আদর্শ
গৌরাঙ্গ কর্মকার
Idealism is a power or spirit that can hold us and mould us in a manner so that we may find the peace of perfection in every way of life and achieve the goal even after a long run. অর্থাৎ আদর্শ হল এক শক্তি যা আমাদেরকে ধারন করে, আমাদেরকে সৃষ্টি করে, আমাদের জীবনে পূর্নতার আনন্দ দেয় এবং দেরিতে হলেও লক্ষে পৌঁছে দেয়।
জীবনে আদর্শ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। আদর্শ মানবচরিত্রকে আরো দৃঢ় করে এবং উন্মুক্ত করে সকলের সামনে। মনে সাহসের সঞ্চার ঘটায় এবং এগিয়ে চলার পথে অনুপ্রেরনা যোগায় এই আদর্শ। মানবজীবনে আদর্শ না থাকলে তা ছন্দহীণ গানের মতো মূল্যহীণ মনে হয়।
আদর্শ মানুষের মধ্যে পবিত্রতা জাগ্রত করে। আত্মসচেতনতা, আত্মপরিপূর্নতার অন্যতম মাধ্যম হল আদর্শ। আদর্শই মানবিকতাবোধ জাগ্রত করে এবং মানুষকে করে তোলে নিষ্পাপ প্রাণ। আদর্শের শূচীস্পর্শে মানুষ আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে, খুঁজে পায় জীবনে চলার প্রশস্থ পথ। মানুষ হয়ে ওঠে হৃদয়বান ও মানবিক। জীবনকে ভালোকরে উপভোগ করতে আদর্শের পূজা করা উচিত। মানুষ আদর্শবান হলে জগতে সত্য কখনো হারিয়ে যাবে না। অর্থাৎ সত্য ই আদর্শ, আদর্শ ই সত্য। তখন জীবনে নেমে আসবে অনন্ত শান্তি। মানুষ একে অপরকে ভালোবাসবে। জীবনে আসবে নতুন ছন্দ। নতুন গতিতে গড়িয়ে যাবে সময়। মানুষের জীবন ভরে উঠবে আনন্দ, সুখ ও অনুরাগে।
আর যদি আদর্শ হারিয়ে যায় বা কারো জীবনে যদি আদর্শ না থাকে, সে জীবন কখনো পবিত্র হতে পারে না, তা কলুষিত হয়ে যায়। মিথ্যাচার, লোভ, বিদ্বেষ ও অপরাধের চাপে মানুষ হারিয়ে যায় অন্ধকারে। তখন তার জীবন হয় ব্যর্থ ও মূল্যহীণ।
আদর্শ হল অন্তরের শক্তি বা আত্মার শক্তি যা আনে চেতনা, যা আনে বিপ্লব ও ভালোবাসার শক্তি, যা আনে সুখ ও পরম প্রাপ্তির সন্ধান। এককথায় জীবনে যা থাকলে আত্মতৃপ্তি, আত্মমর্যাদা, সার্বিক সাফল্য ও সকলের ভালোবাসা পাওয়া যায়, সেই জীবন্ত সত্তাই হল আদর্শ। আদর্শের স্পর্শে জীবন হয় তেজোময়, বীর্যবান ও সম্পূর্ন। আদর্শের পবিত্রতা সত্যকে মিথ্যা থেকে সরিয়ে আনে। মানবপ্রবৃত্তিকে কলংকিত হতে দেয় না। জীবনকুসুমকে প্রস্ফুটিত করে।মনে হয় জীবনটাকে উপলব্ধি করা যায় এবং সত্যের পথে এগিয়ে গিয়ে জীবনের প্রকৃত স্বাদ অনুভব করা যায়। তবেই তো জীবনের সার্থকতা।জীবনে আদর্শ আছে বলেই 'সবার উপরে মানুষ সত্য' কথাটি আজও বেঁচে আছে।
I am the ideal of my soul. অর্থাৎ আমি আমার আত্মার কাছে আদর্শ। আমার সত্তার কাছে আমি কখনো ছোট নই। নিজেকে না ভালোবাসতে পারলে অপরকে ভালোবাসা যায় না। তাই সবার আগে আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস থাকা খুব জরুরী। জীবনের প্রকৃত লক্ষ্যকে লাভ করা যায় শুধুমাত্র আত্মবলে বলীয়ান হয়ে এগিয়ে গেলে। নিজেকে ঠিকমতো করে চালনা করাটাই বড় কঠিন কাজ। অনেকসময় বাস্তবজীবনে কামনা ও বাসনার প্যাঁচে পড়ে মানুষ আদর্শচ্যুত হয়।
'সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' অর্থাৎ সত্যের পূজা করে মানবিক হৃদয় নিয়ে বেঁচে থাকাই জীবনের সার্থকতা। তখন অল্প পাওয়াটাই পরম পাওয়া বলে মনে হবে। জীবন ভরে উঠবে প্রেম, প্রীতি ও অনুরাগে। শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসার বন্ধনে বাঁধা হয়ে সৃষ্টি করবে নতুন সূর্য যার আলোয় উদ্ভাষিত হয়ে ভরে উঠবে ধরিত্রী, মুছে যাবে জীবনের সব কালিমা। হবে নতুন সকাল।শুরু হবে জীবনের নতুন অধ্যায়।
আদর্শ হল অন্তরের গভীরে এক স্বচ্ছ চেতনা যা জেগে উঠলে সৃষ্টি হয় মানসপ্রতিমা - এক অনন্য প্রতিমূতি। আমরা যখন তার পূজা করি , সুপ্তপ্রান প্রস্ফুটিত হয় আর হৃদয়ে সৃষ্টি হয় শক্তির আধার।
তার হাত ধরেই জীবনে আসে পরমপ্রাপ্তি ও সফলতা।
ধন্যবাদ!
গৌরাঙ্গ কর্মকার
Idealism is a power or spirit that can hold us and mould us in a manner so that we may find the peace of perfection in every way of life and achieve the goal even after a long run. অর্থাৎ আদর্শ হল এক শক্তি যা আমাদেরকে ধারন করে, আমাদেরকে সৃষ্টি করে, আমাদের জীবনে পূর্নতার আনন্দ দেয় এবং দেরিতে হলেও লক্ষে পৌঁছে দেয়।
জীবনে আদর্শ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। আদর্শ মানবচরিত্রকে আরো দৃঢ় করে এবং উন্মুক্ত করে সকলের সামনে। মনে সাহসের সঞ্চার ঘটায় এবং এগিয়ে চলার পথে অনুপ্রেরনা যোগায় এই আদর্শ। মানবজীবনে আদর্শ না থাকলে তা ছন্দহীণ গানের মতো মূল্যহীণ মনে হয়।
আদর্শ মানুষের মধ্যে পবিত্রতা জাগ্রত করে। আত্মসচেতনতা, আত্মপরিপূর্নতার অন্যতম মাধ্যম হল আদর্শ। আদর্শই মানবিকতাবোধ জাগ্রত করে এবং মানুষকে করে তোলে নিষ্পাপ প্রাণ। আদর্শের শূচীস্পর্শে মানুষ আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে, খুঁজে পায় জীবনে চলার প্রশস্থ পথ। মানুষ হয়ে ওঠে হৃদয়বান ও মানবিক। জীবনকে ভালোকরে উপভোগ করতে আদর্শের পূজা করা উচিত। মানুষ আদর্শবান হলে জগতে সত্য কখনো হারিয়ে যাবে না। অর্থাৎ সত্য ই আদর্শ, আদর্শ ই সত্য। তখন জীবনে নেমে আসবে অনন্ত শান্তি। মানুষ একে অপরকে ভালোবাসবে। জীবনে আসবে নতুন ছন্দ। নতুন গতিতে গড়িয়ে যাবে সময়। মানুষের জীবন ভরে উঠবে আনন্দ, সুখ ও অনুরাগে।
আর যদি আদর্শ হারিয়ে যায় বা কারো জীবনে যদি আদর্শ না থাকে, সে জীবন কখনো পবিত্র হতে পারে না, তা কলুষিত হয়ে যায়। মিথ্যাচার, লোভ, বিদ্বেষ ও অপরাধের চাপে মানুষ হারিয়ে যায় অন্ধকারে। তখন তার জীবন হয় ব্যর্থ ও মূল্যহীণ।
আদর্শ হল অন্তরের শক্তি বা আত্মার শক্তি যা আনে চেতনা, যা আনে বিপ্লব ও ভালোবাসার শক্তি, যা আনে সুখ ও পরম প্রাপ্তির সন্ধান। এককথায় জীবনে যা থাকলে আত্মতৃপ্তি, আত্মমর্যাদা, সার্বিক সাফল্য ও সকলের ভালোবাসা পাওয়া যায়, সেই জীবন্ত সত্তাই হল আদর্শ। আদর্শের স্পর্শে জীবন হয় তেজোময়, বীর্যবান ও সম্পূর্ন। আদর্শের পবিত্রতা সত্যকে মিথ্যা থেকে সরিয়ে আনে। মানবপ্রবৃত্তিকে কলংকিত হতে দেয় না। জীবনকুসুমকে প্রস্ফুটিত করে।মনে হয় জীবনটাকে উপলব্ধি করা যায় এবং সত্যের পথে এগিয়ে গিয়ে জীবনের প্রকৃত স্বাদ অনুভব করা যায়। তবেই তো জীবনের সার্থকতা।জীবনে আদর্শ আছে বলেই 'সবার উপরে মানুষ সত্য' কথাটি আজও বেঁচে আছে।
I am the ideal of my soul. অর্থাৎ আমি আমার আত্মার কাছে আদর্শ। আমার সত্তার কাছে আমি কখনো ছোট নই। নিজেকে না ভালোবাসতে পারলে অপরকে ভালোবাসা যায় না। তাই সবার আগে আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস থাকা খুব জরুরী। জীবনের প্রকৃত লক্ষ্যকে লাভ করা যায় শুধুমাত্র আত্মবলে বলীয়ান হয়ে এগিয়ে গেলে। নিজেকে ঠিকমতো করে চালনা করাটাই বড় কঠিন কাজ। অনেকসময় বাস্তবজীবনে কামনা ও বাসনার প্যাঁচে পড়ে মানুষ আদর্শচ্যুত হয়।
'সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' অর্থাৎ সত্যের পূজা করে মানবিক হৃদয় নিয়ে বেঁচে থাকাই জীবনের সার্থকতা। তখন অল্প পাওয়াটাই পরম পাওয়া বলে মনে হবে। জীবন ভরে উঠবে প্রেম, প্রীতি ও অনুরাগে। শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসার বন্ধনে বাঁধা হয়ে সৃষ্টি করবে নতুন সূর্য যার আলোয় উদ্ভাষিত হয়ে ভরে উঠবে ধরিত্রী, মুছে যাবে জীবনের সব কালিমা। হবে নতুন সকাল।শুরু হবে জীবনের নতুন অধ্যায়।
আদর্শ হল অন্তরের গভীরে এক স্বচ্ছ চেতনা যা জেগে উঠলে সৃষ্টি হয় মানসপ্রতিমা - এক অনন্য প্রতিমূতি। আমরা যখন তার পূজা করি , সুপ্তপ্রান প্রস্ফুটিত হয় আর হৃদয়ে সৃষ্টি হয় শক্তির আধার।
তার হাত ধরেই জীবনে আসে পরমপ্রাপ্তি ও সফলতা।
ধন্যবাদ!
আজ একটু ক্লান্ত আছি। মনে হচ্ছে ক্লাস করতে পারবো না।
Ideal English Tutorial
https://youtu.be/8mgBn7ibDYU
Good morning. Watch this video