GAZA LIVE
3.3K subscribers
29.7K photos
21.1K videos
57 files
516 links
All Time Gaza Update News
Download Telegram
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইসরায়েলি মন্ত্রী আমিচাই চিকলি:

ইয়াহিয়া সিনওয়ার এবং মুহাম্মদ আল-শারার মধ্যে আদর্শিক কোনো পার্থক্য নেই।

আমি মনে করি ওয়াশিংটনে তাকে গ্রহণ করা খুবই সমস্যাজনক।

[mh]
🔘 ইসলাম ইনসাইট - টেকনোলজি

🔴 রাতের আকাশ থেকে তৈরী হবে বিদ্যুৎ


আমরা ভাবি, রাত শুধু তারার আলো আর পৃথিবীর বিশ্রাম। কিন্তু জানেন কি, রাতেই পৃথিবী সূর্যের জমে থাকা তাপ ধীরে ধীরে মহাকাশে পাঠিয়ে দেয়? আর ঠিক এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকেই কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া–ডেভিস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীরা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করেছেন যা রাতের আকাশকে "ঠান্ডা জলাধার" হিসেবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে!

বিজ্ঞানী জেরেমি ম্যান্ডে এর নেতৃত্বে বানানো এই ছোট আউটডোর ইঞ্জিনে রয়েছে উষ্ণ ও শীতল প্লেট। পৃথিবীর তাপ নিচের প্লেটকে গরম রাখে, আর রাতের আকাশের অত্যন্ত স্বচ্ছ "অ্যাটমোসফেরিক উইন্ডো" উপরের প্লেটকে ঠান্ডা করে। এই দুই প্লেটের তাপমাত্রার ফারাক প্রায় –৭.৮°C যা থেকেই শক্তি পাওয়া যায়।

ইঞ্জিনটি স্টার্লিং ইঞ্জিন নকশায় তৈরি বন্ধ গ্যাস গরম হয়ে প্রসারিত হয়, ঠান্ডায় সংকুচিত হয় এবং একটি ছোট ফ্লাইহুইল ঘুরিয়ে জেনারেটরের মতো বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি একটি পাখা সরাসরি চালাতে সক্ষম, এবং ভবিষ্যতে প্রতি বর্গমিটারে কয়েক ওয়াট পর্যন্ত স্থায়ী বিদ্যুৎ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে ভবিষ্যতে কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্রীনহাউস, ঘরবাড়ি কিংবা দূরবর্তী এলাকায় রাতের বেলা বায়ু চলাচল ও কম-ক্ষমতার বিদ্যুৎ সরবরাহ সবই পাওয়া যেতে পারে রাতের আকাশের ঠান্ডা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে।
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ফরিদপুরে সমকামী গ্রুপের সদস্যদেরকে ধরে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা। বাংলার জমিনে সমকামিতা চলবে না
10
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কাটজ:

ইসরায়েলের নীতি একদম পরিষ্কার: কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে না।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (সিরিয়ার) মাউন্ট হারমনের চূড়ায় এবং নিরাপত্তা অঞ্চলে অবস্থান বজায় রাখবে।

গাজা পুরোপুরি সামরিক ক্ষমতাহীন করা হবে — শেষ টানেল পর্যন্ত ধ্বংস করা হবে।

হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে — গাজার “হলুদ অংশে” সেনাবাহীনি এবং “পুরনো গাজায়” আন্তর্জাতিক বাহিনী (না হলে ইসরায়েলি বাহিনী নিজেই) এই কাজ করবে।

[mh]
1
চীনা থ্রিডি প্রিন্টারের ওপর নির্ভর করছে ব্রিটিশ আর্মি—নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

ব্রিটিশ সেনাবাহিনী বর্তমানে চীনে তৈরি থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে অস্ত্র তৈরি করছে, যার মধ্যে “সুইসাইড ড্রোন”-ও অন্তর্ভুক্ত—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য টেলিগ্রাফ।

এই প্রযুক্তি ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় চীনের অনুপ্রবেশের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এটি যেন বেইজিংকে যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থার “একটি ব্যাকডোর চাবি” তুলে দেওয়ার মতো।

অনেকে অভিযোগ আনছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (MoD) মূলত নিরাপত্তার চেয়ে খরচ কমানোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, ঠিক যেমন অতীতে হুয়াওয়ে–সংক্রান্ত বিতর্কে দেখা গেছে।

সোর্স: দ্য টেলিগ্রাফ
[mh]
পৃথিবীর মানুষ যখন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে গাজা তখন সাঁতার কাটছে...
কিন্তু গা য যা র তাঁবুতে অসহায় উম্মাহ জেগে আছে—এই ভয়ে যে টিন বা ছাউনিটা বর্ষণের চাপে তাদের ওপর ভেঙে পড়ে যেতে পারে।

মালিক! তুমি হেফাজত করো আল্লাহ!
😢2
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন প্রস্তাব সম্পর্কিত ফিলিস্তিনি শক্তিগুলোর যৌথ রাজনৈতিক স্মারক

ফিলিস্তিনের জাতীয় শক্তি ও প্রতিরোধধারী সকল দল এক যৌথ স্মারকে নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপিত মার্কিন প্রস্তাব—যা গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলে—তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র সতর্কতা প্রকাশ করেছে। দলগুলো স্পষ্টভাবে জানায়, এই প্রস্তাব গাজা উপত্যকায় আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব চাপিয়ে দেওয়ার নতুন কৌশল এবং দখলদার ইসরায়েলকে সুবিধা দিতে পরিকল্পিত এক বিপজ্জনক কাঠামো।

স্মারকে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত রূপায়ণ ফিলিস্তিনের জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং গাজার অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও পুনর্গঠনকে “উপরিকাঠামোগত আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের” হাতে তুলে দেওয়ার প্রচেষ্টা—যা ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজস্ব ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে।

দলগুলো জোর দিয়ে জানায়, মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত সকল কার্যক্রম অবশ্যই ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠান ও জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতে হবে—এবং তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল বা গাজার বাস্তবতা পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, বিদেশি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা ব্যবস্থাকে রূপান্তর করলে তা একদিকে ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ক্ষুণ্ণ করবে, অন্যদিকে ইউএনআরডব্লিউএ-র গুরুত্বপূর্ণ মান্দেটকেও দুর্বল করবে, যা ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংকটের ওপর আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সাক্ষ্য বহন করছে।

এতে স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়—
গাজা নিরস্ত্রীকরণ বা ফিলিস্তিনি জনগণের স্ব-রক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা সর্বাংশে প্রত্যাখ্যাত। এই অধিকার আন্তর্জাতিক আইন স্বীকৃত, এবং অস্ত্র–প্রতিরোধ বিষয়ক যে কোনো আলোচনা কেবলমাত্র জাতীয় অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে—যা দখলদারিত্বের অবসান, স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সাথে সংশ্লিষ্ট।

প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও দলগুলো প্রবল আপত্তি জানায়। স্মারকে বলা হয়, বর্তমান কাঠামো বাহিনীকে কার্যত দখলদার ইসরায়েলের স্বার্থসেবী করে তুলতে পারে। যদি কোনো আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তা অবশ্যই জাতিসংঘের পূর্ণ কর্তৃত্বে, এবং কেবলমাত্র ফিলিস্তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে—দখলদারের সঙ্গে কোনো ধরণের সমন্বয় বা কর্তৃত্ব ভাগাভাগি ছাড়াই।
এ বাহিনীর কাজ হবে কেবল:
• বেসামরিকদের সুরক্ষা
• ত্রাণ প্রবাহ নিশ্চিত করা
• সংঘর্ষের পক্ষগুলোকে পৃথক রাখা
অথচ গাজার ওপর নিরাপত্তা বা প্রশাসনিক কর্তৃত্ব গ্রহণ কখনোই নয়।

স্মারকে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি, আন্তর্জাতিক ঘাঁটি স্থাপন বা গাজার ওপর যেকোনো ধরণের সরাসরি অভিভাবকত্বকে সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

দলগুলো আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার আহ্বান জানায়, যাতে ইসরায়েল তার অবরোধ, বেসামরিকদের ক্ষুধার্ত রাখা এবং গাজার প্রবেশদ্বারগুলোতে অবৈধ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশ্বমঞ্চে জবাবদিহিতার আওতায় আসে।

স্মারকের উপসংহারে বলা হয়—
গাজা পরিচালনার ক্ষেত্রে আরব–ইসলামিক সমন্বিত মডেলই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য কাঠামো। এবং গাজা সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত অবশ্যই ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীন ইচ্ছা, জাতীয় ঐক্য এবং “ভূমি–জনগণ–কাজের একতা” নীতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে হবে।


ফিলিস্তিনি দল ও জাতীয় শক্তিসমূহ
রবিবার, ২৫ জমাদিউল আউলা ১৪৪৭ হি.
১৬ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি.
2
গাজার এক উদ্বাস্তু মানুষ চেষ্টা করছেন তাঁর ভেঙে পড়া তাঁবুটি আবার দাঁড় করাতে—
শুক্রবার থেকে উপত্যকাজুড়ে বয়ে যাওয়া নিম্নচাপের তীব্র আঘাতে আশ্রয়হীনদের এই নতুন দুর্ভোগ।
😢2
সবাই হ্যাশট্যাগের ঝড় তুলুন! এবং বেশি বেশি শেয়ার করুন।
#Boycott_Nagad

— Save Our Sisters (Official)
তুরস্কের টোলগা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল পরীক্ষা

তুর্কি প্রতিরক্ষা কোম্পানি এমকেই তাদের নতুন টোলগা স্বল্প-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম লাইভ-ফায়ার পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। আটটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে সিস্টেমটি শতভাগ সাফল্য দেখিয়েছে।

পরীক্ষায় ড্রোন শনাক্তকরণ, জ্যামিং এবং নিজস্বভাবে তৈরি গোলাবারুদ দিয়ে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার সক্ষমতা কার্যকরভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এমকেই জানিয়েছে, টোলগা এখন গণউৎপাদনের জন্য প্রস্তুত এবং এটি স্থাপনা, যানবাহন ও নৌমঞ্চসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করা যাবে। (hn)
2
সৌদি জানিয়ে দিল: নেতানিয়াহু সরকার থাকলে কোনোমতেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের মতে, সৌদি আরব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে— প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং বিশেষ করে কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রী স্মোটরিচ ও বেন-গভির ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো স্বাভাবিকীকরণ হবে না।

রিয়াদ বলছে, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হলে একটি সুস্পষ্ট ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা অপরিহার্য। (hn)
1
তুরস্কের ইইউ সদস্যপদে ‘নতুন অগ্রগতির’ ইঙ্গিত দিলেন হাকান ফিদান

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, জার্মান চ্যান্সেলর মের্জের মন্তব্যের পর ইইউ-তে তুরস্কের যোগদান প্রক্রিয়ায় “নতুন অগ্রগতি” দেখা যেতে পারে।

তিনি জানান, জার্মানির সমর্থন ইইউ–তুরস্ক আলোচনায় একটি নতুন রাজনৈতিক ইচ্ছার সংকেত দিচ্ছে।

ফিদান আরও বলেন:

ইইউ এখন নিরাপত্তা ইস্যুতে বড় ধরনের গুরুত্ব দিচ্ছে।

এতে রয়েছে ১৫০ বিলিয়ন ইউরোর প্রতিরক্ষা তহবিল এবং ৮০০ বিলিয়ন ইউরোর আর্থিক প্যাকেজ।

তুরস্কের অবকাঠামো এখন ইউরোপের সমমানের, এবং এর বেশিরভাগই ইইউ সহায়তা ছাড়াই নির্মিত।


সাইপ্রাস বিষয়ে ফিদান পরিষ্কারভাবে জানান, তুর্কি সাইপ্রিয়টরা “দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকত্ব” কখনোই মেনে নেবে না।

তিনি বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই দ্বীপে সবচেয়ে স্থিতিশীল বিকল্প। (hn)
ইরানে ভয়াবহ খরা: বৃষ্টি আনতে শুরু হলো ক্লাউড সিডিং অভিযান

ইরান কয়েক দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ খরার মুখোমুখি হয়ে আকাশে ক্লাউড সিডিং ফ্লাইট চালানো শুরু করেছে। দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত ৮৯% কমে যাওয়ায় বড় বড় বাঁধ—যেমন তেহরানের আমিরকাবির—প্রায় খালি হয়ে গেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,
এ অবস্থায় পানির রেশনিং শুরু করতে হতে পারে। বৃষ্টি না হলে কিছু এলাকায় মানুষ সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনও হতে পারে।

প্রাথমিকভাবে উর্মিয়া লেক বেসিনে ক্লাউড সিডিং চালানো হয়েছে। জলাধারগুলো এক অঙ্কের সক্ষমতায় নেমে যাওয়ায় আরও ফ্লাইট পরিকল্পনায় রয়েছে। (hn)
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
শুধুমাত্র কুরআন পড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার!

সেলিম উদ্দিন নিজ বাড়িতে শিশুদের কু'রআন শিক্ষা দিচ্ছিলেন!
"বজরং দল" এবং "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের" সদস্যরা দাবি করে শিশুদের জঙ্গি বানাচ্ছে তিনি। পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে তাকে গ্রেফতার করে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন!

এখন মুসলিম অভিভাবকগন তাদের বাচ্চাদের ঘরেই কুরআন শিক্ষা দিচ্ছে..
🤬4
ইন্না-লিল্লাহ,
গতকাল মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে মর্মান্তিক এক্সিডেন্টে ৪২ জন ভারতীয় যাত্রী নিহত হয়েছেন।
😢10
আজ ধানমণ্ডি লেকের পাড়ে ইন্টারিমের বাহিনী যে পরিমাণ বীরত্ব দেখাচ্ছে গত এক সপ্তাহে তা দেখাতে পারে নাই।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে ঘায়েল করার চেয়ে প্রতিবাদী ছাত্রদের সঙ্গে মারামারি করার মজাটা তারা কি এখনো ছাড়তে পারে নাই?
2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুলিশ সেনাবাহিনী আজকে ছাত্রদের বিরুদ্ধে ফুল এ্যাকশনে...
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
০ থেকে ৮ বছর পর্যন্ত শিশুদের তালিকা, যারা ইজ্রা.য়েল কর্তৃক নৃ.শংস হ.ত্যাকা.ণ্ডের শিকার হয়ে শহিদ হয়েছে...
😢5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুলিশের উপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই!!
😁3
بسم الله الرحمن الرحيم
ঘোষণা – সংবাদ বিবৃতি

গাজায় ক্রমশ অবনতিশীল মানবিক বিপর্যয়—
অবরোধ প্রত্যাহার, সীমান্ত খুলে দেওয়া এবং সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত করতে
উম্মাহ ও বিশ্ববাসীর প্রতি আরও জোরালো আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান
:

• দুই বছরব্যাপী গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর গাজায় খাদ্য, ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, তাঁবু, আশ্রয়সামগ্রী এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার সম্পূর্ণ পতন—এই সব মিলিয়ে আমাদের নিরস্ত্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ করে শিশু ও নারীদের জীবনে আসন্ন মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করেছে। শীতের কঠিন আবহাওয়া ও লাগাতার বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

• যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন, আক্রমণ বৃদ্ধি, সীমান্ত বন্ধ করে মানবিক সহায়তা আটকে রাখা—এই সবকিছুর পূর্ণ দায় বহন করছে ফ্যাসিবাদী দখলদার। গাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করছে।

• আমরা চুক্তির জামিনদার দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—
মানবিক প্রোটোকল বাস্তবায়নে দখলদারকে বাধ্য করতে অবিলম্বে কঠোর চাপ প্রয়োগ করুন।
রাফাহসহ সব সীমান্ত খুলে দিন, যাতে খাদ্য, ওষুধ, আশ্রয়সামগ্রী ও জরুরি ত্রাণ নির্বিঘ্নে প্রবেশ করতে পারে।
রোগীদের বের হতে দেওয়া এবং মানুষজনের যাতায়াতও নিশ্চিত করুন।

• আন্তর্জাতিক নীরবতা ও অক্ষমতা—দখলদারের অব্যাহত অপরাধকে আরও সাহসী করে তুলছে। দুই মিলিয়নেরও বেশি অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি আজ জীবনধারণের ন্যূনতম উপকরণ থেকেও বঞ্চিত। এই নীরবতা ভবিষ্যতের মানবিক বিপর্যয়কে আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী করবে।

• আমরা আমাদের আরব-ইসলামী উম্মাহ এবং বিশ্বের সকল মুক্ত মানুষকে আবারও ডাক দিচ্ছি—
আপনাদের গণআন্দোলন চালিয়ে যান, আওয়াজ তুলুন, চাপ তৈরি করুন।
নিরপরাধ নাগরিকদের ওপর আগ্রাসন বন্ধ করতে, অবরোধ ভেঙে গাজায় সহায়তা পৌঁছাতে এবং সীমান্ত স্থায়ীভাবে খুলে দিতে আপনার আন্দোলন আজ আগের চেয়ে বেশি জরুরি।

হামাস – ইসলামিক প্রতিরোধ আন্দোলন
সোমবার, ২৬ জমাদিউল উলা ১৪৪৭ হি.
১৭ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি.
3
এই আদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কতটুকু কার্যকর হবে সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু রাজনৈতিক মাঠে আওয়ামী লীগ এবং খু.নী হাসিনার জন্য এই রায় ভালোই প্রভাব ফেলবে। আদালতকে ধন্যবাদ। আশা করবো, উচ্চ আদালত টালবাহানা করে এই রায় যেন স্থগিত করে করে না দেয়।
1