#BREAKING
সচিবালয়ে বাধার মুখে ১১দলীয় ঐক্য জোট: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ চলছে।
সচিবালয়ে বাধার মুখে ১১দলীয় ঐক্য জোট: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ চলছে।
তারেক রহমানের ডাকে সরকার পড়লে হাসিনা সরকার পড়ার কথা ছিল ২৮ অক্টোবর।
তারেক রহমানের ডাকে ১০ লাখ লোক ঢাকা আসলো। পুলিশ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথে ১০ মিনিটে ১০ লাখ.....
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
তারেক রহমানের ডাকে ১০ লাখ লোক ঢাকা আসলো। পুলিশ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথে ১০ মিনিটে ১০ লাখ.....
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
❤2
গ্ৰন্থাগার
তারেক রহমানের ডাকে সরকার পড়লে হাসিনা সরকার পড়ার কথা ছিল ২৮ অক্টোবর। তারেক রহমানের ডাকে ১০ লাখ লোক ঢাকা আসলো। পুলিশ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথে ১০ মিনিটে ১০ লাখ..... বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
তারেক রহমানের ডাকে সরকার পড়লে হাসিনা সরকার পড়ার কথা ছিল ২৮ অক্টোবর।
তারেক রহমানের ডাকে ১০ লাখ লোক ঢাকা আসলো।
পুলিশ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথে ১০ মিনিটে ১০ লাখ পালাইয়া গেল।
নেতা নাকি কর্মীরা আগে পালাইসিল, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।
আরও বড় প্রশ্ন, ১০ লাখ লোক কেমনে ১০ মিনিটে পালাইয়া যায়?
এরা এসেছিল ক্ষমতার জন্য।
একজন মানুষও তারেক রহমানের ডাকে মরতে রাজি হয় নাই।
একজনও না।
নেতাও না। কর্মীও না।
জুলাই আগস্টে মির্জা ফখরুলকে বারবার বলতে হইছে এই আন্দোলন আমাদের আন্দোলন না। আমরা এর সাথে জড়িত না।
কারণ জুলাই বিএনপির আন্দোলন হইলে কোটি কোটি মানুষ এই আন্দোলনে আসতই না।
১৭ বছরে এক দফা কি কম দিসে?
একটা মানুষ পাত্তা দিসে?
দেয় নাই।
মানুষ যাইয়া শুনলো নাহিদ ইসলাম নামের অপরিচিত, অরাজনৈতিক একটা ছেলের কথা।
৩ আগস্ট নাহিদ ইসলামের এক দফাতেই সরকারের নৈতিক পতন হয়ে যায়।
হাসিনা পরিবারের সবাই পালাতে শুরু করে ৩ তারিখ থেকেই।
আর ৪ আগস্ট আসিফ মাহমুদ ঢাকা দখলের ডাক দেন।
৫ আগস্ট মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢাকার রাজপথ দখলে নেয়।
শহীদ হয় দুইশরও বেশি মানুষ।
বিএনপি নেতাদের ডাকে যারা আসছিল, ওদের জন্য হাসিনাকে কোনদিন পালাইতে হয় নাই।
কারণ হাসিনা জানত, পুলিশের বাঁশি শুনলেই এরা পালাবে।
১৭ বছর তো তাই পালাইসে।
জুলাইয়ে কারা রাজপথে ছিল, সেটা ডকুমেন্টারিতে দেখানোর কিছু নাই।
মানুষ দেখেছে জুলাইয়ে কে লন্ডনে ছিল, কে শিলং এ ছিল আর কে ঢাকায় ছিল।
এই জেনারেশনের সাথে তামাশা করে লাভ নাই।
জুলাইয়ের নেতা কারা, জুলাইয়ের ইমাম কে, বাংলাদেশের একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায় যাইয়া ক্লাস ফাইভের বাচ্চাদের জিজ্ঞেস করেন, যান,
১০ সেকেন্ডে এই দেশের বাচ্চারা সাক্ষ্য দেবে নাহিদ, আসিফ, হাসনাত আর আখতারদের নাম।
জুলাইয়ের ইতিহাসে এই প্রজন্মের অন্তরে লেখা আছে।
দুই পয়সার ডকুমেন্টারি দিয়ে সেই লেখা মুছতে পারবেন না।
আপনাদের কর্মীরা হইলো ১০ মিনিটে সব রাইখা পালাইয়া যাওয়া বিড়ালের দল,
আর নাহিদের ডাকে যারা আসছিল, তাদের ব্যাপারে হাসিনার শুনতে হয়েছিল,
একটা গুলি করি। একটা মরে, ঐ একটাই যায় স্যার। বাকিডি যায় না।
গুলি করে যেই জেনারেশনের সাথে হাসিনা পারে নাই,
মিথ্যা ইতিহাস আর মিথ্যা ডকুমেন্টারি দিয়ে সেই জেনারেশনকে মুছে ফেলতে চাওয়ার দু:সাহস কেমনে হয় আপনাদের?
তারেক রহমানের ডাকে ১০ লাখ লোক ঢাকা আসলো।
পুলিশ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথে ১০ মিনিটে ১০ লাখ পালাইয়া গেল।
নেতা নাকি কর্মীরা আগে পালাইসিল, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।
আরও বড় প্রশ্ন, ১০ লাখ লোক কেমনে ১০ মিনিটে পালাইয়া যায়?
এরা এসেছিল ক্ষমতার জন্য।
একজন মানুষও তারেক রহমানের ডাকে মরতে রাজি হয় নাই।
একজনও না।
নেতাও না। কর্মীও না।
জুলাই আগস্টে মির্জা ফখরুলকে বারবার বলতে হইছে এই আন্দোলন আমাদের আন্দোলন না। আমরা এর সাথে জড়িত না।
কারণ জুলাই বিএনপির আন্দোলন হইলে কোটি কোটি মানুষ এই আন্দোলনে আসতই না।
১৭ বছরে এক দফা কি কম দিসে?
একটা মানুষ পাত্তা দিসে?
দেয় নাই।
মানুষ যাইয়া শুনলো নাহিদ ইসলাম নামের অপরিচিত, অরাজনৈতিক একটা ছেলের কথা।
৩ আগস্ট নাহিদ ইসলামের এক দফাতেই সরকারের নৈতিক পতন হয়ে যায়।
হাসিনা পরিবারের সবাই পালাতে শুরু করে ৩ তারিখ থেকেই।
আর ৪ আগস্ট আসিফ মাহমুদ ঢাকা দখলের ডাক দেন।
৫ আগস্ট মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢাকার রাজপথ দখলে নেয়।
শহীদ হয় দুইশরও বেশি মানুষ।
বিএনপি নেতাদের ডাকে যারা আসছিল, ওদের জন্য হাসিনাকে কোনদিন পালাইতে হয় নাই।
কারণ হাসিনা জানত, পুলিশের বাঁশি শুনলেই এরা পালাবে।
১৭ বছর তো তাই পালাইসে।
জুলাইয়ে কারা রাজপথে ছিল, সেটা ডকুমেন্টারিতে দেখানোর কিছু নাই।
মানুষ দেখেছে জুলাইয়ে কে লন্ডনে ছিল, কে শিলং এ ছিল আর কে ঢাকায় ছিল।
এই জেনারেশনের সাথে তামাশা করে লাভ নাই।
জুলাইয়ের নেতা কারা, জুলাইয়ের ইমাম কে, বাংলাদেশের একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায় যাইয়া ক্লাস ফাইভের বাচ্চাদের জিজ্ঞেস করেন, যান,
১০ সেকেন্ডে এই দেশের বাচ্চারা সাক্ষ্য দেবে নাহিদ, আসিফ, হাসনাত আর আখতারদের নাম।
জুলাইয়ের ইতিহাসে এই প্রজন্মের অন্তরে লেখা আছে।
দুই পয়সার ডকুমেন্টারি দিয়ে সেই লেখা মুছতে পারবেন না।
আপনাদের কর্মীরা হইলো ১০ মিনিটে সব রাইখা পালাইয়া যাওয়া বিড়ালের দল,
আর নাহিদের ডাকে যারা আসছিল, তাদের ব্যাপারে হাসিনার শুনতে হয়েছিল,
একটা গুলি করি। একটা মরে, ঐ একটাই যায় স্যার। বাকিডি যায় না।
গুলি করে যেই জেনারেশনের সাথে হাসিনা পারে নাই,
মিথ্যা ইতিহাস আর মিথ্যা ডকুমেন্টারি দিয়ে সেই জেনারেশনকে মুছে ফেলতে চাওয়ার দু:সাহস কেমনে হয় আপনাদের?
❤3👍1
গ্ৰন্থাগার
এক দফা ঘোষণা..... বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
এক দফা ঘোষণা করেছিলেন নাহিদ ইসলাম।
লংমার্চ ঘোষণা করে আসিফ মাহমুদ।
৯ দফার ঘোষণা করে আব্দুল কাদের।
আড়ালে আন্দোলন পরিচালনা - সাদিক কায়েম
আলোচিত পলাতক - শেক হাসিনা
আলোচিত বিপ্লবী সেনাপ্রধান- ওয়াকার উজ্জামান
আলোচিত বিপ্লবী টেলিভিশন - যমুনা টিভি
আলোচিত দেশ বিরুধী মিডিয়া - প্রথম আলো
জুলাইয়ের আলোচিত শহিদ আবু সাইদ।
আলোচিত শহিদ - মুগ্ধ ওয়াসিম শান্ত।
শরিফ উসমান হাদি শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিপ্লবী।
আলোচিত ছাত্রনেতারা হলেন - নাহিদ ইসলাম, আখতার হুসেন,হাসনাত আব্দুল্লাহ,সাদিক কায়েম,সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ,মাজফুজ আলম, হান্নান মাসুদ, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী,লুতফুর রহমান, বাকের মজুমদার, রাফি, হাসিব, মাহিন, আব্দুল কাদের,
শিবির - মঞ্জুরুল হাসান,জাহিদুল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন, এস এম ফরহাদ, সিবগাতুল্লাহ, আলি হাসান জুনায়েদ, রাফে সালমান রিফাত,
ছাত্রদল - রাকিবুল হাসান,নাসির,আবিদ
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন - শরিফুল ইসলাম রিয়াদ
মজলিস - বিলাল আহমদ চৌধুরী,
নারীনেত্রী - সামন্থা শারমিন,মুনীরা শারমিন,মাহমুদা মিতু,নুসরাত তাবাসুম,দিলশানা পারুল, ঝুমা,ইশরাত জাহান,
আলোচিত সাংবাদিক - পিনাকী,ইলিয়াস, কনক সরওয়ার, জুলকারনাইন সায়ের,মাহমুদুর রহমান, ফাহাম আব্দুস সালাম,শাহেদ আলম,
১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিদ্রোহী মিছিল চরমোনাই,
বিএনপি জামায়াত হেফাজত মজলিস জমিয়ত চরমোনাই সবার ঐক্যবদ্ধ সমর্থন।
লংমার্চ ঘোষণা করে আসিফ মাহমুদ।
৯ দফার ঘোষণা করে আব্দুল কাদের।
আড়ালে আন্দোলন পরিচালনা - সাদিক কায়েম
আলোচিত পলাতক - শেক হাসিনা
আলোচিত বিপ্লবী সেনাপ্রধান- ওয়াকার উজ্জামান
আলোচিত বিপ্লবী টেলিভিশন - যমুনা টিভি
আলোচিত দেশ বিরুধী মিডিয়া - প্রথম আলো
জুলাইয়ের আলোচিত শহিদ আবু সাইদ।
আলোচিত শহিদ - মুগ্ধ ওয়াসিম শান্ত।
শরিফ উসমান হাদি শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিপ্লবী।
আলোচিত ছাত্রনেতারা হলেন - নাহিদ ইসলাম, আখতার হুসেন,হাসনাত আব্দুল্লাহ,সাদিক কায়েম,সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ,মাজফুজ আলম, হান্নান মাসুদ, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী,লুতফুর রহমান, বাকের মজুমদার, রাফি, হাসিব, মাহিন, আব্দুল কাদের,
শিবির - মঞ্জুরুল হাসান,জাহিদুল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন, এস এম ফরহাদ, সিবগাতুল্লাহ, আলি হাসান জুনায়েদ, রাফে সালমান রিফাত,
ছাত্রদল - রাকিবুল হাসান,নাসির,আবিদ
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন - শরিফুল ইসলাম রিয়াদ
মজলিস - বিলাল আহমদ চৌধুরী,
নারীনেত্রী - সামন্থা শারমিন,মুনীরা শারমিন,মাহমুদা মিতু,নুসরাত তাবাসুম,দিলশানা পারুল, ঝুমা,ইশরাত জাহান,
আলোচিত সাংবাদিক - পিনাকী,ইলিয়াস, কনক সরওয়ার, জুলকারনাইন সায়ের,মাহমুদুর রহমান, ফাহাম আব্দুস সালাম,শাহেদ আলম,
১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিদ্রোহী মিছিল চরমোনাই,
বিএনপি জামায়াত হেফাজত মজলিস জমিয়ত চরমোনাই সবার ঐক্যবদ্ধ সমর্থন।
❤3🔥1
প্রিয় তরুণ প্রজন্ম,
আপনাদের ভবিষ্যৎ ও রুটি-রুজির সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখনই সোচ্চার হতে হবে।
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
আপনাদের ভবিষ্যৎ ও রুটি-রুজির সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখনই সোচ্চার হতে হবে।
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
গ্ৰন্থাগার
প্রিয় তরুণ প্রজন্ম, আপনাদের ভবিষ্যৎ ও রুটি-রুজির সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখনই সোচ্চার হতে হবে। বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
প্রিয় তরুণ প্রজন্ম,
আপনাদের ভবিষ্যৎ ও রুটি-রুজির সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখনই সোচ্চার হতে হবে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে NTRCA-এর মেধাভিত্তিক সুপারিশ ব্যবস্থা বহু তরুণের জন্য স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে চাকরিতে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ তৈরি করেছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের পর থেকে NTRCA শূন্য পদের বিপরীতে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগ সুপারিশ করে আসছে।
এখন যদি এই ব্যবস্থাকে দুর্বল করে আবার ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে সরাসরি নিয়োগের সুযোগ ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে তা হবে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের হুমকি।
কারণ ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অতীতের অভিজ্ঞতার কারণেই NTRCA-ভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছিল।
মনে রাখবেন—NTRCA শুধু একটি পরীক্ষা নয়; এটি হাজার হাজার তরুণের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকতায় প্রবেশের একটি দরজা।
যে তরুণ বছরের পর বছর পড়াশোনা করে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তার কাছে এই সুযোগটি হয়তো চাকরির শেষ আশ্রয়। তাই কোনোভাবেই এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়, যা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সুপারিশ, প্রভাব বা অর্থের সুযোগ বাড়িয়ে দেয়।
সরকারের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান-
NTRCA-ভিত্তিক মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করুন। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত করুন। কিন্তু এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন না, যাতে তরুণদের ন্যায্য চাকরির সুযোগ সংকুচিত হয়।
প্রিয় তরুণেরা, আপনাদের অধিকার আপনাদেরই রক্ষা করতে হবে। চুপ থাকবেন না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার হোন। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ চাই, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগবাণিজ্য নয়।
NTRCA বাঁচান, মেধাভিত্তিক নিয়োগ বাঁচান, তরুণদের ভবিষ্যৎ বাঁচান।
আপনাদের ভবিষ্যৎ ও রুটি-রুজির সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখনই সোচ্চার হতে হবে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে NTRCA-এর মেধাভিত্তিক সুপারিশ ব্যবস্থা বহু তরুণের জন্য স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে চাকরিতে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ তৈরি করেছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের পর থেকে NTRCA শূন্য পদের বিপরীতে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগ সুপারিশ করে আসছে।
এখন যদি এই ব্যবস্থাকে দুর্বল করে আবার ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে সরাসরি নিয়োগের সুযোগ ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে তা হবে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের হুমকি।
কারণ ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অতীতের অভিজ্ঞতার কারণেই NTRCA-ভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছিল।
মনে রাখবেন—NTRCA শুধু একটি পরীক্ষা নয়; এটি হাজার হাজার তরুণের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকতায় প্রবেশের একটি দরজা।
যে তরুণ বছরের পর বছর পড়াশোনা করে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তার কাছে এই সুযোগটি হয়তো চাকরির শেষ আশ্রয়। তাই কোনোভাবেই এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়, যা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সুপারিশ, প্রভাব বা অর্থের সুযোগ বাড়িয়ে দেয়।
সরকারের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান-
NTRCA-ভিত্তিক মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করুন। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত করুন। কিন্তু এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন না, যাতে তরুণদের ন্যায্য চাকরির সুযোগ সংকুচিত হয়।
প্রিয় তরুণেরা, আপনাদের অধিকার আপনাদেরই রক্ষা করতে হবে। চুপ থাকবেন না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার হোন। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ চাই, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগবাণিজ্য নয়।
NTRCA বাঁচান, মেধাভিত্তিক নিয়োগ বাঁচান, তরুণদের ভবিষ্যৎ বাঁচান।
❤1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে মুহূর্তেই সবকিছু মাটির নিচে। 🏔️⛰️
গ্ৰন্থাগার
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে মুহূর্তেই সবকিছু মাটির নিচে। 🏔️⛰️
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নেপালে এ যেনো কাল্পনিক কোনো সিনেমার দৃশ্য!
😢10
এই হচ্ছে নিউজ হাউজগুলোর বর্তমান অবস্থা।
যুবলীগকে নিয়ে নিউজ না করে করলে ফেক পরিচয় জামায়তকে নিয়ে। এদের কি করা উচিত?
নিউজের লিংক:
ফেসবুক পোস্টের লিংক:
পারলে কেউ একটু রিপোর্ট মেরে আসেন এদেরকে।
যুবলীগকে নিয়ে নিউজ না করে করলে ফেক পরিচয় জামায়তকে নিয়ে। এদের কি করা উচিত?
নিউজের লিংক:
https://www.bvnews24.com/crime/news/213483
ফেসবুক পোস্টের লিংক:
https://www.facebook.com/share/1D6RLE9ey9/
পারলে কেউ একটু রিপোর্ট মেরে আসেন এদেরকে।
🥱2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
তুরস্কের বিমানবাহিনীর জন্য তৈরি প্রথম HÜRJET যুদ্ধ প্রশিক্ষণ বিমান সফলভাবে প্রথম উড্ডয়ন সম্পন্ন করেছে।
এর মাধ্যমে প্রকল্পটি প্রোটোটাইপ পরীক্ষা থেকে উৎপাদন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
🔹 HÜRJET একটি সুপারসনিক উন্নত জেট প্রশিক্ষণ বিমান, যা পুরোনো T-38 ও F-5 বিমানের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
এটি সর্বোচ্চ Mach 1.4 গতিতে উড়তে এবং ৪৫,০০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম।
🔸 স্পেন ইতোমধ্যে ৩০টি HÜRJET কেনার চুক্তি করেছে। এটি তুরস্কের কোনো ন্যাটো সদস্য দেশে প্রথম জেট প্রশিক্ষণ বিমান রপ্তানি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
➡️ তুরস্কের বিমানবাহিনীতে প্রথম HÜRJET সরবরাহ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ এবং স্পেনে সরবরাহ ২০২৮ সালে শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
ভবিষ্যতে এর হালকা আক্রমণাত্মক ও নৌবাহিনী-উপযোগী সংস্করণও তৈরি করা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে প্রকল্পটি প্রোটোটাইপ পরীক্ষা থেকে উৎপাদন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
🔹 HÜRJET একটি সুপারসনিক উন্নত জেট প্রশিক্ষণ বিমান, যা পুরোনো T-38 ও F-5 বিমানের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
এটি সর্বোচ্চ Mach 1.4 গতিতে উড়তে এবং ৪৫,০০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম।
🔸 স্পেন ইতোমধ্যে ৩০টি HÜRJET কেনার চুক্তি করেছে। এটি তুরস্কের কোনো ন্যাটো সদস্য দেশে প্রথম জেট প্রশিক্ষণ বিমান রপ্তানি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
➡️ তুরস্কের বিমানবাহিনীতে প্রথম HÜRJET সরবরাহ ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ এবং স্পেনে সরবরাহ ২০২৮ সালে শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
ভবিষ্যতে এর হালকা আক্রমণাত্মক ও নৌবাহিনী-উপযোগী সংস্করণও তৈরি করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বড় লজিস্টিক সংকটে মার্কিন নৌবাহিনী।
➡️ মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে গুরুতর রসদ সরবরাহ সংকটে পড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। প্রায় ২০টি জাহাজে থাকা ২০ হাজার নাবিক ও মেরিনের জন্য প্রতি সপ্তাহে ৪ লাখ ২০ হাজারের বেশি খাবার এবং প্রায় ৮০ লাখ গ্যালন জ্বালানি সরবরাহ করতে হয়।
➡️ ইরান বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক ঘাঁটি ধ্বংস করার পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
একই সঙ্গে আশপাশের অন্যান্য বন্দরগুলোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সেগুলো ব্যবহার করা কঠিন হয়ে গেছে।
➡️ ফলে মার্কিন সরবরাহকারী জাহাজগুলোকে এখন বহরের কাছে ফিরে আসার আগে প্রায় ২,২০০ মাইল দূরে দিয়েগো গার্সিয়া পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে তাদের আরও দূরে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত যেতে হচ্ছে।
এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নৌবহরে নিয়মিত খাবার, জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় রসদ পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘ ও জটিল হয়ে পড়েছে।
সোর্স:New York Times
#USA #Iran #USNavy #MiddleEast
➡️ মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে গুরুতর রসদ সরবরাহ সংকটে পড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। প্রায় ২০টি জাহাজে থাকা ২০ হাজার নাবিক ও মেরিনের জন্য প্রতি সপ্তাহে ৪ লাখ ২০ হাজারের বেশি খাবার এবং প্রায় ৮০ লাখ গ্যালন জ্বালানি সরবরাহ করতে হয়।
➡️ ইরান বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক ঘাঁটি ধ্বংস করার পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
একই সঙ্গে আশপাশের অন্যান্য বন্দরগুলোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সেগুলো ব্যবহার করা কঠিন হয়ে গেছে।
➡️ ফলে মার্কিন সরবরাহকারী জাহাজগুলোকে এখন বহরের কাছে ফিরে আসার আগে প্রায় ২,২০০ মাইল দূরে দিয়েগো গার্সিয়া পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে তাদের আরও দূরে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত যেতে হচ্ছে।
এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নৌবহরে নিয়মিত খাবার, জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় রসদ পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘ ও জটিল হয়ে পড়েছে।
সোর্স:New York Times
#USA #Iran #USNavy #MiddleEast
❤2
তুরস্ক-গ্রিসের গোপন বৈঠক
➡️ তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন গত শুক্রবার গোপনে গ্রিসের রাজধানী এথেন্স সফর করেন।
সেখানে তিনি তার গ্রিক গোয়েন্দা প্রধান থেমিস্তোক্লিস দেমিরিসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকটি দুই দেশের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
কয়েক দিন পর গ্রিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে বৈঠকের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
➡️ গ্রিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, সিরিয়া, লিবিয়া এবং তুরস্ক-ইসরায়েল উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
➡️ বৈঠকে উভয় পক্ষই এজিয়ান সাগরে উত্তেজনা ও সংঘাত এড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে গ্রিক সূত্র।
#Türkiye #Greece #AegeanSea #EasternMediterranean
➡️ তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন গত শুক্রবার গোপনে গ্রিসের রাজধানী এথেন্স সফর করেন।
সেখানে তিনি তার গ্রিক গোয়েন্দা প্রধান থেমিস্তোক্লিস দেমিরিসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকটি দুই দেশের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
কয়েক দিন পর গ্রিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে বৈঠকের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
➡️ গ্রিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, সিরিয়া, লিবিয়া এবং তুরস্ক-ইসরায়েল উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
➡️ বৈঠকে উভয় পক্ষই এজিয়ান সাগরে উত্তেজনা ও সংঘাত এড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে গ্রিক সূত্র।
#Türkiye #Greece #AegeanSea #EasternMediterranean
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
তুরস্কের আকিনজি ড্রোন দিয়ে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
এসময় এটি একটি স্থির সাঁজোয়া লক্ষ্যবস্তুতে এবং রিমোট-নিয়ন্ত্রিত চলন্ত যানবাহনে হামলা চালায়।
পরীক্ষায় উভয় লক্ষ্যবস্তুতেই নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয় আকিনজি।
এসময় এটি একটি স্থির সাঁজোয়া লক্ষ্যবস্তুতে এবং রিমোট-নিয়ন্ত্রিত চলন্ত যানবাহনে হামলা চালায়।
পরীক্ষায় উভয় লক্ষ্যবস্তুতেই নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয় আকিনজি।
❤2
ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা SBU-এর কেন্দ্রীয় ভবনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
দামেস্কের একটি প্রদর্শনীতে সিরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুসাব নাজ্জাল আল-আলি একটি পিস্তল দিয়ে নিশানায় গুলি করছেন।
#BREAKING ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর উত্তর জর্ডানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়।