অনেকেই মনে করে, গুগল থেকে অথবা বাজারের চটি বই থেকে ভেষজের কয়েকটি গুনাগুন জেনে টোটকা (মূলত ক'কটেল) বানিয়ে দিলেই প্রাকৃতিক চিকিৎসা হয়ে গেল!
আসলে প্রকৃত বিষয়টা তা নয়! বরং প্রাকৃতিক চিকিৎসা মিজায ভিত্তিক হয়ে থাকে এবং প্রতিটা ভেষজেরও ভিন্ন ভিন্ন মেজাজ আছে। রোগী এবং ভেষজের মেজাজ বুঝে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হয়। জ্বি ভাই! এটা রকেট সাইন্স না যে, আন্দাজে একটা টোটকা দিয়ে দিলেই মানুষের বিশাল খেদমত হয়ে গেল!! যারা এমনটা করেন বা মনে করেন, তাদের জন্য নিচের হাদিসটা জানা জরুরী!
✓রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "যে ব্যক্তি মানুষের চিকিৎসা করে, অথচ সে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত নয়, সে (রোগীর ক্ষতি হলে) দায়ী হবে"। [সুনানে নাসায়ী- ৪৮৩০, আবু দাউদ, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ]
সুতরাং যে সকল আধুনিক চিকিৎসক, রাক্কি চিকিৎসক, সাপ্লিমেন্ট ব্যবসায়ী এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা গুগল অথবা চটি বই থেকে দু-চারটা টোটকা মেরে দেন, তারা অবশ্যই দায়ী হবেন।
প্রধান মিজায গুলোর বৈশিষ্ট্যসমূহ...
১. দামাভি মিজাজ (রক্ত প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের বায়ু প্রকৃতির সাথে এটার মিল আছে।)
খিলত: দাম (রক্ত)
প্রকৃতি: (Hot & Moist)
✓ শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল, লালচে বা গোলাপি, দেহ মাংসল ও সুগঠিত, শিরা স্পষ্ট, রক্ত সঞ্চালন ভালো।
✓ মানসিক বৈশিষ্ট্য:
আনন্দপ্রিয়, সামাজিক ও বন্ধুবৎসল, আত্মবিশ্বাসী ও আশাবাদী, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়।
⚠️ রোগ সমূহ...
উচ্চ রক্তচাপ, রক্তের আধিক্যজনিত সমস্যা, চর্মরোগ, অতিরিক্ত কামনা।
২. বলগমি মিজাজ (কফ প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের কফ প্রকৃতির সাথে মিল আছে।)
খিলত: বলগম
প্রকৃতি: (Cold & Moist)
✓ শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
গাত্রবর্ণ ফ্যাকাশে বা সাদা, দেহ স্থূল বা ভারী, ত্বক ঠান্ডা ও আর্দ্র।
✓ মানসিক বৈশিষ্ট্য:
ধীর- স্থির ও শান্ত, প্রতিক্রিয়া কম, অলস প্রকৃতির, কম আবেগপ্রবণ।
⚠️ রোগ সমূহ..
স্থূলতা,ঠান্ডাজনিত রোগ, শ্লেষ্মাজনিত কাশি, হাঁপানি।
৩. সফরাভি মিজাজ (পিত্ত প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের পিত্ত প্রকৃতির সাথে মিল আছে।)
খিলত: সফরা (পিত্ত)
প্রকৃতি: (Hot & Dry)
✓ শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
দেহ শুকনো ও পাতলা, ত্বক উষ্ণ ও শুষ্ক,
তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, চুল পাতলা ও দ্রুত পাকা।
✓ মানসিক বৈশিষ্ট্য:
বুদ্ধিমান ও দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল, রাগপ্রবণ, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন, অতিরিক্ত চিন্তাশীল।
⚠️ রোগ সমূহ...
গ্যাস্ট্রিক, অম্বল, লিভারের সমস্যা, অনিদ্রা।
৪. সওদাভী মিজাজ (অম্ল প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের পিত্ত প্রকৃতির সাথে মিল আছে।)
খিলত: সওদা (কালো পিত্ত/অম্ল)
প্রকৃতি: (Cold & Dry)
✓শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
গাত্রবর্ণ কালচে বা শ্যামলা, দেহ শুকনো ও শক্ত, ত্বক রুক্ষ, হাড় স্পষ্ট।
✓মানসিক বৈশিষ্ট্য:
গভীর চিন্তাশীল, সংবেদনশীল, অন্তর্মুখী,
সন্দেহপ্রবণ, একাকিত্ব পছন্দ করে।
⚠️ রোগ সমূহ...
বিষণ্ণতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, আর্থ্রাইটিস, ত্বকের রুক্ষতা।
ফাইনালি, আপনি কি আসলেও রোগী ও ভেষজের মেজাজ বুঝে চিকিৎসা করেন? নাকি গুগল অথবা চটি বই থেকে টোটকা মেরে দেন! এছাড়াও প্রাকৃতিক চিকিৎসার বেশ কিছু মৌলিক বিষয় রয়েছে, সেগুলো কি আপনার জানা আছে?! যদি এগুলো না জেনেই অন্ধের মত চিকিৎসা করেন তাহলে শেষ বিচারের দিন দায়ী হবেন, সন্দেহ নেই।
আসলে প্রকৃত বিষয়টা তা নয়! বরং প্রাকৃতিক চিকিৎসা মিজায ভিত্তিক হয়ে থাকে এবং প্রতিটা ভেষজেরও ভিন্ন ভিন্ন মেজাজ আছে। রোগী এবং ভেষজের মেজাজ বুঝে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হয়। জ্বি ভাই! এটা রকেট সাইন্স না যে, আন্দাজে একটা টোটকা দিয়ে দিলেই মানুষের বিশাল খেদমত হয়ে গেল!! যারা এমনটা করেন বা মনে করেন, তাদের জন্য নিচের হাদিসটা জানা জরুরী!
✓রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "যে ব্যক্তি মানুষের চিকিৎসা করে, অথচ সে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত নয়, সে (রোগীর ক্ষতি হলে) দায়ী হবে"। [সুনানে নাসায়ী- ৪৮৩০, আবু দাউদ, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ]
সুতরাং যে সকল আধুনিক চিকিৎসক, রাক্কি চিকিৎসক, সাপ্লিমেন্ট ব্যবসায়ী এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা গুগল অথবা চটি বই থেকে দু-চারটা টোটকা মেরে দেন, তারা অবশ্যই দায়ী হবেন।
প্রধান মিজায গুলোর বৈশিষ্ট্যসমূহ...
১. দামাভি মিজাজ (রক্ত প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের বায়ু প্রকৃতির সাথে এটার মিল আছে।)
খিলত: দাম (রক্ত)
প্রকৃতি: (Hot & Moist)
✓ শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল, লালচে বা গোলাপি, দেহ মাংসল ও সুগঠিত, শিরা স্পষ্ট, রক্ত সঞ্চালন ভালো।
✓ মানসিক বৈশিষ্ট্য:
আনন্দপ্রিয়, সামাজিক ও বন্ধুবৎসল, আত্মবিশ্বাসী ও আশাবাদী, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়।
⚠️ রোগ সমূহ...
উচ্চ রক্তচাপ, রক্তের আধিক্যজনিত সমস্যা, চর্মরোগ, অতিরিক্ত কামনা।
২. বলগমি মিজাজ (কফ প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের কফ প্রকৃতির সাথে মিল আছে।)
খিলত: বলগম
প্রকৃতি: (Cold & Moist)
✓ শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
গাত্রবর্ণ ফ্যাকাশে বা সাদা, দেহ স্থূল বা ভারী, ত্বক ঠান্ডা ও আর্দ্র।
✓ মানসিক বৈশিষ্ট্য:
ধীর- স্থির ও শান্ত, প্রতিক্রিয়া কম, অলস প্রকৃতির, কম আবেগপ্রবণ।
⚠️ রোগ সমূহ..
স্থূলতা,ঠান্ডাজনিত রোগ, শ্লেষ্মাজনিত কাশি, হাঁপানি।
৩. সফরাভি মিজাজ (পিত্ত প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের পিত্ত প্রকৃতির সাথে মিল আছে।)
খিলত: সফরা (পিত্ত)
প্রকৃতি: (Hot & Dry)
✓ শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
দেহ শুকনো ও পাতলা, ত্বক উষ্ণ ও শুষ্ক,
তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, চুল পাতলা ও দ্রুত পাকা।
✓ মানসিক বৈশিষ্ট্য:
বুদ্ধিমান ও দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল, রাগপ্রবণ, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন, অতিরিক্ত চিন্তাশীল।
⚠️ রোগ সমূহ...
গ্যাস্ট্রিক, অম্বল, লিভারের সমস্যা, অনিদ্রা।
৪. সওদাভী মিজাজ (অম্ল প্রকৃতি)
(আয়ুর্বেদিকের পিত্ত প্রকৃতির সাথে মিল আছে।)
খিলত: সওদা (কালো পিত্ত/অম্ল)
প্রকৃতি: (Cold & Dry)
✓শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
গাত্রবর্ণ কালচে বা শ্যামলা, দেহ শুকনো ও শক্ত, ত্বক রুক্ষ, হাড় স্পষ্ট।
✓মানসিক বৈশিষ্ট্য:
গভীর চিন্তাশীল, সংবেদনশীল, অন্তর্মুখী,
সন্দেহপ্রবণ, একাকিত্ব পছন্দ করে।
⚠️ রোগ সমূহ...
বিষণ্ণতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, আর্থ্রাইটিস, ত্বকের রুক্ষতা।
ফাইনালি, আপনি কি আসলেও রোগী ও ভেষজের মেজাজ বুঝে চিকিৎসা করেন? নাকি গুগল অথবা চটি বই থেকে টোটকা মেরে দেন! এছাড়াও প্রাকৃতিক চিকিৎসার বেশ কিছু মৌলিক বিষয় রয়েছে, সেগুলো কি আপনার জানা আছে?! যদি এগুলো না জেনেই অন্ধের মত চিকিৎসা করেন তাহলে শেষ বিচারের দিন দায়ী হবেন, সন্দেহ নেই।
❤3🔥1
সম্প্রতি মাইগ্রেনের ব্যথায় ইউএনও ফেরদৌস আরা মারা গিয়েছেন! এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে!! মূল ভিডিও লিংক...
https://www.facebook.com/share/v/1Bo6iV1y7v/
আমার ধারণা, ওনার মাইগ্রেনের সাথে উচ্চ রক্তচাপ এবং মানসিক চাপ ছিল। আর, এ সবগুলো বিষয়ের আধুনিক কোনো স্থায়ী সমাধান নেই! অথচ মাইগ্রেনসহ এ সবগুলো রোগের শতভাগ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে। এ বিষয়ে পূর্বে আমি একাধিক পোস্ট করেছি। মাইগ্রেন নিয়ে আমার গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা...
https://www.facebook.com/share/p/1BgBwmbq2w/
কিন্তু, অনেকেই না জানার কারণে অহেতুক কষ্ট ভোগ করছেন। গ্যারান্টি দেওয়া জায়েজ হলে এ বিষয়গুলো আমি গ্যারান্টি দিতাম। যাহোক, যারা প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে মাইগ্রেন, উচ্চ রক্তচাপ অথবা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে চান তারা হোয়াটসঅ্যাপে অথবা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।।
✓আমার ব্যক্তিগত চেম্বার:
ডক্টর'স হিজামা এন্ড হেলথ
মাসুমপুর (আশরাফুল মডেল মাদ্রাসার পাশে), সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ।
মোবাইল: ০১৯৭০-৭৯৯৪৬৭
তবে, দূরের রোগীকে অবশ্যই ফোন করে সিরিয়াল নিয়ে আসতে হবে।
রোগী দেখার সময়:
প্রতি রবি, মঙ্গল এবং বৃহস্পতিবার আসরের পর থেকে এশা পর্যন্ত। শুক্রবার সারাদিন।
https://www.facebook.com/share/v/1Bo6iV1y7v/
আমার ধারণা, ওনার মাইগ্রেনের সাথে উচ্চ রক্তচাপ এবং মানসিক চাপ ছিল। আর, এ সবগুলো বিষয়ের আধুনিক কোনো স্থায়ী সমাধান নেই! অথচ মাইগ্রেনসহ এ সবগুলো রোগের শতভাগ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে। এ বিষয়ে পূর্বে আমি একাধিক পোস্ট করেছি। মাইগ্রেন নিয়ে আমার গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা...
https://www.facebook.com/share/p/1BgBwmbq2w/
কিন্তু, অনেকেই না জানার কারণে অহেতুক কষ্ট ভোগ করছেন। গ্যারান্টি দেওয়া জায়েজ হলে এ বিষয়গুলো আমি গ্যারান্টি দিতাম। যাহোক, যারা প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে মাইগ্রেন, উচ্চ রক্তচাপ অথবা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে চান তারা হোয়াটসঅ্যাপে অথবা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।।
✓আমার ব্যক্তিগত চেম্বার:
ডক্টর'স হিজামা এন্ড হেলথ
মাসুমপুর (আশরাফুল মডেল মাদ্রাসার পাশে), সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ।
মোবাইল: ০১৯৭০-৭৯৯৪৬৭
তবে, দূরের রোগীকে অবশ্যই ফোন করে সিরিয়াল নিয়ে আসতে হবে।
রোগী দেখার সময়:
প্রতি রবি, মঙ্গল এবং বৃহস্পতিবার আসরের পর থেকে এশা পর্যন্ত। শুক্রবার সারাদিন।
#একজন_রোগীর_ফিডব্যাক🔥
মহিলা এ রোগী খুবই সাদাসিদে। তার একটি ছেলে আছে।
তিনি তার ছেলেকে মাদ্রাসায় দিয়েছেন। এর আগেও তিন এখানে এসেছিলেন, তার ছেলের ঠান্ডা-জ্বরের সমস্যার জন্য। তো আউটডরে সাধারণত রোগী না থাকলে চিকিৎসা দেওয়া হয় না। এজন্য অন্য রুম থেকে তাকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল (এটাই নিয়ম)। তবে আমাকে অনেক রিকোয়েস্ট করে বলেছিল, ছেলে মাদ্রাসায় আছে। নিয়ে আসলে যেতে চায় না। তো এজন্য তার বিস্তারিত বর্ণনা শুনে আমি চিকিৎসা দিয়ে দিয়েছিলাম।
যাহোক আজ তিনি এসে জানালেন, ওনার ছেলে সুস্থ হয়েছেন এবং নিজের জন্য চিকিৎসা নিয়ে গেলেন। ছেলেকে আলেম বানাবেন, এজন্য আশেপাশের কেউ কেউ কটু কথা বলে, স্কুলে দেওয়ার কথা বলে। আমি বললাম, অন্যের কথায় কান দেয়ার দরকার নেই। আপনি যেটা নিয়ত করেছেন সেটাই করুন। অনেক খুশি হলেন এবং বললেন আর কিছু পাই না পাই, ছেলে তো আমার জানাজা পরাতে পারবে!
তার কথা শুনে ভালো লাগলো, শেষে তিনি ছেলের জন্য দোয়া চাইলেন।
মহিলা এ রোগী খুবই সাদাসিদে। তার একটি ছেলে আছে।
তিনি তার ছেলেকে মাদ্রাসায় দিয়েছেন। এর আগেও তিন এখানে এসেছিলেন, তার ছেলের ঠান্ডা-জ্বরের সমস্যার জন্য। তো আউটডরে সাধারণত রোগী না থাকলে চিকিৎসা দেওয়া হয় না। এজন্য অন্য রুম থেকে তাকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল (এটাই নিয়ম)। তবে আমাকে অনেক রিকোয়েস্ট করে বলেছিল, ছেলে মাদ্রাসায় আছে। নিয়ে আসলে যেতে চায় না। তো এজন্য তার বিস্তারিত বর্ণনা শুনে আমি চিকিৎসা দিয়ে দিয়েছিলাম।
যাহোক আজ তিনি এসে জানালেন, ওনার ছেলে সুস্থ হয়েছেন এবং নিজের জন্য চিকিৎসা নিয়ে গেলেন। ছেলেকে আলেম বানাবেন, এজন্য আশেপাশের কেউ কেউ কটু কথা বলে, স্কুলে দেওয়ার কথা বলে। আমি বললাম, অন্যের কথায় কান দেয়ার দরকার নেই। আপনি যেটা নিয়ত করেছেন সেটাই করুন। অনেক খুশি হলেন এবং বললেন আর কিছু পাই না পাই, ছেলে তো আমার জানাজা পরাতে পারবে!
তার কথা শুনে ভালো লাগলো, শেষে তিনি ছেলের জন্য দোয়া চাইলেন।
❤1
FDA কমিশনার Dr. Makary বলেন, বর্তমানে আমাদের ফোরটি পার্সেন্ট শিশু ক্রনিক ডিজিজে আক্রান্ত!
এগুলো আসলে তাদের ফল্ট বা ভুল নয় বরং এজন্য আমরা বয়স্করাই দায়ী, যেটা আমরা শিশুদের উপর করেছি!!
সুতরাং এটাকে আমাদেরই সমাধান করতে হবে।
এগুলো আসলে তাদের ফল্ট বা ভুল নয় বরং এজন্য আমরা বয়স্করাই দায়ী, যেটা আমরা শিশুদের উপর করেছি!!
সুতরাং এটাকে আমাদেরই সমাধান করতে হবে।
আপনার খাবার যদি ভুল হয়, তাহলে কোনো ওষুধই আপনাকে সুস্থ রাখতে পারবে না।
এজন্য সাদা চিনি, সাদা আটা, পলিশকৃত চাউল, রিফাইন লবণ, প্যাকেটজাত খাবার, সফট ড্রিংকস বর্জন করুন। কারণ, এগুলো ধীরে ধীরে আপনার শরীর ধ্বংস করে দিবে, এক কথায় এগুলো হল স্লো পয়জন।
তাহলে কি করবেন?!
হ্যাঁ, আপনি অবশ্যই Whole food খাবেন, গুড ফ্যাট খাবেন, খাবার পরিমাণে কম খাবেন এবং দুই বেলা খাবেন।
এজন্য সাদা চিনি, সাদা আটা, পলিশকৃত চাউল, রিফাইন লবণ, প্যাকেটজাত খাবার, সফট ড্রিংকস বর্জন করুন। কারণ, এগুলো ধীরে ধীরে আপনার শরীর ধ্বংস করে দিবে, এক কথায় এগুলো হল স্লো পয়জন।
তাহলে কি করবেন?!
হ্যাঁ, আপনি অবশ্যই Whole food খাবেন, গুড ফ্যাট খাবেন, খাবার পরিমাণে কম খাবেন এবং দুই বেলা খাবেন।
❤1
ইসলামের দৃষ্টিতে চিকিৎসা বিধান:
✓একজন মানুষ যখন অসুস্থ হয় তখন তার করণীয় কী? এ ব্যাপারে বিশ্বনবী সা. আমাদের শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন। জায়েদ ইবনে আসলাম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এক ব্যক্তির (শরীর) জখম হয়েছিল। সেই জখমে রক্ত জমে গিয়েছিল। অতঃপর লোকটি বনি আনমার গোত্রের দুই ব্যক্তিকে (চিকিৎসককে) ডেকে আনলেন।
তারা এসে (যখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে) দেখল। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের উভয়ের মধ্যে কে চিকিৎসায় বেশি অভিজ্ঞ? তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! চিকিৎসা করার ফলে কোনো উপকার আছে কি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ওষুধ তো তিনিই নাজিল করেছেন, যিনি রোগ নাজিল করেছেন। (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস : ১৬৯৯)
ওপরের এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা হল, যেকোনো বিষয়ে যেকোনো ক্ষেত্রে আমরা যেন অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করি এবং অভিজ্ঞদের শরণাপন্ন হই। কারণ, যে জানে আর যে জানে না তারা কখনো এক হতে পারে না।
✓আল্লাহ তাআলা সকল রোগের ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। এমন কোনো ব্যাধি নেই, যার ওষুধ আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেননি। তবে মানুষকে রোগ নির্ণয় করে সেই ওষুধ খুঁজে পেতে অনেক সময় বেগ পেতে হয়। আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে নবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ এমন কোনো রোগ পাঠাননি, যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৭৮)
সুতরাং আধুনিক চিকিৎসায় যে বলা হয়, অমুক রোগের চিকিৎসা নেই! তামুক রোগের ঔষধ চলবে, এগুলা আসলে ব্যবসা ছাড়া কিছুই নয়।
✓ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিষয়ে আরো কিছু জরুরি মাসালা...
এক. অভিজ্ঞ চিকিৎসক, যিনি রোগ সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এবং তিনি সঠিকভাবে চিকিৎসা করেছেন। এর পরও যদি রোগীর কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ওপর কোনো দায়ভার নেই। যেমন—কোনো শিশুর খতনা করানো হলো, সেই ছেলেটি খতনার উপযুক্ত বয়সে ছিল। আর ডাক্তারও সঠিক পদ্ধতিতে তাকে খতনা করেছেন। এর পরেও শিশুটির কোনো ক্ষতি হলে চিকিৎসকের ওপর কোনো ধরনের জরিমানা আসবে না।
দুই. রোগী যদি জেনে থাকেন, চিকিৎসক একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি। এই হিসেবেই তাঁকে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছেন। অথচ তিনি একজন হাতুড়ে। এরপর যদি কোনো ধরনের অঙ্গহানি ঘটে বা ক্ষতি হয়, তাহলে ওই আনাড়ি চিকিৎসককে এর দায়ভার বহন করতে হবে। আমর ইবন শুয়াইব (রহ.) তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনায় বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি লোকের চিকিৎসা করে, অথচ সে চিকিৎসক নন, সে দায়ী থাকবে। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৪৮৩০)
[মানে এতে কোনো ক্ষতি না হলেও হাতুড়ে চিকিৎসক দায়ী থাকবে, হাদিসটা ব্যাখ্যা সহ কয়েকটা কিতাব থেকে পড়ে নিবেন!]
তিন. একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক। রোগী তাঁকে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছেন এবং চিকিৎসক সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসাও করেছেন। কিন্তু অপারেশনে তাঁর হাত কিছু ভুল করে ফেলেছে। তাহলে এক্ষেত্রে চিকিৎসক ক্ষতিপূরণ দিবে।
চার. অভিজ্ঞ চিকিৎসক, তিনি সঠিকভাবেই চিকিৎসা করেছেন। কিন্তু যার চিকিৎসা করেছেন, তার থেকে অনুমতি নেননি। বরং অনুমতিবিহীন চিকিৎসা করার পর কোনো ধরনের ক্ষতি হলে, এ ক্ষেত্রেও তাকে জরিমানা দিতে হবে। কারণ তিনি সঠিকভাবে চিকিৎসা করলেও অনুমতি না নিয়ে সীমা লঙ্ঘন করেছেন। এজন্য চিকিৎসার পূর্বে রোগীর অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
[জাদুল মাআদ অবলম্বনে।]
সুতরাং উপরের হাদিস এবং আলোচনার আলোকে একটু কমনসেন্স কাজে লাগান। যারা গুগল থেকে ককটেল রেসিপি ডাউনলোড করে সাপ্লিমেন্ট তৈরি করে বিক্রি করছেন আর ভাবছেন, জাতির বিশাল খেদমত করে ফেলছেন তারা আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন। এছাড়াও যারা ভালোভাবে না শিখেই হিজামা করছেন বা টুকটাক কিছু জ্ঞান অর্জন করেই চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা আল্লাহকে ভয় করুন! ইসলামকে এত সহজ মনে কইরেন না।
✓Dr. Nazmul Islam Noman
✓একজন মানুষ যখন অসুস্থ হয় তখন তার করণীয় কী? এ ব্যাপারে বিশ্বনবী সা. আমাদের শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন। জায়েদ ইবনে আসলাম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এক ব্যক্তির (শরীর) জখম হয়েছিল। সেই জখমে রক্ত জমে গিয়েছিল। অতঃপর লোকটি বনি আনমার গোত্রের দুই ব্যক্তিকে (চিকিৎসককে) ডেকে আনলেন।
তারা এসে (যখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে) দেখল। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের উভয়ের মধ্যে কে চিকিৎসায় বেশি অভিজ্ঞ? তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! চিকিৎসা করার ফলে কোনো উপকার আছে কি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ওষুধ তো তিনিই নাজিল করেছেন, যিনি রোগ নাজিল করেছেন। (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস : ১৬৯৯)
ওপরের এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা হল, যেকোনো বিষয়ে যেকোনো ক্ষেত্রে আমরা যেন অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করি এবং অভিজ্ঞদের শরণাপন্ন হই। কারণ, যে জানে আর যে জানে না তারা কখনো এক হতে পারে না।
✓আল্লাহ তাআলা সকল রোগের ওষুধ সৃষ্টি করেছেন। এমন কোনো ব্যাধি নেই, যার ওষুধ আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেননি। তবে মানুষকে রোগ নির্ণয় করে সেই ওষুধ খুঁজে পেতে অনেক সময় বেগ পেতে হয়। আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে নবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ এমন কোনো রোগ পাঠাননি, যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৬৭৮)
সুতরাং আধুনিক চিকিৎসায় যে বলা হয়, অমুক রোগের চিকিৎসা নেই! তামুক রোগের ঔষধ চলবে, এগুলা আসলে ব্যবসা ছাড়া কিছুই নয়।
✓ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিষয়ে আরো কিছু জরুরি মাসালা...
এক. অভিজ্ঞ চিকিৎসক, যিনি রোগ সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এবং তিনি সঠিকভাবে চিকিৎসা করেছেন। এর পরও যদি রোগীর কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ওপর কোনো দায়ভার নেই। যেমন—কোনো শিশুর খতনা করানো হলো, সেই ছেলেটি খতনার উপযুক্ত বয়সে ছিল। আর ডাক্তারও সঠিক পদ্ধতিতে তাকে খতনা করেছেন। এর পরেও শিশুটির কোনো ক্ষতি হলে চিকিৎসকের ওপর কোনো ধরনের জরিমানা আসবে না।
দুই. রোগী যদি জেনে থাকেন, চিকিৎসক একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি। এই হিসেবেই তাঁকে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছেন। অথচ তিনি একজন হাতুড়ে। এরপর যদি কোনো ধরনের অঙ্গহানি ঘটে বা ক্ষতি হয়, তাহলে ওই আনাড়ি চিকিৎসককে এর দায়ভার বহন করতে হবে। আমর ইবন শুয়াইব (রহ.) তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনায় বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি লোকের চিকিৎসা করে, অথচ সে চিকিৎসক নন, সে দায়ী থাকবে। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৪৮৩০)
[মানে এতে কোনো ক্ষতি না হলেও হাতুড়ে চিকিৎসক দায়ী থাকবে, হাদিসটা ব্যাখ্যা সহ কয়েকটা কিতাব থেকে পড়ে নিবেন!]
তিন. একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক। রোগী তাঁকে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছেন এবং চিকিৎসক সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসাও করেছেন। কিন্তু অপারেশনে তাঁর হাত কিছু ভুল করে ফেলেছে। তাহলে এক্ষেত্রে চিকিৎসক ক্ষতিপূরণ দিবে।
চার. অভিজ্ঞ চিকিৎসক, তিনি সঠিকভাবেই চিকিৎসা করেছেন। কিন্তু যার চিকিৎসা করেছেন, তার থেকে অনুমতি নেননি। বরং অনুমতিবিহীন চিকিৎসা করার পর কোনো ধরনের ক্ষতি হলে, এ ক্ষেত্রেও তাকে জরিমানা দিতে হবে। কারণ তিনি সঠিকভাবে চিকিৎসা করলেও অনুমতি না নিয়ে সীমা লঙ্ঘন করেছেন। এজন্য চিকিৎসার পূর্বে রোগীর অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
[জাদুল মাআদ অবলম্বনে।]
সুতরাং উপরের হাদিস এবং আলোচনার আলোকে একটু কমনসেন্স কাজে লাগান। যারা গুগল থেকে ককটেল রেসিপি ডাউনলোড করে সাপ্লিমেন্ট তৈরি করে বিক্রি করছেন আর ভাবছেন, জাতির বিশাল খেদমত করে ফেলছেন তারা আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন। এছাড়াও যারা ভালোভাবে না শিখেই হিজামা করছেন বা টুকটাক কিছু জ্ঞান অর্জন করেই চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা আল্লাহকে ভয় করুন! ইসলামকে এত সহজ মনে কইরেন না।
✓Dr. Nazmul Islam Noman
❤3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
মহিলা এ রোগী গ্রাম্য চিকিৎসকদের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে এখানে এসেছেন।
যেকোনো চর্ম রোগে গ্রাম্য চিকিৎসকরা সাধারণত শুরুতেই এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড এবং ডার্মোমিক্স টাইপের ঔষধ ব্যবহার করেন! ফলে রোগীর মুখ, শরীর ও পায়ে পানি আসে। এ ধরনের বিষয় বারবার হতে থাকলে একসময় কিডনি নষ্ট হবে। শেষে অবশ্য বদনাম প্রাকৃতিক চিকিৎসকদেরই হবে, কারণ এটাই সাইন্স!
যাহোক, ভিডিওটা করতে চাইছিলাম না। কিন্তু গত কয়েকদিন হল এ ধরনের রোগী বারবার আসছে, যে কারণে ভিডিও না করে পারলাম না।
শেষ কথা হল, আপনারা সচেতন না হলে কিছুই করার নাই।
#DrNazmulNoman
যেকোনো চর্ম রোগে গ্রাম্য চিকিৎসকরা সাধারণত শুরুতেই এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড এবং ডার্মোমিক্স টাইপের ঔষধ ব্যবহার করেন! ফলে রোগীর মুখ, শরীর ও পায়ে পানি আসে। এ ধরনের বিষয় বারবার হতে থাকলে একসময় কিডনি নষ্ট হবে। শেষে অবশ্য বদনাম প্রাকৃতিক চিকিৎসকদেরই হবে, কারণ এটাই সাইন্স!
যাহোক, ভিডিওটা করতে চাইছিলাম না। কিন্তু গত কয়েকদিন হল এ ধরনের রোগী বারবার আসছে, যে কারণে ভিডিও না করে পারলাম না।
শেষ কথা হল, আপনারা সচেতন না হলে কিছুই করার নাই।
#DrNazmulNoman
#প্রিবায়োটিক...
প্রিবায়োটিক খাবার বলতে বোঝায় সেইসব খাদ্য উপাদান (প্রধানত ফাইবার) যা আমাদের অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটা ডাইজেস্টিভ হিলার।
প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার গুলোর মধ্যে রয়েছে রসুন, পেঁয়াজ, পেঁয়াজ পাতা, ড্যান্ডেলিয়ন গ্রিনস, শতমূলী, আপেল, কলা, বার্লি, ওটস, শিম, সয়াবিন বীজ এবং বিভিন্ন গোটা শস্য। এই খাবারগুলো হজমশক্তি উন্নত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সামগ্রিক অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফাইনালি মনে রাখবেন, জীবন্ত প্রায় সকল খাবারই প্রিবায়োটিক এবং অধিকাংশ জীবন্ত খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই সহায়ক। তবে ক্যান্সার রোগে যারা অলরেডি আক্রান্ত হয়ে গিয়েছেন, তাদের উচিত একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়া।
প্রিবায়োটিক খাবার বলতে বোঝায় সেইসব খাদ্য উপাদান (প্রধানত ফাইবার) যা আমাদের অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটা ডাইজেস্টিভ হিলার।
প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার গুলোর মধ্যে রয়েছে রসুন, পেঁয়াজ, পেঁয়াজ পাতা, ড্যান্ডেলিয়ন গ্রিনস, শতমূলী, আপেল, কলা, বার্লি, ওটস, শিম, সয়াবিন বীজ এবং বিভিন্ন গোটা শস্য। এই খাবারগুলো হজমশক্তি উন্নত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সামগ্রিক অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফাইনালি মনে রাখবেন, জীবন্ত প্রায় সকল খাবারই প্রিবায়োটিক এবং অধিকাংশ জীবন্ত খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই সহায়ক। তবে ক্যান্সার রোগে যারা অলরেডি আক্রান্ত হয়ে গিয়েছেন, তাদের উচিত একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়া।
❤3