গ্ৰন্থাগার
❝আহমাদ আল-শারার অবাধ্যতার ইতিহাস❞ বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
❝আহমাদ আল-শারার অবাধ্যতার ইতিহাস❞
একসময় ছিলেন বোমারু হাফি!
হেদায়েত পাওয়ার পর তাঁর দুর্দান্ত নেতৃত্বে ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ (HTS) স্বৈরাচার বাশার আসাদকে দেশত্যাগে বাধ্য করল।
আল্লাহর প্রদর্শিত মধ্যমপন্থা অবলম্বনে সিরিয়ার ভঙ্গুর কঙ্কাল ফিরে পেলো রুহ!
বিপ্লবের পর যখন উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলে 'সাদাকালা পতাকার ডিলার' গংদের উৎপাত বাড়ল, শারা অ্যাকশনে নামলেন।
বিচ্ছিন্নতাবাদী, খা রে জি আর স ন্ত্রা সী এজেন্ডা তিনি মাটির নিচে পুঁতে দিলেন।
পাহাড়ি কুর্দিদের ঠান্ডা করে দিলেন চুক্তির মাধ্যমে।
হাফি গংরা যখন এখন গুহায় বসে ফতোয়া দিচ্ছে,
শারা এদিকে সিরিয়াকে তাগুতী ভোটের লাইনে দাঁড় করিয়ে দিছেন।
অলরেডি ২১০টি আসনে তাগুতি নির্বাচন সফলভাবে শেষ হয়েছে।
বাকি ৭০টি আসনে যোগ্যদের নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্র গোছানোর কাজ চলতেছে।
প্রথম সংসদীয় গ্যঞ্জাম [অধিবেশন] হলো বলে__
মধ্যমপন্থী ও জাতীয়তাবাদী মডেলে সিরিয়াকে ঢেলে সাজালেন নিষেধাজ্ঞা নাই_ গ্যঞ্জাম নাই_ মরুর বালিকণার অবাধ্য ছুটাছুটি বন্ধ হইলো কিছু!?
যারা ভাবছিল সিরিয়া আবার গুহা-সভ্যতায় ফিরবে, তারা এখন নিজেরাই গুহা থেকে ফতোয়া আপলোড দিচ্ছে।
ওয়েট কর্তেছি__মেইনস্ট্রিম হাফিরা কবে ১০ ইঞ্চি কলামে নতুন সিরিজ শুরু করবে—
❝আহমাদ আল-শারার অবাধ্যতার ইতিহাস❞
"প্রথম পর্ব: শিবির ফেরকায় ভ্রষ্ট সিরিয়া!"
একসময় ছিলেন বোমারু হাফি!
হেদায়েত পাওয়ার পর তাঁর দুর্দান্ত নেতৃত্বে ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ (HTS) স্বৈরাচার বাশার আসাদকে দেশত্যাগে বাধ্য করল।
আল্লাহর প্রদর্শিত মধ্যমপন্থা অবলম্বনে সিরিয়ার ভঙ্গুর কঙ্কাল ফিরে পেলো রুহ!
বিপ্লবের পর যখন উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলে 'সাদাকালা পতাকার ডিলার' গংদের উৎপাত বাড়ল, শারা অ্যাকশনে নামলেন।
বিচ্ছিন্নতাবাদী, খা রে জি আর স ন্ত্রা সী এজেন্ডা তিনি মাটির নিচে পুঁতে দিলেন।
পাহাড়ি কুর্দিদের ঠান্ডা করে দিলেন চুক্তির মাধ্যমে।
হাফি গংরা যখন এখন গুহায় বসে ফতোয়া দিচ্ছে,
শারা এদিকে সিরিয়াকে তাগুতী ভোটের লাইনে দাঁড় করিয়ে দিছেন।
অলরেডি ২১০টি আসনে তাগুতি নির্বাচন সফলভাবে শেষ হয়েছে।
বাকি ৭০টি আসনে যোগ্যদের নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্র গোছানোর কাজ চলতেছে।
প্রথম সংসদীয় গ্যঞ্জাম [অধিবেশন] হলো বলে__
মধ্যমপন্থী ও জাতীয়তাবাদী মডেলে সিরিয়াকে ঢেলে সাজালেন নিষেধাজ্ঞা নাই_ গ্যঞ্জাম নাই_ মরুর বালিকণার অবাধ্য ছুটাছুটি বন্ধ হইলো কিছু!?
যারা ভাবছিল সিরিয়া আবার গুহা-সভ্যতায় ফিরবে, তারা এখন নিজেরাই গুহা থেকে ফতোয়া আপলোড দিচ্ছে।
ওয়েট কর্তেছি__মেইনস্ট্রিম হাফিরা কবে ১০ ইঞ্চি কলামে নতুন সিরিজ শুরু করবে—
❝আহমাদ আল-শারার অবাধ্যতার ইতিহাস❞
"প্রথম পর্ব: শিবির ফেরকায় ভ্রষ্ট সিরিয়া!"
যন্ত্র ছাড়া শাওন খালার
জুলাই CDr মন্ত্রণা,
শেখ হাসিনা CDte এসে
বুঝেছে কি যন্ত্রণা।
জুলাই মানে টাগড়া যুবক
তিন ইঞ্চির হাউন না,
৭ মিনিটে ছাত্রলীগের
মতো যন্ত্র ডাউন না।
ব্যাশ্যা শাওন শেখ হাসিনা
যদি জুলাই CDte চাস,
আমরা জুলাই যোদ্ধারা সব
রাইখা দিছি আস্ত বাঁশ।
লেখক- ইমরোজ আহসান খান
জুলাই CDr মন্ত্রণা,
শেখ হাসিনা CDte এসে
বুঝেছে কি যন্ত্রণা।
জুলাই মানে টাগড়া যুবক
তিন ইঞ্চির হাউন না,
৭ মিনিটে ছাত্রলীগের
মতো যন্ত্র ডাউন না।
ব্যাশ্যা শাওন শেখ হাসিনা
যদি জুলাই CDte চাস,
আমরা জুলাই যোদ্ধারা সব
রাইখা দিছি আস্ত বাঁশ।
লেখক- ইমরোজ আহসান খান
প্লিজ কেউ সুশীল সেজে ডিলিট করতে বলবেন না।
জুলাই আপনাদের সুশীলতার মাধ্যমে আসেনি।
❤13🔥4😁1
জুলাইয়ে কত বক্তব্যই না মানুষের বিবেকে হিট করছে, ইন্সপায়ার করছে, গুজবাম্প দিছে!
এই ছেলের নাম আমি জানি না। বাট অভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে তার একটা কথা আমি বারবার শুনতাম। রিপিট করে শুনতাম।
বিপ্লবী ভাষায় কথা বলতে বলতে হঠাৎ যেন আধ্যাত্মিক লেভেলে চইলা গেল ছেলেটা....
বললো, 'মানুষ মাঝে মাঝে এমন পর্যায়ে চলে যায় যে খোদা তাআলা তাকে হেদায়েত দেওয়া বন্ধ করে দেয়।'
'আপনি ভাই প্লিজ ভীত হন। এই পর্যায়ে যাইয়েন না যেখানে আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দেওয়া বন্ধ করে দিবে।'
সেই হেদায়েত বন্ধ হইয়া যাওয়ার পরিণতি এখনো ভোগ করতেছে লীগ, হাসিনা!
সো, মানুষের পিছে লাইগেন না। মানুষরে ছোট মনে কইরেন না। ভীত হন। এমন আছে আপনি যারে, যাদের ছোট মনে করতেছেন-তাদের এক তুড়িতে ১২ না ২৪টা বাইজা যাইতে পারে আপনার।
ভীত হন ভাই ভীত হন, বি কেয়ারফুল....
এই ছেলের নাম আমি জানি না। বাট অভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে তার একটা কথা আমি বারবার শুনতাম। রিপিট করে শুনতাম।
বিপ্লবী ভাষায় কথা বলতে বলতে হঠাৎ যেন আধ্যাত্মিক লেভেলে চইলা গেল ছেলেটা....
বললো, 'মানুষ মাঝে মাঝে এমন পর্যায়ে চলে যায় যে খোদা তাআলা তাকে হেদায়েত দেওয়া বন্ধ করে দেয়।'
'আপনি ভাই প্লিজ ভীত হন। এই পর্যায়ে যাইয়েন না যেখানে আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দেওয়া বন্ধ করে দিবে।'
সেই হেদায়েত বন্ধ হইয়া যাওয়ার পরিণতি এখনো ভোগ করতেছে লীগ, হাসিনা!
সো, মানুষের পিছে লাইগেন না। মানুষরে ছোট মনে কইরেন না। ভীত হন। এমন আছে আপনি যারে, যাদের ছোট মনে করতেছেন-তাদের এক তুড়িতে ১২ না ২৪টা বাইজা যাইতে পারে আপনার।
ভীত হন ভাই ভীত হন, বি কেয়ারফুল....
❤9👍1
দুই বছর আগের র'ক্তাক্ত জুলাই মাসের কথাঃ
(Nadima Jahan এর লেখা এবং ছবি।)
'১৯ জুলাই জুমার খুতবা চলাকালে পুলিশ যখন গু*লি চালাচ্ছিল, এই ছেলেটা সামনে এগিয়ে যায় কথা বলতে, যাতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও সং*ঘর্ষ বন্ধ থাকে।
পুলিশ সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসিমাখা ছেলেটার সামনে এসেই তারা কোমরে ব*ন্দুক ঠেকিয়ে সবার সামনে গু*লি করে দেয়। খুব সম্ভবত পে'টের ডানপাশ থেকে নাড়ি-ভুঁড়ি বে'র হয়ে আসলে সে নিজের এক হাত দিয়ে তা চেপে ধরে ওখানেই পড়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছেলেটার নাম রাতুল, নওয়াব হাবিবুল্লাহর ছাত্র।
ঘা*তক পুলিশের ছবির বাঁয়ে সংযুক্ত। (পরিচয় পেলে কমেন্টে দেয়ার অনুরোধ রইল)
গু*লি চলার পড়ে মসজিদের মিম্বর থেকে খুতবায় ইমাম সাহেবের ঘোষণা আসে, যারা বাইরে গু*লি চালাচ্ছে, তাদের জন্য আমি জাহান্নামের সুসংবাদ দিচ্ছি। '
(Nadima Jahan এর লেখা এবং ছবি।)
'১৯ জুলাই জুমার খুতবা চলাকালে পুলিশ যখন গু*লি চালাচ্ছিল, এই ছেলেটা সামনে এগিয়ে যায় কথা বলতে, যাতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও সং*ঘর্ষ বন্ধ থাকে।
পুলিশ সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসিমাখা ছেলেটার সামনে এসেই তারা কোমরে ব*ন্দুক ঠেকিয়ে সবার সামনে গু*লি করে দেয়। খুব সম্ভবত পে'টের ডানপাশ থেকে নাড়ি-ভুঁড়ি বে'র হয়ে আসলে সে নিজের এক হাত দিয়ে তা চেপে ধরে ওখানেই পড়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছেলেটার নাম রাতুল, নওয়াব হাবিবুল্লাহর ছাত্র।
ঘা*তক পুলিশের ছবির বাঁয়ে সংযুক্ত। (পরিচয় পেলে কমেন্টে দেয়ার অনুরোধ রইল)
গু*লি চলার পড়ে মসজিদের মিম্বর থেকে খুতবায় ইমাম সাহেবের ঘোষণা আসে, যারা বাইরে গু*লি চালাচ্ছে, তাদের জন্য আমি জাহান্নামের সুসংবাদ দিচ্ছি। '
😢10❤3🤯1
Amar Desh 20-05-2026 Daily_ePapers_BD.pdf
20.9 MB
🔴 মে ২০, ২০২৬ এ "আমার দেশ" পত্রিকার ই-পেপারের হাই কোয়ালিটি pdf
আমাদের সহায়তা করতে Analysis By Abid Hasan ইউটিউব চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করার অনুরোধ রইল। সবাই সাবসক্রাইব করলে আমারা ইনশাআল্লাহ সফল হবোই। ধন্যবাদ সবাইকে
Subscribe YouTube Channel 🔻
আমাদের ডকুমেন্টারিসমূহঃ
রিএকশন চাই 🔻
আমাদের সহায়তা করতে Analysis By Abid Hasan ইউটিউব চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করার অনুরোধ রইল। সবাই সাবসক্রাইব করলে আমারা ইনশাআল্লাহ সফল হবোই। ধন্যবাদ সবাইকে
Subscribe YouTube Channel 🔻
Analysis By Abid Hasan
আমাদের ডকুমেন্টারিসমূহঃ
শয়তানের শহর! 'The City of Evil' Documentary
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ
ইব্রাহিম ত্রাউরের যে বক্তব্য পশ্চিমাদের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছে
দ্য কুড়িগ্রাম ফাইলস
আফ্রিকায় রাশিয়া তুরস্ক in ফ্রান্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র OUT
অবৈধ রাষ্ট্র ও ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বের ইতিহাস
৭ থেকে ১৭ অক্টোবর কি ঘটেছিল?
What is NATO প্ল্যান?
হত্যার নেশায় মাতাল এক গোয়েন্দা সংস্থার গল্প
দ্য ব্লাক চ্যাপ্টার অব বুয়েট
চীন না কি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতি কার নিয়ন্ত্রণে?
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: কার কত লাভ
Amar Desh 21-05-2026 Daily_ePapers_BD.pdf
19.3 MB
🔴 মে ২১, ২০২৬ এ "আমার দেশ" পত্রিকার ই-পেপারের হাই কোয়ালিটি pdf
আমাদের সহায়তা করতে Analysis By Abid Hasan ইউটিউব চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করার অনুরোধ রইল। সবাই সাবসক্রাইব করলে আমারা ইনশাআল্লাহ সফল হবোই। ধন্যবাদ সবাইকে
Subscribe YouTube Channel 🔻
আমাদের ডকুমেন্টারিসমূহঃ
রিএকশন চাই 🔻
আমাদের সহায়তা করতে Analysis By Abid Hasan ইউটিউব চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করার অনুরোধ রইল। সবাই সাবসক্রাইব করলে আমারা ইনশাআল্লাহ সফল হবোই। ধন্যবাদ সবাইকে
Subscribe YouTube Channel 🔻
Analysis By Abid Hasan
আমাদের ডকুমেন্টারিসমূহঃ
শয়তানের শহর! 'The City of Evil' Documentary
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ
ইব্রাহিম ত্রাউরের যে বক্তব্য পশ্চিমাদের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছে
দ্য কুড়িগ্রাম ফাইলস
আফ্রিকায় রাশিয়া তুরস্ক in ফ্রান্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র OUT
অবৈধ রাষ্ট্র ও ফিলিস্তিন দ্বন্দ্বের ইতিহাস
৭ থেকে ১৭ অক্টোবর কি ঘটেছিল?
What is NATO প্ল্যান?
হত্যার নেশায় মাতাল এক গোয়েন্দা সংস্থার গল্প
দ্য ব্লাক চ্যাপ্টার অব বুয়েট
চীন না কি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতি কার নিয়ন্ত্রণে?
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: কার কত লাভ
এইচএসসি পরীক্ষার্থী একটা মেয়ের ভিডিও দেখলাম, এক ঘণ্টা পর তার পরীক্ষা, কিন্তু বৃষ্টির জন্য ঘর থেকেই বের হতে পারছে না। প্রচণ্ড রাগে কাঁপছে আর ক্ষোভ থেকে বলছে:
"এমন একটা বালের শিক্ষামন্ত্রী হইছে এবার, খোদার কসম কেটে বলতেছি, আমি তাকে অনেক শ্রদ্ধা করতাম, কিন্তু আর করি না। এই লোক আমাদের জীবন নিয়ে খেলতেছে।"
আমার মনে হয় লাখ লাখ শিক্ষার্থীরই মনের কথা এটা।
বিদেশ থেকে বড় বড় ডিগ্রী নিয়ে আসলেই যে যোগ্য মন্ত্রী আর প্রতিমন্ত্রী হওয়া যায় না, সেটাই প্রমাণ করল দেশের বাস্তবতার সাথে না মেশা, জনগণের দুঃখ-দুর্দশা অনুভব না করা মন্ত্রী আর প্রতিমন্ত্রী।
এই মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। সভ্য কোনো দেশ হলে ব্যর্থতার দায়ভার মাথায় নিয়ে তারা নিজেরাই পদত্যাগ করত।
"এমন একটা বালের শিক্ষামন্ত্রী হইছে এবার, খোদার কসম কেটে বলতেছি, আমি তাকে অনেক শ্রদ্ধা করতাম, কিন্তু আর করি না। এই লোক আমাদের জীবন নিয়ে খেলতেছে।"
আমার মনে হয় লাখ লাখ শিক্ষার্থীরই মনের কথা এটা।
বিদেশ থেকে বড় বড় ডিগ্রী নিয়ে আসলেই যে যোগ্য মন্ত্রী আর প্রতিমন্ত্রী হওয়া যায় না, সেটাই প্রমাণ করল দেশের বাস্তবতার সাথে না মেশা, জনগণের দুঃখ-দুর্দশা অনুভব না করা মন্ত্রী আর প্রতিমন্ত্রী।
এই মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। সভ্য কোনো দেশ হলে ব্যর্থতার দায়ভার মাথায় নিয়ে তারা নিজেরাই পদত্যাগ করত।
❤3😢3
1784046280075.jpg
481.4 KB
মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশের এই ঘটনা একটি দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো। হাজার হাজার মানুষ খু*ন করেও আওয়ামী লীগের কোনো মন্ত্রীর মুখে ন্যুনতম অনুশোচনা শোনা যায়নি।
এই ঘটনা আবারো জানান দিলো - জনতাই ম্যান্ডেট। এমপি হোক বা মন্ত্রী, জনগণ'ই তার ক্ষমতার উৎস।
ধন্যবাদ শিক্ষামন্ত্রীকে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক সকল দাবি মেনে নেওয়ার অনুরোধ!
#JRA
এই ঘটনা আবারো জানান দিলো - জনতাই ম্যান্ডেট। এমপি হোক বা মন্ত্রী, জনগণ'ই তার ক্ষমতার উৎস।
ধন্যবাদ শিক্ষামন্ত্রীকে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক সকল দাবি মেনে নেওয়ার অনুরোধ!
#JRA
এই ছেলেটি প্রকৃত সত্য তুলে ধরেছেন-
আমরা সরকারের পতন চাই না। আমরা এখানে যারা স্টুডেন্ট আছি, আমরা কেউ সরকারের পতন চাই না কারণ সরকার আমাদের সাথে খারাপ কোনো ব্যবহার করে নাই। সরকারটা আসছে মাত্র চার-পাঁচ মাস হয়েছে।"
আমরা শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাচ্ছি কারণ উনি আমাদের ওপর যে প্রেসারটা ক্রিয়েট করতেছে, এভাবে নেওয়া যায় না। উনি চার মাস হয়ে আসছে, উনি যে বলেছে যে একটা সব ভুয়া, বড় পলিটিক্যাল পার্টি আমাদের ওপর থেকে যাতে প্রভাব দিতে না পারে ওটা আমরা মাথায় রাখব।
আমরা শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই, এটা একমাত্র দাবি। আর উনার পদত্যাগ কেন চাই? বিকজ দে আর ট্রাইং টু ইউজ আস অ্যাজ আ পলিটিক্যাল স্টেটমেন্ট! ওরা চায় এই বছর রেজাল্ট অনেক খারাপ করাবে, পরের বছর আরেকটু ভালো করাবে।
এটার কারণ কি জানেন? এটার কারণ ওরা বলতে চায় যে, আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষাব্যবস্থা খারাপ ছিল, চার বছরে আমরা শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করছি, তাই এখন আমাদেরকে ভোট দেন।
দে আর ট্রাইং টু ইউজ স্ট্যাটিস্টিকস অ্যাজ আ পলিটিক্যাল স্টেটমেন্ট। আমরা স্ট্যাটিস্টিকস না, আমরা স্টুডেন্ট, আমরা হিউম্যানস! তাই এসব স্ট্যাটিস্টিকস কোনোভাবেই ইউজ করা যাবে না।
#stepdownmilon
আমরা সরকারের পতন চাই না। আমরা এখানে যারা স্টুডেন্ট আছি, আমরা কেউ সরকারের পতন চাই না কারণ সরকার আমাদের সাথে খারাপ কোনো ব্যবহার করে নাই। সরকারটা আসছে মাত্র চার-পাঁচ মাস হয়েছে।"
আমরা শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাচ্ছি কারণ উনি আমাদের ওপর যে প্রেসারটা ক্রিয়েট করতেছে, এভাবে নেওয়া যায় না। উনি চার মাস হয়ে আসছে, উনি যে বলেছে যে একটা সব ভুয়া, বড় পলিটিক্যাল পার্টি আমাদের ওপর থেকে যাতে প্রভাব দিতে না পারে ওটা আমরা মাথায় রাখব।
আমরা শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই, এটা একমাত্র দাবি। আর উনার পদত্যাগ কেন চাই? বিকজ দে আর ট্রাইং টু ইউজ আস অ্যাজ আ পলিটিক্যাল স্টেটমেন্ট! ওরা চায় এই বছর রেজাল্ট অনেক খারাপ করাবে, পরের বছর আরেকটু ভালো করাবে।
এটার কারণ কি জানেন? এটার কারণ ওরা বলতে চায় যে, আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষাব্যবস্থা খারাপ ছিল, চার বছরে আমরা শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করছি, তাই এখন আমাদেরকে ভোট দেন।
দে আর ট্রাইং টু ইউজ স্ট্যাটিস্টিকস অ্যাজ আ পলিটিক্যাল স্টেটমেন্ট। আমরা স্ট্যাটিস্টিকস না, আমরা স্টুডেন্ট, আমরা হিউম্যানস! তাই এসব স্ট্যাটিস্টিকস কোনোভাবেই ইউজ করা যাবে না।
#stepdownmilon
❤6👍4🔥1
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ইসরায়েলের উৎসাহ চোখে পড়ার মত।
সব ইসরায়েলিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে আর্জেন্টিনাকে সাপোর্ট করার জন্য। সমস্ত ইসরায়েলির তরফ থেকে ওপেন সাপোর্ট দিয়েছে নেতানিয়াহুও!
কারণটা স্রেফ ফুটবল নয়।
গাজা গণহত্যায় আমেরিকা থেকে আসা ইসরায়েলি অস্ত্রের জাহাজ ভিড়তে দেয়নি আগামীকালের প্রতিপক্ষ স্পেন।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসণেও ঘাঁটি ব্যবহার না করতে দেয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে স্পেন!
হয়তো তাই ইসরায়েলের এই বার্তা।
সৌজন্যে : কট্টর ইসরায়েলি মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও ইতামার বেন গাভির।
সব ইসরায়েলিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে আর্জেন্টিনাকে সাপোর্ট করার জন্য। সমস্ত ইসরায়েলির তরফ থেকে ওপেন সাপোর্ট দিয়েছে নেতানিয়াহুও!
কারণটা স্রেফ ফুটবল নয়।
গাজা গণহত্যায় আমেরিকা থেকে আসা ইসরায়েলি অস্ত্রের জাহাজ ভিড়তে দেয়নি আগামীকালের প্রতিপক্ষ স্পেন।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসণেও ঘাঁটি ব্যবহার না করতে দেয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে স্পেন!
হয়তো তাই ইসরায়েলের এই বার্তা।
ভামোস আরগেনতিনা
সৌজন্যে : কট্টর ইসরায়েলি মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও ইতামার বেন গাভির।
‼️ মধ্যপ্রাচ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় আরও ২ মার্কিন সেনা নিহতের খবর স্বীকার করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। এ নিয়ে দুদিনে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৪ জনে দাঁড়াল।
♦️ সেন্টকমের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে একজন জর্ডানে দুদিন আগের হামলায় নিখোঁজ হওয়া মার্কিন সেনা। অন্যজন গতকাল উত্তর ইরাকে ভূপাতিত হওয়া একটি ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে প্রাণ হারায়।
♦️ এই দুই সেনা নিহতের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা গুরুতর আহত হয়েছে বলেও অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
সূত্র : মিডল ইস্ট স্পেক্টেটর
#USA #Iraq #Jordan #CENTCOM #Military #MiddleEast
♦️ সেন্টকমের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে একজন জর্ডানে দুদিন আগের হামলায় নিখোঁজ হওয়া মার্কিন সেনা। অন্যজন গতকাল উত্তর ইরাকে ভূপাতিত হওয়া একটি ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে প্রাণ হারায়।
♦️ এই দুই সেনা নিহতের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা গুরুতর আহত হয়েছে বলেও অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
সূত্র : মিডল ইস্ট স্পেক্টেটর
#USA #Iraq #Jordan #CENTCOM #Military #MiddleEast
❤1
‼️ কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের আইআরজিসি।
♦️ এই হামলায় একটি আগাম সতর্কীকরণ রাডার, বিমান চলাচলের সরঞ্জাম, যন্ত্রাংশের গুদাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯এ রিপার ড্রোনের হ্যাঙ্গার ধ্বংসের দাবি করেছে বাহিনীটি।
সূত্র : আইআরজিসি
#Iran #Kuwait #USA #IRGC #Military #MiddleEast
♦️ এই হামলায় একটি আগাম সতর্কীকরণ রাডার, বিমান চলাচলের সরঞ্জাম, যন্ত্রাংশের গুদাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯এ রিপার ড্রোনের হ্যাঙ্গার ধ্বংসের দাবি করেছে বাহিনীটি।
সূত্র : আইআরজিসি
#Iran #Kuwait #USA #IRGC #Military #MiddleEast
❤2
পুলিশদের সম্বোধন করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলল, আপনারা যদি রাজনীতি করেন, একদম ব্যানার খুলে রাজনীতি করেন, বিএনপি করেন।
পুলিশও হবেন, আবার দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন, এটা হতে পারে না।
পুলিশ বলল, "স্যার, আমরা ডিউটি করতে এসেছি।"
হাসনাত আবদুল্লাহ বলল, "নিরাপত্তায় থ্রেট কারা? কারা নিরাপত্তার থ্রেট? আপনি তাদেরকে না ধরে আমাদের রাস্তায় আটকাচ্ছেন।
আপনি হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা দিছেন, শ্রীমঙ্গলে রাস্তা আটকাচ্ছেন। আপনি আইনের লোক, আপনি বলেন, কোন আইনে আপনি আমাকে এখানে বাধা দিচ্ছেন?"
পুলিশ বলল, "স্যার, আমরা বুঝতেছি, আপনারা আমাদের সীমানা পার হলে স্যার আপনাদের হয়তো বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হতে পারে..."
হাসনাত বলল, "আপনি যদি পারেন সিকিউরিটি দিবেন, আর যদি না পারেন, তাহলে আমরা আমাদের দায়িত্ব নিয়ে আমরা চলে যাব।"
পুলিশ বলল, "না স্যার, আমরা জেনে-শুনে আপনাদেরকে স্যার আগুনে ফেলে দিতে পারি না ..."
যাওয়ার সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলল, "এই রকম আগুন আমরা দুই বছর আগেই পার করে এসেছি।"
অনেক দিন হাসনাত আবদুল্লাহকে ময়দানে নামতে দেখলাম মনে হচ্ছে, নেমেই মাঠ গরম করে ফেলছে।
পুলিশও হবেন, আবার দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন, এটা হতে পারে না।
পুলিশ বলল, "স্যার, আমরা ডিউটি করতে এসেছি।"
হাসনাত আবদুল্লাহ বলল, "নিরাপত্তায় থ্রেট কারা? কারা নিরাপত্তার থ্রেট? আপনি তাদেরকে না ধরে আমাদের রাস্তায় আটকাচ্ছেন।
আপনি হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা দিছেন, শ্রীমঙ্গলে রাস্তা আটকাচ্ছেন। আপনি আইনের লোক, আপনি বলেন, কোন আইনে আপনি আমাকে এখানে বাধা দিচ্ছেন?"
পুলিশ বলল, "স্যার, আমরা বুঝতেছি, আপনারা আমাদের সীমানা পার হলে স্যার আপনাদের হয়তো বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হতে পারে..."
হাসনাত বলল, "আপনি যদি পারেন সিকিউরিটি দিবেন, আর যদি না পারেন, তাহলে আমরা আমাদের দায়িত্ব নিয়ে আমরা চলে যাব।"
পুলিশ বলল, "না স্যার, আমরা জেনে-শুনে আপনাদেরকে স্যার আগুনে ফেলে দিতে পারি না ..."
যাওয়ার সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলল, "এই রকম আগুন আমরা দুই বছর আগেই পার করে এসেছি।"
অনেক দিন হাসনাত আবদুল্লাহকে ময়দানে নামতে দেখলাম মনে হচ্ছে, নেমেই মাঠ গরম করে ফেলছে।
❤19
ডেইলি ওয়াদার রিপোর্ট - সালমান এফ রহমান কীভাবে হাসিনার ভারতে পলায়নের ফ্লাইট মিস করল?
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
গ্ৰন্থাগার
ডেইলি ওয়াদার রিপোর্ট - সালমান এফ রহমান কীভাবে হাসিনার ভারতে পলায়নের ফ্লাইট মিস করল? বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
ডেইলি ওয়াদার রিপোর্ট - সালমান এফ রহমান কীভাবে হাসিনার ভারতে পলায়নের ফ্লাইট মিস করল?
সালমান এফ রহমান ছিল হাসিনাদের দুই বোনের সবচেয়ে কাছের, সবচেয়ে আস্থাভাজনদের মধ্যে একজন। দুই বোন অনেক চেষ্টা করেছিল সালমানকে সাথে নিয়ে পালানোর জন্য। রেহানা একাধিকবার সালমানকে কলও দিয়েছিল।
কিন্তু তারপরেও সালমান সময়মতো তেজগাঁও পুরাতন এয়ারপোর্টে পৌঁছতে পারেনি। সে দেরি করে ফেলেছিল। ফলে তার জন্য অপেক্ষা না করেই হাসিনা এবং রেহানাকে উড়াল দিতে হয়।
সালমান কেন এয়ারপোর্টে পৌঁছতে পারেনি?
ডেইলি ওয়াদা জানাচ্ছে, সরকারকে রক্ষা করার সর্বশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে সালমান তখন পশ্চিমা একটা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রতিনিধির সাথে জরুরী বৈঠক করছিল। ঐ বৈঠক শেষ করতে গিয়েই সে দেরি করে ফেলে।
সো বেসিক্যালি, সামারিটা হচ্ছে: হাসিনার নৌকা যখন ডুবে যাচ্ছিল, দরবেশ তখন উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে তাকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসছিল। কিন্তু সে পৌঁছার আগেই হাসিনা তার ফুটা নৌকা ফেলে হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যায়।
আর দরবেশ তার উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে মাঝ নদীতে ডুবতে শুরু করে। ওজন কমানোর জন্য সে তার সাধের দাড়িও কামিয়ে ফেলে। কিন্তু তারপরেও শেষপর্যন্ত সে কোস্টগার্ডের হাতে ধরা পড়ে।
মোরাল: দরবেশ চাচা, আপন প্রাণ বাঁচা। আপনি বাঁচলে বাপের নাম।
সালমান এফ রহমান ছিল হাসিনাদের দুই বোনের সবচেয়ে কাছের, সবচেয়ে আস্থাভাজনদের মধ্যে একজন। দুই বোন অনেক চেষ্টা করেছিল সালমানকে সাথে নিয়ে পালানোর জন্য। রেহানা একাধিকবার সালমানকে কলও দিয়েছিল।
কিন্তু তারপরেও সালমান সময়মতো তেজগাঁও পুরাতন এয়ারপোর্টে পৌঁছতে পারেনি। সে দেরি করে ফেলেছিল। ফলে তার জন্য অপেক্ষা না করেই হাসিনা এবং রেহানাকে উড়াল দিতে হয়।
সালমান কেন এয়ারপোর্টে পৌঁছতে পারেনি?
ডেইলি ওয়াদা জানাচ্ছে, সরকারকে রক্ষা করার সর্বশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে সালমান তখন পশ্চিমা একটা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রতিনিধির সাথে জরুরী বৈঠক করছিল। ঐ বৈঠক শেষ করতে গিয়েই সে দেরি করে ফেলে।
সো বেসিক্যালি, সামারিটা হচ্ছে: হাসিনার নৌকা যখন ডুবে যাচ্ছিল, দরবেশ তখন উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে তাকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসছিল। কিন্তু সে পৌঁছার আগেই হাসিনা তার ফুটা নৌকা ফেলে হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যায়।
আর দরবেশ তার উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে মাঝ নদীতে ডুবতে শুরু করে। ওজন কমানোর জন্য সে তার সাধের দাড়িও কামিয়ে ফেলে। কিন্তু তারপরেও শেষপর্যন্ত সে কোস্টগার্ডের হাতে ধরা পড়ে।
মোরাল: দরবেশ চাচা, আপন প্রাণ বাঁচা। আপনি বাঁচলে বাপের নাম।
🤣3❤2
৫ই আগস্ট হাসিনা পলায়নের পর দুজন সেনা অফিসার সামরিক ক্যু করতে চেয়েছিল। জেনারেল ওয়াকার এবং সিনিয়র কজন অফিসার তা হতে দেননি।
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
গ্ৰন্থাগার
৫ই আগস্ট হাসিনা পলায়নের পর দুজন সেনা অফিসার সামরিক ক্যু করতে চেয়েছিল। জেনারেল ওয়াকার এবং সিনিয়র কজন অফিসার তা হতে দেননি। বিস্তারিত পড়তে 👉 এখানে ক্লিক করুন
৫ই আগস্ট হাসিনা পলায়নের পর দুজন সেনা অফিসার সামরিক ক্যু করতে চেয়েছিল। জেনারেল ওয়াকার এবং সিনিয়র কজন অফিসার তা হতে দেননি। সেলুট আমাদের প্রিয় সেনাপ্রধানকে।
২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান শেষ পর্যন্ত সামরিক বাহিনী জনতার কাতারে আসলেও সিভিল প্রশাসন হাসিনার সাথেই ছিল। অন্তত প্রকাশ্যে আসেনি। আজ আমি সশস্ত্র বাহিনীর যেসব অফিসার ও সৈনিক জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে দেশকে আরো বেশি রক্তপাত থেকে রক্ষা করেছেন তাদের সেলুট জানাই।
আমরা জানি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান এর ভুমিকা অনন্য সাধারণ ছিল। তিনি আসলে তিনদিন আগেই দেশের সকল সেনা কমান্ডারের সাথে কথা বলে হাসিনার এক্সিট নিশ্চিত করেছিলেন।৪ তারিখ রাতেই তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তাওফিক ইলাহিকে ফোনে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে যোগাযোগ করার দায়িত্ব দেয়া থেকেই বুঝা যাচ্ছে আরো ২ দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি চলছিল এবং হাসিনার সকল আত্মীয় স্বজন ৩/৪ দিনে দেশ থেকে পালানো ছিল আরেকটা মেসেজ।
১৯৭১ সালে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে অন্য গুলোর তুলনা হবে না কিন্তু ১৯৯০ এর জেনারেল নুরউদ্দিন এবং ২০২৪ সালে জেনারেল ওয়াকার এর ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটা দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী কোনদিন তার দেশের মানুষের উপর গুলি চালাতে পারে না।
শেখ হাসিনা ছাত্র–জনতার ওপর হামলার জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এমআই–১৭ হেলিকপ্টার গানশিপ ব্যবহারের চেষ্টা করেন। বিষয়টি তার কুখ্যাত নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান তা ঘৃণাভরে বাতিল করে দেন।এজন্য বর্তমান বিমান বাহিনী প্রধানকে সেলুট জানাই।তারেক সিদ্দিকীর মতো ভারতের দালালকে সে সময় প্রত্যাখ্যান করা সহজ ছিলো না।আমার জানামতে জেনারেল ওয়াকার ও এয়ার মার্শাল মাহমুদ একই ব্যাচের অফিসার।
আন্দোলনের ইতিহাসে চট্টগ্রাম বরাবরই বিদ্রোহ আর প্রতিরোধের ঘাঁটি। ৩০ সালে মাষ্টারদা সুর্য সেন,৭১ সালে মেজর জিয়া ২০২৪ এর জুলাইয়েও চট্টগ্রাম হয়ে ওঠে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের এক শক্তিশালী কেন্দ্র। আগস্টের ৩ তারিখ নিউ মার্কেট এলাকার ছাত্র-জনতার সভার পর, চট্টগ্রামের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল বর্তমানে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান আন্দোলনের সঙ্গে কার্যত একাত্মতা ঘোষণা করেন। ৪ আগস্ট পতিত সরকারের মদদপুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা স্থানীয় সহযোগীদের নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে, এরিয়া কমান্ডার হিসেবে তাঁর দৃঢ় পদক্ষেপে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তখনো হাসিনা সরকারের পতন হবে কি না, তা একেবারেই নিশ্চিত নয়; সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেও জনাব মাইনুর রহমান যে বীরোচিত অবস্থান নিয়েছিলেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
পলাতক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিবুর রহমান এবং আটককৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সেনাসদরে অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালান। তাঁদের লক্ষ্য ছিল সেনাপ্রধানকে ধরাশায়ী করে সেনাবাহিনীর কমান্ড হস্তগত করা। ঠিক সেই মুহূর্তে সেনাসদরে এমএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। তাঁর তীক্ষ্ণ উপস্থিত বুদ্ধি, ঠান্ডা মাথার নেতৃত্ব এবং কয়েকজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নিঃস্বার্থ সহায়তায় ওই সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়। সেনাবাহিনী রক্ষা পায় এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের হাত থেকে, আর গণঅভ্যুত্থানের সদ্য–অর্জিত বিজয় সমুন্নত থাকে।
হাসিনার পলায়ন ও ইন্টেরিম সরকার গঠন করার পর সেই সময়ের জুলাই ছিনতাইকারী কিছু ছাত্রনেতা ও তাদের পীর বাবা ফ্রান্সের লেংটা সুলেমান ও পিছনে জামায়াতের ইন্ধনে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে যে ধরনের আক্রমণ ও অসভ্যতার পরিচয় দিয়েছিল সেটা নজিরবিহীন। মহা বিপর্যয়ের সময় একজন সৈনিক হিসেবে অসাধারণ ভুমিকা রাখা জেনারেল ওয়াকার হাসিনার আত্মীয় হয়েও যে ভুমিকা রেখেছেন জাতি তা চিরকাল মনে রাখবে।
২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান শেষ পর্যন্ত সামরিক বাহিনী জনতার কাতারে আসলেও সিভিল প্রশাসন হাসিনার সাথেই ছিল। অন্তত প্রকাশ্যে আসেনি। আজ আমি সশস্ত্র বাহিনীর যেসব অফিসার ও সৈনিক জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে দেশকে আরো বেশি রক্তপাত থেকে রক্ষা করেছেন তাদের সেলুট জানাই।
আমরা জানি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান এর ভুমিকা অনন্য সাধারণ ছিল। তিনি আসলে তিনদিন আগেই দেশের সকল সেনা কমান্ডারের সাথে কথা বলে হাসিনার এক্সিট নিশ্চিত করেছিলেন।৪ তারিখ রাতেই তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তাওফিক ইলাহিকে ফোনে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে যোগাযোগ করার দায়িত্ব দেয়া থেকেই বুঝা যাচ্ছে আরো ২ দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি চলছিল এবং হাসিনার সকল আত্মীয় স্বজন ৩/৪ দিনে দেশ থেকে পালানো ছিল আরেকটা মেসেজ।
১৯৭১ সালে মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে অন্য গুলোর তুলনা হবে না কিন্তু ১৯৯০ এর জেনারেল নুরউদ্দিন এবং ২০২৪ সালে জেনারেল ওয়াকার এর ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটা দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী কোনদিন তার দেশের মানুষের উপর গুলি চালাতে পারে না।
শেখ হাসিনা ছাত্র–জনতার ওপর হামলার জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এমআই–১৭ হেলিকপ্টার গানশিপ ব্যবহারের চেষ্টা করেন। বিষয়টি তার কুখ্যাত নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান তা ঘৃণাভরে বাতিল করে দেন।এজন্য বর্তমান বিমান বাহিনী প্রধানকে সেলুট জানাই।তারেক সিদ্দিকীর মতো ভারতের দালালকে সে সময় প্রত্যাখ্যান করা সহজ ছিলো না।আমার জানামতে জেনারেল ওয়াকার ও এয়ার মার্শাল মাহমুদ একই ব্যাচের অফিসার।
আন্দোলনের ইতিহাসে চট্টগ্রাম বরাবরই বিদ্রোহ আর প্রতিরোধের ঘাঁটি। ৩০ সালে মাষ্টারদা সুর্য সেন,৭১ সালে মেজর জিয়া ২০২৪ এর জুলাইয়েও চট্টগ্রাম হয়ে ওঠে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের এক শক্তিশালী কেন্দ্র। আগস্টের ৩ তারিখ নিউ মার্কেট এলাকার ছাত্র-জনতার সভার পর, চট্টগ্রামের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল বর্তমানে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান আন্দোলনের সঙ্গে কার্যত একাত্মতা ঘোষণা করেন। ৪ আগস্ট পতিত সরকারের মদদপুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা স্থানীয় সহযোগীদের নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে, এরিয়া কমান্ডার হিসেবে তাঁর দৃঢ় পদক্ষেপে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তখনো হাসিনা সরকারের পতন হবে কি না, তা একেবারেই নিশ্চিত নয়; সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেও জনাব মাইনুর রহমান যে বীরোচিত অবস্থান নিয়েছিলেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
পলাতক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিবুর রহমান এবং আটককৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সেনাসদরে অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালান। তাঁদের লক্ষ্য ছিল সেনাপ্রধানকে ধরাশায়ী করে সেনাবাহিনীর কমান্ড হস্তগত করা। ঠিক সেই মুহূর্তে সেনাসদরে এমএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। তাঁর তীক্ষ্ণ উপস্থিত বুদ্ধি, ঠান্ডা মাথার নেতৃত্ব এবং কয়েকজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নিঃস্বার্থ সহায়তায় ওই সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়। সেনাবাহিনী রক্ষা পায় এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের হাত থেকে, আর গণঅভ্যুত্থানের সদ্য–অর্জিত বিজয় সমুন্নত থাকে।
হাসিনার পলায়ন ও ইন্টেরিম সরকার গঠন করার পর সেই সময়ের জুলাই ছিনতাইকারী কিছু ছাত্রনেতা ও তাদের পীর বাবা ফ্রান্সের লেংটা সুলেমান ও পিছনে জামায়াতের ইন্ধনে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে যে ধরনের আক্রমণ ও অসভ্যতার পরিচয় দিয়েছিল সেটা নজিরবিহীন। মহা বিপর্যয়ের সময় একজন সৈনিক হিসেবে অসাধারণ ভুমিকা রাখা জেনারেল ওয়াকার হাসিনার আত্মীয় হয়েও যে ভুমিকা রেখেছেন জাতি তা চিরকাল মনে রাখবে।
গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে বিশাল সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত।