আন-নাখজাওয়ানি (মৃত্যু: ৯২০ হিজরি) রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
غروبها في رأى العين على عين صفتها هذه والا فلا تسع الشمس في جميع كرة الأرض فكيف بجزء منها إذ نسبة كرة الأرض الى عظم جرم الشمس عند اهل الرصد كنسبة جزء من مائة وست وستين جزأ على التقريب فكيف تغيب وتستتر هي بجزء منها
“দৃষ্টির সীমানায় সূর্যের অস্ত যাওয়াটা উক্ত ঝর্ণার উপরই হয়ে থাকে। তা না হলে, সূর্য তো পুরো পৃথিবী গোলকেই সংকুলান হয় না, এর একটি অংশে কীভাবে হবে? কারণ, জ্যোতির্বিদদের মতে, সূর্যের বিশাল আকৃতির তুলনায় পৃথিবী গোলকের অনুপাত হলো প্রায় একশ ছেষট্টি ভাগের এক ভাগ। সুতরাং, সূর্য কীভাবে পৃথিবীর একটি অংশে (ঝর্ণায়) অস্ত যেতে পারে বা লুকায়িত হতে পারে?”
[কিতাবুল ফাওয়াতিহিল ইলাহিয়্যাহ ওয়াল-মাফাতিহিল গায়বিয়্যাহ, ১/৪৮৯, ২/৬৮]
https://shamela.ws/book/23624/488
https://shamela.ws/book/23624/645
https://shamela.ws/book/23624/531
غروبها في رأى العين على عين صفتها هذه والا فلا تسع الشمس في جميع كرة الأرض فكيف بجزء منها إذ نسبة كرة الأرض الى عظم جرم الشمس عند اهل الرصد كنسبة جزء من مائة وست وستين جزأ على التقريب فكيف تغيب وتستتر هي بجزء منها
“দৃষ্টির সীমানায় সূর্যের অস্ত যাওয়াটা উক্ত ঝর্ণার উপরই হয়ে থাকে। তা না হলে, সূর্য তো পুরো পৃথিবী গোলকেই সংকুলান হয় না, এর একটি অংশে কীভাবে হবে? কারণ, জ্যোতির্বিদদের মতে, সূর্যের বিশাল আকৃতির তুলনায় পৃথিবী গোলকের অনুপাত হলো প্রায় একশ ছেষট্টি ভাগের এক ভাগ। সুতরাং, সূর্য কীভাবে পৃথিবীর একটি অংশে (ঝর্ণায়) অস্ত যেতে পারে বা লুকায়িত হতে পারে?”
[কিতাবুল ফাওয়াতিহিল ইলাহিয়্যাহ ওয়াল-মাফাতিহিল গায়বিয়্যাহ, ১/৪৮৯, ২/৬৮]
https://shamela.ws/book/23624/488
https://shamela.ws/book/23624/645
https://shamela.ws/book/23624/531
নূরুদ্দিন আল-কাযরূনী (মৃত্যু: ৯২৩ হিজরি) রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلأَرْضَ فِرَٰشاً بساطاً بإخراج بعضها عن الماء، هذا لا ينافي كُرِّتَها الحسية
“যিনি তোমাদের জন্য জমিনকে করেছেন বিছানাস্বরূপ’—অর্থাৎ এর কিছু অংশকে পানি থেকে বের করে এনে একে বিস্তৃত করেছেন। এটি পৃথিবীর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য গোলাকার হওয়ার বিরোধী নয়।”
[তাফসীরুল কাযরূনী; আস-সিরাতুল মুস্তাকিম ফি তিবয়ানিল কুরআনিল কারিম, সুরা বাকারাহ, আয়াত নং ২২]
ٱلَّذِي جَعَلَ لَكُمُ ٱلأَرْضَ فِرَٰشاً بساطاً بإخراج بعضها عن الماء، هذا لا ينافي كُرِّتَها الحسية
“যিনি তোমাদের জন্য জমিনকে করেছেন বিছানাস্বরূপ’—অর্থাৎ এর কিছু অংশকে পানি থেকে বের করে এনে একে বিস্তৃত করেছেন। এটি পৃথিবীর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য গোলাকার হওয়ার বিরোধী নয়।”
[তাফসীরুল কাযরূনী; আস-সিরাতুল মুস্তাকিম ফি তিবয়ানিল কুরআনিল কারিম, সুরা বাকারাহ, আয়াত নং ২২]
100+_ফটোকার্ড_একত্রে_The_Globe_Squad_BD_Telegram_Channel.zip
154.2 MB
আমাদের 'The Globe Squad BD' টেলিগ্রাম চ্যানেলে এখন (৪-৬-২০২৬ ইং) পর্যন্ত আপলোড করা সকল (ফতোয়ার) ফটোকার্ড একত্রে ZIP ফাইল আকারে দেওয়া হল। প্রায় 100+ ফটোকার্ড রয়েছে এই ZIP ফাইলে। আপনি চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন, এক ফাইলেই সবগুলো ফটোকার্ড Full HD কোয়ালিটিতে পেয়ে যাবেন। সাইজ 155 MB.
চ্যানেলে ‘পৃথিবী গোলাকার ও ঘূর্ননশীল’ মতের পক্ষে আলেমদের আরও অসংখ্য ফতোয়া ও ফতোয়ার ফটোকার্ড সহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আর্টিকেল ও খন্ডনমূলক লেখনী নিয়মিত পোস্ট করা হবে, ইনশাআল্লাহ। সবাই আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব & শেয়ার করুন।
চ্যানেলে ‘পৃথিবী গোলাকার ও ঘূর্ননশীল’ মতের পক্ষে আলেমদের আরও অসংখ্য ফতোয়া ও ফতোয়ার ফটোকার্ড সহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আর্টিকেল ও খন্ডনমূলক লেখনী নিয়মিত পোস্ট করা হবে, ইনশাআল্লাহ। সবাই আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব & শেয়ার করুন।
❤3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Destroying Flat Earth Without Using Science - Part 1 : The Moon | বাংলা ডাবিং From Youtube | Original Video Link
Part 2: https://t.me/globeearthbd/2276
Part 3: https://t.me/globeearthbd/2277
Part 4: https://t.me/globeearthbd/2278
Part 2: https://t.me/globeearthbd/2276
Part 3: https://t.me/globeearthbd/2277
Part 4: https://t.me/globeearthbd/2278
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Destroying Flat Earth Without Using Science - Part 2 : The Stars | বাংলা ডাবিং From Youtube | Original Video Link
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Destroying Flat Earth Without Using Science - Part 3 : Airplanes | বাংলা ডাবিং From Youtube | Original Video Link
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
Destroying Flat Earth Without Using Science - Part 4 : The Conspiracy | বাংলা ডাবিং From Youtube | Original Video Link
শাইখ আব্দুল্লাহ বিন ফাহাদ আল-খুলাইফি হাফিজাহুল্লাহ’ সাহাবী ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত ‘পৃথিবীকে মাছের উপর বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে’ মর্মে আছারটিকে প্রমানিত বলতে চাইলেও, পাশাপাশি তিনি এটাও বলেছেন যে, ‘উক্ত আছারটি পৃথিবী আকার গোলাকার হওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক নয়।’ তিনি বলেন,
وهذا الشيء كان بداية كلامي معه في أثر الحوت عن ابن عباس وقد ادعى أن هذا الأثر أخذه ابن عباس عن كعب وهذه عادة المعاصرين في الرجم بالغيب فلما بينت له وشرحت
আর এই বিষয়টিই ছিল ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত মাছের আছারের বিষয়ে তার (আল-হাজ্জি) সাথে আমার আলোচনার সূত্রপাত। সে দাবি করেছিল যে, ইবনে আব্বাস এই আছারটি কাব (আল-আহবার) থেকে গ্রহণ করেছেন। আর প্রমাণ ছাড়া অনুমাননির্ভর কথা বলাটা বর্তমান যুগের লোকদের একটি সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অতঃপর যখন আমি তার কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করলাম এবং ব্যাখ্যা করলাম,
قال بأن هذا الأثر يخالف القرآن فالقرآن لا يفهمه ابن عباس وإنما يفهمه هو لأن الأثر فيه ( بسط الله الأرض على ظهر حوت ) والأرض كروية وليست مبسوطة !
তখন সে বলল যে, এই বর্ণনাটি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক। তার মানে ইবনে আব্বাস কুরআন বোঝেননি, বরং সে-ই (নিজেই) কুরআন ভালো বোঝে! কারণ ওই বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, “আল্লাহ তাআলা মাছের পিঠে পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন”, অথচ পৃথিবী গোলাকার, সমতল নয়!
وهذا جهل فالأثر ( كبس الله الأرض ) وليس بسط ولو كان بسط لما خالف كروية الأرض فالأمر نسبي ألا تقرأ في القرآن ( وإلى الأرض كيف سطحت ) وليس معناه أنها مسطحة وإنما هو تسطيح نسبي بالنسبة لمن عليها
এটি সম্পূর্ণ মূর্খতা। কারণ, মূল আছারে শব্দ রয়েছে 'কাবাসাল্লাহুল আরদ্ব - كبس الله الأرض (আল্লাহ পৃথিবীকে সংকুচিত বা স্থাপন করেছেন), 'বাসাতা - بسط (বিস্তৃত করা) নয়। আর যদি 'বিস্তৃত করা' শব্দটিও থাকত, তবুও তা পৃথিবীর গোলাকার হওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক হতো না, কারণ বিষয়টি আপেক্ষিক। আপনি কি কুরআনে পড়েননি, “এবং পৃথিবীর দিকে, কীভাবে তা সমতল করা হয়েছে?” এর অর্থ এই নয় যে, পৃথিবী পুরোপুরি চ্যাপ্টা বা সমতল; বরং এটি এর ওপর বসবাসকারীদের সাপেক্ষে একটি আপেক্ষিক সমতলীকরণ।
وهذا شغب الزنادقة في كل عصر افتراض التعارض بين ما لا يتعارض
আর এটি হলো প্রত্যেক যুগে যিনদীকদের (ধর্মদ্রোহী) ফিতনা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াস; তারা এমন সব বিষয়ের মাঝে বৈপরিত্য বা দ্বন্দ্ব কল্পনা করে, যেগুলোর মাঝে আদতে কোনো বৈপরিত্য নেই। (অর্থাৎ, তিনি সমতলকামীদেরকে যিনদীকদের সাথে তূলনা করেছেন।)
📕 Source: https://alkulify.com/تقويم-المعاصرين-الحلقة-الثالثة/
https://response-to-anti-islam.com/show/পৃথিবী-কি-সত্যিই-মাছের-পিঠের-উপরে-অবস্থান-করে--/234
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কি ইজরাইলী রেয়াওয়েত করতেন? (পর্ব-০১)
https://t.me/globeearthbd/934
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কি ইজরাইলী রেয়াওয়েত করতেন? (পর্ব-০২)
https://t.me/globeearthbd/935
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কি ইজরাইলী রেয়াওয়েত করতেন? (পর্ব-০৩)
https://t.me/globeearthbd/936
وهذا الشيء كان بداية كلامي معه في أثر الحوت عن ابن عباس وقد ادعى أن هذا الأثر أخذه ابن عباس عن كعب وهذه عادة المعاصرين في الرجم بالغيب فلما بينت له وشرحت
আর এই বিষয়টিই ছিল ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত মাছের আছারের বিষয়ে তার (আল-হাজ্জি) সাথে আমার আলোচনার সূত্রপাত। সে দাবি করেছিল যে, ইবনে আব্বাস এই আছারটি কাব (আল-আহবার) থেকে গ্রহণ করেছেন। আর প্রমাণ ছাড়া অনুমাননির্ভর কথা বলাটা বর্তমান যুগের লোকদের একটি সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অতঃপর যখন আমি তার কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করলাম এবং ব্যাখ্যা করলাম,
قال بأن هذا الأثر يخالف القرآن فالقرآن لا يفهمه ابن عباس وإنما يفهمه هو لأن الأثر فيه ( بسط الله الأرض على ظهر حوت ) والأرض كروية وليست مبسوطة !
তখন সে বলল যে, এই বর্ণনাটি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক। তার মানে ইবনে আব্বাস কুরআন বোঝেননি, বরং সে-ই (নিজেই) কুরআন ভালো বোঝে! কারণ ওই বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, “আল্লাহ তাআলা মাছের পিঠে পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন”, অথচ পৃথিবী গোলাকার, সমতল নয়!
وهذا جهل فالأثر ( كبس الله الأرض ) وليس بسط ولو كان بسط لما خالف كروية الأرض فالأمر نسبي ألا تقرأ في القرآن ( وإلى الأرض كيف سطحت ) وليس معناه أنها مسطحة وإنما هو تسطيح نسبي بالنسبة لمن عليها
এটি সম্পূর্ণ মূর্খতা। কারণ, মূল আছারে শব্দ রয়েছে 'কাবাসাল্লাহুল আরদ্ব - كبس الله الأرض (আল্লাহ পৃথিবীকে সংকুচিত বা স্থাপন করেছেন), 'বাসাতা - بسط (বিস্তৃত করা) নয়। আর যদি 'বিস্তৃত করা' শব্দটিও থাকত, তবুও তা পৃথিবীর গোলাকার হওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক হতো না, কারণ বিষয়টি আপেক্ষিক। আপনি কি কুরআনে পড়েননি, “এবং পৃথিবীর দিকে, কীভাবে তা সমতল করা হয়েছে?” এর অর্থ এই নয় যে, পৃথিবী পুরোপুরি চ্যাপ্টা বা সমতল; বরং এটি এর ওপর বসবাসকারীদের সাপেক্ষে একটি আপেক্ষিক সমতলীকরণ।
وهذا شغب الزنادقة في كل عصر افتراض التعارض بين ما لا يتعارض
আর এটি হলো প্রত্যেক যুগে যিনদীকদের (ধর্মদ্রোহী) ফিতনা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াস; তারা এমন সব বিষয়ের মাঝে বৈপরিত্য বা দ্বন্দ্ব কল্পনা করে, যেগুলোর মাঝে আদতে কোনো বৈপরিত্য নেই। (অর্থাৎ, তিনি সমতলকামীদেরকে যিনদীকদের সাথে তূলনা করেছেন।)
📕 Source: https://alkulify.com/تقويم-المعاصرين-الحلقة-الثالثة/
আর্টিকেলটি অবশ্যই পড়ুন: পৃথিবী কি সত্যিই মাছের পিঠের উপর অবস্থান করে?
https://response-to-anti-islam.com/show/পৃথিবী-কি-সত্যিই-মাছের-পিঠের-উপরে-অবস্থান-করে--/234
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কি ইজরাইলী রেয়াওয়েত করতেন? (পর্ব-০১)
https://t.me/globeearthbd/934
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কি ইজরাইলী রেয়াওয়েত করতেন? (পর্ব-০২)
https://t.me/globeearthbd/935
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কি ইজরাইলী রেয়াওয়েত করতেন? (পর্ব-০৩)
https://t.me/globeearthbd/936
ইমাম যাকারিয়া আল-আনসারী (মৃত্যু: ৯২৬ হি.) রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
إن قلتَ: الشمس في السَّماءِ الرابعة ، وهي بقدر كرة الأرض مائةً وستين، أو وخمسين، أو وعشرين مرَّة
“যদি তুমি বলো: সূর্য চতুর্থ আসমানে অবস্থিত, এবং তা পৃথিবীর গোলকের চেয়ে একশত ষাট, বা পঞ্চাশ, বা বিশ গুণ বড়...।”
NOTE: আধুনিক বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে সূর্য চতুর্থ আসমানে অবস্থিত নয়, এমনকি কুরআন-হাদিসেও এমন কিছু বলা নেই। সূর্যকে ‘চতুর্থ আসমানে’ বলার বিষয়টি মূলত সেকালের মানুষের বৈজ্ঞানিক ধারণার (Ptolemaic cosmology) ঐতিহাসিক প্রতিফলন (ভূল) মাত্র, আধুনিক ও বাস্তব মহাকাশবিজ্ঞানের সাথে এর কোনো মিল নেই।
বিস্তারিত দেখুন — [ফাতহুর রহমান বিকাশফি মা ইয়ালতাবিসু ফিল কুরআন, ১/৩৪৮] https://shamela.ws/book/9086/346
https://t.me/globeearthbd/2286
إن قلتَ: الشمس في السَّماءِ الرابعة ، وهي بقدر كرة الأرض مائةً وستين، أو وخمسين، أو وعشرين مرَّة
“যদি তুমি বলো: সূর্য চতুর্থ আসমানে অবস্থিত, এবং তা পৃথিবীর গোলকের চেয়ে একশত ষাট, বা পঞ্চাশ, বা বিশ গুণ বড়...।”
NOTE: আধুনিক বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে সূর্য চতুর্থ আসমানে অবস্থিত নয়, এমনকি কুরআন-হাদিসেও এমন কিছু বলা নেই। সূর্যকে ‘চতুর্থ আসমানে’ বলার বিষয়টি মূলত সেকালের মানুষের বৈজ্ঞানিক ধারণার (Ptolemaic cosmology) ঐতিহাসিক প্রতিফলন (ভূল) মাত্র, আধুনিক ও বাস্তব মহাকাশবিজ্ঞানের সাথে এর কোনো মিল নেই।
বিস্তারিত দেখুন — [ফাতহুর রহমান বিকাশফি মা ইয়ালতাবিসু ফিল কুরআন, ১/৩৪৮] https://shamela.ws/book/9086/346
https://t.me/globeearthbd/2286
ইমাম যাকারিয়া আল-আনসারী (মৃত্যু: ৯২৬ হিজরি) রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন,
মহান আল্লাহর বাণী: “অবশেষে যখন সে (যুল-কারনাইন) সূর্যের অস্তাচলে পৌঁছল, তখন সে সূর্যকে এক কর্দমাক্ত জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখল...” [আল-কাহফ: ৮৬]
যদি আপনি প্রশ্ন করেন: সূর্য তো চতুর্থ আকাশে অবস্থিত, আর এটি পৃথিবীর চেয়ে একশ ষাট, বা পঞ্চাশ, অথবা বিশ গুণ বড়; তাহলে পৃথিবীর বুকে থাকা একটি জলাশয় কীভাবে এত বড় সূর্যকে ধারণ করতে পারে যে, সূর্য তার ভেতরে অস্ত যাবে?
উত্তরে আমি বলব: এখানে উদ্দেশ্য হলো, সে তার দৃষ্টিতে বা ধারণায় এমনটি দেখেছিল। ঠিক যেমন সমুদ্রের যাত্রীরা দেখে যে, সূর্য সমুদ্রের বুকেই উদিত হচ্ছে এবং সেখানেই অস্ত যাচ্ছে। ‘যুলকারনাইন’ পশ্চিম দিকে জনবসতির একেবারে শেষ সীমানায় পৌঁছেছিলেন। সেখানে তিনি একটি বিশাল জলাশয় দেখতে পান এবং তার মনে হয়েছিল যে, সূর্য সেখানেই অস্ত যাচ্ছে।
যদি আপনি আবার প্রশ্ন করেন: ‘যুলকারনাইন’ তো একজন নবী অথবা পুণ্যবান ও প্রজ্ঞাবান মানুষ ছিলেন, তাহলে তার কাছে এই বিষয়টি কীভাবে অস্পষ্ট রইল যে, তিনি এমন একটি ধারণা করে বসলেন যা বাস্তবে ঘটা অসম্ভব?
এর উত্তরে আমি বলব: নবী এবং প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটা অসম্ভব কিছু নয়। আপনি কি মূসা (আ.)-এর সেই ধারণার দিকে লক্ষ্য করেননি, যার ভিত্তিতে তিনি খিজির (আ.)-এর কাজগুলোর ব্যাপারে আপত্তি করেছিলেন? তাছাড়া, আল্লাহ তাআলা সূর্যের আকার ছোট করে দিতে এবং সেই জলাশয় ও পৃথিবীকে এতটা প্রশস্ত করে দিতে পূর্ণ সক্ষম, যাতে ওই জলাশয় সূর্যকে ধারণ করতে পারে। সুতরাং এটি কেন সম্ভব হবে না? আমাদের ক্ষুদ্র বুদ্ধির পক্ষে তা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে না পারার কারণেই হয়তো তা আমাদের কাছে অজানা রয়ে গেছে।
[ফাতহুর রহমান বিকাশফি মা ইয়ালতাবিসু ফিল কুরআন, ১/৩৪৮] https://shamela.ws/book/9086/346
NOTE: আধুনিক বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে সূর্য চতুর্থ আসমানে অবস্থিত নয়, এমনকি কুরআন-হাদিসেও এমন কিছু বলা নেই। সূর্যকে ‘চতুর্থ আসমানে’ বলার বিষয়টি মূলত সেকালের মানুষের বৈজ্ঞানিক ধারণার (Ptolemaic Cosmology) ঐতিহাসিক প্রতিফলন (ভূল) মাত্র। বাস্তব মহাকাশবিজ্ঞানের সাথে এর কোনো মিল নেই।