ডেইলি স্টার নির্লজ্জতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
আজকের ইভেন শহীদ সাইফুলের নামাজে জানাজার ছবি দিয়ে ক্যাপশন দিয়েছে, পুলিশ, চিন্ময়ের অনুসারী আর আইনজীবীদের মধ্যে চলা সংঘর্ষে নাকি সাইফুল নিহত হয়েছেন।
কত বড় মিস ইনফরমেশন একজন শহীদকে নিয়ে ছড়াইতেছে চিন্তা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবীকে খুন করা হয়েছে, অথচ লিখলো যে সংঘর্ষে মারা গেছে।
বোঝাতে চাইলো যে সাইফুল নিজেও মারামারি করতে গেছিলো, সংঘর্ষে মারা গেছে।
একটা টার্গেটেড খুনকে, একটা মব কিলিংকে সংঘর্ষের নাম দিয়ে আমাদের শহীদ ভাইকে ছোট করলো।
একটা পত্রিকা, পত্রিকার সম্পাদক আর পত্রিকার সাংবাদিকরা কতটা নির্লজ্জ হলে একজন শহীদকে নিয়ে নোংরামি করতে পারে, আমি জানি না। সত্যিই জানি না।
©সাসিকুর রহমান খান
আজকের ইভেন শহীদ সাইফুলের নামাজে জানাজার ছবি দিয়ে ক্যাপশন দিয়েছে, পুলিশ, চিন্ময়ের অনুসারী আর আইনজীবীদের মধ্যে চলা সংঘর্ষে নাকি সাইফুল নিহত হয়েছেন।
কত বড় মিস ইনফরমেশন একজন শহীদকে নিয়ে ছড়াইতেছে চিন্তা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবীকে খুন করা হয়েছে, অথচ লিখলো যে সংঘর্ষে মারা গেছে।
বোঝাতে চাইলো যে সাইফুল নিজেও মারামারি করতে গেছিলো, সংঘর্ষে মারা গেছে।
একটা টার্গেটেড খুনকে, একটা মব কিলিংকে সংঘর্ষের নাম দিয়ে আমাদের শহীদ ভাইকে ছোট করলো।
একটা পত্রিকা, পত্রিকার সম্পাদক আর পত্রিকার সাংবাদিকরা কতটা নির্লজ্জ হলে একজন শহীদকে নিয়ে নোংরামি করতে পারে, আমি জানি না। সত্যিই জানি না।
©সাসিকুর রহমান খান
এত বছর যে হুজুরদেরকে পা'কি'স্তা'নপন্থী ট্যাগ দিছেন কই গত দেড় যুগে কোন হুজুর গ্রেফতার হইলে পা'কি'স্তা'ন, আ'ফ'গা'নি'স্তা'ন তো বিবৃতি দেয়নি, থ্রে'ট দেয়নি।
কিন্তু এক চিন্ময় জ\'ঙ্গি কে আ'টকের পর ভারত থ্রে\'ট দিচ্ছে। আসলে কে কোন পন্থী সেটা তো পরিস্কার।
- রমজান আলী
কিন্তু এক চিন্ময় জ\'ঙ্গি কে আ'টকের পর ভারত থ্রে\'ট দিচ্ছে। আসলে কে কোন পন্থী সেটা তো পরিস্কার।
- রমজান আলী
🚨চট্টগ্রাম থেকে শহীদ সাইফুলের জানাজা শেষে ফেরার সময় সার্জিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে বহনকারী গাড়িকে চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা।
❤1
চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডে ১৩ জন শনাক্ত হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পরে তাদের মধ্য থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলো– রুমিত দাস, সুমিত দাস, নয়ন দাস, গগন দাস, বিশাল দাস, আমান দাস ও সনু মেথর।
ফুটেজে শনাক্ত অন্যরা হলো– বিকাশ দাস (১), অর্জুন দাস, বিকাশ দাস (২), বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র শুভ কান্তি দাস, সরকারি হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজের কর্মচারী কৃষ্ণ দাস ও বুনজা মেথর। তাদের মধ্যে বিকাশ দাস (১) ও বুনজা মেথরকে হত্যাকাণ্ডের হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা। বিকাশ বান্ডেল সেবক কলোনির হরিজন সম্প্রদায়ের সর্দার জগন্নাথ দাসের ছেলে। এ ঘটনায় বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুভ কান্তি দাসকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সিলভার রঙের হেলমেট, কমলা রঙের টি-শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা রামদা হাতে এক যুবক এবং লাল হেলমেট, নীল রঙের টি-শার্ট ও জিন্স পরা বঁটি হাতে আরেক যুবক আইনজীবী আলিফকে কোপাচ্ছে। পুলিশ বলছে, প্রথমজন বিকাশ দাস; দ্বিতীয় ব্যক্তি বুনজা মেথর। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তদন্তের সঙ্গে জড়িত পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, বিকাশ ও বুনজাকে ধারালো অস্ত্র হাতে দেখা গেছে। জগন্নাথের তিন ছেলেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। মহসিন কলেজের কর্মচারী কৃষ্ণও ঘটনাস্থলে ছিল।
Everyone share this post
ফুটেজে শনাক্ত অন্যরা হলো– বিকাশ দাস (১), অর্জুন দাস, বিকাশ দাস (২), বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র শুভ কান্তি দাস, সরকারি হাজী মুহম্মদ মহসিন কলেজের কর্মচারী কৃষ্ণ দাস ও বুনজা মেথর। তাদের মধ্যে বিকাশ দাস (১) ও বুনজা মেথরকে হত্যাকাণ্ডের হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা। বিকাশ বান্ডেল সেবক কলোনির হরিজন সম্প্রদায়ের সর্দার জগন্নাথ দাসের ছেলে। এ ঘটনায় বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুভ কান্তি দাসকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সিলভার রঙের হেলমেট, কমলা রঙের টি-শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা রামদা হাতে এক যুবক এবং লাল হেলমেট, নীল রঙের টি-শার্ট ও জিন্স পরা বঁটি হাতে আরেক যুবক আইনজীবী আলিফকে কোপাচ্ছে। পুলিশ বলছে, প্রথমজন বিকাশ দাস; দ্বিতীয় ব্যক্তি বুনজা মেথর। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তদন্তের সঙ্গে জড়িত পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, বিকাশ ও বুনজাকে ধারালো অস্ত্র হাতে দেখা গেছে। জগন্নাথের তিন ছেলেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। মহসিন কলেজের কর্মচারী কৃষ্ণও ঘটনাস্থলে ছিল।
Everyone share this post
👍1
বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য,
আজ রাতে ইসকন, আওয়ামীলীগ ও তার দোসররা বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালাতে পারে। এগুলোর দায় ইসলামপন্থীদের উপর চাপানোর ষড়যন্ত্র করছে তারা।
সবাইকে সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানাই। এছাড়া প্রশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে অনুরোধ জানাই। প্রশাসন যেন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনরূপ দুর্বলতা প্রদর্শন না করে।
আজ রাতে ইসকন, আওয়ামীলীগ ও তার দোসররা বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালাতে পারে। এগুলোর দায় ইসলামপন্থীদের উপর চাপানোর ষড়যন্ত্র করছে তারা।
সবাইকে সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানাই। এছাড়া প্রশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে অনুরোধ জানাই। প্রশাসন যেন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনরূপ দুর্বলতা প্রদর্শন না করে।
👎1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু🔥🔥।
-আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
-আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
❤8
সতর্কবার্তা: বিমান বাহিনীর যুদ্ধ বিমান কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জে ০১ হতে ১১ ডিসেম্বর ২৪ পর্যন্ত গোলাবর্ষণ করবে। এ সময় সকলকে উক্ত ফায়ারিং এলাকা পরিহার করার জন্য অনুরোধ করা হল।
কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক জাহিদ আহসান বলেন-
৫ ই আগস্ট, দুপুর ২ টা নাগাদ আমার কাছে একটা কল আসে। আমি তখন গণভবন যাচ্ছি, ফার্মগেট পার হয়ে গেছি। ফোনটি আমাকে বলে, আসিফ নজরুল স্যার আমাদেরকে, বিশেষত আসিফ-নাহিদকে খুজতেসেন। কিন্তু ফোনে পাচ্ছেন না। উনারা যেন দ্রুত স্যারকে কল দেন। আমি জিজ্ঞেস করি, কারণ কী? স্যার খুজতেসেন কেন? আমাকে বলা হয়, বঙ্গবভনে যেতে হবে।
আমি গণভবন থেকে বের হয়ে মাহফুজ ভাইর সাথে কথা বলি। জিজ্ঞেস করি, ভাই কী করবেন? আমার মনেহয় আমাদের এখন বঙ্গভবনে যাওয়া উচিত হবে না। আমরা আগে ক্যাম্পাস খোলার দাবি জানাবো। এরপর ছাত্রদের সাথে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। মাহফুজ ভাই আমাকে দৃঢ়কণ্ঠে বলেন - সবাইরে বলো, আমরা যাবো না। কোনোমতেই না।
সন্ধ্যা নাগাদ দেখি আওয়ামী দোসর জাতীয় পার্টি সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল এবং আসিফ স্যার চুপ্পুর দরবারে উপস্থিত। যেহেতু আসিফ-নাহিদরা যেতে রাজি হন নাই, সেহেতু ভূয়া তিনজনকে ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়ে নিয়ে গেছেন। যার মধ্যে একজন সাবেক ছাত্রলীগ এবং বর্তমান গণঅধিকার পরিষদ নেতা। আরেকজন ভদ্রমহিলা, যার পুরা পরিবার আওয়ামীলীগ।
ছাত্ররা কেনো বিপ্লবী সরকার করতে পারলো না, কেনো শপথ হলো না শহীদ মিনারে, এসব প্রশ্ন করাই যায়। ছাত্রদের দোষী বানানোই যায়। কিন্তু, কেনো হা-সি-না পালানোর ৬ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো ইনক্লুডিং বিএনপি-জামাত, আসিফ নজরুল স্যার চুপ্পুর দরবারে হাজিরা দিয়েছিলেন? ছাত্ররা তো সেদিন যান নাই। কেনো ৩ জনকে ভূয়া ছাত্র প্রতিনিধি বানাইতে হইলো? বিপ্লবী সরকার বানানোর সকল সম্ভাবনা ০৫ আগস্ট সন্ধ্যায়ই সিলগালা করে দেয়া হইলো।
৫ ই আগস্ট, দুপুর ২ টা নাগাদ আমার কাছে একটা কল আসে। আমি তখন গণভবন যাচ্ছি, ফার্মগেট পার হয়ে গেছি। ফোনটি আমাকে বলে, আসিফ নজরুল স্যার আমাদেরকে, বিশেষত আসিফ-নাহিদকে খুজতেসেন। কিন্তু ফোনে পাচ্ছেন না। উনারা যেন দ্রুত স্যারকে কল দেন। আমি জিজ্ঞেস করি, কারণ কী? স্যার খুজতেসেন কেন? আমাকে বলা হয়, বঙ্গবভনে যেতে হবে।
আমি গণভবন থেকে বের হয়ে মাহফুজ ভাইর সাথে কথা বলি। জিজ্ঞেস করি, ভাই কী করবেন? আমার মনেহয় আমাদের এখন বঙ্গভবনে যাওয়া উচিত হবে না। আমরা আগে ক্যাম্পাস খোলার দাবি জানাবো। এরপর ছাত্রদের সাথে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবো। মাহফুজ ভাই আমাকে দৃঢ়কণ্ঠে বলেন - সবাইরে বলো, আমরা যাবো না। কোনোমতেই না।
সন্ধ্যা নাগাদ দেখি আওয়ামী দোসর জাতীয় পার্টি সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল এবং আসিফ স্যার চুপ্পুর দরবারে উপস্থিত। যেহেতু আসিফ-নাহিদরা যেতে রাজি হন নাই, সেহেতু ভূয়া তিনজনকে ছাত্র প্রতিনিধি বানিয়ে নিয়ে গেছেন। যার মধ্যে একজন সাবেক ছাত্রলীগ এবং বর্তমান গণঅধিকার পরিষদ নেতা। আরেকজন ভদ্রমহিলা, যার পুরা পরিবার আওয়ামীলীগ।
ছাত্ররা কেনো বিপ্লবী সরকার করতে পারলো না, কেনো শপথ হলো না শহীদ মিনারে, এসব প্রশ্ন করাই যায়। ছাত্রদের দোষী বানানোই যায়। কিন্তু, কেনো হা-সি-না পালানোর ৬ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো ইনক্লুডিং বিএনপি-জামাত, আসিফ নজরুল স্যার চুপ্পুর দরবারে হাজিরা দিয়েছিলেন? ছাত্ররা তো সেদিন যান নাই। কেনো ৩ জনকে ভূয়া ছাত্র প্রতিনিধি বানাইতে হইলো? বিপ্লবী সরকার বানানোর সকল সম্ভাবনা ০৫ আগস্ট সন্ধ্যায়ই সিলগালা করে দেয়া হইলো।
❤5👍2
আমি অবাক হয়ে যাই, মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত: ইলিয়াস হোসেনের বক্তব্য নিয়ে আসিফ নজরুল
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘একটা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ৩-৪ তারিখ (আগস্ট) রাতে আমি নাকি আর্মি অফিসারদের নিয়ে এবং ভারতের দালালদের নিয়ে মিটিং করেছি। আমি অবাক হয়ে যাই, মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত। মিথ্যা কথা কেন বলব?’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘৩ তারিখ রাতে আমি অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদের সঙ্গে শহীদ মিনারে সমাবেশ করার পর রাত ৯টা পর্যন্ত ছিলাম। তারপর বাসায় গিয়েছি। তারপর ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা মামুন, তিনি ফুলার রোডে ১৯ নম্বর বাসায় থাকেন, তার বাসায় রাতে থেকেছি। শুনেছি আমাকে মেরে ফেলা হবে অথবা গ্রেপ্তার করবে। ৪ তারিখ সন্ধ্যার পর অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের একটি প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি, যেটার ভিডিও আপনারা দেখেছেন, আমাকে সবাই বলেছে পালিয়ে যেতে। আমি আবার মোস্তফা মামুনের বাসায় চলে যাই। এখন আপনারা বলেন, সবকিছুর তো একটা সীমা আছে?’
আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘একটা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ৩-৪ তারিখ (আগস্ট) রাতে আমি নাকি আর্মি অফিসারদের নিয়ে এবং ভারতের দালালদের নিয়ে মিটিং করেছি। আমি অবাক হয়ে যাই, মানুষের কল্পনারও একটা সীমা থাকা উচিত। মিথ্যা কথা কেন বলব?’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘৩ তারিখ রাতে আমি অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদের সঙ্গে শহীদ মিনারে সমাবেশ করার পর রাত ৯টা পর্যন্ত ছিলাম। তারপর বাসায় গিয়েছি। তারপর ঢাকা ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা মামুন, তিনি ফুলার রোডে ১৯ নম্বর বাসায় থাকেন, তার বাসায় রাতে থেকেছি। শুনেছি আমাকে মেরে ফেলা হবে অথবা গ্রেপ্তার করবে। ৪ তারিখ সন্ধ্যার পর অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের একটি প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি, যেটার ভিডিও আপনারা দেখেছেন, আমাকে সবাই বলেছে পালিয়ে যেতে। আমি আবার মোস্তফা মামুনের বাসায় চলে যাই। এখন আপনারা বলেন, সবকিছুর তো একটা সীমা আছে?’
👍5