বিএনপির কুকীর্তি
অনলাইনে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রচারসহ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগে ২০২০ সালের অক্টোবরে খাদিজা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর কলাবাগান ও নিউ মার্কেট থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। পরে ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট পুলিশ…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনামূলক বক্তব্যের জেরে দীর্ঘ ১৫ মাস কারাবন্দি থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খাদিজাতুল কুবরা এবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সমালোচনার বিরোধিতা করে মন্তব্য করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আপনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলবেন আর জনগণ আপনাকে ছেড়ে দিবে? আপনি তো রাজনীতি করার অধিকারই রাখেন না। লেইম!
খাদিজাতুল কুবরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ২০২০ সালের অক্টোবরে অনলাইনে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রচার ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুটি মামলা হয়। একই মামলায় আসামি করা হয় অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনকেও।
২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দীর্ঘ প্রায় ১৫ মাস কারাবন্দি থাকার পর ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার জামিন মঞ্জুর করেন। ওই আদেশের ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না।
পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তাকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত করে।
সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্টে খাদিজাতুল কুবরার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন, আবার কেউ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন তুলে সমালোচনা করছেন।
😁8
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের সেক্স স্ক্যান্ডালকে ভুয়া দাবি করে ফ্যাক্টচেক করলো জিয়া সাইবার ফোর্সের সিনিয়র ফ্যাক্টচেকার এবং ছাত্রদল নেতা।
😁32❤2
ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় চোখ হারানো আলিফ চৌধুরীকে দেখতে রাজধানীর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
👍28❤7
একের পর এক ফাঁস হচ্ছে বিএনপির এমপি-মন্ত্রীদের আপত্তিকর ভিডিও। কিন্তু কারও বিরুদ্ধেই এখনপর্যন্ত সরকারি ভাবে কিংবা দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যার কারণে সরকারের নীতিনির্ধারকদের বিরুদ্ধেই নানান প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা।
বিএনপি সরকারের পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান এবং সিলেট-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য এমরান আহমেদ চৌধুরীর আপত্তিকর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে ঘুরছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফাঁস হওয়া তাদের এই চাঞ্চল্যকর ভিডিওগুলো 'টক অব দ্যা কান্ট্রি'-তে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু এখনপর্যন্ত সরকার কিংবা দলের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনপ্রকার ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। নেটিজেনদের যেবিষয়ে নানান বিরূপ মন্তব্য করতেও দেখা যায়।
😁9😐5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফিরে দেখাঃ
বিএনপিকে নয়, জামায়াতকে ভয় পায় আলীগ সরকার
শুনুন রাজনৈতিক পাতিহাঁস রাশেদের মুখেই
বিএনপিকে নয়, জামায়াতকে ভয় পায় আলীগ সরকার
শুনুন রাজনৈতিক পাতিহাঁস রাশেদের মুখেই
😁23❤2👍1🎃1
বিএনপির কুকীর্তি
আমার দেশ তাহলে বাঁইচা আছে
বিএনপি কি পারবে বহিস্কার করতে?
বিএনপির কি সেই নৈতিকতা আছে?
বিএনপির কি সেই নৈতিকতা আছে?