This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু🔥🔥।
-আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
-আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
❤8
সতর্কবার্তা: বিমান বাহিনীর যুদ্ধ বিমান কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জে ০১ হতে ১১ ডিসেম্বর ২৪ পর্যন্ত গোলাবর্ষণ করবে। এ সময় সকলকে উক্ত ফায়ারিং এলাকা পরিহার করার জন্য অনুরোধ করা হল।
কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক জাহিদ আহসান বলেন-
৫ ই আগস্ট, দুপুর ২ টা নাগাদ আমার কাছে একটা কল আসে। আমি তখন গণভবন যাচ্ছি, ফার্মগেট পার হয়ে গেছি। ফোনটি আমাকে বলে, আসিফ নজরুল স্যার আমাদেরকে, বিশেষত আসিফ-নাহিদকে খুজতেসেন। কিন্তু ফোনে পাচ্ছেন না। উনারা যেন দ্রুত স্যারকে কল দেন। আমি জিজ্ঞেস করি, কারণ কী? স্যার খুজতেসেন কেন? আমাকে বলা হয়, বঙ্গবভনে যেতে হবে।
আমি গণভবন থেকে বের হয়ে মাহফুজ ভাইর সাথে কথা বলি। জিজ্ঞেস করি, ভাই কী করবেন? আমার মনেহয় আমাদের এখন বঙ্গভবনে যাওয়া উচিত হবে না। আমরা আগে ক্যাম্পাস খোলার দাবি জানাবো। এরপর ছাত্রদের সাথে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। মাহফুজ ভাই আমাকে দৃঢ়কণ্ঠে বলেন - সবাইরে বলো, আমরা যাবো না। কোনোমতেই না।
সন্ধ্যা নাগাদ দেখি আওয়ামী দোসর জাতীয় পার্টি সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল এবং আসিফ স্যার চুপ্পুর দরবারে উপস্থিত। যেহেতু আসিফ-নাহিদরা যেতে রাজি হন নাই, সেহেতু ভূয়া তিনজনকে ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়ে নিয়ে গেছেন। যার মধ্যে একজন সাবেক ছাত্রলীগ এবং বর্তমান গণঅধিকার পরিষদ নেতা। আরেকজন ভদ্রমহিলা, যার পুরা পরিবার আওয়ামীলীগ।
ছাত্ররা কেনো বিপ্লবী সরকার করতে পারলো না, কেনো শপথ হলো না শহীদ মিনারে, এসব প্রশ্ন করাই যায়। ছাত্রদের দোষী বানানোই যায়। কিন্তু, কেনো হা-সি-না পালানোর ৬ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো ইনক্লুডিং বিএনপি-জামাত, আসিফ নজরুল স্যার চুপ্পুর দরবারে হাজিরা দিয়েছিলেন? ছাত্ররা তো সেদিন যান নাই। কেনো ৩ জনকে ভূয়া ছাত্র প্রতিনিধি বানাইতে হইলো? বিপ্লবী সরকার বানানোর সকল সম্ভাবনা ০৫ আগস্ট সন্ধ্যায়ই সিলগালা করে দেয়া হইলো।
৫ ই আগস্ট, দুপুর ২ টা নাগাদ আমার কাছে একটা কল আসে। আমি তখন গণভবন যাচ্ছি, ফার্মগেট পার হয়ে গেছি। ফোনটি আমাকে বলে, আসিফ নজরুল স্যার আমাদেরকে, বিশেষত আসিফ-নাহিদকে খুজতেসেন। কিন্তু ফোনে পাচ্ছেন না। উনারা যেন দ্রুত স্যারকে কল দেন। আমি জিজ্ঞেস করি, কারণ কী? স্যার খুজতেসেন কেন? আমাকে বলা হয়, বঙ্গবভনে যেতে হবে।
আমি গণভবন থেকে বের হয়ে মাহফুজ ভাইর সাথে কথা বলি। জিজ্ঞেস করি, ভাই কী করবেন? আমার মনেহয় আমাদের এখন বঙ্গভবনে যাওয়া উচিত হবে না। আমরা আগে ক্যাম্পাস খোলার দাবি জানাবো। এরপর ছাত্রদের সাথে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। মাহফুজ ভাই আমাকে দৃঢ়কণ্ঠে বলেন - সবাইরে বলো, আমরা যাবো না। কোনোমতেই না।
সন্ধ্যা নাগাদ দেখি আওয়ামী দোসর জাতীয় পার্টি সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল এবং আসিফ স্যার চুপ্পুর দরবারে উপস্থিত। যেহেতু আসিফ-নাহিদরা যেতে রাজি হন নাই, সেহেতু ভূয়া তিনজনকে ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়ে নিয়ে গেছেন। যার মধ্যে একজন সাবেক ছাত্রলীগ এবং বর্তমান গণঅধিকার পরিষদ নেতা। আরেকজন ভদ্রমহিলা, যার পুরা পরিবার আওয়ামীলীগ।
ছাত্ররা কেনো বিপ্লবী সরকার করতে পারলো না, কেনো শপথ হলো না শহীদ মিনারে, এসব প্রশ্ন করাই যায়। ছাত্রদের দোষী বানানোই যায়। কিন্তু, কেনো হা-সি-না পালানোর ৬ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো ইনক্লুডিং বিএনপি-জামাত, আসিফ নজরুল স্যার চুপ্পুর দরবারে হাজিরা দিয়েছিলেন? ছাত্ররা তো সেদিন যান নাই। কেনো ৩ জনকে ভূয়া ছাত্র প্রতিনিধি বানাইতে হইলো? বিপ্লবী সরকার বানানোর সকল সম্ভাবনা ০৫ আগস্ট সন্ধ্যায়ই সিলগালা করে দেয়া হইলো।
❤5👍2
আমি অবাক হয়ে যাই, মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত: ইলিয়াস হোসেনের বক্তব্য নিয়ে আসিফ নজরুল
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘একটা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ৩-৪ তারিখ (আগস্ট) রাতে আমি নাকি আর্মি অফিসারদের নিয়ে এবং ভারতের দালালদের নিয়ে মিটিং করেছি। আমি অবাক হয়ে যাই, মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত। মিথ্যা কথা কেন বলব?’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘৩ তারিখ রাতে আমি অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদের সঙ্গে শহীদ মিনারে সমাবেশ করার পর রাত ৯টা পর্যন্ত ছিলাম। তারপর বাসায় গিয়েছি। তারপর ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা মামুন, তিনি ফুলার রোডে ১৯ নম্বর বাসায় থাকেন, তার বাসায় রাতে থেকেছি। শুনেছি আমাকে মেরে ফেলা হবে অথবা গ্রেপ্তার করবে। ৪ তারিখ সন্ধ্যার পর অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের একটি প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি, যেটার ভিডিও আপনারা দেখেছেন, আমাকে সবাই বলেছে পালিয়ে যেতে। আমি আবার মোস্তফা মামুনের বাসায় চলে যাই। এখন আপনারা বলেন, সবকিছুর তো একটা সীমা আছে?’
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘একটা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ৩-৪ তারিখ (আগস্ট) রাতে আমি নাকি আর্মি অফিসারদের নিয়ে এবং ভারতের দালালদের নিয়ে মিটিং করেছি। আমি অবাক হয়ে যাই, মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত। মিথ্যা কথা কেন বলব?’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘৩ তারিখ রাতে আমি অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদের সঙ্গে শহীদ মিনারে সমাবেশ করার পর রাত ৯টা পর্যন্ত ছিলাম। তারপর বাসায় গিয়েছি। তারপর ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা মামুন, তিনি ফুলার রোডে ১৯ নম্বর বাসায় থাকেন, তার বাসায় রাতে থেকেছি। শুনেছি আমাকে মেরে ফেলা হবে অথবা গ্রেপ্তার করবে। ৪ তারিখ সন্ধ্যার পর অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের একটি প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি, যেটার ভিডিও আপনারা দেখেছেন, আমাকে সবাই বলেছে পালিয়ে যেতে। আমি আবার মোস্তফা মামুনের বাসায় চলে যাই। এখন আপনারা বলেন, সবকিছুর তো একটা সীমা আছে?’
👍5
একে তো u-19 এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন🔥
তাও আবার ফাইনালে ভারত রে হারায়
এক ঢিলে দুই পাখি😗
তাও আবার ফাইনালে ভারত রে হারায়
এক ঢিলে দুই পাখি😗
🔥7
দামেস্কের সাঈদনায়া কারাগারে আসাদ সরকার কর্তৃক নির্যাতনে নিহত বন্দিদের ছবি।
😢5❤1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
দামেস্কের গ্রামীণ একটি হাসপাতালের ফ্রিজিং রুম থেকে বেরিয়ে এলো লাশের কারখানা
❤2😢2👍1😁1