Guraba
255 subscribers
101 photos
64 videos
3 links
সত্য প্রচারে ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
Download Telegram
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ মুহতারাম ভাইয়েরা ফেসবুকে উম্মাহর চিত্র তুলে ধরাতে আইডি নষ্ট করে দিয়েছে, তাই এখন থেকে টেলিগ্রাম চ্যানেল এ তথ্য গুলো দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
মেসওয়াক!
ছোট্ট একটা জিনিস! অথচ কী বেদনা- মধূর স্মৃতি জড়িয়ে আছে এতে!

বেদনার ! আবার মধূর?
"প্রায় এক বিগতের ছোট্ট এই মেসওয়াক হাতে নিলেই মানসপটে ভাসতে থাকে, প্রেমময়ী আয়িশাহ (رضي الله عنه‎)- এর স্মৃতি: দুনিয়ার সফর শেষ করার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে যিনি (رضي الله عنه‎) বুক ও গলার মাঝে পরম যত্নে আগলে ধরে রেখেছিলেন আমার সর্দার ﷺ এর পবিত্র দেহখানি।

তাঁর (رضي الله عنه‎) ভাইয়ের (আব্দুর রহমান ইবনু আবু বকর رضي الله عنه‎) হাতে মেসওয়াক দেখে তাকিয়ে থাকেন নবিজী ﷺ।
আহা! আল্লহ'র ﷻ সান্নিধ্যে যাওয়ার পূর্বেই কী তিনি মেসওয়াক করতে চান ? সুউচ্চ প্রিয় বন্ধুর দিকে যাত্রার ঠিক পূর্ব মুহূর্তেই মেসওয়াক?
তাকিয়েই থাকলেন। কিছু বলার শক্তি যে নেই। মেসওয়াকটির দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে প্রিয়তমা স্ত্রী জিগ্গেস করলেন এটি তাঁর লাগবে কিনা। মুবারক মাথা নাড়ালেন আল্লহ'র ﷻ রাসূল ﷺ। তিনি (رضي الله عنه‎) চিবিয়ে নরম করে দিলেন। অতঃপর সুউচ্চ বন্ধুর কাছে যাওয়ার পূর্বেই প্রিয়তমা স্ত্রীর পবিত্র লালা মিশ্রিত এই মেসওয়াক দিয়েই মেসওয়াক করেন আমার সর্দার ﷺ।

নবিজী ﷺ কে সবথেকে মনে পড়বে কখন জানেন? দাঁতের এপাশ ওপাশ ঘুরিয়ে যখন মেসওয়াক করবেন, তখন! মেসওয়াক করতে করতেই হয়তো প্রশ্নের রাজ্যে ঘূরপাক খাবেন : 'মেসওয়াক করতেন বলেই কী আমার সর্দারের দাঁত এতো সুন্দর, যেন ঝকঝকে তুষারদানা? মেসওয়াক করতেন বলেই কী সেখান থেকে নূরের ঝিলিক বের হতো? আমিও যদি নিয়ম করে মেসওয়াক করি, আমার দাঁত ও‌ কী আমার সর্দারের ﷺ দাঁতের মতোই ঝকঝক করবে? অবুঝ অবুঝ প্রশ্নরা একের পর এক ভীড় জমাচ্ছে টের পেতে না পেতেই দেখবেন আপনার চোখ ভিজা ! যিনি নবিজী কে মুহাব্বাত করেন, তিনি খুব সম্ভবত মেসওয়াক করতে করতেই তাঁকে সবথেকে বেশি মিস করেন! মেসওয়াকটি দাঁতের এপাশ ওপাশ ঘুরাতে ঘুরাতেই তাঁর চোখ ভিজে, মানসপটে এক মুহূর্তের মধ্যে ভেসে উঠে -মহানবীর মহাপ্রয়াণের হৃদয় বিদীর্ণ করে ফেলা স্মৃতি!

এই মেসওয়াক কতোই না দামি ! হায়! সুউচ্চ বন্ধুর (আল্লহ'র) দিকে যাত্রার ঠিক পূর্ব মুহুর্তেই কিনা মেসওয়াক করে নিলেন আল্লহ'র রাসুল (ﷺ)?

প্রায় এক বিগতের ছোট্ট একটা জিনিস ; অথচ.... ?
অথচ কী বেদনা মধূর স্মৃতি!
কবে বোধোদয় হবে আমাদের?
.
সাতচল্লিশ থেকে একাত্তর, একাত্তর থেকে পচাত্তর, পঁচাত্তর থেকে চব্বিশ- অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রামের স্বাক্ষী হয়েছি আমরা। প্রতিবারই এর মাধ্যমে শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু জনগণের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। এত রক্ত ও ত্যাগের পর মানুষ আশা ভরসা করে যাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়েছে তারাই তাদের সাথে গাদ্দারি করেছে। ক্ষমতা হাতে পেয়ে পুরো দেশকে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে বসেছে। দলীয় লোকদের চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। খাস লোকদের উঁচু পদে বসিয়েছে। পছন্দের লোকদের ব্যাবসা বাণিজ্য এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ করে দিয়েছে।
.
সরকারের পরিবর্তন হলেও সরকারের নীতির কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকারী আমলা, কর্মচারী ও দলীয় লোকদের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকার যায় সরকার আসে, ঘুষ, দুর্নীতি, অনাচার, অবিচার আগের মতই চলে, গরীব গরীবই থাকে, ইসলাম বিদ্বেষীদের আস্ফালন আগের মতই থাকে। কোন কিছুর পরিবর্তন হয়না, পরিবর্তন হওয়ার কোন সম্ভাবনাও দেখা যায়না। নতুন সরকারের অনাচার অবিচার দেখতে দেখতে একটা সময় মানুষ আবার নিজেকে এই জুলুমের সাথে মানিয়ে নেয়। অত্যাচারিত হওয়াকেই নিয়তি ভেবে নেয়। এরপর যখন সহ্য সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন আবার মাঠে নামে।
.
এভাবেই চলে আসছে যুগের পর যুগ, হাজারো প্রাণ বিলিয়েও পাচ্ছেনা কেউ একটুখানি সুখ। মানুষ কেমন যেন একটা বৃত্তের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। এক কুমিরের মুখ থেকে বেরিয়ে আরেক কুমিরের মুখে পড়ছে।
এই চিত্র শুধু আমাদের দেশের নয়, আশে পাশের দেশগুলোর চিত্রও একই। কথিত সভ্য রাষ্ট্রগুলোর চিত্রও এর থেকে ভিন্ন নয় বরং আরো ভয়াবহ, তারা শুধু নিজ দেশেই জুলুম নির্যাতন করছেনা, অন্য দেশে গিয়েও লুটতরাজ জুলুম নিপীড়ন চালাচ্ছে।
.
কিন্তু প্রশ্ন হল কেনো এত ত্যাগ এত কোরবানীর পরও মানুষের ভাগ্যের বদল হচ্ছেনা ? কেনো দেশ থেকে জুলুম নির্যাতন বিদায় নিচ্ছেনা?
এই প্রশ্নের উত্তর হল- এই অবস্থার জন্য মূলত দায়ী হল বিদ্যমান মানবরচিত রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া বিচারব্যবস্থা। বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা ক্ষমতাসীন এবং সরকারী আমলাদের জনগণের সেবক বানায়না, বরং জালিম বানায়।
.
এই ব্যবস্থায় একজন ব্যাক্তিকে জালিম বানানোর জন্য যত উপায় উপকরণ দরকার সবই বিদ্যমান আছে। কারণ এখানে কারো কাছে জবাবদিহী করতে হয়না, অন্যায় করলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়না, কিছু হলে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নেয়া যায়। এরপর যেসকল আকিদা বিশ্বাস একজন মানুষকে অন্যায় অপরাধ থেকে বিরত রাখে সেগুলোকে এখানে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। কোন কর্মকর্তা কর্মচারী ইসলাম পালন করতে চাইলে তাকে হয় শাস্তির মুখোমুখি করা হয় অথবা প্রমোশন আটকে দিয়ে অন্যদের ইসলাম পালনে ভীতি তৈরি করা হয়।
.
এখানে যেই জিনিসকে পবিত্র মনে করা হয় সেটি হল সংবিধান। সংবিধান পালনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও একে সংস্কার করার ক্ষমতা থাকে এই জালিমদেরই হাতে। তাদের হাতেই থাকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা। তারা তাদের ইচ্ছামত যখন যেভাবে খুশি আইন বানাতে পারে। কোন আইন নিজেদের প্রতিকূলে থাকলে সংশোধন করে অনুকূলে করে নিতে পারে। সংবিধানের কোন ধারা নিজের বিরুদ্ধে থাকলে সংবিধানকেও সংস্কার করে নিতে পারে। এ যেন শিশুদের মাটির খেলনা, যখন যেভাবে খুশি পরিবর্তন করার স্বাধীনতা।
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাইলে এই সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে হবে এবং এই ছেলেখেলার পথ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। সিস্টেম পরিবর্তন না করে শুধু শাসক পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন করলে প্রতিবারের মত হতাশ হতে হবে।
.
কিভাবে সিস্টেম পরিবর্তন করা সম্ভব হবে?
যেভাবে সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম জাহিলী ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁরা মূলত দুইটি কাজের মাধ্যমে এই পরিবর্তন এনেছিলেন ১. দাওয়াত ২. জি*হা*দ। বর্তমানে আমরাও যদি আধুনিক জাহিলী ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে ইসলাম আনতে চাই তাহলে আমাদের সামনেও এই দুই পথ অনুসরণের বিকল্প নেই। এই ব্যাপারে ইমাম মালিক রহিমাহুল্লাহ স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মত একটি কথা বলেছেন, তিনি বলেছেনঃ এই উম্মতের শেষভাগের সফলতা সেই পথে যেই পথে প্রথমভাগ সফল হয়েছিল।
👍1
১লা নভেম্বর ২০২৪ জাতীয় মসজিদ বাইতুল মুকাররমের জুমার বয়ানের সারাংশ৷
খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ।

হামদ ও সানার পর বয়ানের শুরুতে তিনি জুমার দিনের ফজিলত আলোচনা করেন। এরপর বলেন, রাসুলুল্লাহ সাঃ তার অধিকাংশ খুতবার শুরুতে তাকওয়া বিষয়ক কয়েকটি আয়াত তেলাওয়াত করতেন। এরমধ্যে সুরা আলে ইমরান, নিসা, আহযাব ও হাশর অন্যতম। আজকে সুরা হাশরের আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা জানবো ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালা আয়াতের শুরু করেছেন 'হে মুমিনগণ' বলে। এটি অত্যন্ত মোহাব্বত ও আবেদনপূর্ণ আহবান। এই আহ্বানের মাধ্যমে তিনি মুমিনদেরকে ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ঈমানের অন্যতম দিকনির্দেশনা হলো, তাকওয়া অর্জন করা।

তাকওয়া মানে কি, তাকওয়া হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামতকে স্মরণ করে, তার সামনে উপস্থিত হওয়ার বিষয়কে মনে ধারণ করে, আল্লাহর নির্দেশিত সকল বিধান পালন করা এবং নিষেধকৃত সকল কাজ থেকে বিরত থাকা।

তাকওয়া মানে শুধু ভয় নয়, কারণ যে ভয়ের পরে করণীয় না থাকে তাকে তাকওয়া বলে না। আরবি
শব্দ ওয়াও, কাফ, ইয়া এই মূল ধাতুর অর্থই হচ্ছে বেঁচে থাকা। অর্থাৎ আল্লাহর নিষেধকৃত সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা।

পাশাপাশি আল্লাহ এই আয়াতে মুমিনদেরকে কিয়ামত দিবসের জন্য কী প্রেরণ করেছে, তা চিন্তা করার আদেশ দিয়েছেন। মুমিনের আসল জীবন হচ্ছে আখেরাতে জীবন। এই আয়াতে আগামীকাল বলা হয়েছে, কারণ আখেরাতের দীর্ঘ জীবনের তুলনায় পুরো দুনিয়ার সময় একদিনের মতোই বা তার চেয়েও কম।

এজন্য প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য হল, কবরে যাওয়ার আগে কবরের প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে নিয়ে যাওয়া।
কবরে যে তিন প্রশ্ন করা হবে তার উত্তর শুধু মুখস্ত করে গেলেই হবে না, বরং যদি সত্যিকার অর্থে নিজের জীবনে তা বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে আরবি না জানলেও কবরে গিয়ে আরবিতে উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে।

কবরের প্রশ্ন সমূহের সারমর্ম হচ্ছে, আল্লাহর উপর বিশুদ্ধভাবে পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং ইসলামকে একমাত্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শেষনবী শ্রেষ্ঠনবী বিশ্বনবী মেনে তার জীবন বিধানকে বাস্তবায়িত করা। বেদাত এবং জাহিলিয়াতমুক্ত জীবন গঠন করা।

এরপর তিনি তাকওয়ার বিভিন্ন প্রকাশক্ষেত্রের মধ্যে থেকে দুইটি প্রকাশ ক্ষেত্র আলোচনা করেছেন।
প্রথম হলো, জুলুম থেকে বেঁচে থাকা। হাদিসে আল্লাহ রাসুল বলেন, তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কারণ জুলুম কেয়ামতের দিন গভীর এবং অনেক অন্ধকারের কারণ হবে। 'একটি জুলুম' বা 'একটু জুলুম' যেটাই হোক না কেন, একজনের উপর জুলুম বা একাধিক ব্যক্তির উপর জুলুম সর্বক্ষেত্রেই জালেমের জন্য হবে, তার জীবনে কোন আলো থাকবে না।

জুলুমের অন্যতম প্রকাশক্ষেত্র হলো, দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেওয়া। বর্তমানে অন্যায়ভাবে সিন্ডিকেট করে যেভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে পুরো দেশের মানুষকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে পূর্বে কখনোই এমন ছিল না। তারপরও দ্রব্যমূল্য বাড়ানো এবং এভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে মানুষকে কষ্ট দেওয়ার ব্যাপারে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি কোন বাজারে অন্যায় ভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাকে আগুনের বড় জায়গায় বসিয়ে শাস্তি দিবেন।

আজকে যারা সিন্ডিকেট করছে তাদের অপরাধ চোর ডাকাত বা অর্থ আত্মসাৎকারীদের মতই ভয়ংকর এবং তাদের এই অতিরিক্ত উপার্জন পরিষ্কার হারাম।

তাকওয়ার দ্বিতীয় প্রকাশক্ষেত্র হলো, সূরা নিসার প্রথম আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, আদম এবং হাওয়া থেকে তিনি পুরুষ এবং নারী সৃষ্টি করেছেন।

তাই পুরুষের পুরুষ থাকা এবং পুরুষের জন্য আল্লাহর প্রদত্ত সকল বিধান পালন করা ফরজ। নারীর জন্য নারী থাকা এবং নারী হিসাবে আল্লাহ প্রদত্ত সকল বিধান পালন করা ফরজ।

কোন পুরুষ নারীতে রূপান্তর হওয়া অথবা নিজেকে নারী মনে করা, অনুরূপভাবে কোন নারী নিজেকে পুরুষে রূপান্তরিত করা অথবা নিজেকে পুরুষ ভাবা হারাম এবং কবিরা গুনাহ। এটা আল্লাহর সাথে যুদ্ধ করার সমতুল্য। এল জি বি টি বা সমকামিতা একটি রুচিবিরুদ্ধ ঘৃণ্য অপরাধ। এই অপরাধকে সমর্থন কোন মুসলমান দিতে পারে না।

আজকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস খোলার কথা গণমাধ্যমে এসেছে, যতটুকু জানি বাংলাদেশ সরকার এখনো এই সিদ্ধান্ত নেননি। আমরা আশা করব সরকার এই সিদ্ধান্ত নিবেন না এবং এই মুসলিম দেশে তারা সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।

যে জাতিসংঘ ইজরায়েলের জুলুম থেকে ফিলিস্তিনের শিশুদের রক্ষা করতে পারিনি, যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি এমনকি ঔষধ ও খাবার পর্যন্ত অনুরোধ করেও ঢুকাতে পারেনি তারা কিভাবে মানবাধিকারের কথা বলে...!
মানবাধিকার শিখতে হবে আল্লাহর কোরআন এবং রাসূলের সুন্নাহ থেকে। আমরা রাসূলের আদর্শ নিজেরা বাস্তবায়ন করব এবং এর দাওয়াত সর্বত্র ছড়িয়ে দিব।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমলের তাওফিক দান করুন। আমিন।

সংগৃহীত।
3
1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔴 মৃত সন্তানকে কোলে করে নিয়ে যাচ্ছে এক ফিলিস্তিনি বাবা, যাকে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে ইসরাইল।
😢12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আপনাদের হৃদয় প্রশান্তি হবে ইনশাআল্লাহ
1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
অনলাইনকে_আমরা_কোন_কাজে_ব্যবহার_করছি____শাইখ_তামিম_আল_আদনানী
😢6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
❝হে আরবরা, হে মুসলিমরা, এই শিশুদের দোষ কি?❞

গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়ায় খেলার সময় বিমান হামলা চালিয়ে এই ৪ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরাইল।
😭4
কে দাঁড়াবে ডা. আফিয়া সিদ্দিকির পাশে?

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার এবং দোয়া ও শান্তি আল্লাহর বার্তাবাহক মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর এবং তাঁর পরিবার এবং সাথীদের এবং তারা যাকে অনুসরন করেছে তাদের উপর।

হে মুসলিম ভাইয়েরা :

আপনাদের উপর আল্লাহর শান্তি ও ক্ষমা এবং তাঁর অনুগ্রহ বর্ষিত হোক।
আ*মে*রিকান আদালত বোন আফিয়া সিদ্দীকিকে ৮৪ বছরের জে-ল দিয়েছে।
আমার এই বিবরনীতে দুইটি বার্তা আছে, প্রথমটি আ*মেরি*কার জন্য এবং দ্বিতীয়টি পাকি**স্তানের মুসলিম জাতির জন্য।

আমি আমার বার্তায় আমে*রি*কাকে এটি বলতে চাই,
আসমান ও জমিনের মালিকের শপথ,
আমরা বিচার দিবসের দিন পর্যন্ত আপনাদের বিরুদ্ধে যু**দ্ধ করব,
অথবা যতদিন পর্যন্ত আপনাদের অপরাধগুলো বন্ধ না হচ্ছে।
অতএব যাকে ইচ্ছা তাকে আপনারা ব*ন্দী করতে পারেন, এবং যাকে ইচ্ছা তাকে আপনারা হ/ত্যা করতে পারন, এবং যাকে ইচ্ছা তাকে আপনারা বো/ম মা/রতে পারেন, এবং আপনাদের ইচ্ছামত আপনারা অত্যা/চার চালাতে পারেন।

নিশ্চয়ই বো/মে/র বিনিময়ে বো/ম,
হ/ত্যার বিনিময়ে হ/ত্যা, ধ্বং*সের বিনিময়ে ধ্বংস এবং আক্র*মনের বিনিময়ে আক্র*মণ।

আল্লাহ তাআ'লা বলেন;
আর ল ড়া ই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে,
যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না।
নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
আর তাদেরকে হ/ত্যা করো,
যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে।
বস্তুতঃ ফেতনা ফ্যাসাদ বা দা/ঙ্গা-হা/ঙ্গা/মা সৃষ্টি করা /হ/ত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ। আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে। অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে। তাহলে তাদেরকে হত্যা কর। এই হল কায়েনাদের শাস্তি। আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু।আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। অতঃপর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কারো প্রতি কোন জবরদস্তি নেই, কিন্তু যারা যালেম (তাদের ব্যাপারে আলাদা)।
[আল-বাকারাহঃ১৯০-১৯৩

আমার এই আহবান পাকিস্তানের মুসলিম জাতির জন্য :
আমি এর জন্য কিছু কথা বলব, এখন পাল্টা আঘাতের সময়,
আপনাদের সরকার এবং আপনাদের সা-মরিক বাহি*নীর প্রধানেরা আপনাদেরকে মর্যাদাহীন, অনুভূতিহীন, আত্মসম্মানহীন, মূল্যহীন জনগণ হিসেবে জ্ঞাত করেছে।
আ*মে*রিকান এবং তাদের ক্রু*সে*ডার জোটেরা আপনাদের দেশে হানা দিয়েছে এবং আপনাদের জনগনকে হ/ত্যা করছে এবং আপনাদের গ্রামগুলি ধ্বংস করছে এবং আপনাদের মহিলাদের ব*ন্দী করছে, আপনারা কী আরও লাঞ্চনা চান?

হে পাকিস্তানের সম্মানিত মুসলিম ভাইয়েরা,
হে ইহার ইসলামের সৈনিকেরা,
পথ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এবং রাস্তাও পরিষ্কার, অতএব যে কেউই আফিয়া সিদ্দিকীকে মুক্ত করতে চায় এবং প্রতি*শোধ নিতে চায়,
তারা যেন মুসলিম মু/জাহি/দদের অনুসরন করে এবং তাদের সাহায্য করে এবং তাদের সাথে যোগ দেয়া উচিত, জি/হা/দের পথ ছাড়া অন্য কোন পথে আত্মতৃপ্তি নেই এবং জি/হা/দের পথ ছাড়া অন্য কোন পথে মর্যাদা নেই।

আল্লাহ তাআ'লা বলেন,
আল্লাহর কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জি/হাদ করাই কর্তব্য।
বস্তুত, যারা আল্লাহর রাহে লড়া/ই করে এবং আতঃপর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুণ্য দান করব। আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা!
আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী!
আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও। যারা ঈমানদার তারা যে, জেহাদ করে আল্লাহর রাহেই। পক্ষান্তরে যারা কাফের তারা লড়াই করে শয়তানের পক্ষে সুতরাং তোমরা জেহাদ করতে থাক শয়তানের পক্ষালম্বনকারীদের বিরুদ্ধে, (দেখবে) শয়তানের চক্রান্ত একান্তই দুর্বল।
(আন-নিসা)

-শায়খ ড. আবু মুহা*ম্মদ আল-আ*ই-মান রহিমাহুল্লাহ

Guraba
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
জামাতের যেসকল নেতারা ফ্যাসিবাদের সাথে সুর মেলাতে সুশীল সাজার চেষ্টা করছেন, আমার মাকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন আমার কাছে? আমার বোনকে কোন জবাব দিতে পারবেন আপনারা?
আমার বাবা তো আপনাদের দলের কর্মীই ছিলেন।

জামাতের পোলা ট্যাগ দিয়েই তো আমার পেটে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাক দিয়েছিল। সব ভুলে গেলেন আপনারা?

ভুক্তভোগী: Tanvir Mahtab
ভয়েস: Mohammed Rayhan
ভিডিও এডিটিং: Guraba
😭4
আমি তার সোনালী চুলে বেণী করে দিয়েছিলাম। আমি তার ছোট্ট খোঁপায় গোলাপ গুঁজে দিতে চেয়েছিলাম। ওরা আমার নয়নতারাকে কেড়ে নিয়েছে। আমার পৃথিবীকে মেঘাচ্ছন্ন করে দিয়েছে।
😢5
আপনি ছাড়া তো ওদের আর কেহ নাই,
ওরা তো অসহায়, নিরস্ত সহায় সম্বলহীন!

মজলুমদের ফরিয়াদ কবুল করুন মাবুদ 💔😥