PDF House
130 subscribers
152 photos
44 videos
869 files
530 links
যারা মূলতো কিনে পড়তে পারে না, কিন্ত পড়তে আগ্রহী, তাদের জন্য। লেখকেদের কোনো ক্ষতি হউক চাই না। এসব বিষয়াদি অনলাইন হতে সংরক্ষণ করে আপনাদের দেই, তাই এসব কোনো কিছুর দায় আমাদের কে চিহ্নিত করে না। বিস্তারিত 👉 telegra.ph/PDFH-09-26 👉 @me_pdf
Download Telegram
▫️মুসলিমদের জন্য তাদের অনুপস্থিতিতে দু’আর ফযীলত

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... উম্মু দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মনিব (স্বামী) আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ
যে ব্যক্তি তার ভাই এর অনুপস্থিতিতে তার জন্য দু’আ করে, তার জন্য একজন নিয়োজিত ফিরিশতা আমীন বলতে থাকে এবং বলে, তোমার জন্যও অনুরূপ।


~ সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৬৭৯
1
ইউসুফ (আঃ)-এর জীবনের এক অপূর্ব শিক্ষা

“ভাল ও মন্দের গুপ্ত রহস্য”


প্রশ্ন: বলুন তো, ইউসুফ (আঃ)-কে কি তাঁর পিতা ভালোবাসতেন?
উত্তর: হ্যাঁ, ভালোবাসতেন।

প্রশ্ন: এই ভালোবাসা কি ইউসুফ (আঃ)-এর জন্য কল্যাণকর ছিল? না অকল্যাণকর?
উত্তর: কল্যাণকর!

প্রশ্ন: কিন্তু এই কল্যাণ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল?
উত্তর: কূপে ফেলে দেওয়া হলো!

প্রশ্ন: কূপে পড়া কি কল্যাণ ছিল না অকল্যাণ?
উত্তর: অকল্যাণ!

প্রশ্ন: তাহলে এই অকল্যাণ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল?
উত্তর: রাজপ্রাসাদে!

প্রশ্ন: প্রাসাদে থাকা কি কল্যাণ ছিল না অকল্যাণ?
উত্তর: কল্যাণ!

প্রশ্ন: কিন্তু এই কল্যাণ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল?
উত্তর: কারাগারে!

প্রশ্ন: কারাগারে থাকা কি কল্যাণ ছিল না অকল্যাণ?
উত্তর: অকল্যাণ!

প্রশ্ন: এই অকল্যাণ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল?
উত্তর: রাজত্বে!

প্রশ্ন: রাজত্ব কি কল্যাণ ছিল না অকল্যাণ?
উত্তর: কল্যাণ!

প্রশ্ন: আর এই রাজত্ব তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল?
উত্তর: পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা লাভ ও ক্ষমতার আসনে!

এভাবেই—
“আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।” (সূরা আল-বাকারা ২:২১৬)

জীবনও এমনই!
তুমি অনেক সময় যা মন্দ মনে করো, সেটিই হয়তো তোমার জন্য এক বিশাল কল্যাণ।
তাই আল্লাহর ফয়সালায় ভয় পেও না, অবাক হয়ো না।
ধৈর্য ধরো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথেই আছেন।

-ইকরা অনলাইন একাডেমী!
3
“তুমি আমার জন্য খেজুর এনেছো কিন্তু এগুলোর বীচি ফেলো নি !”
.
এটা একটি বিখ্যাত আরবী প্রবাদ, কিন্তু এই প্রবাদটির উৎপত্তি কীভাবে হয়? আর কিভাবেই বা এটি বিখ্যাত হয়ে উঠে?
.
উমার বিন খাত্তাব ( রাঃ ) কে কেউ একজন জানালো যে, আবু বকর ( রাঃ ) ফজরের সালাত শেষ করে মদীনার সীমানার দিকে যান; একটা ছোটো বাড়িতে বেশ কিছু সময় কাটান; তারপর নিজের ঘরে ফিরে আসেন।
.
আবু বকর ( রাঃ ) কী করতেন না করতেন তার সব খবরই উমার ( রাঃ ) রাখতেন; শুধুমাত্র এই বাড়িতে কী হতো- তা তাঁর অগোচরে ছিলো।
.
দিন যায়, কিন্তু খলীফা আবু বকর ( রাঃ ) এর ঐ বাড়িতে গমন বন্ধ হয় না। উমার ( রাঃ ) সিদ্ধান্ত নিলেন- ফজরের পর আবু বকর ( রাঃ ) ঐ বাড়িতে গিয়ে কী করেন, তা তিনি নিজের চোখে একবার দেখে আসবেন।
.
উমার ( রাঃ ) ঐ ঘরে গিয়ে দেখতে পেলেন- ওখানে একজন বৃদ্ধা বাস করেন। বৃদ্ধার কেউ নেই, তারউপর বৃদ্ধা অন্ধ।
.
উমার ( রাঃ ) অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হলেন। বৃদ্ধার সাথে আবু বকরের কী সম্পর্ক- তা জানার জন্য তিনি আগ্রহী হয়ে উঠলেন। উমার ( রাঃ ) বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন,
.
“ এই লোক আপনার বাড়িতে প্রতিদিন কী জন্য আসে? ”
.
বৃদ্ধা জবাব দিলেন,
.
" আল্লাহ্‌র কসম ! আমার জানা নেই। সে প্রতিদিন আসে, তারপর আমার ঘর ঝাড়ু দেয়, সবকিছু পরিষ্কার করে, তারপর আমার জন্য খাবার তৈরি করে, তারপর কোনো কথা না বলেই চলে যায়। "
.
আবু বকর ( রাঃ ) এর মৃত্যুর পর আমীরুল মুমিনীন উমার ( রাঃ )ও একইভাবে বৃদ্ধার সেবা করতে আরম্ভ করলেন। বৃদ্ধা কিছু একটা টের পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, " তোমার বন্ধু কি মারা গেছেন? "
.
উমার ( রাঃ ) অন্ধ বৃদ্ধার প্রশ্ন শুনে প্রচণ্ড অবাক হলেন। উমার ( রাঃ ) বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন, " আপনি কীভাবে বুঝলেন? "
.
বৃদ্ধা জবাব দিলেন,
.
“তুমি আমার জন্য খেজুর এনেছো, কিন্তু খেজুরগুলোর বীচি ফেলো নি।” ( অথচ এই সামান্য বিষয়টাও তোমার বন্ধুর নজর এড়াতো না )
.
উমার ( রাঃ ) হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়লেন। তাঁর চোখ অশ্রুতে পরিপূর্ণ হয়ে গেলো। আর এই অবস্থায় উমার ( রাঃ ) তাঁর বিখ্যাত উক্তিটি বললেন,
.
" হে আবু বকর ! আপনি পরবর্তী খলীফাদের কাজ অত্যন্ত কঠিন করে গেছেন। "
.
( আল্লাহ্‌ তাঁদের উপর রহম করুন )

(রেফারেন্স -সাহাবাদের জীবনী সিরিজ, আবু বকর রাঃ এর জীবনী, পিস পাবলিকেশন) (কপিড)
1
আমি সবসময় বলি এবং বলে যাব। আমরা জেনারেল শিক্ষা থেকে আসা দাঈরা মূলত আপনার সন্দেহ-সংশয় দূর করি, দীনকে জাপটে ধরার ব্যাপারে আপনার দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করি। দীনের গুরুত্ব বুঝাই, দীন কেন অবিকল্প এসব বুঝাই। ব্যস। আপনি বুঝে গেলেন দীন আপনার দরকার। আমাদের কাজ এতটুকুই।

এবার, দীন আপনার লাগবে। কি লাগবে? দীন। এটা আর আমাদের কাছে পাবেন না। এটা পেতে হলে আলিমদের কাছ থেকেই নিতে হবে, যারা দীন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় শিক্ষালাভ করেন, দীনের ধারাবাহিকতার বাহক, যাদের আমল-আখলাক দীনের বাস্তব রূপায়ন। তাদের থেকে দীন শিখবেন। আমাদের থেকে দীন শিখবেন না। আর আমাদের আলোচনার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকবেন না, ঘুরপাক খাবেন না।

আপনার দীনের পথে চলার রাস্তায় একটা পাথর ছিল। সেটা আমরা সরিয়ে দিয়েছি। এবার আপনি আলিমদের থেকে দীন শিখে সেই রাস্তায় দৌড় দিবেন। ফাফিররু ইলাল্লাহ। সেই জান্নাতের জন্য প্রতিযোগিতা করুন যার প্রশস্ততা আসমান-জমিন।

দীনের গুরুত্ব শিখবেন আমাদের থেকে।
দীন শিখবেন আলিমগণ থেকে।
সকল দাড়িটুপিওলা আলিম না।
সকল মাদরাসাপড়ুয়াও আলিম না।

আমি মনে করি আমার মনন-রুচি-পছন্দে জাহেলিয়াতের রুচি-পছন্দ থাকা অস্বাভাবিক না। সে জায়গা থেকে পদস্খলনের ভয় সবারই থাকা দরকার। নিজের উপর অতি-আত্মবিশ্বাস আমার নেই। আশা ও ভয়ের মাঝেই ঈমান। উদাহরণ দিই। 'এসো আরবি শিখি' বই ২ খণ্ড পড়ে বাদ দিয়েছি। আমার প্রবল ধারণা হল: আমি যদি আরবি শিখে ফেলি আমি গোমরাহ হয়ে যেতে পারি। নিজের রুচিমতো জিনিস বের করে আলিমদের দুষতে পারি। কুরআন তিলওয়াত হলে যেহেতু বুঝতে পারছি, আমার আর দরকার নেই। ইলমের ব্যাপারে আলিমদের মুখাপেক্ষী থাকাই আমার জন্য নিরাপদ।

সেদিন কোথায় যেন বলছিলাম: আমি 'এই অবেলায়' লিখেছি, যেন আপনি এটা পড়ার পর দীনের অবিকল্পতা বোঝেন এবং ইমাম নববির ৪০ হাদিসের ব্যাখ্যা, আল-ফাওয়ায়েদ, কুরআনের তাফসীর, নবীয়ে রহমত হাতে তুলে নেন। আমার বইগুলোর ভেতরেই যেন ঘুরপাক না খান। এজন্য আমি লিখি না।

দীন শেখানোর জন্য লিখি না। দীনমুখী করার জন্য লিখি।

~শামসুল আরেফীন শক্তি ভাই
2
বিশেষ করে যুবকদের বলব, হুজুরদের ঝগড়া আর রাজনীতিবিদদের ঝগড়া, এই দুই ঝগড়ায় ঢুকবা না। তোমাদের জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, দুনিয়াও যাবে আখিরাতও যাবে!

— ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি.)
3
"দুআ কবুল হওয়ার পথে একট বড় বাধা হল গুনাহ, এজন্য নিয়ম হল সর্বপ্রথম নিজের গুনাহর জন্যে ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া, এরপর দুআ করা। এজন্যই দেখা যায় জানাযার নামাযের দুআয় বলা হয়:
‌اللَّهُمَّ ‌اغْفِرْ ‌لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا
অর্থাৎ হে আল্লাহ, মাফ কর আমাদের জীবিতদের ও মৃতদের।
মৃতদের পূর্বেই জীবিতদের উল্লেখ করা হয়েছে। আর যে দুআ করছে সে জীবিত। তাই সে প্রথমে নিজের জন্য এবং পরে মৃতদের জন্য দুআ করে"।

~ মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম [রাহ.]

[তফসীরে নূরুল কোরআন: ৯/৯৮]
2
১. বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, ১৮ বছর বা তার কম বয়সী সকল ছে লে-মে য়ে শি শু হিসেবে গণ্য হবে।
২. কোনো শি শুকে তার ই চ্ছা বা অনি চ্ছায় শা রী রিক সম্প র্কের জন্য বা ধ্য করা হলে তা ধ র্ষ ণ বা যৌ ন নি র্যা তন হিসেবে গণ্য হবে।
৩. বাংলাদেশ পুলি শ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে, অথচ দেশের তথাকথিত সুশীল সমাজ এবং না রীবা দীরা নি শ্চুপ।
৪. এটি যদি সা ম্প্রদায়িক ঘটনা না হয়, তবে কেন অ মুসলিমদের ক্ষেত্রে ঘটনা ঘটলে তা সহজেই "সাম্প্র দায়িক" হি সেবে চি হ্নিত করা হয়? অথচ, মুসলিমদের ক্ষেত্রে একই ধরনের ঘটনা ঘটলে তা ধ র্মীয় বিষয় হিসেবে দেখা হয় না। কেন এই দ্বৈত মানদণ্ড?
🤬2
ধ*র্ষি*তা মেয়ের বাপ বললেন, "মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির আজ রাত প্রায় একটার সময় একটা কাগজে আমার কাছ থেকে সই নিয়ে গেল। সেই কাগজে কী লেখা আছে, আমি জানিনা।"

এই সেই এসআই মনির, যাকে আমি দুপুরে পুলিশের ভেরিফাইড পেইজের মিথ্যাচারের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে "একটু পরে ফোন করছি" বলে ফোন রেখে দেয়। পরবর্তীতে আমাকে ফোন করেনি এবং আমার ফোন রিসিভ করেনি। যার ফলে যদি আমাকে সুদূর যশোর থেকে গাজীপুরে যেতে হচ্ছে।

~আতাউর রহমান বিক্রমপুরী
🤬3
আর যদি আল্লাহ মানুষদেরকে তারা যা অর্জন করেছে তার জন্য পাকড়াও করতেন, তাহলে যমীনের উপর একটি প্রাণীকেও তিনি ছেড়ে দিতেন না। কিন্তু তিনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদেরকে বিলম্বিত করে থাকেন। অতঃপর যখন তাদের সেই নির্দিষ্ট সময় এসে যায় (তখন তিনি তাদের পাকড়াও করেন), কেননা আল্লাহ তো তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সম্যক দ্রষ্টা।

• সূরা ফাতির | আয়াত: ৪৫
😢2
সালাহউদ্দিন আইয়ুবি কি বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর ৩ হাজার আলেম হত্যা করেছিলেন?

না — এই দাবিটির ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই।
অর্থাৎ, সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবির হাতে বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর ৩ হাজার আলেম হত্যার ঘটনাটি প্রমাণ করার মতো একটি নির্ভরযোগ্য দলিল পর্যন্ত ইতিহাসে পাওয়া যায় না। এমনকি কোনো জাল বর্ণনাতেও এ সংক্রান্ত কোনো আলোচনা নেই।
এর প্রমাণ হলো সালাহউদ্দিন আইয়ুবি সম্পর্কে রচিত নির্ভরযোগ্য জীবনীগ্রন্থগুলো—যেমন মাওলানা ইসমাইল রেহান সাহেবের দুই খণ্ডের বিশাল গবেষণা এবং আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবির প্রামাণিক রচনা—কোথাও এই অভিযোগের কোনো উল্লেখ নেই। অথচ এসব লেখক সুলতান সালাহউদ্দিন সম্পর্কে প্রচলিত বহু মিথ্যা কাহিনির জবাব দিয়েছেন। এর মানে হলো এ বিষয়টি আরব ঐতিহাসিক মহলে কখনো আলোচিতই হয়নি। যদি এমন কোনো দাবি জাল বর্ণনাতেও থাকত, তবে এসব গবেষক অবশ্যই তার পর্যালোচনা উল্লেখ করতেন।
ইতিহাসে যুদ্ধোত্তর গণহত্যা, নির্যাতন ও জাতিগত নিধনের বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে। কিন্তু তাই বলে একজন মুসলিম শাসকের হাতে ৩ হাজার আলেম হত্যা—এমন ঘটনার নূন্যতম কোনো ইঙ্গিতও নির্ভরযোগ্য কোনো ইতিহাসে নেই, এটাও কি আমাদের বিশ্বাস করতে হবে?
আমরা জানি, মুসলিম ঐতিহাসিকরা গুরুত্বের দাবি রাখে-সাধারণত এমন ছোট থেকে ছোট ঘটনাও পক্ষপাতহীনভাবে লিখে গেছেন। তাহলে এই বিশাল ঘটনার কোনো ছায়াও কেন ইতিহাসের পাতায় নেই?

কথা হলো,তাহলে এই দাবির উৎস কোথায়?
প্রথমত, মূলত এই ভিত্তিহীন বানোয়াট গল্পটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে আলতামাশের তথাকথিত ঐতিহাসিক উপন্যাস “ঈমানদীপ্ত দাস্তান” থেকে। তিনি কোথায় পেয়েছেন আল্লাহই ভালো জানেন। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ মাওলানা ইসমাইল রেহান সাহেব এই বই সম্পর্কে লিখেছেন:
“এতে বর্ণিত অধিকাংশ ঘটনাই হয় বানোয়াট নয়তো ঐতিহাসিক বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত। ১৫০০ পৃষ্ঠার এই উপন্যাসের কেবল শেষ আট পৃষ্ঠাতেই লেখক রেফারেন্স দিয়েছেন এবং কিছুটা সততা দেখিয়েছেন।”
আগ্রহী পাঠকগন মাওলানা ইসমাইল রেহান রচিত “দাস্তানে ঈমান ফারুশোকি এক তাহকিকি জায়েযা” বইটি পড়তে পারেন। যেখানে তিনি ধরে ধরে আলতামাশের রচিত বইটির প্রতিটি খন্ডের পর্যালোচনা করেছেন। অথবা দেখতে পারেন মাওলানা ইমরান রাইহান ভাইয়ের রচিত “ইতিহাস পাঠঃ প্রসঙ্গ কথা” বইটি। (১১৭-১২৫ পৃষ্ঠা)
দ্বিতীয়ত, ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় গবেষণাহীন কিছু ভিডিও ও পোস্ট এই দাবিকে ছড়িয়েছে, যেগুলোর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।

বিপরীতে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—সুলতান সালাহউদ্দিন ছিলেন ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও ক্ষমাশীলতার অনন্য উদাহরণ। তিনি আলেমদের প্রতি ছিলেন গভীর শ্রদ্ধাশীল এবং অত্যন্ত দানশীল।

একবার সুলতানের যুবক বয়সের ছেলে ইসমাইলের মৃত্যুর খবর এলো। সুলতান যখন এই খবর সংবলিত চিঠি পড়লেন,তখন চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল, কিন্তু এই শোক-প্রকাশ করলেন না;এমনকি এই খবর অন্যদের জানালেনওনা।[১]

ব্যক্তিগত কারণে কারো থেকে প্রতিশোধ নেওয়া এবং রাগান্বিত হওয়া সুলতানের অভ্যাস ছিল না। নিজের আমির অফিসার এমনকি খাদেমদেরও শৃঙ্খলা-পরিপন্থি কোনো কাজের ব্যাপারে কড়াকড়ি করতেন না;অথচ এ ব্যাপারে কঠোর আচরণ করা অনুচিত কিছু হতো না।

একদিনের ঘটনা। একবার সুলতানের অফিসাররা খ্রিস্টান বাদশাহ রিচার্ডের মোকাবেলায় চরমভাবে কাপুরুষতার পরিচয় দেন। তারা হামলা করতে কেবল অস্বীকৃতিই জানাননি, একজন অফিসার সুলতানের সঙ্গে বেয়াদবি মূলক আচরণও করে বসেন। সুলতান রাগে অগ্নি শর্মা হয়ে যান। বিদ্রোহের অভিযোগে এই অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু সুলতান নিজেকে সামলে নেন। কিছুক্ষণ পর দামেশক থেকে তাজা ফল এলে,সুলতান তাদের নিয়ে একসঙ্গে বসে এগুলো খান।[২]

একবার একবার এক ক্রীতদাস আরেক ক্রীতদাসকে মুজা ছুড়ে মারে। অসাবধানতাবশত তা সুলতানের গায়ে গিয়ে পড়ে। সুলতান অন্যদিকে ফিরে পাশে বসা লোকদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যান, যেন তার কোন খবরই নেই।[৩]
এই ভিত্তিহীন বানোয়াট গল্পটি প্রচার করে মুসলিম ভাইদের রক্ত হালাল করার পায়তারা যারা করছে আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুন।

সূত্র.
[১] আন নাওয়াদিরুস সুলতানিয়্যাহ,৬০-৬১
[২] আন নাওয়াদিরুস সুলতানিয়্যাহ, ৬৩
[৩] আল কামিল ফিত তারিখ,১০/২২৪

জাবের ভাই
2
এই ছেলে মুসলিম নারীদের বিষয়ে এমন সব জঘন্য কথা বলেছে যা উচ্চারণ করা সম্ভব না। এই ছেলের আরচণকে কি সাম্প্রদায়িক আচরণ বলা যাবে মাননীয় মিডিয়া সাহা? নাকি আমাদের প্রতিবাদটাই শুধু সাম্প্রদায়িক?

বুয়েটের ভায়েরা এই কুলাঙ্গারের সাথে একসাথে ক্লাস করবেন?
বুয়েটের মুসলিম বোনেরা এই কুলাঙ্গারের সাথে ক্লাস করবেন?

দেখতে চাই তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়।
🤬2
বুয়েট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের অবস্থানটা দেখুন। এরা প্রকাশ্য একটা রেপিস্ট ও সন্ত্রাসীকে বাঁচানোর জন্য টালবাহানা করছে।

এমনকি প্রতিবাদী ছাত্রদেরকে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারেরও হুমকি দিচ্ছে।

গাজীপুরেও প্রশাসন সন্ত্রাসী ধর্ষককে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। বুয়েটের ঘটনাতেও সেটাই করছে। আর জাতির রাহনুমায়ি আর নেতৃত্বের দাবিদার শ্রেণিরা hi ন্দুদের ভোটের স্বপ্নে ঘুমাচ্ছে৷
😢2
সাম্প্রদায়িক শব্দটাও সাম্প্রদায়িক। এটা শুধু মুসলমানের জন্য ব্যবহার্য একটা শব্দ।

একজন সনাতনী কখনই সাম্প্রদায়িক হতে পারবে না। সে মুসলমান নারীদের ধর্ষণ করুক, হিজাব বোরখাকে সেক্সুয়ালি সিস্বোলাইজ করুক, প্রকাশ্যে মুসলমান নারীদের পেটে বাচ্চা দেবার কথা বলুক, যতই উস্কানি দিক - একজন সনাতনীকে সাম্প্রদায়িক বলা যাবে না।

তারা ভাগওয়া ড্রিভেন হয়ে শিশুধর্ষণ করলেও বিষয়টা অসাম্প্রদায়িক হবে , আর মুসলমানরা সেটার প্রতিবাদ করলেও সাম্প্রদায়িক উস্কানি হবে।

ধন্যবাদ।

~ Mehedi Hasan
@me_pdf
😢2
ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ নিয়ে কথা বলায় ই [স] কনের লোকেরা যখন একজন আলেমকে গু [ম] করে, তখনো আমাদের ঈমান আমাদেরকে সুশীলগিরি করতে শেখায়।

তখন প্রশাসন বলে ই [স] কনের নাম নিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হবে। তখন আইন বলে সাম্প্রদায়িক দা [ঙ্গা] লাগবে। অথচ কত শত আলেমকে দিনের পর দিন জ [ঙ্গি] অপবাদ দিয়ে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলো এই রেজিম। তাহলে আমরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই নিতে হবে তাই তো?

দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে গর্ব করা অথর্বরা, তোমরা যে এসব কথা বলো তোমাদের লজ্জা লাগে না? হাসি_নার আমলে প্রশাসন জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের হয়ে কাজ করে যে ভুল করেছিল, এখনো ৯০% মুসলমানের বিপরীতে গিয়ে, সংখ্যালঘু অপরাধীদের পক্ষ নিয়ে একই ভুল করছে। এবারের পরিণতি নিঃসন্দেহে আগেরবারের চেয়ে ভয়াবহ হবে। তাই আপনারা দয়া করে এসব ভুল করবেন না।

ন্যায়ের সাথে থাকুন, নীতি ঠিক রাখুন। মানুষের ইমোশনে বারবার আঘাত করে নিজেদের অশান্তি ডেকে আনবেন না। আপনারা নিজেকে মুসলমান দাবী করেন, অথচ এতটুকু ঈমানও রাখতে পারেন না? যতটুকু থাকলে অন্যায়ের বিরোধিতা করা যায়?

~ মিয়ারাজ ভাই
😢2👍1
আপনার মা বোনকে ধর্ষণ করবে ওরা, তারপরেও আপনি ওদের নাম নিতে পারবেন না। নিলে অসাম্প্রদায়িকতা বিনষ্ট হবে।

আপনার ভাই আলিফকে হত্যা করা হবে, তারপরেও আপনি ওদের নাম নিতে পারবেন না। নিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হবে।

আপনার ইমামকে হত্যার থ্রেট দিয়ে গুম করে ফেলা হবে, তবুও আপনি ওদের নাম নিতে পারবেন না। নিলে আপনি হয়ে যাবে সাম্প্রদায়িক।

সকল সম্প্রীতি রক্ষার দায় আপনার। ধর্ষণ, হত্যা, গুমের শিকার হলেও। আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলেও, আপনার বোনদের ইজ্জত নিয়ে পরিকল্পিত ট্র‍্যাপ পাতলেও।

এই অসাম্প্রদায়িকতার জুযু মূলত আপনাকে পঙ্গু বানানোর, আপনার অধিকার হরণ করার, আপনাকে মাইনোরোটি বানানোর।

~ইফতেখার শিফাত হাফি.
😢3
একটা ভিন্ন রকমের কথা বলি, ভাগ ওয়া বাহিনী যদি সিদ্ধান্ত নেয় আগামী এক বছরে এক হাজার মাদ্রাসার ছাত্রকে তাদের ষড়যন্ত্রের জালে ফাঁসাবে, অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, মোটেই কোন কষ্টসাধ্য কাজ হবে না। হিঁদু ছেলে দিয়ে মুসলিম মেয়েদের পটানো যতটা সহজ, হিঁদু মেয়ে দিয়ে মুসলিম ছেলে, বরং মাদ্রাসার ছাত্রদের পটানো আরো বেশি সহজ। গ্রামে-গঞ্জে হলে তো বলাবাহুল্য। গ্রাম ও মফস্বলে এমন অনেক ছেলে আপনি সহজে পেয়ে যাবেন যারা হিঁদু মেয়েকে মুসলমান বানানোর প্রচুর ফজিলত মুখস্ত করে রেখেছে। মোটামুটি সুন্দরী কোনো হিঁদু মেয়ে একটু হাসি দিলেই এরা নিজেদের জান কুরবান করে তাদের পায়ের তলায় নিয়ে রাখবে।

ডারতে একসময় 'লাভ জিহাদ' নামে এক কথিত ষড়যন্ত্রকে পুঁজি করে আর এস এস দেশজুড়ে মুসলিমহত্যা চালিয়েছে। তারপর হিঁদু তরুণ যুবকদের উত্তেজিত করেছে মুসলমান মেয়েদের টার্গেড করতে। বাংলাদেশে এখন যা চলছে তা ওইসব ষড়যন্ত্রতত্ত্বের প্রভাব। হিঁদু যুবকদের ফ্যান্টাসি তো আগেই ছিল; ষড়যন্ত্রতত্ত্ব সেখানে ঘিয়ের কাজ করেছে। আগে করতো খাহেশাতের কারনে; এখন করছে ধর্ম মনে করে। পুণ্য আকাঙ্ক্ষায়। এটা অনেক ভয়ংকর।

মুসলমান মেয়ে ও ছেলেদেরকে যদি আপনি অন্ধ হি ন্দু ত্ব বা দী দে র ফাঁদে পড়া থেকে বাঁচাতে চান সবার আগে নিজের ঘরে মনোনিবেশ করতে হবে। তাবলীগ ও তাযকিয়ার কাজ দৃঢ় করতে হবে। ফরজ ইলমের শিক্ষা ব্যাপক করে তুলতে হবে। আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার ব্যাপক করতে হবে। হারাম কাজে লিপ্তদের প্রতি সামাজিকভাবে ঘৃণা সৃষ্টি করতে হবে। তাদেরকে একঘরে করে ফেলতে হবে। নতুবা যে অজ্ঞতার ভয়াল স্রোত সমাজে প্রবাহিত হচ্ছে দ্বীনদার ও অদ্বীনদার কাউকে আপনি বাঁচাতে পারবেন না।

বিশেষত, বক্তা ভাইদের প্রতি অনুরোধ, চলতি মৌসুমে ভাইরাল টপিক বাদ দিয়ে কেবল দ্বীনের ফরজ বিধানগুলো নিয়ে জোরদার আলোচনা করুন। হালাল-হারাম, পর্দাপুশিদাকে আলোচনার বিষয় বানান। মাদ্রাসার মাহফিলে কেবল ইলম ও আহলে ইলমের ফজিলত বর্ণনা না করে তাযকিয়া ও তাবলিগের আলোচনা করুন। উত্তেজনা বেশিদিন থাকবে না। সমস্যা টিকে থাকবে। সঠিক সমাধানের পথে না হাঁটলে আস্তে আস্তে তা আপনার-আমার ঘরে ঢুকে পড়বে।
پھر یہ نہ کہنا کہ ہمیں خبر نہ تھی۔ وما علينا الا البلاغ الميبن.

- নুরুজ্জামান নাহিদ
👍3
এখনো বাংলাদেশের কয়েকটি ক্যান্টনমেন্টে ইন্ডিয়ান ভিসার অফিস আছে।

৬ মাস যাবত বলে আসতেছি বাংলাদেশ থেকে ২০--২৫ বছর বয়সী কয়েক হাজার হিন্দু পোলাপান
ইন্ডিয়াতে গিয়ে দেশ বিরোধ চক্রান্ত কাজে ট্রেনিং নিচ্ছে। এদের বেশিরভাগ ভার্সিটি পড়ুয়া।

নর্থ সাউথ- বুয়েট-চুয়েট-চাবি কর্মকাণ্ড দেখে নিশ্চয়ই বুঝেছেন এরা কি চাই এদের ইউনিটি কত মজবুত।

এরা টার্গেট করে মুসলিম মেয়েদের রেইপ করতেছে।
মুসলিম মেয়েদের গর্ভবতী করে পালিয়ে যাচ্ছে। এসব কিছু তাদের ঐ ট্রেনিংয়ের অংশ। তাদের ফেসবুক গ্রফগুলোতে মুসলিম মেয়েদের সাথে ঘটনাগুলো রেগুলার শেয়ার করে মজা নেয়।

প্রথমে ঢুকলো জাল টাকা, এবার ঢুকবে অস্ত্র, এদের না থামাতে পারলে দেশটা সিকিম হতে বেশি দেরি নাই।
হয়তো আমরা প্রথমে মরবো বাট দুদিন পর আপনাকেও মারবে মনে রাইখেন।

কামাল ফারাবি @me_pdf
😢3
টানা ৭ বছর একটা মোবাইল চালানোর পর বসুন্ধরায় গেলাম নতুন মোবাইল নিতে। স্মার্টফোনের প্রতি আগ্রহ কম। নিতান্ত বাধ্য হয়ে কেনা। তাই বাজেট কম। একটা মোবাইল পেয়েও গেলাম। দোকানদার গরিলা গ্লাস নিতে গেল। দেখলাম একটা ছেলে এসে আইফোনের কথা জিজ্ঞেস করসে। সম্ভবত নতুনটা। তাকিয়ে দেখলাম দুটো ছেলে, বয়স ১৬-১৭ শীর্ণকায়। পিছনে দাঁড়িয়ে আছে এক লোক, মুখ শুকনো, বয়স চল্লিশের ঘরে। চেহারায় পোড়া ছাপ, চোখ অন্ধকারে।

দোকানদার দাম বললো, ১ লাখ ৬৫ হাজার।

আমার চোয়াল পড়ে গেল দাম শুনে। ছেলে দুটো আগ্রহ হয়ে মোবাইল দেখছে। পোশাক-কথা বলার স্টাইল দেখে মনে হলো গ্রামে থাকে। পিছনে থাকা ভদ্রলোক ঘামছে। উনার পায়ে দেখতে দেখি চটি (আরবে যারা থাকে তারা পরে)।

লোকটা মিনমিন করে বলছে আরেকটু কমদামে মোবাইল নিতে। কিন্তু ছেলে ধমকের চোটে আর সাহস পেল না। বুঝতে পারলাম কাহিনি কী।

মা-বাবার মনের কথা বুঝতে না পারা সন্তানেরা জানেই না তাদের আবদার পূরণ করতে গিয়ে মা-বাবা কত কষ্ট সহ্য করেন।

আফসোস!

© এম জে বাবু।
😢4
স্বামী-স্ত্রী উভয়েই “দ্বীনদার” কিন্তু সংসার করতে পারে না, এমন অনেক কেসই এখন দেখা যাচ্ছে। এমনটা হওয়ার কারণ কী?

বেশ কয়েকটা কেস দেখে আমি একটা প্যাটার্ন খুঁজে পেয়েছি প্রত্যেক দম্পতির মধ্যে। সেই হিসেবে জাস্ট আমার অবজারভেশনটা শেয়ার করি।

[১] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ স্বামীর অনুগত হওয়াকে দ্বীনের অংশ মনে করে না।

[২] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ সে চায় স্ত্রী পরিবারে আর্থিক কন্ট্রিবিউশন রাখুক। মুখে না বললেও আচরণে এমনটা বুঝিয়ে দেয়।

[৩] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ পুরুষ হিসেবে যেসব দায়িত্ব পালন করা উচিত সেগুলোর ব্যাপারে উদাসীন।

[৪] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ জবান লাগামহীন। সংসারের স্বার্থে অনেক কিছু করলেও জবান দ্বারা স্বামীকে এমনভাবে আঘাত করে যেটা মেনে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হয় না।

[৫] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ স্ত্রীর হক এবং পিতামাতার হকের মধ্যে ভারসাম্য করতে ব্যর্থ হওয়া।

[৬] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ। অথচ দ্বীনদারিতা স্বল্পে তুষ্টির ব্যাপারে সচেতন করার কথা।

[৬] “স্বামী” চায় স্ত্রী স্বপ্লে তুষ্ট হোক, পরিবারের বেলায় কৃপণতা করে অথচ অন্যান্য ক্ষেত্রে অপচয় করে।

[৭] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ সফট ফেমিনিজমে আক্রান্ত। সংসারের জন্য কীভাবে পরাধীনতাকে বরণ করে নিয়েছে, স্বাধীন জীবন কেন বেটার এসব জিনিস স্বামীকে কথা, কাজে বুঝিয়ে দেয়া।

[৮] “স্বামী” দ্বীনদার অথচ “সমান অধিকারের” বয়ান সামনে এনে স্ত্রীকে কটু কথা শোনায়। অথচ যে সমান অধিকার চায়, চাওয়া উচিত মনে করে, তাদেরকে ছাড়া বাকি নারীদেরকে শরীয়াহ যেসব এক্সট্রা ফ্যাসিলিটি দিয়েছে সেগুলো কোনো খোঁটা ছাড়াই প্রদান করতে হবে।

[৯] “স্ত্রী” দ্বীনদার অথচ কথায় কথায় স্বামীর কাছে তালাক চায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে এই চাওয়া ভুলে যায়। অথচ বারবার তালাক চাওয়ার মাধ্যমেই কখনো স্বামীর আস্থাভাজন হতে পারে না।

[১০] ওয়াহিদার প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য ঠিকমতো পালন না করেই মাসনার ব্যাপারে বারবার চাপাচাপি করা। যদিও বাস্তবে এই কাজ করতে পারে না, তবুও বিষয়টাকে ঘিরে অবাস্তব ফ্যান্টাসি থেকে মনমালিন্যতা তৈরি করে।

বাহ্যিকভাবে দ্বীনদার হলেও, দ্বীনের দিক থেকে, প্র্যাকটিসের দিক থেকে অনেকভাবে আগানো হলেও সাংসারিক জীবনে অনেক সমস্যা দ্বীনকে পরিপূর্ণ ধারণ না করার কারণেই হয়ে থাকে। সমাধানের জন্য কুরআন সুন্নাহর পথ বাদ দিয়ে হাঁটার কারণে জটিলতা বাড়তে থাকে। - মেরাজ হোসাইন
👍2
একবার নিউজে দেখলাম যমুনা সেতুতে ট্রেন উঠলে সেতু কাঁপতে থাকে তাই ট্রেনের গতি কমিয়ে দেয়া হয়। এরপর বহুবার ট্রেনে যমুনা পার হতে হয়েছে, যখনই দেখেছি ট্রেনের গতি কমে যাচ্ছে তখনই বুক ধড়ফড় করতো।

আরেকবার দেখলাম মেঘনা সেতুর দুই পিলার নিচের দিকে ক্ষয়ে গেছে, এর ফাটল দিয়ে মাছ আসা যাওয়া করে। এরপর যখনই মেঘনা সেতুতে উঠতাম, কলিজা হাতে নিয়ে উঠতাম।

রোমেল ভাইর সাথে গাজীপুর থেকে ফিরছিলাম। উত্তরা এসে রাস্তা পার হবো, ফ্লাইওভারের কাজ চলছে। রোমেল ভাই বললেন, এই যে গার্ডার সরানো হচ্ছে এগুলা যে আমাদের উপর পড়বে না তার গ্যারান্টি নাই। আমরা যেখানে দাঁড়িয়েছি সেখানেই পরদিন বরযাত্রীদের গাড়িতে গার্ডার পড়ে কয়েকজন নিহত হলেন।

সল্টগোলা ক্রসিং এর আশপাশে আড্ডা দিতাম আমি আর রুবেল। আচমকা একদিন শুনি ফ্লাইওভার ভেঙ্গে পড়ে কয়েকজন নিহত।

গত এক যুগে দেশের ভেতরে বহু সফর করেছি। চোখের সামনে দেখেছি অসংখ্য দূর্ঘটনা। প্রতিবার একটা বিষয়ই আমার বিশ্বাস দৃঢ় হয়েছে, এই দেশে মানুষের বেঁচে থাকার কোনো কারণ নেই। পদে পদে এত মৃত্যুফাঁদ বসানো আছে, দুর্ঘটনাই এখানে স্বাভাবিক ব্যাপার। শুধুমাত্র আল্লাহর খাস রহমত আছে বলেই আমরা এখনো বেঁচে আছি, নিরাপদে সফর করতে পারছি।

সফরে তাই আল্লাহর কাছে নিরাপত্তার দোয়া করা, মাসনুন আমলগুলো করা খুব জরুরী। সম্ভব হলে ঘর থেকে বের হলেই কিছু সদকা করে দেয়া। সদকার মাধ্যমে আল্লাহ বিপদাপদ দূর করেন।

আল্লাহ সবাইকে নিরাপদ রাখুন।

~ ইমরান রাইহান হাফি.
😢4