Programming Hero
16.4K subscribers
166 photos
12 videos
2 files
322 links
Download Telegram
Programming Hero
Photo
গল্পটা ইন্সপায়ারিং:

সাল ২০১১। দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে মারা যান ফখরুলের বাবা। ফখরুল যখন তার বাবাকে হারান, তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ১১/১২ বছর। ক্লাস ফাইভে পড়ুয়া ছোট্ট এক কিশোর। আরও একটা পরিচয় তার ছিলো। 'সংসারের বড় ছেলে'।

স্বামী হারানোর শোক সামলাতে কতোটুকু পেরেছিলেন জানা নেই তবে দুই সন্তানের ভরষপোষণের ব্যবস্থার জন্যে সংসারের হাল ধরতে হয় ফখরুলের মা’কে।

প্রত্যেক পুরুষ পরিবারকে অভাবে আক্রান্ত দেখলে ভীষণ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফখরুলের বেলায়ও ব্যতিক্রম হয়নি। তখনই কি ফখরুলের 'পুরুষ' হওয়ার বয়স হয়েছিলো? হয়তো না। কিন্তু, চোখের সামনে মা'কে করতে দেখা কষ্ট তাকে কিশোর বয়সেই পুরোদমে পুরুষ বানিয়ে দিয়েছিলো।

ক্লাস সেভেনের পড়াকালীন সময়ে গ্রামের জেলে-কৃষকদের সাথে মিশে কিছু রোজগার করে মায়ের হাতে দেওয়া শুরু করলো ফখরুল। টেনেটুনে এভাবে পার হয় কয়েকটা বছর। এসএসসি পাশ করে ফখরুল।

নিন্ম মধ্যবিত্ত একটা পরিবারের বড় ছেলে, যার কিনা বাবা বেঁচে নেই। তার জন্যে পড়ালেখাকে প্রথম প্রায়োরিটি দেওয়া সহজ নয়। ফখরুলও পারেনি। গার্মেন্টেসে জব করবে এই উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরে ঢাকার উদ্দেশ্যে। যদি সম্ভব হয়, কলেজেও ভর্তি হবে। আর সম্ভব নাহলে? জানা নেই। গন্তব্য নতুন এক অচেনা শহরে।

বিপত্তি বাঁধে অন্য জায়গায়। ১৮’র আগে কেউ যে জব দিবেনা গার্মেন্টেসে। অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ ফখরুল পরবর্তীতে অন্য কোনো এক ব্যক্তির সার্টিফিকেট এবং নিজের একটি ভুল নাম দিয়ে জব নেয় গার্মেন্টেসে। এডমিশন নিয়ে নেয় কলেজেও। কিন্তু জব আর পড়ালেখা, সহজ ছিলো না।

তবে পড়ালেখা ছাড়লেও চলবে না। ইন্টারের আইসিটি বই থেকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে ধারণা পায় সে। শুরু করে এক্সপ্লোর করা। ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজও শুরু করে এরমধ্যে। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস ফখরুলকে তৃপ্তি দিচ্ছিলো না। ১৯ সালের শেষের দিকে ঝংকার মাহবুবের এক ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে ফখরুল পায় প্রোগ্রামিং হিরোর খোঁজ। ১০০ হায়ার্ড পোস্টার ফখরুলকে মোটিভেট করে।

এদিকে, মায়ের অবস্থা কিছুটা খারাপ হতে থাকে। গার্মেন্টেস– থেকে পাওয়া টাকা যথেষ্ট হচ্ছিলো না। একটি কোম্পানিতে সেলসম্যানের দায়িত্ব। পড়ালেখা, জব, জবের টার্গেট মিট করা প্রতিদিন, প্রচন্ড চাপের কারণ হয়ে যাচ্ছিলো তার জন্যে। এর মধ্যে নতুন চাপ হিসেবে তার জীবনে আসে ‘প্রোগ্রামিং হিরোর ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স ব্যাচ ০৭’।

একটা ভালো ক্যারিয়ারের লক্ষ্যে ফখরুল শুরু করে নিজের ক্যারিয়্যার কোড করা। পড়াশোনা, জব, সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাত ১০টার পর মডিউল করতে বসতো ফখরুল। নিজের সাথে নিজের নীরব লড়াই। টিকে থাকার লড়াই। অবশেষে, শেষ হলো কোর্স। ঝংকার মাহবুবের 'সহজ-সরল-সিম্পল' এসাইনমেন্ট তাকে কতখানি ঝাঁকি দিয়েছিলো সেই গল্প শুধু তারই জানা।

এরপর? জব প্লেসমেন্ট টিমের সাথে প্রচন্ডভাবে লেগে থাকা ফখরুল এখন ফ্রন্টেন্ড ডেভেলপার হিসেবে কাজ করছে TS4U কোম্পানিতে।

বর্তমানে, সে লিড করছে ১২ জন ডেভেলপারকে।

রিজক্ব আল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তবে, নির্ধারিত রিজক্বের সন্ধানে নামতে হয়।

সবার লাইফেই স্ট্রাগল আছে। সবার লাইফটাই একটা গল্প। একটা উপন্যাস। হাসি-কান্না-দুঃখের এই জীবনে তোমাকে টিকে থাকার লড়াইটা চালিয়ে নিতেই হবে।
65👍11
ক্যাপশন:


বাংলাদেশের টেক ইন্ডাস্ট্রি তে কয়েকজন অসামান্য মেধাবী মানুষের লিস্ট যদি করা হয় তাহলে ওমর আল জাবির শুরুর দিকেই থাকবেন!

ফেসবুকের ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার ছিলেন গতো কয়েক বছর আগেও।

লম্বা সময় ফেসবুকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ লিডিং পজিশনে কাজ করেছেন!
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার্স করেছেন।

British Telecom এ সর্বকনিষ্ঠ আর্কিটেক্ট হিসেবে কাজ করেছেন!

যে পরিমাণ বেতন ফেসবুকে পেতেন সেটা অন্য অনেকের জন্য স্বপ্নাতীত!

কিন্তু সেই চাকরী সেই পজিশন ছেড়ে চলে আসলেন বাংলাদেশে।

কিন্তু কেন?

মাথায় কী চিন্তা, কী প্ল্যান নিয়ে এই কাজ করেছেন?

আরো অনেক অনেক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে ওমর আল জাবির ভাইয়ের সাথে এই এপিসোডে।

আমাদের ক্যারিয়ার ক্র‍্যাকার্য এর এই যাবতকালের সেরা এপিসোড হতে যাচ্ছে সম্ভবত এটা ইনশা আল্লাহ।

https://youtu.be/Fowv2UMF2_s
15👍10🔥5
স্টুডেন্ট অবস্থায় টিউশান করে ইনকামের চাইতে জব করা ভালো। কারণ, টিউশান কখনো এক্সপেরিয়েন্স হিসেবে দেখানো যায় না।

চাকরি যদি ১০ হাজার টাকারও হয়। আপনার জয়েন করা উচিৎ। কারণ, আপনার এক্সপেরিয়েন্স নেই।


জয়েন করে এমনভাবে কাজ করেন যেন কোম্পানির মনেহয়, আপনাকে ২৫ হাজার টাকা দিলেও তাদের লস নাই।


- অপু ভাইয়ের সেশন থেকে ছোট্ট নোট
👍6834🔥4
Session on Career with Abdur Rakib

Tuesday, 17 Dec • 8:00 – 10:15 pm
Google Meet joining info
Video call link: https://meet.google.com/tin-hdjj-owr
Or dial: +1 317-469-9851 PIN: 440 650 806#
More phone numbers: https://tel.meet/tin-hdjj-owr?pin=4983506157941
👍1
3
✌️
19👍3🔥3
লুঙ্গি কিংবা শর্টস পরে নিজের বেডরুমে বসে বসেও জব করা বর্তমান দুনিয়াতে সম্ভব। সম্ভব প্রিয়তমার কাঁধে মাথা রেখে বাদাম খেতে খেতে অফিস করাও। সম্ভব, অফিস থেকে ছুটি না নিয়ে ট্যুরে চলে যাওয়াও। ফরমাল শার্ট-প্যান্ট-টাই পরার কোনো প্যারা নাই। কীভাবে সম্ভব? উত্তর একটাই- রিমোট জব।

রিমোট জব কী? বেসিক্যালি, ফুলটাইম জব অথচ নিজের ঘরে বসেই করা পসিবল। ফ্রিল্যান্সিং আর রিমোট জব মোটেও এক না৷ ফ্রিল্যান্সিং হয় ক্লায়েন্ট based. কাজ আছে তো টাকা আছে, কাজ নাই তো টাকা নাই। বাট, রিমোট জব মানে কোনো একটা নির্দিষ্ট কোম্পানিতে নির্দিষ্ট স্যালারিতে জব করা। রিমোট জব স্টুডেন্টদের জন্য অনেক বড় একটা ব্লেসিংস।


মজার ব্যাপার হলো, ঘরে বসেই UK, USA, Canada, Japan, Australia, Malaysia'র মতন উন্নত দেশগুলোতেও ভালো বেতনে কাজ করা যায় রিমোটলি।


বেশিরভাগ কোম্পানিতে রিমোট কালচার এমন যে, ধরা বাঁধা কোনো টাইম নেই ৯টা -৫টার মতন।


এসাইন্ড টাস্কগুলো ডেডলাইনের মধ্যে করে ফেললেই হয়ে যায়। এতে করে স্টুডেন্টরা ক্লাসও করতে পারে। অফিসও করতে পারে।


গ্র‍্যাজুয়েশন শেষে হয়ে যায় এক্সপেরিয়েন্সড গ্র‍্যাজুয়েট। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ঘরে বসেই আমাদের প্রোগ্রামিং হিরো'র হাজার দু/এক স্টুডেন্ট বিশ্বের ৫৬টা দেশে কাজ করছে।

ওয়েল, তোমার কাছে লুঙ্গি থাকলেও প্রিয়তমা মেইবি এখনো নাই। স্কিল ডেভেলপ করো, জব ম্যানেজ করো, বিয়ে করো। 😉
32👍8
Just 1hr left

Web Instructor Team এর কাছে আপনার যত প্রশ্ন???

রাত ৭:৩০ মিনিটে আপনারা পাবেন Instructor Team এর সাথে One To One কথা বলার সুযোগ।

কমপ্লিট ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ব্যাচ ১১ নিয়ে আপনার যত প্রশ্ন আছে তার উত্তর জানতে জয়েন করে ফেলুন আজকের সেশনে।

💻 ১১তম ব্যাচে কী কী শেখানো হবে?
নতুন কী কী থাকছে?
📚 কোর্স কীভাবে পরিচালিত হয়?
🕒 ক্লাস কীভাবে করবেন?
🛠️ সাপোর্ট কীভাবে পাবেন?

ইত্যাদি ইত্যাদি—আপনার যত প্রশ্ন, তার উত্তর পেয়ে যাবেন আজকের সেশনে!

🗓️ সময়ঃ আজ রাত ৭:৩০ মিনিট
📍 প্লাটফর্মঃ গুগল মিট

🎯 তাহলে কথা হচ্ছে সেশনে!
👍2
এনরোলমেন্ট শেষ হতে বাকি ০৭ দিন।

এসো নবীন ভয় নাই,
সহজ-সরল-সিম্পল ছাড়া কোনো এসাইনমেন্ট নাই।
😁25👍1😱1
সাকসেস পেতে হলে হার্ডওয়ার্ক তো করা লাগবে। বার্বিকিউ পার্টি স্কিপ করে গরম গরম কুকড মডিউল কনজিউম করলে তবেই না সফলতা আসবে।
27😁1😢1🤡1
1
কেউ কেউ আমাদের প্রশ্ন করে থাকেন যে, আমাদের কোর্সটি ফুলস্ট্যাক কি না। যদিও আমাদের কোর্সে শেষ দুই/তিনটা প্রজেক্ট বা এসাইনমেন্ট ফুলস্ট্যাকেরই হয়। তবুও আমরা আমাদের কোর্সকে ফ্রন্টেন্ড ফোকাসড কোর্স বলি।


কেন? প্রথমত ছয়মাস সময় যেমনটা খুব একটা ছোট সময় ঠিক তেমনি খুব একটা বড় সময়ও না। ছয়মাস সময়ে ফ্রন্টেন্ড এবং ব্যাকেন্ড দুইটাতে এক্সপার্ট হওয়া পসিবল না৷ কেউ যদি ছয়মাস সময়ে ফুলস্ট্যাক শিখতে চায় তাহলে না ভালোভাবে ফ্রন্টেন্ড শেখা পসিবল হবে। না ব্যাকেন্ড।


ফলাফল? নিজেকে ফুলস্ট্যাক দাবি কর‍তে পারবেন ঠিকই জোড়াতালি মার্কা স্কিল নিয়ে। কিন্তু, একটা জব বা ইন্টার্নশিপ পাওয়ার যোগ্যতা হবে না।



তাই, আমরা আমাদের কোর্সে ফ্রন্টেন্ডকে বেশি ফোকাস করেছি। ব্যাকেন্ডে আমরা CRUD অপারেশনসটা করে দেখিয়েছি যাতে একজন জুনিয়র ফ্রন্টেন্ড ডেভেলপার হিসেবে বেসিক ব্যাকেন্ড সম্পর্কে নলেজ থাকে।


২৪ তারিখের আগে এনরোল করে ফেলতে ভিজিট : web.programming-hero.com
👍14🔥72😢1
🤐
😁35🔥4👌2
60hrs left only! অলরেডি এনরোল করে ফেলছেন এমন কেউ আছে? ইফ ইয়েস, শেয়ার করেন, কী ড্রিম নিয়ে ভর্তি হয়েছেন।
5