ পায়।
১০. এসএসসি ২০১৮ থেকে ২০২১ এবং এইচএসসি ২০২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। কোনো ধরণের সেকেন্ড টাইম নেই।
১১. ভর্তি পরীক্ষা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আবেদন করা যাবে ১ জানুয়ারি (বিকাল ৪ টা) থেকে ২২ জানুয়ারি রাত ১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
©️ Admission Informer
https://t.me/PracticeChannelOfficial/6853
😢2❤1
📝See this post and comment here 🤠👇
https://m.facebook.com/groups/873596157718872/permalink/912405460504608/?mibextid=Nif5oz
https://m.facebook.com/groups/873596157718872/permalink/912405460504608/?mibextid=Nif5oz
Facebook
Admission Group (Medical and Versity) | "D" দিয়ে একজন একটি 𝑾𝒐𝒓𝒅 তৈরি...
"D" দিয়ে একজন একটি 𝑾𝒐𝒓𝒅 তৈরি
করুন এবং সেই 𝑾𝒐𝒓𝒅 এর শেষের
অক্ষর দিয়ে আরেকজন আরও একটি
নতুন 𝑾𝒐𝒓𝒅 তৈরি করুন।
করুন এবং সেই 𝑾𝒐𝒓𝒅 এর শেষের
অক্ষর দিয়ে আরেকজন আরও একটি
নতুন 𝑾𝒐𝒓𝒅 তৈরি করুন।
❤1
29 December,2023 প্রথম আলো পত্রিকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান।
#Recent_GK
হ্যাসট্যাগের উপর ক্লিক করলে এই পর্যন্ত দেওয়া প্রত্যেক দিনের সাধারণ জ্ঞান আপডেট একসাথে পেয়ে যাবে।
https://t.me/recentGK
#Recent_GK
হ্যাসট্যাগের উপর ক্লিক করলে এই পর্যন্ত দেওয়া প্রত্যেক দিনের সাধারণ জ্ঞান আপডেট একসাথে পেয়ে যাবে।
https://t.me/recentGK
❤1