Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤18
রাবি-সি কেমিস্ট্রি ম্যারাথন ক্লাস
👉লাইভ ক্লাস লিংক
https://www.youtube.com/live/ly1YzHz3XA4?si=e4nV7Aadxq-B3n_z
বিগত ২০ বছরের প্রশ্ন অ্যানালাইসিস
👉লাইভ ক্লাস লিংক
https://www.youtube.com/live/ly1YzHz3XA4?si=e4nV7Aadxq-B3n_z
❤9❤🔥3
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤36🥰2🎉1
2nd Time Medical প্রিপারেশনের মারত্বক কিছু ভুল।The Truth behind the Online/Offline courses
🔗Video Link: Click Here
সেকেন্ড টাইম দেওয়ার আগে অবশ্যই জেনে নাও
🔗Video Link: Click Here
❤12
✅অনেকেরই একটি কমন প্রশ্ন
২০২৬ সালের মেডিকেল প্রশ্ন কি খুব কঠিন হতে পারে?
বাস্তবতা হলো, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন অতিরিক্ত কঠিন হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ এখানে Private Medical সংশ্লিষ্ট একটি বড় সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে থাকে।
সে কারণে সাধারণত—
✅ ৬০–৭০% প্রশ্নই হয় সহজ ও স্ট্যান্ডার্ড লেভেলের ।
তাহলে Second Timer দের করণীয় কী?
Second Timer দের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো accuracy।
নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করো যেন
✅ Easy প্রশ্নে accuracy প্রায় 100% থাকে
দেখা যায়, অনেক Second Timer
কঠিন প্রশ্ন ঠিক করলেও, সহজ প্রশ্ন ভুল করে বসে এটাই মূল সমস্যা।
✅Negative Marking নিয়ে সচেতনতা:
এখন থেকেই Negative Mark কম রাখার practice শুরু করো
আন্দাজে উত্তর দেওয়ার প্রবণতা কমাও
যেটা নিশ্চিত, সেটাই করো—এই mindset তৈরি করো
শেষ কথা
মেডিকেলে সফলতা মানে শুধু কঠিন প্রশ্ন পারা নয়,
✅ সহজ প্রশ্ন একদম ভুল না করা
✅ calculated risk নেওয়া
✅discipline + accuracy
Fight Back 2.0
WhatsApp: 01518711007
২০২৬ সালের মেডিকেল প্রশ্ন কি খুব কঠিন হতে পারে?
বাস্তবতা হলো, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন অতিরিক্ত কঠিন হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ এখানে Private Medical সংশ্লিষ্ট একটি বড় সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে থাকে।
সে কারণে সাধারণত—
✅ ৬০–৭০% প্রশ্নই হয় সহজ ও স্ট্যান্ডার্ড লেভেলের ।
তাহলে Second Timer দের করণীয় কী?
Second Timer দের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো accuracy।
নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করো যেন
✅ Easy প্রশ্নে accuracy প্রায় 100% থাকে
দেখা যায়, অনেক Second Timer
কঠিন প্রশ্ন ঠিক করলেও, সহজ প্রশ্ন ভুল করে বসে এটাই মূল সমস্যা।
✅Negative Marking নিয়ে সচেতনতা:
এখন থেকেই Negative Mark কম রাখার practice শুরু করো
আন্দাজে উত্তর দেওয়ার প্রবণতা কমাও
যেটা নিশ্চিত, সেটাই করো—এই mindset তৈরি করো
শেষ কথা
মেডিকেলে সফলতা মানে শুধু কঠিন প্রশ্ন পারা নয়,
✅ সহজ প্রশ্ন একদম ভুল না করা
✅ calculated risk নেওয়া
✅discipline + accuracy
Fight Back 2.0
WhatsApp: 01518711007
❤61
Exam Mate Official
✅অনেকেরই একটি কমন প্রশ্ন ২০২৬ সালের মেডিকেল প্রশ্ন কি খুব কঠিন হতে পারে? বাস্তবতা হলো, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন অতিরিক্ত কঠিন হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ এখানে Private Medical সংশ্লিষ্ট একটি বড় সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে থাকে। সে কারণে…
এই স্ট্র্যাটেজিটি সঠিকভাবে অনুসরণ করে সাধারণ মানের শিক্ষার্থীও মেডিকেলে চান্স পেয়ে যায়। অথচ দেখা যায়, অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী অতিরিক্ত হাবিজাবি বই পড়া আর একের পর এক কোচিং সেন্টারে ঘোরাফেরা করতে গিয়ে নিজের ফোকাস হারায় এবং শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত চান্সটি মিস করে ফেলে।
❤53😢9
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤32
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤31
Forwarded from Biology Phobia।Exam Mate
Exam Mate Youtube Channel: https://youtube.com/@exammate4741?si=QxaGRbwmJ_jdhyHd
❤9
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15🥰1
Forwarded from GK Phobia। Exam Mate
BCS_এর_বাছাইকৃত_জিকে_প্রশ্ন_.pdf
353.2 KB
(বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক)
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤50🥰8
Chemistry confusion Clear.pdf
2.8 MB
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤33
ধরো, কোষ একটা বড় শহর।
এই শহরের ভিতরে গলগি বডি হলো একটা পাঠাও রাইডার হাব 🚚
তাই গলগি বডিকে
এবং
এর কাজ হলো কোষের রাস্তা ও পরিবহন ব্যবস্থা ।এটি বিভিন্ন পদার্থ(প্রোটিন ) এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দেয়।তাকে একে কোষের পরিবহনতন্র বলে
ভ্যাকুওল হলো কোষের গুদামঘর ।
এখানে পানি, খাদ্য ও বর্জ্য পদার্থ জমা থাকে।
তাকে একে কোষের রক্ষনাগর বলা হয়।
উদ্ভিদ কোষ হোক, প্রাণী কোষ হোক কিংবা ব্যাকটেরিয়া—সবাইয়েরই প্রোটিন দরকার।
আর সেই প্রোটিন তৈরি করার কাজ করে রাইবোসোম।
তাই কোষের জগতে রাইবোসোম এমন একটা কর্মী, যাকে সব জায়গাতেই দেখা যায় 😄
এই কারণেই রাইবোসোমকে
✅ “সর্বজনীন অঙ্গানু” বলা হয়।(VV.I)
তাই ভাইরাস নিজে নিজে প্রোটিন তৈরি করতে পারে না ।
এজন্য ভাইরাস কোনো জীবের কোষে ঢুকে সেই কোষের রাইবোসোম ব্যবহার করে নিজের প্রোটিন তৈরি করে।
নিউক্লিয়াস হলো কোষের বস বা কন্ট্রোল রুম 🧠
এটি কোষের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
তাই একে কোষের মস্তিষ্ক বলা হয়।
লাইসোজোম হলো কোষের পরিষ্কারক কর্মী 🧹
✅ এটি ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গানু ও অপ্রয়োজনীয় বস্তু হজম করে।
✅ এর ভিতরে শক্তিশালী পাচক এনজাইম থাকে।
কখনো কোষ খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে, লাইসোসোম নিজের এনজাইম বের করে পুরো কোষকেই ধ্বংস করতে পারে ।
তাই একে Suicidal Squad বলা হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤33
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤11
Forwarded from GK Phobia। Exam Mate
২০২৬ সালে এটা পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤47