প্রথম বিজেএসেই সিভিল জজ রায়হান
বিজেএস পরীক্ষার প্রস্তুতি আপনি ঠিক কবে থেকে শুরু করেছিলেন?
বিজেএস পরীক্ষার প্রস্তুতি আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে শুরু করেছিলাম। ১৪শ বিজেএস এক্সামে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিচারক হিসেবে একটা বড় সংখ্যা সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় তা আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রভাব রেখেছিল। তার পর থেকে নিয়মিত পড়াশোনার মাধ্যমে আমার প্রস্তুতি শুরু হয়।...
❤18
সমুদ্রকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষায় বহুমুখী সম্ভাবনা
সমুদ্র এখন আর শুধু জাহাজ ও বন্দরকেন্দ্রিক নয়; প্রকৌশল, ওশানোগ্রাফি, মৎস্য, মেরিটাইম আইন, লজিস্টিকস, অফশোর প্রযুক্তি ও ব্লু ইকোনমিতে তৈরি হচ্ছে নতুন কর্মক্ষেত্র। এই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তৈরি হচ্ছে দক্ষ জনবল। বিস্তারিত জানাচ্ছেন বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম রাশিদুল হাসান...
❤23
Sub-Registrar Job Solution.pdf
2.7 MB
সাব-রেজিস্টার জব সল্যুশন
পিএসসি কর্তৃক গৃহীত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সাব-রেজিস্টার পদের বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান - ব্যাখ্যাসহ
২০০১, ২০০৩, ২০১২ এবং ২০১৬ সালের পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান
❤106🔥2
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যুক্ত হচ্ছেন নানা বিষয়ে উচ্চশিক্ষিতরা। মাস্টার্স, প্রকৌশল, কৃষি, আইন, কম্পিউটার বিজ্ঞান, চিকিৎসা শিক্ষা থেকে শুরু করে এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রিধারীরাও রয়েছেন এ পেশায়। প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের (আইপিইএমআইএস) ২০ অক্টোবর ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে ৩০ ধরনের। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। এ ছাড়া স্নাতক, এইচএসসি ও বিভিন্ন বিশেষায়িত ডিগ্রিধারী শিক্ষকও রয়েছেন কয়েক হাজার।
আইপিইএমআইএস’র তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮০ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৯ হাজার ৯৯১ জন স্নাতক (পাস) ডিগ্রিধারী। এইচএসসি পাস শিক্ষক রয়েছেন ৪২ হাজার ৩০৪ জন এবং স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারী রয়েছেন ২০ হাজার ৯৮৪ জন। এ ছাড়া বিএসএস ডিগ্রিধারী ১৩ হাজার ১১৯ জন, এসএসসি পাস ৮ হাজার ৫৭৯ জন এবং এমবিএ ডিগ্রিধারী ৭ হাজার ৭১০ জন শিক্ষক রয়েছেন।
ধর্মীয় শিক্ষার বিভিন্ন ডিগ্রিধারীরাও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তাদের মধ্যে কামিল ডিগ্রিধারী ৫ হাজার ৭৪০ জন, ফাজিল ডিগ্রিধারী....
😁21❤18👍3
স্কুল-কলেজে এগিয়ে মেয়েরা, বিশ্ববিদ্যালয়-চাকরিতে পিছিয়ে কেন
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রীদের হার ৪০ শতাংশের নিচে। সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ ৩০ শতাংশের কম।
প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে ছেলেদের চেয়ে মেয়ের সংখ্যা বেশি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চিত্রটি বদলে যাচ্ছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজের বাইরে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর হার ৪০ শতাংশের নিচে।
শুধু তা-ই নয়, পড়াশোনা শেষে সরকারি চাকরিতেও নারীর অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত পর্যায়ে নয়, এখনো তা ৩০ শতাংশের কম। অর্থাৎ শিক্ষার নিচের স্তরে ছাত্রীদের এগিয়ে যাওয়ার যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে তা বদলে যাচ্ছে।
চাকরির ক্ষেত্রেও বিশেষ করে বদলিযোগ্য কর্মস্থল, দূরবর্তী এলাকায় পদায়ন, নিরাপদ আবাসন ও যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং পারিবারিক দায়িত্ব সামলানোর মতো বিষয় নারীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব বাধা সব নারীর ক্ষেত্রে সমান নয়। আবার সরকারি চাকরিতে নারীর কম প্রতিনিধিত্বের কারণ শুধু পারিবারিক সিদ্ধান্ত বা বদলির নীতিতে সীমাবদ্ধ—এমন সিদ্ধান্তেও পৌঁছানো যাবে না।....
❤2
আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
আইনের শাসন সূচকে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছর ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের প্রকাশিত তালিকায় ১৪৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম।
সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ০.৩৯। তবে এ বছর আইনের শাসন সূচকে বিশ্বের ১৫তম শীর্ষ অগ্রগতি অর্জনকারী দেশ হয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আইনের শাসনে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।
ডব্লিউজেপির এই সূচকে বিশ্বের ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম। সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ ১২৫তম থেকে ১২৩তম স্থানে উন্নতি হলেও প্রাপ্ত স্কোর বৈশ্বিক গড় ০.৫৫-এর নিচেই রয়ে গেছে। বাংলাদেশের আগে রয়েছে জিম্বাবুয়ে (১২২তম), নাইজেরিয়া (১২০তম), সিয়েরা লিওন (১১০তম), লাইবেরিয়া (১০৩তম), কেনিয়া (১০০তম) ও ঘানা (৬২তম)।
এ অঞ্চলে শীর্ষে রয়েছে নেপাল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও ভারত। এরপরই রয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের অবস্থান। বিশ্বে আইনের শাসনে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ইউরোপের দেশগুলো। সূচকের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও লুক্সেমবার্গ।...
❤21🤣13👍2👎1😁1