শোকোস্তব্ধ পাহাড়ি উত্তরবঙ্গ : প্রথমেই বিপর্যস্ত এলাকার মানুষের প্রতি সমবেদনা জানাই । সকল মৃত আত্মার শান্তি কামনা করি 🙏
এখানকার সংগ্রামী মানুষগুলির জীবন চরিত্র সম্পর্কে আমি অবগত। বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই পরিশ্রমী ও কষ্ট সহীষ্ণু । প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতাকে কিভাবে জয় করে নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখা যায় সে শিক্ষা এই মানুষগুলোর থেকেই পাওয়া সম্ভব । এখানকার ভূমিরূপ গত অবস্থান, ভূতাত্বিক অস্থিরতা এবং ঋতু পরিবর্তনের সাথে সঙ্গতি রেখে আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন কখনো কখনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আবির্ভাব ঘটায় । ভারী বর্ষণ জনিত কারণে ভূমিধস সহ বন্যা যার মধ্যে অন্যতম । একাধারে ভূমিধসের কবলে পড়ে কিছু মানুষ, অন্যদিকে হরপা বানে ভেসে যায় ঘরবাড়ি এবং মানুষের বসত ক্ষেত্র । এই পুরো ঘটনা এখানকার মানুষের এক প্রকার অভিশাপ হিসাবে আমাদের সামনে উঠে আসলেও এটি আসলে প্রাকৃতিক এবং আধা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অন্যতম দৃষ্টান্ত । যা সম্পূর্ণ পরিহার করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, কেবলমাত্র মানুষের সচেতনতার মাধ্যমে এর প্রভাব কমানো যেতে পারে ।
2025-শের এই মর্মান্তিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয় । পাহাড়ি উত্তরবঙ্গের ভূ-প্রাকৃতিক ও ভূতাত্বিক গঠন এবং এখানকার বায়ুমণ্ডলীয় প্রকৃতি বিচার করলে খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারবো এটি মূলত প্রাকৃতিক প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও অংশবিশেষ মানুষের প্রকৃতি দখলের হিসেব-নিকেশের মধ্যে বন্দী রয়েছে । এটি পরিহার সম্ভব নয় তবে এর প্রভাব বা ফলাফল মানুষের জীবন শৈলী দ্বারাই পরিবর্তন করা সম্ভব ।
প্রকৃতি এবং মানুষের পারস্পারিক সহ সম্পর্কে মানুষ যদি প্রভাবকের ভূমিকায় দিনের পর দিন নিজের আগ্রাসী চরিত্র স্পষ্ট করতে থাকে, এলাকা দখলের কাজ অবিচল ভাবে জারি রাখে তাহলে পাহাড়ি উত্তরবঙ্গের এহেনো বিপর্যয় মূলক ভবিষ্যৎ আরো খারাপ হতে চলেছে । অপরিকল্পিত ভাবে Building Construction, মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পাহাড় কেটে যত্রতত্র রাস্তা নির্মাণ ক্রমশ Slope Stability নষ্ট করে চলেছে । পাহাড়ের পাদদেশীয় নদীতে সেতু নির্মাণের পূর্বে বেশ কিছু ভৌগোলিক হিসেব-নিকেশ করে, শক্ত-পোক্ত ভাবে সেতু নির্মাণের ভাবনা চিন্তা করা উচিত । কারণ নদীর একমাত্র স্থান পাহাড়ের পাদদেশীয় ক্ষেত্র যেখানকার জল প্রবাহের প্রাথমিক ও পূর্ণাঙ্গ সম্ভাবনা কখনোই আমরা করতে পারি না। আর যথেচ্ছ বৃক্ষ ছেদনের কথা না হয় এ পর্বে নাই বললাম । যেটি উত্তরবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের অন্যতম কারণ ।
এভাবে চলতে থাকলে পরিনাম আরো ভয়ংকর হতে চলেছে , কেবল ভূমিধস আর বন্যা নয়, সময়ের সঙ্গে বেড়ে চলা হিমালয় ভূমিকম্পের অন্যতম সঞ্চালক , তাই সেটিও ভবিষ্যতে চরম বিপর্যয়ের রূপ নিতে পারে । এই সমস্ত লেখা মনগড়া নয়, পাহাড়ি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে ভৌগোলিক চিন্তা চেতনা দিয়ে উপলব্ধি করা ।
প্রকৃতির একটি ক্ষুদ্রতম অংশ হিসাবে মানুষকে প্রাকৃতিক এলাকা দখল করতেই হবে, তবে তা যদি যথেচ্ছ হয় তার পরিনাম খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক । বিবেচক হয়ে কোথায় ? কিভাবে ? কতটা ? এলাকা দখল করব সেই চিন্তাটা রাখতে হবে ।
আমি সভ্যতা বিকাশের বিরুদ্ধে নই । তবে যথেচ্ছ প্রকৃতি দখলের স্পষ্ট বিরোধী । ধন্যবাদ ।
- Krishna Sarkar, Director, Geotutorial e-learning platform .
এখানকার সংগ্রামী মানুষগুলির জীবন চরিত্র সম্পর্কে আমি অবগত। বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই পরিশ্রমী ও কষ্ট সহীষ্ণু । প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতাকে কিভাবে জয় করে নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখা যায় সে শিক্ষা এই মানুষগুলোর থেকেই পাওয়া সম্ভব । এখানকার ভূমিরূপ গত অবস্থান, ভূতাত্বিক অস্থিরতা এবং ঋতু পরিবর্তনের সাথে সঙ্গতি রেখে আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন কখনো কখনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আবির্ভাব ঘটায় । ভারী বর্ষণ জনিত কারণে ভূমিধস সহ বন্যা যার মধ্যে অন্যতম । একাধারে ভূমিধসের কবলে পড়ে কিছু মানুষ, অন্যদিকে হরপা বানে ভেসে যায় ঘরবাড়ি এবং মানুষের বসত ক্ষেত্র । এই পুরো ঘটনা এখানকার মানুষের এক প্রকার অভিশাপ হিসাবে আমাদের সামনে উঠে আসলেও এটি আসলে প্রাকৃতিক এবং আধা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অন্যতম দৃষ্টান্ত । যা সম্পূর্ণ পরিহার করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, কেবলমাত্র মানুষের সচেতনতার মাধ্যমে এর প্রভাব কমানো যেতে পারে ।
2025-শের এই মর্মান্তিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয় । পাহাড়ি উত্তরবঙ্গের ভূ-প্রাকৃতিক ও ভূতাত্বিক গঠন এবং এখানকার বায়ুমণ্ডলীয় প্রকৃতি বিচার করলে খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারবো এটি মূলত প্রাকৃতিক প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও অংশবিশেষ মানুষের প্রকৃতি দখলের হিসেব-নিকেশের মধ্যে বন্দী রয়েছে । এটি পরিহার সম্ভব নয় তবে এর প্রভাব বা ফলাফল মানুষের জীবন শৈলী দ্বারাই পরিবর্তন করা সম্ভব ।
প্রকৃতি এবং মানুষের পারস্পারিক সহ সম্পর্কে মানুষ যদি প্রভাবকের ভূমিকায় দিনের পর দিন নিজের আগ্রাসী চরিত্র স্পষ্ট করতে থাকে, এলাকা দখলের কাজ অবিচল ভাবে জারি রাখে তাহলে পাহাড়ি উত্তরবঙ্গের এহেনো বিপর্যয় মূলক ভবিষ্যৎ আরো খারাপ হতে চলেছে । অপরিকল্পিত ভাবে Building Construction, মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পাহাড় কেটে যত্রতত্র রাস্তা নির্মাণ ক্রমশ Slope Stability নষ্ট করে চলেছে । পাহাড়ের পাদদেশীয় নদীতে সেতু নির্মাণের পূর্বে বেশ কিছু ভৌগোলিক হিসেব-নিকেশ করে, শক্ত-পোক্ত ভাবে সেতু নির্মাণের ভাবনা চিন্তা করা উচিত । কারণ নদীর একমাত্র স্থান পাহাড়ের পাদদেশীয় ক্ষেত্র যেখানকার জল প্রবাহের প্রাথমিক ও পূর্ণাঙ্গ সম্ভাবনা কখনোই আমরা করতে পারি না। আর যথেচ্ছ বৃক্ষ ছেদনের কথা না হয় এ পর্বে নাই বললাম । যেটি উত্তরবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের অন্যতম কারণ ।
এভাবে চলতে থাকলে পরিনাম আরো ভয়ংকর হতে চলেছে , কেবল ভূমিধস আর বন্যা নয়, সময়ের সঙ্গে বেড়ে চলা হিমালয় ভূমিকম্পের অন্যতম সঞ্চালক , তাই সেটিও ভবিষ্যতে চরম বিপর্যয়ের রূপ নিতে পারে । এই সমস্ত লেখা মনগড়া নয়, পাহাড়ি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে ভৌগোলিক চিন্তা চেতনা দিয়ে উপলব্ধি করা ।
প্রকৃতির একটি ক্ষুদ্রতম অংশ হিসাবে মানুষকে প্রাকৃতিক এলাকা দখল করতেই হবে, তবে তা যদি যথেচ্ছ হয় তার পরিনাম খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক । বিবেচক হয়ে কোথায় ? কিভাবে ? কতটা ? এলাকা দখল করব সেই চিন্তাটা রাখতে হবে ।
আমি সভ্যতা বিকাশের বিরুদ্ধে নই । তবে যথেচ্ছ প্রকৃতি দখলের স্পষ্ট বিরোধী । ধন্যবাদ ।
- Krishna Sarkar, Director, Geotutorial e-learning platform .
ব্যক্তিগত জীবন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ খুব বেশি করি না। বর্তমান চাকরির বয়সটা অনেকটাই হয়ে যাওয়ার কারণে পরবর্তীতে একাধিক চাকরি পেলেও এটাকে ছেড়ে নতুনটাকে গ্রহণ করার সাহস দেখাতে পারিনি। শেষ চাকরিটা যেদিন ছেড়েছিলাম নিষ্পাপ ভালোবাসার মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে এই সংকল্প করেছিলাম' যতদিন আমি সুস্থ সবল থাকবো ততদিন শিক্ষক গড়ার কারিগর হয়ে কাজ করে যাবো। ভূগোলকে নতুন মাত্রা দেবো। একটু একটু করে সেই সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছি। ক্লাসরুমের সফলতার সংখ্যা বাড়ানোই এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য হাজারটা আমার জন্ম দেবো এই রাজ্যে এটাই আমার সংকল্প 🎊🥰🙏
জীবনের একাধিক পর্যায়ে বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তোমরা সফল হয়েছো । ব্যর্থতার গ্লানি কাটিয়ে সফল হওয়ার আনন্দ ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয় !! এটা সবেমাত্র সফলতার শুরু । এরপর জীবনে একাধিকবার বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় সফল হবে তোমরা । জীবনে যেখানেই চাকরি করো না কেনো নিজের বিষয়কে ভালোবাসার পাশাপাশি মানুষকে ভালোবেসে যেও । যত ডিগ্রী-ই অর্জন করো না কেনো কোনো ভাবেই আত্ম অহংকার যেনো নিজের মধ্যে পুঞ্জিভূত না হয় । মন খোলা ভাবে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সাথে মিশে যেও । জাতি -ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ দেখো না । মনে রেখো যা কিছু পেয়েছো এই সমাজ থেকেই পেয়েছো । তাই সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ো । মেধাবী থেকে দুর্বল সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতটা শক্ত করে ধরে বলতে শিখো 'তুমিও পারবে... তোমাকে পারতেই হবে..' । নিজেকে ভালো রাখার পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সহ নিজের পরিবারকে ভালো রেখো । ধন্যবাদ 🙏
- Director, Geotutorial e-learning platform
- Director, Geotutorial e-learning platform
ফ্রেশার ক্যান্ডিডেটদের পরিকল্পিত ভাবে ঠকিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বুকে যে কলঙ্কিত অধ্যায়ের জন্ম হলো তার অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারবেন ইন-সার্ভিস টিচাররা ?
2016 সালে চাকরি চুরি হয়েছিলো , আর 2025 সালে চাকরি ডাকাতি হতে চলেছে... । এই নিয়োগের মাধ্যমে ইন-সার্ভিসরা চাকরি ফিরে পাবেন ঠিকই , কিন্তু কোনো ভাবেই সম্মান ফিরে পাবে না..... । ফ্রেশারদের চোখে চোখ রেখে কোনদিন বলতে পারবেন না আমি যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে চাকরি ফিরে পেয়েছি !!! বরং ফ্রেশারদের চোখের জলের বিনিময়ে দয়ার পাত্রে পরিণত হলেন ইন-সার্ভিস টিচাররা । এই লেখা পড়ে ইন-সার্ভিসরা রেগে যাবেন না বরং অনুভব করবেন, কারণ আপনিও একদিন বেকার ফ্রেশার ছিলেন । প্রকৃত সত্যটাই এই লেখায় ব্যক্ত হয়েছে ।
যে মানুষগুলো আপনার থেকে অনেক বেশি পেয়েও আজ প্রাথমিক তালিকায় আসতে পারলো না তার কি অপরাধ ছিল ?
চাকরি চুরি আর চাকরি ডাকাতির জটিল সমীকরণে তার চোখে কেন আজ জল ? উত্তরটা দিয়ে যান না প্লিজ ?
10 নাম্বারের দয়ার দান যদি যুক্ত না হতো আজ ক্লাসরুমে 27 জন ফ্রেশার নয় বরং 125 জন পাশ করতো । এই অপূরণীয় ক্ষতির খেসারত কে দেবে ?
চাকরি ফিরে পাবেন ঠিকই লজ্জা ঢাকতে পারবেন না কোনো দিন ... আর এর জন্য আপনিও পুরোটা দায়ী নন । এই কলঙ্কিত অধ্যায়ের কান্ডারিতো সেই হীরকের রাণী।
ফ্রেশাররা চোখের জল মুছে নাও... এই পরিকল্পিত ডাকাতির প্রতিশোধ নেওয়ার দিন আসবে একদিন । অযোগ্যদের মুখের উপর যোগ্য জবাব দেওয়ার দিন আসবে তোমারও ।
ক্লাসরুমের যে 27 জন ফ্রেশার ক্যান্ডিডেট প্রাথমিক তালিকায় এসেছো তাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন হতে চলেছে আগামীতে , এক মুহূর্ত নষ্ট না করে প্রস্তুতি নাও । নিজের নামটা ফাইনাল মেধা তালিকায় রাখাটা চ্যালেঞ্জের হতে চলেছে । সর্বোপরি সকল ফ্রেশার ও ইন-সার্ভিস সফল ক্যান্ডিডেটকে প্রাথমিক পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য অভিনন্দন ।
ধন্যবাদ 🙏
2016 সালে চাকরি চুরি হয়েছিলো , আর 2025 সালে চাকরি ডাকাতি হতে চলেছে... । এই নিয়োগের মাধ্যমে ইন-সার্ভিসরা চাকরি ফিরে পাবেন ঠিকই , কিন্তু কোনো ভাবেই সম্মান ফিরে পাবে না..... । ফ্রেশারদের চোখে চোখ রেখে কোনদিন বলতে পারবেন না আমি যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে চাকরি ফিরে পেয়েছি !!! বরং ফ্রেশারদের চোখের জলের বিনিময়ে দয়ার পাত্রে পরিণত হলেন ইন-সার্ভিস টিচাররা । এই লেখা পড়ে ইন-সার্ভিসরা রেগে যাবেন না বরং অনুভব করবেন, কারণ আপনিও একদিন বেকার ফ্রেশার ছিলেন । প্রকৃত সত্যটাই এই লেখায় ব্যক্ত হয়েছে ।
যে মানুষগুলো আপনার থেকে অনেক বেশি পেয়েও আজ প্রাথমিক তালিকায় আসতে পারলো না তার কি অপরাধ ছিল ?
চাকরি চুরি আর চাকরি ডাকাতির জটিল সমীকরণে তার চোখে কেন আজ জল ? উত্তরটা দিয়ে যান না প্লিজ ?
10 নাম্বারের দয়ার দান যদি যুক্ত না হতো আজ ক্লাসরুমে 27 জন ফ্রেশার নয় বরং 125 জন পাশ করতো । এই অপূরণীয় ক্ষতির খেসারত কে দেবে ?
চাকরি ফিরে পাবেন ঠিকই লজ্জা ঢাকতে পারবেন না কোনো দিন ... আর এর জন্য আপনিও পুরোটা দায়ী নন । এই কলঙ্কিত অধ্যায়ের কান্ডারিতো সেই হীরকের রাণী।
ফ্রেশাররা চোখের জল মুছে নাও... এই পরিকল্পিত ডাকাতির প্রতিশোধ নেওয়ার দিন আসবে একদিন । অযোগ্যদের মুখের উপর যোগ্য জবাব দেওয়ার দিন আসবে তোমারও ।
ক্লাসরুমের যে 27 জন ফ্রেশার ক্যান্ডিডেট প্রাথমিক তালিকায় এসেছো তাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন হতে চলেছে আগামীতে , এক মুহূর্ত নষ্ট না করে প্রস্তুতি নাও । নিজের নামটা ফাইনাল মেধা তালিকায় রাখাটা চ্যালেঞ্জের হতে চলেছে । সর্বোপরি সকল ফ্রেশার ও ইন-সার্ভিস সফল ক্যান্ডিডেটকে প্রাথমিক পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য অভিনন্দন ।
ধন্যবাদ 🙏
আর অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের নিজস্ব App থেকে লাইভে আসা হবে । সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যে কোনো কেউ যুক্ত হতে পারবে ।
এখনো তালিকা প্রকাশ করতে অনেক বাকি । ভাগ্যিস রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার আগেই প্রায় 150 জনের ইন্টারভিউ সম্পন্ন হয়েছিলো । ক্লাসরুমের প্রত্যেককে সুযোগ দেওয়া হবে মক ইন্টারভিউয়ের জন্য । প্রায় 250 ক্যান্ডিডেট । সময় লাগবে, তবে ধৈর্য ধরতে হবে । ইতিমধ্যেই আটটি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে । আরো চারটি নতুনদের তালিকা প্রকাশিত হবে ।
ক্লাসের এই অভূতপূর্ব সফলতার একমাত্র অবলম্বন ছিলো আমাদের শৃঙ্খলা আর চুলচেরা বিশ্লেষণ করে প্রতিটি পার্টের অধ্যায়ন করা । আগামীর সমস্ত নিয়োগে Geotutorial Classroom এ রাজ্যে অদ্বিতীয় ভাবে নজির সৃষ্টি করবে । এটাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ।